Blog

  • Suvendu Adhikari: ফাইল নিয়ে শাহি দরবারে শুভেন্দু, কী আলোচনা হল বৈঠকে?

    Suvendu Adhikari: ফাইল নিয়ে শাহি দরবারে শুভেন্দু, কী আলোচনা হল বৈঠকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে তৎপর ইডি-সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার বেজেছে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ডংকাও। এহেন আবহে শুক্রবার ভোরে দিল্লি পৌঁছলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নর্থ ব্লকে শাহের দফতরে মিনিট পঁয়তাল্লিশেক ধরে দুজনের বৈঠক হয়েছে বলেও খবর। তবে ঠিক কী বিষয় নিয়ে দু পক্ষে আলোচনা হয়েছে, তা জানা যায়নি।

    ঘটনার ঘনঘটা

    বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। আবার এদিনই কয়লা পাচার মামলায় সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঘণ্টা চারেক ধরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ১৩ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে খোদ অভিষেককে। এসব ঘটনার ঘনঘটার আবহেই দিন কয়েক আগে ইডি গ্রেফতার করেছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এহেন আবহে দিল্লিতে শুভেন্দু-শাহ বৈঠক যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) তলব শাহের

    এদিন বেশ কিছু ফাইল নিয়ে শাহি দরবারে হাজির হন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। পৌনে এক ঘণ্টা ধরে বৈঠকের পর ফাইল নিয়েই বেরিয়ে যান তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই কলকাতায় ফিরবেন শুভেন্দু। তবে কেনই বা শুভেন্দুকে জরুরি তলব করলেন শাহ, আলোচনাই বা কী হল, তা জানা যায়নি।

    নির্বাচনের দিণক্ষণ ঘোষণা হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। রাজ্য, ব্লক, জেলাস্তরে একটিও সর্বদলীয় বৈঠক না করে কীভাবে নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যটা খুব পরিষ্কার। হঠাৎ করে এভাবে ভোট ঘোষণা থেকে এটা খুব পরিষ্কার কমিশন তৃণমূলের আঞ্চলিক শাখা সংগঠন হিসেবে কাজ করছে’। এরই মধ্যে শুভেন্দুর শাহি সাক্ষাতে দানা বাঁধছে নানা জল্পনা।

    আরও পড়ুুন: ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর কেন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর কেন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর কেন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নির্বাচনে জিততে চালু হয়েছিল ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। দলনেত্রীর মুখ ব্যবহার করে সে যাত্রায় উতরে গিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সম্প্রতি তৃণমূলের গায়ে লেগেছে একাধিক কেলেঙ্কারির কালি। অথচ দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। এমতাবস্থায় ভরসা ফের সেই তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে এবার কর্মসূচির নাম ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’। এ পর্যন্ত অবশ্য কোনও সমস্যা নেই। গোল বেঁধেছে একই ফোন নম্বর দুটি কর্মসূচিতে ব্যবহার করায়।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, সেবারও যে ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল, এবারও সেই নম্বরই দেওয়া হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, একটি রাজনৈতিক দলের কাজে ব্যবহৃত ফোন নম্বর কীভাবে সরকারি কাজে ব্যবহার করা হয়?

    গুচ্ছ প্রশ্ন

    বৃহস্পতিবারই শুরু হয়েছে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী কর্মসূচি। সেখানে যে ফোন নম্বরটি দেওয়া হয়েছে, সেটি হল, 9137091370. ছুটির দিন ছাড়া ওই নম্বরে সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন রাজ্যবাসী। এই নম্বর নিয়েই আপত্তি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। তাঁর প্রশ্ন, আইপ্যাক (ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা) কি নবান্নের দখল নিয়ে নিয়েছে, নাকি আইপ্যাক এখন রাজ্য সরকারের অধীনে চলে এসেছে?

    একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে ব্যবহার করা ফোন নম্বর সরকারি কাজে মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কে নিলেন? আর এই অভিযোগগুলি কে শুনবেন? রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আরও প্রশ্ন, এই ফোন নম্বরটি কি পশ্চিমবঙ্গ সরকার অধিগ্রহণ করেছে? করা হলে তা কীভাবে হয়েছে? নম্বরটি কি স্থানান্তরিত হয়েছে, নাকি এটি এখনও পূর্ববর্তী মালিকের নামেই রয়েছে? এই কর্মসূচির জন্য সরকার কি নতুন কোনও পরিকাঠামো তৈরি করেছে, নাকি দিদিকে বলোর পরিকাঠামো দিয়েই এই কাজ করা হবে?

    আরও পড়ুুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ, তৃণমূল কংগ্রেসের ফোন নম্বর দিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার করা হচ্ছে। যার খরচ তৃণমূল নয়, বহন করছে রাজ্য সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kajol: দিশেহারা ভক্তরা! কেন নেটদুনিয়া থেকে বিরতি নিলেন কাজল?

    Kajol: দিশেহারা ভক্তরা! কেন নেটদুনিয়া থেকে বিরতি নিলেন কাজল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজমাধ্যম থেকে সাময়িক বিরতি নিলেন অভিনেত্রী কাজল (Kajol)। শুক্রবারের বিকেলে আচমকা কাজলের এক পোস্টে উত্তাল নেটপাড়া। ইনস্টাগ্রামে কালো-সাদায় লেখা সেই পোস্ট। সঙ্গে একটি ক্যাপশন। লেখা, ‘জীবনের অন্যতম কঠিন একটা সময় পেরোচ্ছি।’কী হয়েছে কাজলের? সে উত্তর অবশ্য অজানা অনুরাগীদের। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Kajol Devgan (@kajol)

     

    জল্পনায় মুখর নেটদুনিয়া

    ইনস্টাগ্রাম থেকে নিজের যাবতীয় ছবি আর্কাইভ করে নেন কাজল (Kajol)। আর্কাইভ করার অর্থ, সাময়িকভাবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কিছু লুকনো। নায়িকার যে প্রোফাইল ভরে থাকত বিভিন্ন ব্যক্তিগত মুহূর্তে, এখন সেই প্রোফাইলেই রয়েছে কেবল একটি সাদা-কালো ছবি। ট্যুইটার হ্যান্ডলও তাই। ইনস্টাগ্রামে একটি কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর সাদা হরফে অভিনেত্রী লিখেছেন, “জীবনের কঠিনতম পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।” এর চেয়ে বেশি কিছু উল্লেখ করেননি অবশ্য। যদিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা, “সব ঠিক আছে তো?” কেউ আবার ভাবছেন, পারিবারিক সমস্যা। জল্পনায় মুখর নেটদুনিয়া।

    আরও পড়ুন: হটস্টার অ্যাপে বিনামূল্যে দেখা যাবে একদিনের বিশ্বকাপ!

    উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা 

    ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১৪ মিলিয়ন অনুরাগী নিয়ে রাজত্ব ছিল নায়িকার। নিত্যদিন সেখানে ভেসে আসত তাঁর রোজকারের আপডেট। কখনও মেয়ে নাইসা, ছেলে যুগ আবার কখনও বা অজয় দেবগণের সঙ্গে তাঁর মিষ্টি ছবিতে বুঁদ হয়ে থাকতেন নেটিজেন। কিন্তু আচমকাই কাজল (Kajol) ঘোষণা করলেন সব ধরনের সামাজিক মাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চলেছেন তিনি। হালফিলের ভাষায় যাকে বলে ‘সোশ্যাল ডিটক্স’। পারিবারিক কোনও সমস্যা নাকি ব্যক্তিগত কোনও কারণ, তা খোলসা করেননি কাজল। বন্ধুরা অবশ্য লিখেছেন, প্রার্থনা। অনেকে লিখেছেন, ‘আপনি যথেষ্ট শক্ত। ঝড় সামলে নিতে পারবেন।’এক অনুরাগী লেখেন, “জানি না কেন, এই সিদ্ধান্ত নিলেন আপনি, বা কী কারণে নিত্যে বাধ্য হলেন। কিন্তু জেনে রাখুন, আপনার ভক্তরা কিন্তু আপনাকে ভীষণ ভালবাসে। আপনার সেই মনমুগ্ধকর ক্যাপশন আমরা মিস করব। মিস করব সেই সব মিষ্টি পোস্টও। আগামী দিনের জন্য অনেক শুভেচ্ছা জানাই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা, গরমের গেরো কাটবে কবে?

