Blog

  • Hemant Soren: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির হানা, গ্রেফতার হবেন সোরেন?

    Hemant Soren: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির হানা, গ্রেফতার হবেন সোরেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) বাড়িতে ইডির হানা। শনিবার সকালে রাঁচির কাঁকের রোডে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে যান ইডির তিন আধিকারিক। জানা গিয়েছে, আর্থিক তছরুপে অভিযুক্ত সোরেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচবার তলব করেছিল ইডি। কোনওবারই ইডির দফতরে হাজিরা দেননি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত। সেই কারণে এদিন ইডি হানা দেয় হেমন্তর সরকারি বাসভবনে।

    আর্থিক তছরুপ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ

    সূত্রের খবর, রাঁচিতে জমি কেনাবেচায় যে আর্থিক তছরুপ হয়েছিল, সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সোরেনকে। গত ডিসেম্বরে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল পঞ্চমবারের জন্য। সেবারও সশরীরে হাজিরা দেননি তিনি। এরপর ১৩ জানুয়ারি তাঁকে চিঠি দিয়ে বলা হয় তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে। ১৬-২০ জানুয়ারি যেন সময় দেন তিনি। এর পরেই পাল্টা চিঠিতে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী (Hemant Soren) জানিয়ে দেন, ২০ জানুয়ারি সরকারি বাসভবনে থাকবেন তিনি। সেই মতো এদিন কাঁকের রোডে সোরেনের বাসভবনে পৌঁছান ইডির তিন আধিকারিক।

    সোরেন অনুগামীদের বিক্ষোভ

    এদিন ইডির আধিকারিকরা সোরেনের বাসভবনে পৌঁছতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা। তবে পশ্চিমবঙ্গের সন্দেশখালির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন প্রস্তুত হয়েই এসেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। তাই বিক্ষোভের জল গড়ায়নি বেশি দূর। প্রসঙ্গত, বেআইনি জমি কেলেঙ্কারি ও অর্থ পাচার মামলায় শেষবারের মতো সমন জারির পর সোরেনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছিল ইডি। এরই পাল্টা হিসেবে ১০ জানুয়ারি সরকারের সব দফতরে কড়া নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

    সরকারের সব আধিকারিক ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ইডির আধিকারিকদের প্রশ্নের জবাব যেন দেওয়া না হয়। ইডি কোনও নথি চাইলেও, তা যেন দেওয়া না হয় বলেও জারি করা হয়েছিল নির্দেশিকা। এনিয়ে ইডির সঙ্গে ঝাড়খণ্ড সরকারের সংঘাত চরমে ওঠে। তার পর এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হানা দেয় ইডি। ওই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ধৃতদের মধ্যে একজন আবার ২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তিনি ঝাড়খণ্ডের সমাজকল্যাণ বিভাগের পরিচালক ও রাঁচির ডেপুটি কমিশনার হিসেবে কাজ করেছিলেন। এবার কি তবে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) পালা? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী

    Visva-Bharati: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva-Bharati)। ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ জারি করেছে বিবৃতি। কেন্দ্র সরকার আগেই আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবসের ছুটি ঘোষণা করেছে। ওই দিন সমস্ত কেন্দ্র সরকারের অফিস সকাল থেকে বেলা আড়াইটে পর্যন্ত কাজ হবে এবং তারপর বন্ধ হয়ে যাবে। এবার একই নির্দেশকা দিল বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষ।

    উল্লেখ্য, এই রাজ্যের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ছুটি দেওয়ার কথা বলে আবেদন করেছিলন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। চেয়েছিলেন সুদুত্তর কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত উত্তর দেননি তাঁকে। পালটা মমতা ওই দিন হাজরা থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত মহামিছিল করবেন বলে ঘোষণা করেছেন। যদিও রাজ্যের জন্য ছুটি ঘোষণা এখনও পর্যন্ত হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী জানালো (Visva-Bharati)?

