Blog

  • East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। চার বছর আগে, ২০১৯-এ গোকুলাম কেরালা এফসি-র কাছে টাইব্রেকারে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal)। সেই অভিশাপ এবার কাটল লাল-হলুদের। ডুরান্ড কাপে অনবদ্য ছন্দে ইস্টবেঙ্গল। আর আগামী শনিবার এশিয়া কাপে ভারত-পাক মহারণের পর রবিবার কলকাতা ডার্বি দেখার আশায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ক্রীড়াপ্রেমীরা।

    গোছানো ফুটবল, তবু পরাস্ত

    গোটা ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল মোটেও ভালো ফুটবল খেলেনি। বরং নর্থইস্ট অনেক গোছানো ফুটবল খেলেছে। মাঝমাঠের দখল পুরোটাই নিজেদের হাতে রেখেছিল নর্থইস্ট। তারা পরিকল্পনা করে ফুটবল খেলেছে। যার ফলও তারা পেয়েছিল হাতেনাতে। প্রথমার্ধেই ১-০ এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ২-০ করে নর্থইস্ট। ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) তখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেন না। পার্থিব গোগোই, জিতিন এমএসের মতো ভারতীয় ফুটবলার দলের সম্পদ। থাই লিগে খেলা বিদেশি মেলো ও আক্রমণাত্মক ফুটবলার রোমানও দারুণ ছন্দে ছিলেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাইশ মিনিটে এগিয়ে গেল নর্থ ইস্ট। বাঁদিক থেকে ফাল্গুনীর ক্রসে হেডে গোল করে গেলেন মিগুয়েল। ইস্টবেঙ্গলের ২ ডিফেন্ডার একেবারেই জায়গায় ছিলেন না। ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়াল হাইল্যান্ডর। এবার ফাল্গুনি একক প্রচেষ্টায় দেখার মত একটা গোল করলেন।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পরের দিনই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই?

    স্বপ্ন দেখার শুরু 

    ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ক্লেটন সিলভার ক্রস থেকে নওরেমের শট দীনেশের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়। এটা হয় প্রথম টার্নিং পয়েন্ট। আর ম্যাচের ইনজুরি টাইমে জাবাকোর লালকার্ড (ডবল ইয়েলো) হয়ে যায় দ্বিতীয় টার্নিং পয়েন্ট। নর্থইস্ট দশ জন হওয়ার পরের মুহূর্তেই নন্দর গোলে ২-২ করে ফেলে লাল-হলুদ। তখন ইনজুরি টাইমের মিনিট খানেক বাকি। নর্থইস্টের আর কিছু করার ছিল না। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুট আউটে মিস করলেন নর্থইস্টের পার্থিব। নন্দকুমারের শট জালে জড়াতেই ১৯ বছর পর ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। ভালো খেলেও ছিটকে যেতে হল পাহাড়ের দলটিকে। এবার কোচ কুয়াদ্রাতের হাত ধরে স্বপ্ন দেখার শুরু লাল-হলুদ জনতার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ড (Duttapukur blast) মামলায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবিতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজর্ষি লাহিড়ি। মঙ্গলবার বিজেপির সেই আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। তদন্তভার রাজ্যের হাতেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ ধরনের মামলা অপ্রাসঙ্গিক। তবে মামলাকারী চাইলে যথাযথ ফোরামে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন।

    ঘটনাস্থলে এনআইএ

    রবিবার বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এনআইএর প্রতিনিধি দল। এদিন মামলার শুনানিতে এনআইএ আদালতকে জানায়, “আমাদের টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। ‘এক্সপ্লোসিভ সাবসটেনস অ্যাক্ট’ প্রয়োগ করা হয়নি। তার বদলে ‘ফায়ার সেফটি অ্যাক্ট’ যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এনআইএর আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, “এমন নয় যে, ঘটনাটি বহু দিন আগে ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়নি এমনটাও নয়। রাজ্যের তদন্ত (Duttapukur blast) শুরু হয়েছে। ফলে রাজ্যের বিষয়ে এখনই এনআইএ হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।” এর পরেই মামলা খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “বিস্ফোরণ হয়েছে, মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এটা এ রাজ্যে নতুন নয়। গোটা দেশেই বাজি কারখানায় এই ধরনের বেআইনি কাজ হয়।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট

