Blog

  • Financial Rule Change: এটিএম থেকে জিএসটি— আজ থেকে বদল হচ্ছে একাধিক নিয়মে, জানেন তো?

    Financial Rule Change: এটিএম থেকে জিএসটি— আজ থেকে বদল হচ্ছে একাধিক নিয়মে, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি মাসের শুরুতেই আর্থিক নিয়মে (Financial Rule Change) বেশ কিছু বদল হয়, যার প্রভাব সরাসরি পড়ে আমাদের পকেটে। মে মাসের শুরু থেকে কোন কোন নিয়মে পরিবর্তন আসছে, দেখে নেওয়া যাক। GST, মিউচুয়াল ফান্ড এবং ব্যাঙ্কিং সহ অনেক জায়গায় বড় পরিবর্তন আসছে। 

    GST-এর নিয়মে কী পরিবর্তন ঘটবে?

    এখনও অবধি GST চালান তৈরি এবং আপলোড করার তারিখের জন্য কোনও সীমা নির্দিষ্ট করা ছিল না। কিন্তু এবার মে মাসের শুরু থেকেই ব্যবসায়ীদের জন্য GST নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। নতুন নিয়ম অনুসারে, ১০০কোটি টাকার বেশি টার্নওভার সহ কোম্পানিগুলির জন্য ৭ দিনের মধ্যে চালান রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে (IRP) লেনদেনের রশিদ আপলোড করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    রান্নার গ্যাসের দামের পরিবর্তন

    প্রতি মাসের শুরুতেই কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি, সিএনসি-পিএনজির দাম পরিবর্তন করে নতুন দাম নির্ধারণ করে। যদিও গত মাসে দেশীয় সিলিন্ডারের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৯১.৫০ টাকা কমানো হয়েছিল। এবারে এলপিজির পাশাপাশি সিএনজি-পিএনজির দামেও পরিবর্তন আসতে পারে। দিল্লি, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ে দাম পড়ছে যথাক্রমে ১,১০৩ টাকা, ১,১০২.৫ টাকা এবং ১,১১৮.৫ টাকা। অন্যদিকে কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই এবং মুম্বইয়ে ভর্তুকিহীন ১৯ কেজির দাম যথাক্রমে ২,১৩২ টাকা, ২,০২৮ টাকা ১,৯৮০ টাকা এবং ২,১৯২.৫ টাকা পড়ছে বলে জানা যাচ্ছে।

    মিউচুয়াল ফান্ডে কেওয়াইসি করা প্রয়োজন

    মে মাসের ১ তারিখ থেকে মিউচুয়াল ফান্ডে ই-ওয়ালেটের ক্ষেত্রে কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করে দিচ্ছে ভারতের বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া)। সেবির তরফে জানানো হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নির্ধারিত কেওয়াইসির নিয়ম মেনে সেই ই-ওয়ালেট বজায় রাখতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেবি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেনের জালিয়াতি কমবে। আরও সুরক্ষিত হবে লেনদেন।

    পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকলে ATM -এ চার্জ দিতে হতে পারে

    পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যদি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকে এবং তারপরেও গ্রাহক এটিএম থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করেন সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তরফে চার্জ করা হবে। চার্জ হিসাবে জিএসটি সহ দিতে হবে ১০ টাকা। পিএনবির তরফে জানানো হয়েছে, এটিএম লেনদেন ব্যর্থ হওয়ার পরে অভিযোগ জমা পড়ার সাতদিনের মধ্যে বিষয়টির সমাধান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার বড়ই অভাব। বিশেষ করে এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এই বিষয়ে উদাসীন। তাই পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। পাশাপাশি জীবনে সুস্থ থাকতে গেলে যোগাসনের যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা সকলকে জানাতে পায়ে হেঁটে সারা দেশ ভ্রমণে (Travel) বেরিয়েছেন কর্ণাটকের বছর ঊনত্রিশ এর যুবক কৃষ্ণা নায়েক। তামিলনাড়ু , তেলেঙ্গানা, ছত্রিশগড়, ওড়িশা পেরিয়ে এখন তিনি এই রাজ্যের হুগলিতে।

    কবে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন পরিবেশপ্রেমী যুবক?

