Blog

  • ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। একইসঙ্গে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করার পর তার কাছে পাওয়া তথ্য থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। আর এই সব কর্মী নিয়োগে মোটা টাকার খেলা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন।

    পুরসভায় কর্মী নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন? (ED)

    পুর-নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন তা ইডি আধিকারিকদের স্ক্যানারে রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলার বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়়। রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা আশিস দে-র ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। এমনিতেই এই নেতার বাড়ি বীরভূম। গরু পাচার কাণ্ডের ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। তাঁর ছেলের চাকরিও বরানগর পুরসভায় হয়েছে। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছেন। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

    চেয়ারপার্সনের কী বক্তব্য?

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে  পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    ৩২ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই অনেক তথ্য জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা

    পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে ইডি সেপ্টেম্বর মাসে ডেকে পাঠায়। মূলত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ যাদের পুরসভায় চাকরি হয়েছে তারা ডাকা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগে পুরসভার চেয়ারপার্সন এবং অনিন্দ্য রাউতদের ভূমিকা নিয়ে অনেক তথ্য জানতে পেরেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। নিয়োগের পিছনে মোটা টাকা আর্থিক লেনদেন হয়েছে, সেই বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। এমনিতেই ইডি (ED), সিবিআইয়ের স্ক্যানারে আসার পর থেকেই চেয়ারপার্সন পুরসভায় আসা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। কাউন্সিলারদের একাংশের সঙ্গে নিয়োগ ইস্যুতে দুরত্ব তৈরি হয়েছে। কয়েকজিন আগে ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়ে চেয়ারপার্সনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেন। তৃণমূল নেতা অনিন্দ্য রাউতের কাছে অনেক তথ্য পান। আর চেয়ারপার্সন কার কার সঙ্গে যোগাযাগ রাখতেন তা বোঝার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Arthritis Day: আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, জানেন রোগ সম্পর্কে?

    World Arthritis Day: আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, জানেন রোগ সম্পর্কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ১২ অক্টোবর দিনটি পালিত হয় বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস (World Arthritis Day) হিসেবে। রোগটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৬ সাল থেকে পালিত হয় দিনটি। বিশ্বের বহু মানুষ এই রোগে ভুগলেও, সেই অর্থে গড়ে ওঠেনি সচেতনতা। সেই কারণে ১৯৯৬ সাল থেকে নিয়ম করে পালিত হয়ে আসছে দিনটি।

    আর্থ্রাইটিস কী?

    চিকিৎসকদের মতে, আর্থ্রাইটিস কোনও নির্দিষ্ট অঙ্গের ব্যথা নয়। বরং নানা অঙ্গেই এটা হতে পারে। আঙুলের গাঁটে গাঁটে যে ব্যথা হয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকেও আর্থ্রাইটিস বলা হয়। শরীরে কোনও আঘাত না লাগলেও, কোনও ব্যক্তি কাবু হতে পারেন এই রোগে। আর্থ্রাইটিস (World Arthritis Day) হল সন্ধিস্থলের প্রদাহ। নিত্য এই প্রদাহ হলে তার প্রভাব পড়ে সন্ধিস্থলের টিস্যুগুলিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় এর সঙ্গে সংযোগকারী টিস্যুগুলিও। যার জেরে সন্ধিস্থলের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়েন রোগী।   

    আর্থ্রাইটিসের রকমফের   

    বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে শুরু হয় ক্ষয়। যার জেরে দুর্বল হতে থাকে হাড়-মজ্জা। ক্ষরণ কমবেশি হয় নানা হরমোনের। তাই শুরু হয় আর্থ্রাইটিসের ব্যথা। বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই রোগের শিকার। বিশ্বে ১০০-রও বেশি ধরনের আর্থ্রাইটিস রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ হল দু’টি – অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।

    আর্থ্রাইটিস রোগের হাত থেকে বাঁচতে নিয়মিত খেতে হবে দুধ, দই এবং পনিরের মতো দুগ্ধজাত খাবার। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকায় হাড়ের ক্ষয় কমে। শক্তিশালী হয় হাড়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত দু’ দিন খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে রুই, টুনা এবং স্যামন মাছ।

