Blog

  • Heavy  Rain: প্রবল বৃষ্টি, জলে ভাসছে দিল্লি, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গানা, বন্ধ স্কুল

    Heavy  Rain: প্রবল বৃষ্টি, জলে ভাসছে দিল্লি, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গানা, বন্ধ স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাময়িক বিরতির পর ফের প্রবল বর্ষণ। তার জেরে জলে ভাসার জোগাড় দিল্লি, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব এবং তেলঙ্গানা। ২৮ জুলাই পর্যন্ত এভাবেই বৃষ্টি (Heavy  Rain) চলবে বলে পূর্বাভাস মৌসম ভবনের। আগামী দু দিনের জন্য রাজ্যের সব স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে জল থইথই হায়দরাবাদ। স্কুল বন্ধ তেলঙ্গানায়ও। একই কারণে স্কুল বন্ধ থাকছে নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডায়ও।

    নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডা

    বুধবার সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দিল্লি ও লাগোয়া কিছু এলাকায়। দ্রুত বাড়ছে যমুনা নদীর জল। নয়ডা, গাজিয়াবাদ এলাকার কয়েকটি জায়গায় জল জমে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টি ও জমা জলের কারণে এদিন নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডার সমস্ত স্কুলে ছুটি ঘোষণা করেছে প্রশাসন। নয়ডায় বন্যার (Heavy  Rain) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যমুনার পাশাপাশি ফুঁসছে হিন্দন নদীও। ইতিমধ্যেই নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে শতাধিক মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পাশাপাশি রেড অ্যালার্ট জারি রয়েছে মহারাষ্ট্রেও। দিল্লি ও নয়ডায় জারি হয়েছে ইয়োলো অ্যালার্ট।

    হড়পা বানের আশঙ্কা

    প্রবল ধারাপাতে বিপর্যস্ত কর্নাটকও। হড়পা বানের আশঙ্কায় বুধবার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে স্কুল-কলেজে। নিতান্ত প্রয়োজন (Heavy  Rain) ছাড়া লোকজনকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। রাজ্যের মালনাড এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণ কান্নাডা, উত্তর কান্নাডা, উদুপি, চিকমাগালুরু, কোডাগু ও শিবমোগা জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় হতে পারে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি।

    নাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে তেলঙ্গানায়ও। আগামী দু দিনও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। আগামী দু দিনের জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশে। বুধবারের জন্য রেড অ্যালার্ট (Heavy  Rain) জারি করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের রায়গড়, পুণে, সাতারা এবং রত্নগিরি জেলায়। মুম্বই, পালঘর ও ঠানেতে জারি রয়েছে অরেঞ্জ সতর্কতা। রায়গড় সহ বিভিন্ন জেলায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে স্কুল-কলেজে।

    আরও পড়ুুন: মমতা ঘনিষ্ঠ হলেই ডবল চাকরি! ট্যুইটে তোপ শুভেন্দুর

    ওড়িশায়ও জারি হয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ২৭ জুলাই পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। বৃষ্টির জেরে বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। বৃষ্টির বিরাম (Heavy  Rain) নেই হিলাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডেও। বুধ ও বৃহস্পতিবার বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরাখণ্ডের আট জেলায়। এদিকে, মঙ্গলবারও ফের মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে হিমাচল প্রদেশে। তার জেরে প্রচুর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে কুলু জেলায়। ক্ষতি হয়েছে চাষের জমিরও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: মমতা ঘনিষ্ঠ হলেই ডবল চাকরি! ট্যুইটে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: মমতা ঘনিষ্ঠ হলেই ডবল চাকরি! ট্যুইটে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজ্ঞাবাহক বড় অফিসার হলেই ডবল ডবল চাকরি নিশ্চিত বলে অভিমত শুভেন্দুর। রাজ্যে এটাই এখন অঘোষিত সরকারি পদ্ধতি এবং রীতিতে পরিণত হয়েছে বলেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।

    মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে খোঁচা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) ডবল ডবল চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পালন করছেন, তবে শুধুমাত্র তাঁর একান্ত অনুগত আমলা বা আধিকারিকরা যারা অবসরের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন অথবা সদ্য অবসর নিয়েছেন, এমন কিছু বিশেষ আমলা বা আধিকারিকদের এক্সটেনশন দিয়ে মেয়াদ বৃদ্ধি করে অথবা পুনরায় কোনও পদে নিয়োজিত করে ডবল ডবল চাকরি দিয়ে চলেছেন।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে ট্যুইটে সরকারি নথি তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করনে, ‘‘এই প্রথা দিল্লিতে কর্মরত রাজ্যের রেসিডেন্ট কমিশনার শ্রী আর ডি মীনা (আইএএস)-কে দিয়ে শুরু হয়। ওনার মেয়াদ মুখ্যমন্ত্রী মাত্র ১২ বার বাড়িয়েছেন।’’  

    আরও পড়ুন: মরশুমের শুরুতেই একের পর এক মৃত্যু! ডেঙ্গি সংক্রমণ হতে পারে লক্ষাধিক!

    একইসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ঘনিষ্ঠ না হলেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাঁরা না খেতে পেয়ে হতাশায় ডুবে যাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘রাজ্যে বেকারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। যুব সম্প্রদায় কাজ না পেয়ে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন কাজের খোঁজে ৷ মেধাবী যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছেন বছরের পর বছর, আন্দোলন করছেন, আর একটা বড় অংশ হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছেন। এদের জন্য ডবল তো দুরস্ত সিঙ্গল চাকরিরও কোনও ব্যবস্থা নেই।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Harmanpreet Kaur: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্টাম্প ভাঙার শাস্তি! দুই ম্যাচ নির্বাসিত হরমনপ্রীত

    Harmanpreet Kaur: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্টাম্প ভাঙার শাস্তি! দুই ম্যাচ নির্বাসিত হরমনপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসির (ICC) আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে দুই ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করা হল ভারতীয় দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur)। মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই আইসিসির তরফে হরমনপ্রীতকে নির্বাসিত করার সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করা হয়। দু’ম্যাচ নির্বাসনের ফলে এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে খেলা হবে না হরমনপ্রীতের। ভারত ফাইনালে উঠলে খেলতে পারবেন তিনি। 

    কী ঘটেছিল

    বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শনিবারের ম্যাচে আউট হওয়ার পর ব্যাট দিয়ে উইকেট ভেঙে দিয়েছিলেন হরমনপ্রীত। সেটার জন্য তাঁকে তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয় এবং ম্যাচ ফি কেটে নেওয়া হয়। আইসিসির লেভেল ২ ধারায় এই দোষের জন্য হরমনপ্রীতের ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত ৫০ শতাংশ বেতন কাটা যায়। আইসিসির আচরণবিধির ২.৮ অনুযায়ী আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশের জন্য এই শাস্তি পান হরমনপ্রীত। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে আম্পায়ারদের সমালোচনা করেন হরমনপ্রীত। সেই কারণে তাঁর ম্যাচ ফি-র আরও ২৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হল। অর্থাৎ ম্যাচ ফি-র মোট ৭৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হল হরমনপ্রীতের। সেই সঙ্গে দু’টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলেন তিনি। এর ফলে একটি টেস্ট অথবা দু’টি এক দিনের ম্যাচ বা টি-টোয়েন্টি থেকে নির্বাসিত হরমনপ্রীত।

    আরও পড়ুন: ট্রফি নিয়ে ৬৫ তলা থেকে ঝাঁপ দুই সেনাকর্তার, কলকাতায় অভিনব উদ্বোধন ডুরান্ড কাপের 

    এশিয়ান গেমস শুরু হচ্ছে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। আইসিসি ক্রমতালিকা অনুযায়ী সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে ভারত। অর্থাৎ, তার আগে হরমনপ্রীতকে শাস্তি দেওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না তিনি। দল যদি ফাইনালে ওঠে তা হলে সরাসরি তিনি ফাইনালে খেলতে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে এক দফা জেরা-পর্ব হয়েছিল। এবার বুধবার সকালেই দ্বিতীয় দফায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) জেরার জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ আবারও প্রেসিডেন্সি জেলে যান তদন্তকারীরা। পোস্টিং-দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়েই তাঁকে জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। আজ কি মানিককে হেফাজতে নেবে সিবিআই? বাড়ছে জল্পনা।

    এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরেই প্রাথমিক নিয়োগকাণ্ডের (Primary TET Scam) নতুন মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাটার্যকে রাতেই জেরা করার নির্দেশ সিবিআইকে দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সেই মতো মঙ্গলবার রাতেই প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছে যায় সিবিআই আধিকারিকের দল। প্রায় দু’ঘণ্টার ওপর সময় ধরে জেলবন্দি মানিককে করা হয় জেরা। 

    জেরায় চার সদস্যের সিবিআই টিম

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেলে (Presidency Jail) পৌঁছয় সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের টিম। ওই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন একজন এসপি পদমর্যাদার অফিসার। ছিলেন, দু’জন ইন্সপেক্টর। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, গোটা জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। সেই মোতাবেক, এদিন সিবিআই টিমে ছিলেন একজন ভিডিয়োগ্রাফি এক্সপার্টও। সূত্রের খবর, জেলের ভিতর ইন্টারোগেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। সেখানেই এসপি কল্যাণ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মানিককে জেরা করছেন দু’টি পৃথক মামলার তদন্তকারী আধিকারিক মলয় দাস, ওয়াসিম আক্রম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জেলে ছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা।

    কী নিয়ে নতুন মামলা?

    প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘পোস্টিং’ নিয়ে দুর্নীতির (Teacher Posting Scam) অভিযোগ তুলে একটি মামলা করেন সুকান্ত প্রামাণিক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের বলা হয়েছিল নিজের জেলায় কোনও শূন্যপদ নেই। অভিযোগ, কাউন্সেলিং-এর ঠিক ১৭ দিন পরই চার জেলায় ৪০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। গতকাল, এই মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টে। শুনানি চলছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। কাদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, টাকার লেনদেন হয়েছিল কি না, সেটাই জানতে চায় আদালত। সেখানেই বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রাথমিকের নিয়োগে এটা পরিকল্পিত ভাবে দুর্নীতি হয়েছে। মানিক ছক কষে এই দুর্নীতি ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ করেছেন। মানিক এই মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি। তিনি নির্দেশ দেন, প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারে সিবিআই। এমনকী, এই মামলায় আর্থিক দুর্নীতির দিক উঠে আসলে, তার তদন্তে ইডি-কে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ ঠিক কী?

    ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক (Manik Bhattacharya), সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    Justice Abhijit Ganguly: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় মঙ্গলবার সিবিআইয়ের (CBI) সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তাঁর প্রশ্ন, “কতবার মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই?” সিবিআইয়ের সিটের প্রধান অশ্বিনী শেনভিকে ভার্চুয়ালি তলবও করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদের ‘ডিজাইনড কোরাপশনে’র উল্লেখও করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    ‘নতুন ধরনের দুর্নীতি’

    ২০২০ সালে কাউন্সেলিং পর্বে হয়েছে এই ডিজাইনড কোরাপশন। আদালত চায়, সিবিআই নতুন করে এফআইআর রুজু করে তদন্ত করুক। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, এদিনই জেলে গিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই। তিনি (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “২০২০ প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এটা নতুন ধরনের দুর্নীতি। আজই মানিক ভট্টাচার্যকে প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন সিবিআইয়ের দক্ষ দুই অফিসার। সন্ধে ৬টার মধ্যে মামলাকারীদের আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে আজই প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের।

    ‘ডিজাইনড কোরাপশন’

    প্রশ্ন হল, ডিজাইন কোরাপশন কী? জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক, সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    ইডির উদ্দেশে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, এই মামলায় কোনও আর্থিক তছরুপ হয়ে থাকলে তদন্ত করতে পারবে তারা। প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারবে। আজ, মঙ্গলবার থেকেই তদন্ত শুরু করতে পারবে ইডি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য, যে ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বীরভূম, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ ও হুগলিতে ডিজাইন কোরাপশনের অভিযোগ উঠেছে।