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva-Bharati) কর্তৃপক্ষ গতকাল শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং অভিষেক উপলক্ষে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন, অফিস, ক্লাস এবং সকল বিভাগগুলি দুপুর আড়াইটের পর থেকে বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই কথা জানিয়ে দেন।

    একাধিক রাজ্যে ছুটি ঘোষণা

    রাজ্যের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (Visva-Bharati) যেমন ছুটি ঘোষণা হয়েছে ঠিক তেমনই একাধিক রাজ্যে ওই দিন ছুটি থাকবে। কেন্দ্র সরকার অর্ধদিবস ছুটির ঘোষণার পাশাপাশি দেশের একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যে মন্দির উদ্বোধনের দিনে ছুটি ঘোষণা করেছে। শুক্রবার মহারাষ্ট্র সরকার ২২ জানুয়ারি ছুটি ঘোষণা করেছে। একই ভাবে উত্তরপ্রদেশ, হারিয়ানা, ছত্তিশগড়, প্রদেশ সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। আবার গুজরাত, আসাম, ত্রিপুরা সরকার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করেছে। আবার বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাঙ্ক, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডায়া ছুটি ঘোষণা করেছে। ওই দিন বিদেশি লেন-দেনও বন্ধ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানকে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত টিভিতে লাইভ সম্প্রচার করা হবে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Deepfake Video: রশ্মিকা মান্দানার ডিপফেক ভিডিওকাণ্ডে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

    Deepfake Video: রশ্মিকা মান্দানার ডিপফেক ভিডিওকাণ্ডে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের নভেম্বর মাসেই অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্দানার ডিপফেক ভিডিও (Deepfake Video) ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ২ মাসের মাথায় মূল অভিযুক্তকে পাকড়াও করল দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তকে শনিবারই অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    নভেম্বর মাসেই এফআইআর দায়ের করে দিল্লি পুলিশ

    গত নভেম্বরে একটি ডিপফেক ভিডিওতে (Deepfake Video) প্রযুক্তিগত কারচুপি করে রশ্মিকার মুখ জুড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রতিবাদে সরব হন সব মহলই। নিন্দা করেন বলিউডের বিগ বি অমিতাভ বচ্চনও। গতবছরের ১০ নভেম্বর ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬৫, ৪৬৯ ধারায় এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আইনের ৬৬সি এবং ৬৬ই ধারায় দিল্লি পুলিশের তরফে সেসময়ই দায়ের করা হয় এফআইআর।

    ভিডিও নিয়ে মত জানান রশ্মিকা

    ভিডিও (Deepfake Video) ছড়িয়ে পড়ার পরে মুখ খোলেন খোদ রশ্মিকাও। সোশ্যাল মিডিয়াতে রশ্মিকা লেখেন, ‘‘আমার মুখ বসানো যে ডিপফেক ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়, তা নিয়ে কথা বলতে গিয়েও আমার খারাপ লাগছে। এই ঘটনা আমার কাছে যতটা যন্ত্রণার, ততটাই ভয়েরও। কোনও প্রযুক্তির যে এমন অপব্যবহার হতে পারে, তা ভেবেই দুশ্চিন্তা হচ্ছে।”

    তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতার করা হয় একাধিক সন্দেহভাজনকে

    এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই সন্দেহ বশত বিহারের এক কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তারপরেই চার সন্দেহভাজনকেও গ্রেফতার করা হয়। ফেসবুক, হোয়্যাটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রাম এই তিনটি সংস্থাই মেটার অধীনে। মেটার থেকে তথ্য নিয়ে তদন্ত চলতে থাকে। সেই তথ্য খোঁজ মেলে ওই চার জন সন্দেহভাজনের। তবে জানা যায়, ভিডিওটি তারা বানায়নি, নিজেদের ফেক আইডি থেকে তা আপলোড (Deepfake Video) করেছিল তারা। পরে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

