Blog

  • Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠল কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি পাঠালেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। মহুয়ার সাংসদ পদ কেড়ে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আইনজীবীরও

    আইনজীবী অনন্ত দেহাদরিও মহুয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে চিঠি দিয়েছেন সিবিআই প্রধানকে। নিশিকান্ত ও অনন্ত দু’জনেরই অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরনানদানির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম জড়িয়েছেন মহুয়া।

    স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ

    রবিবার স্পিকারকে (Mahua Moitra) দেওয়া চিঠিতে মহুয়ার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গ ও সংসদের অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নিশিকান্তর দাবি, ব্যবসায়ী হিরনানদানির স্বার্থ দেখতে নগদ টাকা ও উপহারের বিনিময়ে লোকসভায় প্রায় ৫০টি প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া। তাঁর দাবি, বিষয়টি ফৌজদারি অপরাধ। তৃণমূল সাংসদের প্রশ্ন শোনার পর সরব হয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সাংসদ সৌগত রায়ের নামও উল্লেখ করেছেন গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ।

    ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বরের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন নিশিকান্ত। তিনি লিখেছেন, চতুর্দশতম লোকসভায় ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নের অভিযোগ উঠলে তৎকালীন স্পিকার একটি  তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। তদন্তের পরে মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে লোকসভার ১০ সাংসদকে অপসারিত করা হয়েছিল। মহুয়াকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার আর্জি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: সোমবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় ‘রাম মন্দির’ উদ্বোধনে অমিত শাহ, সাজো সাজো রব

    এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া (Mahua Moitra) বলেন, “যে কোনও তদন্তের জন্য প্রস্তুত।” তাঁর সংযোজন, সিবিআইকেও স্বাগত জানাচ্ছি। তারা আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে পারে। কিন্তু তার আগে আদানির সমস্ত অর্থ কোন পথে সমুদ্রের ওপারে পৌঁছচ্ছে, সেটাও তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: সোমবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় ‘রাম মন্দির’ উদ্বোধনে অমিত শাহ, সাজো সাজো রব

    Amit Shah: সোমবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় ‘রাম মন্দির’ উদ্বোধনে অমিত শাহ, সাজো সাজো রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই উদ্বোধন হচ্ছে রামমন্দিরের! প্রধানমন্ত্রী নন, উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তবে এই রামমন্দির সত্যিকারের নয়, নকল। বিষয়টি তাহলে খুলেই বলা যাক। এবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের মণ্ডপ হচ্ছে রামমন্দিরের আদলে। এই মণ্ডপেরই উদ্বোধন করবেন অমিত শাহ। সোমবার উদ্বোধন হবে মণ্ডপের।

    মণ্ডপে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    শনিবার থেকেই মণ্ডপ চত্বরের দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। এই পুজোর উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজ্যে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে রাজ্যের দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলা সহ নানা বিষয়ে তাঁকে (Amit Shah) রিপোর্ট দিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। শাহের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের বৈঠকও হতে পারে। এদিন শাহের সঙ্গে পুজো মণ্ডপে থাকা এবং ফিরে যাওয়ার সময় বিমানবন্দর পর্যন্ত পুরো পথেই দেখা যাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। এই সময় রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক অবস্থা সব বিষয়েই তাঁদের কাছ থেকে অবহিত হতে পারেন শাহ। শাহকে কে, কী বলবেন, তা ঠিক করতে সল্টলেকের অফিসে বৈঠকে বসেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গেই রয়েছেন শুভেন্দু, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা।

    আরও পড়ুুন: জাল পাসপোর্ট কাণ্ডের সিবিআই তদন্তে এবার হদিশ মিলল আন্তর্জাতিক নারীপাচার চক্রের

    এদিকে, সোমবার একদিনের জন্য বসছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন। আগে অধিবেশনে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছিল বিজেপি। শেষ মুহূর্তে বদলানো হয়েছে সিদ্ধান্ত। পদ্ম শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে, বিধানসভার এই বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেবে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা ১১টায় সকলকে ডেকেছি, আমরা ভিতরে ঢুকব। বিরোধিতা করব, জোরালোভাবে এর বিরোধিতা করব।”

