Blog

  • Uttarkashi Tunnel: খননকাজ শেষ করে শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় পুজোয় বসলেন আর্নল্ড ডিক্স

    Uttarkashi Tunnel: খননকাজ শেষ করে শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় পুজোয় বসলেন আর্নল্ড ডিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা বেরিয়ে আসবেন। প্রায় শেষের পথে সুড়ঙ্গের খনন কাজ। উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel) যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় সেজন্য সুড়ঙ্গের বাইরে পুজোয় বসলেন মার্কিন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স। গত ১২ নভেম্বর থেকে শ্রমিকরা আটকে থাকার পর সমান্তরালভাবে সুড়ঙ্গ খননের তিনিই রূপকার। শ্রমিকরা যাতে সুস্থভাবে বেরিয়ে আসেন, তাঁদের মঙ্গল কামনাতে সেই রূপকারকেই এদিন পুজো করতে দেখা গেল। ইতিমধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ডিক্সের পুজো করার ভিডিও পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও। সেখানেই দেখা যাচ্ছে সুড়ঙ্গের বাইরে তৈরি করা হয়েছে একটি ছোট্ট অস্থায়ী মন্দির।

    উদ্ধারকাজে সমন্বয় সাধন করছেন ডিক্স

    পুরোহিতের সঙ্গে পুজোয় বসেছেন আর্নল্ড এবং শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করছেন। পুরোহিত আর্নল্ড ডিক্সের (Uttarkashi Tunnel) কপালে তিলকও এঁকে দিচ্ছেন। তবে এটাই নতুন বা প্রথম কিছু নয়। উদ্ধার কাজ শুরুর দিনেও আর্নল্ড ডিক্স অস্থায়ী মন্দিরের বাইরে এভাবেই প্রার্থনা করেছিলেন। আবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকেও মন্দিরে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, আর্নল্ড ডিক্স আদতে অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা। উত্তরাখণ্ডে উদ্ধারকাজের দায়িত্ব রয়েছে পাঁচটি সংস্থা। এগুলি হল, ওএনজিসি, এসজেভিএনএল, আরভিএনএল, এনএইচআইডসিএল এবং টিএইচডিসিএল। এই সংস্থাগুলির (Uttarkashi Tunnel) সঙ্গে কথা বলেই সুড়ঙ্গ খননের কাজে সমন্বয় সাধন করেন ডিক্স।

    পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে সুড়ঙ্গে বিপদ হলেই পৌঁছে যান ডিক্স

    পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) কোনও বিপদ হলে ডিক্স তাঁর দলবল নিয়ে পৌঁছে যান। সুড়ঙ্গে ধস নামলে বা আগুন লাগলে কিভাবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। সেটা প্রশিক্ষণ দেন তিনি। জানা গিয়েছে, পেশায় একজন আইনজীবী ডিক্স। এর পাশাপাশি তিনি অধ্যাপনার কাজের সঙ্গেও যুক্ত। টোকিও সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সুড়ঙ্গ সংক্রান্ত বিষয় পড়ান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shubman Gill: দায়িত্ব পেয়ে খুশি! গুজরাট টাইটান্সের নতুন অধিনায়ক হলেন শুভমান গিল

    Shubman Gill: দায়িত্ব পেয়ে খুশি! গুজরাট টাইটান্সের নতুন অধিনায়ক হলেন শুভমান গিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেভিড মিলার, কেন উইলিয়ামসন, রশিদ খানদের পিছনে ফেলে ভারতের তারকা ক্রিকেটার শুভমন গিলের হাতেই দলের ব্যাটন তুলে দিল গুজরাট টাইটান্স কর্তৃপক্ষ। তারুণ্যের উপরই ভরসা রাখল গুজরাট। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে জানিয়ে দেওয়া হল শুভমান গিলের নাম। আইপিএলের মত বড় মঞ্চে বড় দায়িত্ব পেয়ে খুশি শুভমানও।

