Blog

  • Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি পেল রাজ্যবাসী। অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে হাওয়া অফিস সূত্রে (Weather report)। গতকালই দেখা মিলেছে বৃষ্টির। আজও রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।  গত সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছিল। সঙ্গে বইছিল লু। দুপুরের পর রাজ্যের পথ ঘাট জনশূন্য হয়ে যাচ্ছিল। বৃষ্টির কোনও আশা দেখাতে পারছিল না আবহাওয়া দফতর(Weather report)। তবে এবার হাওয়া বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমি ঝঞ্ঝাই দিল গরম থেকে মুক্তি। মঙ্গলবার পর্যন্ত, রাজ্যের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালই কিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। মার্চে গরম থেকে রেহাই দিয়েছিল একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এ বারও ত্রাতা তেমনই একটি ঝঞ্ঝা। মেঘ-বৃষ্টির হাত ধরে ৩-৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে, আশ্বাস হাওয়া অফিসের। কলকাতার সমেত দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    গতকাল বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়

    কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকেই মুখভার করে ছিল আকাশ। পরে শুরু হয় স্বস্তির বৃষ্টি। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল গরমে হাঁসফাঁস করেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছিল। তবে, আর নয়,আপাতত ইতি তাপপ্রবাহে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি। উত্তরের জেলাগুলিতেও রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    আজ ভোরেও বৃষ্টি

    ভোরে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি। তবে, পরিমান খুবই কম। তবে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি। ডুয়ার্সের একাধিক এলাকায় ঝড়, সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। মালবাজার, নাগরাকাটা, চামুর্চি এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। কিছু অংশে চলবে তাপপ্রবাহ। অন্য়দিকে কিছু অংশে বজ্রবিদ্য়ুৎ সহ বৃষ্টি হবে। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আর তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকবে না। রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা ঝোড়ো হাওয়া, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে শুক্রবার ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য সরকার। যদিও বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠক পুরোপুরি ব্যর্থ। এদিন বৈঠকে হাজির ছিলেন যৌথ মঞ্চের ছয় প্রতিনিধি। রাজ্য সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা এবং অর্থসচিব মনোজ পন্থ। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থের সংস্থান হলে বকেয়া ডিএ (DA) দিয়ে দেওয়া হবে।

    ডিএ (DA) নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ…

    আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের কাছে যথেষ্ঠ তহবিল থাকলেও, ডিএ নিয়ে গড়িমসি করছে তারা। বৈঠক নিষ্ফলা হওয়ায় ধর্না মঞ্চে ফিরে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন। মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী দিনে আরও জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের তরফে আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যের তরফে সব বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা আটকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা তথ্য দিয়ে দেখিয়েছি, রাজ্যে তহবিলের অভাব নেই। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সবটা দেখানোর পরেও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি মুখ্যসচিব। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ মে কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নবান্নে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক হয় রাজ্যের। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা ৩৬ শতাংশ হারে যে ডিএ (DA) চেয়েছিলেন, সরকার তা দিতে রাজি নয়। এর পরেই ফের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আন্দোলনকারীরা। ৬ মে মহামিছিলে কাজ না হলে ফের একবার ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এতদিন কেবল বকেয়া ডিএর দাবিতেই আন্দোলন হচ্ছিল। এবার তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হল শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিও।

    প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল ডিএ নিয়ে রাজ্য কর্মচারি সংগঠন ও রাজ্যকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যকে বৈঠক ডাকতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন হয়েছে বৈঠক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • SSC Scam: ‘শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছে রাজ্য’! হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবন অভিযান এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের

    SSC Scam: ‘শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছে রাজ্য’! হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবন অভিযান এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বঞ্চনায় ভেঙে গেছে শিরদাঁড়া, দাবি শুধু স্বসম্মানে বাঁচার। হকের চাকরির দাবিতে শুক্রবার দুপুরে হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবনের পথে এসএসসি (SSC) চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির (SSC Scam) অভিযোগে কার্যত জেরবার রাজ্য সরকার। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ৭৬৮দিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন করছেন। মামলার পর মামলা হয়েছে, তারপরও সুরাহা হয়নি তাঁদের। সরকারের আশ্বাস হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে। এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দ্বারস্থ হলেন বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা।