    মঙ্গলবার প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। ওই মামলায় বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকের নিয়োগে পরিকল্পিত দুর্নীতি হয়েছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। মানিক-ই ছক কষে ডিজাইনড কোরাপশন করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: ফের উত্তপ্ত সংসদ, বিরোধীদের হাতিয়ার মণিপুর, বিজেপির অস্ত্র বঙ্গে নারী নিগ্রহ

    BJP: ফের উত্তপ্ত সংসদ, বিরোধীদের হাতিয়ার মণিপুর, বিজেপির অস্ত্র বঙ্গে নারী নিগ্রহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক-বিরোধী তরজায় ফের উত্তপ্ত সংসদ। চলছে বাদল অধিবেশন। মণিপুরে দুই তরুণীকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি (BJP) বিরোধী দলগুলি। মণিপুর ইস্যুকে ঘিরে অধিবেশন মুলতুবি করতে হয়েছে। নষ্ট হয়েছে অধিবেশনের মূল্যবান দুটি দিন। বিরোধীরা যখন মণিপুরকেই হাতিয়ার করছে, তখন বিজেপি অস্ত্র করছে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক নারী নিগ্রহের ঘটনাকে। এদিন শাসক থেকে বিরোধী সবাই সরব হয়েছেন নারী নিগ্রহ নিয়ে।

    শাসক-বিরোধী তরজা

    এক পক্ষ যখন সরব হয়েছে মণিপুর ইস্যুতে, অন্য পক্ষ তখন সুর চড়িয়েছেন বাংলায় নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে। সোমবারও এই ইস্যুতে একাধিকবার উত্তাল হয়েছে সংসদ। উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন। এদিন নাম-পরিচয় সহ বিজেপি সাংসদদের প্রশ্নগুলোর উল্লেখ করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। অথচ বিরোধী (BJP) দলগুলির সাংসদদের প্রশ্নগুলোর উল্লেখ করা হয়েছে নাম-পরিচয় ছাড়াই। এনিয়েই তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন ধনখড় এবং ডেরেক। পরে ডেরেককে সতর্কও করে দেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।

    বঙ্গে নারী নিগ্রহ

    বুধবার পশ্চিমবঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনায় সুর চড়ান মূলত বাংলার সাংসদরা। আর কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল সরকার পক্ষকে নিশানা করেছে মণিপুর-অস্ত্র প্রয়োগ করে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পাঁচলা হোক, মালদা হোক, আলিপুরদুয়ার হোক, বীরভূম হোক, গতকাল (সোমবার) রাতে নতুন একটি বিষয় এসেছে, কোচবিহারে একটি নাবালিকা মেয়ে ১৪ বছর বয়স, তাকে চার দুষ্কৃতী মিলে লাগাতার ধর্ষণ করেছে। এর জন্য কি বিজেপি দায়ী?  নাকি মুখ্যমন্ত্রী দায়ী, যে অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী শাসন ব্যবস্থাকে এমন করে দিয়েছে, যেখানে মহিলাদের সুরক্ষা পশ্চিমবঙ্গে নেই। আজকে মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে, না হলে গদি ছাড়তে হবে।”

    আরও পড়ুুন: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    এদিনও লোকসভার অধিবেশন শুরু হতেই মণিপুর ইস্যুতে সরব হন বিরোধীরা (BJP)। ফলে দুপুর ২টো পর্যন্ত মুলতুবি করা হয় লোকসভার অধিবেশন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে যে, মণিপুর নিয়ে বিতর্কের জন্য তারা প্রস্তুত। তার পরেও অধিবেশন ভেস্তে দিতে বিরোধীরা অযথা হট্টগোল করছেন বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    Suvendu Adhikari: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অস্ত্রেই রাজ্য সরকারকে ঘায়েল করার পরিকল্পনা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)! মণিপুরে দুই তরুণীকে নগ্ন করে ঘোরানোর ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। তাকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে বেকায়দায় ফেলতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূল সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও, তা নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। অথচ বুধবার মণিপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে বিধানসভা।