    এদিকে, বিস্ফোরণকাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠাল এনআইএ। বিস্ফোরণস্থলে কী ধরনের বারুদ মিলেছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা কতটা ছিল, এমন নানা বিষয়ে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠালেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক ছবি এবং ভিডিও-ও তুলেছিলেন তাঁরা। পাঠানো হয়েছে সেগুলিও।

    আরও পড়ুুন: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    রবিবার ছুটির দিনের সকালে আচমকাই কেঁপে ওঠে দত্তপুকুর (Duttapukur blast) এলাকা। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়। যদিও স্থানীয়দের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় দেহ। ভেঙে পড়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি পাকা বাড়িও। ঘটনায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি। দ্বারস্থ হয় আদালতের। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে এলাকায় যান এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই রিপোর্টই পাঠানো হয় দিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mckinsey: ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত হবে বৃহত্তম ‘কাজের লোকে’র জনসংখ্যার দেশ, বলছে রিপোর্ট

    Mckinsey: ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত হবে বৃহত্তম ‘কাজের লোকে’র জনসংখ্যার দেশ, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্যের ভারে ন্যুব্জ বিশ্বের বহু দেশ। তাই শিল্প স্থাপন হলেও কাজ করার লোক নেই। অগত্যা কর্মী আনতে হচ্ছে ভিন দেশ থেকে। তাতে দেশের টাকা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সন্তান ধারণে অনিচ্ছুক মহিলার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এমনটা ঘটছে। ভারতে অবশ্য এমন সমস্যা নেই। বরং এখানে কাজের লোকই বেশি। ২০৩০ সালের মধ্যে তারুণ্যে ভরপুর হবে গোটা দেশ। কেবল ভারত নয়, এই তালিকায় রয়েছে চিন এবং ইন্দোনেশিয়াও। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ম্যাকিনসে (Mckinsey)। সেখানেই বলা হয়ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে জি ২০-র সদস্য দেশগুলির মধ্যে বৃহত্তম কাজের লোকের দেশ হবে ভারত, চিন এবং ইন্দোনেশিয়া।

    ম্যাকিনসের রিপোর্ট

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্ব গভীরভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আগের থেকে এখন আরও বেশি করে হচ্ছে। ডিজিটাল এবং ডেটা ফ্লো বিনিময় হচ্ছে কমিউনিকেশন ও জ্ঞানের সাহায্যে। রিপোর্টে ম্যাকিনসে বলেছেন, যেহেতু বিশ্ব অর্থনীতির চিত্র এখন এটা দেখাচ্ছে, বর্তমানে বিশ্ব একটি নতুন যুগের শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। অর্থনৈতিক ভূগোল বর্তমানে পূর্ব দিকে সরে এসেছে…।

    জি ২০

    রিপোর্টে (Mckinsey) উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রথম ঋণ পৌঁছে গিয়েছে সর্বোচ্চ স্তরে। জি ২০-র সদস্য দেশগুলির ডেট-টু-গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্টের হার ৩০০ শতাংশেরও বেশি। জি ২০-র দেশগুলির মধ্যে ভারত এবং চিন হয়ে উঠবে সমৃদ্ধির চালিকা শক্তি। অন্য দেশগুলিও অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে আরও ভাল অবস্থায় চলে আসবে।

    আরও পড়ুুন: দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালী রায়, ধূপগুড়িতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    জি ২০-র সদস্য দেশগুলির অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যা ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্টের লাইনের নীচে বাস করে। এর মধ্যে ১০০ মিলিয়ন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা চরম দারিদ্রের মধ্যে বাস করছেন। তামাম বিশ্বের নিরিখে এর পরিমাণ ৪.৭ বিলিয়ন। ম্যাকিনসের মতে, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার তিনের চার ভাগেরও বেশি মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। ২০২১ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত (Mckinsey) ৫.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করলেই ভারতে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষ থাকবে না বললেই চলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Imran Khan: তোষাখানা মামলায় জামিন, সাইফারে ফের গ্রেফতার ইমরান খান

