Blog

  • PM Modi: দীর্ঘ পথে রোড-শো, বছর শেষের আগেই অযোধ্যায় মেগা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: দীর্ঘ পথে রোড-শো, বছর শেষের আগেই অযোধ্যায় মেগা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তবে তার আগেই একবার অযোধ্যা সফরে যাচ্ছেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় রোড-শো করবেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেবেন জনসভায়ও। এদিন তাঁর হাতেই উদ্বোধন হবে অযোধ্যা বিমানবন্দরেরও। এর পরেই রোড-শো ও জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি

    অযোধ্যার কমিশনার গৌরব দয়াল বলেন, “সব বন্দোবস্ত হয়ে গিয়েছে। গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আসছেন ৩০ ডিসেম্বর। প্রথম দফার কাজ শেষে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা বিমানবন্দর ও রেলস্টেশন।” তিনি জানান, এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) প্রথমে অযোধ্যা বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। পরে অযোধ্যা রেলস্টেশন থেকে সবুজ পতাকা দেখিয়ে সূচনা করবেন ট্রেনযাত্রার। রোড-শো করে তিনি যাবেন বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত। এই রাস্তাটির দৈর্ঘ ১৫ কিলোমিটার। পরে একটি জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রামলালার দর্শন কবে থেকে?

    কমিশনার জানান, রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৫৫ হাজার মানুষ আসবেন মন্দির দর্শনে। এই দর্শনার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রশাসন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন উদ্বোধনের আগে মন্দির দর্শন হবে না। ২১ এবং ২২ জানুয়ারি ভক্তরা রামলালাকে দর্শন করতে পারবেন না। দেবদর্শন শুরু হবে ২৩ তারিখ থেকে। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে যাঁরা অযোধ্যায় আসবেন, তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত করতে হোটেলের ঘর নেওয়া হয়েছে। অনেক অতিথি চাটার্ড প্লেনে করে আসতে পারেন। তাই প্রয়াগরাজ, গোরক্ষপুর ও বারাণসীতে সেই বিমানগুলি রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। ঠিক কতগুলি চাটার্ড বিমান আসবে, তা জানা গেলে এভিয়েশন বিভাগের সঙ্গে কথা বলে তা জানাব।”

    আরও পড়ুুন: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে ‘প্রদীপ প্রজ্জ্বলন’ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে দেশের প্রতিটি বাড়িতে যাবেন বিজেপি  নেতা-কর্মীরা। অন্তত ১০ কোটি পরিবার যাতে এই কর্মসূচি পালন করেন, সেই জন্যই তাঁরা ঘুরবেন দোরে দোরে। নতুন (PM Modi) বছরের প্রথম দিন সোমবার থেকেই পথে নেমে পড়বেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া-বধ। বাইশ গজে ইতিহাস রচনা করলেন হরমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষরা। মহিলাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে (Ind-W vs Aus-W Test) হারাল ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারত মহিলা বনাম অস্ট্রেলিয়া মহিলাদের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এই ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে নেয় ভারত। এর ফলে টেস্ট সিরিজও জেতে হরমনপ্রীতরা। 

    ৪৬ বছরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়

    ১৯৭৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলছে ভারতের মহিলা দল। ৪৬ বছর পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়ের স্বাদ পেল প্রমিলা-বাহিনী (Ind-W vs Aus-W Test)। মেয়েদের ক্রিকেটে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে। দু’দলের মধ্যে এর আগে পর্যন্ত পাঁচটি সিরিজ হয়েছিল। তিন বার জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। দু’বার সিরিজ ড্র হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই প্রথম কোনও ম্যাচ ও সিরিজ জিতল ভারতের মেয়েরা।

