Blog

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের নাগৌর জেলায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজস্থান পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযানে ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিপুল বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামের একটি মাঠে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ১৮৭টি বস্তায় রাখা মোট ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামও পাওয়া যায়।

    নাগৌরে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার

    নাগৌরের পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় বিস্ফোরক কেনাবেচা ও মজুতের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই এই বড়সড় অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, “এই অভিযানে সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইন ও সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাজ্যে বিস্ফোরক আইনের আওতায় এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় অভিযান।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ডিটোনেটরের ৯টি কার্টন, নীল ফিউজ তারের ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ৯টি বান্ডিল। অভিযুক্ত সুলেমান খান হারসৌর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের ফার্মহাউসে এই বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিস্ফোরক আইনে তিনটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটিতে তিনি খালাস পেয়েছিলেন।

    বেআইনি খননের যোগসূত্র

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জেরায় উঠে এসেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের খননকারীদের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহ করতেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-র সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও আরও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নীল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ৫টি বান্ডিল। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা শীঘ্রই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর নাথদ্বারার শ্রীনাথজি এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম ছিল।

  • Republic Day 2026: প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, নারী শক্তির জয়গান, উন্নত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু

    Republic Day 2026: প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, নারী শক্তির জয়গান, উন্নত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতজুড়ে ঐক্য, আত্মনির্ভরতা ও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার বার্তা নিয়ে পালিত হচ্ছে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। প্রজাতন্ত্র দিবসে এক্স হ্যান্ডলে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘প্রজাতন্ত্র দিবস আমাদের সম্মিলিতভাবে একটি বিকশিত ভারত গড়ে তোলার সংকল্পে নতুন উদ্যম ও উৎসাহ যোগ করুক।’ প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিশা তুলে ধরেন।

    শান্তি, আত্মনির্ভরতা ও উন্নয়নের উপর জোর

    জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত চললেও ভারত বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, ‘আত্মনির্ভরতা’ ও ‘স্বদেশি’-র নীতিই দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং ধারাবাহিক উন্নয়নের পথ সুগম করছে। রাষ্ট্রপতি ২০৪৭ সালের মধ্যে—স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে—ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। ভাষণে তিনি নারী উন্নয়নে অগ্রগতি, বিভিন্ন কল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্প এবং সাম্প্রতিক শ্রম সংস্কারের মাধ্যমে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    জ্ঞান ভারতম মিশন

    রাষ্ট্রপতি ভারতের জ্ঞান, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের কথা তুলে ধরেন। ভারতীয় দর্শন, চিকিৎসা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, সাহিত্য ও শিল্প বিশ্বজুড়ে সমাদৃত বলে তিনি উল্লেখ করেন। “জ্ঞান ভারতম মিশন”-এর মতো উদ্যোগ ভারতীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একই সঙ্গে সাংবিধানিক মূল্যবোধ, গণতন্ত্রের শক্তি এবং নাগরিকদের সম্মিলিত দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ঐক্য, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রেখেই বহুমুখী উন্নয়নের পথে এগোতে হবে, আর সেই দায়িত্বের বড় অংশ আজ দেশের যুবসমাজের কাঁধেই।

    নারী শক্তির বিকাশ

    সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্‌সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) দেশের অগ্রগতিতে নারীশক্তি ও যুবসমাজের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করলেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসে নারী ক্ষমতায়নের সাফল্য, যুবকদের অগ্রণী ভূমিকা এবং ভারতের সাংস্কৃতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তির কথা। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে মহিলাদের সক্রিয় ও স্বাবলম্বী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যুবসমাজ দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে তোলে। রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, দেশের অগ্রগতির পথে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আজ দেশের মা ও বোনেরা সামাজিক অচলায়তন ভেঙে এগিয়ে আসছেন এবং অর্থনীতি থেকে সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। উন্নত ভারত গঠনে নারীশক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, নারীদের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতি দেশের লিঙ্গসমতা, সামাজিক ন্যায় এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

    বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও

    নারী উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি জানান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রচেষ্টার সুফল ইতিমধ্যেই মিলছে। “বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও” কর্মসূচি শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার আওতায় খোলা ৫৭ কোটিরও বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রায় ৫৬ শতাংশই মহিলাদের নামে। পাশাপাশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ১০ কোটিরও বেশি নারী, যা গ্রামীণ ও প্রান্তিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি ক্রীড়া, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, কৃষি, মহাকাশ, স্টার্ট-আপ এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের মেয়েরা ক্রীড়াক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্য এনে দিচ্ছে। গত বছরের নভেম্বরে আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ এবং দৃষ্টিহীনদের মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দেশের গর্ব বাড়িয়েছে। দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে দুই ভারতীয় নারীর মুখোমুখি হওয়া ঐতিহাসিক ঘটনা। পাশাপাশি পঞ্চায়েত স্তরে প্রায় ৪৬ শতাংশ মহিলা প্রতিনিধিত্ব রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের নতুন দিগন্ত খুলেছে বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রজাতন্ত্র দিবসের বার্তা

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি লেখেন, “আমার সমস্ত সহনাগরিককে প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ভারতের সম্মান, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক এই জাতীয় উৎসব আপনাদের জীবনে নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা জাগিয়ে তুলুক। উন্নত ভারতের সংকল্প আরও দৃঢ় হোক—এই আমার আন্তরিক কামনা।” সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান ও কুচকাওয়াজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। এর মাধ্যমে কুচকাওয়াজে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সামরিক শক্তি ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে তুলে ধরা হবে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব

    ১৯৫০ সালের এই দিনেই ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল এবং ভারত নিজেকে একটি সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব কেবল অতীত স্মরণে সীমাবদ্ধ নয়। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ভারতের প্রকৃত শক্তি তার সংবিধান। সংবিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে, একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও নাগরিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করে। একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হন সংবিধান অনুযায়ী। যা রাজতন্ত্রের ধারণা থেকে দেশকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করেছে। প্রতিবছর ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্য পথে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য প্রজাতন্ত্র দিবস প্যারেড। এই প্যারেডে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বায়ুসেনা এবং আধাসামরিক বাহিনীর শক্তি ও শৃঙ্খলা প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলো ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং উন্নয়নের গল্প তুলে ধরে। এই দৃশ্য শুধু দেশবাসীকেই নয়, গোটা বিশ্বকে ভারতের ঐক্য ও সক্ষমতার বার্তা দেয়।

  • Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। এই দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Flag Hoisting and Unfurling)। ২৬ জানুয়ারি পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ১৫ অগাস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস। এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মানজ্ঞাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা ভারতবর্ষের (India) অস্মিতার প্রতীক। গর্বের প্রতীক। জাতীয়তাবোধের প্রতীক। ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এক কথায় ভারত রাষ্ট্রকে বিশ্বের সামনে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকার সঙ্গে ভারতবাসীর এক আবেগ মিশে আছে। যে কোনও জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হতে দেখলেই আমাদের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি জেগে ওঠে। ভারতীয় হিসেবে গর্বিত ভাব স্পন্দিত হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে দেশবাসী মেতে ওঠে দুটি দিনে ১৫ অগাস্ট এবং ২৬ জানুয়ারি। একথা সকলেরই জানা। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট দেশ স্বাধীন (Flag Hoisting and Unfurling) হয়েছিল। আত্মপ্রকাশ করেছিল এক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে কার্যকর হয় ভারতবর্ষের সংবিধান। সেদিনটি পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। এই দুইদিনে জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসব দেখা যায়।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’ (Flag Hoisting and Unfurling)

    কিন্তু এই দু’টি দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে ওপর পর্যন্ত তোলা হয়। একে বলা হয় উত্তোলন আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে ভাঁজ করা অবস্থায়, সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়। একে বলে উন্মোচন। ইংরেজি অনুযায়ী প্রথমটিকে বলা হয় ‘Hoist’, আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটিকে ‘Unfurl’। বাংলা করে হবে ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’-এর ব্যাখা (Flag Hoisting and Unfurling)

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। জানা যায়, এই কারণে স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েই গিয়েছিল। তাই জাতীয় পতাকা প্রজাতন্ত্র দিবসে ওপরেই বাঁধা থাকে। জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি পতাকার উন্মোচন করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের ডানা মেলার প্রতীক হিসেবে। ১৫ অগাস্ট ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঐতিহাসিক লালকেল্লায়। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের উৎসব ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে মর্যাদা দিতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারতের মুক্তিলাভের দিনকে স্মরণ করতেই পালন করা হয় (Flag Hoisting and Unfurling)। এই সময়ে পতাকা, দণ্ডের নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয়।