    Imran Khan: তোষাখানা মামলায় জামিন, সাইফারে ফের গ্রেফতার ইমরান খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিনে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের গ্রেফতার পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। তোষাখানা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন ইমরান। নিম্ন আদালতের রায়ে তিন বছর কারাদণ্ড হয় তাঁর। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালে মেলে জামিন। এর পরেই ফের গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    সাইফার মামলা 

    এবার ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাইফার (গোপন খবরের সাংকেতিক রূপ) মামলায়। সোমবারই জেলে গিয়ে সাইফার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। সেই সময়ই সংবাদ মাধ্যমের একাংশ জানিয়ে দিয়েছিল, সাইফার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন ইমরান। হলও তাই। মঙ্গলবার সকালে তোষাখানা মামলায় জামিন পাওয়ার পরে পরেই ফের গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পাকিস্তান পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অফিসিয়াল গোপনীয়তা আইনের ভিত্তিতে সাইফার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ইমরানকে।

    অ্যাটক জেলা জেলে বন্দি 

    বুধবার তাঁকে পেশ করা হবে আদালতে। তার আগে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমোকে বন্দি থাকতে হবে অ্যাটক জেলা জেলে। ১৯ অগাস্ট এই জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ইমরানকে (Imran Khan)। মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। প্রত্যাশিতভাবেই জামিন হয়ে যায় প্রাক্তন ক্রিকেটার কাম রাজনীতিক ইমরানের। এরই কিছুক্ষণ পরে সাইফার মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    এদিকে, এদিন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তাঁর অভিযোগ, প্রধান বিচারপতি উমর আটা বান্দিয়াল ইমরানের পক্ষ নিয়েছেন। তোষাখানা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে যে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য করছেন শেহবাজ। ঘটনাটিকে তিনি পাকিস্তানের ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’ বলেও অভিহিত করেন। প্রধান বিচারপতিকে বিদ্রুপ করে শেহবাজ বলেন, “পছন্দের মানুষটির (Imran Khan) কারাদণ্ডের সাজায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। প্রধান বিচারপতির বার্তা, ‘আপনার সঙ্গে দেখা হবে’, ‘আপনার সৌভাগ্য কামনা করি’। যদি প্রত্যেকেই আগাম জেনে যায় আদালত কী রায় দিতে চলেছে, তাহলে তা বিচার ব্যবস্থার পক্ষে উদ্বেগের।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে সর্বদল বৈঠকে কেন নেই বিজেপি? চিঠি দিয়ে মমতাকে জবাব সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে সর্বদল বৈঠকে কেন নেই বিজেপি? চিঠি দিয়ে মমতাকে জবাব সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোন দিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা যায়, তা ঠিক করতে মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সর্বদল বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে এই বৈঠকে যোগ দেয়নি বিজেপি। কেন ভারতীয় জনতা পার্টি এই বৈঠকে যোগ দিল না তা স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    বৈঠকে নেই বিজেপি

    মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো সর্বদল বৈঠকের যোগদান পত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো জবাবি-চিঠিতে সুকান্ত লেখেন, ‘‘আপনি লিখেছেন (যোগদানপত্রে) কোনও ২০ জুন তারিখে পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে আমরা কোথাও কিছু পড়িনি বা শুনিনি।’’ সুকান্ত আরও লেখেন, আপনার (মমতা) মতে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত বিস্ময়জনক ও উদ্বেগজনক।