    কী বলছেন গিল

    গিলের প্রশংসা করে গুজরাট কর্তা বিক্রম সোলাঙ্কি বলেন, “শুভমান প্রতিভাবান। দলের সকলের সঙ্গে ওর ভাল যোগ রয়েছে।” নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর শুভমান বলেন,”গুজরাটের মতো দলের অধিনায়ক হতে পেরে আমি গর্বিত। একটা চ্যাম্পিয়ন দলকে নেতৃত্ব দেওয়া সহজ নয়। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ও আমি আমার সেরাটা দিয়ে দলকে সাফল্য় এনে দেওয়ার চেষ্টা করব।” দলের আবির্ভাবের প্রথম বছর, ২০২২ সাল থেকে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে খেলছেন শুভমান গিল। ২০২২ সালে গুজরাতের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বছরে ১৬ ম্যাচে ৪৮৩ রান করেছিলেন শুভমান গিল। ঝুলিতে ছিল ৪টি অর্ধশতরান। এছাড়া ২০২৩ সালে রানার্স হয় গুজরাত। গত বছরও ১৭ ম্যাচে ৮৯০ রান করেছিলেন গিল। ৩টি শতরান ও ৪টি অর্ধশতরান এসেছিল গিলের ব্যাট থেকে।

    তবে শুভমানের উপর আস্থা রেখেও প্রখ্যাত ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ‘আমি মনে করি শুভমানের জীবন খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। ব্যাটার হিসেবে দারুণ একটা বছর কাটিয়েছে গিল। আগামী কয়েক মাসে ওকে বেশ বড় একটা পদক্ষেপ নিতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকাতে ভারতের হয়ে ওকে টেস্ট সিরিজ খেলতে হবে। রয়েছে টি-২০ বিশ্বকাপও। এইসব টুর্নামেন্টে কিন্তু ওকে নিজের জায়গার জন্য লড়াই করতে হবে। আমার মতে গুজরাট টাইটানসে একটা বছর গিল উইলিয়ামসনের অধিনায়কত্বে খেললে ভালো হতো। ২০২৫ আইপিএলে গিল গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়কত্ব নিলে ভালো হতো।’ আইপিএলের মঞ্চে গুজরাটের নেতৃত্ব গিলের উপর চাপ ফেলতে পারে বলে অনুমান হর্ষের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড শুভেন্দু, স্পিকারের বিরুদ্ধে পাল্টা ডেপুটেশন

    Suvendu Adhikari: শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড শুভেন্দু, স্পিকারের বিরুদ্ধে পাল্টা ডেপুটেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা বিজেপির। পদ্ম শিবির আয়োজিত সেই সভায় যোগ দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তার চব্বিশ ঘণ্টা আগে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)।

    কেন সাসপেন্ড শুভেন্দু?

    স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে। এদিকে, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, “আজই (মঙ্গলবার) সচিবের কাছে প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে।” এরই পরে পরে বিধানসভার সচিব সুকুমার রায়কে গিয়ে স্পিকারের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন দেয় বিজেপির পরিষদীয় দল। স্পিকারের বিরুদ্ধে গুচ্ছ অভিযোগ আনা হয়েছে তাতে। গত বছরও একবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari)। দিনটি ছিল ২০২২ সালের ২৮ মার্চ। অবশ্য শুভেন্দু একা নন, সেবার সব মিলিয়ে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বিজেপির সাতজন বিধায়ককে। পরে অবশ্য আদালতের হস্তক্ষেপে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় তাঁদের সাসপেনশন।

    সংবিধান দিবস নিয়ে আলোচনা 

    এদিন অধিবেশনের প্রথমার্ধে স্পিকার বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ায় বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়কররা। অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে ছিল সংবিধান দিবস নিয়ে আলোচনা। রবিবারই দেশে পালিত হয়েছে সংবিধান দিবস। এদিন তা নিয়েই আলোচনা শুরু হলে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগে ইডি-সিবিআই অনেককে গ্রেফতার করেছে। তৃণমূল বলছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।” এনিয়ে ফের হইচই হয় সভায়। পরে দলবদলু বিধায়কদের নিয়েও সরব হন শঙ্কর। বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে এই অংশটি বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। এবার সরব হন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা বিজেপির সদস্যরা যেখানে স্পিকারের কাছ থেকে সংবিধানের প্রোটেকশন পাচ্ছি না, সেখানে সংবিধান দিবসে মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনে লাভ নেই। আমরা ভিতরেও বলেছি, এই হাউস সংবিধানের পরিপন্থী হয়ে কাজ করছে।” এর পর স্পিকার বলেন, “শুভেন্দুবাবু আপনি ঠিক আচরণ করছেন না। আপনাকে সতর্ক করছি। নিয়ম অনুযায়ী, আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই সময় বিধানসভায় শাসক দলের উপমুখ্য সচেতক তাপস রায় মোশন এনে বলেন, “যাঁরা কোনওদিন সংবিধান হাতেই ধরেননি, তাঁরা সংবিধান বুঝবেন কীভাবে?” শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে একে একে বেরিয়ে আসবেন আটক ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধারকারী দল তাঁদের প্রায় কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আটক শ্রমিকদের বের করার পরে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। সেই মতো সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই এই অ্যাম্বুল্যান্সগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের দলও প্রস্তুত রয়েছে। তাঁরাই সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধার করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রস্তুত রয়েছে  চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। ইতিমধ্যে শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel) পরিবারগুলিকে প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে আপনারা প্রস্তুত থাকুন। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিও। প্রথমে যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া হবে সেই চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবং প্রতিটি বেডের সঙ্গে অ্য়াটাচ করা হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোনও শ্রমিকের (Uttarkashi Tunnel) অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ভর্তি করানো হবে ঋষিকেশের এইমসে।

