Blog

  • Nijjar Killing: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    Nijjar Killing: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর (Nijjar Killing) খুনে হাত রয়েছে চিনের। অন্তত এমনই দাবি করলেন জেনিফার জেং নামে এক ইউটিউবার। তাঁর দাবি, ভারতের সঙ্গে পশ্চিমী বিশ্বের সম্পর্ক খারাপ করতেই এ কাজ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    কাঠগড়ায় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি

    তিনি বলেন, “তাইওয়ান নিয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামরিক নীতি মেনেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) একাজ করছে। যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সম্পর্কের সূতো ছিঁড়ে যায়।” চিনে জন্ম এই সাংবাদিকের। তিনি সমাজকর্মীও। বর্তমানে আমেরিকায় থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এক্সে যে ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন, তাতে বলেছেন, “কানাডায় খুন হওয়া নিজ্জর সিংয়ের হত্যাকাণ্ড সিসিপি (CCP) থেকেই হয়েছে। এটি অনুমান করা হচ্ছে যে এই হত্যাকাণ্ড সিসিপির এজেন্টের মাধ্যমেই করা হয়েছে।”

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    জুনের ১৮ তারিখে কানাডার কলম্বিয়া প্রদেশে খুন হয় নিজ্জর। তার প্রভাব পড়ে ভারত-কানাডা সম্পর্কে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেন, নিজ্জর খুনের নেপথ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাত থাকতে পারে। মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নিজ্জরকে তিনি কলমিস্ত্রি বলেও দাবি করেন। ট্রুডোর অভিযোগ নস্যাৎ করে দেয় ভারত। জানিয়ে দেয়, নিজ্জর খুনে ভারতের হাত রয়েছে এমন প্রমাণ পেলে তা যেন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নয়াদিল্লিতে থাকা কানাডার রাষ্ট্রদূতদের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেয় ভারত। কমিয়ে দেয় কানাডা থেকে ডাল রফতানির পরিমাণও। সব মিলিয়ে গাড্ডায় পড়ে ট্রুডো সরকার।   

    ভারতকে বিপাকে ফেলতে (Nijjar Killing) ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’ দরবার করে কানাডা। যদিও আমেরিকা, ব্রিটেন সহ ওই জোটের চার দেশ কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দেয় শ্রীলঙ্কাও। বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলি পাশে না দাঁড়ানোয় এবং এশিয়ায় সেভাবে কাউকে পাশে না পেয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে কার্যত এক ঘরে হয়ে পড়ে কানাডা। এর পরেই সুর নরম করে ট্রুডোর দেশ। তারা জানিয়ে দেয়, ভারতের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখতে তারা  আগ্রহী।

    আরও পড়ুুন: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে দুর্নীতির তদন্তে নেমে ‘প্রাণভোমরা’ হাতে এল সিবিআইয়ের, কী তা জানেন?

    এমতাবস্থায় কার্যত হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন এই ইউটিউবার। দিন কয়েক আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতের সঙ্গে পশ্চিমী বিশ্বের সম্পর্ক খারাপ করতে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির তরফে পদস্থ অফিসারদের পাঠানো হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই তৈরি হয় ব্লু প্রিন্ট (Nijjar Killing)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ladies Special Trains: এবার মাতৃভূমি লোকালে থাকবে প্রথম শ্রেণি কামরা, আর কী কী সুবিধা রয়েছে?

    Ladies Special Trains: এবার মাতৃভূমি লোকালে থাকবে প্রথম শ্রেণি কামরা, আর কী কী সুবিধা রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনে মহিলাদের (Ladies Special Trains) জন্য বিশেষ উপহার দিতে চলেছে পূর্ব রেল। শিয়ালদা-রানাঘাট মাতৃভূমি লোকালগুলোতে এবার ফাস্ট ক্লাস বা প্রথম শ্রেণির কামরা যুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। কামরার প্রতিটি বসার আসনে থাকছে নরম গদি, ট্রেনের নিচের মেঝে হচ্ছে লাল ম্যাট কভারে মোড়ানো। কামরার দেওয়ালগুলি নানা রঙের তুলির টানে অভিনব সাজে সজ্জিত হয়েছে। দেবীপক্ষের সূচনাতেই এই বিশেষ ট্রেনের শুভারম্ভ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। মূলত যাত্রীদের যাত্রাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্য এবং আরামদায়ক করতে রেলের এই অভিনব ভাবনা যাত্রীদের আকর্ষিত করবে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন রুটে মিলবে সুবিধা (Ladies Special Trains)?

