Blog

  • Home Ministry: চিঠি এল নবান্নে! আইপিএস অফিসারদের সম্পত্তির হিসাব জানতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    Home Ministry: চিঠি এল নবান্নে! আইপিএস অফিসারদের সম্পত্তির হিসাব জানতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব রাজ্যে কর্মরত আইপিএস পুলিশ আধিকারিকদের আয়-ব্যয়ের (IPS Officer Salary) হিসাব চাইল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Home Ministry)। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন কর্মরত আইপিএস আধিকারিকদেরও এই হিসেব দাখিল করতে বলা হয়েছে। চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নতেও। দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কর্মরত সব আইপিএস পুলিশ আধিকারিককে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা দিতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে।

    কী বলা হয়েছে 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home Ministry) পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আগামী বছর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এই নিয়ে কোনও গড়িমসি বরদাস্ত করা হবে না। সম্পত্তির হিসাব দেওয়া  বাধ্যতামূলক। অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুল (কনডাক্ট) ১৯৬৮ অনুযায়ী সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে। যদিও কোনও অফিসার তা জমা না দেন সেক্ষেত্রে তাঁর ভিজিল্যান্স ক্লিয়ারেন্স খারিজ হয়ে যেতে পারে। হিসাব জমা দেওয়ার জন্য একটি পোর্টালের ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে। এই পোর্টালে গিয়ে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব দাখিল করতে পারবেন আইপিএস আধিকারিকরা। ইমেল মারফতও প্রশাসনের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    কেন নির্দেশিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ডিরেক্টর (পুলিশ) সুষমা চৌহান এই চিঠিটি পাঠিয়েছেন মুখ্যসচিবদের। এই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়, সিবিআই দফতর, ক্যাবিনেট সচিব, দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিজি-সহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগকে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আইপিএস পুলিশ আধিকারিকের আয়-ব্যয়ের হিসাব জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছে, দেশের শীর্ষ পুলিশ মহলে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতি বছর নিয়ম করে আইপিএস আধিকারিকদের আয়-ব্যয়ের হিসাব নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই পর্যায়ে দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের থেকে আয়-ব্যয়ের হিসাব তলব করেছে শাহের মন্ত্রক। তবে অন্য অংশের মতে, সম্প্রতি দেশে আইটি রেডের ঘটনা রীতিমতো চোখ কপালে তুলেছিল। এক্ষেত্রে দেশের পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা যে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না তা জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sajjan Jindal: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    Sajjan Jindal: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেএসডব্লিউ গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিল্পপতি সজ্জন জিন্দালের (Sajjan Jindal) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করলেন এক অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়ে ১০ মাস আগেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর কাছে নাকি ক্ষমা চেয়েছিলেন জিন্দল গোষ্ঠীর কর্ণধার। চেয়েছিলেন সব কিছু মিটমাট করে নিতে। কিন্তু অভিযোগকারিণী তাতে রাজি না-হওয়ায় শুরু হয়েছিল হুমকি দেওয়া। দায়ের হওয়া এফআইআর-এ তেমনটাই দাবি করেছেন ওই অভিনেত্রী। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্স থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    কী কী অভিযোগ

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর বয়ানের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৩৫৪ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। চিকিৎসক-অভিনেত্রীর অভিযোগ, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ঘটনাটি ঘটেছে। বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্সে সংস্থার সদর দফতরের পেন্টহাউসে তাঁকে ধর্ষণ করেছেন সজ্জন। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই অভিনেত্রীর অভিযোগ, ফেব্রুয়ারি মাসেই খ্যাতনামা শিল্পপতির বিরুদ্ধে থানায় গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু  পুলিশ সেই সময় তাঁর অভিযোগ নিতে চায়নি। এরপর একপ্রকার বাধ্য হয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালতের নির্দেশেই শেষ পর্যন্ত পুলিশ অভিযোগ নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী। 

    কোথায় সাক্ষাত

    তাঁর দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে ২০২১ সালে দুবাইয়ে একটি আইপিএল ম্যাচের ভিআইপি বক্সে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সজ্জনের। তারপর থেকেই আলাপ বাড়তে শুরু করে দুজনের। অভিনেত্রীর দাবি, শিল্পপতি তাঁকে বিয়ে করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন তাঁর সঙ্গে। কিন্তু পরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখেননি। কিন্তু তিনি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি সজ্জন তাঁকে ধর্ষণ করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সেই ঘটনার জন্য জিন্দাল (Sajjan Jindal) পরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেও একই সঙ্গে ঘটনার কথা কাউকে বললে তার ফল একেবারেই ভাল হবে না বলে তাঁকে হুমকিও দেন। 