    গত ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে কর্নাটকের মহীশূর থেকে তিনি পথ চলা শুরু করেন। ভারতবাসীকে পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও যোগাসনে শরীর সুস্থ রাখার বার্তা দিতে ২৮টি রাজ্যে পায়ে হেঁটে ভ্রমণের (Travel) সিদ্ধান্ত নেন মহীশূরের এই যুবক। কর্নাটকের মহীশূর থেকে পায়ে হেঁটে গত ৬ মাসে ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন কৃষ্ণা। স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মোট ২ বছরে ২৮ টি রাজ্য পাড়ি দেবেন তিনি। ইতিমধ্যেই পার করেছেন কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, ছত্রিশগড়, উড়িষ্যা রাজ্য। যাওয়ার পথে প্রতিটি রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের শেখাচ্ছেন যোগাভ্যাস এবং ছাত্র ছাত্রীদের দিচ্ছেন নিজের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ। সিঙ্গুর হয়ে তিনি শৈব তীর্থ তারকেশ্বরে এসে পৌঁছলে, তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তারকেশ্বর থানার ওসি অনিল রাজ। তারকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় ও ইছাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতার বার্তা দেন তিনি।

    কী বার্তা দিলেন তিনি?

    এবিষয়ে কৃষ্ণা নায়েক বলেন, প্রতিদিন হেঁটে আমি ৩০ কিলোমিটার যাই। যোগব্যায়ামের সুবিধা সম্পর্কে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ এর বিষয়ে যুব সমাজকে সচেতন করি। যোগব্যায়াম আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানসিক চাপ কমায়, পাশাপাশি একজন ব্যক্তিকে ভাল শারীরিক গঠনে সহায়তা করে। একসময় আমি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলাম এবং খুব বেশি ক্রিকেট খেলার ফলে ছাত্রজীবনে পিঠে ব্যথা হয়। ব্যথার জন্য ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করি, তখন তাঁরা সবাই আমাকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি অস্ত্রোপচার করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। তাই, আয়ুর্বেদ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন আমাকে নিয়মিত যোগব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। প্রায় ২ বছরের যোগাসন শেখার পর আমার সেই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষকে যোগ শেখানোর জন্য কৃষ্ণম যোগ ইনস্টিটিউট স্থাপন করি। এখন সমস্ত বয়সের ৩০ জনেরও বেশি আমার ওই প্রতিষ্ঠানে যোগ শিখছেন। যোগ ভারতের আদি পরম্পরা, সকলকে সেই বার্তা দিতেই আমার এই দেশ ভ্রমণ (Travel)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LPG Price: সস্তা রান্নার গ্যাস! আজ থেকে কমল সিলিন্ডারের মূল্য, কলকাতায় দাম কত?

    LPG Price: সস্তা রান্নার গ্যাস! আজ থেকে কমল সিলিন্ডারের মূল্য, কলকাতায় দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোটেল-রেস্তরাঁর রান্নার বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের (১৯ কেজি) দাম কমল আরও ১৭১.৫০ টাকা। রবিবার রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি মে মাসের জন্য বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডার ১৭১.৫০ টাকা কমানোয় কলকাতায় সেটি কেনার খরচ দাঁড়াল ১৯৬০.৫০ টাকা। এপ্রিলেও তার দর ৮৯.৫০ টাকা কমানো হয়েছিল।

    গ্যাসের দাম কোথায়, কত!

    কলকাতায় আজ, সোমবার থেকে ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২,১৩২ টাকা থেকে কমে দাঁড়াল ১৯৬০.৫০ টাকা। এদিকে আজ থেকে দিল্লিতে ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমে দাঁড়াল ১৮৫৬.৫০ টাকা। এদিকে চেন্নাইতে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমে হল ২০২১ টাকা। মুম্বইতে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১৯৮০ থেকে কমে ১৮০৮ টাকা হল। এদিকে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমলেও ১৪.২ কেজি ওজনের ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিতই থেকে গেল এবারও। অর্থাৎ ১৪.২ কেজি ওজনের ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১১২৯ টাকাই থাকছে কলকাতায়।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    পেট্রোল-ডিজেলের দাম কোথায়, কত!