    PM Modi: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় রাম মন্দির উদ্বোধনের শুভক্ষণ। দেশজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। তার আগে কাজি নজরুল ইসলামের ‘মন জপ নাম’ গানের একটি ভিডিও পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শিল্পী পায়েল কর বাঙালি। গানটি তাঁরই গাওয়া।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা…

    ভিডিও পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভগবান রামের প্রতি প্রবল ভক্তি ও শ্রদ্ধা রয়েছে। আপনাদের জন্য রইল বিখ্যাত নজরুলগীতি মন জপ নাম।” রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলায় রাম-নাম সম্বলিত গানের ভিডিও পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী আসলে চেয়েছেন রাম নিয়ে বাঙালির আবেগটাকে উসকে দিতে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। এদিন পশ্চিমবঙ্গে মিছিল করবে তৃণমূল। নাম দেওয়া হয়েছে সংহতি যাত্রা। এনিয়ে আদালতে গিয়েছিল বিজেপি। সেখানে শর্ত সাপেক্ষে মিলেছে মিছিলের অনুমতি।

    সাজো সাজো রব অযোধ্যায়

    রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। ইতিমধ্যেই শহরের দখল নিয়ে নিয়েছে এসপিজি। সোমবার ১২টা ১৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে হবে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা। সেই সময় মন্দিরের ভিতরে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সহ পাঁচজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল ও অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সত্যন্দ্র দাস। বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরে হবে আরতি। সকাল থেকে শুরু হওয়া বিশেষ পুজো শেষ হবে এই আরতিতেই। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুরো অনুষ্ঠানটি করবেন তিনটি দলে ভাগ হওয়া পুরোহিতরা। একটি দলের নেতৃত্ব দেবেন স্বামী গোবিন্দ দেবগিরি মহারাজ, আর একটি দলের নেতৃত্ব দেবেন শঙ্করাচার্য বিজেন্দ্র সরস্বতী এবং অন্য দলটি গঠিত হয়েছে কাশীর পণ্ডিতদের নিয়ে।

    প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠান ২২ জানুয়ারি হলেও, আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে গত ১৬ তারিখ থেকে। মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি-পর্ব খতিয়ে দেখতে শুক্রবার অযোধ্যায় গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অনুষ্ঠানের সব কিছুই মসৃণ গতিতে চলছে বলে জানান তিনি। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে অযোধ্যায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের সাত হাজার মানুষকে। এঁদের মধ্যে ভিভিআইপি রয়েছেন তিন হাজার। তাঁদের থাকার জন্য ভাড়া করা হয়েছে হোটেল। ব্যবস্থা করা হয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশন। তৈরি করা হয়েছে বিমান বন্দরও। ডিসেম্বরের ৩০ তারিখে এই বিমানবন্দর এবং রেলস্টেশনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গতবার ওঁর ১২ আসন নিয়েছি, এবার আরও ১২টা গেলে…’’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Shoaib-Sania Relation: ফের বিয়ে করলেন শোয়েব! ধর্মীয় আইন মেনেই বিচ্ছেদ জানালেন সানিয়ার বাবা

    Shoaib-Sania Relation: ফের বিয়ে করলেন শোয়েব! ধর্মীয় আইন মেনেই বিচ্ছেদ জানালেন সানিয়ার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছেদ হয়ে গেল শোয়েব-সানিয়ার (Shoaib-Sania Relation)। আবার বিয়ে করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব মালিক। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নিজেই জানালেন বিয়ের কথা। পাক অভিনেত্রী সানা জাভেদকে বিয়ে করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছবিও পোস্ট করেছেন শোয়েব।