    আরও পড়ুন: প্রস্তুত অযোধ্যার বিমান বন্দর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    অভিযোগ অস্বীকার

    অভিযোগকারিণীর সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন শিল্পপতি সজ্জন জিন্দাল (Sajjan Jindal) । তিনি বলেছেন, ‘‘সমস্ত অভিযোগই অসত্য এবং ভিত্তিহীন। এই তদন্তে তিনি সব রকম ভাবে সহযোগিতা করবেন।’’ তবে এ ব্যাপারে তিনি আর প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করবেন না বলেও জানিয়েছেন সজ্জন। তাঁর যুক্তি, যে হেতু মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলছে, তাই বিষয়টি নিয়ে আর কথা না বলাই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: প্রাথমিকে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য, রায় কলকাতা হাইকোর্টের   

    Calcutta High Court: প্রাথমিকে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য, রায় কলকাতা হাইকোর্টের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের আগেই বড় খবর! তবে এই খবর সুপবন বয়ে আনবে কেবল রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকদের জীবনে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত উচ্চ প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য। এমনই রায় দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। আদালতের এই রায়ের সঙ্গে সঙ্গেই আইনি জট কাটল প্রায় সাত বছর পরে।

    আদালতের রায়

    আদালতের এই রায়ে আদতে মান্যতা পেল রাজ্যের উচ্চ প্রাথমিক স্কুলগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তিই। বিচারপতি ভট্টাচার্য তাঁর রায়ে জানিয়েছেন, পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য সংরক্ষণ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। আদালত এতে হস্তক্ষেপ করবে না। আদালত জানিয়েছে, প্যারাটিচার নিয়োগ, তাঁদের কাজের ধরন, গুরুত্ব সবই অন্যদের থেকে আলাদা। তাই ২০১৭ সাল থেকে স্পেশাল এডুকেটর, সম্প্রসারক, সম্প্রসারিকা, মুখ্য সহায়ক এবং সহায়িকাদের দায়ের করা সব মামলা খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। পার্শ্বশিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আগের স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যে পার্শ্বশিক্ষকের সংখ্যা 

    প্রসঙ্গত, বাম আমলে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে পার্শ্বশিক্ষক ছিলেন ৫০ হাজারেরও বেশি। সেই সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে ঠেকেছে ৪২ হাজারে। রাজ্যে ১৪ হাজার ৩৩৯ শূন্যপদের মধ্যে পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য সংরক্ষিত ১ হাজার ৪৩৩টি পদ। প্রসঙ্গত, এতদিন এই ১ হাজার ৪৩৩টি পদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। আদালতের এই রায়ের জেরে এবার উচ্চ প্রাথমিকের চাকরিতে ১৪ হাজার ৩৩৯ শূন্যপদেই শুরু হবে কাউন্সেলিং।

    আরও পড়ুুন: ফের অ্যাম্বুলেন্সকে পথ ছেড়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়, ভাইরাল মোদির ‘কীর্তি’

    পার্শ্বশিক্ষকদের তরফে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সৌমিক প্রামাণিক। তিনি বলেন, “পার্শ্বশিক্ষকদের নিয়োগ হয় জেলা প্রজেক্ট অফিসারের মাধ্যমে। তাই তাঁদের নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ কম। তাঁদের নিয়মিত ক্লাস করতে হয়। পরীক্ষা নেওয়া ও খাতা দেখার কাজও করতে হয় তাঁদের।” এ সংক্রান্ত নথি আদালতে জমা দেন সৌমিক। আদালত সাফ জানিয়েছে, সর্বশিক্ষা মিশনের অন্তর্গত স্পেশাল এডুকেটর, সম্প্রসারক, সম্প্রসারিকা সহ সমগোত্রীয়রা যেহেতু এমন কোনও নথি দিতে পারেননি, তাই তাঁদের দায়ের করা সব মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: ফের অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছেড়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়, ভাইরাল মোদির ‘কীর্তি’  

