Blog

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানার ঘটনায় বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে

    Parliament Security Breach: সংসদ হানার ঘটনায় বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১৩ ডিসেম্বর সংসদে হানার (Parliament Security Breach) ঘটনায় দিল্লি পুলিশ আরও দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে একজন হলেন কর্নাটকের বিদ্যাগিরির বাসিন্দা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সাই কৃষ্ণ। পুলিশ সূত্রে খবর, সাই কৃষ্ণের বাবা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি। অন্যদিকে, অপর এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে উত্তর প্রদেশের জালাউন জেলা থেকে। জানা গিয়েছে, ৫০ বছর বয়সি এই ব্যক্তির নাম অতুল কুলক্ষেত্র।

    মনোরঞ্জনের রুমমেট ছিলেন সাইকৃষ্ণ

    প্রসঙ্গত, ১৩ ডিসেম্বরই ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয় মনোরঞ্জন ডি নামের এক অভিযুক্তকে। ধৃতের বাড়ি কর্নাটকের মাইসুরুতে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির রুমমেট ছিল সাই কৃষ্ণ। এটা অবশ্য এখনকার কথা নয়, যখন তারা একসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং (Parliament Security Breach) পড়ত তখনকারই কথা। সাই কৃষ্ণের নাম উঠে আসে পুলিশি তদন্তে। মনোরঞ্জনকে আটক করার পরেই তার কাছ থেকে যে তথ্য পাওয়া যায়, সেখানেই উঠে আসে সাই কৃষ্ণের নাম। পুলিশ বুঝতে পারে যে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ইতিমধ্যে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল মাইসুরুতে মনোরঞ্জনের (Parliament Security Breach) বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে জানা গিয়েছে। টানা তিনদিন ধরে চলেছে এই জিজ্ঞাসাবাদ।

    ধৃত চারজনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বৃহস্পতিবারই শেষ হচ্ছে 

    অন্যদিকে, বুধবারই গত ১৩ ডিসেম্বর সংসদের স্মোক কাণ্ডের অভিযুক্তদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। তারপর তাদের তুলে দেওয়া হয় কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের হাতে।  ছয় অভিযুক্তের মধ্যে মনোরঞ্জন আনমোল এবং সাগর এবং নীলমের পুলিশি হেফাজত বৃহস্পতিবারই শেষ হচ্ছে। চলতি সপ্তাহের সোমবারই কলকাতায় তদন্তের জন্য পৌঁছেছিলেন ৩ সদস্যের দিল্লি-পুলিশের তিন সদস্যের দল। ধৃত ললিত ঝা যেখানে যেখানে থাকতো সব জায়গাতেই তল্লাশি (Parliament Security Breach) চালায় পুলিশ কথা বলে স্থানীয়দের সঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update: বছর শেষে ফিরল করোনা আতঙ্ক! কেরলে মৃত ৩, দেশজুড়ে আক্রান্ত ২ হাজার পার

    Corona Update: বছর শেষে ফিরল করোনা আতঙ্ক! কেরলে মৃত ৩, দেশজুড়ে আক্রান্ত ২ হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শেষে ফের করোনার (Corona Update) আতঙ্ক দেশে। যার জেরে সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য একাধিক রাজ্যে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ইতিমধ্যে কেরলে করোনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এদিকে, এরাজ্যেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। কলকাতা এবং জেলার হাসপাতালগুলিতে করোনার কথা ভেবেই আসন সংরক্ষিত করা হয়েছে। রোগীদের নমুনা সংগ্রহে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর মতো বিষয়গুলির উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

    আবার সক্রিয় করোনা (Corona Update)

    বছরের শেষেই আবার করোনা (Corona Update) চোখ রাঙাতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বুঝেই রাজ্যগুলি সতর্ক মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার নতুন উপপ্রজাতি জেএন ওয়ান-এর (JN.1) প্রাদুর্ভাব ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। আরটিপিসি টেস্টে বিশেষ খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। টেস্ট পজেটিভ হলেই রোগীর নমুনা সিকোয়েন্সিংয়ে পাঠানো হয়। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে হাসপাতালগুলিকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে করোনার (Corona Update) প্রভাব বিষয়ে সতর্কতার বার্তা পেয়েই বেলাঘাটা আইডি হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। রাজ্যের তরফ থেকে জেলার হাসপাতালগুলিকে করোনার জন্য বেশ কিছু বেড সুরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধেই রোগীদের জন্য সতর্কতা এবং বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, এমআর বাঙুর হাসপাতালের বেশ কিছু বেড কোভিড রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি আইসিইউ বেডও রয়েছে।