    প্রসঙ্গ মণিপুর

    মঙ্গলবারই এ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে এদিন ধূপগুড়ির বিধায়ক বিজেপির বিষ্ণুপদ রায় প্রয়াত হন এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন মুলতুবি ঘোষণা করা হয় বিধানসভা। তাই এদিন আর কোনও আলোচনা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই ওঠেনি মণিপুর প্রসঙ্গও। তাই বুধবার এনিয়ে শাসক-বিরোধী তরজায় উত্তপ্ত হতে পারে বিধানসভার কক্ষ। তৃণমূল সূত্রে খবর, মণিপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার সভায় নিন্দা প্রস্তাব আনবে ঘাসফুল শিবির। তবে বিজেপি বিধায়করা যে তা হতে দেবেন না, তা স্পষ্ট রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়ই।

    শুভেন্দুর হাতিয়ার

    তিনি বলেন, “মণিপুর নিয়ে কোনও প্রস্তাব আনতে পারে না। কারণ এডুকেশন স্ক্যাম নিয়ে আমরা আগে যখন বলেছিলাম, তখন বলা হয়েছিল সাব জুডিস ম্যাটার। আলোচনা করা যাবে না। মণিপুরও সাব জুডিস ম্যাটার। সুপ্রিম কোর্ট হয়েছে। ফলে একই যুক্তিতে এটাও আলোচনা করা যায় না।” শুভেন্দু বলেন, “তবুও জোর করে আনলে আলোচনা হবে। আমাদের মহিলা সদস্যরা অংশ নেবেন। আমরা হাউস (বিধানসভা) বন্ধ করে নয়, সচল রেখেই প্রতিবাদ জানাব।”

    তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে এদিন আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং ডেঙ্গি রোধে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগে এদিন বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব আনবে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “রামপুরহাটের বগটুই থেকে মালদহ, গোটা রাজ্যে নারী নির্যাতন চলছেই। নিয়োগ দুর্নীতির মাঝেই বাড়ছে বেকারত্ব। বর্ষার শুরুতেই মহামারির আকার নিয়েছে ডেঙ্গি। এরই প্রতিবাদে সরব হবেন আমাদের প্রতিনিধিরা।”

    আরও পড়ুুন: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    প্রসঙ্গত, জরুরি ভিত্তিতে মঙ্গলবারই দিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু। তার আগে তিনি করেন পরিষদীয় দলের বৈঠক। তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা চাইব। না হলে প্রতিবাদে শামিল হব।” বুধবারই বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনবেন বিজেপির মহিলা বিধায়করা। শ্যামবাজারে অবস্থানও করবেন। রাজ্যে বিভিন্ন বিস্ফোরণের ঘটনায় দাবি করবেন এনআইএ তদন্তও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    Siliguri: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া, মালদার ছায়া এবার শিলিগুড়িতে। সালিশি সভায় পঞ্চায়েত সদস্যের উপস্থিতিতে এক আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার বাগডোগরা থানার ভুজিয়াপানি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম প্রদীপ সরকার, গৌরী সরকার, শিবা বাল্মিকী, ললিতা বাল্মিকী। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি আদালতে তাদের তোলা হয়। পাশাপাশি গোটা ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে আদিবাসী কল্যাণ সমিতির রাজ্য নেতৃত্ব এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে।

     ঠিক কী হয়েছিল?

    ভুজিয়াপানির বাসিন্দা প্রদীপ সরকারের সঙ্গে এলাকার এক মহিলার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এনিয়ে গত ১৯ জুলাই এলাকায় সালিশি সভা বসে। সেখানে প্রদীপ সরকারের স্ত্রী ও অপর এক মহিলার সঙ্গে হাতাহাতি হয়। তাদের ছাড়াতে গেলে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ওই নির্যাযিতা মহিলাও। ঘটনার পরের দিন আবার ওই ঘটনা নিয়ে সালিশি সভা ডাকা হয়। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বুলবুলি সিংহ। শিলিগুড়ির (Siliguri) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

     কী বললেন নির্যাতিতা মহিলা?

    নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলা বলেন, সালিশি সভার প্রথম দিন প্রদীপ সরকারের সঙ্গে যে মহিলার পরকীয়া চলছিল, তার সঙ্গে গৌরিদেবীর হাতাহাতি শুরু হয়। গৌরিদেবী প্রদীপ সরকারের স্ত্রী।  আমি হাতাহাতি থামাতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়। তারপর সবাই মিটমাট করে দিলে বাড়ি চলে আসি। পরের দিন আবার সালিশি সভা ডাকা হয়। আমি যাইনি। আমাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পৌঁছতেই অভিযুক্ত মহিলা আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর শুরু করে। পঞ্চায়েত সদস্যের সামনে এই ঘটনা ঘটে। তারপর আরও কয়েকজন আমাকে মারধর করে। সকলের সামনেই আমাকে বিবস্ত্র করেই হামলা চলে। আমি মাটিতে পড়ে যেতেই সকলে চলে যায়। কয়েকজন এসে আমাকে গামছা চাপা দিয়ে লজ্জা নিবারণ করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে বাড়ি থেকে নাইটি নিয়ে যায়। সেই নাইটি পরে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে ফেরার পর রবিবার রাতে আমার নড়ার ক্ষমতা ছিল না। সেই সঙ্গে লজ্জায় বাড়ির বাইরে বের হইনি। বাড়িতে শুয়েই ছিলাম। সোমবার স্থানীয় কয়েকজনের পরামর্শে আমি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি। 

    কী বললেন পঞ্চায়েত সদস্য?

    কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বুলবুলি সিংহ সালিশি সভা ও আদিবাসী  মহিলাকে নিগ্রহের ঘটনা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেন, ওই মহিলাকে মারধর করা হলেও বিবস্ত্র করা হয়নি।

    নিন্দায় সরব আদিবাসি কল্যাণ সমিতি

    এই খবর পেয়ে এদিন ওই নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে দেখা করে গোটা ঘটনা শোনে আদিবাসি কল্যাণ সমিতির নেতৃত্ব। সমিতির অন্যতম সদস্য মন্টু বরাইক বলেন,  আদিবাসী কল্যাণ সমিতির  রাজ্য নেতৃত্ব এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। হাওড়া, মালদার পর শিলিগুড়িতে এধরনের ঘটনা ঘটায় আমরা উদ্বিগ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের (Recruitment Scam) মামলায় উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ নয়, জমা দিতে হবে সিলবন্ধ খামে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। 

    সুপ্রিম নির্দেশ

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে সেই নির্দেশের উপর আজ স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বেলা ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ করার বদলে সিলবন্ধ খামে করে তা সুপ্রিম কোর্টে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আদালতে। গত ৭ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ৫,৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা-সহ ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। উত্তরপত্রের পাশাপাশি নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, স্কুলের নাম-সহ ৯০৭ জনের তালিকাও প্রকাশ করতে হবে, যাঁদের বিকৃত উত্তরপত্র উদ্ধার করেছিল সিবিআই। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত ওএমআর শিট প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও নাম, ঠিকানা সম্বলিত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বহাল রেখেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    এই মামলার শুনানিতেই গতকাল, অর্থাৎ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) যা হয়েছে তা পুরোপুরি রাজনৈতিক। এক্ষেত্রে যা পরিস্থিতি তাতে একমাত্র ভগবানই পারে রাজ্যকে বাঁচাতে। শিক্ষক নিয়োগের মামলা শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “দিনের পর দিন কী হচ্ছে এটা? সবেতেই রাজনীতি জড়িয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হলেই মামলা হয়ে যাচ্ছে। এ তো দেখছি একমাত্র ভগবানই পারে বাংলাকে বাঁচাতে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: সফল পঞ্চম কক্ষপথ বৃদ্ধি প্রক্রিয়া, শেষ বারের মতো পৃথিবীর চক্কর কাটছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: সফল পঞ্চম কক্ষপথ বৃদ্ধি প্রক্রিয়া, শেষ বারের মতো পৃথিবীর চক্কর কাটছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর চারদিকে চক্কর কাটার শেষ ল্যাপে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। শেষ বারের মতো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে মহাকাশযান। এর পর, চিরতরে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে মহাকাশযানের পঞ্চম তথা শেষ অরবিট রেইজিং ম্যানুভার বা কক্ষপথ পরিধি প্রসার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    কোথায় রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ 

