Blog

  • Kali Puja: কালীপুজোর দিন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মন্দিরে কী কী ভোগ দেওয়া হয় মাকে, জানেন?

    Kali Puja: কালীপুজোর দিন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মন্দিরে কী কী ভোগ দেওয়া হয় মাকে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কালীপুজা (Kali Puja)। দুর্গাপুজা শেষ হওয়ার পরেই কালী পুজোর প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে যায়। মা দুর্গা চলে গেলে সবার মন খারাপ থাকলেও আবার সবাই শ্যামা মায়ের অপেক্ষায় বসে থাকে। আর আজ সেই অপেক্ষার অবসান হল। প্রসঙ্গত, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম কালীপুজো আরম্ভ করেন। তারপর থেকেই সারা বাংলায় ধুমধাম করে শ্যামাপুজোর আরাধনা করা হয়।

    কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপুজা (Kali Puja) বিশেষ জাঁকজমক সহকারে পালিত হয়। দুর্গাপুজার পাশাপাশি কালী পুজোতেও বিভিন্ন আচার-নিয়ম থাকে। আর কালীপুজোর বিশেষ আকর্ষণই হল মায়ের ভোগ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শ্যামা মায়ের মন্দির। আর সেই এক এক মন্দিরের এক এক রকমের ভোগ মাকে ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়। কলকাতার সবচেয়ে বিখ্যাত কালীমন্দিরটি হল কালীঘাট মন্দির। এটি একটি সতীপীঠ। এছাড়া দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি, আদ্যাপীঠ, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি ইত্যাদি কলকাতা অঞ্চলের বিখ্যাত কয়েকটি কালী মন্দির। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সেবকেশ্বরী কালী মন্দিরও বেশ বিখ্যাত। কালী পুজোর সময় মায়ের যে ভোগ হয় তা অন্যান্য পুজোর থেকে বেশ কিছুটা আলাদা। একনজরে দেখে নিন, কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    কালীঘাট মন্দির

    সতীর একান্নপীঠের অন্যতম এই কালীঘাট (Kalighat)। সকালে মা-কে আমিষ পদ ভোগে দেওয়া হয়। সেই ভোগের মধ্যে রয়েছে বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মা-কে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

    আনুমানিক ১৭০৩ সালে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী নামে এক তান্ত্রিক সন্ন্যাসী সেই সময় জঙ্গলের মধ্যে পঞ্চমুণ্ডির আসনে ও ঘটে পুজো (Kalipuja) শুরু করেন। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয় লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির

    ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি দক্ষিণেশ্বরের পুজোর (Kalipuja) বিশেষ আকর্ষণ। আর ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি।

    তারাপীঠ মন্দির

    কালী পুজোর (Kalipuja) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তাঁরা। কালীপুজোর দিন তাঁরা মা-এর ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সেবকেশ্বরী কালী মন্দির

    শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এই কালী মন্দির। কালীপুজোর (Kalipuja) দিনগুলোতে এই সেবকেশ্বরী কালীমন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। সেবক পাহাড়ের নির্জনতায় হয় কালী মায়ের আরাধনা। অনেকেরই বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রতা। এখানে মা-এর ভোগে থাকে সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, পায়েস, লুচি, দই, মিষ্টি। আর এখানে ভোগের আকর্ষণ হল বোয়াল মাছ। এদিন এই মাছ দেবীর ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়।

  • Ayodhya Deepotsav 2022: দীপাবলির আগে ১৮ লক্ষ প্রদীপের আলোয় আলোকিত অযোধ্যা

    Ayodhya Deepotsav 2022: দীপাবলির আগে ১৮ লক্ষ প্রদীপের আলোয় আলোকিত অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলীর আলোর উৎসবে রবিবার অযোধ্যা সফরে প্রধানমন্ত্রী। ষষ্ঠ দীপোৎসবে, রাম নগরী অযোধ্যা তার নিজের রেকর্ড ভাঙবে এবং একসঙ্গে প্রায় ১৮ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে একটি নতুন রেকর্ড গড়বে। সন্ধেয় সরযূ নদীর তীরে সন্ধ্যারতি দেখার পর, দীপোৎসবে অংশ নেবেন মোদি। এই নিয়ে ষষ্ঠবার দীপোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।অযোধ্যায় নির্মীয়মাণ রাম মন্দির দর্শন করাই তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য। সেখানে পুজোও করবেন তিনি। ঘুরে দেখবেন প্রকল্প এলাকা।