    ১৫ অগাস্ট…

    প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ১৯৪৭ সাল থেকেই দেখা যায়, কারণ ওই বছরেই ভারত সার্বভৌমত্ব লাভ করেছিল এবং ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ মন অধিনায়ক জয় হে…’। এই সময়ে জাতীয় পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরতে থাকে। পতাকা সংযুক্ত করা থাকে একটি দড়ির সঙ্গে। পরবর্তীকালে ওই দড়ি টেনে পতাকাকে নিচে থেকে ওপরে তোলা হয়। পতাকা উত্তোলন হল দেশের মর্যাদার প্রতীক। পরবর্তীকালে পতাকা যখন ওপরে যায়, তখন সেটিকে উন্মোচিত করা হয় এবং তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে।

    ২৬ জানুয়ারি…

    অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা (Flag Hoisting and Unfurling) কিন্তু নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয় না। পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে। সেই পতাকাকেই উন্মোচিত করা হয়। পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। তার কারণ হল, ভারতবর্ষ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই স্বাধীনতা পেয়েছে। ২৬ জানুয়ারি ভারত আত্মপ্রকাশ করে প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে। তাই সেই প্রতীক হিসেবেই পতাকা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। এই দিনে ভারতবর্ষ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিনেই ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তব্যপথে পতাকাকে উন্মোচিত করেন।

    ১৫ অগাস্ট ও ২৬ জানুয়ারির পার্থক্য

    এক কথায় বলতে গেলে, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনেই তৈরি হয়েছিল দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো এবং সংবিধান। তাই পতাকা উন্মোচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের যে আত্মপ্রকাশ, সেটাকেই প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রপতি জাতীয় পতাকাকে উন্মোচিত করেন। এর মাধ্যমেই ডানা মেলে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভারতের অগ্রগতি, ভারতের গণতন্ত্র এবং দেশের সেনাবাহিনী সাফল্য।

    ২৬ জানুয়ারি পতাকা একেবারে ওপরেই বাঁধা থাকে। এই পতাকাকে পরবর্তীকালে উন্মোচিত করেন। রাষ্ট্রপতি যখনই দড়িতে টান দেন পতাকা উন্মোচিত হয়। তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত বেজে ওঠে। এর পরেই সম্পন্ন হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    পার্থক্যগুলি যদি আমরা এবার ভালোমতো দেখি তাহলে দেখব—

    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৫ অগাস্ট
    • ● প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয় ২৬ জানুয়ারি
    • ● নিচে থেকে ওপর পর্যন্ত পতাকা টেনে তোলা হয় ১৫ অগাস্ট। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি পতাকাকে উন্মোচন করা হয়।
    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারত রাষ্ট্রের মুক্তির প্রতীক হিসেবে। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করা হয় সংবিধান গ্রহণের দিবস হিসেবে।
    • ● ১৫ অগাস্টের উৎসব পালন করা হয় দিল্লির লালকেল্লায়। ২৬ জানুয়ার জানুয়ারি উৎসব পালন করা হয়, দিল্লির কর্তব্যপথে।
    • ● ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

    প্রসঙ্গত, পতাকা উত্তোলন এবং উন্মোচন। এই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ভারতের স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে। কিন্তু দুটি উৎসবই সাক্ষী থাকে ভারতের জাতীয় অগ্রগতি এবং সার্বভৌমত্বের। আলাদাভাবেই দুই দিবসকে পালন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর।

    অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও অনুষ্ঠিত হয় এই দুটি দিন

    প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান হয়। একইসঙ্গে ভারতবর্ষের অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ করেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষেত্রে এই কাজ করেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    এর বাইরে দেশের নাগরিকরাও এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। কেন্দ্রের তরফে এক নির্দেশিকা সামনে আসে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। সেখানে বলা হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

  • Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2026) মানেই রাজধানীর রাজপথে কুচকাওয়াজ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। আজ, ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবস কী?