    কেরলে আক্রান্তের মৃত্যু সব থেকে বেশি

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যার অনুযায়ী, কেরলে গত এক দিনে ২৯২ জন করোনায় (Corona Update) আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ এবং মহারাষ্ট্রে ১১। এছাড়াও তেলঙ্গানা, পাঞ্জাব, দিল্লি, গোয়া এবং গুজরাট মিলিয়ে মোট ৩৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দেশে সব মিলিয়ে মোট সক্রিয় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০,৩১১।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বালুর দফতরে হানা ইডি-র, উদ্ধার ১০ কোটির এফডি, ৮০০ ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার!

    Jyotipriya Mallick: বালুর দফতরে হানা ইডি-র, উদ্ধার ১০ কোটির এফডি, ৮০০ ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED on Ration Scam)। এবার অরণ্য ভবন থেকে উদ্ধার হলো কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি-নথি। খোদ বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) চেম্বারে হানা দিয়ে সেখান থেকে ১০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও জীবন বিমার নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার। সব নথি খতিয়ে দেখছে ইডি।

    আশঙ্কা ছিলই ইডি-র

    রেশন দুর্নীতির তদন্তে (ED on Ration Scam) নেমে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী অধুনা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালুর আরও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সম্পত্তির খোঁজে খানা-তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সেই সূত্রে, ইডির নজরে ছিল সল্টলেকে অবস্থিত বনমন্ত্রীর দফতর। তদন্তকারীদের আশঙ্কা ছিল, এখানেও অনেক সম্পত্তির হদিশ মিলতে পারে। তল্লাশি চালালে হয়ত তা উঠে আসতে পারে। সেই সব ভেবেই বুধবার, সল্টলেকের অরণ্য ভবনে হানা দেয় ইডি-র দল। আর তাতে যা উঠে আসে, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ! 

    কী কী উদ্ধার হলো?

    জানা গিয়েছে, অরণ্য ভবনের ন’তলায় বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) চেম্বার থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল সম্পত্তির নথি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর চেম্বার থেকে বালু ও তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে থাকা ১০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও এলআইসি পলিসির বন্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি সম্পত্তির নথি হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। এখানেই শেষ নয়। সম্পত্তি কেনার কাজে ব্যবহৃত ৮০০টি ‘ব্যাকডেটেড’ স্ট্যাম্প পেপার উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। এছাড়া, উদ্ধার হয়েছে ধান কেনাবেচার নথিও।

    চার্জশিটে কী ছিল?
     
    এর আগে, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার তথা আটা ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৬২ পাতার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে ইডি। তাতেও বালুর বিপুল সম্পত্তির দাবি করেছিলেন গোয়েন্দারা। ইডির দাবি ছিল, রেশন দুর্নীতিতে জ্যোতিপ্রিয়র লাভ হয়েছে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি পাওয়া গিয়েছে। চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা বাবদ রাজ্য সরকারের ৪৫০ কোটি টাকা জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পকেটে গিয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়।

    তদন্তে নতুন মোড়?

    এবার ইডির দাবি, নতুন সম্পত্তির খোঁজ মেলায় গোটা তদন্ত-প্রক্রিয়া মায় মামলায় নতুন মোড় আসবে (ED on Ration Scam)। উদ্ধার হওয়া নথি নিয়ে বালুকে (Jyotipriya Mallick) ফের প্রশ্ন করার ভাবনা রয়েছে ইডির। কী কারণে ওই বিপুল সংখ্যক ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প পেপার জড়ো করা হয়েছিল? এর সঙ্গে রেশন দুর্নীতির কোনও যোগসূত্র আছে কিনা তা, খতিয়ে দেখছেন তদনম্তকারীরা। সূত্রের খবর, বুধবারেও মন্ত্রীর আপ্ত-সহায়ককে ডেকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে বন দফতর সূত্রের খবর। পাশাপাশ, মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Criminal Law Bills: লোকসভায় পাশ ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত তিন বিল, কী আছে জানেন?  