    টস জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। যদিও পূজা ভাস্ত্রাকর, স্নেহ রাণা, দীপ্তি শর্মাদের দাপটে মাত্র ২১৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় অ্যালিসা হিলির দল। জবাবে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৪০৬ রান। স্মৃতি মান্ধানা (৭৪), রিচা ঘোষ (৫২), জেমিমা রদ্রিগিস (৭৩), দীপ্তি শর্মারা (৭৮) ভারতকে বড় রানে পৌঁছে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অজিরা তোলে ২৬১ রান। অস্ট্রেলিয়ার শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৮ রানে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্নেহ রানা ৪টি এবং রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও হরমনপ্রীত কৌর ২টি করে উইকেট নেন। ১টি উইকেট যায় পূজার ঝুলিতে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

    ১৯ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ

    প্রথম ইনিংসে ১৮৭ রানের লিড থাকার সুবাদে ভারতের সামনে মাত্র ৭৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু, ওপেনার শেফালি ভার্মা মাত্র ৪ রান করেই প্রথম ওভারে কিম গ্যারেথের শিকার হন৷ ১৩ রানের মাথায় আউট হয়ে ফেরেন টেস্ট অভিষেক করা রিচা ঘোষ। তবে, এর পর আর বেগ পেতে হয়নি হরমনপ্রীতদের। বাকি কাজ করেন স্মৃতি মান্ধানা ও জেমাইমা রড্রিগেজ। ১৮.৪ ওভারেই ২ উইকেট খুইয়ে ম্যাচে জিতে যায় ভারত। ভারতের জয় দেখতে ছুটির দিন সকাল সকালই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিলেন সমর্থকরা। বেশ কয়েক হাজার দর্শক চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছিলেন রিচাদের। জয়ের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন সকলে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোষ প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাবাস। কিন্তু সব জেনেও লাভের আশায় প্রতিবছর গাঁজার চাষ (Weed Farming) করেন কোচবিহারেরে চাষিরা। মামলা হয় অনেকের নামে, এমন কী পুলিশ গ্রেফতার করেও নিয়ে যায়। তারপরও বেশি পয়সার জন্য এই অবৈধ ভাবে রমরমিয়ে গাঁজার চাষ করতে বাধ্য হন চাষিরা। রীতিমতো দরমার বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে, কিছুটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয় গাঁজা চাষের জমিকে। নিরুপায় কিন্তু পেট চালানোর জন্য এই ভাবেই কোচবিহারে চলছে অবৈধ গাঁজার চাষ।

    চাষিদের বক্তব্য (Weed Farming)

    কোচবিহারেরে একচাষি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে আয় হয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা, আবার ওই জমিতেই গাঁজা চাষ (Weed Farming) করে আয় হয় সাত লক্ষ টাকা। এরপর এই গাঁজা চলে যায় অন্য রাজ্যে। রাজ্যে চাষের ফসলে সঠিক দাম না পাওয়ার জন্যই এইভাবে লুকিয়ে চাষ করে থাকি আমরা।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    কোচবিহার আবগারি দফতরের জেলা জেলার সুপারিনটেন্ডেন্ট সাঙ্গে ডোমা ভুটিয়া বলেন, “অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেক চাষি গাঁজার (Weed Farming) চাষ করেন। কিন্তু এটা পুরোপুরি বেআইনি। তাই পদক্ষেপ বেশ কড়া নিতে হয় আমাদের।” আবার কোচবিহার পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় তিন হাজার বিঘা গাঁজার চাষ নষ্ট করা হয়েছে।”

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই গাঁজা চাষের পিছনে চাষিদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না, এর পিছনে একটি বিরাট চক্র কাজ করে। গাছ লাগানো থেকে শুরু করে, গাছ পরিচর্যা ইত্যাদির জন্য আগে থেকে চাষিদের হাতে টাকা দেওয়া হয়। এমনকি গাছ পরিণত হওয়ার আগেই লাভের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ওই পাচারচক্রীদের কাছে। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি থেকে পাইকারীরা গ্রামের চাষিদের টাকা দিয়ে গাঁজা কিনে নেয়। লাভের টাকা তেমন ভাবে চাষিরা পান না। তবে শাস্তির সম্মুখে পড়তে হয় কেবল চাষিদেরই।

