Blog

  • PM Modi Visit  Ayodhya: আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিমানবন্দর থেকে রেল স্টেশন একগুচ্ছ কর্মসূচি

    PM Modi Visit  Ayodhya: আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিমানবন্দর থেকে রেল স্টেশন একগুচ্ছ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অযোধ্যা ধাম’-এর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কার্যত আজ, শনিবার থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র বোধন। আজ, ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যা ধাম জংশন স্টেশন ও মহর্ষি বাল্মিকীর নামাঙ্কিত নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Visit  Ayodhya)। তার আগে অযোধ্যাজুড়ে সাজো সাজো রব। রেলস্টেশন, এয়ারপোর্ট সহ অযোধ্য়ার অলিতে গলিতে তুমুল ব্য়স্ততা। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর। 

    বিমানবন্দরের উদ্বোধন

    শনিবার অত্যাধুনিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের পাশাপাশি ১৫ কিলোমিটার পথে রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর। আগে অযোধ্যা বিমানবন্দরের নাম ছিল ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম অযোধ্যা আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট’। উদ্বোধনের দিন থেকেই এই বিমানবন্দরে বিমান চলাচল শুরু হয়ে যাবে। এ ছাড়াও ঢেলে সাজানো হচ্ছে গোটা অযোধ্যা নগরী। পুরোনো মন্দিরগুলো সংস্কারের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তাও। আগামী ২২ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অস্থায়ী মন্দির থেকে ৫ বছরের রামলালার মূর্তি কোলে নেবেন ও তা নতুন রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করবেন। এর জন্য তিনটি ৫১ ইঞ্চির মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। তিনটি মূর্তিরই ডিজাইন সম্পূর্ণ আলাদা। তিন জন আলাদা শিল্পী এই মূর্তিগুলি তৈরি করছেন। রামমন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের ভোটে বেছে নেওয়া হবে যে কোনও একটিকে। সেটাই প্রতিষ্ঠা করা হবে জানুয়ারিতে।

    নয়া ট্রেনের যাত্রা

    এদিন মোদি ‘অমৃত ভারত’ ট্রেনের উদ্বোধন করবেন অযোধ্যা থেকে। তার একটি চলাচল করবে বিহারের দারভাঙ্গা থেকে নয়াদিল্লির আনন্দ বিহার রুটে। যেটি অযোধ্যায় থামবে। আর একটি রুট বাংলার মালদা টাউন থেকে বেঙ্গালুরু। তার উদ্বোধনও আজ অযোধ্যা থেকেই করবেন তিনি। সরকারি সূত্রে খবর, অযোধ্যার উন্নয়নের জন্য শনিবারই ১৫,৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার মধ্যে রয়েছে রেলস্টেশন ও বিমানবন্দরের উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অযোধ্যায় বিশ্বমানের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চান মোদি। 

    আরও পড়ুন: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    আজ অযোধ্যায় সারাদিন

    ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন সকাল ১০.৪৫ মিনিটে অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো রয়েছে। তারপর সকাল ১১.১৫ মিনিটে অযোধ্যা ধাম জংশনের উদ্বোধন। সকাল ১১.৩০ টায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস-সহ বেশ কিছু ট্রেনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২.১৫ মিনিটে মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন মোদি। দুপুর ১টায় জনসভায় প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেবন তিনি। দুপুর ২.৪০ মিনিটে দিল্লি থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা হবে প্রথম বিমান। বিকেল ৪টে অযোধ্যার নবনির্মিত বিমানবন্দরে প্রথম বিমান অবতরণ করার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    Ram Mandir: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন (Ram Mandir Inauguration)। মন্দির উদ্বোধনের দিন আনা হবে বিশেষ গোলাপী রঙের গোলাপ, যার প্রতিটি পাপড়িতে থাকবে শ্রী রামের ছবি। গোলাপের পাপড়িতে থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখও। বিশেষ এই গোলাপে লেখা থাকবে জয় শ্রী রাম।

