Blog

  • Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র। যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা চালানো হবে। এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman)। তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা, টেলিকম-সহ চারটি বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থার উপস্থিতি থাকবে।

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ একথা বলেন তিনি

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ তিনি বক্তব্য রাখছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী চার বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থা থাকবে। অর্থাৎ ওই ক্ষেত্রগুলিতে সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণের পথে হাঁটবে না কেন্দ্রীয় সরকার। ওই চারটি ক্ষেত্র হল – পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা; পরিবহণ ও টেলিযোগাযোগ; শক্তি, পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ এবং ব্যাঙ্কিং, বিমা ও আর্থিক পরিষেবা।

    নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman) এদিন আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতিতে বলা হয়নি যে পিন তৈরি থেকে শস্য- সব ব্যবসা চালাবে সরকার। তাই যে ক্ষেত্রে সরকারের (ব্যবসা চালানোর) প্রয়োজন নেই, সেখানে চালাবে না। কিন্তু কৌশলগত স্বার্থে যেখানে সরকারকে (রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা) চালাতে হবে, সেখানে চালাতে হবে। যেমন টেলিকমের ক্ষেত্রে (সরকার ব্যবসা চালিয়ে যাবে)।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘একটি টেলিকম সংস্থা (বিএসএনএল যেমন আছে) থাকবে, যে সংস্থার মালিক হবে সরকার এবং সেই সংস্থাকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে চালানো হবে।’

    বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, যে প্রতিষ্ঠানগুলি বড় এবং নিজেদের ক্ষমতায় চলতে পারবে, সেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি চলতে থাকবে। কিন্তু যে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি ছোটো, অলাভজনক এবং আখেরে কোনও লাভের মুখ দেখাচ্ছে না, সেগুলিকে সম্ভব হলে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যাতে ওই সংস্থাগুলি নিজেদের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে এবং নিজের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট এদিন ভূয়সী প্রশংসা করলেন আদানি গোষ্ঠীর (Goutam Adani)। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মানুষ বিনিয়োগের কারণে আদানির (Goutam Adani) প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার সার্বিক উন্নয়নে আদানিদের অবদান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন অ্যাবট।

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এদিন সাক্ষাৎকার দেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এদিন আদানিকে সমর্থন করে অ্যাবট বলেন, ‘‘অভিযোগ করা খুব সহজ। কোনও একটা অভিযোগ করা হয়েছে বলেই তা সত্যি হয়ে যায় না। আমি যত দূর জানি, দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।’’

     তিনি আরও বলেন, ‘‘যদি সত্যিই কোথাও কিছু গোলমাল থেকে থাকে, তা নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন। তবে আমি আদানিদের (Goutam Adani) প্রতি কৃতজ্ঞ। ওঁরা অস্ট্রেলিয়ার উপর যে ভাবে ভরসা রেখেছেন, তাতে আমাদের দেশের অনেক উপকার হয়েছে।’’

     

    অস্ট্রেলিয়াতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর

    প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ায় আদানি (Goutam Adani) গোষ্ঠীর কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। অ্যাবট জানিয়েছেন, আদানিদের ওই বিনিয়োগের ফলে তাঁদের দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে, দেশের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।  গত বছর অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে আদানিদের একটি চুক্তি হয়। যার মাধ্যমে সে দেশের কয়লা আদানিদের হাত ধরে ভারতে এসে প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাবে।

    আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে

    জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এমন আবহে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এই ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করতেও কাটমানি! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদুল শেখের বিরুদ্ধে। তিনি আদতে ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়ত প্রধানের স্বামী। আর স্থানীয় এই তৃণমূল নেতাকে মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তথা ইংরেজবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহের বিরুদ্ধে। ফলে, দলীয় নেতাদের এই আচরণে শাসক দলের একাংশ বহুদিন ধরেই ক্ষোভ ফুঁসছিলেন। ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় ব্লক সভানেত্রী প্রতিভা সিংহ দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীদের একাংশ কার্যত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ থেকে বাঁচতে দলীয় নেত্রী ও তাঁর অনুগামীদের রীতিমতো কসরত করতে হয়। আর এই ঘটনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই শাসক দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মীরা কেন বিক্ষোভ দেখালেন?

    ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহিলা। তাঁর স্বামী জাহিদুলই বকলমে পঞ্চায়েত চালান বলে দলের একাংশের অভিযোগ। শুধু পঞ্চায়েত পরিচালনা নয়, আর্থিক সিদ্ধান্ত নিজের মতো করে নেন তিনি। দলের গ্রাম পঞ্চায়ত সদস্যদের তিনি পাত্তা পর্যন্ত দেন না। ফলে, দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যদের পাশাপাশি দলের একটি বড় অংশ তাঁর আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর নামে দরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের চোরাস্রোত বইছিল। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, জাহিদুল পঞ্চায়েতকে ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। এখন দল একে অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান করেছেন। সেই পদ ভাঙিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী করার টোপ দিয়ে তিন-চার লক্ষ টাকা করে তুলছেন। দলীয় সভানেত্রী দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই দলীয় কর্মীদের একাংশ নিজেদের ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি। দলীয় ঝান্ডা হাতে নিয়ে দলীয় নেত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের তৃণমূলের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ বলেন, দলের অন্দরে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে। আর যার বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ সেই জাহিদুল শেখ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অভিযোগ তুলে আদালত পর্যন্ত ওরা গিয়েছিল। জেলা প্রশাসনও সমস্ত বিষয়টি জানে। কিন্তু, অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Harmanpreet Kaur: “স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত”, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জয়ে উচ্ছ্বসিত হরমনপ্রীত

    Harmanpreet Kaur: “স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত”, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জয়ে উচ্ছ্বসিত হরমনপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার নাভি মুম্বইতে মহিলা প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ,গুজরাট জায়ান্টসকে ১৪৩ রানে পরাজিত করার পরে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur) এটিকে “স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মুহূর্ত” বলে অভিহিত করেছেন। মহিলা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং গুজরাট জায়েন্টসের মধ্যে খেলা হয়। এই ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। এই ইনিংসে ইতিহাস তৈরি করেন তিনি। এই ম্যাচে তিনি ৩০ বলে ৬৫ রান করেন।  

    তাঁর ব্যাট থেকে এদিন ১৪টি চার আসে। হরমনপ্রীত কৌরের ফর্ম দেখে গ্যালারিতে দর্শকরা বিস্মিত। হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur) মহিলা প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত অভিষেক করেন। তার ইনিংস বছরের পর বছর মনে থাকবে সকলের। হরমনপ্রীত কৌর তার ইনিংসের জোরে এই ম্যাচে মুম্বাই দলকে ২০৭ রানে পৌঁছে দেন।   

    দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরিও করেছিলেন তিনি। যদিও এই ম্যাচে রানআউট হয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ কেন্দ্রের 

    ম্যাচ-পরবর্তী উপস্থাপনায় হরমনপ্রীত বলেছেন, “এটি একটি দুর্দান্ত শুরু ছিল। স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো অনুভব করছি….প্রথম দিন। আমরা আশা করছিলাম সবকিছুই ভালো হবে। ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিটি বিষয়কে সহজ এবং স্বাভাবিক রেখেছি। খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলতে বলেছি। এটি মহিলাদের ক্রিকেটের জন্য একটি বড় দিন।”

    হরমনপ্রীত (Harmanpreet Kaur) বলেন, “আমি শুধু ভেবেছিলাম আমি বলে চোখ রাখব এবং তার জবাব দেব। আমি খুব বেশি ভাবব না, এবং পরিবর্তে পরিস্থিতির ওপর আমার প্রতিক্রিয়া নির্ভর করবে। এটি কেবল শুরু। এটি একটি শেখার অভিজ্ঞতা ছিল এবং আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসব।” 