    Criminal Law Bills: লোকসভায় পাশ ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত তিন বিল, কী আছে জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হয়ে গেল ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত (Criminal Law Bills) তিনটি বিল। কেন্দ্রের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল বিলগুলির বিষয়ে। তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী দলগুলির সাংসদরা। পরিমার্জন করে এই বিলগুলিই পেশ হয়েছিল লোকসভায়। বুধবার সংসদে পাশও হয়ে গেল বিল তিনটি।

    ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত ৩ বিল

    এদিন যে তিনটি বিল পাশ হল, সেগুলি হল ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য সংহিতা। আইপিসির পরিবর্তে এসেছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা। কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওরের পরিবর্তে এসেছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা। ইন্ডিয়ান এভিডেন্ট অ্যাক্টের পরিবর্তে এসেছে ভারতীয় সাক্ষ্য সংহিতা। বিল পেশের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “নয়া ফৌজদারি আইনের প্রতিটি দাঁড়ি, কমা খতিয়ে দেখেছি।” তিনি জানান, মোদি সরকারের তরফে এই বিল সংক্রান্ত ১৫৮টি বৈঠক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই বিলের ক্ষেত্রে ভারতীয়তা, ভারতীয় সংবিধান ও জনগণের কল্যাণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।”

    যৌন নিপীড়নের জন্য সাজা

    নয়া বিলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৭৩ (অনুমতি ছাড়াই আদালতে কার্যক্রম প্রকাশ), ৮৬ (নিষ্ঠুরতা) ধারার পরিবর্তন করা হয়েছে। ধারা ৭৩-এ অনুমতি ছাড়া ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের জন্য দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। নতুন বিলগুলিতে পুরানো ফৌজদারি আইনে ‘মানসিক অসুস্থতা’র মতো শব্দও বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ‘অস্থির মন’।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা (Criminal Law Bills) ও জঙ্গি দমনে কঠোর পদক্ষেপের উদ্দেশ্যে এই তিনটি বিল আনা হয়েছে। ব্রিটিশ জমানায় রাজদ্রোহ আইন শুধু নাম বদলে স্বাধীন ভারতে দেশদ্রোহ আইন হিসেবে কার্যকর হয়েছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই দাসত্বের সব চিহ্ন মুছে দিতে চলেছেন।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতা-উত্তরকালে নরেন্দ্র মোদির সরকারই এক মাত্র নির্বাচনের আগে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চলেছে।” তিনি জানান, সিআরপিসিতে ৪৮৪টি ধারা ছিল। বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩১টি। ১৭৭টি ধারায় পরিবর্তন করা হয়েছে। যোগ করা হয়েছে ৯টি নয়া অনুচ্ছেদ। যোগ হয়েছে ৩৯টি উপধারাও। নয়া ধারা নিয়ে আসা হয়েছে ৪৪টি।

    আরও পড়ুুন: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

    শাহ বলেন, “গণপিটুনি একটি জঘন্য অপরাধ। এই আইনে আমরা এই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান দিয়েছি। সাইবার অপরাধের জন্যও অনেক বিধান রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “নয়া তিনটি বিলে পুলিশ ও নাগরিকের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রাখা হয়েছে। এর ফলে শাস্তি দেওয়ার সংখ্যা বাড়বে। ন্যায়বিচার, সমতা ও নিরপেক্ষতার ধারণাকে বিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ফরেনসিক বিজ্ঞানও (Criminal Law Bills)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: ‘তদন্তের নামে বয়ান লিখতে চাপ দিচ্ছে সিআইডি’, বিস্ফোরক বিচারপতির স্বামী

    Justice Amrita Sinha: ‘তদন্তের নামে বয়ান লিখতে চাপ দিচ্ছে সিআইডি’, বিস্ফোরক বিচারপতির স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিআইডি তদন্তের নামে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) স্বামীর ওপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো মিলে পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে চেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী চিঠি লিখে অভিযোগ করলেন, ‘তদন্তের নামে বয়ান লিখতে চাপ দিচ্ছে সিআইডি’। এতেই রাজ্যের বিচার বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই বিচারপতির বেঞ্চে এসএসসি দুর্নীতি মামলা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসেব, লিপস এন্ড বাউন্ডস সহ বেশ কিছু পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার মামলা রয়েছে। সবটা মিলিয়ে বিচার এবং বিচারপতিকে পরোক্ষ ভাবে চাপে রাখা হচ্ছে না তো! ঠিক এমনটাই মনে করছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    বিচারপতির স্বামী কী বলেছেন চিঠিতে (Justice Amrita Sinha)?