    কেমনভাবে প্রস্তুত এই বিশেষ গোলাপ

    বছর ঘুরলেই রাম মন্দিরের উদ্বোধন (Ram Mandir Inauguration)। আপাতত গর্ভগৃহেরই উদ্বোধন করা হবে। এখানেই প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আনা হবে বিশেষ গোলাপী রঙের গোলাপ, যার প্রতিটি পাপড়িতে শ্রী রামের (Sree Ram) ছবি থাকবে। এই বিশেষ ফুল তৈরির জন্য গুজরাট থেকে একজন ফ্লোরিস্টকে আনা হচ্ছে। অশোক বনসলী নামক ওই ফুল বিক্রেতা জানান, তিনি এক বিশেষ প্রযুক্তি তৈরি করেছেন, যেখানে ফুলের পাপড়িতে ছবি ছাপানো সম্ভব। চার বছর সময় লেগেছে এই প্রযুক্তি তৈরি করতে। একগুচ্ছ গোলাপ ফুল তুলেও দেখান ওই ফ্লোরিস্ট, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও রামলালার নাম লেখা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র যে ডাক দিয়েছিলেন, তা থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এই আধুনিক প্রিন্টিং টেকনোলজি তৈরি করেছেন অশোক বনসলী। রাম মন্দির সাজানোর জন্য ব্যবহৃত ফুল ও গাছের পাতায় রামলালার নাম লেখা থাকবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ৩ থেকে ৪ হাজার ফুলে এই ছবিগুলি ছাপানো থাকবে। এর আগে, ২০২০ সালে রাম মন্দিরের ভূমি পুজার দিনও তিনি এইরকমের ৫০০ ফুল তৈরি করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষিদ্ধ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম বা উলফা (ইউএলএফএ) সংগঠনের সঙ্গে শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অসম সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক স্থায়ী শান্তিচুক্তি (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষরিত হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, “এই চুক্তির ফলে উত্তরপূর্ব সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বন্ধ হবে। সেই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হবে উলফা (ইউএলএফএ)।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ULFA Peace deal)?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে উলফা নেতৃত্বদের আশ্বস্ত করতে চাই। ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির (ULFA Peace Deal) প্রক্রিয়াকে সফল করবার জন্য তাঁদের আহ্বান জানাবো। কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। উত্তর-পূর্বের অনেক এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর আইন এএফএসপিএ অপসারণই প্রমাণ করে দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদ বর্তমানে সমাপ্তির পথে।”

    চুক্তি স্বাক্ষরে ২৯ জনের প্রতিনিধি

    সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপূর্ব ভারতের অসমে বিচ্ছিন্নতাবাদের উপর একটি অতি সক্রিয় সংগঠন ছিল উলফা। এদিন উলফার মোট ২৯ জনের একটি প্রতিনিধির দল দিল্লিতে চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন সংগঠনের সদস্য এবং বাকি ১৩ জন সাধারণ নাগরিক ছিলেন। এই চুক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ চুক্তি কারণ, এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফার বিচ্ছিন্নতাবাদ অসম রাজ্যে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। বিদ্রোহী সংগঠনকে প্রশমন করতেই উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের সাথে চুক্তিতে (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষর হল। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শুধু আসাম নয়, গোটা উত্তরপূর্বের জন্য এই চুক্তি শান্তির বাতাবরণ তৈরি করবে।