    PM Modi: ফের অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছেড়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়, ভাইরাল মোদির ‘কীর্তি’  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তা পান ভিভিআইপির। তিনি রাস্তায় থাকলে সরে দাঁড়াতে হয় গাড়ি-ঘোড়াকে। রাস্তার দু’ ধারে আঁটসাঁট নিরাপত্তার বেড়াজাল থাকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় বেরলে এই দৃশ্যই দেখা যেত। হ্যাঁ, যেত। এখন আর যায় না। কারণ তিনি দেশবাসীর ‘চৌকিদার’ (PM Modi)। অন্তত এমনই বলে থাকেন তিনি নিজেই।

    ‘রাস্তা কারও একার নয়’

    রবিবার আরও একবার প্রমাণ মিলল তার। এদিন উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে রোড-শো করছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাস্তার দুপাশে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) এক ঝলক দেখতে চান যাঁরা, সারবদ্ধ জনতার ভিড়ে ছিলেন তাঁরাও। এমন সময় ওই রাস্তায় চলে আসে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। নিরাপত্তার পরোয়া না করেই ব্যারিকেড ভেঙে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য রাস্তা ছেড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেল প্রধানমন্ত্রীর ওই কীর্তি।

    অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছাড়ল মোদির কনভয়

    প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ক্ষেত্র বারাণসী। রবিবার সেখানে রোড-শো করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তারক্ষীতে ঠাসা কনভয়ের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পিছনে অ্যাম্বুল্যান্স দেখতে পেয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। তার পরেই কনভয়ের মাঝখান দিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে যায় অ্যাম্বুল্যান্স। দেশের প্রধানমন্ত্রীর এহেন আচরণে খুশির বাঁধ ভেঙেছে। মোদির কাছে যে নিজের জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে অন্যের জীবন বেশি দামী, এদিন ফের একবার তার প্রমাণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এ দৃশ্য আগেও দেখা গিয়েছে একাধিকবার। গত বছর ৯ নভেম্বর হিমাচল প্রদেশের কাংড়ায় দেখা গিয়েছিল একই ছবি। ৩০ সেপ্টেম্বর এই ঘটনা দেখা গিয়েছিল গুজরাটের গান্ধীনগরেও। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে আগে এক জনসভা চলাকালীন আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন এক চিত্র সাংবাদিক। বক্তব্য থামিয়ে তাঁর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স ডাকার ব্যবস্থা করেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। প্রসঙ্গত, একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে দু দিনের সফরে বারাণসী গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Jalpaiguri: বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, ভাঙল বুকের পাঁজর!

    Jalpaiguri: বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, ভাঙল বুকের পাঁজর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বুকের পাঁজর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, এই বছরেই গিয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের দৌরাত্ম্য, হামলা, মারধর, অত্যাচার এমনকি খুনের অভিযোগের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়ে উঠেছিল। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তৃণমূলের আক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে রাজ্যের বিরোধীদল বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সামনেই আবার লোকসভার ভোট ফলে রাজনৈতিক উত্তাপের আবহ যে শুরু হয়ে গিয়েছে একথা রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মী এফাজুদ্দিন। তাঁর বাড়ি হল ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ১ নং গ্রাম পাঞ্চায়েতের ঝাড় মাগুরমাড়ির পাইক পাড়া এলাকায়। আজ তিনি বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে কাজ চলছিল। পাশেই শ্রমিক ডাকতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তাঁর উপর। আক্রমণকারীদের মধ্যে ছিল এলাকার তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ রাজু নামক দুই দুষ্কৃতী। রীতিমতো দুইজন মিলে তাঁকে মাটিতে ফেলে লাথি, চড়, ঘুষির আঘাতে ব্যাপক ভাবে আহত করে। এরপর তাঁকে প্রথমে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা দেখে প্রাথমিক অনুমান করেন, তাঁর বুকের পাঁজর ভেঙে গিয়ে থাকতে পারে।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মী এফাজুদ্দিন বলেন, “আমি বাড়িতে কাজের জন্য শ্রমিকে আনতে গেলে আমাকে আজাদরা আচমকা হামলা করে। এলাকায় কেবল মাত্র বিজেপি করার জন্য আমাকে ব্যাপক মারধর করে। আমি থানায় অভিযোগ জানাবো।” পালটা তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা রাজেশ লাকরা বলেন, “আক্রান্তের পাশে আছি, অভিযুক্তদের শাস্তি চাই। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলী সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে আগরপাড়ায় যোগদান করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রক্তদান শিবিরে স্বেচ্ছায় আসা রক্তদাতাদের উৎসাহিত করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “করোনার সময় ভারত সরকার যা পরিষেবা দিয়েছে সমান্তরাল ভাবে জেপি নাড্ডা সাংগঠনিক ভাবে একই সেবার কাজ করে গিয়েছেন। দলের কর্মীরা সেই কাজে হাতে হাত মিলিয়েছেন। আমাদের কাছে সেবাই হল সংগঠন, তাই বিজেপির মূলমন্ত্র হল মানবসেবা। দলের কাছে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর সময় পর্বের একটা নির্দিষ্ট সেবার অভিমুখ রয়েছে।” সেই সঙ্গে রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের সেবামূলক কাজে উৎসাহ দিলেন তিনি।