    তিনি আরও বলেন, “এটা নিশ্চিত একটি সুযোগ। কিন্তু আমি চাই, যে দল যেন তাদের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করে। আমি মেয়েদের বলব মাথা উঁচু করে থাকতে এবং আজ থেকে এটাই  শিখতে। অবশ্যই আমরা ভালো পারফর্ম করব।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সড়কপথের পাশে রোড ব্যারিয়ার সকলেই লক্ষ্য করে থাকি। যা সাধারণত স্টিলের হয়ে থাকে, এবার দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার দেখা গেল মহারাষ্ট্রে চন্দ্রপুর থেকে যাবাতমল অবধি। ২০০ মিটারের এই বাঁশের তৈরি ব্যারিয়ার ইতিমধ্যে ‘বাহুবলী’ নামের তকমাও পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    কী বললেন সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী

    ভারতবর্ষে এমন বাঁশের রোড ব্যারিয়ার এই প্রথম বলে এদিন ট্যুইটও করেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী। তিনি বলেন, এই প্রকল্প এককথায় পরিবেশ বান্ধব। স্টিলের বিকল্পও বটে, আত্মনির্ভর ভারতের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছি আমরা। তাঁর আরও সংযোজন, গ্রামীণ ভারতের কুটিরশিল্পের অন্যতম উপাদান হল বাঁশ। বাঁশের তৈরি নানা সরঞ্জামের চাহিদাও রয়েছে। তাই এই কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা রয়েছেন তাঁরা উপকৃত হবেন বলেই আশা করছি।

    জানা যাচ্ছে, ব্যারিয়ার তৈরির আগে বাঁশগুলির উপরে রীতিমতো পরীক্ষা নিরীক্ষা চলানো হয় National Automotive Test Tracks (NATRAX) এ। তারপরেই ছাড়পত্র মেলে রোড ব্যারিয়ার তৈরির।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার! 

     

    আরও পড়ুন: হোলি খেলতে ভালো লাগলেও রাসায়নিককে ভয়? বাড়িতেই বানিয়ে নিন ভেষজ রং

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Tea Stall:  বাহাত্তর বছরের চায়েওয়ালার জীবন যুদ্ধের কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    Tea Stall: বাহাত্তর বছরের চায়েওয়ালার জীবন যুদ্ধের কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এভাবেও ঘুরে দাঁড়ানো যায়। চাঁপদানী ফাঁড়ির সামনে অর্জুন টি স্টলের (Tea Stall) মালিক বছর বাহাত্তরের অর্জুন রাজভর তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যে সময় মানুষ অবসর জীবন কাটান, সেই বয়সে দাঁড়িয়ে তিনি ভোর থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন।  ভোর থেকে রাত দশটা পর্যন্ত তাঁর চায়ের দোকানে (Tea Stall)  ভিড় লেগে থাকে। এই অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাঁর এই চায়ের দোকান।