    এর পরই, মমতাকে আক্রমণ করে সুকান্ত লেখেন, ‘‘আপনার বক্তব্যেই স্পষ্ট যে, খোলা মনে আলোচনা করার জন্য এই বৈঠক ডাকা হয়নি। কিছু পূর্ব পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য এই বৈঠককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। আপনার আগেই নিয়ে ফেলা সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিতে আমি বা আমার দলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যেতে অপারগ। তাই বিজেপি এই বৈঠকে যোগ দেবে না। ’’

    উল্লেখ্য, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয় রাজভবনে। ঠিক যেমন পালিত হয়েছিল গোয়া দিবস, সিকিম দিবস, এমনকী, তেলঙ্গানা দিবসও। কারণ, কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, দেশের প্রতিটি রাজভবনেই বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতে হবে। শুধু তাই নয়, তালিকায় ২০ জুন তারিখটিকেই ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিষেক মিথ্যাবাদী’’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে ট্যুইট করলেন সুকান্ত মজুমদার

    ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস

    বিজেপির মতে, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী সকল মানুষের জন্যেই ২০ জুনের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদে (অবিভক্ত বাংলার প্রাদেশিক আইনসভা) অখণ্ড বাংলা ভাগের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। বাংলাভাগের পক্ষে বড় অংশের ভোট পড়ায় দু’টুকরো হয় বাংলা। এই ভোটাভুটির ফলাফলের ভিত্তিতেই পশ্চিমবাংলা ভারতের অংশ হয়, পূর্ব বাংলা (যদিও প্রথমে তা পূর্ব পাকিস্তান ও পরে বাংলাদেশ হয়) যুক্ত হয় পাকিস্তানের সঙ্গে। এই বাংলা ভাগের দু’মাসের মাথায় ইংরেজদের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয় ভারত। ২০ জুনের সেই সিদ্ধান্তকে সামনে রেখেই পশ্চিমবঙ্গ দিবসের দাবি তুলেছে বিজেপি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • China Map: অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চিন বেজিংয়ের! চিনা আগ্রাসনে রুষ্ট ভারত

    China Map: অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চিন বেজিংয়ের! চিনা আগ্রাসনে রুষ্ট ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের বলে দাবি করল চিন। কেবল তাই নয়, আকসাই চিনকেও তাদের বলে দাবি করেছে ড্রাগনের দেশ। সোমবার স্ট্যান্ডার্ড ম্যাপের ২০২৩ সালের নয়া সংস্করণ প্রকাশ করেছে বেজিং। তাতেই ভারতীয় ভূখণ্ডের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে নিজেদের বলে দাবি করেছে চিন। চিনা মানচিত্রের (China Map) নয়া সংস্করণ প্রকাশ্যে আসার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভারত।

    চিনের নয়া মানচিত্র 

    চিনের এই মানচিত্রটি প্রকাশ করা হয়েছে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে। এক্স হ্যান্ডেলে গ্লোবাল টাইমসের একটি পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে বিষয়টি। চিনের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। অরুণাচল প্রদেশ যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি একাধিকবার জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

    আগ্রাসনের চেষ্টা ড্রাগনের 

    অথচ এই অরুণাচল প্রদেশকেই নিজেদের অংশ বলে দাবি করে আসছে বেজিং (China Map)। তাদের দাবি, অরুণাচল প্রদেশ আসলে হচ্ছে দক্ষিণ তিব্বত। ১৯৬২ সালে চিন-ভারত যুদ্ধের সময় আকসাই চিন দখল করে নেয় বেজিং। তার পর থেকে আকসাই চিনকেও তারা নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে যেমন তাদের বলে দাবি করে আসছে বেজিং, ঠিক তেমনই তাইওয়ান এবং দক্ষিণ চিন সাগরকেও নিজেদের মানচিত্রের (China Map) অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে ড্রাগনের দেশ। উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগরের ওপর অধিকার রয়েছে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া ব্রুনেই এবং তাইওয়ানের। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘অভিষেক মিথ্যাবাদী’’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে ট্যুইট করলেন সুকান্ত মজুমদার