    কলকাতার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশেনকে লেখা চিঠিতে প্রতাপ চন্দ্র অভিযোগ করেন, “যে মামলায় তাঁকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করার পরিবর্তে বিচারপতি সিনহার বিষয়ে নানান তথ্য জানান চেষ্টা করছে সিআইডি অফিসারেরা, যাতে তাঁর স্ত্রীর (Justice Amrita Sinha) বিরুদ্ধে সাজানো কথা বলতে হয়, তার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে নানা কুকথা বলে অভিযোগ করার কথা বলা হচ্ছে। এমনকি টাকা, বাড়ি গাড়ি দেওয়ার লোভ দেখানো হচ্ছে। টানা নয় ঘণ্টা ধরে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। সবটাই গভীর ষড়যন্ত্র।”

    কোন মামলায় বিচারপতির স্বামী অভিযুক্ত?

    সম্পত্তি-বিবাদ মামলায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগে সিআইডি তদন্ত করছে বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) স্বামী আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দের বিরুদ্ধে। এই মামলায় এই নিয়ে তৃতীয়বার তাঁকে তলব করা হয়েছে। জমা দিতে বলা হয়েছে মোবাইল। গত একমাসের মধ্যে ডিসেম্বরের ১, ১৬ এবং ২২ তারিখে ডাকা হয়েছে। অবশ্য আইনজীবীদের একাংশের বক্তব্য রাজনৈতিক প্রতি হিংসার কারণে বিচার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে সিআইডি।

    সিআইডির দাবি

    সিআইডির এক কর্তা জানিয়েছেন, “তদন্ত হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। আদালত জানিয়েছে কেউ যেন তদন্তের বাইরে না থাকে। কিন্তু তদন্তে অসহযোগিতা করছেন ওই বিচারপতির (Justice Amrita Sinha) স্বামী আইনজীবী। আমরা পদ্ধতি মেনেই কাজ করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূলের চক্রান্তে হচ্ছে না উড়ালপুল! আন্দোলনে বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: তৃণমূলের চক্রান্তে হচ্ছে না উড়ালপুল! আন্দোলনে বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির শিকার শিলিগুড়ির (Siliguri) এনজেপির কাছে ঠাকুরনগরে প্রস্তাবিত রেল উড়ালপুল। রাজ্য সরকার এনওসি না দেওয়ায় রেল সম্পূর্ণ নিজের খরচে এখানে উড়ালপুল তৈরি করতে পারছে না। ফলে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে নাজেহাল হচ্ছেন। রোগী নিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেলগেটে আটকে থাকছে অ্যাম্বুলেন্স। ঘটছে দুর্ঘটনাও। এই উড়ালপুল তৈরির জন্য এনওসির দাবিতে মঙ্গলবার ঠাকুরনগর রেলগেটের পাশে বিক্ষোভ-অবস্থানে বসেন এলাকার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায়।

    ঠাকুরনগরে কেন রেল উড়ালপুল দরকার? (Siliguri)

    শিলিগুড়ির (Siliguri) ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই রেলগেটে এলাকার মানুষ নিত্যদিন নাকাল হন। এনজেপি দিয়ে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ঘনঘন এই গেট বন্ধ হয়। দুপারে মানুষকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাতে তীব্র যানজট তৈরি হয়। সাহুডাঙ্গি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের সহজে শিলিগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রেলগেটই ভরসা। এই রেলগেট দিয়ে পাঁচটি জেলার মানুষের শিলিগুড়িতে যাতায়াত। সেই সব মানুষদের সঙ্গে পর্যটকরাও এই রেলগেটে আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই এলাকায় উড়ালপুলের দাবি দীর্ঘদিনের। আজও এখানে রেল উড়ালপুল না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে।