    কীভাবে গড়ে উঠল এই অর্জুন টি স্টল? Tea Stall

    দোকানের মালিক  অর্জুনবাবুর বাড়ি  চাঁপদানীর ফেসুয়াবাজারে। এই দোকান তৈরি হয়েছে মাসখানেক আগে। তৈরি করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই চায়ের দোকানের (Tea Stall)  পিছনে রয়েছে এক লম্বা ইতিহাস। আসলে এই চায়ের দোকানের মধ্য দিয়েই এক জন যাবজ্জীবন কয়েদিকে তার মেয়াদ পূর্ন হবার পর নতুন ভাবে পথ চলার পথ খুলে দেন জেলা প্রবেশন অফিসার মনোজ রায়। অতীত আর মনে রাখতে চাননা অর্জুনবাবু। একসময় তিনি একটি কারখানার গাড়ির চালক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। কিন্তু, ছেলের অসুখকে কেন্দ্র করে কিছু অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় মালিকপক্ষের সঙ্গে তাঁর বিবাদ বাধে। খুনের মামলায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেটা ২০০৪ সাল। খুনে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়। ঠাঁই হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। প্রায় ১৭ বছর সংশোধনাগারে কাটিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। সংশোধনাগারে তাঁর ভালো আচরণের জন্য জেলা প্রবেশন অফিসারের সুনজরে পরে যান তিনি। সেই অফিসার মনোজ রায় জেলাশাসকের কাছে দরবার করে আইনগত ভাবে অর্জুনকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেন। আর তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী নিয়ে অর্জুনবাবু বলেন, পুরোনো দিনের কথা আর মনে রাখতে চাইনা। কিছু ভুল করেছিলাম। তার শাস্তি পেয়েছি। শাস্তি দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তাঁর আরও সংযোজন, যাঁরা শাস্তি দিলেন তাঁরাই আবার আমায় সাহারা দিয়েছেন। এরজন্য আমি সরকারি আধিকারিক দের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। শুধু যে ভালোভাবে তিনি দোকান চালাচ্ছেন তা নয়, দোকানে মাইনে দিয়ে দু জন কর্মচারীও রেখেছেন তিনি। জীবন সায়াহ্নে এসে তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইকে সকলেই কুর্ণিশ জানাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৬): ১৫ বছর ধরে আটকে পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৬): ১৫ বছর ধরে আটকে পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মোট ৪৪টি প্রকল্প আটকে রয়েছে রেলের (Indian Railways)। অভিযোগ রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা এবং জমি জটিলতার কারণে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন করতে পারছে না রেল। রেল সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পগুলির মোট বাজেট ধরা হয়েছে ৯,২২৫ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মোট ১০৪৯ কিমির এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রেল কিন্তু জমি জটের কারণেই নাকি এই প্রকল্পগুলি এগোচ্ছেনা। রেলের দাবি, কয়েকটি প্রকল্পের জন্য জমি কিনতে রাজ্য সরকারকে টাকাও দেওয়া হয়েছিল! কিন্তু রাজ্য সরকার কোনও জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি। রেল আবার রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয় ওই টাকা ফেরতের জন্য। রেল (Indian Railways) বলছে, রাজ্য সরকারের এমন অসহযোগিতার কারণে তারা প্রকল্প আপাতত বন্ধ রেখেছে।

    ১৫ বছর ধরে আটকে ঘাটাল-পাঁশকুড়া রেলপথ নির্মানের কাজ

    ২০০৮ সালে ঠিক হয় রেলপথের মাধ্যমে জোড়া হবে পাঁশকুড়া এবং খড়গপুরকে (৪৪ কিমি)। পাশাপাশি পাঁশকুড়া ও ঘাটালের মধ্যেও রেললাইন পাতার পরিকল্পনা নেওয়া তখন কিন্তু গত ১৫ বছরে সম্পন্ন হয়েছে শুধুমাত্র পাঁশকুড়া ও খড়গপুরের মধ্যে লাইন সম্প্রসারণের কাজ। এখনও থমকে রয়েছে পাঁশকুড়া ও ঘাটালের মধ্যে ৩২ কিমি রেল সম্প্রসারণের কাজ। সেসময় এই প্রকল্পের জন্য ১০৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দও করে রেলমন্ত্রক। কিন্তু জমি জটের কারণেই নাকি আটকে রয়েছে এই প্রকল্প। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার মানুষজন। রেলের অভিযোগ রাজ্য সরকারের জমিনীতির কারণেই আটকে রয়েছে এই প্রকল্প।

     

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৫): ২৩ বছর ধরে আটকে নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগর রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৪): ১৬ বছর ধরে আটকে দাঁইহাট-মন্তেশ্বর-মেমারি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৩): ২৩ বছর ধরে আটকে রায়গঞ্জ-ডালখোলা রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১২): ২৫ বছর ধরে আটকে বাঁকুড়া-মুকুটমণিপুর রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১১): ১৮ বছর ধরে আটকে সিউড়ি-প্রান্তিক রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১০): আপাতত ঠাণ্ডা ঘরে আরামবাগ-বোয়াইচণ্ডী রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৯): ১৩ বছর ধরে আটকে দিঘা-জলেশ্বর প্রকল্পের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

     

  • Minority Rights: ‘পাকিস্তানের নীতির কারণেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে’, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত  