    শোয়েব-সানিয়া সম্পর্ক

    ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল এক হয়েছিল চার হাত। সমাজমাধ্যমে মাঝেমধ্যেই ভেসে উঠত সানিয়া-শোয়েবের ছবি। তাঁদের একটি ছেলে রয়েছে। গত বছর থেকেই সানিয়া এবং শোয়েবের সম্পর্কে চিড় ধরার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। সানিয়ার বাড়িতে ইফতার পার্টিতে ছিলেন না শোয়েব। বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল যে সানিয়া মির্জা এবং শোয়েব মালিকের মধ্যে কিছু ঠিক নেই। তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। শোনা যাচ্ছিল বিচ্ছেদের গুঞ্জন। অবশেষে সেই গুঞ্জনে সিলমোহর পড়ল। শনিবার সকালে শোয়েব তাঁর বিয়ের ছবি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানেই দেখা যায় তিনি পাক অভিনেত্রী সানা জাভেদের সঙ্গে বিয়ে করেছেন। দুজনের পরনেই বিয়ের পোশাক। শোয়েবের পরনে সাদা শেরওয়ানি, ওড়না। অন্যদিকে সানা জাভেদের পরনে আইভরি রঙের লেহেঙ্গা, জড়োয়া গয়না। 

    ধর্মীয় আইন মেনে বিচ্ছেদ

    এদিন, সানিয়ার বাবা ইমরান মির্জা জানিয়েছেন, ধর্মীয় আইন মেনেই সানিয়া বিচ্ছেদ দিয়েছেন শোয়েবকে। একটি ওয়েবসাইটে ইমরান জানিয়েছেন, ‘খুলা’ নিয়মের মাধ্যমে সানিয়া এবং শোয়েবের ডিভোর্স হয়েছে। শরিয়ত আইন অনুযায়ী, ‘খুলা’ হল মহিলাদের একটি অধিকার যার মাধ্যমে তাঁরা একপাক্ষিক ভাবে স্বামীকে বিচ্ছেদ দিতে পারেন। সেই আইনের মাধ্যমেই সানিয়া শোয়েবকে বিচ্ছেদ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সানিয়া এখন ব্যস্ত অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ধারাভাষ্য দিতে। সমাজমাধ্যম থেকে শোয়েবের সঙ্গে নিজের  সব ছবিও সরিয়ে দিয়েছেন সানিয়া। একটিমাত্রই ছবি রয়েছে। সেখানে সানিয়া এবং শোয়েবের সঙ্গে তাঁদের ছেলে ইজহান রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ২০৩৬ অলিম্পিক্স আয়োজনে ত্রুটি রাখবে না ভারত! আশার কথা শোনালেন মোদি

    উল্লেখ্য, বুধবার সানিয়ার একটি পোস্টে বিচ্ছেদের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। ভারতের টেনিস সাম্রাজ্ঞী যে পোস্ট করেছিলেন তার অর্থ, ‘‘বিয়ে কঠিন। বিচ্ছেদও কঠিন। নিজের কঠিনটাকে বেছে নিন। স্থূলতা ভাল নয়। ফিট থাকাও কঠিন। নিজের কঠিনটা বেছে নিন। ঋণের মধ্যে থাকা কঠিন। অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন। নিজের কঠিনটা বেছে নিন। যোগাযোগ রাখা কঠিন। যোগাযোগ না রাখাও কঠিন। নিজের কঠিনটাকে বেছে নিন। জীবন কখনও সহজ নয়। এটা সব সময় কঠিন। কিন্তু আপনি আপনার কঠিনটা বেছে নিতে পারেন। বেছে নিন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে শনিতে চলছে পঞ্চম দিনের পূজাচার, কী সেই নিয়ম?

    Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে শনিতে চলছে পঞ্চম দিনের পূজাচার, কী সেই নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র আর দুই দিন পরেই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। একই ভাবে করা হবে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। তার আগে, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) শুরু হয়েছে সাতদিনের ধর্মীয় আচার, রীতি এবং পুজো অর্চনা। গত বুধবার সন্ধ্যায় নগর পরিক্রমা করে বৃহস্পতিবার গর্ভগৃহের বেদিতে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। আজ পঞ্চম তম দিন শনিবারে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ সহ নানান পুজো-অর্চনার মাধ্যমে সরযূ নদীর জল দিয়ে গর্ভগৃহ ধুয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শুরু হবে ‘অন্নধিবাস’। রাম ভক্তদের মধ্যে এই তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাম নগরীতে এখন সাজো সাজো রব।

    পঞ্চম দিনে গর্ভগৃহ ধোয়া হল সরযূর জলে

    শনিবার পঞ্চম দিনে রামলালার (Ayodhya Ram Temple) বিধি পালন, পুজোর আচার পালন, বৈদিক মন্ত্রপাঠ চলবে। আজ পবিত্র সরযূ নদীর জল এনে গর্ভগৃহকে ধুয়ে দেওয়া হল। এরপর হবে শাস্ত্র মতে ‘বাস্তু শান্তি’ এবং ‘অন্নধিবাস’ আচার। ‘বাস্তু শান্তি’ হল বৈদিক আচার অনুসারে পঞ্চভূত তথা— অগ্নি, আকাশ, বায়ু, পৃথিবী ও জলের পুজো করা। পঞ্চভূতের গুরুত্ব বাস্তুতন্ত্রে রয়েছে। বাস্তু পুজো করলে বাড়ি বা গৃহের সকল দোষ দূর হয়। এর ফলে সংসারের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি লাভ হয়। এই উদ্দেশ্যেই আজ মন্দিরের পুজো করা হল।

    চতুর্থ দিনে যজ্ঞকুণ্ডের আগুন জ্বালানো হয়

    এর আগে শুক্রবার, অর্থাৎ চতুর্থ দিনে যজ্ঞের আগুন জ্বালানো হয়। রীতি অনুযায়ী ‘অরণিমন্ত’ শুরু করতে একটি কাপড়ে দুটি কাঠ ঘষে যজ্ঞকুণ্ডের আগুন জ্বালানো হয়। এই যজ্ঞের আগুন আগামী ২২ জানুয়ারির ১২.২০ মিনিট পর্যন্ত অবিরাম প্রবাহে জ্বলবে বলে জানা গিয়েছে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে গর্ভগৃহে উপস্থিত থেকে প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ২৩ তারিখ থেকে সর্ব সাধারণ ভক্তদের জন্য রামলালার দর্শন উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    ‘নেত্রোন্মেলন’ উপাচার

    মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের এক সদস্য গবিন্দ দেব গিরি জানিয়েছেন, “২২ জানুয়ারিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ‘নেত্রোন্মেলন’ উপাচার হবে।” এরপর প্রভু রাম লালার মুখমণ্ডল উন্মোচিত করা হবে। এই নেত্রোন্মেলন’ উপাচার হল সোনার চামচে মধু লাগিয়ে রাম লালার চোখে স্পর্শ করানোর মধ্যে দিয়ে সিক্ত করা। এই আচার আনেকটা সাধারণের কাছে চোখে কাজল পরার মতোই। এই ভাবেই রামলালার অভিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • National Flag: সামনে প্রজাতন্ত্র দিবস, সামলে রাখুন জাতীয় পতাকা, ফ্ল্যাগ কোড জারি কেন্দ্রের 

    National Flag: সামনে প্রজাতন্ত্র দিবস, সামলে রাখুন জাতীয় পতাকা, ফ্ল্যাগ কোড জারি কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতাকা দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেটা যে মাধ্যমেই প্রকাশিত হোক, তার কোনও অবমাননা দেশকে অমর্যাদা করার সামিল। কিন্তু দেশের বহু নাগরিকের কাছেই সঠিক তথ্য থাকে না যে কোনও নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শিত জাতীয় পতাকা (National Flag), বিশেষত সেই জাতীয় পতাকা যদি কাগজ দিয়ে তৈরি হয়, তা কীভাবে সংরক্ষণ করতে হয়। তাই ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) আগে জনগণের উদ্দেশে একটি নির্দেশিকা জারি করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    জাতীয় পতাকা নিয়ে সচেতনতা প্রচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য় ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চগুলির জন্য ‘ফ্ল্যাগ কোড’ (National Flag) জারি হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ২০৩৬ অলিম্পিক্স আয়োজনে ত্রুটি রাখবে না ভারত! আশার কথা শোনালেন মোদি