    শুক্রবার থেকে ব্যাহত হয় উদ্ধারকাজ

    আর ১০-১২ মিটার বাকি থাকতেই গত শুক্রবার হঠাৎ ভেঙে পড়ে অগার মেশিন। মেশিনের বিকল যন্ত্রপাতিগুলি সোমবার সকালে বের করে উদ্ধারকারী দল। এর পরই শুরু হয় ম্যানুয়াল ড্রিলিং অর্থাৎ হাত দিয়ে খোঁড়ার কাজ। শাবল, গাঁইতি দিয়ে উদ্ধারকারী দল খুঁড়তে থাকে সুড়ঙ্গ। গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিবেশন চলছে। কেন অনুপস্থিত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? মঙ্গলবার বিধানসভায় প্রশ্ন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। আচমকা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএমের আইসিইউতে। সোমবারই শুরু হয়েছে বিধানসভার অধিবেশন। এদিন মন্ত্রী কেন গরহাজির, প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কেন জেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় তার জবাব দিতে হবে।”

    বিজেপির ওয়াকআউট

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তাঁদের ছবি ও কাটআউট নিয়ে বিধানসভায় স্লোগান দিতে (Suvendu Adhikari) থাকেন বিজেপি বিধায়করা। এই সময়ই তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্র টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। টাকা দিচ্ছে না।” এনিয়ে দুপক্ষে হট্টগোল বেঁধে যায়। হট্টগোল চলাকালীনই শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করে বিজেপি।

    সাবিত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

    ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য তার আগেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র। বিধানসভার অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে এ নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনে বিজেপির পরিষদীয় দল। সেটি খারিজ করে দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এই প্রস্তাব রাজ্যের বিষয় নয়। তাই এটি খারিজ করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপমান কীভাবে রাজ্যের বিষয় নয়? এসব নিয়েই প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয় তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে। পরে শুরু হয় হট্টগোল। শেষমেশ ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা।

    মালদার বিধায়ক সাবিত্রী অবশ্য বলেন, “ভারতের সংস্কৃতিকে মাথায় রেখেই যা বলার বলেছি। বিরোধী দলনেতা আমাকে ভুল উদ্ধৃত করে ট্যুইট করেছেন। আমি বলিনি, স্বাধীনতা আন্দোলনে গুজরাটিদের ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ (Suvendu Adhikari) সম্পর্কে জানেন না।”

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kuntal Ghosh: ‘‘কালীঘাটের কাকুর নামে কুন্তল আমার কাছ থেকে টাকা তুলত’’, ফের মুখ খুললেন তাপস

    Kuntal Ghosh: ‘‘কালীঘাটের কাকুর নামে কুন্তল আমার কাছ থেকে টাকা তুলত’’, ফের মুখ খুললেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এদিনই আদালতে তোলা হয় ধৃত তাপস মণ্ডলকে। জেল থেকে কোর্টে যাওয়ার পথেই গাড়ি থেকে মুখ বাড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাপস। নিশানা করেন কালীঘাটের কাকু ও কুন্তল ঘোষকে। এদিন তাপস মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, ‘‘কুন্তল (Kuntal Ghosh) তো ‘কালীঘাটের কাকু’র নামেই টাকা তুলত আমার কাছ থেকে। এখন অন্য কথা বলছে কেন বুঝতে পারছি না।’’ প্রসঙ্গত চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি তাপস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তাপস। একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজও চালাতেন তিনি।