    বিধানসভায় যাবে বিজেপি

    বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধি করতে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যালারিজ অ্যান্ড অ্যালায়েন্স অ্যাক্ট ১৯৫২’ ও বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করতে ‘বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি অ্যাক্ট ১৯৩৭’ সংশোধন করা হবে। এটা জানতে পেরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, “ওই দিন আমরা থাকব না। বিধায়করা সকলেই পুজোয় ব্যস্ত থাকবেন। আমাদের এই বিল নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই। ওরা আনছে, ওরা ওদের মতোই পাশ করাবে।” বিজেপি নীতিগতভাবে এই (Amit Shah) মুহুর্তে মন্ত্রী ও বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির পক্ষপাতী নয়। পদ্ম শিবিরের এক বিধায়ক বলেন, “বিজেপি যে দলগতভাবে মন্ত্রী ও বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে, জনমানসে এই বার্তা দিতেই আমরা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বক্তৃতা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Puri Flight: পুরীতে হচ্ছে বিমানবন্দর! এক ঘণ্টায়ই যাওয়া যাবে জগন্নাথ দর্শনে

    Kolkata Puri Flight: পুরীতে হচ্ছে বিমানবন্দর! এক ঘণ্টায়ই যাওয়া যাবে জগন্নাথ দর্শনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক ঘণ্টা লাগবে জগন্নাথ দর্শনে যেতে। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও, এটাই হতে চলেছে। পুরীতে (Kolkata Puri Flight) শ্রী জগন্নাথ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা করেছে ওড়িশা সরকার। প্রয়োজনীয় জমির ছাড়পত্র দিয়েছে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক। গ্রিনফিল্ড এয়ারপোর্টস নীতি, ২০০৮ অনুযায়ী বিমানবন্দর তৈরির ছাড়পত্র চেয়েছিল মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে। বছরখানেক আগে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জমা দিয়েছিল ওড়িশা সরকার। সম্প্রতি সেই ছাড়পত্র মিলেছে। আগামী দু’ বছরের মধ্যে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের স্টিয়ারিং কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ডিপিআর সহ আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

    বিমানবন্দর নির্মাণে ব্যয়

    বিমানবন্দরের জন্য পুরী জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ব্রহ্মগিরি তহসিলের অধীনে সিপাসরুবালি ও সন্ধ্যাপুরে ৬৮ একর বনভূমি ও ২২১.৪৮ একর ব্যক্তিগত জমি সহ প্রায় ১,১৬৪ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যেহেতু প্রস্তাবিত জমিতে কোথাও বসতি নেই, তাই পুনর্বাসন দিতে হবে না। বিমানবন্দরটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। 

    সাইট ক্লিয়ারেন্সে ছাড়পত্র

    বিমানবন্দর প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক কর্তা বলেন, “বিমানবন্দর গড়ে তোলার জন্য উপযুক্ত জমি বাছাইয়ের পর প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। ব্যক্তিগত জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও অনুমতি নেওয়া হয়েছে জমির মালিকদের কাছ থেকে। কিছু সরকারি জমিও কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সাইট ক্লিয়ারেন্সে ছাড়পত্র মেলায় কাজের গতি এবার বাড়বে।”

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!

    প্রতিদিন (Kolkata Puri Flight) দেশের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, বিদেশ থেকেও বহু পুণ্যার্থী আসেন জগন্নাথ দর্শনে। এখন তাঁদের যেতে হয় ট্রেন কিংবা বাসে করে পুরী স্টেশন। সেখান থেকে ছোট গাড়ি ধরে যেতে হয় দেব দর্শনে। আর যাঁরা দূর-দুরান্ত কিংবা বিদেশ থেকে আসেন, আকাশ পথে তাঁরা এসে নামেন ভুবনেশ্বর বিমানবন্দরে। তার পর গাড়ি ধরে আসতে হয় পুরী। এতে পয়সা এবং পরিশ্রম দুইই খরচ হয় বেশি। সেই কারণেই পুরীর কাছাকাছি কোনও এলাকায় বিমানবন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছিল ওড়িশা সরকার। সেই মতো জমা দেওয়া হয় কাগজপত্র। জানা গিয়েছে, কলকাতা-পুরী (Kolkata Puri Flight) রুটে বিমান চলাচল শুরু হলে ঘণ্টাখানেক সময় ব্যয় করলেই পৌঁছে যাওয়া হবে শ্রীক্ষেত্র পুরীতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

  • Hamas Israel War: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!  