    উলফা ১৯৭৯ সাল থেকেই সক্রিয়

    এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফা, অসমে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল। এরপর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরবিন্দ রাজখোয়ার নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ লড়াইকে অব্যহতি দিয়ে অসম রাজ্য সরকারের সাথে নিঃশর্ত আলোচনায় সম্মত হয়। এরপর থেকে এই উলফা দুই দলে ভাগ হয়ে যায়। একটি দলের নেতা ছিলেন পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া। তাঁরা নিজেদের ভাবনায় স্থির থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিপক্ষে মত দেন। অপরদিকে যে দলটি আলোচনা চেয়েছেন, তাঁরা অসমের মূলনিবাসীদের পরিচয় এবং তাঁদের সম্পদের সুরক্ষায় রাজ্যের কাছে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক সংস্কার চেয়ে জমির অধিকার দাবি করেন। কেন্দ্র সরকার এই চুক্তির বিষয়ে গত এপ্রিল মাসে একটি চুক্তি (ULFA Peace Deal) প্রস্তাবের খসড়া পাঠিয়েছিল। এরপরে গত দুই সপ্তাহ আগে দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। ২৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে উলফার প্রতিনিধি দল আসার পর কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক পর্বে আলোচনা হয়েছিল। উত্তরপূর্বে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নাবাদকে প্রশমন করতে কেন্দ্রীয় সরকার গত তিন বছরে আসামের বিদ্রোহী বড়ো, ডিমাসা, কার্বি এবং বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনগুলির সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের গাড়িতে নীলবাতির আলো জ্বালিয়ে দিব্যি বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। এই তৃণমূল নেত্রী হলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। এই গাড়িতে করেই শিলিগুড়িতে নানান বৈঠক করছেন তিনি। কিন্তু এই ভাবে নীল আলো জ্বালিয়ে কি সহকারী সভাধিপতি গাড়ি করে ঘোরাঘুরি করতে পারেন? আর এই নিয়েও ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অবশ্য মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য “এই বিষয়ে কিছু জানা নেই।”

    নাম কী এই সহকারী সভাধিপতির (Siliguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদিবাসী সমাজ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন অভিনেত্রী রোমা রেশমি এক্কা। এই মহকুমার বেশীর ভাগ এলাকায় আদিবাসী মানুষের বসবাস। তিনি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দলের টিকিট দিয়ে ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু এই ভাবে সহকারী সভাধিপতি কীভাবে নীল বাতি গাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন, তাই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও উঠেছে প্রশ্ন। রোমার অবশ্য বক্তব্য, “নীলবাতি লাগালে প্রশাসনিক কাজে ব্যাপক সুবিধা হয়। রাস্তায় যানজট থাকলে জরুরি বৈঠককে যেতে অসুবিধা হয়। ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা লোকজনের চোখে পড়ে না। ফলে নীলবাতি থাকলে সুবিধা হয়।”

    সরকারী নিয়ম কী?

    সরকারী নিয়মে বলা হয়েছে, যাঁরা মূলত আইন শৃঙ্খলার কাজ করেন তাঁদের মধ্যে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের গাড়িতে নীলবাতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি জরুরি বা আপৎকালীন পরিষেবা দিতে এমন গাড়ির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু তৃণমূল নেত্রী এমন কোনও পরিধির মধ্যে নেই। কিন্তু তবুও নীলবাতি! বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ শাসক দলের নেতা-নেত্রীরাই সব থেকে বেশি বেআইনি কাজ করে থাকেন। অবশ্য দার্জিলিং (Siliguri) জেলা শাসক প্রীতি গয়াল বলেন, “বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বলব”।

    বিজেপির বক্তব্য

    মহকুমার (Siliguri) বিজেপি কিসান মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অনিল ঘোষের বক্তব্য,“অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা, ওঁর কোনও ধারণা নেই। কে লালবাতি আর কে নীলবাতি নিয়ে ঘুরতে পারে সেই সম্পর্কে বিন্দু মাত্র বোধ নেই। বিডিও, এসডিও, ডিএমের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নীলবাতি লাগাতে পারেন। যিনি শুধু জন প্রতিনিধি তাঁর পক্ষে এই বাতি ব্যবহার করা নিয়মের বাইরে। আসলে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যাতে না শুনতে হয় তাই নীলবাতি লাগিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেত্রী।” মহকুমার সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য অবশ্য রোমার গাড়িতে এমন বাতি লাগানো আছে কিনা জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: শহরে আসছেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত, একাধিক আলোচনা, দেখা করবেন বিশিষ্টদের সঙ্গে