    আরও পড়ুুন: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    আর্থ্রাইটিসের জন্য বাদাম বেশ উপকারী। নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন আখরোট, পেস্তা ও কাঠ বাদাম। কারণ এগুলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ফাইবার। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে হাড়কে রক্ষা করে গ্রিন টি-র মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ বছর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের (World Arthritis Day) থিম হল, লিভিং উইথ অ্যান আরএমডি অ্যাট অল স্টেজেস অফ লাইফ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বংস যজ্ঞের মধ্যেও প্রাণের স্পন্দন! এ ছবি যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইজরায়েলের। দিন পাঁচেক ধরে কার্যত যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel Hamas War)। প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসই প্রথম গাজা ভূখণ্ড থেকে হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে তেল আভিভ। হামাসের হামলায় ইজরায়েলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজারের কাছাকাছি। ইজরায়েলের বাতাসে বারুদের গন্ধ। যত্রতত্র ছড়িয়ে মৃতদেহ। এরই মধ্যে শোনা গেল জীবনের জয়গান।

    শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন যমজ সন্তান

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। হামাসরা ইজরায়েলে হামলা চালাতেই মাস দশেকের যমজ সন্তানকে একটি শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন ইজরায়েলের এক তরুণ দম্পতি। এর পরপরই হামাস জঙ্গি বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওই দম্পতির। হামাসের ছোড়া গোলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের বাড়িটিও। হামাসের ডেরা গাজার পূর্বে মাইল তিনেক দূরের ওই এলাকায় কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ফিরে যায় হামাস জঙ্গিরা। হিংসার আগুন কিছুটা স্তিমিত হলে প্রাণের খোঁজে এলাকা চষে ফেলে ইজরায়েলি সেনা। তখনই শেল্টার হাউস থেকে ভেসে আসে কান্নার শব্দ। তারাই উদ্ধার করে (Israel Hamas War) যমজ ওই শিশু দুটিকে।

    উদ্ধার অনাথ দু’টি শিশু 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই দম্পতির ছবি পোস্ট করে সাইপ্রাসে ইজরায়েলের ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর রোতেম সেগেভ লিখেছেন, “বছর তিরিশের ইটালি ও হাদার বেরডিচেভস্কি একটি শেল্টার হাউসে তাঁদের দশ মাসের যমজ বাচ্চাকে লুকিয়ে রেখেছিল। জঙ্গিরা ইটালি ও হাদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। যদিও জঙ্গিদের সঙ্গে শেষতক লড়েছিল ওই দম্পতি।” সেগেভ জানান, বাচ্চা দু’টি ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওই শেল্টার হাউসে পড়েছিল। পরে ইজরায়েলি বাহিনী তাদের উদ্ধার করে।

    আরও পড়ুুন: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    মাইক্রোব্লগিং সাইটে তিনি লিখেছেন, “কল্পনা করুন ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্যের। ভীত-সন্ত্রস্ত সেই দম্পতি তাঁদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত চেষ্টা করেছিল সন্তান দুটিকে রক্ষা করতে। এই শিশু দু’টি এখন অনাথ হয়ে পড়ল। তাদের এই স্মৃতি যেন আশীর্বাদ হয়ে ঝরে পড়ে।” জানা গিয়েছে, বর্তমানে শিশু দু’টি সুস্থ রয়েছে। তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে তাদের ঠাকুমার হাতে (Israel Hamas War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে প্রাণের সন্ধান! সম্ভব হলেও হতে পারে, দাবি বিজ্ঞানীদের। পৃথিবী ছাড়াও সৌর জগতের আর কোথাও বসতি গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলে বিজ্ঞানীরদের মধ্যে। এই তালিকাতেই নতুন করে যোগ দিয়েছে বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা। 

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

    হিমশীতল হলেও ইউরোপাতে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কম নয় বলে মনে করেন গবেষকরা। কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিষয়ক বিজ্ঞানী সামান্থা ট্রাম্বো বলেন, “এর আগে, হাবল টেলিস্কোপ টারা রেগিওতে সামুদ্রিক লবণের হদিশ পেয়েছিল। এবার ভাল মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ মিলল। সমুদ্রগর্ভ থেকেই তার উৎপত্তি ঘটেছে বলে অনুমান আমাদের।” ইউরোপা নিয়ে সম্প্রতি দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি লিখেছেন সামান্থা। ২১ সেপ্টেম্বর জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত হয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, ইউরোপার বুকে স্ফটিকাকার এবং নিরাকার কার্বন, দুইয়েরই খোঁজ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপার মাটির বয়স অন্তত ৬ কোটি বছর। 