    Hamas Israel War: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলি বায়ুসেনার হামলায় হত হামাসের (Hamas Israel War) এলিট বাহিনী নুখবার শীর্ষ কমান্ডার। মৃতের নাম বিলাল আল কেদরা। শনিবার রাতে গাজা ভূখণ্ডে থাকা হামাসের ডেরাগুলিতে লাগাতার বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। তেল আভিভের দাবি, সেই হানায়ই মৃত্যু হয়েছে নুখবার শীর্ষ কমান্ডারের। কেবল কেদরা নয়, ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে আরও কয়েকজন জঙ্গির।

    গাজা সীমান্তে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, এদিনই সেনার সঙ্গে গাজা সীমান্তে এসেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সব দিক থেকে সেনাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, নুখবা বাহিনীর কমান্ডার দক্ষিণ ইজরায়েলের কিবুৎজ নিরিম ও নির ওজে হামলার দায়িত্বে ছিল। মুসলমানদের দেশ প্যালেস্তাইনের হামাস অধিকৃত গাজা ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের শনিবারের মধ্যে শহর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছিল ইজরায়েলের তরফে। এর পর প্রচুর মানুষ গাজা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। এর পরেই গাজায় ঘরে ঢুকে হামাস জঙ্গিদের খতম করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স।

    সীমান্তে ১০ হাজার সেনা

    জানা (Hamas Israel War) গিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত শহর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এবার সেখানে স্থল, জল এবং আকাশ – তিন পথেই হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স। ইজরায়েলের (Hamas Israel War) এই বাহিনীর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চারদিক থেকে গাজায় হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গাজা সীমান্তে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জড়ো করা হয়েছে ট্যাঙ্ক। নির্দেশ পেলেই হামাস ধ্বংস-যজ্ঞে নামবে ইজরায়েলি বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: অপারেশন অজয়, চতুর্থ দফায় ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৭৪ জন ভারতীয়

    ইজরায়েলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, হামাস তাদের শক্তি দেখাচ্ছে। এ বার ইজরায়েল দেখাবে তাদের ক্ষমতা। এই বিশ্বে সন্ত্রাসের কোনও ঠাঁই নেই। তাই হামাসকে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার কাজ শুরু হবে দ্রুত। হামাসকে দুরমুশ করতে ইজরায়েলের (Hamas Israel War) পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। তারা আগেই একটি যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে দিয়েছিল। দ্বিতীয় রণতরীটিও পূর্ব ভূমধ্যসাগরে পাঠানোর তোড়জোড় করছে জো বাইডেনের দেশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎকালে প্রতি বছর মা দুর্গা বাপের বাড়িতে আসেন সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে (Navaratri 2023)। মা দুর্গা এবং তাঁর সন্তানদের সঙ্গে আসে তাঁদের বাহনগুলিও। গণেশের সঙ্গে ইঁদুর আসে, মা সরস্বতীর সঙ্গে আসে হাঁস, মা লক্ষ্মীর সঙ্গে প্যাঁচা আসে, কার্তিকের সঙ্গে ময়ূর আসে এবং স্বয়ং মা দুর্গার সঙ্গে আসে সিংহ। বাহনগুলির পৌরাণিক কাহিনিতে যাওয়ার আগে বলা দরকার ভারতীয় উপমহাদেশে প্রকৃতি পুজোর রীতি বৈদিক আমল থেকেই। মাটি, অগ্নি, বায়ু, নদী, গাছ সবকিছুর পুজো হয় এই সভ্যতায়। ভারতীয় সভ্যতায় গাছপালা, নদ-নদীর সঙ্গে সঙ্গে জীবজন্তুও মানুষের দৈনন্দিন কাজে উপকারী বলেই গণ্য করা হয়। এই ধারণা থেকেই হয়ত বাহন হিসেবে তারাও পুজো পায়। এবার আসা যাক পৌরাণিক কাহিনিগুলিতে।

    মা দুর্গার বাহন কেন সিংহ?