    Weather Update: স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা, গরমের গেরো কাটবে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Weather Update) মতোই স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতার (Kolkata) একাংশ। শুক্রবার বিকেলে যে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। এদিন দুপুর সোয়া ৩টে নাগাদ বৃষ্টি শুরু হয় কলকাতার একাংশে। মেঘলা হয়ে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের আকাশ। বীরভূমের আকাশেও হালকা মেঘ। বইতে শুরু করেছে জোরালো হাওয়া।

    ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এদিন বিকেলে ৩০-৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বীরভূম, নদিয়া এবং দুই মেদিনীপুরে। হাঁসফাঁস গরমে শহরে স্বস্তির বৃষ্টিতে খুশি শহরবাসী। তবে দাবদাহ (Weather Update) থেকে এখনই রেহাই পাচ্ছেন না দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা। আগামী কয়েকদিনও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। তবে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজবে উত্তরবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের খবর, আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। শুক্রবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে উত্তর বিভিন্ন জেলায়।

    হতে পারে অতিভারী বৃষ্টিও

    শুক্রবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দু একটি এলাকায়। শনিবার ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দু একটি এলাকা। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের দু একটি এলাকায়। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের দু একটি এলাকায়ও।

    আরও পড়ুুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    উত্তরে ভারী (Weather Update) থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও, অস্বস্তি ভোগ করতে হবে দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। মঙ্গলবার পর্যন্ত জারি থাকবে অস্তস্তিকর গরম। শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দুই বর্ধমানের দু একটি এলাকায় জারি করা হয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। শনিবার তাপপ্রবাহ হতে পারে উত্তরের মালদহ ও দুই দিনাজপুরে। মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদের দু একটি এলাকায়।

    ইতিমধ্যেই বর্ষা ঢুকে পড়েছে কেরলে। শুরু হয়েছে বৃষ্টিও। ফি বছর উত্তরবঙ্গ হয়ে দক্ষিণে ঢোকে বর্ষা। উত্তরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বর্ষার অনুকূল পরিস্থিতি। এখন দেখার, কবে টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে ভেজে দক্ষিণ? কবেই বা নদ-নদীতে আসে বান?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ODI World Cup 2023: হটস্টার অ্যাপে বিনামূল্যে দেখা যাবে একদিনের বিশ্বকাপ!

    ODI World Cup 2023: হটস্টার অ্যাপে বিনামূল্যে দেখা যাবে একদিনের বিশ্বকাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইলে হটস্টার অ্যাপ থাকলেই বিনামূল্যে দেখা যাবে এক দিনের বিশ্বকাপ (ODI World Cup 2023)। দেখা যাবে এশিয়া কাপও। গত বছর ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে কোনও খরচ করতে হয়নি জিয়োসিনেমার গ্রাহকদের। কোনও টাকা লাগেনি আইপিএল দেখতেও। ভারতের বিপুল বাজারে জিয়োর সঙ্গে পাল্লা দিতে এবার স্টারও বিনামূল্যে এশিয়া কাপ এবং ক্রিকেট বিশ্বকাপ দেখাতে চলেছে।

    ক্রিকেটই হাতিয়ার

    হটস্টারের প্রধান সাজিত শিবানন্দন বলেন, “ওটিটি মাধ্যমে হটস্টার একেবারে প্রথম সারির অ্যাপ। আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দিয়েছি দর্শকদের। এ বার এশিয়া কাপ এবং এক দিনের বিশ্বকাপ (ODI World Cup 2023) বিনামূল্যে দেখাতে চলেছি আমরা। এর ফলে আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারব।” ভারতের আন্তর্জাতিক ম্যাচ সম্প্রচারের দায়িত্বে রয়েছে স্টার। টেলিভিশন ও ডিজিটাল দুটোরই স্বত্ত্ব রয়েছে তাদের হাতে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ, এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ রয়েছে এই বছরে। আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলো সম্প্রচার করবে স্টার। আইপিএল-এ জিওর রেকর্ডকে টেক্কা দিতে এবার এই বছরটাকেই পাখির চোখ করল স্টার।