    তাপসের গলায় আফসোসের সুর 

    এদিন কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তাপস মণ্ডল অভিযোগ করেন যে তদন্তকে বিপথে চালিত করছে কুন্তল (Kuntal Ghosh)। তাপস মন্ডল বলেন, ‘‘কুন্তলের জন্যই ফেঁসে গেলাম।’’ ঠিক এই কারণে তাপসের গলায় এদিন ছিল আফসোসের সুরও। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত গোপাল দলপতির বিষয়ে তাপস মণ্ডল বলেন,  ‘‘কুন্তল কেন গোপাল দলপতির নাম বলছে জানি না। ও তো আমার থেকে টাকা নিয়ে কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) দিয়েছে।’’ এদিন তবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি তাপস মণ্ডল।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয় কুন্তল ঘোষকে

    চাকরি দেওয়ার নাম করে বাজার থেকে কুন্তল কোটি কোটি টাকা তুলেছে, এই অভিযোগে জানুয়ারি মাসে গ্রেফতার করা হয় কুন্তলকে। কীভাবে টাকা তোলা হয়েছে? ইডি আদালতে দাবি করেছে, ১৩০ জনের থেকে ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন কুন্তল। শুধু তাই নয়, ১২০০ জনের থেকে ২০ হাজার করে নেওয়া হয়েছে। এর আগে আদালতে ইডি জানিয়েছিল, কুন্তলের (Kuntal Ghosh) বাড়ি থেকে ২৫০টি ওএমআর শিট উদ্ধার হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয, সেই ওএমআর শিটগুলি ছিল গত ১১ ডিসেম্বর নেওয়া টেট পরীক্ষার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে কি ফের ফিরছে নাশকতার কালো মেঘ (Terrorism in Jammu Kashmir)? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি সে-জঙ্গি এনকউান্টারের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে জম্মু কাশ্মীর উপত্যকা। বাহিনী সজাগ থাকায় (NIA Terror Probe) জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল হলেও, প্রাণ গিয়েছে একাধিক বীর সেনানীর। অনন্তনাগ হোক বা রাজৌরি— জঙ্গিরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এদেশে নাশকতার জাল বিছোতে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঠিক যেমন বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের কাশ্মীর দিয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালাতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান থেকে লাগাতার অনুপ্রবেশ

    জঙ্গি-নেতারা যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে কাশ্মীরে লাগাতার অনুপ্রবেশের চেষ্টা (Terrorism in Jammu Kashmir) করে চলেছে এবং সেখান থেকেই যে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, এটা আগে তো জানা ছিলই। তবে, এই মর্মে নতুন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন এদেশের গোয়েন্দারা (NIA Terror Probe)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজৌরির ধাংরি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইইডি বিস্ফোরণে ৭ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর এপ্রিল মাসে পুঞ্চে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলায় পাঁচ জওয়ান মারা গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা তথা অনুসন্ধানকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, এই দুই ঘটনাতেই একই জঙ্গিরা জড়িত ছিল। 

    স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল জঙ্গিরা!

    এনআইএ তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিরা স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল। হামলার পর তারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিসার আহমেদ ও মুস্তাক হোসেন নামে দুজনকে পাকড়াও করে এনআইএ। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, পুঞ্চের বাসিন্দা এই দুজনই ধাংরি হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সাহায্য করেছিল। ধৃতদের জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে এনআইএ-র হাতে (NIA Terror Probe)। জানা যায়, নিসারের সঙ্গে লস্কর হ্যান্ডলার আবু কতল ওরফে কতল সিন্ধির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। নিসারকে আগও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৪ সালে সে ছাড়া পায়। 

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে জঙ্গিদের ইনফর্মার হিসেবে নাকি কাজ করত এই নিসার (Terrorism in Jammu Kashmir)। ধাংরিতে হামলার ঘটনায় তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। এনআইএ-কে নিসার জানিয়েছে, দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল আবু কতল। এর পর মুস্তাক হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল ওই ২ জঙ্গির জন্য গুহার মধ্যে একটি গোপন আস্তানা তৈরি করে দিতে। ওই জঙ্গিদের বাড়িতে তৈরি খাবার দিয়ে আসত নিসার। 