    ইউরোপা কেমন

    আকারে বৃহস্পতির এই উপগ্রহটি চাঁদের থেকে সামান্য একটু ছোট। কিন্তু প্রাণ সঞ্চারের প্রাথমিক শর্ত যেটি, সেই জল নাকি রয়েছে ওই উপগ্রহে। রয়েছে একটা আস্ত সমুদ্র। বিজ্ঞানীরা অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তবে ইউরোপার জলে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। জীবনের অন্যতম ভিত্তি কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই যে সমস্ত জীবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভব, তারা এখানে থাকলেও থাকতে পারে। দেখা গিয়েছে, ইউরোপায় রয়েছে বরফের একটি কঠিন স্তর।আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসার দাবি, ওই বরফের কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে একটি মহাসমুদ্র। ওই মহাসমুদ্রে প্রচুর কার্বন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ইউরোপায় অভিযান

    প্রসঙ্গত, গোটা সৌরজগতে ইউরোপার মতো বেশি গ্রহ বা উপগ্রহ নেই। প্রাণের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, এমন সংখ্যা নগণ্য। ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার টারা রেগিও নামের একটি অংশে বেশি পরিমাণে এই গ্যাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সেখান থেকেই কোনও একটি সুখবর পাওয়ার আশায় রয়েছে বিজ্ঞানীরা। আপাতত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সেদিকটাই খুঁটিয়ে দেখছে নাসা। ইউরোপার উদ্দেশে দু’টি অভিযানের লক্ষ্য রয়েছে গবেষকদের। ২০২৪ সালে নাসার ক্লিপার অভিযানের সূচনা হবে। কক্ষপথ থেকে ইউরোপাকে পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশযানটি। সেখানে প্রাণধারণের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি-র জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার (Juice) আগামী বছর এপ্রিলে রওনা দেবে ইউরোপার উদ্দেশে। ২০৩১ সালে ইউরোপার কাছাকাছি পৌঁছবে সেটি। বৃহস্পতির তিনটি গ্রহ, ইউরোপা, গানিমিড এবং ক্যালিস্টোর চারপাশে ৩৫ বার চক্কর কাটবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার পর এবার ভারতের নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও কি আসতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘সি-২৯৫’ সামরিক পণ্যবাহী বিমান (C-295 Airlifter)? কলকাতায় এসে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ডিজি রাকেশ পাল। 

    কী বললেন আইসিজি ডিজি রাকেশ পাল?

    চিন-পাকিস্তান লাগোয়া দুর্গাম সীমান্তে নিমেষে সামরিক সরঞ্জাম, রসদ পৌঁছে দিতে স্পেনের এয়ারবাস থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান কিনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা, যার ডেলিভারি শুরুও হয়ে গিয়েছে। এবার সেই পথে যেতে চলেছে নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ডিজি জানান, তারাও ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) কেনার বিষয়ে অনেকটা এগিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এই মর্মে প্রস্তাব পেশ করা হবে কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলে। তিনি আশাবাদী সেই প্রস্তাব পাশ হবে। রাকেশ পাল জানান, মোট ১৫টি ‘সি-২৯৫’ বিমান কেনা হবে। এর মধ্যে ৯টি নেবে নৌসেনা আর ৬টি থাকবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে।

    আরও পড়ুন: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনা কিনছে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ বিমান

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানের পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রযুক্তিগতভাবে বেশি উন্নত ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় বায়ুসেনা। মূল উদ্দেশ্য, দুর্গম সীমান্তে অল্প সময়ের মধ্যে এবং সহজেই সামরিক সরঞ্জাম থেকে প্রয়োজনীয় রসদ ও সেনা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। সে কারণে, স্পেনের এয়ারবাস সংস্থা থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট কেনার বরাত ২০২১ সালে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। চুক্তি মোতাবেক, প্রথম ১৬টি ইউনিট স্পেন থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় আসবে। এর মধ্যে, প্রথম বিমানটি গত সেপ্টেম্বর মাসেই স্পেন থেকে ভারতে চলে এসেছে। বাকি ৪০টি তৈরি হবে ভদোদরায় টাটার অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে, এই ৫৬ সংখ্যাটা বাড়াতে পারে বায়ুসেনা। কারণ, অ্যাভরো-র পর রুশ-নির্মিত এন-৩২ (অ্যান্টোনভ) বিমানগুলোকেও এই ‘সি-২৯৫’ দিয়ে করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বায়ুসেনা। সেক্ষেত্রে, বাহিনীতে ‘সি-২৯৫’ বিমানের সংখ্যা ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

    নৌ ও উপকূলরক্ষীর বিমানে লাগানো থাকবে বিশেষ সেন্সর!