    জানা গিয়েছে, রানাঘাট-শিয়ালদা-রানাঘাট রুটে মাতৃভূমি লোকাল (Ladies Special Trains) ট্রেনে মিলেবে এই পরিষেবা। লেডিস স্পেশাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের চাপের কথা মাথায় রেখে আরামদায়ক যাত্রার কথা পরিকল্পনা করেছে রেল। মহিলাদের অফিস বা কর্মসূত্রে যাতায়াতের  যাত্রাপথকে সুগম এবং যাত্রার মানকে উন্নত করেতে এই ব্যবস্থা। সফরে মহিলা যাত্রীদের ক্লান্তি কম করতে এবং কর্মস্থলে যোগদানে উজ্জীবিত করতে এই ভাবনা রেলের। জানা গিয়েছে, পূর্ব রেলের পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে আপাতত একটি ট্রেন চালানো হবে। একটি ট্রেনকে ইতিমধ্যেই সাজিয়ে ফেলা হয়েছে। এই কামরার সাফল্যের উপর নির্ভার করে পরবর্তীতে আরও ট্রেন চালানো হবে।

    পূর্ব রেলের বক্তব্য

    মাতৃ শক্তিকে শ্রদ্ধা জানাতে রেল, মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনগুলোতে (Ladies Special Trains) প্রথম শ্রেণির বগি সংযুক্ত করা হবে। যাত্রীর বসার সিটে থাকবে কুশনযুক্ত গদি। পূর্ব রেলের জন সংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, “এখন রানাঘাট-শিয়ালদা মেইন লাইনে মাতৃভূমি ট্রেনে লোকাল পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে চালু করা হবে। ট্রেনে থাকা পূর্বের কামরাগুলির সঙ্গে একটি ফাস্ট ক্লাস কামরা যুক্ত করা হবে। এই বিশেষ প্রয়োগে যাত্রীদের মধ্যে কতটা প্রভাব পড়ছে, তা বুঝেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi:  স্বপ্নপূরণে পাশে সরকার! এশিয়ান গেমসের সফল ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে কাল প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত

    PM Modi: স্বপ্নপূরণে পাশে সরকার! এশিয়ান গেমসের সফল ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে কাল প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে ক্রিকেটের বিশ্বযুদ্ধ। বাইশগজে ভারতের ব্লু-ব্রিগেডের আধিপত্য সকলেরই জানা। কিন্তু ক্রিকেট ছাড়াও অন্য খেলার ময়দানেও ভারত যে নিজেদের দাপট দেখাতে পারে তা প্রমাণ করতে মরিয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্র সরকারের অনুপ্রেরণাতেই এশিয়াতে খেলাধুলোয় নিজেদের শক্তিপ্রকাশ করার সুযোগ পাচ্ছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদেরা। ভারতকে খেলাধুলোর দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় বাজেটে খেলাধুলোয় বরাদ্দ বাড়ছে। বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করে সেখানে ক্রীড়াবিদদের যুক্ত করা হচ্ছে। তারই ফল স্বরূপ সদ্য শেষ হওয়া ১৯তম এশিয়ান গেমসে ভারত মোট  ১০৭টি পদক জিতেছে। যার মধ্যে রয়েছে ২৮টি সোনা। ৩৮টি রুপো এবং ৪১টি ব্রোঞ্জ। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত। 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা

    আগামীকাল, ১০ অক্টোবর দেশের সফল প্রতিযোগীদের অভ্যর্থনা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আমি ১০ তারিখে আমাদের এশিয়ান গেমস কন্টিনজেন্টের আয়োজন করার এবং আমাদের ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে আলাপচারিতার জন্য উন্মুখ।” চিনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার ১৯তম সংস্করণে ৬৬১জন ক্রীড়াবিদ পাঠিয়েছিল ভারত।



    ক্রীড়া জগতে বিশ্বে দাপট দেখানোর আগে এশিয়া সেরা হয়ে উঠতে হবে। এশিয়ায় ভারত যে কারও থেকে কম যায় না, সেটা বোঝানোর জন্যে এশিয়াডের থেকে ভাল মঞ্চ আর হয় না। তাই প্রচারের শুরুটা হয়েছিল এশিয়ান গেমস থেকেই। এশিয়ান গেমস শুরুর অনেক আগে থেকেই সম্প্রচারকারী চ্যানেলের তরফে প্রচার শুরু করে দেওয়া হয়েছিল, যার স্লোগান ছিল, ‘ইস্ বার ১০০ পার’। অর্থাৎ এ বার ১০০ পদকের গণ্ডি পেরিয়ে যাবে ভারত। সেই প্রচার অবশেষে প্রাণ পেল।

    কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়াস

    কেন্দ্রীয় সরকারের মদতে সম্প্রচারকারী সংস্থা প্রচার শুরু করে দেওয়ার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু সেটা যে নিছক ফাঁকা আওয়াজ ছিল না তা বোঝা গিয়েছে এখন। আগের মোট পদকের থেকে ৩০টিরও বেশি পদক জিতে এশিয়াডে ‘সেঞ্চুরি’ করে ফেলেছে ভারত। চার বছরের ব্যবধানে যে ৩০টিরও বেশি পদক যোগ করা যাবে তা অনেকেই ভাবতে পারেননি। মোদি অবশ্য প্রচার আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিলেন। ৭০টি পদক পেরনোর পরেই তিনি ট্যুইট করে ১০০ পদকের স্বপ্ন উসকে দেন। জাকার্তার পদকসংখ্যা টপকে যেতেই শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। ভারতীয় ক্রীড়াবিদেরাও হতাশ করেননি।

    আরও পড়ুন: বিরাটের ক্যাচ ফস্কানোই কাল! মানছেন কামিন্স, দাপুটে জয়ের পরও চিন্তায় রোহিত

     লক্ষ্য অলিম্পিক

    ভারত যে এশিয়ার অন্যতম সেরা শক্তি হয়ে উঠছে এবারের এশিয়ান গেমস তার প্রমাণ। শ্যুটিং এবং অ্যাথলেটিক্সের মতো খেলাধুলোয় ক্রমশ জোর দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। প্রতিদিন উন্নতি করছে তারা। টার্গেট অলিম্পিক্স পোডিয়াম স্কিম (টপ্‌স) চালু করেছে কেন্দ্র। সেটাই এখন কাজে দিচ্ছে। ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্থার সভাপতি পিটি ঊষা সম্প্রতি বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছেতেই ভারত আগামী দিনে খেলাধুলোয় অন্যতম শক্তি হয়ে উঠবে। তার জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ক্রীড়াবিদদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। বিদেশি কোচেদের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। তিন-চার বছর আগে এটা শুরু হয়েছে। এখন একটা জায়গায় চলে এসেছে তারা। তার ফলাফলও দেখতে পাচ্ছি আমরা।” শুধু কেন্দ্রীয় সরকার নয়, বেসরকারি সংস্থাগুলিও এখন ক্রীড়াবিদদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে। অন্তত দশ বছর আগেও যা ভাবা যেত না। ক্রীড়াবিদদের গ্যাঁটের কড়ি খরচা করে বিদেশে প্রতিযোগিতা খেলতে যেতে হত। এখন অনেকেরই সেই চিন্তা আর নেই। দুয়ারেই রয়েছে স্পনসর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: ভারতকে জিতিয়েও আক্ষেপ! কী বলছেন লোকেশ রাহুল?

    ICC ODI World Cup 2023: ভারতকে জিতিয়েও আক্ষেপ! কী বলছেন লোকেশ রাহুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাট কামিন্সের বল কভার অঞ্চল দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠিয়েও ব্যাটে ভর দিয়ে হাঁটু মুড়ে বসে পড়লেন কেএল রাহুল। খেলা শেষ! ম্যাচ জিতে গিয়েছে ভারত। তবুও যেন ক্রিজ ছাড়তে চাইছিলেন না তিনি। ম্যাচের পর কথা বলতে এসে রাহুল জানালেন, তিনি চার মারতে চেয়েছিলেন। ছয় হয়ে যাবে বুঝতে পারেননি। দিনের শেষে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকলেন রাহুল। আর মাত্র তিন রান। তাহলেই যেন ষোল কলা পূর্ণ হত।

    প্রথমে চার, তারপর ছয় 

    ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে রাহুল বলেন,  “শটটা বেশ জোরেই মেরেছিলাম। আসলে শেষের দিকে হিসাব কষে এগোচ্ছিলাম যে কী ভাবে শতরান করতে পারি। একমাত্র উপায় ছিল চার এবং ছয় মারা। কিন্তু শতরান না করায় কোনও আক্ষেপ নেই। দল জিতেছে এটাই বড় কথা।” তবে আক্ষেপ একটু হচ্ছে তো! রাহুলের কথায়,  ‘আমি খুব ভালো টাইমিং করে ফেলেছিলাম। আমি শতরান করতে চাইছিলাম। সেজন্য প্রথম চার মারতে চাইছিলাম। তারপর একটা ছক্কা মারতে চাইছিলাম। আশা করছি যে অন্য কোনওবার সেই শতরান করে ফেলব।’