    প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) হল সেই দিন, যেদিন ভারত নিজের সংবিধান অনুসারে পরিচালিত হতে শুরু করে। এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের সমান অধিকারের প্রতীক। এদিন দেশের রাষ্ট্রপতি শপথ নেন সংবিধান রক্ষা করার, এবং দেশের সকল নাগরিকরা নিজেদের গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। উৎসবের মূল আকর্ষণ অবশ্যই নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে দর্শনীয় কুচকাওয়াজ। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত বিস্তৃত এই কুচকাওয়াজে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে।

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে। এ বছর সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করবে। অনেকেই ১৯৪৯ সাল থেকে গণনা শুরু করেন এবং ভাবেন যে সংবিধান সেই দিনেই কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ১৯৫০ সালে দেশে সংবিধান কার্যকর করা হয় এবং সে বছরের ২৬ জানুয়ারি প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। ফলে, এ বছর ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালিত হচ্ছে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে ভারত প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হওয়ার ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বিদায় নেয় ব্রিটিশরা। ২০০ বছরের কালিমা মুছে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হয় ভারতের আকাশে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। যদিও তখনও ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭-এর ২৯ অগাস্ট একটি খসড়া কমিটি তৈরি করে প্রথম সরকার। উদ্দেশ্য সংবিধান রচনা ও কার্যকর। সেই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বাবাসাহেব বিআর আম্বেদকর। ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর ওই কমিটি সংবিধানের একটি আনুষ্ঠানিক খসড়া পেশ করে গণপরিষদে। এর তিন বছর পর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় প্রস্তাবিত সংবিধান। যা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি।

    সংবিধানের শাসন কার্যকর

    স্বাধীনতা দিবসের সমান গুরুত্বপূর্ণ এই দিন। সেই কারণেই বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্রের পোশাকি নাম ‘ভারতীয় সাধারণতন্ত্র’ (Republic Day 2026)। যে প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক, সমতাবাদী এবং ন্যায়পরায়ণ সমাজের কাঠামো হল সংবিধান। প্রজাতন্ত্র দিবস স্মরণ করে স্বাধীন ভারতের চেতনাকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি (77th Republic Day) থেকেই সদ্য স্বাধীন দেশটির রাষ্ট্র পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সংবিধানের শাসন কার্যকর হয় আসমুদ্রহিমাচলে। ২৬ জানুয়ারি সকালে বর্ণাঢ্য সামরিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। এদিন দেশের বাছাই করা নাগরিকদের পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করেন তিনি। এছাড়াও সেনাকর্মীদের পরমবীর চক্র, অশোক চক্র ও বীর চক্রে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের থিম

    এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) থিম হল “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই বিস্তৃত থিমের অধীনে ট্যাবলোগুলোতে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর এবং বিভিন্ন খাতে ক্রমবর্ধমান আত্মনির্ভরশীলতার ওপর ভিত্তি করে জাতির দ্রুত অগ্রগতির এক অনন্য মিশ্রণ তুলে ধরা হবে, যা ভারতের সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সিক্ত। ২০২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নতুন দিল্লির কর্তব্য পথে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১৭টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রক/বিভাগ/সার্ভিসের ১৩টি-সহ মোট ৩০টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হবে।

  • Daily Horoscope 26 January 2026: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 26 January 2026: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

           ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                                                            জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    পূর্বকথা—কেশব সেনকে উপদেশ ‘এগিয়ে পড়ো’ 

    “যত এগোবে, দেখবে, চন্দন কাঠের পরও আছে,—রূপার খনি,—সোনার খনি,—হীরে মাণিক! তাই এগিয়ে পড়।

    “আর ‘এগিয়ে পড়’ এ-কথাই বা বলি কেমন করে!—সংসারী লোকদের বেশি এগোতে গেলে সংসার-টংসার ফক্কা হয়ে যায়! কেশব সেন উপাসনা কচ্ছিল, — বলে, ‘হে ঈশ্বর, তোমার ভক্তিনদীতে (Ramakrishna) যেন ডুবে যাই।’ সব হয়ে গেলে আমি কেশবকে বললাম, ওগো, তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে। তবে এককর্ম করো — মাঝে মাঝে ডুব দিও, আর এক-একবার আড়ায় উঠো।” (সকলের হাস্য)

    বৈষ্ণবের ‘কলকলানি’—‘ধারণা করো’! সত্যকথা তপস্যা

    কাটোয়ার বৈষ্ণব তর্ক করিতেছিলেন। ঠাকুর তাঁহাকে বলিতেছেন (Kathamrita), “তুমি কলকলানি ছাড়। ঘি কাঁচা থাকলেই কলকল করে।

    “একবার তাঁর আনন্দ পেলে বিচারবুদ্ধি পালিয়ে যায়। মধুপানের আনন্দ পেলে আর ভনভনানি থাকে না।