    এদিকে, সূত্রের খবর, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) জন্য যে ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি তৈরি করা হবে, সেগুলিতে বিশেষ সেন্সর বসানো হবে। এই বিমানগুলি মূলত মাল্টি-মিশন মেরিটাইম এয়ারক্র্যাফট হিসেবে কাজ করবে। সংক্ষেপে যাকে বলা হবে ‘এমএমএমএ’। এই বিমানগুলিতে থাকবে অ্যাকটিভ ইলেক্ট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (আয়েসা) রেডার। সমুদ্র সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সীমান্তাঞ্চলের মধ্যে সমুদ্রে ভাসমান যাবতীয় জাহাজ ও বোটের ওপর নজর রাখা হবে এই বিমানের প্রধান কাজ। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে নৌসেনার ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর ‘সি-২৯৫’-কে (C-295 Airlifter) বিশেষভাবে মডিফাই বা কাস্টোমাইজ়ড করা হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রের আরও দাবি, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য যে বিমানগুলি কেনা হবে, সেগুলো তৈরি হবে এদেশে টাটার কারখানায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Batla House Encounter: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    Batla House Encounter: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাটলা হাউস এনকাউন্টারের (Batla House Encounter) ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ দিল্লি হাইকোর্টে। ফাঁসির বদলে আমৃত্যু কারাবাসের নির্দেশ আদালতের। বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও অমিত শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ আরিজের মৃত্যুদণ্ড রদ করে দেয়। তার বদলে দেওয়া হয় আমৃত্যু কারাবাসের সাজা।

    কলেজের পড়া শেষে জঙ্গি সংগঠনে

    আরিজ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন মুজাহিদিনের সদস্য। মুজফফরনগরের বাসিন্দা আরিজ এক সময় ইঞ্জিনিয়ার ছিল। কলেজের পাঠ চুকিয়ে সে যোগ দেয় জঙ্গি সংগঠনে। বিস্ফোরক তৈরিতে তার অনায়াস দক্ষতার কারণে সংগঠনে তার গুরুত্বও ছিল বেশি। দক্ষিণ দিল্লির জামিনা নগরে বাটলা হাউসে ডেরা বেঁধেছিল আরিজরা। নেপাল সহ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতেও তার একাধিক ডেরা রয়েছে।

    বাটলা হাউসে এনকাউন্টার

    সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে সেখানে হামলা চালায় পুলিশ। সেটা ছিল ২০০৮ সাল। দু’ পক্ষের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের ইনসপেক্টর মোহন চাঁদ শর্মার। পুলিশের পাল্টা গুলিতে (Batla House Encounter) জখম হয় আরিজ ও তার কয়েকজন সাগরেদ। যদিও পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ফেরার হয়ে যায় আরিজ। ১০ বছর বাদে ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে। নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। সেটাই খারিজ হয়ে গেল দিল্লি হাইকোর্টে। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে দিল্লি ছাড়াও জয়পুর, আমেদাবাদে একাধিক বিস্ফোরণের নেপথ্যে হাত ছিল আরিজের।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    ২০২১ সালের মার্চ মাসে দিল্লির নিম্ন আদালত মোহনচাঁদ শর্মাকে খুন সহ একাধিক অপরাধে ফাঁসির সাজা শোনায় আরিজকে। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল আরিজ। তার আইনজীবীর দাবি ছিল, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে তাঁর মক্কেলকে। এই ঘটনায় আর এক অভিযুক্ত ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সদস্য শাহজাদ আহমেদকে ২০১৩ সালের জুলাই মাসেই যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি দিয়েছিল নিম্ন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন (Batla House Encounter) করেছিল শাহজাদ। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Millets: বিশ্ববাসীকে মিলেটের পুষ্টিগুণ চেনাতে ওড়িশায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন

    Millets: বিশ্ববাসীকে মিলেটের পুষ্টিগুণ চেনাতে ওড়িশায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলেটের (Millets) খাদ্যগুণের কথা অস্বীকার করা যায় না। তাই নিত্যদিনের খাবারের তালিকায় মিলেট রাখার বিষয়ে নানা সময় সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিলেটের খাদ্যগুণের কথা স্বীকার করে এবং ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বাজারে জনগণের মধ্যে এই পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতে ভারতের অনুরোধে ২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রসংঘ।

    শ্রী অন্নকে গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ

    শ্রী অন্নকে গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেশের কোটি কোটি মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণেও সক্ষম হবে। বিশ্ববাসীর কাছে এহেন মিলেটের গুরুত্ব তুলে ধরতে দু’ দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে ওড়িশায়। ১০ নভেম্বর শুরু হওয়া সম্মেলন চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে উপজাতির লোকজন ভরসা করেন মিলেটের ওপর। সম্মেলনের মাধ্যমে সেই মিলেটকেই এবার তুলে ধরা হবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।

    মিলেট প্রতিকূল জলবায়ু সহনশীল

    মিলেট (Millets) প্রতিকূল জলবায়ু সহনশীল। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে বদলে যাচ্ছে বিশ্বের জলবায়ু। তাই প্রয়োজন বিকল্প চাষের। মিলেট হল সেই চাষ, যা প্রতিকূল জলবায়ুতেও দিব্যি শস্য উৎপাদনে সক্ষম। পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখে মিলেট চাষে উৎসাহ দিচ্ছে সরকারি, বেসরকারি নানা সংস্থা। আন্তর্জাতিক যে সম্মেলন ওড়িশায় হচ্ছে, তার থিম হল, ‘মিলেট – এনসিয়েন্ট গ্রেইনস ফর মডার্ন চ্যালেঞ্জস’। সম্মেলনে যোগ দেবেন দেশ-বিদেশের ৪-৫ হাজার কৃষক, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং ফারমার-প্রডিউসার অর্গানাইজেশন।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    সম্মেলনে হবে বি টু বি অধিবেশন, রাউন্ড টেবিলস, টেকনিক্যাল অধিবেশন, ডেমনস্ট্রেশনস অন মেশিনারি অ্যান্ড প্যাকেজিং টেকনোলজি এবং কৃষক ও অন্যদের জন্য বিশেষ অধিবেশন। শ্রী অন্ন (মিলেট) হল জোয়ার, বাজরা এবং রাগি। শুকনো মাটি কিংবা পাহাড়ি এলাকা, সর্বত্রই মিলেট চাষ করা যায়। যেসব এলাকায় জলের অভাবে অন্য কোনও শস্য চাষ করা যায় না, সেখানেও অনায়াসে উৎপাদন করা যায় মিলেট। মিলেট প্রোটিনজাত খাবারের অন্যতম উৎস। ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস এবং ডায়েটরি তন্তু সমৃদ্ধ। সেই কারণেই সেনা সহ দেশের বিভিন্ন বাহিনীতে খাবারে মিলেট দেওয়া হচ্ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ওড়িশা সরকার ৮ লক্ষ ক্যুইন্টাল মিলেট (Millets) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে! রেকর্ড গড়েও নিরুত্তাপ, কাপ জয়ই লক্ষ্য রোহিতের

    ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে! রেকর্ড গড়েও নিরুত্তাপ, কাপ জয়ই লক্ষ্য রোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরাট কোহলির মঞ্চে রোহিত শর্মার ‘শো’ দেখল কোটলা। হিটম্যানের দাপটে খড়কুটোর মতোই উড়ে গেল আফগানিস্তান। ভাল খেললেন কোহলিও।  বিশ্বকাপে দ্রুততম হাজার রান,  সপ্তম শতরান একাধিক রেকর্ড গড়েও ম্যাচ শেষে নিরুত্তাপ ভারত অধিনায়ক। বললেন,  ‘আমি রেকর্ড নিয়ে খুব একটা বেশি ভাবতে চাই না। দীর্ঘ পথ চলতে হবে। রেকর্ড করলে সব সময়ই ভালো লাগে। কিন্তু এখন নিজের রেকর্ডের কথা ভাবছি না। সেই সব ভাবতে গেলে মনঃসংযোগ নষ্ট হতে পারে। প্রতিযোগিতা সবে শুরু হয়েছে। আমার লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা।’