    ডঃ রামমনোহর লোহিয়া অবধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০০ এরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাম কি পায়দির সমস্ত ঘাটে মাটির প্রদীপ জ্বালানোর কাজ শুরু করেছেন। প্রায় ১৫টি তোরণ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। যার নাম রামায়ণ যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। জটায়ু দ্বার, লক্ষণ দ্বার, হনুমান দ্বার, সীতা দ্বার প্রভৃতি নাম অন্তর্ভুক্ত।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অনুসারে জানা গিয়েছে মোদি সরযূ নদীর তীরে রাম কি পাইডিতে (Ram ki Paidi) একটি 3-D হলোগ্রাফিক প্রজেকশন ম্যাপিং পারফরম্যান্সের পাশাপাশি একটি দর্শনীয় মেলোডিক লেজার এক্সট্রাভ্যাঞ্জার প্রদর্শনের সাক্ষী থাকবেন। আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে, উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা জেলা দীপোৎসবের অংশ হিসাবে প্রায় ১৮ লক্ষ মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আরও একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার কথা রয়েছে। দীপাবলিকে সামনে রেখে অযোধ্যার রাম জন্মভূমিকে অগণিত দেশি-বিদেশি ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। দীপোৎসব-২০২২-কে আরও মহিমান্বিত করতে অযোধ্যার প্রতিটি মোড়ে ফুলের তৈরি রঙ্গোলি দিয়ে সাজানো হয়েছে। মথুরা, সীতাপুর এবং অন্যান্য শহরের মতো এলাকার বিশেষ শিল্পীদের দলকে রাম মন্দির, রামলালা এবং রামায়ণ গেটগুলির সাজসজ্জার কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ‘দীপোৎসব’ উপলক্ষে সরযূ নদীর তীর লক্ষ লক্ষ মাটির প্রদীপ আলোয় আলোকিত হওয়ার অপেক্ষায়।

    [tw]


    [/tw]

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী  যোগী আদিত্যনাথও।   

    [tw]


    [/tw]

    গত বছরও রাজকীয় দীপোৎসবের আয়োজন করে যোগী সরকার। সেখানে জ্বালানো হয় ১২ লক্ষ মাটির প্রদীপ। চারিদিক ঝলমলিয়ে ওঠে ঐশ্বরিক সাজে। সর্বাধিক প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Record) জায়গা করে নিয়েছিল অযোধ্যা। এবারও ১৮ লক্ষ দীপ প্রজ্জলন করে পুনরায় গিনেস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পথে অযোধ্যা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০ কোটি টাকা তছরূপ-কাণ্ডে ইতিমধ্যে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ-এর (Jacqueline Fernandez)। আর তারই মধ্যে বিস্ফোরক অভিযাগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গতকাল, শনিবার, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকা তছরূপ মামলা চলাকালীন অভিনেত্রী দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগও এনেছে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময়ের প্রথম থেকেই তিনি সহযোগিতা করছিলেন না।

    দিল্লির আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন জ্যাকলিন (Jacqueline Fernandez)। সেই মামলারই শুনানি চলছিল। সেসময় জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে বিস্ফোরক দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের বক্তব্য, অভিনেত্রী নাকি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু গত বছর লুক-আউট সার্কুলার (এলওসি) জারি করার কারণে তাতে সক্ষম হননি বলে ইডি-র অভিযোগ। জামিন আবেদনের শুনানি চলাকালীন ইডি অভিযোগ জানায়, জ্যাকলিন তাঁর মোবাইল ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করেছিলেন। ইডি আরও বলে, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ কখনওই তদন্তে সহযোগিতা করেননি, প্রমাণ পেশ করার পর কেবল মুখ খুলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নই”, আর্থিক তছরুপ মামলায় জেরার মুখে বললেন নোরা ফতেহি