    উড়ালপুল তৈরির উদ্যোগ নেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ

    সাংসদ হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে মানুষের এই দুর্ভোগ বন্ধ করতে  উদ্যোগ নেন বিজেপির ডাঃ জয়ন্ত রায়। বিষয়টি তিনি রেলমন্ত্রীর নজরে আনেন। সবকিছু বিবেচনা করে রেলের পক্ষ থেকে ঠাকুরনগরে সম্পূর্ণ নিজের খরচে উড়ালপুল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় এক বছর আগে রেল মন্ত্রক থেকে এনওসি চেয়ে জলপাইগুড়ি জেলাশাসককে চিঠি দেওয়া হয়। অজানা কারণে জেলাশাসক তথা রাজ্য সরকার এনওসি দিচ্ছে না বলে জানান সাংসদ জয়ন্ত রায়।

    এনওসির দাবিতে বিজেপি বিধায়কের বিক্ষোভ অবস্থান

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় এনওসির দাবিতে মঙ্গলবার ঠাকুরনগর রেলগেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সঙ্গে আমরা একাধিকবার দেখা করেছি। রেলের চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করলেও তিনি এনওসি কেন দিচ্ছেন তা নিয়ে কোনও কথা বলেননি। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত। কেননা এখানকার সাংসদ, বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সব বিজেপির। সেই রাগেই তৃণমূল উড়ালপুল তৈরি করতে দিতে চাইছে না। এবার এনওসি আদায়ের জন্য যতদূর যেতে হয় আমরা যাব। 

    কী বলছে তৃণমূল?

    স্থানীয় ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায়ও স্বীকার করেছেন, এখানে রেল উড়ালপুলের দরকার। তিনি বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। আমরাও এনজেপিতে রেল আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক এনওসি দিচ্ছেন না, বিষয়টি আমার জানা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারির ২২ তারিখে উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। প্রত্যাশিতভাবেই এদিন কয়েক লক্ষ মানুষের ভিড় হবে অযোধ্যায়। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে অযোধ্যায় আগত ভক্তদের জন্য লঙ্গরখানা খুলবেন সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের বাবা হরজিৎ সিং রাসুলপুর। তিনি নিহাঙ বাবা ফকির সিং খালসার ১৮তম বংশধর। ঘটনাটি ঘটছে ১৬৫ বছর পরে। ১৮৫৮ সালে তাঁর পূর্বপুরুষ অযোধ্যার বাবরি মসজিদের দখল নিয়েছিলেন। কীভাবে? ভগবান রামের জন্মভূমির ওপর মুঘলরা মসজিদ গড়েছিলেন। ১৬৫ বছর আগে সেই মসজিদের দেওয়ালে রাম নাম খোদাই করে দিয়েছিলেন তাঁরই এক পূর্বপুরুষ।  

    মসজিদের দেওয়ালে রাম, রাম খোদাই

    ভগবান রামের প্রতি তাঁর বংশের ভক্তি অটুট। রসুলপুর জানান, ১৮৫৮ সালে ফকির সিং ও তাঁর নিহাঙ সিং সঙ্গীরা মসজিদের দেওয়ালে রাম, রাম খোদাই করে দিয়েছিলেন। উড়িয়ে দিয়েছিলেন গেরুয়া ধ্বজা। ঘটনার (Ram Mandir) প্রেক্ষিতে নভেম্বরের ৩০ তারিখে আওয়াধ পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের আগেও তিনি জানিয়েছিলেন একথা। শিখ এবং হিন্দুদের মধ্যে বিরোধ কোনওদিনই চাইতেন না ফকির সিং। রসুলপুরের দাবি, তাঁদের পরিবারের বরাবর সমান বিশ্বাস শিখ ও হিন্দু ধর্মের প্রতি। তিনি জানান, রাম মন্দিরের দাবিতে প্রথম যে এফআইআর দায়ের হয়েছিল, তা কোনও হিন্দুর বিরুদ্ধে নয়, এক শিখের বিরুদ্ধে।