    পুরাণ (Navaratri 2023) অনুযায়ী, দেবী পার্বতী হাজার বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন শিবকে তাঁর স্বামী হিসাবে পাওয়ার জন্য। তপস্যার কারণে দেবী অন্ধকারে মিশে যান। বিয়ের পর পার্বতীকে মহাদেব ‘কালী’ বলে সম্বোধন করলে দেবী তৎক্ষণাৎ কৈলাস ত্যাগ করে ফের তপস্যায় মগ্ন হয়ে যান। তপস্যারত দেবীকে শিকার করার ইচ্ছায় এক ক্ষুধার্ত সিংহ তাঁর দিকে আসতে শুরু করে। কিন্তু দেবীকে দেখে সেখানেই চুপ করে বসে পড়ে। এর মধ্যে বহু বছর কেটে যায়, কিন্তু সিংহ তার নিজের জায়গা থেকে নড়ে না। এদিকে দেবী পার্বতীর তপস্যা সম্পন্ন হওয়ার পর মহাদেব আবির্ভূত হলে পার্বতীকে গৌরবর্ণ (Navaratri 2023) বলে বর্ণনা করেন। যে সিংহটি দেবীকে শিকার করতে এসেছিল, তাকেই বাহন হিসেবে গ্রহণ করেন দেবী। কারণ দেবীর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছিল সে। সিংহের এই কর্মকাণ্ডের জন্য দেবী পার্বতীর বাহনকে সিংহ বলে মনে করা হয়। আবার কালিকাপুরাণ অনুযায়ী, শ্রীহরি দেবীকে বহন করছেন। এই হরি শব্দের এক অর্থ সিংহ। আবার শ্রীশ্রীচণ্ডীতে উল্লেখ আছে, গিরিরাজ হিমালয় দেবীকে সিংহ দান করেন। শিবপুরাণ মতে, ব্রহ্মা দুর্গাকে বাহনরূপে সিংহ দান করেছেন। সিংহ হল শৌর্য, পরাক্রম, শক্তির প্রতীক। অসুরদের ধ্বংসকারী মাতার বাহন তাই সিংহ। এটাই পণ্ডিত মহলের মতামত।

    গণেশের বাহন ইঁদুর কেন? 

    স্বর্গে দেবলোকের সভায় গান গেয়ে সকলের মনোরঞ্জন করতেন ক্রঞ্চ নামে এক গন্ধর্ব। এক দিন বামদেব নামে এক ঋষি এসে উপস্থিত হন সেই সভায়। তিনি গান করতে থাকেন। সেই গান শুনে নিজের হাসি চাপতে পারেননি গন্ধর্ব ক্রঞ্চ। সেই হাসি দেখে ফেলেন বামদেব। সঙ্গে সঙ্গে ক্রোধান্বিত হয়ে পড়েন বামদেব। তিনি  ক্রঞ্চকে অভিশাপ দেন। অভিশাপের ফলে ক্রঞ্চ ইঁদুর হয়ে যান। ঋষি অভিশাপ দেন, কোনও দিন আর গান গাইতে পারবেন না ক্রঞ্চ। ক্রঞ্চ নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনও ফল হয় না। তিনি ইঁদুর হয়ে যান এবং মর্ত্যে নেমে আসেন। তবে মুনি বলেছিলেন, কোনও দিন যদি গণেশ তাঁকে বাহন করেন, তা হলে মুক্তি মিলবে। মর্ত্যলোকে তিনি যেখানে নেমেছিলেন, কাছেই ছিল পরাশর মুনির কুটির। ইঁদুর ক্রঞ্চ সেখানেই নিজের খাদ্যের সন্ধানে যেতে  শুরু করেন। এ দিকে ইঁদুরের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে ওঠে কুটিরবাসীরা। এক দিন গণেশ সেই মুনির কুটিরে পৌঁছান। জানতে পারেন ইঁদুরের কুকীর্তির কথা। তখন তাকে ধরতে উদ্যত হন গণেশ। অবশেষে ধরেও ফেলেন। কিন্তু ক্রঞ্চ নিজের পরিচয় দিয়ে সব কথা বলেন গণেশকে। এ কথা শুনে ইঁদুরকেই তিনি নিজের বাহন করে নেন (Navaratri 2023)।

    মা লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা কেন?

    পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী, যখন দেব-দেবীরা প্রাণীজগতের সৃষ্টি করেন, তখন তাঁরা পৃথিবী ভ্রমণে আসেন। সেই সময় পশু ও পাখিরা দেবতাদের ধন্যবাদ জানায় তাদের প্রাণী হিসেবে তৈরি করার জন্য। পশু ও পাখিরা বলতে থাকে, ‘‘আপনারা যেহেতু আমাদের তৈরি করেছেন তাই আপনাদের বাহন হয়ে আমরা পৃথিবীতে থাকব।’’ সেই সময় দেবতারা নিজেদের বাহন পছন্দ করে নেন। যখন দেবী লক্ষ্মীর নিজের বাহন (Navaratri 2023) বেছে নেওয়ার সময় আসে, তখন তিনি বলেন আমি যেহেতু রাতে পৃথিবীতে আসি, তাই রাতে যে প্রাণী দেখতে পায় সেই হবে আমার বাহন। এখান থেকেই প্যাঁচা হয়ে ওঠে দেবী লক্ষ্মীর বাহন। লক্ষ্মীমাতা ধানের দেবী, ইঁদুর ধান খেয়ে ফেলে। তাই এই ধারণা থেকেও লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা হতে পারে।

    কার্তিকের বাহন ময়ূর কেন?