    গাঁজা চাষ বছরের দুইবার হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজা চাষ (Weed Farming) বছরে দুইবার হয়। একটি আষঢ়ি অপরটি হেমতি। ভালো মানের চাষ আষাঢ় মাসেই হয়ে থাকে। তবে এখন মণিপুরের এক রকমের দামে বেশি এক প্রকার গাঁজার চাষ হচ্ছে কোচবিহারে। কোচবিহারের তোর্সা, মানসাই, ধরলা, কালজানি নদীর দু’ধারের জমিতে চাষ হয় গাঁজা। তাই রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারকে চাষিদের খাদ্যশষ্য চাষের দিকে উৎসাহী করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের পর এবার রবিবার। ভারত মহাসাগরের পর এবার লোহিত সাগর। রবিবার ভারতের দিকে আসা অপরিশোধিত একটি তেলের ট্যাঙ্কার (India Bound Oil Tanker) লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাল ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। ট্যাঙ্কারটি যখন লোহিত সাগরে ছিল, ঘটনাটি ঘটে তখন। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে এ কথা জানিয়েছে আমেরিকা। ‘সাইবাবা’ নামের ওই ট্যাঙ্কারে ২৫ জন ভারতীয় ছিলেন। ড্রোন হানায় অবশ্য হতাহতের কোনও খবর নেই। হামলার পরে পরেই ট্যাঙ্কারে থাকা ভারতীয়রা যোগাযোগ করেন আমেরিকার একটি জাহাজের সঙ্গে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে খবরটি।

    হামলা শনিবারও

    শনিবারই ভারত মহাসাগরে ড্রোন হামলা চালানো হয় ইজরায়েলের একটি জাহাজ লক্ষ্য করে। সেটিও আসছিল ভারতের দিকে। শনিবারের ঘটনার জন্য আমেরিকা দুষছিল ইরানকে। রবিবারের ঘটনায় আমেরিকার নিশানায় ইয়েমেনের হুথি। মার্কিন সেনার তরফে (India Bound Oil Tanker) জানানো হয়েছে, এদিন দক্ষিণ লোহিত সাগরে টহল দিচ্ছিল আমেরিকার একটি যুদ্ধ জাহাজ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুটি জাহাজ, জানায় আক্রান্ত হয়েছে তারা। এই দুটির মধ্যে নরওয়ের পতাকা লাগানো জাহাজটিতে ছিল রাসায়নিক। আর ভারতের পতাকা লাগানো জাহাজটি ছিল অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার। পরে অবশ্য ভারতীয় নৌবাহিনীর জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাঙ্কারটিতে ভারতের পতাকা লাগানো ছিল না।

    আমেরিকার অভিযোগ

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর থেকে লোহিত সাগরে ড্রোন হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ আমেরিকার। নেপথ্যে রয়েছে হুথি। আমেরিকার অভিযোগ যে নিছক ভুয়ো নয়, তা হুথির বক্তব্যেই স্পষ্ট। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বক্তব্য, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে তারা রয়েছে হামাসের পক্ষে। তাই ইজরায়েলের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাবে তারা। আমেরিকার দাবি, রবিবারের আগে চারটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে তারা। ড্রোনগুলি ওড়ানো হয়েছিল হুথি অধিকৃত এলাকা থেকে। বাইডেন প্রশসনের অভিযোগ, হুথিদের সাহায্য করছে ইরান। তার জেরেই লোহিত সাগরে বেড়েছে ড্রোন হামলা। মার্কিন অভিযোগের প্রত্যুত্তরে ইরানের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ রেজা নাকদির হুমকি, আমেরিকা ও তার জোটসঙ্গীরা গাজায় অপরাধ বন্ধ না করলে ভূমধ্যসাগর, জিব্রাল্টার প্রণালী দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে (India Bound Oil Tanker)।

    আরও পড়ুুন: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু সন্ত্রাসবাদের,” তোপ জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু সন্ত্রাসবাদের,” তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু সন্ত্রাসবাদের,” তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু হয়েছিল সন্ত্রাসবাদ।” কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিয়ে আসেন আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ।