    RSS: শহরে আসছেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত, একাধিক আলোচনা, দেখা করবেন বিশিষ্টদের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শহর ছাড়ার ৩ দিনের মধ্যে রাজ্যে পা রাখতে চলেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। শনিবার রাজ্যে আসছেন তিনি। বাংলায় আসছেন সঙ্ঘের সর-কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবোলে। কলকাতায় আসছেন সর-সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এবং দুর্গাপুরে আসবেন দত্তাত্রেয়। আরএসএস সূত্রে খবর, এই কর্মসূচি একেবারেই সাংগঠনিক এবং রুটিন। প্রতি বছরই এই সময়ে এমন সফর হয়ে থাকে।

    ভাগবতের সফরসূচি

    আরএসএস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাগবত এখন অসম সফরে রয়েছেন। কলকাতায় আসবেন শনিবার দুপুর নাগাদ। শহর ছাড়বেন রবিবার রাতে। এর মাঝে সঙ্ঘের ‘সম্পর্ক বিভাগের’ কর্মসূচি রয়েছে ভাগবতের। অতীতে এমন কর্মসূচিতে সঙ্গীতশিল্পী অজয় চক্রবর্তী, রশিদ খান, সরোদবাদক তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদারের বাড়িতেও গিয়েছেন ভাগবত। তবে এ বারের সফরে ভাগবত দেখা করবেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে। শনি ও রবিবারের কর্মসূচিতে ভাগবত যেতে পারেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের বাড়িতে। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের যোগাযোগের অভিযোগ তুলে খবরের শিরোনামে আসেন উপেন। 

    আরও পড়ুন: বাংলা থেকে অযোধ্যা বিশেষ ট্রেন! বঙ্গবাসীর রাম মন্দির দর্শনে উদ্যোগ বিজেপির

    বিশিষ্টদের সঙ্গে সাক্ষাত

    একই সঙ্গে ভাগবত দেখা করতে পারেন এআইএফএফ প্রধান কল্যাণ চৌবের সঙ্গেও। ভাগবতের সফর সূচিতে রয়েছে অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িও। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, শ্যাম বেনেগাল থেকে রামগোপাল ভার্মার ছবিতে অভিনয় করা ভিক্টর একটা সময়ে রাজনীতিও করতেন। দীর্ঘ সময় সঙ্ঘ পরিবারের সংগঠন ‘সংস্কার ভারতী’র রাজ্য সভাপতিও ছিলেন। তবে এসবের বাইরে একাধিক সাংগঠনিক কর্মসূচি রয়েছে মোহন ভাগবতের। সামনেই রাম মন্দিরের উদ্বোধন। সেটাকে ঘিরে কীভাবে কর্মসূচি নেওয়া যায়। রাজ্য থেকে কারা কারা যাবেন, কীভাবে প্রচার করা হবে এসব নিয়ে আলোচনা করবেন ভাগবত। সংঘপ্রধানের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির (BJP) একাধিক নেতাও আলোচনা করবেন বলে খবর।

    দত্তাত্রেয় হোসবোলের কর্মসূচি

    সঙ্ঘের সর-কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবোলের কর্মসূচির সবটা জুড়েই সাংগঠনিক বৈঠক। আরএসএস এই রাজ্যকে তিনটি প্রদেশ হিসাবে দেখে। উত্তর, মধ্য এবং দক্ষিণবঙ্গ। দুর্গাপুরে শনি ও রবিবার মধ্যবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সঙ্ঘ কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। এর পরে চার দিনের জন্য কলকাতাতেও আসছেন তিনি। জানুয়ারির ৮ থেকে ১২ তারিখ চার দিনের সফর রয়েছে। সেই সময়েও মূলত সাংগঠনিক বৈঠকই করবেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid in Kolkata: গেমিং অ্যাপকাণ্ডে নিউটাউনে হানা ইডির, উদ্ধার বিপুল টাকা, ধৃত ২