    আরও পড়ুন: বিরাটের ক্যাচ ফস্কানোই কাল! মানছেন কামিন্স, দাপুটে জয়ের পরও চিন্তায় রোহিত

    রাহুলের কথায়, তিনি যখন ব্যাট করতে নেমেছিলেন তখন ২ রানে ৩ উইকেট ভারত ধুঁকছে। ওই পরিস্থিতি থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনেক দলই হেরে যাবে। কিন্তু বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর ১৬৫ রানের জুটি ভারতকে হারতে দিল না। সাফল্যের রহস্য কী? রাহুল বললেন, “সত্যি বলতে খুব বেশি কোহলির সঙ্গে কথা বলিনি। ৫০ ওভার কিপিং করার পর ভেবেছিলাম স্নান করার পর একটু বিশ্রাম নেব। সেটা আর হয়নি।” রাহুলের সংযোজন, “ক্রিজে নামার পর কোহলি বলেছিল পিচে প্রাণ রয়েছে। তাই কিছুক্ষণ টেস্টের মতো খেলতে। শুরুর দিকে নতুন বলে পেসারেরা ভাল সাহায্য পাচ্ছিল। স্পিনারেরাও ঘূর্ণি পেয়েছে। শেষ ১৫-২০ ওভারে শিশিরের সাহায্য পেয়েছি। ব্যাট করার পক্ষে সহজ উইকেট ছিল না। তবে ক্রিকেট খেলার পক্ষে ভাল উইকেট।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: ‘‘এটা আমাদের ৯/১১’’! বলল ইজরায়েল, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মৃতের সংখ্যা ১১০০ পার

    Israel Hamas War: ‘‘এটা আমাদের ৯/১১’’! বলল ইজরায়েল, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মৃতের সংখ্যা ১১০০ পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে (Israel Hamas War) মৃত্যুর সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ১১০০ ছাড়িয়েছে। আহতের সংখ্যা আরও কয়েক হাজার বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের ওপর হামাসের হামলার পরই যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ৫০ বছর পর এই প্রথম কোনও সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করল তেল আভিভ।

    জঙ্গি-হামলায় বিধ্বস্ত ইজরায়েল

    শনিবার ভোর ৬টা (স্থানীয় সময়)। গাজা থেকে ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে আসে মুহুর্মুহু রকেট। ২০ মিনিটে ৫ হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করা হয় ইজরায়েলের ওপর। শুধু রকেট হামলাই নয়, প্যারাগ্লাইডারে চেপে সীমান্ত পেরিয়ে ইজরায়েলে ঢুকে শয়ে-শয়ে হামাস জঙ্গি। হামলা চালানো হয় সমুদ্রপথেও (Israel Hamas War)। তেল আভিভের রাস্তা কোথাও রকেট হানায় জ্বলছে, তো কোথাও জঙ্গিরা অ্যাসল্ট রাইফেল হাতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নির্বিচারে ঘরে ঢুকে নিরীহ বাসিন্দাদের মারা থেকে শুরু করে ইজরায়েলিজের অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে হামাসের বিরুদ্ধে (Israel Situation)। এই সংক্রান্ত বহু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও মাধ্যম সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। হামলার দায় স্বীকার করে নেয় প্যালেস্তিনীয় জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের শীর্ষনেতা ইসমাইল হানিয়ে। গোষ্ঠীর তরফে এই হামলাকে ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘ইজরায়েলের পাশে ভারত’, বার্তা মোদির

    ‘‘এটা আমাদের ৯/১১’’, বললেন সেনা মুখপাত্র 

    ইজরায়েল জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে একটি মিউজিক ফেস্টিভ্যাল চলছিল। সেখানে আচমকা হামলা চালিয়ে অন্তত ২৬০ জনকে নির্বিচারে হত্যা করেছে হামাস জঙ্গিরা। হামলার পর পরই প্রাথমিকভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘোষণা (Israel Hamas War) করে ইজরায়েল। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, হামাসের হামলায় এখনও পর্যন্ত ইজরায়েলে মৃত্যু হয়েছে ৭০০-র বেশি। ইজরায়েলের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, গত ৩৬ ঘণ্টায় জঙ্গি মোকাবিলায় প্রাণ হারিয়েছেন তাদের বহু সেনা ও পুলিশকর্মী। হাসপাতালে ২ হাজারের বেশি আহতের চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা সঙ্কটজনক। ইজলায়েলের শতাধিক সাধারণ নাগরিক ও সেনাকর্মীকেও হামাস অপহরণ করে বন্দি করেছে বলে দাবি তেল আভিভের (Israel Situation)। ইজরায়েলের সেনা মুখপাত্র এই ঘটনাকে ভারতের ৯/১১ মুম্বই হামলার সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘এটা আমাদের ৯/১১। হামাস আমাদের সামরিক প্রতিষ্ঠানে হামলার করার সাহস দেখায়নি। ওরা সাধারণ নাগরিক, বয়স্ক, শিশুদের হত্যা করেছে।’’