    আরও পড়ুন: ইউরোপ বা আরব নয়! মেসির নতুন ঠিকানা আমেরিকার মায়ামি

    পে-ওয়াল তুলে নিল স্টার

    আইপিএল ২০২৩-এ জিও সিনেমার রেকর্ড-ব্রেকিং দর্শক সংখ্যার পরে, ডিজনি প্লাস হটস্টার বিশেষভাবে এই দুটি ম্যাচের জন্য তার মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য পেওয়াল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির মতে এর ফলে ভারত জুড়ে ৫৪০ মিলিয়নেরও বেশি মোবাইল ব্যবহারকারীরা এখন বিনামূল্যে এশিয়া কাপ এবং আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ (ODI World Cup 2023) দেখার অ্যাক্সেস পাবে। আইপিএলে বিরাট সংখ্যক মানুষ বিনামূল্যে জিয়োসিনেমাতে খেলা দেখেছেন। টিভি স্বত্ব স্টার কিনলেও মোবাইল স্বত্ব কেনার লড়াইয়ে জিয়োর কাছে হার মানতে হয়েছিল। কিন্তু আইসিসির প্রতিযোগিতায় দু’টিই স্বত্বই রয়েছে স্টারের কাছে। এবার ক্রিকেটকে হাতিয়ার করে দর্শক টানতে মরিয়া স্টার। আগামী, ৫ অক্টোবর থেকে রয়েছে বিশ্বকাপ। তার আগেই এশিয়া কাপের আসর বসছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ভাটপাড়ার রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছে ‘স্নাইপার’-এর হামলায়? আশঙ্কা বিএসএফ-এর

    Manipur Violence: ভাটপাড়ার রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছে ‘স্নাইপার’-এর হামলায়? আশঙ্কা বিএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের হিংসায় (Manipur Violence) গত মঙ্গলবার শহিদ হন বিএসএফ জওয়ান রঞ্জিত যাদব। ভাটপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত পেশার তাগিদে মণিপুরে শান্তি রক্ষায় গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার হিংসায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। কাকচিং জেলার সুগনুতে মোতায়েন ছিলেন রঞ্জিত। সেখানে বিএসএফ ও অসম রাইফেলসের যোথ বাহিনী একটি চিরুনি-তল্লাশি অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেরু প্র্যাকটিকাল হাইস্কুলের কাছে সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় বাহিনীর। সেখানেই জঙ্গিদের ছোড়া একটি গুলি আচমকা এসে লাগে রঞ্জিতের ঘাড়ে। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। 

    হামলায় ব্যবহার হয়েছে ‘স্নাইপার’?

    রঞ্জিত একা নন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের ঠিক আগে মোরে জেলায় গত ২৮ মে গুলিতে আরেক জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল (Manipur Violence) । বিএসএফ জানিয়েছে, এই দুই মৃত্যুর ধরন ও ভঙ্গি অনেকটাই এক। যা দেখে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর সন্দেহ, উভয় ক্ষেত্রেই দূর থেকে গুলি চালানো হয়েছে। বিএসএফ-এর অনুমান, দুই জওয়ানকে গুলি করে হত্যা করায় সম্ভবত কোনও ‘স্নাইপার’-কে ব্যবহার করা হয়েছে। 

    গুলি লাগে রঞ্জিতের ঘাড়ে

    যে অভিযানে (Manipur Violence) গিয়ে রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছিল, সেই একই অভিযানে গিয়ে গুলিতে জখম হন অসম রাইফেলসের ২ জওয়ানও। তাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে ডিউটি করছিলেন রঞ্জিত। তাঁর শরীরে বুলেটপ্রুফ ভেস্ট ছিল। মাথায় ছিল হেলমেট। কিন্তু, গুলি এসে লাগে তাঁর ঘাড়ে। বিএসএফ সূত্রে খবর, গুলি করা হয় সম্ভবত কাছের পাহাড় থেকে। এটা কোনও অপ্রশিক্ষিত হাতের কাজ হতে পারে না বলে নিশ্চিত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