    প্রসঙ্গ: ২৬/১১ 

    বিদেশমন্ত্রীর মতে, স্বাধীনতার সময় থেকেই সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে ভারত। এর মদত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তাঁর। তাঁর ভাষণে অনিবার্যভাবে উঠে আসে ২৬/১১র মুম্বই হামলার ঘটনার কথা। ওই দিন মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল লক্সর-ই-তৈবা। সেটাকেই এদেশে সন্ত্রাসবাদের ‘পিভটাল মোমেন্ট’ বলে মনে করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ শুরু হয়েছিল সেই মুহূর্তে, যখন আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। তখন পাকিস্তান থেকে এ দেশে এসেছিল রেইডাররা।… আজ এ দেশে যা বদল হয়েছে, আমার মনে, হয় এর পটভূমিতে রয়েছে ২৬/১১-র মুম্বই হামলা।”

    প্রসঙ্গ: সীমান্তপারের সন্ত্রাস

    জয়শঙ্কর বলেন, “কেউ যদি নিরন্তর সীমান্তপারের সন্ত্রাসে মদত দিয়ে যায়, তাহলে তার পাল্টা জবাব দেওয়ার দায় বর্তায় আমাদের ওপর।” তিনি বলেন, “২৬/১১-র সন্ত্রাসবাদ দেখার আগে পর্যন্ত অনেকেই সন্ত্রাসবাদ রুখতে কী করা উচিত, তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। তাই এখন আমাদের প্রথমেই যেটি করতে হবে, সেটি হল আমাদের প্রথমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। আমি জানি, সেই লোকগুলিকে যাঁরা বলেছিলেন, আমাদের একটা স্মার্ট স্ট্র্যাটেজি ছিল সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায়। আমার মনে হয় না এর কোনও অর্থ হয়। আমার মনে হয় না যে এর কোনও কৌশলগত দিক আছে।” তার পরেই বিদেশমন্ত্রী বলেন, “কেউ যদি লাগাতার সীমান্তপার সন্ত্রাসে মদত দেয়, তাহলে আপনাকে যোগ্য জবাব অবশ্যই দিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: রেকর্ড গড়ার পথে ব্রিগেড! ‘লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠে’ মুখরিত কলকাতা

    গান্ধীনগরের লাভাড রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও এদিন যোগ দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানে তিনি (S Jaishankar) বলেছিলেন, “ভারতের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হল সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করা।” তিনি বলেন, “আমাদের নিজেদের সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তায় অবদান রাখতেও লড়তে হবে আমাদের। এটা হতে পারে আমাদের সব চেয়ে কাছের কোনও প্রতিবেশী দেশ কিংবা যাদের কাছে অর্থনৈতিক বা শক্তিগত সমর্থন পাই, তাদের প্রতি। অথবা এটা গ্লোবাল সাউথের মতো কোনও বৃহত্তর সম্পর্কের জন্য হতে পারে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোশাক বিতর্কে ফের শোরগোল পড়েছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলে। এই স্কুল শতাব্দীর পুরতান ইতিহাস বহন করে চলেছে। আগে স্কুলের পোশাকের রঙ ছিল সাদা জামা এবং কালো প্যান্ট। এবার থেকে নতুন স্কুল পোশাকের রঙ হবে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট। স্কুলের এই পোশাক বদলে রীতিমতো বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই জেলা স্কুল।