    ৫০ বছর পর সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা ইজরায়েলের

    এর পর রবিবার সরকারিভাবে যুদ্ধ ঘোষণা (Israel Hamas War) করে তেল আভিভ। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ ঘোষণার মাধ্যমে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তার আগে, এই মর্মে ভোটদানের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইজরায়েলের মন্ত্রিসভা। প্রায় ৫০ বছর পর সরাসরি কোনও যুদ্ধ ঘোষণা করল ইজরায়েল। নেতাহিয়াহু একটি বার্তায় হামলাকে ইজরায়েলের কালো দিন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিজ্ঞা করেন, এর জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘হামাসকে ধ্বংস করতে সর্বশক্তি লাগিয়ে দেবে ইজরায়েল সেনা।’’ সরকারিস্তরে যুদ্ধ ঘোষণা (Israel Situation) হতেই হামাস পরিচালিত গাজায় হামাসের ঘাঁটিতে জবাবি ‘লৌহ তলোয়ার’ অভিযান চালায় ইজরায়েলি বায়ুসেনা, স্থলসেনা। ইজরায়েলি জবাবে কার্যত ধ্বংস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, ইজরায়েলি হামলায় গাজায় মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। 

    হামাসকে ‘শিক্ষা’ দিতে  ভূমধ্যসাগরে মার্কিন ফ্লিট

    এদিকে, হামাসের হামলায় ইজরায়েলে নিহত হয়েছেন বহু মার্কিন নাগরিকও। এই ঘটনার পরই নড়চড়ে বসেছে ওয়াশিংটন। রবিবারই ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হামাসকে ‘শিক্ষা’ দিতে ও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়াতে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে রণতরীর একটি বিশাল ফ্লিট পাঠালো পেন্টাগন (Israel Hamas War)। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লিটে একটি বিমানবাহীন রণতরী রয়েছে। এছাড়া রয়েছে শক্তিশালী গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ও গাইডেড মিসাইল ক্রুজার। এর পাশাপাশি, সন্ত্রাসী হামলায় হামাসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইজরায়েলে রকেট হামলা চালিয়েছে লেবানেনের জঙ্গিগোষ্ঠী হেজবোল্লাও। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে মধ্য প্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: বিরাটের ক্যাচ ফস্কানোই কাল! মানছেন কামিন্স, দাপুটে জয়ের পরও চিন্তায় রোহিত

    India vs Australia: বিরাটের ক্যাচ ফস্কানোই কাল! মানছেন কামিন্স, দাপুটে জয়ের পরও চিন্তায় রোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুমরাহ, কুলদীপ, জাদেজার দুরন্ত বোলিং। স্কোরবোর্ডে অজিদের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য দরকার মাত্র ২০০ রান। চিপকে চলছে আনন্দ উৎসব। হঠাতই স্তব্ধ চিপক। প্রথম ২ ওভারে ২ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে ভারত।  সেখান থেকেই শুরু বিরাট-রাজ। সঙ্গে ধীর স্থির লোকেশ রাহুল। ফের যেন গেল গেল রব। ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় হ্যাজেলউডের বলে ক্যাচ তুলে দিলেন বিরাট। সহজ ক্যাচ মিস করেন মিচেল মার্শ। ম্যাচ শেষে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও মেনে নিলেন যে বিরাটের ক্যাচ মিসই কাল হল অজিদের। সেখানে থেকে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও কে এল রাহুল (K L Rahul) মিলে দলের স্কোরকে টেনে নিয়ে যান জয়ের দোরগোড়ায়। ৮৫ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন কে এল রাহুল। 