    জাতীয় পতাকা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা

    এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় পতাকা (National Flag) দেশের আশা-আকাঙ্খার প্রতীক। এই কারণেই তা মর্যাদাপূর্ণ। জাতীয় পতাকার প্রতি মানুষের ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রশ্নাতীত। কিন্তু একই সঙ্গে সচেতনতার অভাবে জাতীয় পতাকার যথাযোগ্য ব্যবহার বিধি সম্পর্কে অনেকেই অবহিত নন। এই কারণে ‘জাতীয় মর্যাদার অবমাননা প্রতিরোধ আইন’ (The Prevention of Insults to National Honour Act. 1971) এবং জাতীয় পতাকা ব্যবহার বিধি ২০০২ জানা দরকার। এই ব্যবহারবিধির একটি ধারায় বলা হয়েছে, কাগজের তৈরি জাতীয় পতাকা, যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়, সেগুলিকে অনুষ্ঠান শেষে যেখানে সেখানে, পথে-ঘাটে ফেলে দেওয়া যাবে না।

    জাতীয় পতাকা রাখার বেশ কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। সেগুলি হল- জাতীয় পতাকা রাখতে হয় অনুভূমিক ভাবে। পতাকার গেরুয়া ও সবুজ রং ভাঁজ করতে হবে সাদা অংশের নীচে। সাদা অংশকে এমনভাবে ভাঁজ করতে হয় যাতে কেবলমাত্র পতাকা অশোকচক্র দেখা যায়। তারপর দুই তালুর উপর পতাকা ধরতে হয়, যাতে উপরের দিকে অশোকচক্র। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে পতাকা রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘গতবার ওঁর ১২ আসন নিয়েছি, এবার আরও ১২টা গেলে…’’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘গতবার ওঁর ১২ আসন নিয়েছি, এবার আরও ১২টা গেলে…’’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নাড়ছে লোকসভা ভোট। দিল্লিতে কংগ্রেস-তৃণমূল-সিপিএমের সখ্যতা সামনে এলেও, এরাজ্যে একলা চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে মুর্শিদাবাদে দলীয় বৈঠকও করেছেন। দুর্নীতি ইস্যুতে কোণঠাসা তৃণমূলের লোকসভা নির্বাচনে ভালোই ভরাডুবি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। গত ২০১৯ সালের নির্বাচনে নিজেদের জেতা ১২টি আসন খোয়াতে হয়েছিল ঘাষফুল শিবিরকে। যা  নিয়ে শনিবার কটাক্ষ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের সাংসদের দাবি, ২০১৯ সালেও একই দাবি করেছিলেন মমতা। এবারও আসন খুইয়ে ধাক্কা খেয়ে চুপ করে যেতে হবে বলে দাবি তাঁর।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    প্রতিদিনের মতো শনিবারও সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বের হন দিলীপ বাবু (Dilip Ghosh)। সেখানেই সংবাদমাধ্যম ঘিরে ধরে তাঁকে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মমতা ৪২টির মধ্যে ৪২ আসনের লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া চাইলে বলেন, ‘‘২০১৯ সালেও একই কথা বলেছিলেন উনি। কিন্তু ওঁর থেকে ১২টি আসন নিয়ে নিয়েছিলাম আমরা। আরও ১২টি আসন গেলে, ধাক্কা খেয়ে চুপ করে যাবেন উনি। আর দিল্লির কথা বলবেন না। দলকে বাঁচিয়ে রাখুন। নেতাদের বাঁচান। যেভাবে উইকেট পড়ছে, ইডি-সিবিআই যেভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে, ভোটের আগে নেতা থাকবে তো? মানুষ চাইছেন, বাংলা থেকে এঁরা সাফ হোন।’’ কংগ্রেস-তৃণমূলের দিল্লিতে দোস্তি আর রাজ্যে কুস্তি প্রসঙ্গে দিলীপবাবুর (Dilip Ghosh) সাফ বক্তব্য, ‘‘আগামী নির্বাচনে বিজেপি জিততে চলেছে। কে দু’নম্বরে আসবে, সেই নিয়ে লড়াই চলছে। এতে বিজেপি-র কিছু যায় আসে না। আমাদের দালাল ধরার প্রয়োজন নেই।’’