    উঁকি মারছে একাধিক প্রশ্ন

    আর এই বিষয়টি রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বিএসএফ সূত্রের খবর, অতীতে কুকি জঙ্গিদের (Manipur Violence) স্নাইপার ব্যবহারের কোনও ইতিহাস নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্নাইপার-রাইফেলের ধরন আর পাঁচটা সাধারণ রাইফেলের মতো নয়। এর গোত্র আলাদা। একে চালানোর জন্য বিশেষ দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন উঠছে, কী করে জঙ্গিরা স্নাইপার-অস্ত্র জোগাড় করল? কে তাদের এধরনের অস্ত্র সরবরাহ করল? এবং কোথা থেকেই বা তারা এই অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নিল?

    আরও পড়ুন: মণিপুরে অশান্তির নেপথ্যে বিদেশিদের হাত! কেন্দ্রীয় তদন্ত চাইছে আদিবাসী সংগঠন

    নেপথ্যে বিদেশি হাত?

    মণিপুরবাসীদের একাংশের দাবি, রাজ্যের বহমান হিংসাত্মক ঘটনায় ‘বিদেশি হাত’ রয়েছে। তাঁদের মতে, কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে মায়ানমারের জঙ্গিদের একটা যোগসূত্র রয়েছে। বহু জঙ্গি মায়ানমার থেকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছে। তার ওপর, এই হিংসার আবহে, বহু বিদেশি জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করে এখানে স্থানীয় জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত দিচ্ছে। লক্ষ্য, শান্তি বিঘ্নিত করে অস্থিরতার পরিবেশ সৃষ্টি করা।

    বিএসএফ-এর সঙ্গে দ্বিমত সেনার

    যদিও, বিএসএফ-এর এই স্নাইপার তত্ত্বে সিলমোহর দিতে নারাজ সেনা। এক সেনা অফিসার জানিয়েছেন, যে হামলাগুলি হয়েছে, সেগুলি মূলত ৩০০ থেকে ৪০০ গজের মধ্যে। ফলত, এক্ষেত্রে এসএলআর বা অ্যাসল্ট রাইফেল দিয়েই এধরনের হামলা করা সম্ভব। স্নাইপার সাধারণত ব্যবহার হয় দূরের লক্ষ্যে আঘাত হানতে, যা মূলত ১০০০ গজ দূরত্বের আশপাশে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: কুন্তলের চিঠি কাণ্ডে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: কুন্তলের চিঠি কাণ্ডে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি নিয়ে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে তলব করল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতরে পৌঁছন সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করাও শুরু হয়েছে। কুন্তলের চিঠি প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। 

    জেল সুপারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, সিবিআই সুপারের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে পারেন। জেলে বসেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত এবং বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। চিঠি পাঠানো হয়েছিল নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছেও। বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল সাম্প্রতিক সময়ে আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েক বার দাবি করেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের বড় নেতাদের নাম বলানোর জন্য তাঁকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের মাধ্যমেই হেস্টিংস থানায় অভিযোগ করেছিলেন কুন্তল। বিতর্কিত এই চিঠির বিষয়ে তখন থেকে তদন্তকারীদের নজরদারির আওতায় ছিল জেল সুপারের ভূমিকা।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে অশান্তির নেপথ্যে বিদেশিদের হাত! কেন্দ্রীয় তদন্ত চাইছে আদিবাসী সংগঠন

    একাধিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    এর আগেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আঙুলে আংটি থাকার ইস্যুতে জেল সুপারকে তলব করেছিল বিশেষ সিবিআই আদালত। সেই মতো আদালতে সশরীরে হাজিরাও দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্সির সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। এবার সিবিআই দফতরে গেলেন তিনি। নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। চিঠি লেখার আগে কুন্তল কী বলে সুপারের কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছিলেন কিংবা সেই চিঠি কার হাত দিয়ে তিনি পাঠিয়েছিলেন, এরকম একাধিক বিষয়ে তদন্তকারীরা সুপারের কাছ থেকে জানতে চাইতে পারেন বলে অনুমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: সুজয়কৃষ্ণের ফোনের তথ্য মুছে দিয়েছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার! ফের তলব তাঁকে