    কী বললেন রোহিত

    পর পর দুটো ম্যাচ জিতে শনিবার চির প্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে রোহিত-ব্রিগেড।  ভারত অধিনায়কের কথায়, “পাকিস্তানকেও হারাতে হবে। ফোকাস নষ্ট করা চলবে না। পর পর দুটো ম্যাচ জিতে ভালো লাগছে। তবে জয়ের ধারা বজায় রাখতে হবে। ” তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘বিশ্বকাপে শতরান করা সব সময়েই আনন্দের। আমি ভালোই খেলছিলাম। খালি বড় রান পাচ্ছিলাম না। কিন্তু জানতাম, বড় রান আসবে। ব্যাটে বল ভাল আসছিল। তাই শুরু থেকে চালিয়ে খেলেছি। এটাই আমার খেলার ধরন। আমি আক্রমণাত্মক খেলতে ভালবাসি।’

    দিল্লি দেখল অন্য দৃশ্য

    রোহিতের রেকর্ডের সঙ্গে সঙ্গেই এদিন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম সাক্ষী থাকল আরও অনেক কিছুর। আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার পরই আলোচনায় ছিল বিরাট কোহলি বনাম নবীন উল হক। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের গত সংস্করণে তাদের বিতর্ক ‘মুখরোচক’ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু কোটলা দেখল অন্য ছবি। বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে। সমর্থকরা কী চাইছিলেন, তা অজানা। তবে সবটাই যে অতীত, বুঝিয়ে দিলেন কিং কোহলি। যাঁরা নানা সময়ে নবীন-বিরাটের ঘটনায় বিদ্রুপ করেছিলেন, তাঁদের ধুয়ে দিলেন কমেন্ট্রি বক্সে থাকা গৌতম গম্ভীর। তেমনই প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি এবং নবীন উল হককে।আফগানিস্তান ইনিংসে নবীন উল হক ব্যাটিংয়ে নামতেই, স্প্লিট স্ক্রিনে ধরা হল বিরাটকে। জায়ান্ট স্ক্রিনে দু-জনকে একসঙ্গে দেখাতেই গ্যালারিতে ব্যাপক আওয়াজ। বিরাট হাসতে থাকেন পুরনো ঘটনা নিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায়।

    ঈশানের আউটে বিরাট কোহলি ক্রিজে নামতেই বোলিংয়ে আনা হয় নবীনকে। কয়েকটি ডেলিভারি সামলে নিলেন। রান নেওয়ার সময় নবীনের পাশ দিয়ে দৌড়ছিলেন বিরাট। ক্যামেরা ধরল তাঁদেরই। কিছুক্ষণ পরই অনবদ্য একটা দৃশ্য। বিরাট-নবীন হাত মেলাচ্ছেন। আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারের পিঠ চাপড়ে দিচ্ছেন বিরাট কোহলি। গ্যালারির দিকেও ইশারা করলেন, উৎসাহ দাও এই তরুণকে। গ্যালারিও ভুলে গেল। গালি নয় তালিতে ভরে উঠল চারপাশ। সমালোচকদের জাবাব দিয়ে ধারাভাষ্যে থাকা গৌতম গম্ভীরও প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বিরাটকে। বললেন, “বিরাট মানের ক্রিকেটারের থেকে এমন পরিণত আচরণই প্রত্যাশা করেন।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র দেড় বছর। এই ছোট্ট বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির (Siliguri) মৃগাঙ্ক শেঠ। এই বয়সে শিশুরা আদো আদো স্বরে দু’একটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। সেখানে মৃগাঙ্ক দেহের বিভিন্ন অঙ্গ,প্রতঙ্গ, নানা ধরনের ফুলফল, শাকসবজি, কীটপতঙ্গ ও পাখির নাম অবলীলায় বলে দিচ্ছে। এই বিস্ময়কর প্রতিভার কারণে মৃগাঙ্কের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে উঠেছে।