    অন্যদিকে জ্যাকলিনের (Jacqueline Fernandez) আইনজীবী জানান, ইডির তরফে মামলা সংক্রান্ত কোনও নথি পাঠানো হয়নি। আদালতের তরফে এরপরই নির্দেশ দেওয়া হয় যে ইডি যেন মামলার যাবতীয় নথি অভিনেত্রীকে পাঠানো হয়। আগামী ১০ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। গতকাল ইডি আরও অভিযোগ করেছে যে, তদন্ত চলাকালীন প্রথম থেকেই জ্যাকলিন সহযোগিতা করতে চাননি। এমনকি আর্থিক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে তথ্য প্রমাণ পেশ করা হলেও, জ্যাকলিন তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন। অভিনেত্রীর আচরণ নিয়েও আদালতে অভিযোগ করা হয় ইডির তরফে।

    গতকাল দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে আদালত অভিনেত্রীর (Jacqueline Fernandez) সুরক্ষার মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়িয়েছে বলেই খবর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত আরও কয়েকদিন স্বস্তি পাবেন জ্যাকলিন। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফতেহি-এর নামও জড়িয়ে পড়েছিল। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু ইডির দাবি, নোরা এই তদন্তে সহযোগিতা করেছিলেন।  

  • MP Bus Accident: দীপাবলিতে ফিরছিলেন বাড়ি, মধ্যপ্রদেশে বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৫ জন শ্রমিকের

    MP Bus Accident: দীপাবলিতে ফিরছিলেন বাড়ি, মধ্যপ্রদেশে বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৫ জন শ্রমিকের

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে ভয়ানক বাস দুর্ঘটনা (MP Bus Accident)। মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। গুরুতর আহত হয়েছেন ৪০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। প্রাথমিক জানা গিয়েছে,  একটি ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায় যাত্রীবাহী বাসটি।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতের! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল    

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত এগারোটা নাগাদ হায়দ্রাবাদ থেকে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের দিকে যাচ্ছিল বাসটি। সেই সময় মধ্যপ্রদেশের রেবাতে জাতীয় সড়কের উপর উল্টে যায় যাত্রী ভাই বাসটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। বাসের যাত্রীরা অধিকাংশই দীপাবলিতে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই শ্রমিক। বাসটি উল্টে যাওয়ায় বেশ কয়েকজন তার মধ্যে আটকে পড়েন।  

    পুলিশ সূত্রে খবর, আহতদের মধ্যে ২০জনকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসটি উল্টে যাওয়ায় বেশ কয়েকজন তার মধ্যে আটকে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। রেওয়ার পুলিশ সুপার নভনীত ভাসিন জানিয়েছেন, “বাসের সমস্ত যাত্রীই ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। নিহতরা হায়দরাবাদে দিনমজুরের কাজ করতেন। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। বাসের চালক মত্ত অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     


    যাত্রীদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ নরোত্তম মিশ্র বলেছেন, “এই দুর্ঘটনা অতি বেদনাদায়ক।” রেওয়ার কালেক্টর মনোজ পুষ্প বলেন, “মনে হচ্ছে সামনের ট্রাকের সাথে দুর্ঘটনা ঘটেছিল ট্রলি ট্রাকের। এই আবহে ট্রাক চালক ব্রেক কষলে পেছনের বাসটি এসে ট্রাকে ধাক্কা মারে। উদ্ধার অভিযান চালানো হয় ঘটনার পরপরই। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

  • Dirtiest Man: ৭০ বছর পর স্নান করেই মারা গেলেন ইরানের এক ব্যক্তি

    Dirtiest Man: ৭০ বছর পর স্নান করেই মারা গেলেন ইরানের এক ব্যক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানি নাগরিক আমু হাজি (Amou Haji )বিশ্বের সবচেয়ে অপরিস্কার মানুষ কয়েক দশক ধরে স্নান করতেন না। স্থানীয়দের দাবি, আমু জল ও সাবান ভয় পেতেন। এছাড়াও যৌবনে একটি হৃদয় বিদারক ঘটনার কারণে স্নান করা বন্ধ করে দেন। কয়েক মাস আগেই গ্রামবাসীরা তাঁকে এক প্রকার জোর করে স্নান করান। এই ঘটনার কয়েক মাস পরেই মারা গেলেন তিনি।