    এই প্রথম নয়, ২০২১ সালেও ভারতের ১৫টি জায়গা দখল করে নিজেদের মানচিত্রে প্রকাশ করেছিল বেজিং। অরুণাচল প্রদেশের এই জায়গাগুলির নতুন নাম দিয়ে নয়া একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিল চিনের অসামরিক বিষয়ক মন্ত্রক। ভারত ভূখণ্ডের যে ১৫টি জায়গাকে চিন নিজেদের বলে দাবি করেছিল, তার মধ্যে ছিল আটটি বসতি এলাকা, চারটি পর্বত, দুটি নদী এবং একটি গিরিপথ। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, অরুণাচল প্রদেশের (China Map) বিভিন্ন অংশ চিনের দখল করার চেষ্টা এই প্রথম নয়, ২০১৭ সালের এপ্রিলেও চিন একইভাবে কয়েকটি নাম তাদের মানচিত্রে তুলে ধরেছিল।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • ODI World Cup 2023: এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পরের দিনই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই?

    ODI World Cup 2023: এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পরের দিনই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের দামাম বেজে গিয়েছে। টিকিট নিয়ে হাহাকার চারিদিকে। কিন্তু এখনও ক্রিকেটের এই মহাযুদ্ধে ভারতের সে‌নানী কারা হবে তা ঠিক করেনি বিসিসিআই। আয়োজক দেশ হিসাবে এবার বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণ করতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। ফলে বিরাট-রোহিতদের নিয়ে আলাদা আর্কষণ রয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করতে পারে বিসিসিআই। 

    ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দল ঘোষণা

    বিশ্বকাপে খেলা ১০টি দেশকেই  ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দল ঘোষণা করতেই হবে। ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে। বাকি রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দলে পরিবর্তন করা যাবে। এক দিনের বিশ্বকাপ শুরু ৫ অক্টোবর থেকে। ভারতের মাটিতে আমেদাবাদে ইংল্যান্ড বনাম নিউ জিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপ। সেই ম্যাচের সাত দিন আগে পর্যন্ত দলে পরিবর্তন করা যাবে। ভারত ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ খেলবে। সেই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চলবে ২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এশিয়া কাপ এবং সেই সিরিজে ক্রিকেটারদের দেখে নিয়ে বিশ্বকাপের দলে পরিবর্তন করতে পারবে ভারত।

    দুই রিজার্ভ ক্রিকেটার

    আগামী শনিবার এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। তার পরের দিনই বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করতে পারে অজিত আগরকরের জাতীয় নির্বাচক কমিটি। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ডেডলাইন পূর্ণ হওয়ার দু’দিন আগে সেরা ১৫ জন ক্রিকেটারের নাম জানিয়ে দিতে চলেছে বোর্ড। তারমধ্যে ২ জন প্লেয়ারকে রিজার্ভে রাখা হতে পারে। ফাস্ট বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও স্পিনার অলরাউন্ডার তিলক ভার্মাকে রিজার্ভে রাখতে পারে বিসিসিআই। এশিয়া কাপের পর ওডিআই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলবে ভারতীয় দল। ওডিআই বিশ্বকাপের দলে যাঁদের রাখা হবে, তাঁরাই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবেন। এশিয়া কাপের জন্য ১৭ দলের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। তবে বিশ্বকাপে ১৫ জনের দল ঘোষণা করতে হবে। অতিরিক্ত ঝুঁকি না নিয়ে দুই রিজার্ভ ক্রিকেটারকেও দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ম্যাচে টিকিটের হাহাকার! একদিনেই কলকাতায় পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট শেষ