    ১৮৭৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে মাসিক ২০০ টাকা করে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে স্কুল নির্মাণ করা হয়েছিল। নানা সময়ে স্কুলের ভবন নির্মাণের বদল হলেও বদলায়নি পোশাকের রঙ। ফলে স্কুলের অভিভাবক, প্রাক্তনীরা তীব্র আপত্তি তুলেছেন পোশাকের রঙ বদলের সিদ্ধান্তে। আবার প্রাক্তনীদের কেউ কেউ বলছেন, “বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পছন্দের রঙ নীল-সাদাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্কুলের উপর। তাই অনেক ছাত্রের অভিভাবকেরা এই নীল-সাদা রঙের পোশাক ফিরিয়ে দিয়েছেন।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাতঃবিভাগে পড়ুয়াদের নীল-সাদা পোশাক দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট পরে আসতে হবে। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই পোশাক দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মাত্র আর দুই বছর পরেই এই স্কুলের সার্ধশতবর্ষ উদযাপন করা হবে। ফলে সবকিছু নতুন করে সেজে উঠছে স্কুলের পরিকাঠামো। ঠিক এই মুহূর্তে স্কুলের পোশাক বদলের সিদ্ধান্তকে অনেকেই ভালো ভাবে নিচ্ছেন না।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Jalpaiguri) প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুই বলেন, “সরকারি নিয়ম মেনে পড়ুয়াদের পোশাকের রঙ ঠিক করা হয়েছে। স্কুলের সব রকম পরিকল্পনার জন্য সরকার ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করেছে। তাই সরকারী স্কুলে সরকারের নির্দেশকে মান্যতা দিতে হবে। তবে কেউ কেউ আপত্তি করছেন। এটা ঠিক নয়।”

    নীল-সাদা রঙ নিয়ে আপত্তি একাকধিক স্কুলে

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলের পোশাকের নীল-সাদা রঙ নিয়ে যেমন আপত্তি উঠেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের একাকধিক ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলিতে নীল-সাদা রঙে আপত্তি জানিয়ে আগেও আন্দোলন হয়েছিল। যেমন- কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের পোশাকের রঙ বদল করে নীল-সাদা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়। আবার শিলিগুড়ি গার্লস স্কুল ভবনের আগের রঙ লাল-হলুদকে বদল করে নীল-সাদা করতে চাইলে ব্যাপক প্রতিবাদ ওঠে স্কুলে। এমনকি প্রতিবাদের কারণে রঙ বদলের সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gita Mass Recitation: রেকর্ড গড়ার পথে ব্রিগেড! ‘লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠে’ মুখরিত কলকাতা

    Gita Mass Recitation: রেকর্ড গড়ার পথে ব্রিগেড! ‘লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠে’ মুখরিত কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা ছিলই। গত কয়েকদিন ধরেই চড়ছিল পারদ। সেই প্রত্যাশা পূরণ করে তা কার্যত ছাপিয়ে গেল রবিবাসরীয় ব্রিগেডে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita Mass Recitation) ঘিরে রেকর্ড ভিড়ের সমাগম কলকাতায়। সমবেত শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হল শহরের আকাশ-বাতাস। লক্ষ কণ্ঠের গীতাপাঠে (Lokkho Kanthe Gita Path) গমগম করছে তিলোত্তমা।

    ব্রিগেডমুখী জনজোয়ার

    আজ সকাল থেকে কলকাতার আকাশ ছিল ঘন কুয়াশাচ্ছন্ন। দৃশ্যমানতা ছিল একেবারেই কম। যে কারণে, ব্যাঘাত ঘটেছে যাতায়াতে। কারণ, লোকাল থেকে শুরু করে ফেরি, মেট্রো থেকে শুরু করে বাস— সবকিছুর গতি ছিল স্লথ। তাও ব্রিগেডমুখী জনজোয়ারে কোনও ভাঁটা পড়েনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে বাড়তে থাকে ভিড়। শিয়ালদা-হাওড়ায় জমায়েত হয়ে শুরু করে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা উৎসাহী মানুষের। 

    সনাতনীদের মিলনমেলা

    এদিনের ব্রিগেড কর্মসূচি হল সনাতনীদের মিলনমেলা (Gita Mass Recitation)। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের একাধিক সংগঠন। গীতা পাঠের (Lokkho Kanthe Gita Path) মঞ্চে রয়েছেন দ্বারকার শঙ্করাচার্য থেকে শুরু করে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দ্বৈতাপতি ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের সাধু-সন্তরা। এই অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছেন কাতারে-কাতারে মানুষ।