    Kalighater Kaku: সুজয়কৃষ্ণের ফোনের তথ্য মুছে দিয়েছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার! ফের তলব তাঁকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ফোন তদন্তকারীদের কাছে যেন তথ্যের খনি! ইডির অভিযোগ, সুজয়কৃষ্ণের ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দিয়েছিলেন পেশায় সিভিক ভলান্টিয়ার রাহুল বেরা! তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগেই কলকাতার ইডি দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই মতো শুক্রবার সকালে ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন বিষ্ণুপুরের ওই সিভিক ভলান্টিয়ার।

    কী জানা গেল ইডি সূত্রে?

    এই নিয়ে তৃতীয়বার ইডি দফতরে হাজিরা দেন রাহুল। এর আগে তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে রাহুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা। আদালতে ইডি জানিয়েছে, এই সিভিক ভলান্টিয়ারের মাধ্যমে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক নথি লোপাটের চেষ্টা করেছেন।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ কালীঘাটের কাকুর (Kalighater kaku) মোবাইল ফোন?

    প্রসঙ্গত, সুজয়কৃষ্ণ দাবি করেছিলেন, তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে ২০২১ সালের আগে পর্যন্ত চিনতেন না। কিন্তু ইডির অভিযোগ, মানিকের হোয়াটস্‌অ্যাপ কথোপকথন ঘেঁটে ২০১৮ সাল থেকে সুজয়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। মানিক গ্রেফতার হন ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর। অর্থাৎ, অন্তত ৭ মাস আগে থেকেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের প্রাক্তন কর্মী এই ‘কালীঘাটের কাকু’।

    ৩০ মে গ্রেফতার হন কালীঘাটের কাকু

    গত ৩০ মে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ১১টার দিকে সুজয়কে গ্রেফতার করে ইডি। পরের দিনই তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি জানিয়েছিল, নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুজয়ের কথায় ফোন থেকে মুছে দিয়েছিলেন রাহুল। ইডি সূত্রে খবর, এই বিষয়ে সুজয়কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। কিন্তু তাদের কাছে এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ আছে, এমনটাই বলছেন ইডি আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, গত মাসের ৪ মে সুজয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল আর এক তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেই সময় তল্লাশি চালানো হয় ‘সুজয়-ঘনিষ্ঠ’ রাহুলের বাড়িতেও।

    আরও পড়ুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Calcutta High Court: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়াতে হবে। এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) মনোনয়ন জমার সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়। এনিয়ে নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে। পঞ্চায়েতে মনোনয়নপত্র পেশের সময়সীমা বাড়ানো সহ একাধিক দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি ও কংগ্রেস। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে শুনানি হয় ওই মামলার।

    আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি বলেন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোনয়নের গোটা প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। প্রয়োজনে রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে একত্রে কাজ করতে পারে। এই বিষয়ে আগামী সোমবার রাজ্য তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, নির্বাচন বন্ধ করার জন্য এই মামলাগুলি দায়ের হয়নি, শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ভোট হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে কমিশনকে। নির্বাচনে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগানোর বিষয়ে সম্ভবত আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেটাও কমিশনকে মাথায় রাখতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court)।

    অনলাইনে মনোনয়নপত্র পেশ!

    মনোনয়নপত্র পেশ করার প্রক্রিয়া যাতে অনলাইনে করা যায়, সেজন্য আইন পরিবর্তন করা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন টিএস শিবজ্ঞানম। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির যুগে রাজ্যের উচিত পরিবর্তন এনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। অনলাইনে মনোনয়নপত্র পেশ করা হলে গোটা বিষয়টি অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্যের অ্যালার্জি থাকলে চলবে না।