    [tw]


    [/tw]

    ইরানের সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের ফার্স প্রদেশের দেজগাহ গ্রামে খুপরি দিয়ে তৈরী একটি ঘরে বসবাস করতেন।

    [tw]


    [/tw] 

    ইরানি এক সংবাদমাধ্যম ২০১৪ সালের তাদের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল,আমু হাজি সাধারণত তাঁর গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়া সড়কে দুর্ঘটনায় যেসব প্রাণী মারা যেত সেগুলোর মাংস থেকেই জীবন ধারণ করতেন। পশুপাখির মল দিয়ে তৈরি এক ধরনে্র পাইপ সেবন করতেন তিনি। আমু হাজি বিশ্বাস (Amou Haji)করতেন, স্নান করলেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। সে সময় তোলা বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে, আমু হাজি একই সময়ে একাধিক সিগারেট/পাইপ খেতেন।

    [tw]


    [/tw] 

    হাজির মৃত্যুর পর, “বিশ্বের সবচেয়ে অপরিস্কার মানুষ” এর  খেতাবটি ভারতের মহারাষ্ট্রে ৬৭ বছর বয়সী একজন ভারতীয় ব্যক্তির কাছে যাবে যিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্নান করেননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • World Polio Day: আজ বিশ্ব পোলিও দিবস, জেনে নিন পোলিও রোগ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    World Polio Day: আজ বিশ্ব পোলিও দিবস, জেনে নিন পোলিও রোগ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্ব পোলিও দিবস, এই দিবসটি প্রথম পালিত হয় রোটারি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা জোনাস এডওয়ার্ড সল্কের জন্মবার্ষিকী স্মরণে।  জোনাস এডওয়ার্ড সল্ক( ২৮ অক্টোবর ১৯১৪ -২৩ জুন ১৯৯৫) ছিলেন একজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল গবেষক এবং ভাইরাসবিদ। যিনি পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিসের বিরুদ্ধে একটি প্রথম  প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছিলেন।
    পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এটি একব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর পক্ষাঘাত পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত এই ভাইরাস  শিশুসহ কিশোরদের বেশি সংক্রমিত করে। 

    [tw]


    [/tw] 

    পোলিও রোগের লক্ষণ-

    রোগীর প্রথম দিন সামান্য সর্দি, কাশি এবং জ্বর হলেও, দিন দুই পরে থেকে মাথা ব্যাথার সাথে সাথে  ঘাড় শক্ত হতে শুরু করে। এমনকি রোগীর হাত অথবা পা অবশ হয়ে যায়।রোগী দাঁড়াতে পারে না, দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরে যায়।রোগীর  আক্রান্ত অঙ্গ ক্রমশ দুর্বল হয় এবং পরে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে।
    ধীরে ধীরে এক বা একাধিক অঙ্গ অবশ হয়ে  যেতে শুরু করে আক্রান্ত অঙ্গের মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায়, অনেক সময় চর্মসার হয়ে পরে । শ্বাস প্রশ্বাসের পেশী অবশ হয়ে শ্বাস বন্ধ হয়ে রোগী মারাও যেতে পারে।
    তবে সবচেয়ে মারাত্মক এই যে শতকরা ৯৫ ভাগ পোলিও আক্রান্ত রোগীর শরীরে তেমন কোন উপসর্গ দেখা যায় না।

    পোলিও ভ্যাকসিন ভারতে চালু করা হয়েছিল সম্প্রসারিত প্রোগ্রাম (ইপিআই, 1978) এবং ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম (ইউআইপি, 1985) এর সহায়তায় 1995 সালের অনেক আগে।
    কিন্তু জাতীয় টিকা দিবস, যা সাধারণত পালস পোলিও ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম নামে পরিচিত,তা শ্রীমতী ইন্দিরা  এবং রাজীব গান্ধীর  আমলে ভারতে 1995 সালে চালু হয়েছিল। 

    [tw]


    [/tw] 