    কাতারে কাতারে জমায়েত

    লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠকে কেন্দ্র করে ব্রিগেডে হাজির হন কাতারে কাতারে মানুষ। বিভিন্ন বয়সের প্রচুর মানুষ গীতাপাঠে সামিল হন। আগতদের সুবিধার্থে অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের পক্ষ থেকে হাওড়া স্টেশনের বিপরীতে মঞ্চ করা হয়। সেখান থেকেই তাঁদের গাড়ি করে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পাঠানো হয়। সাড়ে দশটায় শুরু হয় শোভা যাত্রা। তারপরই হয় আরতি। সাড়ে ১১টা অবধি চলে বেদ পাঠ। গীতাপাঠ (Lokkho Kanthe Gita Path) শুরু বেলা ১২টা ২০ মিনিটে।

    উপস্থিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব 

    এদিনের ব্রিগেড কর্মসূচি নয় কোনও রাজনৈতিক দলের। তবে, গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। গীতাপাঠের (Gita Mass Recitation) এই অনুষ্ঠানে বঙ্গ বিজেপির একাধিক বিধায়ক-সাংসদ এবং নেতাকে হাজির থাকতে দেখা গিয়েছে। দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী। সুকান্ত মজুমদার থেকে অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও গীতাপাঠে অংশ নিতে দেখ গিয়েছে। লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানে হাজির হন হিরণও।

    উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক পরিবেশের কোনও বিষয় নেই। এটা একটা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম (Gita Mass Recitation)। সেখানে সবাই অংশ নিয়েছে। আমরাও অংশ নিয়েছি। ব্রিগেড তো বাংলার কুরুক্ষেত্র।’’ এর আগে, মোদির লেখা এই চিঠি প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানকে সমর্থন জানিয়ে আমাদের উৎসাহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’’

    আরও পড়ুন: চলে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা, আজ ব্রিগেডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’

    দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সমাজকে জাগাতে হবে। এক জায়গায় সকলকে আনতে হবে।’’ সকালে শঙ্করাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তাঁর থেকে আশীর্বাদ নেওয়ার ছবি নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শেয়ারও করেছেন মেদিনীপুরের সাংসদ।

    বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, ‘‘আমরা এর রাজনীতিকরণ করিনি। মানুষের মধ্যে দৃঢ়তা আনা, মানুষের মধ্যে সামাজিক কাজকর্মে চেতনা বাড়াতে, সংগঠিত করতে এই উদ্যোগ। গীতাতে তো মানুষের জন্য কাজ করারই শ্লোক রয়েছে।” এরমধ্যেই, ব্রিগেডর কর্মসূচিতে (Gita Mass Recitation) কেন পুলিশ নেই, অথচ অদূরে পার্ক স্ট্রিটে ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন নিয়ে রাজ্যকে রাজ্যকে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি দফতরেই চলছে জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র। এলাকার ছাত্রদের দেওয়া এই জাল শংসাপত্রে রয়েছে সরকারি আধিকারিকের স্বাক্ষর। তার জেরে ছাত্রদের চুড়ান্ত ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। জাল শংসাপত্রের কারণে বর্তমানে স্কলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে পড়ুয়ারা। ঘটনায় মালাদায় (Malda) ব্যাপক শোরগোল পড়ছে। অবশ্য চাঁচল মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রক্রিয়াগত কারণের জন্যই এই ধরনের ভুল হয়েছে। বিডিওকে বিষয় দেখার জন্য বলেছি।”

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Malda)?