    কী বলছেন কামিন্স

    কামিন্স বলছেন, ”আমি এই ক্যাচ মিসের বিষয়টা ইতিমধ্যেই ভুলে গিয়েছি। মার্শ যেমন প্লেয়ার, তাতে ওই ক্যাচটা নিলে হয়ত ম্যাচের ছবিটা অন্যরকম হত। হ্যাজেলউড বিশ্বমানের বোলার। ভারতীয় ব্যাটারদের সামনে অনেক কঠিন প্রশ্ন রেখেছে ও। ১০ রানের মধ্যে ৪ উইকেট যদি পড়ে যেত তবে খুবই ভাল হত। তবে তা হয়নি। ওদের বিশ্বমানের বোলিং অ্যাটাক। তিন স্পিনারই দুর্দান্ত বোলিং করেছে।” বোর্ডে পর্যাপ্ত রান ওঠেনি? কামিন্সের কথায়, “আমার মনে হয় যে ৫০ রান কম ছিল বোর্ডে। আর ৫০ রান বেশি হলে হয়ত আরও লড়াই করার পরিস্থিতি থাকত।”

    জয়ের পরও চিন্তা

    জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই তারা অস্ট্রেলিয়াকে হারাল। এই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন ভারতীয় বোলাররা। বিশেষ করে রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব এবং জসপ্রীত বুমরাহরা। ভারতীয় বোলারদের দাপটের ফলে মাত্র ১৯৯ রানে গুটিয়ে যায় অজিরা। ডেভিড ওয়ার্নার ৪১ এবং স্টিভ স্মিথ ২৬ রান করেন। এছাড়া আর কেউই বড় রান করতে পারেননি। তবুও ভারতীয় টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ফের ধরা পড়ল। একটা সময় ম্যাচ হেরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির তৈরি হয়। কিন্তু তা হতে দেননি বিরাট এবং রাহুল। এই দুই ব্যাটার নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে জেতান।

    ম্যাচ শেষে ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘আমি বেশ নার্ভাস ছিলাম। কেউ চায় না এই ভাবে নিজের ইনিংসটা শুরু হোক। অজি বোলারদের কৃতিত্ব দেওয়া উচিত, কারণ তারা ভালো জায়গায় বল করেছে। তবে এটাও ঠিক এই স্কোরে কিছু ঢিলেঢালা শটও ব্যবহার করা হয়ছে। কারণ এটা মোটেই বড় টার্গেট ছিল না। তবে সেই সব শটগুলি পাওয়ারপ্লেতে সম্ভব। তবে বিরাট এবং রাহুলকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। ওরা যে পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ জিতিয়েছে, তা এক কথায় অসাধারণ।’

    কীভাবে শেষ চারে

    প্রতিটা দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। সবার ম্য়াচ খেলা হলে পয়েন্টের দিক থেকে শীর্ষ স্থানে থাকা চারটে দল যাবে সেমিফাইনালে। প্রতিটা দল একটা করে তাদের ম্যাচ খেলে ফেলেছে। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। এরপর রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, নেদারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড। এদের মধ্য়ে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারতের পয়েন্ট ২ করে। এই পাঁচটা দল ম্যাচ জিতেছে। তবে নেট রান রেটের জন্য নিউজিল্যান্ড শীর্ষে আর ভারত পঞ্চম স্থানে। নেট রান রেটের উপর নির্ভর করবে পরের রাউন্ডে যাওয়া।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল ৯১তম এয়ার ফোর্স (IAF Foundation Day) প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এদিন সকালে প্রয়াগরাজের বামরাউলি এয়ারফোর্স স্টেশনে প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে প্যারেড করেন এয়ারফোর্সের সদস্যরা। এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে ৯১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। আমাদের বায়ুযোদ্ধাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। ভারতকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে এঁরা তাৎপর্যপূ্র্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ভারতীয় বায়ুসেনা আজ অদম্য শক্তি। সীমান্ত ছাড়িয়েও ক্ষমতা দেখিয়েছে তারা। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে বায়ুসেনাদের শুভেচ্ছা জানাই।”

    কী বললেন রাজনাথ সিংহ?