    মাথায় পাগড়ি, পরেন রুদ্রাক্ষ 

    কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন রসুলপুর। তিনি জানান, একই সঙ্গে নিহাঙ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় তাঁর ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। শিখ হয়েও রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন রসুলপুর। একই শরীরে বহন করেন শিখ ও হিন্দুধর্মের প্রতীক। এই মানুষটিই মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যায় খুলবেন লঙ্গরখানা। শিখধর্মে লঙ্গরখানার চল রয়েছে। এই লঙ্গরখানার অর্থ হল নিখরচায় আগত অতিথিদের খাওয়ানো। সাম্প্রদায়িক ঐক্য ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক এই লঙ্গরখানা। রসুলপুর জানেন, মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বহু মানুষ আসবেন ঐতিহাসিক এই ঘটনার সাক্ষী হতে। লঙ্গরখানায় তাঁদের খাইয়ে তাঁদের মধ্যে সম্প্রতি ও নিঃস্বার্থ সেবার বার্তাই দিতে চান রসুলপুর।

    আরও পড়ুন: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা যখন মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের শেষ প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত, তখন রসুলপুর দিন গুনছেন কবে আসবে বহু প্রতীক্ষিত সেই দিন। যেদিন তাঁর লঙ্গরখানায় সেবা করিয়ে তামাম ভারতকে রসুলপুর মনে করিয়ে দেবেন বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের সুমহান বাণী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Mamata Meeting: ‘‘আমাদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী’’, মোদিকে ধন্যবাদ মমতার

    Modi Mamata Meeting: ‘‘আমাদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী’’, মোদিকে ধন্যবাদ মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়ার দাবি নিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Modi Mamata Meeting)। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মন দিয়ে তাঁদের কথা শুনেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন।

    ২০ মিনিটেই শেষ বৈঠক

    এদিন সকাল ১১টা নাগাদ নতুন সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে শুরু হয় বৈঠক (Modi Mamata Meeting)। মমতা ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বাংলার শাসক দল তৃণমূলের ১১ জন সাংসদ। জানা গিয়েছে, প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী ছিল বৈঠক। এর পর সেখান থেকে বেরিয়ে বিজয় চকে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। 

    মমতা জানান, বাংলার বকেয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছি (Modi Mamata Meeting)। তিনি বলেন, “বৈঠকে জানিয়েছি যে কেন্দ্রের থেকে ৫৫টি দল গিয়েছিল বাংলায়। তাদের সবরকম ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দিনের পর দিন টাকা আটকে রাখা হবে কেন?” এপ্রসঙ্গে মমতার সংযোজন, ‘‘আমি বলেছি, যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে তবে আমাদের বলুন। এতবার কেন্দ্রীয় দল এসেছে, এত বার ব্যাখ্যা দিয়েছি। আবার দেব। কিন্তু গরিবদের টাকা আটকে রাখবেন না।’’

    ‘‘কথা মন দিয়ে শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী’’

    মমতা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন (Modi Mamata Meeting)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি মন দিয়ে শুনেছেন। খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ কমিটি গড়ার কথাও বলেছেন।’’ মমতার দাবি, সব শুনে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন বিভিন্ন খাতে বকেয়া পাওনার ব্যাপারে তাঁর অফিসারররা এবং রাজ্যের অফিসাররা যৌথ বৈঠক করবেন। যা ব্যাখ্যা চাওয়ার সেই বৈঠকে চাওয়া হবে। তার পর দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প, রায় মার্কিন আদালতের

    Donald Trump: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প, রায় মার্কিন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মার্কিন মুলুকে। সেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মঙ্গলবার কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটলে তাঁর সমর্থকরা হামলা চালায়। ওই ঘটনায় ট্রাম্পের ভূমিকার জেরেই এই সিদ্ধান্ত।

    কোন ধারায় লড়তে পারবেন না ট্রাম্প?

    উল্লেখ্য, ট্রাম্পই হলেন আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, যাঁকে নির্বাচনে লড়ার অযোগ্য বলে ঘোষণা করল সে দেশের আদালত। মার্কিন সংবিধানে বলা হয়েছে, যেসব অফিসিয়াল বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত, তাঁরা পদে থাকতে পারবেন না। সংবিধানের এই ধারা অনুযায়ীই নির্বাচনে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প। জো বাইডেনের মেয়াদ শেষের মুখে। তাই মার্কিন মুলুকে চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রস্তুতি। এই নির্বাচনেই প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন ভূতপূর্ব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রাম্প যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কলোরাডোর ভোটারদের একটা অংশ। পিটিশনে তাঁরা জানান, ক্যাপিটলে হামলার জন্য নিজের সমর্থকদের প্ররোচিত করায় ট্রাম্পকে ডিসকোয়ালিফাই করতে হবে। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই আদালত জানিয়ে দিল, ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