    সেবা মূলক কাজে উৎসাহ দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রক্তদান শিবিরে যোগদান করে সেবা কাজে উৎসাহ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিজেপি শুধু ভোট চায় না, কেবল আন্দোলন করে না। মানুষের জন্য রাস্তায় কাজ করে। গাছ লাগায়, ময়লা পরিষ্কার করে, জঙ্গল কাটে আবার দিব্যাঙ্গদের সহায়ক যন্ত্রও বিতরণ করে। এছাড়াও সাফাই স্বচ্ছতার কাজ করে, ড্রেনে ব্লিচিং-ফিনাইল দেয়, এক কথায় মানুষের যথার্থ সেবা কাজ করে বিজেপি। বিজেপি সংগঠনের কেন্দ্রীয় স্তর থেকে বলা হয়েছিল, যুব মোর্চাকে ৫ হাজার বোতল রক্ত দিয়ে সেবা কাজ করতে হবে রাজ্যে। ঠিক যে সময় সারা দেশে রক্ত সরবরাহ কম থাকে, তাই সেই সময় রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার কথা বলা হয়েছে।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজের ঢাক খুব পেটান। কেন্দ্রের রেশনের চাল, আটা, গমের বস্তায় খাদ্য সাথীর ছাপ ব্যবহার করে মানুষের চোখে ধুলো দিচ্ছেন। বিজেপি কখনই ঢাক পেটায় না। আমাদের যুব মোর্চার কর্মীরা রাজ্যের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে ৮ থেকে ১০ হাজার বোতল রক্ত দিয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে আমাদের আরও ভাল ফল হতো। কিন্তু কোভিডের কারণে আমাদের প্রচার কম হয়েছে। মোদি জী আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন মানুষের জীবন আগে তাই আমরা সীমিত পরিসরে প্রচার প্রসার করেছিলাম। ক্ষমতা আমাদের কাছে বড় বিষয় নয় আগে মানুষের জীবন।

    ডায়মন্ড হারবার নিয়ে অভিষেককে তোপ দেগে শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, “২০১৮ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বেশি গণতন্ত্র লুট হয়েছে ডায়মন্ড হারবারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের একজন বিরোধীরাও মনোনয়ন জমা করতে পারেনি। ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে ১৩০০ বুথ দখল করে ৩ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছেন কয়লা ভাইপো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পে।।

  • Covid 19: কেরলে বৃদ্ধার শরীরে কোভিড উপরূপ জেএন ১, “ভয় নেই’, বলছে সরকার

    Covid 19: কেরলে বৃদ্ধার শরীরে কোভিড উপরূপ জেএন ১, “ভয় নেই’, বলছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এক বৃদ্ধার শরীরে মিলল কোভিড সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ এর জীবাণু (Covid 19)। থিরুভানাথাপুরম জেলার কারাকুলামে টিআর-পিসিআর পজিটিভ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ৮ ডিসেম্বর। নভেম্বরের ১৮ তারিখে জানা যায়, একজনের শরীরে রয়েছে করোনার জীবাণু। কেরলের এই বৃদ্ধার বয়স ৭৯ বছর। এর আগে তিনি সংক্রমিত হয়েছিলেন করোনায়।

    ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ

    এবার তাঁর শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ দেখা গিয়েছে। পরে দেখা যায়, তিনি কোভিড সাব ভ্যারিয়েন্ট জেএন ১-এ সংক্রমিত। এদিকে, রাজ্যের হাসপাতালগুলি করোনা (Covid 19) পরিস্থিতির মোকাবিলায় কতটা সক্ষম, তা জানতে মক ড্রিল করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কোভিডে সংক্রমিতের দেখা মিলছে কেরলে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ দেখে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল রোগীদের। তখনই জানা যায় বিষয়টি। এই কেসগুলির সিংহভাগেরই মৃদু লক্ষণ দেখা গিয়েছে। কোনও চিকিৎসা ছাড়াই রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন বাড়িতে থেকেই। কেরলের এন্ট্রি পয়েন্টে নজর রাখছে স্বাস্থ্য দফতর।

    কী বললেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

    এদিকে, কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ রবিবার বলেন, “জেএন ১ চিহ্নিত করা হয়েছে কোভিড ১৯ এর সাব ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে। তবে এ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।” প্রসঙ্গত, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টটির প্রথম খোঁজ মিলেছিল আমেরিকায়। গত সেপ্টেম্বরে তার খোঁজ মেলে। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় যে ক’জন কোভিড রোগী এই মুহূর্তে রয়েছেন, তাঁদের ১৫-২৯ শতাংশের দেহে রয়েছে জেএন-১ সাব ভ্যারিয়েন্ট। ভারতে এখনও পর্যন্ত একটি এই ধরনের রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তিনি হলেন কেরলের এই বৃদ্ধা।

    আরও পড়ুুন: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    জর্জ বলেন, “জেএন ১ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা একটা সাব ভ্যারিয়েন্ট। এটা এই সবে চিহ্নিত হয়েছে। এই দু তিন মাস আগে ভারতে এটা চিহ্নিত হয়েছে। সিঙ্গাপুর বিমানবন্দরে যখন করোনা পরীক্ষা করা হয়, তখনই খোঁজ মেলে এই জীবাণুর।” বীণা বলেন, “এটা ভারতের একটা অংশে রয়েছে। কেরলে এটা চিহ্নিত করা গিয়েছে। যেহেতু কেরলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা খুব ভাল। জিনোমিক সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে আমরা এটা চিহ্নিত করেছিলাম। তাই এনিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, কো-মর্বিডিটি যাঁদের রয়েছে, তাঁরা অবশ্যই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবেন। সরকারও সতর্ক রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজরও রাখছে (Covid 19)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক পুরোহিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ (Bihar Priest Killed) উদ্ধারকে ঘিরে রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জের দানাপুর এলাকা। চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে খুন করা হয় ওই পুরোহিতকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শেষে করা হয় গুলি। খুন হওয়া ওই পুলিশ কর্মীর ভাই বিজেপির প্রাক্তন ডিভিশনাল প্রেসিডেন্ট।

    জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ

    গত ছ’ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বিহারের গোপালগঞ্জের ওই পুরোহিত। শনিবার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জখম হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত পুরোহিতের নাম মনোজ কুমার। দানাপুর গ্রামের শিবমন্দিরের পুরোহিত ছিলেন তিনি। মনোজের ভাই অশোক কুমার শাহ বিজেপি নেতা। ছ’ দিন আগে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার পথে অপহরণ করা হয় মনোজকে। নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় পরিবারের তরফে। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।

    পুলিশের গাড়িতে আগুন  

    শনিবার গ্রাম লাগোয়া একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় মনোজের গুলিবিদ্ধ দেহ। স্থানীয়দের (Bihar Priest Killed) অভিযোগ, পুলিশি তদন্তে গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে মনোজের। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের গাড়িতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। অশান্তির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যান গোপালগঞ্জের এসডিপিও প্রাঞ্জল। তিনি জানান, পুরোহিত খুনের তদন্ত শুরু হয়েছে। তার পরেই নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুুন: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মনোজের আর এক ভাই সুরেশ শাহ বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম ভাই ফিরে আসবে। কিন্তু ছ’ দিন পরে দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর। আমরা জানি না কেন ওকে হত্যা করা হল।” এসডিপিও জানান, দানাপুর গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। পর্যাপ্ত পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জাতীয় সড়ক এখন পরিষ্কার। পুলিশ আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছে জনতা। এফআইআর করা হবে। তার পরেই করা (Bihar Priest Killed) হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) জেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার আবেদনও জানিয়েছেন বিরোধীদের কাছে। এবার ওই ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। ঘটনার তদন্তে গঠিত হয়েছে সংসদীয় তদন্ত কমিটি। সংসদ চত্বরের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে এবং বুধবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে, উচ্চ পর্যায়ের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা।