    নিয়ম অনুসারে প্রতি মাসে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পরিবর্তিত হয়। মার্চ মাসে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন অবশ্য ঘরোয়া গ্যাসের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়েছিল সংস্থাগুলি। যেহেতু কম দাম বাড়ানো হয়েছিল তাই এরপর বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দুধাপে কমালেও গৃহস্থের ব্যবহারের গ্যাসের দাম অপরিবর্তই রাখা হয়েছে। কলকাতায় পেট্রোলের লিটার প্রতি দাম ১০৬.০৩ টাকা এবং ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ৯২.৭৬ টাকা। দিল্লিতে পেট্রোলের লিটার প্রতি দাম ৯৬.৭২ টাকা এবং ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ৮৯.৬২ টাকা। চেন্নাইয়ে পেট্রোলের লিটার প্রতি দাম ১০২.৭৩ টাকা এবং ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ৯৪.৩৩ টাকা। মুম্বইয়ে পেট্রোলের লিটার প্রতি দাম ১০৬.৩১ টাকা এবং ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ৯৪.২৪ টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy) পোস্ট করা হয় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে। যার জেরে সোশাল মিডিয়ায় উঠল প্রতিবাদের ঝড়। নেটিজেনদের প্রবল সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে পড়ে পোস্টটি অবশ্য সরিয়ে নেয় ইউক্রেন। যদিও ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ছবি।

    মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy)…

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পোস্ট করা ছবিতে দু’টি অংশ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুটি অংশের মধ্যে প্রথমটিতে আকাশ জুড়ে ঘন কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয় অংশের ছবিতে উল্লম্ব মেঘের মধ্যে থেকে একজন মহিলাকে উঠে আসতে দেখা গিয়েছে। নারী মূর্তি জিভ বের করে আছেন, গলায় মুণ্ডমালা এবং যাঁর চুলের স্টাইল কিংবদন্তী হলিউড অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মতো।

    তীব্র ক্ষোভ নেটিজেনদের

    আর এই ছবি মাইক্রো ব্লগিং সাইটে পোস্ট হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। হিন্দুদের ভাবাবেগে চরম আঘাত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে ইউক্রেনকে বিভিন্ন ইস্যুতে সাহায্য করা উচিত কিনা, তাই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেট নাগরিকরা। এক নেটিজেন লেখেন, ‘‘এই কারণে ভারতকে পাশে পায় না ইউক্রেন।” আরেক জন লেখেন, “আমাদের বিশ্বাস ইউক্রেনের কাছে ব্যঙ্গের উপকরণ! এটাই তাদের কাছে Work of Art?” অপর এক নেটিজেন বলেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর বিশ্বাসে আঘাত করেছে এই বিকৃত ছবি। ইউক্রেনও হিন্দু ফোবিয়ায় আক্রান্ত!” শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও ট্যুইটারের CEO ইলন মাস্কের কড়া পদক্ষেপ দাবি করেছেন নেটিজেনরা। 

    কী বলল ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক?

    এই ইস্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক সর্বোচ্চ আধিকারিক লেখেন, “কয়েকদিন আগেই ইউক্রেনের উপ বিদেশমন্ত্রী দিল্লিতে এসেছিলেন। ভারতের কাছে সাহায্যও চান তিনি। কিন্তু তারপর যেটা হল, তাতে ইউক্রেনের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। ব্যঙ্গচিত্রের নামে গোটা বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতির উপর হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    Narendra Modi: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোড শো (Road Show) চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) কনভয় লক্ষ্য করে উড়ে এল মোবাইল ফোন। রবিবার বিকালে কর্নাটকের মাইসুরুতে (Mysuru) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় ফের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ফোনটি প্রধানমন্ত্রীর গায়ে লাগেনি। 