    নির্দেশ দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা

    এনআইএ জানিয়েছে (NIA Terror Probe), জেরায় নিসার দাবি করেছে, এপ্রিলে সেনার ওপর হামলার ২ দিন আগে ওই জঙ্গিরা ২২টি রুটি চেয়ে পাঠায়। সেই মতো, সে রুটি পৌঁছে দেয়। এর পর জঙ্গিরা তাকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এনআইএ জানিয়েছে, এর পরই পুঞ্চের ভিম্বর গলি-সুরানকোট সড়কের ওপর ভাট্টা দুরিয়াঁর কাছে ঘটা হামলার খবর আসে (Terrorism in Jammu Kashmir)। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর-ই-তৈবা হ্যান্ডলারদের নির্দেশ অনুযায়ী এই হামলাগুলো চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সইফুল্লাহ ওরফে সাজিদ জট্ট, আবু কতল এবং মহম্মদ কাসিম নামে তিন লস্কর হ্যান্ডলার পাকিস্তান বসে জঙ্গিদের নির্দেশ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হঠাৎই চড়ল রক্তচাপ। তাই সোমবার রাতে এসএসকেএমের আইসিইউয়ের ১২ নম্বর বেডে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমুলের জ্যোতিপ্রিয় ভর্তি ছিলেন ওই হাসপাতালেরই ৫ নম্বর কেবিনে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আচমকাই রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় কেবিন থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে মন্ত্রীকে। আপাতত তিনি রয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে।

    মেডিকেল টিম গঠন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা। তাঁকে রাখা হয়েছিল প্রেসিডেন্সি জেলে। অসুস্থ বোধ করায় গত মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সেই থেকে তিনি ছিলেন কেবিনে। এসএসকেএম সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে তাতে রয়েছেন মেডিসিন, স্নায়ু, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। রয়েছেন কিডনি এবং ইউরোলজি বিশেষজ্ঞরাও। জ্যোতিপ্রিয় সুগারের রোগী। গ্রেফতারির সময়ই সে কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। জ্যোতিপ্রিয়কে ছাড়া হয়নি।

    জ্যোতিপ্রিয় অসুস্থ হয়েছিলেন আগেও

    গ্রেফতারির পর প্রথম যেদিন জ্যোতিপ্রিয়কে আদালতে তোলা হয়, সেদিনই ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সামান্য বমিও করেছিলেন। ততক্ষণাৎ তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখান থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ইডি হেফাজতে নেয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ইডি হেফাজত শেষে মন্ত্রীর ঠাঁই হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত মঙ্গলবার রাতে তাঁকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে।

    অসুস্থ থাকায় ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সেদিনই তিনি বলেছিলেন, “আমার সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার, হাত-পা কাজ করছে না। আমায় বাঁচতে দিন।” বিচারক তাঁকে বলেছিলেন, “অসুবিধা থাকলে আপনি সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই কাশি, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করানো হয় রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

    Recruitment Scam: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংকেতিক শব্দের আড়ালেই চলত পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি। সেই কোডের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর নাম। ইডির দাবি, উদ্ধার হওয়া নথি বলছে, এক মন্ত্রী নিজেই পুরসভায় নিয়োগের জন্য একাধিক প্রার্থীর হয়ে সুপারিশ করেছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ মামলায় (Municipality Recruitment Scam) উদ্ধার হওয়া নথির পাতা থেকে তাদের নজরে আসে একাধিক ‘কোড’ (Code)। কোথাও লেখা ‘সিএইচ’ কোথাও ‘ডিআই’। সেই সব সাঙ্কেতিক অক্ষরের রহস্যভেদ করতেই উঠে এল একাধিক নাম।

    সাংকেতিক শব্দের আড়ালে কী

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সূত্র ধরে সামনে আসে প্রমোটার অয়ন শীলের নাম। এরপর অয়নের সল্টলেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ পাতার একটি ওএমআর শিট উদ্ধার করে ইডি। নথির মধ্যে প্রার্থী তালিকায় থাকা নামের পাশে বেশ কিছু ‘কোড ওয়ার্ড’ খুঁজে পান তদন্তকারী কর্মকর্তারা। সেই কোড শব্দ ‘ডিকোড’ করতেই রাজ্যের এক মন্ত্রীর নাম ইডির হাতে এসেছে বলে  এ ছাড়াও সাংকেতিক শব্দের আড়ালে এক প্রাক্তন মন্ত্রীর নামও লুকিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক পদস্থ আধিকারিক। বর্তমান এবং প্রাক্তন দুই মন্ত্রীই আপাতত তদন্তকারীদের নজরে।

    মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদ

    ইডি সূত্রের খবর, ‘সিএইচ’, ‘ডিআই’, ‘এসবি’, ‘এমএম’, ‘এ’ ইত্যাদি একাধিক ‘কোড ওয়ার্ড’ লেখা ছিল ওই নথিতে। তার রহস্যভেদে নেমেই ইডির তদন্তকারীরা রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী ও এক বর্তমান মন্ত্রীর নাম জানতে পারেন। রাজ্যের সেই প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে ইতিমধ্যেই পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। ইডি সূত্রের খবর, ‘কোড’ রহস্য ভেদের পরেই রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু হয়। ইতিমধ্যেই তাঁরা ওই মন্ত্রীর এক ‘ঘনিষ্ঠ’কে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। বাজেয়াপ্ত ২৮ পাতার নথির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পুরসভার নিয়োগের সংক্রান্ত প্যানেলের প্রার্থীর তথ্যাবলি। উত্তর দমদম, নিউ ব্যারাকপুর, দক্ষিণ দমদম-সহ বেশ কয়েকটি পুরসভার প্যানেলের তথ্যও রয়েছে ইডির হেফাজতে-থাকা ওই নথিতে। 

    আরও পড়ুন: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ৬০ ফুট লম্বা ও ২০ ফুট চওড়া মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন শাহ

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থা রাজ্যের দুই মন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিয়েছে। ইডি হানা দেয় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়ি। সিবিআই তল্লাশি চালায় পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাড়ি। সাঙ্কেতিক শব্দ উদ্ধারের পর আরও এক মন্ত্রী ইডির আতশকাচের তলায় চলে এসেছেন বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। উদ্ধার-হওয়া নথিতে যে সব পুরসভার নাম পাওয়া গিয়েছে, সেই সব পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। একাধিক পুরসভা থেকে নথিও চেয়ে পাঠিয়েছেন তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারার সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি সোমবার সন্ধে পর্যন্তও। আধুনিক মার্কিন অগার মেশিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার মান্ধতা দেশীয় পদ্ধতিতেই ভরসা করছেন উদ্ধারকারীরা। তবে, আশার আলো ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন খনন-বিশেষজ্ঞরা। শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ইঁদুর-গর্ত পদ্ধতি

    শ্রমিকদের উদ্ধারে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে বৈজ্ঞানিক, অত্যাধুনিক বিদেশি ড্রিল। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি।  এখন তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি বেশ বিপজ্জনক। এই পদ্ধতিতে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে গিয়ে খনি শ্রমিকরা একটু একটু করে ইঁদুরের মতো গর্ত করতে থাকে। যেহেতু আমেরিকায় তৈরি অগার মেশিনটি সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ভেঙে গিয়েছিল, তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের নোডাল অফিসার নীরজ খাইরওয়াল জানান, সাইটে আসা খনন কর্মীরা পৃথক পৃথক দলে বিভক্ত। একজন ড্রিলিং করবেন। অন্য একজন কোদাল, বেলচা দিয়ে মাটি-পাথর তুলতে থাকবেন। আর তৃতীয়জন সেটি তুলে ট্রলিতে রেখে দেবেন। জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামায় আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার তিনজনও। পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে ওই শ্রমিকরা রয়েছেন সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে।

    কী বলছেন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ?

    আর মাত্র পাঁচ থেকে ছ’মিটার পথ অতিক্রম করতে পারলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিকের কাছে। ইঁদুরের মতো গর্ত করে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর (Uttarkashi Tunnel Rescue) চেষ্টা করছেন ক্ষুদ্র সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞ ক্রিস কুপার বলেন, “আমরা ৫০ মিটার পেরিয়ে গিয়েছি। আর মাত্র পাঁচ-ছ মিটার বাকি।”

    পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় হায়দরাবাদে ‘কোটি দীপোৎসভমে’ পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “হাজারও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। কোনও রকম খামতি রাখা হচ্ছে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক সতর্কতার সঙ্গে এই উদ্ধার অভিযান শেষ করতে হবে। এই প্রচেষ্টায় প্রকৃতি আমাদের ক্রমাগত কড়া পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। তবে আমরা দৃঢ়ভাবে সে সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করছি। আমরা সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্রমিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের প্রার্থনা করতে হবে।” তিনি বলেন, “আজ যখন আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি ও মানবকল্যাণের কথা বলছি, তখন আমাদের সেই সব শ্রমিক ভাইদের জন্যও প্রার্থনা করতে হবে, যাঁরা গত দু’ সপ্তাহ ধরে উত্তরাখণ্ডের একটি সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন। শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সাহস দিতে হবে। গোটা দেশ তাঁদের সঙ্গে রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’, বললেন ধনখড়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share