    “বই পড়ে কতকগুলো কথা বলতে পারলে কি হবে? পণ্ডিতেরা কত শ্লোক বলে — ‘শীর্ণা গোকুলমণ্ডলী!’ — এই সব।

    “সিদ্ধি সিদ্ধি মুখে বললে কি হবে? কুলকুচো করলেও কিছু হবে না। পেটে ঢুকুতে হবে! তবে নেশা হবে। ঈশ্বরকে নির্জনে গোপনে ব্যাকুল হয়ে না ডাকলে, এ-সব কথা ধারণা হয় না।”

    ডাক্তার রাখাল ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন। তিনি ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন — “এসো গো বসো।” বৈষ্ণবের সহিত কথা চলিতে লাগিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— মানুষ আর মানহুঁশ। যার চৈতন্য হয়েছে, সেই মানহুঁশ। চৈতন্য না হলে বৃথা মানুষ জন্ম!

    পূর্বকথা — কামারপুকুরে ধার্মিক সত্যবাদী দ্বারা সালিসী

    “আমাদের দেশে পেটমোটা গোঁফওয়ালা অনেক লোক আছে। তবু দশ ক্রোশ দূর থেকে ভাল লোককে পালকি করে আনে কেন — ধার্মিক সত্যবাদী দেখে। তারা বিবাদ মিটাবে। শুধু যারা পণ্ডিত, তাদের আনে না।

    ঠাকুর বালকের মতো ডাক্তারকে বলিতেছেন (Kathamrita)— “বাবু আমার এটা ভাল করে দাও।”

    ডাক্তার — আমি ভাল করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ডাক্তার নারায়ণ। আমি সব মানি।

    Reconciliation of Free Will and God’s Will — of Liberty and Necessity — ঈশ্বরই মাহুত নারায়ণ 

    “যদি বলো সব নারায়ণ, তবে চুপ করে থাকলেই হয়, তা আমি মাহুত নারায়ণও মানি।

    “শুদ্ধমন আর শুদ্ধ-আত্মা একই! শুদ্ধমনে যা উঠে, সে তাঁরই কথা। তিনিই ‘মাহুত নারায়ণ।’

    “তাঁর কথা শুনব না কেন? তিনিই কর্তা। ‘আমি’ যতক্ষণ রেখেছেন, তাঁর আদেশ শুনে কাজ করব।”

    ঠাকুরের গলার অসুখ এইবার ডাক্তার দেখিবেন। ঠাকুর বলিতেছেন — “মহেন্দ্র সরকার জিব টিপেছিল, যেমন গরুর জিবকে টিপে।”

    ঠাকুর আবার বালকের ন্যায় ডাক্তারের জামায় বারংবার হাত দিয়ে বলিতেছেন, “বাবু! বাবু! তুমি এইটে ভাল করে দাও!”

    Laryngoscope দেখিয়া ঠাকুর হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন — “বুঝেছি, এতে ছায়া পড়বে।”

    নরেন্দ্র গান (Ramakrishna) গাইলেন। ঠাকুরের অসুখ বলিয়া বেশি গান হইল না।

  • Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের টেনিস কিংবদন্তি বিজয় অমৃতরাজকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মভূষণ সম্মানে (Padma Award) ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই আইকন—পুরুষ দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur) পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

    ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পান অমৃতরাজ (Padma Award)

    এ বছর ক্রীড়া জগত থেকে বিজয় অমৃতরাজ একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি পদ্মভূষণ (ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান) অর্জন করেছেন। টেনিসে ভারতের অন্যতম পথিকৃৎ অমৃতরাজ  আগে অবশ্য ১৯৮৩ সালে পদ্মশ্রী (Padma Award) এবং ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পেয়েছিলেন। পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারে তিনি দুবার উইম্বলডন এবং দুবার ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।

    ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়

    ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ২০২৫ সালটি ছিল স্মরণীয়। হরমনপ্রীত কৌরের (Harmanpreet Kaur) অসামান্য নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা দল দেশের মাটিতে আয়োজিত ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় করে ইতিহাস গড়ে। অন্যদিকে, রোহিত শর্মা ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম পরাক্রমী ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছেন।

    মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কার

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কারের (Padma Award) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫ জন পদ্মবিভূষণ, ১৩ জন পদ্মভূষণ এবং ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপক রয়েছেন। এই তালিকায় ১৯ জন নারী এবং ১৬ জন মরণোত্তর সম্মান প্রাপক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি এই সম্মাননাগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করবেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে কে কে পাচ্ছেন?