    ED Raid in Kolkata: গেমিং অ্যাপকাণ্ডে নিউটাউনে হানা ইডির, উদ্ধার বিপুল টাকা, ধৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেমিং অ্যাপ প্রতারণাকাণ্ডে (Jharkhand Gaming App) শহরে তল্লাশি চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি (ED Raid in Kolkata)। একটি আবাসনে হানা দিয়ে প্রচুর নগগদ উদ্ধার করে তদন্তকারী দল। পাশাপাশি, এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতারও করেছে ইডি। 

    নিউটাউনে ধৃত ২ কারা?

    ঝাড়খণ্ডের গেমিং অ্যাপ কাণ্ডে (Jharkhand Gaming App) শুক্রবার নিউ টাউনের একটি আবাসনে হানা দেন ইডির অফিসাররা (ED Raid in Kolkata)। সেখান থেকে সাগর যাদব এবং সন্তোষ যাদব নামে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ফ্ল্যাট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকাও উদ্ধার হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় একাধিক মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে গেমিং অ্যাপকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত সাগর। তাঁরই বন্ধু সন্তোষ। তাঁরা দু’জনেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। কিন্তু কলকাতায় থাকেন।

    গা-ঢাকা দেওয়ার পরিকল্পনা বানচাল

    এর আগে এই তদন্তে বুধবার কেষ্টপুরের একটি ভাড়া বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা (ED Raid in Kolkata)। উদ্ধার করা হয়েছিল প্রায় দু’কোটি টাকা নগদ। যে ভাড়াবাড়িতে তাঁরা হানা দেন সেটি রবীন নামে এক ব্যক্তির বলে জানা গিয়েছে। তিনি কলকাতারই বাসিন্দা। টাকার পাশাপাশি ওই বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন এবং এটিএম কার্ড উদ্ধার হয়। ইডি সূত্রে খবর, গেমিং অ্যাপকাণ্ডের (Jharkhand Gaming App) মাথা এই সন্তোষ যাদব। আর ধৃত সাগর তার বিশ্বস্ত শাগরেদ। এই দু’‌জন মিলে গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা প্রতারণা করেছে তারা। এই টাকা নিয়ে অন্য রাজ্যে গা–ঢাকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল দুই অভিযুক্ত। তবে এই দু’‌জনের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    বৃহস্পতিবারও কলকাতার অন্তত ৯টি জায়গায় তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা। আলিপুরের একটি আবাসনে, মানিকতলা, গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ, বড়বাজার, ডালহৌসি অঞ্চলের একটি অফিসে, সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যালসে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WTC Point Table: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে লজ্জার হার, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এখন কোথায় রোহিতরা?

    WTC Point Table: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে লজ্জার হার, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এখন কোথায় রোহিতরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ICC World Test Championship) ফাইনালে খেললেও এবার বেকায়দায় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে লজ্জাজনক হার দিয়ে বিশ্বকাপের পর টেস্ট সিরিজে যাত্রা শুরু করেছে টিম ইন্ডিয়া। ৩২ রান ও এক ইনিংসে হারতে হয়েছে ভারতকে। বৃহস্পতিবার ভারতের হারের পরেই পয়েন্ট তালিকায় (WTC Point Table) নেমে গিয়েছিলেন রোহিত শর্মারা। শুক্রবার ২ পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় আরও নেমে যায় ভারত। একই দিনে পাকিস্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। ক্রম তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে ভারত। তিন ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট পেয়েছে রোহিতরা। শতাংশের হিসেবে ৩৮.৮৯ শতাংশ পয়েন্ট পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া।