    রিপাবলিকান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যান তিনি। তার পরেও বেশ কিছু দিন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হননি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরে অবশ্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে হোয়াইট হাউস ছেড়ে দেন। জর্জিয়ায় নির্বাচনের ফলে কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সংক্রান্ত বারোটিরও বেশি চার্জ ছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। এদিন ট্রাম্পের আইনজীবী আদালতে বলেন, ক্যাপিটলে অশান্তির ঘটনা এমন গুরুতর নয় যে, ট্রাম্পকে বিদ্রোহী বলা যাবে। আদালতের রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনে লড়াই করা থেকে ট্রাম্পকে বঞ্চিত করার আদেশ দেওয়ার অধিকার নেই আদালতের।”

    আরও পড়ুন: সংসদের চেম্বার, লবি-গ্যালারিতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ সাসপেন্ডেড সাংসদদের, জারি নির্দেশিকা  

    কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ও ‘অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়েছে ট্রাম্প শিবির। ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রচার কমিটির এক মুখপাত্র বলেন, “কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট আজ রাতে একটি সম্পূ্র্ণ ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত জারি করেছে। আমরা দ্রুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করব। এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত স্থগিত করার জন্য অনুরোধ করব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • 141 MPs Suspended: সংসদের চেম্বার, লবি-গ্যালারিতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ সাসপেন্ডেড সাংসদদের, জারি নির্দেশিকা

    141 MPs Suspended: সংসদের চেম্বার, লবি-গ্যালারিতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ সাসপেন্ডেড সাংসদদের, জারি নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংসদীয় আচরণের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভা— সংসদের (Parliament of India) দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ১৪১ জন সাংসদকে সাসেপেন্ড (141 MPs Suspended) করা হয়েছে। এবার সাসপেন্ডেড সাংসদদের ওপর বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। 

    কী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলো

    সোমবার ও মঙ্গলবার মিলিয়ে লোকসভা থেকে ৯৫ জন ও রাজ্যসভা থেকে ৪৬ জন বিরোধী সাংসদ সাসপেন্ড হয়েছেন। সাসপেন্ড (141 MPs Suspended) হওয়া সাংসদরা সংসদ ভবন (Parliament of India) চত্বরে মঙ্গলবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর পরই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সচিবালয়ের প্রকাশ করা সার্কুলারে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে ১৪১ সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তারা শুধু লোকসভা ও রাজ্যসভার কক্ষেই নন, সংসদের চেম্বার, লবি ও গ্যালারিতেও ঢুকতে পারবেন না।

    আচরণ-বিধিভঙ্গ সাংসদদের

    সংসদে বিরোধীদের হই-হট্টগোল প্রসঙ্গে মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৩ ডিসেম্বর যে ঘটনা ঘটেছে, সব জায়গায় যে ঘটনার দ্ব্যর্থহীনভাবে বিরোধিতা করা হচ্ছে, এটা সমবেতভাবে বিরোধীদের একটা ‘পলিটিকাল স্পিন’। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী মঙ্গলবার বলেন, নতুন সংসদ ভবনে (Parliament of India) কেউ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু, বিরোধীরা তা ভঙ্গ করেছেন। যে কারণে, সংসদকে পদক্ষেপ করতে হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ যথাযথ পদক্ষেপ। সাংসদরা লোকসভার স্পিকার, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও সংসদকে অপমান করেছে। সেই কারণেই তাদের সাসপেন্ড (141 MPs Suspended) করা হয়েছে।

    গত ১৩ ডিসেম্বর, সংসদে হামলার ২৩ বছর পূর্তির দিনই সংসদে স্মোক বম্ব নিয়ে হামলা চালায় দুই যুবক। ওই হামলা নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে বিবৃতির দাবিও করা হয়। তাদের দাবি না মেটায়, সংসদে ধুন্ধুমার বাঁধাতে শুরু করেন বিরোধীরা। যার জেরে, দফায় দফায় মোট ১৪১ জনকে সাসপেন্ড করা হয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share