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিনয় জগত থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, তবলাবাদক কুমার বসু, কাঁথাশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, সন্তুর বাদক তরুণ ভট্টাচার্য। শিক্ষা ও সাহিত্য থেকে পেয়েছেন শ্রী অশোক কুমার হালদার, এছাড়াও গম্ভীর সিংহ ইয়নজন, মহেন্দ্রনাথ রায় ও রবিলাল টুডু। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পাচ্ছেন হৃদ্‌রোগের চিকিৎসক সরোজ মণ্ডল।

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা:

    • বিজয় অমৃতরাজ – পদ্মভূষণ (টেনিস)
    • রোহিত শর্মা – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • হরমনপ্রীত কৌর ভুল্লার – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • সবিতা পুনিয়া – পদ্মশ্রী (হকি)
    • প্রবীণ কুমার – পদ্মশ্রী (প্যারা-অ্যাথলেটিক্স)
    • বলদেব সিং – পদ্মশ্রী (হকি কোচ)
    • ভগবানদাস রাইকর – পদ্মশ্রী
    • কে পাজনভেল – পদ্মশ্রী
    • ভ্লাদিমের মেস্তভিরিশভিলি – পদ্মশ্রী (মরণোত্তর – কুস্তি কোচ)
  • Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিকতার জগতে আরও এক নক্ষত্রের পতন। ভারতের ইতিহাসবিদ এবং প্রশংসিত লেখক, প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) মার্ক টুলি (Mark Tully) রবিবার নতুন দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, এই সংবাদ তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন। টুলির মৃত্যুর সময় বয়স ছিল ৯০।

    সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন (Mark Tully)

    পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সাংবাদিক টুলি (Mark Tully) বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং গত এক সপ্তাহ ধরে নতুন দিল্লির সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) এবং টুলির ঘনিষ্ঠ বন্ধু সতীশ জ্যাকব সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন। টুলি মৃত্যুতে তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মহলে ব্যাপক শোকের ছায়া।

    পদ্মভূষণ পান ২০০৫ সালে

    সতীশ জ্যাকব বলেন,“মার্ক আজ বিকেলে সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে মারা গেছেন।” ১৯৩৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন মার্ক টুলি (Mark Tully) ।

    তিনি টানা ২২ বছর ধরে নয়াদিল্লিতে বিবিসির ব্যুরো প্রধান (Journalist) ছিলেন। তিনি যেমন একজন প্রশংসিত লেখক তেমনি আবার টুলি বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘সামথিং আন্ডারস্টুড’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপকও ছিলেন। ২০০২ সালে তিনি নাইট উপাধি লাভ করেন এবং ২০০৫ সালে ভারত সরকার থেকে পদ্মভূষণ লাভ করেন।

    টুলি ভারত সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ‘নো ফুল স্টপস ইন ইন্ডিয়া’, ‘ইন্ডিয়া ইন স্লো মোশন’ এবং ‘দ্য হার্ট অফ ইন্ডিয়া’ ইত্যাদি। সাংবাদিক মহলে তাঁর চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি। অভিজ্ঞ মহলে এখন শোকের ছায়া।

    কেমন ছিল কর্মজীবন

    ১৯৬৪ সালে টুলি বিবিসিতে যোগদান করেছিলেন। ভারতীয় সাংবাদিক হিসেবে ১৯৬৫ সালে ভারতে চলে আসেন। এরপর দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থানকালীন কর্মজীবনে তিনি অনেকগুলো প্রধান প্রধান ঘটনাবলীর স্বাক্ষ্য থাকেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি – ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলন, ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা, অপারেশন ব্লু স্টার, ইন্দিরা হত্যাকাণ্ড, রাজীব হত্যা কাণ্ড – সহ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে বিবিসিতে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর কর্মে তিনি খ্যাত হয়ে আছেন।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন মাওবাদী জঙ্গিদের করাল গ্রাসে থাকা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার বিভাগে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। কয়েক দশক ধরে ‘লাল সন্ত্রাস’-এর সঙ্গে লড়াই করার পর, ছত্তিশগড়ের বাস্তার বিভাগের বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের (Republic Day Celebrations) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ এতদিন তাঁদের ওপর যেকোনো জাতীয় অনুষ্ঠান পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

    ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Chhattisgarh)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাস্তারের বিভিন্ন জেলার অন্তত ৪০টি গ্রামে প্রথমবারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গত এক বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Security Camps) স্থাপিত হওয়ার ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