    কোথায় কারা

    এবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় (WTC Point Table) শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০০ শতাংশ পয়েন্ট পেয়েছে তারা। যদিও এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতকে হারিয়ে সেটা জিতে ১০০ শতাংশ পয়েন্ট পেয়েছে তারা। দ্বিতীয় স্থানে নিউ জিল্যান্ড। ২ ম্যাচে তারা পেয়েছে ৫০ শতাংশ পয়েন্ট। একটি ম্যাচ জিতেছে এবং একটি হেরেছে। তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। তাদেরও ৫০ শতাংশ পয়েন্ট। যদিও সাতটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে প্যাট কামিন্সের দল। পেয়েছে ৪২ পয়েন্ট। মন্থর ওভার রেটের জন্য ১০ পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল তাদের। চতুর্থ স্থানে বাংলাদেশ। তারাও ৫০ শতাংশ পয়েন্ট পেয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ৪ ম্যাচে তারা পেয়েছে ২২ পয়েন্ট। দু’টি ম্যাচ জিতলেও মন্থর ওভার রেটের জন্য ২ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে পাকিস্তানের। সেই কারণে ৪৫.৮৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে তারা। 

    আরও পড়ুন: কাজ কমল আম্পায়ারদের! ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’ উইকেট

    ভারতের ধাক্কা

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ICC World Test Championship) ২০২৩-২০২৫ সাইকেল ভারত শুরু করেছিল অপরাজিত থেকে। জুলাই মাসে তারা হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এবার তারা দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে হেরে গেল। নতুন সাইকেলে প্রথম হারের মুখ দেখল টিম ইন্ডিয়া। তাও এই হারটা অল্প রানে নয়, লজ্জাজনকভাবে হারতে হয়েছে। তিনদিনে ম্য়াচ শেষ হল ও এক ইনিংসে হারতে হয়েছে ভারতকে। তাই পয়েন্ট তালিকায় বেশ ধাক্কা খেল ভারত। এই পরিস্থিতিতে থেকে কামব্যাকের জন্য পরের টেস্টটা ভারতকে বড় ব্যবধানে জিততে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) বিএপিএস স্বামীনারায়ণ সংস্থার উদ্যোগে নির্মিত হিন্দু মন্দির উদ্বোধন (Abu Dhabi Temple Inauguration) করার আমন্ত্রণপত্র এল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। মন্দির কমিটির একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। মোদির হাতে দেশে রাম মন্দির এবং বিদেশে হিন্দু মন্দির উদ্বোধনের ঘটনায় দেশজুড়ে খুশির আবহ।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হবে মন্দির

    মধ্যপ্রাচ্যের ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশের শহর আবু ধাবি। সেখানে বিগত কয়েক বছর ধরেই চলছিল মন্দির নির্মাণের কাজ। এমনকী, ২০১৮ সালে আমিরাশাহি সফরে গিয়ে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিজের হাতে করে এসেছিলেন মোদি (PM Modi in Abu Dhabi) । মন্দির কমিটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ (Abu Dhabi Temple Inauguration) করতে এদিন উপস্থিত হন ঈশ্বরচরণ স্বামীজি, গুরুবর্য মহন্ত এবং ব্রহ্মহারী স্বামীজি। আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হবে এই মন্দির। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা করে এই প্রতিনিধিদল। আলোচনায় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে সাংস্কৃতিক ভাবনা এবং দর্শন চর্চা। এছাড়াও বিষয় ছিল বিশ্বের কাছে সৌহার্দ্য, হিন্দু সমাজের মাহাত্ম্য, বিশ্বের মঞ্চে ভারতের নেতৃত্ব ইত্যাদি বিষয়।

    কেমন হবে মন্দির?