    রাজ্যে একের পর এক জালয়াতির চক্র ফাঁস আগেও হয়েছে। ভুয়ো ভ্যাক্সিনের চক্র, ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো সিআইডি, ভুয়ো শিক্ষক ইত্যাদি একেরপর এক জালিয়াতির ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলকে বারবার কাঠগড়ায় তুলেছে বিরোধী দলগুলি। এবার মালদার (Malda) চাঁচলের ২নং ব্লকের কাপাসিয়া এলাকার ১২ থেকে ১৫ জন তফশিলি জাতির পড়ুয়াদের জাল শংসাপত্রের কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। উল্লেখ্য ছাত্ররা নিয়ম মেনেই সরকারি ব্লকে আবেদন করেছিল। পরবর্তী সময়ে দফতর থেকেই সেই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই শংসাপত্র বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে জানতে পারা যায় শংসাপত্রগুলি জাল। এরপর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয় জেলায়।

    আভিযোগ বিডিও-র কাছে

    ঘটনায় জাল শংসাপত্রের কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এখন প্রশ্ন হল কীভাবে সরকারি দফতরে এই ভাবে জালিয়াতির কাজ চলছে? আর তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই পড়ুয়ারা প্রত্যেকেই বেছপুরা কালিকাপুর হাই স্কুলের (Malda) ছাত্রছাত্রী। ২০১৯ সালে তারা আবেদন করছিল শংসাপত্রের জন্য। এরপর ২০২০ সালে সেই শংসাপত্র পায় এবং ২ নম্বর চাঁচল ব্লকের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়। এবার এই শংসাপত্র নিয়ে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলে ব্লক অফিস থেকে বলা হয় শংসাপত্র জাল এবং তা অবৈধ। এরপর ব্লকের আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানালেও তা কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করে পড়ুয়ারা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিষয় সামনে আসতেই ইতিমধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছে। বিজেপির দাবি, “এই রাজ্যের তৃণমূল সরকার একটি জাল সরকার। তাই এটাতে নতুন কিছু নয়।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এলাকার (Malda) বিধায়ক আব্দুল রহিম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয় খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছি।”       

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Wrestling Federation of India: মানা হয়নি নিয়ম, সাসপেন্ড ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের নয়া কমিটি

    Wrestling Federation of India: মানা হয়নি নিয়ম, সাসপেন্ড ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের নয়া কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ম না মানায় ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের নতুন কমিটিকে (Wrestling Federation of India) সাসপেন্ড করা হল। রবিবার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক সাসপেন্ড করেছে সদ্যনিযুক্ত কমিটিকে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া কমিটি নিয়ম মানেনি ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের। তাই করা হচ্ছে সাসপেন্ড। প্রসঙ্গত, দিন তিনেক আগেই নির্বাচন হয় ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনে। নয়া সভাপতি হন সঞ্জয় সিংহ। বিভিন্ন পদেও বহাল করা হয় নতুন সদস্যদের।

    কুস্তি ফেডারেশনের নিজস্ব সংবিধান

    ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের নিজস্ব সংবিধান রয়েছে। এই সংবিধান অনুযায়ী, যুব কিংবা সিনিয়র স্তরের কোনও প্রতিযোগিতা আয়োজন করার আগে এগজিকিউটিভ কমিটির বৈঠক করতে হয়। তার পরেই প্রকাশ করা হয় ক্রীড়া সূচি। প্রতিটি প্রতিযোগিতার আগে প্রস্তুতির জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দিতে হয় কুস্তিগিরদের। অভিযোগ, ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের এই সব নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করেই জাতীয় অনূর্ধ্ব ১৫ ও অনূর্ধ্ব ২০ স্তরের প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করেন নবনির্বাচিত সভাপতি (Wrestling Federation of India)। তার জেরেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে নয়া কমিটি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কমিটিকে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শেষে উত্তরপ্রদেশের গোন্ডায় ওই প্রতিযোগিতা হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন সঞ্জয়।

    নয়া সভাপতি ব্রিজভূষণের ঘনিষ্ঠ!