    তারকাসুরকে বধ করেছিলেন (Navaratri 2023) দেবসেনাপতি কার্তিক। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে তারকাসুর কার্তিকের বাহন হিসেবে থাকতে চেয়েছিলেন। ময়ূরের ছদ্মবেশে কার্তিককে আক্রমণও করেছিল যুদ্ধ ক্ষেত্রে তারকাসুর। কথিত আছে ওই ময়ূরটিই হল কার্তিকের বাহন, যা আসলে তারকাসুর।

    সরস্বতীর বাহন হাঁস কেন?

    হাঁস নাকি জল, স্থল, অন্তরীক্ষে থাকতে পারে। জ্ঞান ও বিদ্যার দেবীকেও এই তিনটি জায়গায় থাকতে হয় জ্ঞান ও বিদ্যাদানের জন্য। তাই বাহন হিসেবে হাঁসকেই বেছে নিয়েছেন মা সরস্বতী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতে হবে অলিম্পিক! কবে? কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ভারতে হবে অলিম্পিক! কবে? কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিকের আয়োজন করতে চায় ভারত। তবে এখনই নয়, ২০৩৬ সালে। শনিবার মুম্বইয়ে জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে ১৪১ তম আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে এ কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২৯ সালে রয়েছে যুব অলিম্পিক। ভারত এই অলিম্পিকের আয়োজনও করতে চায় বলে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    অলিম্পিকের আয়োজক দেশ

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অলিম্পিক হওয়ার কথা ফ্রান্সের প্যারিসে। তার পরের অলিম্পিকের আয়োজক দেশ আমেরিকা, হবে লস অ্যাঞ্জেলসে। ২০৩২ সালের অলিম্পিক হওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক কোথায় হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তাই ওই বছর ভারত যে অলিম্পিক আয়োজনে উন্মুখ, তা জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “অলিম্পিকের আয়োজন করতে ভারত খুব আগ্রহী। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজন করার প্রচেষ্টায় ভারত কোনও ত্রুটি রাখবে না। এটা ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন। আইওসির সহায়তায় আমরা এই স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।” তিনি বলেন, “খেলাধূলা কেবল পদক জয়ের জন্য নয়, এটি হৃদয় জয় করারও সেরা উপায়। এটি কেবল চ্যাম্পিয়নদের জন্ম দেয় না, শান্তিরও প্রচার করে।”

    খেলা নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    আইওসির প্রেসিডেন্ট থমাস বাচের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি নিশ্চিত যে আইওসি ভারতকে সমর্থন জানাবে।” তিনি বলেন, “গত কয়েক বছরে দেশ ক্রীড়া মহাশক্তিগুলির মধ্যে একটি হিসেবে আবির্ভূত হতে চলেছে। ভারত কখনও অলিম্পক গেমসের আয়োজন করেনি। ভারত শেষবার কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন করেছিল ২০১০ সালে। আমরা আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়ে এই স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করতে চাই। আমি নিশ্চিত যে ভারত আইওসির সমর্থন পাবে।” প্রসঙ্গত, ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজন করার দাবি জানিয়েছে পোল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং মোক্সিকোও।

    আরও পড়ুুন: পুরীর পর বৈষ্ণোদেবী, অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ নিষেধ মন্দিরে

    সম্প্রতি এশিয়ান গেমসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পিটি ঊষাও বলেছিলেন, ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য অবশ্যই দাবি জানাতে হবে। আমি নিশ্চিত, টোকিওর তুলনায় প্যারিস গেমসে আমরা আরও বেশি পদক পাব। আর সেই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আমরা ২০৩৬ অলিম্পিকের আয়োজন করতেই পারি (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Ajay: অপারেশন অজয়, চতুর্থ দফায় ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৭৪ জন ভারতীয়  