    Minority Rights: ‘পাকিস্তানের নীতির কারণেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে’, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) নীতির কারণেই গোটা বিশ্বে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে একথা বলেন রাষ্ট্রসংঘে (UN) ভারতে (India) প্রতিনিধি সীমা পূজানি। সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকে আঙুল তোলে ইসলামাবাদ। পাক বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খারের দাবি, নয়াদিল্লির কারণেই তাঁদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এই ইস্যুতে জবাবের অধিকার প্রয়োগ করে এদিন কড়া জবাব দেন সীমা পূজানি। তিনি বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানে কোনও সংখ্যালঘু (Minority Rights) মানুষ মুক্তভাবে তাঁর ধর্মাচরণ করতে পারেন না। এর পরেই তিনি বলেন, পাকিস্তানের নীতির জন্যই তামাম বিশ্বে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। সীমা বলেন, গত এক দশকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ক্ষেত্রে ৮ হাজারের বেশি অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

    সংখ্যালঘুর অধিকার (Minority Rights)…

    সীমা বলেন, বর্তমান সময়ে পাক নাগরিকরা মারাত্মক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেদিকে আদৌ নজর নেই পাক সরকারের। উল্টে সব সময় ভারতকে নিয়েই পড়ে রয়েছে ইসলামাবাদ। এতেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতকে নিয়ে কতটা আবিষ্ট হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। তিনি বলেন, আসলে বর্তমান সময়ে নিজেদের অগ্রাধিকার বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, পাক নেতৃত্বকে আমার উপদেশ, এই সব ভিত্তিহীন প্রচার বাদ দিয়ে নিজেদের নাগরিকদের সুখ-দুঃখ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    কিছু দিন আগেই জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রতিনিধি (Minority Rights)। তাঁর মন্তব্যকে সমর্থন করে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন। এদিন এ প্রসঙ্গে সীমা বলেন, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের অযাচিত মন্তব্য আমরা অগ্রাহ্য করছি। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং চিরকালই থাকবে। তিনি বলেন, পাকিস্তান বেআইনিভাবে ভারতের এলাকা দখল করে রেখেছে।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় নাম না করে ভারতকে আক্রমণ করেন হিনা। আমাদের প্রতিবেশী (Minority Rights) দেশে বিপুল পরিমাণে প্রথা বহির্ভূত অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। এর জেরই গোটা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে। শুধু তাই নয়, নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে পরমাণু অস্ত্রের দিকে বারবার ঝুঁকেছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • Obesity: দিন দিন স্থূলতা বাড়ছে ভারতীয়দের! দেশের অর্থনীতিতে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    Obesity: দিন দিন স্থূলতা বাড়ছে ভারতীয়দের! দেশের অর্থনীতিতে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকে ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি (Obesity) বিভিন্ন ক্রনিক রোগকে টেনে আনে। শুধু কী তাই! গবেষকরা বলছেন, যতদিন যাচ্ছে ওবেসিটির প্রভাব ব্যাপক ভাবে পড়ছে অর্থনীতির ওপরেও। একটি রিপোর্ট বলছে, ওবেসিটির কারণে ২০৩৫ সালের মধ্যেই ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষতি হতে চলেছে বেশ কয়েক হাজার হাজার কোটি টাকা।

    এই রিপোর্ট পাবলিশ করেছে  World Obesity Federation নামের একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষায় আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে প্রতিবছর ওবেসিটির (Obesity) সমস্যা ৫.২ শতাংশ হারে বাড়বে, অন্যদিকে বাচ্ছাদের মধ্যে এই প্রবণতা ৯.১ শতাংশ করে বাড়বে। চিকিৎসকরা বলছেন, BMI যদি ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকে, তবে তাকে বাড়তি ওজন বলে, অন্যদিকে ৩০ এর বেশি BMI চলে গেলে তাকে ওবেসিটি বলা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন গত কয়েক দশকে ভারতীয়দের মধ্যে গড় স্থূলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। National Family Health Survey (NFHS) এর একটি রিপোর্ট বলছে ২০০৬ সালে ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে ওবেসিটির প্রবণতা ছিল ৯.৩ শতাংশ অন্যদিকে এই প্রবণতা ২০২১ সালে দাঁড়িয়েছে ২২.৯ শতাংশে। মহিলাদের মধ্যে এই প্রবণতা ছিল যথাক্রমে ১২.৬ এবং ২৪ শতাংশ।