    দীর্ঘ টালবাহানার পর শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর হয় কুস্তি ফেডারেশনের নির্বাচন। বৃহস্পতিবারই এই নির্বাচনে জিতে ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি হয়েছিলেন সঞ্জয়। তিনি বিদায়ী সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের ঘনিষ্ঠ। এই ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কুস্তি ছেড়ে দেন অলিম্পিক্স পদক জয়ী কুস্তিগির সাক্ষী মালিক। ঘটনার প্রতিবাদে সংসদের সামনের রাস্তা ‘কর্তব্য পথে’ পদ্মশ্রীর পদক ফেলে দিয়ে আসেন কুস্তিগীর বজরং। পরে তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, আমার মেয়ে ও বোনেদের বাঁচানোর জন্য লড়াই করছি। এখনও ওদের ন্যায়বিচার দিতে পারিনি। তাই আমার মনে হয় এই সম্মানের যোগ্য আমি নই। নিজের সম্মান ফেরাতে এসেছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। তাই তাঁকে যে চিঠি লিখেছি, তার ওপরেই পদকটা রেখে এসেছি।”

    আরও পড়ুুন: আচার্যের অনুমতি নেই, নেই ভিসি-ও, প্রথা ভেঙে সমাবর্তন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Jadavpur University: আচার্যের অনুমতি নেই, নেই ভিসি-ও, প্রথা ভেঙে সমাবর্তন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 

    Jadavpur University: আচার্যের অনুমতি নেই, নেই ভিসি-ও, প্রথা ভেঙে সমাবর্তন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমতি মেলেনি। আবার শনিবারই রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অপসারণ করেছেন অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে। এহেন আবহেই পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রবিবার চলছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) সমাবর্তন।

    যাদবপুরে সমাবর্তন

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের বৈঠকের পরেই শুরু হয়ে গেল শংসাপত্র প্রদান অনুষ্ঠান। শংসাপত্র ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে বুদ্ধদেবের। যেহেতু শনিবারই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে, তাই পরিবর্তন করতে হতে পারে শংসাপত্র। এদিনের অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। মঞ্চে বসে ছিলেন সদ্য অপসারিত উপাচার্য। যেহেতু আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হচ্ছে সমাবর্তন অনুষ্ঠান, তাই অনুপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান।

    জোড়া গেরোয় প্রশ্ন চিহ্ন

    প্রথমত, আচার্যের অনুমতি মেলেনি। দ্বিতীয়ত, শনিবার সমাবর্তনের (Jadavpur University) আগের রাতেই সরিয়ে দেওয়া হয় উপাচার্যকে। জোড়া গেরোয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ছিল সমাবর্তনের অনুষ্ঠান। এর পরেই আসরে নামে রাজ্য শিক্ষা দফতর। সমাবর্তন যাতে হয়, সেজন্য বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয় বুদ্ধদেবকে। এক্ষেত্রে হাতিয়ার করা হয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এককভাবে এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত (উপাচার্যকে অপসারণ) নিতে পারেন না।

    শনিবারই সরিয়ে দেওয়া হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে। তাঁকে সরিয়ে দেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন থেকে উপাচার্যকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁকে তাঁর কর্তব্য থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বুদ্ধদেব বলেন, “মুক্ত লাগছে। আমি আড়াই হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়েছি।”

    আরও পড়ুুন: চেয়েছিলেন চাকরি, বদলে চাকরিপ্রার্থীদের কপালে জুটল জেল হেফাজত!

    এদিকে, সোমবার থেকে উপাচার্যহীন হতে চলেছে রাজ্যের ১০ বিশ্ববিদ্যালয়। ছ’ মাসের মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই উপাচার্যদের। সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ, রবিবার। তাই ফাঁকা হচ্ছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির চেয়ার। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কাজে ফের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে এডুকেশনিস্ট ফোরাম।  

    প্রসঙ্গত, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে রাজ্য ও রাজ্যপালের। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে একে অপরকে তোপ দাগতেও দেখা যায় প্রকাশ্যেই। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। তাঁদের মধ্যেই কয়েকজনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে রবিবার। তাই সোমবার থেকে (Jadavpur University) উপাচার্যহীন হয়ে পড়ছে এই ১০ বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share