    মোদি-ময় কর্নাটক

    আগামী ১০ মে কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রবিবার সে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। পরে রোড শো-ও করেন। মাইসুরুর ঐতিহ্যবাহী ‘পেটা’ এবং গেরুয়া সাল পরিহিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একটি গাড়িতে করে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে-নাড়তে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। রাস্তার দু-পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা প্রধানমন্ত্রীর দিকে ফুল ছুড়ছিলেন। গোটা রাস্তা ভরে গিয়েছিল ফুলে। হঠাৎ করেই ফুলের সঙ্গে উড়ে আসে একটি মোবাইল ফোন। সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রক্ষীরা মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করে এবং নিরাপত্তা আরও বাড়ান। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    প্রাথমিক তদন্তের পর কর্নাটক পুলিশের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) দিকে ফোন ছোড়েন এক বিজেপি মহিলা কর্মীই। ওই মহিলার কোনও খারাপ মতলব ছিল না। স্রেফ উত্তেজনার বশে, ভুল করে ওই মহিলা মোবাইল ছোড়েন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) সদস্যরা সেই মহিলাকে ফোন ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি পুলিশের। যখন ফোনটি মোদির পাশ দিয়ে যায় তখন তিনি হাত নাড়ছিলেন। তাঁর হাতের একেবারে পাশ দিয়ে ফোনটা বেরিয়ে গিয়ে বিশেষ গাড়ির বনেটে পড়ে। সেই বিষয়টি নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীরও। দ্রুত এসপিজির কমান্ডোদের জানান তিনি। পুরো ঘটনার জেরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। মাস কয়েক আগে এই কর্নাটকেই রোড শোয়ের সময় মোদির নিরাপত্তা বলয় ভেঙে এক ব্যক্তি ঢুকে এসেছিলেন। বছরখানেক আগে পাঞ্জাবেও মোদির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ ধরা পড়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air India: বান্ধবীকে ককপিটে বসিয়ে মদ্যপান, ফূর্তি! পাইলটের ‘কীর্তি’তে এয়ার ইন্ডিয়াকে শো-কজ

    Air India: বান্ধবীকে ককপিটে বসিয়ে মদ্যপান, ফূর্তি! পাইলটের ‘কীর্তি’তে এয়ার ইন্ডিয়াকে শো-কজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাই-দিল্লি বিমানে (Air India) সুরক্ষাবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও-কে নোটিস দিল ডিজিসিএ। গত ২৭ শে ফেব্রুয়ারি দুবাই থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের পাইলট তাঁর এক বান্ধবীকে ককপিটে বসান এবং সেই সঙ্গে মদ্যপান করেন বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই বিমানেরই এক কর্মী। এই ধরনের অভিযোগ যে খুবই মারাত্মক, তা বুঝতে পারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাই সেই ঘটনাতেই কারণ দর্শাতে বলে নোটিস পাঠানো হল।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?  

    বিমানের (Air India) মধ্যে ককপিট কক্ষে সাধারণত বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যক্তির প্রবেশাধিকার থাকে না। কারণ এই কক্ষটি যাত্রীদের সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। এয়ার ইন্ডিয়ার এক চালক সুরক্ষাবিধি অমান্য করে ককপিটে তাঁর বান্ধবীকে নিয়ে মদ খেয়ে ফূর্তি করেন বলে জানা যায়। এবং এ নিয়ে ওই বিমানের এক কর্মী অভিযোগ করায় গত ২১ শে এপ্রিল এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যাম্বেল উইলসনকে ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) বিশেষ নোটিশ পাঠায়। বিমানের সুরক্ষাবিধি কীভাবে অমান্য করা হয়েছে, তা নিয়ে সংস্থার আধিকারিককে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষের অবস্থান 

    ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (DGCA) বিমানের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার বিষয়ে নজর রাখে। বিমান পরিষেবায় (Air India) যাত্রীদের জন্য সুরক্ষাবিধির বিশেষ গুরুত্ব থাকে। এই সুরক্ষার উপর বিমান পরিষেবার সম্মানও নির্ভর করে। সেই সঙ্গে থাকে বিশ্বাসযোগ্যতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ। তাই এই অভিযোগ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিনা অনুমতি এবং বিশেষ কারণ ছাড়া ককপিটে বসার আদেশ থাকে না। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে তা যে অমান্য করা হয়েছে, তা পরিষ্কার। এই বিষয় নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের একটি অংশও এই নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করছে। তদন্তের ফলাফল কী হয়, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ১ বছর ধরে তিনি প্রায় রোজই খবরের শিরোনামে থাকেন। রাজ্যের বহুচর্চিত নাম কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশ তাঁকে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ভীষণ রকমের জনপ্রিয় করে তুলেছে। দিন কয়েক আগেই এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখা গেল খাস কলকাতার বুকে। বেহালায় হোর্ডিং পড়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নামে। এবার বোলপুরের এক ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল তাঁর আবক্ষ মূর্তি। জীবন্ত মানুষকে বসিয়ে মাটি দিয়ে ভাস্কর্য নির্মাণ কর্মশালা চলছে৷ সেখানে ছবি থেকে তৈরি করা হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) মূর্তি৷

    কী বলছেন শিল্পীরা?

    তিনি এখন ‘প্রতিবাদী মুখ’ তাই এই ভাস্কর্য নির্মাণ, বলছেন মৃৎশিল্পীরা। বীরভূমের দুবরাজপুরের কবিরাজপাড়ার বাসিন্দা শিল্পী ঝুলন মেহেতরী। ২০১৫ সাল থেকে বোলপুরের জাম্বুনীতে বসবাস করেন৷ বেসরকারি একটি আর্ট প্রতিষ্ঠান থেকেই শিল্পকর্মে হাতে খড়ি৷ মূলত তাঁর উদ্যোগেই বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহের শান্তিদেব কক্ষে শুরু হয়েছে দুদিনের ভাস্কর্য কর্মশালা। জীবন্ত মানুষকে সামনে বসিয়ে মাটি দিয়ে তার অবয়ব নির্মাণের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন শিল্পীরা৷ পাশাপাশি, এই কর্মশালায় দেখা গেল মাটি দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) আবক্ষ মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পীরা। ছবি দেখে এই মূর্তি নির্মাণ করা হয়৷ শিল্পীরা জানান, “এই মুহূর্তে রাজ্যের একজন ‘প্রতিবাদী মুখ’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাই অন্যান্য ভাস্কর্যের পাশাপাশি তারও মূর্তি বানানো হল এই কর্মশালায়।” একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Justice Abhijit Ganguly) নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে এই নির্দেশ দিয়েছে। তারপর থেকে আরও চর্চায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্কুলের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে মাত্র দুদিন! আর তার মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে ন’জন পড়ুয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৯ পড়ুয়ার আত্মহত্যার এই ঘটনায় চিন্তিত গোটা দেশ। তবে, অন্ধপ্রদেশের এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়। শুধু স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেই নয়, আইআইটি এবং মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে মানসিক অবসাদ (Mental Disorder) ও আত্মহত্যার প্রবণতা! 