    এশিয়া কাপের জন্য ১৭ জনের দল বেছে নিয়েছে ভারত। সেই দলে লোকেশ রাহুলকে রাখা হয়েছে। তিনি চোট সারিয়ে ফিরছেন। কিন্তু কতটা সুস্থ হয়েছেন সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। সেই কারণে সঞ্জু স্যামসনকে রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে ঈশান কিশনকেও রেখেছেন নির্বাচকেরা। মনে করা হচ্ছে এশিয়া কাপের দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে থেকেই বিশ্বকাপের দল বেছে নেবে ভারত। যশপ্রীত বুমরা চোট সারিয়ে ফিরেছেন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LPG Cylinder Price: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    LPG Cylinder Price: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মুখে দেশের আপামর সাধারণ মধ্যবিত্ত ও বিপিএল শ্রেণিকে ‘স্নেহ উপহার’ দিল মোদি সরকার। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামিকাল অর্থাৎ ৩০ অগাস্ট থেকেই গৃহস্থ্যের রান্নার গ্যাসের দাম (LPG Cylinder Price) ২০০ টাকা কমানো হচ্ছে। এর ফলে উপকৃত হবেন ৩৩ কোটি গ্রাহক। একইসঙ্গে, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় থাকা বিপিএল শ্রেণিভুক্ত গ্রাহকরা আগামিকাল থেকেই ৪০০ টাকা ভর্তুকি পাবেন। উপকৃত হবেন প্রায় ৯ কোটি গ্রাহক।

    মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে নির্মলা সীতারামনের ট্যুইট

    এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ট্যুইট করে জানান, ওনাম ও রাখিবন্ধন উৎসবের মুহূর্তে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সব গৃহস্থ বা ১৪.২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম (LPG Cylinder Price) ২০০ টাকা কমানো হচ্ছে। রাখীতে মা-বোনেদের ‘স্নেহ উপহার’ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে কলকাতায় এখন ১৪.২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১,০৭৯ টাকা। আগামিকাল যাঁরা কিনবেন, তাঁদের প্রায় ২০০ টাকা কম মূল্য দিতে হবে। প্রসঙ্গত চলতি বছরে জুলাই মাসেই তেল কোম্পানিগুলি গৃহস্থের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসেও দাম বেড়েছিল গ্যাস সিলিন্ডারের। এবার রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম কমায় স্বস্তি পাবে অনেক গৃহস্থের হেঁসেল। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

     

     

    অনুরাগ ঠাকুরের ট্যুইটে উজ্জ্বলা যোজনার প্রসঙ্গ

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর আবার জানিয়েছেন, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় যাঁরা রান্নার গ্যাস কিনবেন, তাঁরা প্রতি সিলিন্ডারে ৪০০ টাকা (LPG Cylinder Price) ভর্তুকি পাবেন। এতদিন এই প্রকল্পে ২০০ টাকা ভর্তুকি দিত সরকার। এখন থেকে আরও ২০০ টাকা, অর্থাৎ মোট ৪০০ টাকা ভর্তুকি মিলবে। এতে উপকৃত হবেন দরিদ্রসীমার নিচে থাকা প্রায় ৯ কোটি গ্রাহক। অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, নতুন করে আরও ৭৩ লক্ষ মহিলাকে উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় আনা হবে। 

     

     

    ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদি শুরু করেছিলেন উজ্জ্বলা যোজনা

    দেশের প্রত্যেক মানুষের কাছে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder Price) পৌঁছে দিতে উজ্জ্বলা যোজনা প্রকল্প শুরু করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেটা ছিল, ২০১৬ সালের ১ মে। লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল যে দেশের পাঁচ কোটি মানুষের কাছে এই গ্যাস সিলিন্ডার প্রাথমিকভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু পরবর্তীকালে লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে ৯ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছেছে উজ্জ্বলা যোজনার গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder Price)। এর ফলে উনুনে রান্না করার প্রবণতার যেমন কমেছে তেমনি কমেছে অসুখ-বিসুখ। গ্রামাঞ্চলের মানুষজন নানা রকমের ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হতেন যার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারণ থাকতো উনুনের ধোঁয়া। এখন সেসব থেকে মুক্তি মিলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘অভিষেক মিথ্যাবাদী’’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে ট্যুইট করলেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: ‘‘অভিষেক মিথ্যাবাদী’’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে ট্যুইট করলেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যাবাদী। মঙ্গলবার তথ্য দিয়ে প্রমাণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ট্যুইট করে অভিষেকের তথ্য যে ভুল তা তুলে ধরেছেন তিনি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অভিষেক ঠিক কী বলেছেন?

    সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে দাবি করেছিলেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)  দত্তক নেওয়া গ্রাম থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিততে পারেনি বিজেপি। এই অভিযোগের পরেই মঙ্গলবার সকালে সুকান্ত মজুমদার ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরামপ্রসাদ গ্রাম থেকে বিজেপির জয়ী সদস্য অমলি হাঁসদার জয়ের সার্টিফিকেট দেখিয়ে দাবি করেন  মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন অভিষেক। অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে এদিন  ট্যুইট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বললেন বিজেপির জয়ী সদস্য?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের চকরামপ্রসাদ গ্রাম এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অমলি হাঁসদা জয়ী হন। অমলি হাসদা মোট ২৬৩ ভোট পেয়ে তৃণমূল প্রার্থী  থেকে ৩৩ ভোটে জয়ী হন। উল্লেখ্য, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরাম প্রসাদ গ্রাম সাংসদ সুকান্ত মজুমদার দত্তক নেন লোকসভা ভোটের পর পরই। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে চকরাম গ্রাম সংসদের অধীনে ছিল চকরাম প্রসাদগ্রাম। গতবার সংসদটি বিজেপির অধীনে ছিল। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে চকরাম এবং চকরামপ্রসাদ গ্রাম দুটি আলাদা সংসদ হয়। চকরাম গ্রামটি বিজেপি দখল করতে না পারলেও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দত্তক নেওয়া গ্রাম চকরামপ্রসাদ গ্রাম সংসদ বিজেপি দখল করে। স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুকান্ত মজুমদারের দত্তক নেওয়া গ্রামের হেরে যাওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যে সে কথাই এদিন জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি।এই বিষয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থী অমলি হাঁসদা বলেন,আমি এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে চকরাম প্রসাদ গ্রামে বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছি। টোটাল ভোট ২৬৩ আমরা পেয়েছিলাম আর তৃণমূল প্রার্থী  থেকে ৩৩ ভোটে জয়ী হই ।চকরাম প্রসাদ গ্রাম এখন বিজেপির দখলে রয়েছে ও আমাদের ভাটপাড়া গ্রামপঞ্চায়েতও বিজেপির দখলে রয়েছে। আমাদের চকরামপ্রসাদ গ্রাম সুকান্ত মজুমদার দত্তক নিয়েছে  আর আমি এই গ্রামের বিজেপির জয়ী প্রার্থী। এবং সুকান্ত মজুমদারের দত্তক নেওয়া গ্রামে যে উনি হেরে গেছেন যে প্রচার করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে ছাত্র ছাত্রীদের সামনে অভিষেক ব্যানার্জি  মিথ্যে কথা বলেছেন। মিথ্যা কথা বলা অভ্যাসে  পরিণত হয়ে গিয়েছে। তিনি হারানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর কথা মত বালুরঘাটের বিডিও সমস্তরকম চেষ্টা করেছিলেন। তারপরেও বলছি বিডিও হারাতে পারেননি ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের চকরামপ্রসাদ গ্রামের ৮২ নম্বর বুথ। বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছে। শুধু তাই নয় গোটা ভাটপাড়া পঞ্চায়েতটা বিজেপি দখল করেছে। প্রধান বিজেপির, উপ প্রধান বিজেপির। আপনি রাজ্যের নেতা আপনি এতটকু  খবর রাখেন না।রাজ্য চালাবেন কীভাবে? পিসি না থাকলে তো অনাথ হয়ে যাবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, নির্বাচন বিধি অনুযায়ী যে ভাবে ভাগাভাগি হয়েছে সেইটা আগে বুজতে হবে। চকরাম বলে যে গ্রামটা ছিল সেইটা এখন দুইটা ভাগে হয়েছে। একটা চকরামপ্রসাদ হয়েছে, আরেকটি চকরাম হয়েছে। চকরাম প্রসাদ গ্রামে বিজেপি জয়ী হয়েছে। কিন্তু, চকরাম গ্রামে বিজেপি হেরেছে। আমাদের নেতা অভিষেক ব্যানার্জী সঠিক কথা বলেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bank Holidays in September 2023: সেপ্টেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকছে? জেনে নিন