    বাস্তার বিভাগের বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, সুকমা এবং নারায়ণপুরের মতো চরম মাওবাদী প্রভাবিত জেলাগুলোর (Chhattisgarh) মোট ৫৩টি গ্রামে এবার প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হবে। এর মধ্যে ৪০টি গ্রাম এমন রয়েছে, যেখানে আগে কখনও কোনোদিন জাতীয় উৎসব পালন করা সম্ভব হয়নি। এই তালিকায় রয়েছে—

    • বিজাপুর: বেলনার, কোন্ডাপালি ও উল্লুর।
    • দান্তেওয়াড়া: পিল্লুর, দোডিসোমার ও কামলুর।
    • নারায়ণপুর: আনজাগর, জাতুর, বাইপেটা ও কোডনার।
    • সুকমা: পালাগুড়া ও নাগরাম।

    দশকের পর দশক ধরে চলা লাল সন্ত্রাস কাটিয়ে মাওবাদী বিদ্রোহের স্তিমিত হওয়া এবং এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার এটি এক বড় প্রতিফলন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে বাস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ১০০টিরও বেশি ক্যাম্প স্থাপন করেছে, যার ফলে উগ্রপন্থীদের প্রভাবাধীন এলাকাগুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় হয়েছে।

    এই ক্যাম্পগুলো কেবল নিরাপত্তার কাজে নয়, বরং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে এবং স্থানীয়দের কাছে সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো পৌঁছে দিতে সহায়ক হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহসের সঞ্চার হয়েছে, যার ফলে তাঁরা এখন নির্ভয়ে জাতীয় উৎসবে অংশ নিতে পারছেন।

    ২৯টি গ্রামে উত্তোলন হয়েছিল জাতীয় পতাকা

    পরিবর্তনের এই ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাস্তার (Chhattisgarh)  অঞ্চলের ২৯টি গ্রামে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ২৪টিরও বেশি গ্রামে প্রথমবারের মতো তেরঙা পতাকা উত্তোলন (Republic Day Celebrations) করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের লক্ষ্য এখন স্কুল খোলা, ব্যাংকিং পরিষেবা চালু, মোবাইল টাওয়ার বসানো এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে এই জনপদগুলোকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা। সম্প্রতি মাওবাদীদের এককালীন শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ‘জাগরগুন্ডা’-তে একটি ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

    উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক

    মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, “জাগরগুন্ডায় (Chhattisgarh)  ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু হওয়া কেবল একটি ভবন স্থাপন নয়; এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকনির্দেশনায় বাস্তারকে লাল সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ভারত সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমরা এই লক্ষ্যেই কাজ করছি।”

  • Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর (Mirzapur) জেলায়, পাঁচটি জিমে একটি ইসলামিক ধর্মান্তকরণ পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। দুজন হিন্দু মহিলা পৃথক ভাবে যৌন শোষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন মুসলিম জিম প্রশিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রয়েছে চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) হওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার বিষয়ও। তদন্তে জানা  গিয়েছে, ভাদোহির একজন পুলিশ কনস্টেবল, ইরশাদ খানও এই ইসলামিক ধর্মান্তকরণ চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট (Mirzapur)!

    অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ আয়রন ফায়ার এবং কেজিএন ২.০ জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট করেছিলেন। এর আগে, মির্জাপুর কোতোয়ালি দেহাত পুলিশ মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল।

    খারঞ্জা জলপ্রপাতের (Mirzapur) কাছে সংঘর্ষের পর পুলিশ জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করে। পুলিশের গুলিতে ফরিদের পায়ে লাগে। মির্জাপুর পুলিশ ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল।

    একটি সাধারণ ‘কেরালা স্টোরি’ দৃশ্যে, সান্নো নামে একজন মুসলিম মহিলা সক্রিয়ভাবে এই চক্রের সাথে জড়িত ছিলেন এবং তাকে হিন্দু মেয়েদের আস্থা অর্জন এবং তাদের ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

    পাঁচটি জিমে কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০ বাজেআপ্ত

    অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতো। যদি কোনও ভুক্তভোগীকে একটি জিমে আটকানো সম্ভব না হত, তবে তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য অন্য একটি জিমে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট করা হতো। পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম, কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার বাজেআপ্ত করেছে।