    এক্স হ্যান্ডেল বার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ লিখেছেন, “স্টিলের ডানা এবং অন্তর থেকে উঠে আসা সাহসের জেরে ভারতীয় বায়ু সেনা যুদ্ধের সময় দেশের স্বার্থ বজায় রেখে চলেছে। এই পবিত্র অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের সেবা ও বলিদানকে কুর্নিশ করি।”

    যোগীর ট্যুইট-বার্তা 

    ভারতীয় বায়ুসেনাকে (IAF Foundation Day) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহসী সেনানি ও তাঁদের পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমরা সবাই তাঁদের সাহসিকতার সোনালি ইতিহাস সম্পর্কে গর্ববোধ করি। ভারত মাতাই এই সব বীর সন্তানদের জন্ম দিয়েছে। জয় হিন্দ।”

    ১৯৩২ সালের ৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয় ভারতীয় এয়ারফোর্সের। তার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি পালন করে ভারতীয় বায়ু সেনা। পরাধীন ভারতে রয়্যাল এয়ারফোর্সের সমর্থনে গড়া হয়েছিল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রতিষ্ঠা বর্ষের পরের বছরই অপারেশন চালিয়েছিল তারা।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে বায়ুসেনা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকরও। ভিডিও বার্তায় তিনি (IAF Foundation Day) বলেছেন, “ভারতীয় বায়ুসেনার ৯১তম পূর্তি দিবসে আমি বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাই। ভারতীয় বায়ুসেনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই কারণ তারা আমাকে তাদের পোশাক গায়ে চাপানোর সুযোগ দিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আকাল প্লেটলেটের, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    Dengue: হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আকাল প্লেটলেটের, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। কলকাতা লাগোয়া হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি। আক্রান্ত হয়ে বহু রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এরইমধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলিতে প্লেটলেটের অভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতার সরকারি হাসপাতাল থেকে প্লেটলেট আনতে হচ্ছে।

    কী বললেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক? (Dengue)

    হাওড়া জেলা হাসপাতাল সূত্রের খবর, দৈনিক ২৫-২৭ জন ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় শয্যার পাশাপাশি প্লেটলেটেরও অভাব দেখা দিয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলেন, বুধবার মাত্র এক দিনে আট জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ভর্তি হয়েছেন। ডেঙ্গি রোগীর পাশাপাশি অন্য রোগীদের পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ক্লাব বা সংগঠনগুলি রক্তদান শিবিরের আয়োজন না করায় হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে প্লেটলেট নেই বললেই চলে। এসএসকেএম থেকে ২০ ব্যাগ প্লেটলেট আনিয়ে পরিস্থিতি সামলানো হয়েছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্লেটলেট সাধারণত চার দিনের বেশি রাখা যায় না। নষ্ট হয়ে যায়। রবিবার যে রক্তদান শিবির হয়, সেখান থেকে প্লেটলেট নিয়ে টেনেটুনে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চালানো যায়। পরের তিন দিন চরম সঙ্কট হয়।

    হাওড়া পুরসভার কর্তা কী বললেন?

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৯তম সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৮৭। ৪০ তম সপ্তাহে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩০০। এই পুর এলাকায় যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তা মানছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও। নতুন করে যে ওয়ার্ডগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্ত বাড়ছে, সেগুলি হল ২৫, ৪২, ৪৯ এবং ৫০ নম্বর। শনিবারই ডেঙ্গি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাওড়ার শরৎ সদনে পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত সচিব জলি চৌধুরী। হাওড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানান, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। সরকারি আবাসনের চত্বর পরিষ্কার রাখার জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবর্জনা পরিষ্কারে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে তৃণমূলের ধর্না কীভাবে? নবান্নে চিঠি রাজভবনের  

    Abhishek Banerjee: ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে তৃণমূলের ধর্না কীভাবে? নবান্নে চিঠি রাজভবনের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের গেটের বাইরে রয়েছে ১৪৪ ধারা। তার পরেও কীভাবে তৃণমূল মঞ্চ বেঁধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে? তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) রাজভবনের গেটের সামনে ধর্নায় বসার পর এমনই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতিও ১৪৪ ধারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এবার একই প্রশ্ন তুলে নবান্নকে চিঠি পাঠাল রাজভবন।

    নবান্নকে চিঠি রাজভবনের

    চিঠি লেখা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় ফিরছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার আগেই রাজভবনের তরফে চিঠি গেল নবান্নে। চিঠিতে মূলত তিনটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এক, ১৪৪ ধারা কার্যকর রয়েছে এমন এলাকায় মঞ্চ বেঁধে ধর্নার অনুমতি কি কলকাতা পুলিশ দিয়েছিল? দুই, যদি দেওয়া হয়, তবে কে দিলেন এবং কোন আইন বলে? তিন, যদি অনুমতি ছাড়াই ধর্নামঞ্চ বাঁধা হয়ে থাকে এবং তিনদিন ধরে বিক্ষোভ জমায়েত চলতে থাকে তাহলে পুলিশ এর বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রশ্নগুলি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চেয়েছে রাজভবন।

    কী বললেন সুকান্ত? 