    Operation Ajay: অপারেশন অজয়, চতুর্থ দফায় ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৭৪ জন ভারতীয়  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহ পার হল হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ। যুদ্ধের জেরে ইজরায়েলে আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার ভারতীয়। ইজরায়েলে সব মিলিয়ে ১৮ হাজারের কাছাকাছি ভারতীয়ের বাস। এঁদের মধ্যে অনেকেই যুদ্ধের আবহে ফিরতে চান ভারতে। তাঁদের জন্য অপারেশন অজয় (Operation Ajay) চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই তিনটি বিমানে করে উড়িয়ে আনা হয়েছে ন’শোর কাছাকাছি ভারতীয়কে। শনিবার চতুর্থতম বিমানে করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ইজরায়েলে আটকে পড়া ২৭৪ জন ভারতীয়কে।

    অপারেশন অজয়

    ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভে থাকা ভারতীয় দূতাবাসের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল শনিবার বেনগুরিন বিমানবন্দর থেকে বিশেষ দু’টি বিমান ছাড়বে। প্রথম বিমানটি ছাড়বে স্থানীয় সময় বিকেল ৫.৪০ মিনিটে। রাত ১১.৪৫ মিনিটে ছাড়বে দ্বিতীয় বিমান। এই উড়ানে জায়গা হবে ২৭৪ জনের। পরের দিন ফের ১৯৭ জন ভারতীয়কে নিয়ে তৃতীয় বিমানটি আসে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর লিখেছেন, “অপারেশন অজয় এগোচ্ছে। আরও ১৯৭ জন যাত্রী নিয়ে ভারতে ফিরছে একটি বিমান।”

    ভারতীয় দূতাবাসের পোস্ট 

    এক্স হ্যান্ডেলে ইজরায়েলের ভারতীয় দূতাবাস লিখেছে, “অপারেশন অজয়ের অংশ হিসেবে ভারতীয় যাঁরা ইজরায়েলে রয়েছেন এবং ভারতে ফিরতে চাইছেন, তাঁদের জরুরি ভিত্তিতে অনুরোধ করা হচ্ছে ট্রাভেল ফর্ম পূরণ করতে।” দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে জায়গা মিলবে বিমানে। ইজরায়েলে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত সঞ্জীব সিংলা বলেন, “আমাদের নাগরিকদের উদ্ধার করতে ইজরায়েলে আমাদের দূতাবাস চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করছে। আমরা পড়ুয়াদের কাছে গিয়েছি, সহায়কদের কাছে গিয়েছি, গিয়েছি ব্যবসায়ীদের কাছেও। এঁদের মধ্যে যাঁরা ভারতে ফিরতে ইচ্ছুক, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি (Operation Ajay)। এই প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন। আমরা প্রত্যেকের কাছেই শান্ত থাকার আবেদন করছি।” 

    আরও পড়ুুন: মোদি জমানায় অতীত মাও আতঙ্ক, প্রথমবার ভোট দেবে ছত্তিশগড়ের বস্তার

    আজ, রবিবার ছাড়বে আরও একটি বিশেষ বিমান। যাঁরা এই উড়ানে জায়গা পেয়েছেন, দূতাবাস কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের বিষয়টি ই-মেইল করে জানানো হয়েছে। যাঁরা দেশে ফিরছেন, তাঁদের বিমান ভাড়া বহন করবে ভারত সরকার। জানা গিয়েছে, অপারেশন অজয়ে এ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা হয়েছে মোট ৯১৮ জন ভারতীয়কে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hamas Israel War: ইজরায়েলের পাশাপাশি প্যালেস্তাইনেও ফোন বাইডেনের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Hamas Israel War: ইজরায়েলের পাশাপাশি প্যালেস্তাইনেও ফোন বাইডেনের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Hamas Israel War)। এখনও বাতাসে গোলা-বারুদের গন্ধ। যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে মৃতদেহ। কোথাও শিশুর লাশ, তো কোথাও মায়ের, কোথাও আবার বাবা-ছেলের দেহ পড়ে রয়েছে পাশাপাশি। গত শনিবার ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলের ওপর হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। এই যুদ্ধে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ায় আমেরিকা।

    প্যালেস্তাইনে ফোন বাইডেনের 

    তবে বাইডেন প্রশাসন যে প্যালেস্তাইনের নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়েও চিন্তিত, তাও হয়ে গেল স্পষ্ট। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ড জো বাইডেন ফোন করেন প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে। হামাসের দখলে থাকা গাজা ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের জন্য সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন বাইডেন। এদিন হোয়াইট হাউসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাইডেন একই দিনে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের (Hamas Israel War) সঙ্গে কথা বলেছেন। যুদ্ধের কারণে প্যালেস্তাইনে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাইডেন।