    ডিএম (Mirzapur) পবন কুমার গাঙ্গোয়ার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬৩ ধারার অধীনে এই জিমগুলির পরিচালনার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর পাঁচটি জিম সিল করে দেওয়া হয়েছে। ধৃত অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে, পুলিশ কয়েকশ ছবি, ভিডিও এবং চ্যাট সহ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নানানা ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে।

    গভীর রাত পর্যন্ত জিমে পার্টি হত

    পুলিশ এই জিম-ভিত্তিক ইসলামিক ধর্মান্তকরণ নেটওয়ার্কের আর্থিক লেনদেন তদন্ত করছে। জিমের বাড়িওয়ালা অমিত দুবে বলেছেন, “আমি জানি না যে বর্তমানে সিল করা কেজিএন ২.০ জিমটি (GYM Conversion) এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।” আবার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “মহিলারা প্রায়শই গভীর রাত পর্যন্ত জিমে আসতেন এবং পার্টি হত।”

    মামলায় পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মির্জাপুরের এসপি সোমেন ভার্মা বলেন, “এই মামলাটি কোতোয়ালি দেহাতের। দুই ভুক্তভোগী মহিলা তাদের জিমের মালিক এবং প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মহিলাদের শোষণ, তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, এএসপি সিটি নীতেশ সিং বলেন, “পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি তিন ভাই এবং এক শ্যালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

    অনেক ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। মির্জাপুর পুলিশ তৎপর হয়ে তিনটি জিম সিলগালা করে দেয় এবং মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

    ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে

    কোতোয়ালি দেহাত (Mirzapur) থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা দুই হিন্দু মহিলা অভিযোগ করেছেন, মির্জাপুরে জিম প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে এবং তাদের ফাঁদে ফেলে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে, তারা এআই-উত্পাদিত অশ্লীল ভিডিও এবং ছবিও তৈরি করে এবং অবশেষে হিন্দু মহিলাদের ব্ল্যাকমেইল করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেয়।

    ২০ জানুয়ারী, কোতোয়ালি সিটি থানার নটওয়ান মিল্লাত নগরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং গোসাই তালাবের বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ এবং ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে, পুলিশ জহির এবং শাদাবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সাথে যুক্ত এবং একটি সংগঠিত লাভ জিহাদ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল।

    অভিযুক্ত জহির কেজিএন-১ জিমের মালিক এবং কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সাথেও যুক্ত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা পূর্বে কেজিএন জিমে গিয়েছিলেন, যেখানে তারা অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

    পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ

    বি-ফিট জিমে যাওয়া একজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শেখ আলী তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন, ধীরে ধীরে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলেন। পরবর্তীতে শেখ আলী তাকে ব্ল্যাকমেইল করেন এবং টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তিনি তার নামে ঋণ নেন এবং বারবার ওটিপি চান।

    ভুক্তভোগীর (GYM Conversion) অভিযোগ, অভিযুক্ত শেখ আলী আলম বেশ কয়েকবার তার বোরকা পরা ছবি তোলেন এবং তাকে দিনে পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেন। তিনি ভুক্তভোগীকে একটি দরগায় নিয়ে যান, তাকে ইসলামিক কলমা পড়তে বাধ্য করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেন।

    তবে, এই হিন্দু ভুক্তভোগী যখন প্রতিবাদ করেন, তখন অভিযুক্ত শেখ আলী আলম তাকে নির্যাতন করেন, তার অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল করার হুমকি দেন। তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষক ফয়সাল এবং তার সহযোগীরাও এই লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তকরণ চক্রের সাথে জড়িত।

    ইসলামে ধর্মান্তরিত করার এজেন্ডা

    সিল করা পাঁচটি জিম জুড়ে, অভিযুক্ত মুসলিম ব্যক্তিরা ৫০ জনেরও বেশি হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে, তাদের শোষণ করে, ব্ল্যাকমেইল করে এবং তাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) করার এজেন্ডায় কাজ করছিল। এখন, পুলিশ কেবল অভিযুক্ত সকল ব্যক্তির কল ডেটা রেকর্ডই তদন্ত করছে না, বরং প্রশ্নবিদ্ধ জিমের তহবিলও তদন্ত করছে। যদিও জিম প্রশিক্ষকদের ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে বেতন দেওয়া হত, তারা ব্র্যান্ডেড জুতা এবং পোশাক পরতেন এবং দামি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। জানা গেছে যে মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই জিমগুলিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছেন।

LinkedIn
Share