    আরও পড়ুুন: আদালত নির্দেশ দিলে অভিষেককে কান ধরে নিয়ে যাবে ইডি, বললেন সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে ৮ জুলাই। শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে নমিনেশনপত্র জমা নেওয়ার কাজ। নমিনেশন জমা নেওয়া হবে ১৫ জুন পর্যন্ত। এতেই আপত্তি জানিয়েছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে ৭০ হাজারেরও (Calcutta High Court) বেশি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পেশের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ২৪ ঘণ্টা। হিসেব কষে তা দেখিয়েও দিয়েছেন তাঁরা। ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ পর্ব। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। এর মধ্যে একদিন রবিবার, সেদিন মনোনয়নপত্র পেশ করা যাবে না। হাতে রইল ৬ দিন। মনোনয়নপত্র পেশের সময় সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত। দিনে ৪ ঘণ্টা। তাহলে ৬ দিনে দাঁড়াল ২৪ ঘণ্টা। এত কম সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র পেশ করা সম্ভব কীভাবে, সেই প্রশ্নই তুলেছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই নির্ঘণ্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • BJP: ‘‘তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলে লাশ পড়ে যাবে’’! বিজেপিকে সরাসরি হুমকি দিয়ে পোস্টার

    BJP: ‘‘তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলে লাশ পড়ে যাবে’’! বিজেপিকে সরাসরি হুমকি দিয়ে পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের শাসানি দিতে শুরু করেছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বের। পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল সন্ত্রাস করবে, বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতারা বার বার এমনই অভিযোগ করে আসছিলেন। এবার বিজেপির মণ্ডল সভাপতির মুণ্ডু কেটে ফুটবল খেলার হুমকি-পোস্টার ঘিরে সেই দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠল। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলার মোড়, জুমাই নস্কর, শিবনগর মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক হুমকি-পোস্টার দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকেই এই হুমকি-পোস্টার দেওয়া হয়েছে বলে বিজেপির অভিযোগ।

    কী লেখা রয়েছে পোস্টারে?

    বিজেপি (BJP) নেতাকে দেওয়া হুমকি-পোস্টারে লেখা রয়েছে, “টিএমসির বিরুদ্ধে যদি কোনও বিজেপি প্রার্থী দেয় নেতাজি অঞ্চলে তাঁর লাশ পড়ে যাবে, যদি কোনও বুথে বিজেপি প্রার্থীর নাম শুনেছি তাঁকে যেখানে পাবো, সেখানে গুলি করে মারব। তাঁর বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেব। নেতাজি অঞ্চলে কোনও সাম্প্রদায়িক দল চলবে না। বিজেপি এবং আরএসএস-এর কোনও কথা চলবে না। দাদা ছাড়া কোনও কথা হবে না। দাদার কথা শেষ কথা। যদি কোনও গ্রামে শুনছি, মেঘনাদ (বিজেপির মণ্ডল সভাপতি) গিয়েছে, মেঘনাদের মাথা কেটে ফুটবল খেলবো। দাদার কথা শেষ কথা। নেতাজি অঞ্চলে বিজেপির কোনও প্রার্থী চলবে না। শুধু টিএমসি। যে যে বিজেপিকে সমর্থন করবে, তাকে সরিয়ে দেব। তার পরিবারকে গাঁজা কেসে ভরে দেব।”

    কী বললেন বিজেপি(BJP) নেতৃত্ব?

    আর এ নিয়েই শুক্রবার ভোলাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপির (BJP) মণ্ডল সভাপতি মেঘনাদ দেব শর্মা। তিনি বলেন, “দাদার কথা শেষ কথা নয়। গণতন্ত্রই শেষ কথা। বিধানসভার আগে এবং পরে প্রায় সাড়ে তিনশো কর্মী বলিদান দিয়েছে। আমি বলিদান দিতে প্রস্তুত। বাংলায় যতদিন না বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই চালিয়ে যাব। এই ধরনের হুমকি পোস্টারে আমরা ভয় পাই না।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের কাকদ্বীপের বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা বলেন, “এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবে জড়িত নয়। আসলে বিজেপি (BJP)  প্রার্থী দিতে পারছে না। তাই, এই ধরনের পোস্টার তৈরি করে নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করছে। গতবার ওই পঞ্চায়েতে বিজেপির দুজন সদস্য ছিল। এবারও প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share