    Bank Holidays in September 2023: সেপ্টেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকছে? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগাস্টের পর সেপ্টেম্বর মাসে কত দিন ব্যাঙ্কে ছুটি (Bank Holidays in September 2023) থাকবে, আসুন তা একবার জেনে নিই। এই সেপ্টেম্বরে মোট ১৬ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। প্রত্যেক মাসের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শনিবার ছাড়াও রবিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। এছাড়াও উৎসব পালাপার্বণের কারণেই ব্যাঙ্কের শাখা অফিসগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রকাশিত ছুটির তালিকা থেকেই এই ব্যাঙ্ক বন্ধের কথা জানা গেছে। তবে এই ছুটিগুলির মধ্যে বেশ কিছু আঞ্চলিক ছুটিও রয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কত দিন ছুটি (Bank Holidays in September 2023)?

    উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গে ৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় শনিবার এবং ২৩ শে সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার ব্যাঙ্ক ছুটি থাকবে। সেই সঙ্গে সব মিলিয়ে মোট ৭ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে এই রাজ্যে। যদিও ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলেও বর্তমান সময়ে অনলাইন ব্যঙ্কিং পরিষেবা, ডিজিটাল লেনদেন সব চলবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় কোনও সমস্যা থাকবে না বলে জানা গেছে।

    ২০২৩ সেপ্টেম্বরে কোন কোন দিন ছুটি (Bank Holidays in September 2023)?

    ৩ সেপ্টেম্বর রবিবার সারা দেশে ব্যাঙ্ক পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

    ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। তাই ভুবনেশ্বর, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, পাটনায় ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ৭ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। তাই আমেদাবাদ, দেরাদুন, গ্যাংটক, তেলঙ্গানা, জয়পুর, জম্মু, কানপুর, রাঁচি, শিলং, শিমলা, শ্রীনগরে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ৯ সেপ্টেম্বর সারা দেশে দ্বিতীয় শনিবার হওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ১০ সেপ্টেম্বর রবিবার। তাই সারা দেশে ব্যাঙ্কগুলিতে ছুটি থাকবে।

    ১৭ সেপ্টেম্বর রবিবার, সারা দেশ জুড়ে ছুটি থাকবে।

    ১৮ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী, বেঙ্গালুরু এবং তেলঙ্গানায় বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক।

    ১৯ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীর কারণে আমেদাবাদ, ভুবনেশ্বর, মুম্বই, নাগপুর এবং পানাজিতে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ২০ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী এবং নুয়াখাইয়ের কারণে কোচি এবং ভুবনেশ্বরে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ২২ সেপ্টেম্বর শ্রী নারায়ণ গুরু সমাধি দিবসের কারণে কোচি, পানাজি এবং তিরুবনন্তপুরমে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে।

    ২৩ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার, ছুটি ব্যাঙ্ক।

    ২৪ সেপ্টেম্বর রবিবার, সারা দেশে ছুটি।

    ২৫ সেপ্টেম্বর শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের জন্মবার্ষিকীতে গুয়াহাটিতে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ২৭ সেপ্টেম্বর মিলাদ-ই-শরিফের কারণে জম্মু, কোচি, শ্রীনগর এবং তিরুবনন্তপুরমে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে।

    ২৮ সেপ্টেম্বর ঈদ-ই-মিলাদের কারণে আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু চেন্নাই, কানপুর, লখনউ, মুম্বই এবং নয়াদিল্লিতে ব্যাঙ্কগুলিতে ছুটি থাকবে।

    ২৯ সেপ্টেম্বর ঈদ-ই-মিলাদ-উন-নবী উপলক্ষে গ্যাংটক, জম্মু এবং শ্রীনগরে ব্যাঙ্কগুলিতে ছুটি থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share