    জানা গিয়েছে, এটিই হতে চলেছে আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) প্রথম স্থাপিত হিন্দু মন্দির। শহরের আল বাকবা নামে একটি জায়গায় ২০ হাজার বর্গমিটার জমির মধ্যেই এই মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরের স্থাপত্য এবং শিল্পকলায় যেমন আধুনিক চিত্রকলা থাকবে ঠিক একই ভাবে প্রাচীন চিত্রকলার নিদর্শনও থাকবে (Abu Dhabi Temple Inauguration)। মধ্যেপ্রাচ্যে এই মন্দির ভারতের ধর্ম এবং সংস্কৃতির একটি প্রধানকেন্দ্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সংবাদপকত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত ভারতে আইফোন হ্যাকিং (iPhone Hacking Alert) সংক্রান্ত খবরকে ‘ভয়ানক ও বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করলেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। 

    ‘‘অর্ধেক সত্য, অলঙ্কৃত’’

    ওয়াশিংটন পোস্টের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়— হ্যাকাররা তাঁদের আইফোন টার্গেট করতে পারে বলে ভারতের কয়েকজন সাংবাদিক ও বিরোধী নেতাকে অ্যাপল সতর্কবার্তা (iPhone Hacking Alert) পাঠানোর পর নাকি কেন্দ্রীয় সরকারের রোষের মুখে পড়তে হয় নির্মাণকারী সংস্থাকে। এপ্রসঙ্গে, এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। সেখানেই মার্কিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরকে খারিজ করেন। তিনি লেখেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্টের এই ভয়ানক গল্প খারিজ করতেও বিরক্তি লাগছে। কিন্তু, কাউকে তো করতেই হবে। এই গল্পটি অর্ধেক সত্য, সম্পূর্ণরূপে অলঙ্কৃত।’’

    ৩১ অক্টোবর এসেছিল কোন অ্যালার্ট

    গত ৩১ অক্টোবর, ভারতের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের আইফোনে বার্তা পাঠিয়ে অ্যাপলের তরফে জানানো হয়েছিল, যে তাঁদের ফোনকে টার্গেট করতে পারে হ্যাকাররা (iPhone Hacking Alert)। গতকাল ওয়াশিংটন পোস্ট-এ এই প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে দাবি করা হয়, এই সতর্কবার্তার পরে, বিদেশ থেকে অ্যাপলের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠায় ভারতীয় সরকারি কর্তারা। প্রতিবেদনে দাবি, অ্যাপলের ওই বিশেষজ্ঞের ওপর নাকি চাপসৃষ্টি করা হয়।

    অ্যাপলের বিজ্ঞপ্তিতে কী ছিল?

    পোস্ট-এর এই খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar) জানান, প্রতিবেদনে অসম্পূর্ণ খবর ছাপা হয়েছে। এই মর্মে তিনি ৩১ অক্টোবর অ্যাপলের পেশ করা বিজ্ঞপ্তির অংশও পড়ে শোনান। পরের দিন, অ্যাপল নিজে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সরকারের যোগ রয়েছে, এমনটা কখনই বলা যাবে না। কারণ, এই হ্যাকাররা অত্যন্ত আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে এবং তারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আরও উন্নত করে তোলে।

    প্রতিবেদন ‘আষাঢ়ে গল্প’

    চন্দ্রশেখর জানান, অ্যাপলের (iPhone Hacking Alert) কর্তাকে ডাকা হয়েছিল ঠিকই। তবে হুমকি দিতে নয়। উল্টে তাঁকে কেন্দ্রীয় সংস্থা সার্ট-ইন শুরু করা তদন্তে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিবেদনটিকে ‘আষাঢ়ে গল্প’ উল্লেখ করে মন্ত্রী (Rajeev Chandrasekhar) বলেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন আদতে সৃজনশীল কল্পনা এবং সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে কর্মক্ষেত্রে টোপ ফেলা ছাড়া কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangla Ayodhya Train: বাংলা থেকে অযোধ্যা বিশেষ ট্রেন! বঙ্গবাসীর রাম মন্দির দর্শনে উদ্যোগ বিজেপির