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এ রাজ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য যে সব বেআইনি কাজই আইন, তা বুঝিয়ে দিয়েছে পুলিশের ভূমিকা। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভারতীয় সংবিধানের কাছে তিনি নেংটি ইঁদুর ছাড়া আর কিছুই নন।” প্রসঙ্গত, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে বঞ্চনা ও আবাস যোজনা ইস্যুতে রাজভবনের নর্থ গেটের সামনে ধর্নায় বসেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। পঞ্চাশ থেকে একশো মিটারের মধ্যেই চলছে সেই অবস্থান বিক্ষোভ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতানেত্রীরা।

    আরও পড়ুুন: প্রশাসনিক প্রধান রূপে ২২ বছর পূর্ণ, প্রধানমন্ত্রী পদে রেকর্ড তৈরির পথে নরেন্দ্র মোদি

    কয়েকদিন ধরে চলা এই বিক্ষোভ নিয়েই এবার কড়া মনোভাব পোষণ করল রাজভবন। শনিবার সন্ধ্যায় দার্জিলিংয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন রাজ্যাপালের সঙ্গে। রবিবার তিনি কলকাতায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সন্ধ্যার বিমানে বাগডোগরা থেকে কলকাতা আসার কথা। তার ঠিক আগেই রাজভবনের তরফে চিঠি গেল নবান্নে। প্রসঙ্গত, পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় রবিবার সিবিআই হানা দেয় কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে। এদিনই সিবিআই হানা দিয়েছে মদন মিত্রের বাড়িতেও। এহেন আবহে রাজভবনে ফিরছেন (Abhishek Banerjee) রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flash Flood: ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা থেকে উদ্ধার আরও ১১টি দেহ, সিকিমের হড়পা বান যেন দুঃস্বপ্ন!

    Sikkim Flash Flood: ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা থেকে উদ্ধার আরও ১১টি দেহ, সিকিমের হড়পা বান যেন দুঃস্বপ্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার হড়পা বানে সিকিমে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় (Sikkim Flash Flood) নেমে আসে। সেই সঙ্গে উত্তর সিকিমে হ্রদ ভেঙে পড়ে। জলপাইগুড়ির তিস্তায় নেমে আসে মেঘভাঙা বৃষ্টির জলের তোড়। পাহাড়ের প্রভাব সমতলেও ভয়ঙ্করভাবে পড়ে। আগ্রাসী তিস্তা পাহাড় থেকে সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে আসে নিচে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। গত ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার হয়েছে আরও ১১ টি দেহ। এইসব মিলিয়ে মোট মৃতদেহের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শামা পারভিন জানিয়েছেন, ১১ টি দেহের মধ্যে ১০ টি শনাক্তকরণ করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে বন্যার জলে রোজই ভেসে আসছে দেহ। এলাকার মানুষ এখনও আতঙ্কে রয়েছেন।

    জলপাইগুড়ি প্রশাসনের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৮ অক্টোবর দুপুর ১২ টা পর্যন্ত শেষ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে তিস্তা থেকে বানের জল থেকে মোট ৪১ টি মৃতদেহ (Sikkim Flash Flood) পাওয়া গেছে। গত কয়েকদিন যেন তিস্তা একটি লাশের নগরীতে পরিণত হয়েছে। যেদিকে নজর যায়, সেই দিকেই কেবল ধ্বংস এবং বিপর্যয়ের চিত্র চোখে পড়েছে। গতকাল শনিবারেও ৩ টি দেহ উদ্ধার করা হয়। শবদেহগুলি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। যারা যারা নিখোঁজ হয়েছেন, তাদের খোঁজ চলছে। সেনাকর্মী, প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী একযোগে উদ্ধারকাজ করছে বলে জানা গেছে।

    ভয়ঙ্করী তিস্তা (Sikkim Flash Flood)

    গত মঙ্গলবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তছনছ হয়ে গেছে সুন্দর সাজানো সিকিম (Sikkim Flash Flood)। তার প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গ জুড়ে। জলের আঘাতে ভেঙে গেছে জাতীয় সড়ক। পাহাড়ের জল তিস্তায় পড়ে জলের উচ্চতা বৃদ্ধি হয়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর, গাছপালা সবকিছু। ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে প্রকৃতি। আটকে পড়েছেন প্রচুর পর্যটক। কার্যত হোটেলে বসেই প্রহর গুনতে হচ্ছিল কলকাতা- হাওড়ার পর্যটকদের। প্রকৃতিক বিপর্যয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সিকিম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share