    ইজরায়েলে ফোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের 

    প্যালেস্তাইন প্রেসিডেন্টকে সে দেশের বাসিন্দাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যে কোনও সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা শহরের বাসিন্দাদের সাহায্যের কথা বলেছেন বাইডেন। প্রসঙ্গত, এই গাজা ভূখণ্ড থেকেই ইজরায়েলে আক্রমণ শানাচ্ছে হামাসরা। ইজরায়েলেরও পাখির চোখ গাজায় হামাসের ডেরাগুলি। প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও কথা বলেছেন বাইডেন। ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এলাকায় শান্তি ফেরানো, যুদ্ধের পরিধি পকেটের মধ্যেই সীমাবন্ধ রাখার বিষয়েও আলোচনা করেছেন তাঁরা। হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলকে যুদ্ধাস্ত্র দিয়েও সাহায্য করছে আমেরিকা।

    আরও পড়ুুন: মোদি জমানায় অতীত মাও আতঙ্ক, প্রথমবার ভোট দেবে ছত্তিশগড়ের বস্তার

    এদিকে, দ্বিতীয় এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে ইস্টার্ন মেডিটেরিয়ান সমুদ্রে পাঠাল আমেরিকা। ইজরায়েলের ওপর হামাসের (Hamas Israel War) আক্রমণ প্রতিহত করতেই এটা পাঠানো হয়েছে বলে শনিবার জানান মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। এদিকে, রবিবার প্যালেস্তাইনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গাজা ভূখণ্ড ও ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩৮৩ জন। এর মধ্যে কেবল গাজায়ই মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩২৯ জন। সব মিলিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ হাজার ৮১৪ জন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Pakistan: রোহিতের দুরন্ত ইনিংস! বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের ধারা বজায় রাখল ভারত

    India vs Pakistan: রোহিতের দুরন্ত ইনিংস! বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের ধারা বজায় রাখল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কোর লাইন ৮-০। ভারত পাকিস্তান ম্যাচকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টানা অষ্টম জয় ছিনিয়ে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে লজ্জাজনকভাবে হারাল রোহিত ব্রিগেড। পাকিস্তানের ১৯১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৩০.৩ ওভারে ম্যাচ শেষ করে দিল ভারত। অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া হল রোহিতের। এটুকুই আফশোস রয়ে গেল! ১৯৯২, ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০১১, ২০১৫, ২০১৯ সালের পর এবার ২০২৩। ইতিহাস বদলাল না। ভারতকে হারানোর স্বপ্ন, স্বপ্নই রয়ে গেল বাবরদের। ভারতকে এই জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    স্টেডিয়ামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে (Narendra Modi Stadium) চলছে বিশ্বকাপের (ICC Cricket world Cup 2023) ভারত-পাকিস্তান ম্য়াচ। মোদি স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক দর্শকের উপস্থিতি চলা ম্যাচ দেখতে হাজির হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বাউন্ডারি হাঁকাতেই গ্যালারিতে বসে হাততালি দিয়ে উঠলেন অমিত শাহ।

    আর ভারত জিততেই উঠে দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানালেন বাইশ গজের সেনানিদের। সীমান্তে যেভাবে ভারতীয় সেনা পাক-চক্রান্তের জবাব দেয়, ঠিক একইভাবে বাইশ গজের বিশ্বযুদ্ধে পাকিস্তানকে হেলায় উড়িয়ে দিল টিম ইন্ডিয়া। গর্বিত দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দুরন্ত ইনিংস রোহিতের

    টসে জিতে এদিন প্রথম বোলিং নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান দল করে ১৯১ রান। রান তাড়া করতে নেমে রোহিত শর্মা নিজের পুরনো ছন্দেই খেলতে থাকেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যেখানে শেষ করেছিলেন, এখানে সেখান থেকেই শুরু করলেন। গিলকে নিয়ে ওপেন করতে নেমে তিনি একাই দলকে জয়ের দোড়গোরায় পৌঁছে দেন। তবে ফিনিশ করতে পারেননি। ৬৩ বলে ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ডেঙ্গি সারিয়ে মাঠে নামা গিল করেন ১৬ রান। তাঁর এই কামব্যাক প্রশংসনীয়। বিরাট কোহলি ১৬ রান করেন। হাসান আলির বলে তিনি নওয়াজের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন। এরপর নামেন শ্রেয়স আইয়ার। রোহিত আউট হওয়ার পর কেএল রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জেতান শ্রেয়স। তিনি হাফসেঞ্চুরি করেন। দলের জয়ে খুশি বিসিসিআই সচিব জয় শাহ।