    ছোট্ট মৃগাঙ্কর প্রতিভা জানলে চমকে যাবেন (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri) দক্ষিণ দেশবন্ধু পাড়ার বাসিন্দা মৃণাল শেঠ ও মালবিকা শেঠের  সন্তান মৃগাঙ্ক। ছ’-সাত মাস বয়সেই সে কথা বলতে শেখে। একদিন পরিবারের সদস্যরা খেয়াল করেন, কিছু শব্দ ও কথা মৃগাঙ্ক নিজের মনে বলে চলেছে। তারপর নানাভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা যায়, যে কোনও শব্দ একবার শুনলে  তা মনে রেখে পরে তা অনায়াসে বলছে। তারপর ওকে পাখি, ফুলফল, রঙ, বিভিন্ন জিনিসের নাম পড়ানো শুরু করা হয়। বেশ কিছুদিন পরে সেগুলি জিজ্ঞেস করলে নির্ভুলভাবে বলে দিচ্ছে। এভাবেই  মৃগাঙ্ক ১০টি পাখির নাম, একুশ রকমের জিনিস, চার রকমের পতঙ্গ, চার রকমের মাছ, সতেরো রকমের সবজি, ২১ টি প্রাণী, এগারো রকমের ফলের নাম এবং ১৬৯ টি শব্দ ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা করতে পারছে। ১ থেকে ১৫ বাংলা এবং ইংরেজিতে অবলীলায় বলে দিচ্ছে সে। 

    কীভাবে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলল সে?

    মৃগাঙ্কের বাবা মৃণালালবাবু বলেন, এত কম বয়সে ছেলের এই প্রতিভা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। প্রতিবেশিরাও ভিড় করতে থাকে তার এই প্রতিভা যাচাই করতে। একদিন ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে  ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি সেখানে নাম তুলতে গেলে কী কী করতে হবে। সেই মতো আমি আমার ছেলের এই প্রতিভার নানা মুহূর্ত ভিডিও রেকর্ডিং করে  পাঠাই। তারপর সেখান থেকে আমার ছেলের এই প্রতিভা যাচাই করে তাঁরা স্বীকৃতি দিয়ে শংসাপত্র ও মেডেল পাঠিয়ে জানায় আমার ছেলের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে। মৃনালবাবু ও তার স্ত্রী চান, সেই বিস্ময় প্রতিভা নিয়ে মৃগাঙ্ক স্বাভাবিক ছন্দে বেড়ে উঠুক। কোনও কিছুর চাপে যেন তাদের শিশু সন্তানের এই সহজাত প্রতিভা নষ্ট না হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচয় বলতে তিনি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Case) ধৃত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে। মানিক নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই সৌভিকও তৃণমূল নেতা, তবে বড় দরের নয়, ছোট দরের। এহেন তৃণমূল নেতা মানিক পুত্র শৌভিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির প্রায় আড়াই কোটি টাকা। অন্তত কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে ইডি।

    শৌভিক সরাসরি সুবিধাভোগী!

    তদন্তকারীরা তাঁকে সরাসরি সুবিধাভোগী বলেও উল্লেখ করেছেন। বুধবার শুনানি ছিল শৌভিকের জামিনের আবেদনের। শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে। তখনই মানিক-পুত্রের জামিনের বিরোধিতা করে ইডি জানায়, শৌভিকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ দুর্নীতির ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতোই টাকা নয়ছয় করেছেন শৌভিক। অভিযোগ, স্কুলের মাধ্যমেও তছরুপ করেছেন নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Case) টাকা।

    স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন!

    আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানান, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে ঢের বেশি। এই পরিস্থিতিতে মঞ্জুর হওয়া উচিত নয় সৌভিকের জামিন। সুপ্রিম কোর্টের এক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে ইডির আইনজীবী বলেন, “যে ব্যক্তি বেআইনিভাবে টাকা নেয় এবং যে ব্যক্তি সেই টাকা ভোগ করে, উভয়েই সমান দোষী।” ইডির আইনজীবীর সওয়াল, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেমন তাঁর স্ত্রীর নামে স্কুল খুলে টাকা সাইফন করেছিলেন, সেভাবেই মানিক-পুত্র সৌভিক স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন করেছেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    এই প্রথম নয়, ইডি আগেও একাধিকবার জানিয়েছিল, দু’টি নামী ক্লাবের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছিলেন শৌভিক। এদিন ফের সেই একই দাবি করল তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Case) মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে শৌভিককে। শতরূপা জামিন পেয়েছেন আগেই। তাঁকে জামিন দিতে গিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, শতরূপা যে নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা নিয়েছিলেন সে প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share