    সাংসদদের চিঠি স্পিকারের

    বিষয়টি জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছেন তিনি। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি দ্রুত রিপোর্ট দেবে এবং সেই রিপোর্ট সাংসদদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন স্পিকার। সংসদ চত্বরের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব সাংসদদের ওপরও বর্তায় বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতোই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার পরামর্শও দিয়েছেন ওম বিড়লা। চলছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশন চলাকালীন সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে স্পিকারের হাতে।

    কী লিখলেন স্পিকার?

    তাই সম্প্রতি বিভিন্ন দলের যে ১৪ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, লোকসভাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও চিঠিতে জানিয়েছেন স্পিকার। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    স্পিকার লিখেছেন, অতীতেও সংসদে দর্শকদের গ্যালারিতে পিস্তল নিয়ে ঢোকা, স্লোগান দেওয়া, লিফলেট ছড়ানো মায় সাংসদদের পিপার স্প্রে নিয়ে ঢোকার নজিরও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে সাংসদদের সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বানও জানিয়েছেন স্পিকার।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানে ললিতের  (Parliament Security Breach) ডেরায় মিলল পোড়া মোবাইলের অংশ। বেশ কিছু আধপোড়া কাপড় এবং জুতোও উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে প্রথমে ভাঙা হয়েছিল মোবাইলগুলি। পরে সেগুলিতে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

    রাজস্থানে পালিয়েছিল ললিত

    লোকসভাকাণ্ডে শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে ষষ্ঠ অভিযুক্ত মহেশ কুনাওয়াতকে। ঘটনার পর এই মহেশই মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝাকে দিল্লি থেকে মরুরাজ্যে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। মহেশকে গ্রেফতার করার পর স্পষ্ট হয়ে যায় পুরো সিনারিওটা। গত বুধবার, ঘটনার দিন লোকসভার অধিবেশন কক্ষে (Parliament Security Breach) যখন ঢুকে পড়েছিল দুই হানাদার, ঠিক সেই সময়ই সংসদ চত্বরে ‘তানাশাহি নেহি চলেগি’, ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান’ দিচ্ছিল আরও দুজন। মোবাইলে পুরো ঘটনাটি রেকর্ড করছিল ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা।

    কী মিলল ললিতের ডেরায়?

    অপারেশনের আগে সে-ই বাকি চারজনের (সংসদের ভেতরে দুজন, বাইরে দুজন) মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিল। ঘটনার পরে পরেই দিল্লি ছেড়ে ললিত পালিয়ে যায় রাজস্থানে। সেখানে গিয়েই প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে মোবাইল ফোনগুলি ভেঙে লাগিয়ে দেয় আগুন। এসব করার আগে ‘ভগৎ সিং ফ্যান ক্লাব’ ফেসবুক পেজের এক বন্ধুর সঙ্গে মোবাইলে ললিত কথা বলেছিল বলেও জেনেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, রাজস্থানে যেখানে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল ললিত, সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে আধপোড়া মোবাইল, কাপড় এবং জুতো।

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, সংসদ সদস্য বিজেপির প্রতাপ সিনহাকে তদন্তের স্বার্থে তলব করতে পারে দিল্লি পুলিশ। এই প্রতাপের ভিজিটর পাশ নিয়েই লোকসভার দর্শক গ্যালারিতে ঢুকে পড়েছিল সাগর শর্মা ও ডি মনোরঞ্জন। শুক্রবার অভিযুক্তদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিল পুলিশ। কীভাবে তারা সংসদ চত্বরে ঢুকল, আর কোথায় কোথায় গিয়েছিল, সবই ধৃতদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, লোকসভার অধিবেশন চলাকালীনই দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়েছিল সাগর ও মনোরঞ্জন। পরে জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা ফাটায়। প্রথম হকচকিয়ে গেলেও, পরে তাদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Parliament Security Breach)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

LinkedIn
Share