    এদিন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে একটি ট্যুইট করে এই খবর জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরু-স্থিত ইসরোর কমান্ড সেন্টার ‘ইসট্র্যাক’ থেকে সফলভাবে পঞ্চম আর্থ-বাউন্ড ম্যানুভার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিনের প্রক্রিয়ার ফলে, বর্তমানে পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬০৯ কিলোমিটার (অ্যাপোজি বা পৃথিবীর দূরে) X ২৩৬ কিলোমিটার (পেরিজি বা পৃথিবীর নিকট) পরিধির ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে প্রতিস্থাপিত হয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    ১ অগাস্ট মধ্যরাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হতে চলেছে!

    ইসরোর (ISRO Moon Mission) তরফে জানানো হয়েছে, এর পরের ধাপ আসতে চলেছে ১ অগাস্ট। সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কারণ, ওই দিন রাত ১২টা থেকে রাত ১টার মধ্যে একটা বড় লাফ দিতে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’, যাকে বলা হচ্ছে ট্রান্সলুনার ইঞ্জেকশন। বিশেষ রকেট ফায়ার করানোর মাধ্যমে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে পাঠিয়ে দেওয়া হবে চাঁদের কক্ষপথের উদ্দেশে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় লুনার ট্রান্সফার ট্যাজেক্টরি। এক কথায়, চাঁদের কক্ষপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে। এটা এই কারণে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, সেদিনই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে চিরতরে হারিয়ে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা চাঁদের দিকে এগিয়ে যাবে ‘চন্দ্রযান ৩’। 

    ৫ থেকে ৬ অগাস্টে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ

    জানা যাচ্ছে, ৫ থেকে ৬ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। তারপর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শেষপর্যন্ত ভারতের চন্দ্রযানকে চন্দ্র কক্ষপথে টেনে আনবে। সেখানে একইভাবে বার বার রিভার্স ম্যানুভারিংয়ের মাধ্যমে নিজের কক্ষপথ সঙ্কোচন ও গতি কমানোর প্রক্রিয়া চালাবে ‘চন্দ্রযান ৩’। অবশেষে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের কক্ষপথে পৌঁছে পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের বুকে চূড়ান্ত অবতরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৩ বা ২৪ তারিখ চাঁদে অবতরণ করার পর সেখান থেকে ছবি পাঠাবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    ধাপে ধাপে কক্ষপথ পরিধি প্রসারণ

    ১৪ জুলাই, অর্থাৎ, গত শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ‘এলভিএম-৩’ রকেট (ISRO Moon Mission)। পৃথিবীর ওপর একটা নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল ‘চন্দ্রযান ৩’-কে। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। বলা যেতে পারে, এখনও পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ আওতায় রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’। প্রতি প্রদক্ষিণে নিজের কক্ষপথের আয়তনের সঙ্গে সঙ্গে গতি বৃদ্ধিও করে চলেছে এই মহাকাশযান। এর আগে, ১৫ তারিখে প্রথম, ১৭ তারিখে দ্বিতীয়, ১৮ তারিখে তৃতীয় ও ২০ তারিখে চতুর্থ অরবিট রেইজিং ম্যানুভার সম্পন্ন করেছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। প্রতিবার নিজের কক্ষপথের পরিধি বৃদ্ধি করেছে ‘চন্দ্রযান ৩’। মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৫ জুলাই সম্পন্ন হল পঞ্চম তথা চূড়ান্ত ম্যানুভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share