    ভর্তি গ্যালারি মাতল সুর-তাল-ছন্দে

    শনিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হাউসফুল দর্শকদের জন্য ছিল বিশেষ চমক। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে মোতেরা মাতান অরিজিৎ সিং, শঙ্কর মহাদেবন, সুখবিন্দর সিং। অবশ্য স্টেডিয়ামে যে দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের ছাড়া বাকি ক্রিকেট প্রেমীদের একটা আক্ষেপ রয়ে গেল। কারণ এই সুরেলা অনুষ্ঠান বিশ্বকাপের সম্প্রচারকারী চ্যানেলে দেখানো হয়নি। শুধু মাত্র স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরাই তা উপভোগ করতে পেরেছেন। শনি-সন্ধেয় দেখা যায় নেহা কক্কর, দর্শন রাভালকে পারফর্ম করতে। আসলে ইনিংস বিরতির সময়ও সুরের ছটার ব্যবস্থা করেছিল আয়োজকরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • India vs Pakistan: নীল ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল পাকিস্তানের ব্যাটিং! জয়ের জন্য ভারতের লক্ষ্য ১৯২

    India vs Pakistan: নীল ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল পাকিস্তানের ব্যাটিং! জয়ের জন্য ভারতের লক্ষ্য ১৯২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যালারিতে নীল ঢেউ ম্যাচের শুরু থেকেই। মাঠে নীল ঝড় উঠল ৩০ ওভারের পর। ২৯ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ২উইকেট হারিয়ে ১৫০। গ্যালারি তখন প্রায় চুপ। টিভির সামনে দর্শকদের চিন্তা স্কোর কত উঠবে। ৩০০-এর কাছাকাছি হলে!!! ক্রিজে তখন বাবর-রাজ। হঠাতই অর্ধশতরানের পর মনঃসংযোগ হারালেন পাক অধিনায়ক। সিরাজের বলে বাবর ফিরতেই পালা বদল। পাকিস্তান ১৫৫/৩ থেকে অল আউট ১৯১। শেষ ৮ উইকেট পড়ল ৩৬ রানে। ৫০ ওভার ব্যাট-ই করতে পারল না পাকিস্তান। ৪২.৫ ওভারে শেষ হল পাকিস্তানের ইনিংস। জিততে গেলে ভারতকে করতে হবে ১৯২ রান। রোহিত-কোহলিদের কাছে যা আশা করাই যায়। ম্যাচের মধ্যে বিরাটকে বিশেষ পরামর্শও দিলেন সচিন। 

    মাঠে এক লক্ষ দর্শক

    এদিন টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। মাঠে এক লক্ষ দর্শক। ভারতীয় পতাকা এবং নীল জার্সিতে ভর্তি আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। পাকিস্তানের পতাকা খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। সেই চাপ নিয়ে খেলতে নেমেই আট ওভারের মাথায় সিরাজের বলে আউট হন শাফিক।  দ্বিতীয় উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া। ইমাম উল হককে ফেরান তিনি। ৩৬ রান করে আউট হন তিনি। এরপর বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান হাল ধরেন।

    দলের হাল ধরেন। এই জুটি ৫০ রানের পার্টনারশিপ তৈরি করে। একটা সময় মনে হয়েছিল এই জুটি পাকিস্তানকে বড় রানের দিকে নিয়ে যাবে। তবে সেটা সম্ভব হয়নি। বাবর আজম হাফসেঞ্চুরি করলেও তা কার্যকর করতে পারেননি। বাবর আজম হাফসেঞ্চুরি করার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ক্লিন বোল্ড করেন মহম্মদ সিরাজ। এরপর এক এক করে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ১৫৫ রানে বাবর আজম ফেরার পর আউট হন সাউদ শাকিল, ইফতিকার আহমেদ, মহম্মদ রিজওয়ান, শাদাব খানরা। এদের মধ্যে রিজওয়ান ৪৯ রানে আউট হন। রিজওয়ানকে অনবদ্য দক্ষতায় বোল্ড করেন বুমরাহ। যেই পিচে বল টার্ন করছিল না সেই পিচে বল টার্ন করিয়ে বুমরাহ দুটো উইকেট নিলেন। দুটো করে উইকেট নিলেন কুলদীপ, হার্দিক, জাদেজাও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share