    সবচেয়ে সাফল্যের খবর হল  জানুয়ারি ২০১১ থেকে ভারতে আর কোনো পোলিও রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি; ফলশ্রুতিতে ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে ভারতকে WHO এর পোলিও আক্রান্ত দেশের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ২০১৪ সালের মার্চে ভারতকে পোলিও মুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০৮ সালের পর মাত্র তিনটি দেশে পোলিও মহামারী দেখা গেছে: নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। ভারতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশু পোলিও রোগে আক্রান্ত না হলেই স্বার্থক হবে আজকের বিশ্ব পোলিও দিবস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • ALH Helicopter: ফের চীন সীমান্তে সেনা চপার ভেঙ্গে পড়ার পরেই ঘটনার তদন্তে সেনা

    ALH Helicopter: ফের চীন সীমান্তে সেনা চপার ভেঙ্গে পড়ার পরেই ঘটনার তদন্তে সেনা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকালেই অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং জেলায় সেনার একটি অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (Advanced Light Helicopter) মিগিং নামে এক গ্রামের কাছে ভারতীয় সেনার একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। বেশ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর, মিলেছিল তার ধ্বংসাশেষ। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছিল, হেলিকপ্টারটির ৪ জন জওয়ানের দেহ পাওয়া গেলেও একজনের দেহ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে শনিবার পঞ্চম জওয়ানের দেহও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল সেনার চিতা হেলিকপ্টার, মৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার 

    দুর্ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এবং জায়গাটি কোনও সড়কপথে যুক্ত নয়।একটি ঝুলন্ত ব্রিজ ছাড়া মিগিং গ্রামে যাওয়ার অন্য কোনও রাস্তা নেই। ফলে, গাড়ি বা অন্য কোনও যানবাহন যাওয়ার উপায় নেই। তাই, সেনাবাহিনী ও বায়ুসেনার তিনটি যৌথ দল একটি এমআই-১৭ এবং দুটি ধ্রুব হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধারকার্য চালাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
    সেনাসূত্রে তরফে জানানো হয়েছে মৃত ৫ জন জওয়ানের মধ্যে ২ জন অফিসার পদমর্যাদার পাইলট ছিলেন। মৃতরা হলেন মেজর বিকাশ ভাম্ভু, মেজর মুস্তফা বোহরা, সিএনএফ অশ্বিন কে ভি, হাভিলদার ব্রিজেশ সিনহা, এবং রোহিতস্য কুমার। হাবিলদার ব্রজেশ সেনার দেহটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে জানা যায়। এই জওয়ান অসমের বাসিন্দা ছিলেন।

    [tw]


    [/tw] 

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার ঠিক আগেই এটিসিকে (ATC) সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিলেন ওই বিমানের পাইলট। কপ্টারে যে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে, সেটা নাকি এটিসিকে জানিয়েও দিয়েছিলেন তিনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে নাকি পাইলট নাকি এটিসিকে ‘মে ডে কল (May Day Call) পাঠিয়েছিলেন। যার অর্থ তাঁর কপ্টারে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস ওয়ালিয়া জানান,  কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি, সেটা দেখার জন্য ‘কোর্ট অব এনকোয়ারি’ বসানো হবে।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই এনিয়ে দ্বিতীয়বার হেলিকপ্টার দূর্ঘটনা ঘটল।  ৫ অক্টোবর তাওয়াং এলালায় একটি চিতা হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে। তাতে একজন পাইলট মারা যান। ১৯৯৫ সাল থেকে থেকে অরুণাচল প্রদেশে এখন পর্যন্ত ১৩টি সেনা বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। তাতে মারা গিয়েছেন ৪৭ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নতুন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে চলেছে আমাদের রাজ্যে, সিত্রাং নামক ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি বাড়িয়ে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে। পোর্টব্লেয়ার থেকে ১১০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করেছে এই  নিম্নচাপ এবং সাগরদ্বীপ থেকে ১৪৬০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে আগামীকাল সোমবার দীপান্বিতা কালীপূজার দিন  পশ্চিমবঙ্গে এবং পরবর্তী দিন মঙ্গলবার বাংলাদেশের উপকূলের তিনকোনা দ্বীপের উপর আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

    পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুর সহ হাওড়া, হুগলি, নদীয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি আর মঙ্গলবার ৯০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
    তবে দুই পরগণা আর দুই মেদিনীপুরে ১১০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা। 
     সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সুন্দরবন এলাকায় ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    সুন্দরবন কোস্টাল থানার তরফ থেকে মাইকে করে বিশেষ সতর্কতা মূলক প্রচার চালানো হয়েছে, মৎস্যজীবিদের মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র তীরবর্তী বাসিন্দাদের কয়েকটি দিন বিশেষ সতর্কতায় কাটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তেমন বুঝলে ফ্ল্যাড সেন্টারে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। 
    এই ঝড় পাশ্ববর্তী রাজ্য উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে ভারতে যাবে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু রাজ্যে সারাদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, মাঝে মাঝে ঝড় বিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। 
    কালীপূজার দিন সকাল থেকে নবান্নে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের।

    নবান্নের তরফ থেকে উপকূলীয় জেলার প্রশাসনকে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।  সাইক্লোন সিত্রাং মোকাবিলায় এনডিআরএফের তরফ থেকে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি পরিষেবা দল রাজ্যের উপকূল সহ বিভিন্ন স্থানে । ৪টি দল থাকবে দক্ষিন ২৪ পরগণায়, ২ দল থাকবে উত্তর ২৪ পরগণা ,৩ টি দল  পূর্ব মেদিনীপুর আর ১ টি দল পশ্চিম মেদিনীপুর,হুগলি ও নদীয়ায় থাকবে। এবং কলকাতা কর্পোরেশনে থাকছে দুটো দল।
    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সাগর, কাকদ্বীপ, গোসাবা, কুলতলি, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি এবং হাসনাবাদ। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে  দিঘাতে রয়েছে একটি টিম, রামনগরে দুটি টিম এবং হলদিয়াতে এনডিআরএফের টিম রয়েছে। হুগলির আরামবাগ, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, পশ্চিম মেদিনীপুরে হাসিমপুর, নদিয়া হরিণঘাটাতেও এনডিআরএফ টিম মোতায়েন রয়েছে। মূল কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে হরিণঘাটাতে সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের এনডিআরএফের কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার-  ৮০১৭১৬৬৬৫৫ । ২৪ ঘণ্টা এই হরিণঘাটার মেইন কন্ট্রোল রুম থেকেই চলবে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)  তাদের সবচেয়ে ভারী রকেট লঞ্চ ভেহিকেল LVM3-M2-তে ৩৬টি ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটের প্রথম বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ করতে প্রস্তুত। ৪৩.৫  মিটার লম্বা রকেটটি রবিবার ভারতীয় সময় রাত ১২টা বেজে ৭ মিনিটে  শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে লঞ্চ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। রকেটটিকে ৮ হাজার  কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করার ক্ষমতার রয়েছে। এই কারণে রকেটটি সবচেয়ে ভারী হতে পারে বলে ইসরো সূত্রে খবর ।

    [tw]


    [/tw] 

    রবিবারের উৎক্ষেপণটি ইসরোর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ LVM3-M2 মিশনটি সফল হলেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ পরিষেবার বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং ওয়ানওয়েব (One Web) নামে একটি ব্রিটিশ স্টার্ট আপ কোম্পানির এর মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে মিশনটি হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে  ইসরো।

    [tw]


    [/tw] 

    মহাকাশ সংস্থার মতে, মিশনটি ওয়ানওয়েবের ৩৬ টি স্যাটেলাইটকে নিয়ে ৫৭৯৬  কেজি  ওজনের সবচেয়ে ভারী  ওজন বহন করবে। এলভিএম-থ্রি হল একটি তিন পর্যায়ের বাহন যেখানে দুটি সলিড মোটর স্ট্র্যাপ-অন, একটি লিকুইড প্রপেলান্ট কোর স্টেজ এবং একটি ক্রায়োজনিক স্টেজ রয়েছে।নতুন রকেটটি একটি জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিটে চার টন বর্গের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম।এই এনভিএম থ্রি রকেটকে আগে জিএসএলভি এমকে থ্রি বলা হত। ওয়ানওয়েব ইন্ডিয়া-১ মিশনের এলভিএম থ্রি-এম২ রকেট যাচ্ছে মহাকাশে।

    মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত প্রতিদিনই একাধিক নতুন মাত্রা তৈরি করছে। এই মিশন সফল হলে সরকারি, ব্যবসায়িক ও বিভিন্ন সংযোগের ক্ষেত্রে ‘জেন ওয়ান এলইও কনস্টেলেশন’ এর হাত ধরে আরও উচ্চ গতি সম্পন্ন সংযোগ পাওয়া যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Diwali 2022: দীপাবলীতে প্রবীণদের জন্য উপহার, ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল এসবিআই

    Diwali 2022: দীপাবলীতে প্রবীণদের জন্য উপহার, ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল এসবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উৎসব (Diwali 2022) শুরু হওয়ার ঠিক এক দিন আগে, ভারতের সবচেয়ে বড়ো সরকারী  ব্যাংক বৃহত্তম স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank Of India) ফিক্সড ডিপোজিটের উপর সুদের হার  ২৫ বেসিস পয়েন্ট থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮০ বেসিস পয়েন্টে বৃদ্ধি করেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই আমানতকারীদের মধ্যে খুশীর ঝড় উঠেছে। নতুন রেটগুলি ₹২ কোটির নিচে থাকা FD অ্যাকাউন্টের জন্য প্রযোজ্য। এসবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে ২২ অক্টোবর থেকে এই নিয়মটি কার্যকর করা হবে৷ তারা আরও জানান, এই স্কিমের ফলে মূলত প্রবীণ নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী হবেন৷

    এসবিআই ফিক্সড ডিপোজিটের নতুন রেট:

    ১ বছর বা তার কম সময় অন্তত ২১১ দিনের ফিক্স ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ৮০ বেসিস পয়েন্ট দ্বারা সুদের হার বর্তমানের ৪.৭০ থেকে বেড়ে ৫.৫০ হবে।

    ব্যাঙ্ক বর্তমানে দেওয়া ১৮০ দিনের ফিক্স ডিপোজিটে ৪.৬৫% এর তুলনায় ২১০ দিন মেয়াদী এফডি-তে সুদের হার ৬০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫.২৫% করেছে।  একই রকম বৃদ্ধি করা হয়েছে ২ বছর থেকে ৩ বছরের কম মেয়াদের ফিক্স ডিপোজিটে সুদ ৫.৬৫% থেকে বেড়ে ৬.২৫% হয়েছে।

    বর্তমানে ৪৬ দিন থেকে ১৭৯ দিনের এফডিতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করে সুদের হার ৪% থেকে ৪.৫০% করা হয়েছে।
    দীর্ঘ মেয়াদে, স্টেট ব্যাংক ৩০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে সুদের হার ৬.১০% করেছে এবং ১০ বছরের মেয়াদ কালীন ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে  ৫.৮৫%।

    সর্বাধিক, একজন প্রবীণ নাগরিক ৫ বছর বা ১০ বছর  মেয়াদি ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৬.৯০% হারে বর্তমানের ৬.৬৫% থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্টের হিসেবে বেশি উপার্জন করতে পারবেন।  
    তবে ৭দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে খোলা ফিক্সড ডিপোজিটে ৩.৫০% হিসেবে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকছে।

    এর আগেও এসবিআই সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ‘ইউ কেয়ার ফিক্সড ডিপোজিট’ নামে একটি স্কিম এনেছিল। সাধারণ প্রকল্পে পাঁচ বছর পর্যন্ত ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৫.৪ শতাংশ। সেখানে প্রবীণ নাগরিক স্পেশ্যাল ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৬.২০ শতাংশ হয়েছে। এই স্কিমের বিশেষত্ব, ৬০ বা তার বেশি বয়সের যে কেউই বিনিয়োগ করতে পারেন। কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যায়। তবে তার আগেও টাকা তোলা যায়। তবে সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুদ পাওয়া যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share