    ওবেসিটি কীভাবে প্রভাব ফেলবে ভারতীয় অর্থনীতির ওপর

    রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ২০৩৫ সাল অবধি ওবেসিটির কারণে স্বাস্থ্যবিষয়ক খরচ হতে চলেছে ৮৪৩ কোটি টাকা। ওবেসিটির জন্য অপরিণত বয়সে মৃত্যুর কারণে ক্ষতি হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। আরও অন্যান্য নন মেডিক্যাল ক্ষতি ১৭ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। ওবেসিটির দরুণ প্রভাব পড়বে কর্মজগতেও। ওবেসিটির কারণে কর্মক্ষমতা কমার ফলে ক্ষতি হবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এবং এর ফলে যে উৎপাদন কমবে সেখানে ক্ষতি হতে পারে ৯০০ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

      
     

     

  • Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জাদু সম্রাট জুনিয়র পিসি সরকারের (PC Sarkar) জাদুর ভেলকিতে কিছুক্ষনের জন্যই কলকাতার ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছিল। নব্বইয়ের দশকে রাজ্যবাসীর অনেকেই সেই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। এবার রাকেশ পাহাড়ি নামে অন্য এক কুখ্যাত জাদুকরের (Magician) হদিশ মিলেছে। তাঁর হাতযশের ক্যারিশমা এখন হারে হারে টের পাচ্ছেন মালদহের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দারা। কারণ, জাদুকরের (Magician)হাতযশে গ্রামের বহু বধূর সোনার গয়না উধাও হয়ে গিয়েছে। আর তাঁর জাদুর ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে গৃহবধূ ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে। হন্যে হয়ে সেই জাদুকরকে খুঁজছে গোটা শান্তিপুর গ্রাম।

    শান্তিপুরে গিয়ে জাদুকর আর কী কী ভেলকি দেখিয়েছেন?

    কিছুদিন আগে নিছক সাইকেল খেলা দেখাবেন বলেই গ্রামে ঘাঁটি বেঁধেছিলেন জাদুকর(Magician) রাকেশ পাহাড়ি। সুঠাম চেহারা, তেমনি মুখে মিষ্টি কথা। তাঁর হাতে ভেলকি ছিল চোখ জুড়ানো। কচিকাঁচা থেকে গ্রামের সকলেই তাঁর জাদুতেই মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। সোনা ডবল করার টোপও দিয়েছিলেন তিনি। সেই ফাঁদে পড়ে গ্রামের অনেক বধূ নিজের কানের সোনার দুল, হাতের বালা, আংটি জাদুকরের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আর জাদুকরের (Magician) মিষ্টি কথার জাদুতেই মজে গিয়েছিলেন প্রসেনজিত্ রায়ের অষ্টাদশী স্ত্রী খুশি রায়। তাঁর জাদুর (Magician) ভেলকি এতটাই নিখুঁত ছিল যে স্ত্রীর মন চুরি হওয়ার খবর স্বামীও টের পাননি। স্ত্রীকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন প্রসেনজিত্ রায়। তিনি বলেন, গ্রামে এসে জাদুকর খুব সুন্দর খেলা দেখাতেন। কথাবার্তাও তাঁর খুব ভালো ছিল। গ্রামের সকলের সঙ্গে ওর সখ্যতা হয়ে গিয়েছিল। সোনা, টাকা ডবল করার প্রলোভন দেখিয়ে বহু বাসিন্দাদের সর্বস্ব লুঠ করেছেন ওই জাদুকর। তবে, কখন যে আমার স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা টের পাইনি। জাদুকরের (Magician) হাত ধরে চলে যাওয়ার পরই আমাদের টনক নড়ে। ততক্ষণে ওই জাদুকর আমাদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। তবে, শুধু খুশি রায়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন নন,অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গোটা গ্রাম।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জাদুকরের (Magician)  বাড়ি নদিয়া জেলায়। তবে, সেটা তাঁর আসল বাড়ি কি না তা এখনও পরিষ্কার নয়। এই বিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ওই জাদুকরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share