    Bangla Ayodhya Train: বাংলা থেকে অযোধ্যা বিশেষ ট্রেন! বঙ্গবাসীর রাম মন্দির দর্শনে উদ্যোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ২২ জানুয়ারি থেকেই বাংলা থেকে প্রতিদিন একটি করে অযোধ্যা এক্সপ্রেস ট্রেন (Bangla Ayodhya Train) পরিষেবা চালুর ভাবনা বিজেপির। দলীয় সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে এই মর্মে। বাংলার বিজেপির কর্মী সমর্থক অথবা সাধারণ মানুষ, যে কেউ যদি রামমন্দির দর্শন করতে যেতে চান তাহলে নিখরচায় যাত্রীদের নিয়ে ট্রেন পৌঁছে যাবে অযোধ্যায়। এমনই উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।

    বাংলা-অযোধ্যা রেল-যোগ

    আগামিকাল ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যা রেল স্টেশনের (Bangla Ayodhya Train) উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। অযোধ্যা স্টেশনের নাম বদলের কথা জানিয়ে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ লাল্লু সিং। এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানান, অযোধ্যা স্টেশনের নতুন নাম হবে ‘অযোধ্যা ধাম’। কলকাতা থেকে রেলপথে অযোধ্যা ধামের (নতুন নাম) দূরত্ব ৮৭৫ কিলোমিটার। কলকাতা স্টেশন থেকে প্রতিদিন রাতে ছাড়ে জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেস। পাশাপাশি, হাওড়া থেকে প্রতিদিন ছাড়ে দুন এক্সপ্রেস। রেলের বর্তমান পরিষেবায় বাংলা থেকে সরাসরি অযোধ্যা যেতে হলে এই দু’টি ট্রেনই রয়েছে। কিন্তু রামমন্দির উদ্বোধনের পরে বাংলা থেকে কয়েক লক্ষ মানুষ যাবেন অযোধ্যায় মন্দির দর্শনে। ফলে রেলের ওই দু’টি ট্রেন তাঁদের নিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত হবে না। সেই কারণে রেলের কাছে ইতিমধ্যেই বিজেপি বিশেষ ট্রেন চালানোর আর্জি জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, রেলও বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। শুধু বাংলা নয়, সব রাজ্য থেকেই এমন ট্রেন ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।

    আরও পড়ুন: পরনে হিজাব, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! হেঁটে মুম্বই থেকে অযোধ্যা পাড়ি শবনমের

    বিশেষ ট্রেন পরিষেবা

    ২০২৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। তার আগে, বাংলা থেকে দলের নেতা-কর্মীদের অযোধ্যা পাঠাতে চায় বিজেপি। রামমন্দিরে রামলালার দর্শন সেরে ফেরার পরেই শুরু হবে নির্বাচনী লড়াই। বুধবার রাজ্য বিজেপির বর্ধিত কার্যকারিণী বৈঠকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, রেল গোটা ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশন থেকে অযোধ্যাগামী বিশেষ ট্রেন চালাবে। সেই ট্রেনে চেপেই নেতা-কর্মীদের যেতে হবে অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়ে গেলেও অযোধ্যায় ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পুণ্যার্থী আসার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এর পর প্রতিটি রাজ্যের জন্য একটি করে ট্রেনের ব্যবস্থা করছে সঙ্ঘ পরিবারও। দীর্ঘ সময় ধরে যাঁরা রামমন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সেই ট্রেনে তাঁদের নিয়ে যাওয়ার কথা। এর জন্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে বিভিন্ন রাজ্যের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলা থেকে সেই বিশেষ ট্রেনটি ছাড়বে ৫ ফেব্রুয়ারি। সেই ট্রেনটিই অযোধ্যায় দু’দিন থাকার পরে যাত্রীদের রাজ্যে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share