    প্রসঙ্গ রাম মন্দির

    রাম মন্দিরে ইতিমধ্যে ১০১ কেজি সুন্দরবনের মধু পাঠিয়েছেন দিলীপ। উদ্বোধনের দিন অযোধ্যায় দলে দলে ভক্তদের যেতে নিষেধ করেছে কেন্দ্র। এনিয়ে দিলীপবাবুর (Dilip Ghosh) বক্তব্য, ‘‘কোটি কোটি মানুষ ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা যেতে আগ্রহী। কিন্তু অযোধ্যা ছোট্ট একটি শহর। এত মানুষের জন্য ব্যবস্থাপনা অসম্ভব। বরং দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ২২ জানুয়ারির পর সব রাজ্যকে আলাদা আলাদা সময় দেওয়া হয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, ভক্তদের অযোধ্যা নিয়ে যেতে হাওড়া থেকে প্রথম আস্থা স্পেশাল ছুটবে ২৯ জানুয়ারি। এরকম পাঁচটি স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ট্রেনের টিকিটের দাম ১৬০০ টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা, ২২ তারিখ ছুটি দিল রিলায়েন্সও

    Ram Temple: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা, ২২ তারিখ ছুটি দিল রিলায়েন্সও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple)। এদিনই গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা। প্রাণ প্রতিষ্ঠার এই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে গোটা দেশে। সেজন্য অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের। এবার মন্দির উদ্বোধনের দিন ছুটি ঘোষণা করল মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। রিলায়েন্সের সমস্ত বিভাগের কর্মীরাই এদিন ছুটি পাবেন। তাঁরা যাতে মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করতে পারেন, তাই এই ছুটি।

    ছুটি ঘোষণা কোন কোন রাজ্যে?

    রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবে আচার্য লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিতের নেতৃত্বাধীন পুরোহিতের একটি দল। প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। এদিন উত্তরপ্রদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মদের দোকান খোলায় জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে মধ্যপ্রদেশের স্কুলেও। রাজ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ড্রাই ডে। ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে গোয়ার সমস্ত সরকারি স্কুল ও প্রতিষ্ঠানে। ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ছত্তিশগড়েও। ছুটি দেওয়া হয়েছে হরিয়ানায়ও। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মদ বিক্রির ওপর। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে বন্ধ থাকছে মহারাষ্ট্রের স্কুল-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে পশ্চিমবঙ্গে ওই দিন স্কুল-কলেজ-অফিস-কাছারি খোলা থাকবে আর পাঁচটা কাজের দিনের মতোই।

    প্রস্তুতি-পর্ব দেখতে গেলেন যোগী    

    এদিকে, মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি-পর্ব চলছে জোরকদমে। মন্দিরে দেব বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠানটি হবে ২২ জানুয়ারি, সোমবার। ইতিমধ্যেই সারা হয়েছে প্রস্তুতি। শুক্রবার প্রস্তুতি-পর্ব খতিয়ে দেখতে অযোধ্যায় গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি জানান, মহতি অনুষ্ঠানের সব কিছুই চলছে মসৃণ গতিতে।

    মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে অযোধ্যায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের সাত হাজার মানুষকে। এঁদের মধ্যে ভিভিআইপি রয়েছেন তিন হাজার। তাঁদের থাকার জন্য বুক করা হয়েছে হোটেল। ব্যবস্থা করা হয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশন। তৈরি করা হয়েছে বিমানবন্দরও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অভ্যাগতদের দেওয়া হবে রাম (Ram Temple) জন্মভূমির মাটি। প্রসাদের পাশাপাশি দেওয়া হবে রাম মন্দিরের রেপ্লিকা।

    আরও পড়ুুন: “মুখ্যমন্ত্রীজি, এমনটা হয়েই থাকে”, সিদ্দারামাইয়াকে কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে সাফল্য পেল আরও এক দেশ। বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে চাঁদের মাটিতে পা রাখল এবার জাপান (Japan Moon Mission)। গত ২৩ অগাস্ট ভারতের ইসরো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল। চন্দ্রযান অবতরণের পর বিক্রমের ভিতর থেকে রোভার প্রজ্ঞান বেরিয়ে এসেছিল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এই প্রথম ভারতের সফল অভিযান হয়েছিল। এবার সেই অভিযানের পর সাফল্য পেল জাপান। আগে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছে অ্যামেরিকা, তারপরে দ্বিতীয় সোভিয়েত ইউনিয়ান, তৃতীয় চিন এবং চতুর্থ স্থানে ভারত।

    চাঁদে পৌঁছাল জাপানের মুন স্নাইপার(Japan Moon Mission)

    জানা গিয়েছে, জাপানের সময় অনুযায়ী রাত ১২ টা বেজে ২০ মিনিটে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করেছে জাপানের মুন স্নাইপার (Japan Moon Sniper)। তবে জাপানের এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। কারণ, ল্যান্ডারের সফট ল্যান্ডিং হয়েছে কিনা এই নিয়ে সংশয় রয়েছে। ল্যান্ডারের অবস্থা ঠিক কেমন রয়েছে সেই বিষয়ে এখনও ঠিক করে স্পষ্ট ভাবে জানা যাচ্ছে না। এখন ল্যান্ডারের সম্পর্কে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    উপর্যুপরি, ল্যান্ডারের সোলার প্যানেল ঠিকমতো কাজ করছে না। এই কথা স্বীকার করেছে জাপান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। জানা গিয়েছে অবতরণে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান মহাকাশ স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (স্লিম)-এ সৌরশক্তি পৌঁছাচ্ছেনা। চাঁদের মাটিতে কাজ করতে গেলে সূর্যের আলো বা সৌরশক্তি একান্ত দরকার। এই ল্যান্ডারের সৌরশক্তি ব্যবহারের যন্ত্রে এক প্রকার ত্রুটি দেখা গিয়েছে। এই যন্ত্র ঠিক না হলে জাপানের চন্দ্র অভিযান প্রক্রিয়াটি পুরো ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। ফলত, জাপানের উদ্দেশ্য আদৌ সফল হবে কি না তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। 

    কী জানিয়েছে মহাকাশ সংস্থা?

    যদিও, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, সৌরশক্তির অভাবে যদি ল্যান্ডার চাঁদের (Japan Moon Mission) মাটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ নাও করতে পারে তাহলেও এই অভিযানকে সফল বলে ধরা হবে। তাঁদের দাবি এর কারণ হল, চাঁদের মাটিতে সফল ভাবে মহাকাশযান অবতরণ করেছে। চাঁদের মাটিতে নামার পর যন্ত্র বিকল হলেও পরবর্তী কাজে বাধা এসেছে মাত্র। কিন্তু চন্দ্রযানের সঠিক ভাবে অবতরণ সফল। তাই বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে জাপান চাঁদের মাটিকে ছুঁতে পেরেছে। তবে কেন সৌরশক্তির অভাবে যন্ত্র বিকল হয়েছে সেই বিষয়ে পরীক্ষা চলছে। এখন কেবলমাত্র ব্যাটারির শক্তিতেই চলছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হবে সেই শক্তি। তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে চাঁদের মাটির ছবি তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share