    কী বলছে তথ্য? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, এক বছরে গোটা দেশের সবকটি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ৩৩ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের তথ্যও চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রতি বছর গড়ে ৩৫০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া আত্মহত্যা করছেন। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১৩,০৮৯ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর এই আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। আত্মহত্যার এই পরিসংখ্যানে ৪৩ শতাংশ ছাত্রী এবং ৫৬ শতাংশ ছাত্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ৮১ শতাংশ পড়ুয়া মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) শিকার। তাদের বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা, বিষাদ এবং নানান অবসাদ গ্রাস করে। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আত্মহত্যা মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কিন্তু যাঁরা আত্মহত্যা করছেন না, তাঁরা যে সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন, এমন ভাবা যায় না। মানসিক অবসাদ পড়ুয়াদের মধ্যে মারাত্মকভাবে বাড়ছে। তার ভয়ানক বহিঃপ্রকাশ হল আত্মহত্যা।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তান মানসিক অবসাদগ্রস্ত? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সন্তানের জীবনযাপনের ধরনের মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সতর্ক হোন অভিভাবক। যেমন, ঘুমের অভ্যাসে যদি অতিরিক্ত পরিবর্তন হয়, তাহলে বুঝতে হবে সন্তান মানসিকভাবে অস্থির আছে। যেমন দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো কিংবা সারারাত জেগে থাকার মতো ঘটনা ঘটলে সজাগ হতে হবে।খাদ্যাভ্যাসের বদল হলে সতর্কতা জরুরি। অবসাদগ্রস্ত মানুষ অনেক সময়ই প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খান। তাই খাবারের পরিমাণে যদি হঠাৎ মারাত্মক পরিবর্তন হয়, তাহলেও সতর্ক হওয়া জরুরি। যদি অতিরিক্ত রাগ বা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ হয়, তাহলেও বুঝতে হবে কোনও সমস্যা (Mental Disorder) হচ্ছে। হঠাৎ আবেগতাড়িত হয়ে পড়া, কিংবা সামান্য বিষয়ে নিরাশ হয়ে পড়লে, অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। কোনও ভাবেই তাদের একা থাকতে দেওয়া যাবে না। তাদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে হবে। তারা কোনও সমস্যাতেই একা নয়, অভিভাবক তাদের পাশে আছে, এই আশ্বাস তাদের দিতে হবে। তবেই তাদের নিরাপত্তাহীনতা কাটবে। যা মানসিক অবসাদ মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা জটিল মনে হলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত (Mental Disorder) হলে তাকে আরও বেশি নানান কাজের মধ্যে যুক্ত রাখতে হবে। যাতে তার শরীর ও মন সক্রিয় থাকে। সে ইতিবাচক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত থাকে। গান, ছবি আকার মতো সৃজনশীল কাজে সময় কাটাতে হবে। নিয়মিত যোগ্যাভাসে অভ্যস্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগ শুধু শরীর নয়, মনকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ‘আমার দিকে অনেক বন্দুক তাক করা আছে’, প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গে সলমন

    Salman Khan: ‘আমার দিকে অনেক বন্দুক তাক করা আছে’, প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গে সলমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড তারকা সলমন খানকে (Salman Khan) ফের প্রাণনাশের (Death Threat) হুমকি। গ্যাংস্টারদের হিটলিস্টে রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সলমানকে মেইল পাঠিয়েছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং। তার পরে পরেই ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এই বলিউড নায়ককে। মুম্বই (Mumbai) পুলিশই (Police) এই নিরাপত্তা দিয়েছে তাঁকে। বান্দ্রা থানায় এ ব্যাপারে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। মেইলে পাঠানো বার্তায় ওই গ্যাং জানিয়েছে, তাঁরও (সলমনের) পরিণতি হবে সিধু মুশেওয়ালার মতো। সলমন বলেন, আমি জানি যা হওয়ার, তা হবেই। হাজার চেষ্টা করেও লাভ নেই। অনেক বন্দুক তাক করা আছে। তাই এই নিরাপত্তা। তবে নিরাপত্তা না নিয়ে আমি কোথাও যাই না।

    সলমন খান (Salman Khan) বলেন…

    সম্প্রতি একটি বৈদ্যুতিন সাংবাদ মাধ্যমের ‘আপ কী আদালত’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সলমন (Salman Khan)। তিনি বলেন, নিরাপত্তাহীনতার চেয়ে নিরাপত্তা ভাল। হ্যাঁ, আমার নিরাপত্তা রয়েছে। তাই এখন আর একা একা রাস্তায় সাইকেল নিয়ে বের হতে পারি না। নিরাপত্তা না নিয়ে কোথাও যেতে পারি না। রুপোলি পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়ক বলেন, কখনও যদি ট্রাফিক সিগন্যালে আমার গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে নিরাপত্তারক্ষী থাকায় অন্য যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাঁরা এবং আমার ফ্যানেরা আমায় দেখেন। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে আমাকে। তিনি বলেন, পুলিশের তরফে আমাকে যা বলা হয়েছে, আমি তাই করছি। ‘কিসি কা ভাই কিসি কা জান’ ছবিতে একটা ডায়লগ রয়েছে। সেটি হল, তারা ১০০ বার ভাগ্যবান হতে পারে। আমাকে একবার ভাগ্যবান হতেই হবে।

    আরও পড়ুুন: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    তাই আমি খুবই সতর্ক হয়ে গিয়েছি। সলমন বলেন, পুরো নিরাপত্তা নিয়েই আমাকে সর্বত্র যেতে হচ্ছে। তার পরেই তিনি বলেন, যা ঘটার তা ঘটবেই। আকাশের দিকে আঙুল উঁচিয়ে তিনি (Salman Khan) বলেন, আমি বিশ্বাস করি সর্বশক্তিমান রয়েছেন। তার মানে এই নয় যে, আমি মুক্তভাবে সর্বত্র যেতে পারি। সলমন বলেন, এখন আমার চারপাশে অনেক শের রয়েছে, আমার চারপাশে অনেক বন্দুক রয়েছে। আজ আমি খুবই ভীত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ নিয়ে উঠেছিলেন বিমানে (Snake in Flight)। কুয়ালামপুর থেকে ওঠা ওই মহিলা যাত্রীকে আটকানো হল চেন্নাই বিমানবন্দরে। সেখানেই ব্যাগেজ পরীক্ষা করতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ হওয়ার জোগাড় বিমানবন্দরে থাকা শুল্ক দফতরের কর্তাদের। ব্যাগেজে মিলল বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ। ট্যুইট-বার্তায় চেন্নাই শুল্ক বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ তারিখে এক মহিলা যাত্রী যিনি একে ১৩ নম্বর ফ্লাইটে কুয়ালালামপুর থেকে উঠেছিলেন, তাঁকে শুল্ক দফতরের কর্তারা আটকেছেন। তাঁর ব্যাগেজ পরীক্ষা করে বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপের সন্ধান মেলে। একটি চ্যামেলিয়নও উদ্ধার হয়েছে। শুল্ক আইনে এবং বন্যপ্রাণ আইনে আটক করা হয়েছে সেগুলি।

    বিমানে সাপ (Snake in Flight)…

    জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেও প্রায় এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেবারও চেন্নাই বিমানবন্দর থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৪৫টি বল পাইথন, তিনটি মার্মোসেট, তিনটি স্টার কচ্ছপ এবং আটটা কর্ন সাপ। শুল্ক দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত দুটি ব্যাগেজ থেকে সেবার উদ্ধার হয়েছিল ওই সাপ, মার্মোসেট, স্টার কচ্ছপ এবং কর্ন সাপ। ব্যঙ্কক থেকে উঠেছিলেন ওই যাত্রী। উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলিকে পরের দিনই ফের ব্যাঙ্কক পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    জানুয়ারি মাসেই এক মহিলা যাত্রীর হাতব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় একটি সাপ (Snake in Flight)। ব্যাগের মধ্যে জুতো, ল্যাপটরের পাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে ছিল সাপটি। বোয়া কনস্ট্রিক্টর গোত্রের ফুট চারেকের ওই সাপটি বিষধর না হলেও, শিকারকে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলতে পারে। আমেরিকার ফ্লরিডা প্রদেশের ট্যাম্পা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল।

    বিমানের ককপিটে গোখরো সাপের দেখা পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার পাইলট রুডল্ফ ইরাসমাস। মাস কয়েক আগে আচমকাই তাঁর আসনের তলা থেকে একটি সাপকে (Snake in Flight) মুখ বাড়াতে দেখেন ওই পাইলট। বিমান তখন মাঝ আকাশে। দ্রুত অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন ওই পাইলট। শেষমেশ চার যাত্রী সহ নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share