    রাজভবন অভিযান

    এই প্রবল তাপপ্রবাহে তপ্ত পিচের মধ্যেই হাত, পা ঘষে এদিন রাজভবনের দিকে এগোতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। হামাগুড়ি দিয়ে কিছুটা এগোনোর পরই পুলিশ গাড়িতে তুলে নেয় চাকরি প্রার্থীদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই তল্লাটে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। এভাবে হামাগুড়ি দিয়ে বা হেঁটে মিছিল করে যাওয়া যাবে না। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকার কোনওভাবেই তাঁদের নিয়োগ দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে হস্তক্ষেপ করুন। ৯-১০ বছর ধরে রাস্তায় বসে রয়েছেন তাঁরা, অথচ টাকা দিয়ে চাকরি করছেন অযোগ্যরা (SSC Scam)? এই প্রশ্ন তুলেই রাজভবনের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    চাকরিপ্রার্থীদের দাবি

    আন্দোলনকারীদের ১১টি সংগঠন একসঙ্গে এদিন রাজভবন যায়। প্রশাসন পথ আটকালে বাধ্য হয়ে পুলিশের গাড়িতে করে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের ১১ জনের এক প্রতিনিধিদল রাজভবনে যায়। এদিন রাজ্যপাল না থাকায় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের। রাজ্যপালের সচিবের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে স্মারকলিপি দিয়ে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। পরে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, বহুদিন ধরে তাঁরা মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার জন্য বহুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁরা কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাননি।  তাঁদের প্রশ্ন, আর কতদিন জলে ভিজে, রোদে পুড়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন? এরপর যদি কোনও আন্দোলনকারী জীবন বিসর্জন দেন, তার দায় কি মুখ্যমন্ত্রী কিংবা রাজ্যপাল নেবেন। চাকরিপ্রার্থীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চেয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। যত শীঘ্র সম্ভব তাঁরা নিজেদের প্রাপ্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে চান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Scam) তদন্তে এবার সিবিআই (CBI) হানা আরও এক তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে। শুক্রবার দুপুরে সিবিআই হানা দেয় নদিয়ার তেহট্টে বিধায়ক তৃণমূলের তাপস সাহার বাড়িতে। মুর্শিদাবাদের বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা তাঁর মোবাইল ফোনটি জলে ফেলে দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা আসছেন শুনে। তাপসও যাতে সেই একই কাজ করতে না পারেন, তাই প্রথমেই তাঁর মোবাইল ফোনটি সিজ করেন তদন্তাকারীরা। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ১৮ এপ্রিল তাপসের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার জেরে এদিনই তাঁর বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Scam) তদন্তে সিবিআই…

    এদিন দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘিরে ফেলেন তাপসের বাড়ি। তার পরেই বাড়িতে ঢোকেন সিবিআই আধিকারিকরা। সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন বিধায়ক। তদন্তকারীরা ভিতরে ঢোকার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় মূল ফটক। বিধায়কের কার্যালয়ে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই কার্যালয়ের বিভিন্ন জিনিস দেখেন তদন্তকারীরা। চাকরি (Recruitment Scam) দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা তাপস সাহার বিরুদ্ধেও। বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি প্রায় ১৬ কোটি টাকা তোলেন বলে অভিযোগ। তদন্ত শুরু করে সিআইডি। পরে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে তাপসের বিরুদ্ধেও। এদিন তাপসের বাড়িতে যান সিবিআইয়ের ১২জন আধিকারিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিকও।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য উদ্ধার হলে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    তাপসের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে চিঠি লেখা হয়েছিল তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মোট তিনটি চিঠি লেখা হয়েছিল। এর একটি পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে, একটি তেহট্ট থেকে, আর একটি করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর তাপস বলেছিলেন, স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। তিনি বলেন, আমাদের একটাই অপরাধ যে, আমরা তৃণমূল করি। তিনি বলেছিলেন, আমার দলের দু একজন বিজেপির সঙ্গে যৌথভাবে চক্রান্ত  করে এটা করেছে। আমি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করব।

    এদিন বিধায়ক বলেন, আমার কাছে যা জানতে চাইবে আমি সব বলব। তদন্ত চলছে চলুক, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। সব রকম সহযোগিতা করছি, করব। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবারই নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। সোমবার গ্রেফতার হন তিনি। আজ, শুক্রবার তাপসের বাড়িতে গেল সিবিআই। এবার কি তাহলে তাপসের পালা?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Berhampore Municipality: ৫০০ কর্মীর বকেয়া বাকি! রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট

    Berhampore Municipality: ৫০০ কর্মীর বকেয়া বাকি! রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুর পুরসভার (Berhampore Municipality) অবসরপ্রাপ্ত ৫০০ কর্মী দীর্ঘদিন ধরেই বকেয়া মেটানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করেছেন তাঁরা। এই মামলায় রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট। পুরসভার বকেয়া রয়েছে রাজ্যের কাছে। 

    কীভাবে সেই বকেয়া মেটানো যাবে সেই পথও বাতলে দিয়েছে হাইকোর্ট

    জানা গেছে, বহরমপুর পুরসভায় (Berhampore Municipality) রাজ্যের ২৪৭টি সম্পত্তি রয়েছে। যার মধ্যে ১৭০টি সম্পত্তিতে কর বাবদ ১১ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। সেই টাকা মিটিয়ে দিলেই অবসরপ্রাপ্ত পুরকর্মীদের বকেয়া মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

    আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে রাজ্যের অবস্থান জানাতে হবে। পুরসভার (Berhampore Municipality) আইনজীবী অরিন্দম দাস আদালতে বলেন, রাজ্য ওই টাকা মিটিয়ে দিলে তা কর্মীদের বকেয়া মেটানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে। বছরের পর বছর ওইসব সম্পত্তির কর বাবদ টাকা বকেয়া রয়েছে রাজ্যের কাছে। ফলে পুরসভার আয় বাড়ছে না।

    পুরসভার বকেয়া রাজ্যের কাছে

    প্রসঙ্গত, পুরসভার (Berhampore Municipality) প্রায় ৫০০ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বকেয়া গ্র্যাচুয়িটি না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন। এই অভিযোগে বহরমপুর পুরসভায় (Berhampore Municipality) অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের একাংশ হাইকোর্টে মামলাও করেন। সেই মামলায় বহরমপুর পুরসভার তরফে হাইকোর্টে জানানো হয়, এত সংখ্যক কর্মীর বকেয়া মেটানোর মতো টাকা তাদের কাছে নেই। রাজ্যের কাছে পুরসভার অনেক টাকা বকেয়া রয়েছে। সেই টাকা মেটাচ্ছে না রাজ্য। 

    পুরসভার কর্মীরা রাজ্যের কর্মচারী নন, আদালতে জানায় রাজ্য

    যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, পুরসভার কর্মীরা তাদের কর্মী নয়। তারপরেও তারা পেনশনের ৪০ শতাংশ পুরসভাগুলিকে ওই বাবদ মেটায়। কিন্তু গ্র্যাচুয়িটি বাবদ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর হাইকোর্ট রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে। শুধু বহরমপুরই নয়, রাজ্যের বহু পুরসভার কয়েক হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী চরম সমস্যায় পড়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন। এদিন পুরসভা রাজ্যের কাছে বকেয়া সংক্রান্ত হিসেব আদালতের কাছে পেশ করে। সেই হিসেব দেখেই হাইকোর্ট তাদের কাছের প্রাপ্য মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্যের অবস্থান জানতে চায়। ওই টাকা দিয়ে পুরসভা (Berhampore Municipality) অবসপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মেটাবে বলে আদালতে জানায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Recruitment Scam: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) তদন্ত করতে পারবে সিবিআই। শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজন মনে করলে নতুন এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করতে পারবে সিবিআই, নির্দেশ বিচারপতির। তিনি জানান, চাইলে অয়ন শীলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথির ভিত্তিতে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্ত করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২৮ এপ্রিল এই সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে সিবিআই, নির্দেশ বিচারপতির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে সহযোগিতা করতে ডিজি এবং মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন তিনি। 

    সিবিআইকে নির্দেশ

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত প্রচুর নথি উদ্ধার করে ইডি। এর পর জানা যায়, রাজ্যের অন্তত ৭০টি পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতি (Recruitment Scam) হয়েছে। যার মূল হোতা ছিলেন অয়ন শীল। নিয়োগ দুর্নীতিতে অয়ন শীল ঘনিষ্ঠ শ্বেতা চক্রবর্তীকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছে ইডি। বৃহস্পতিবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন শ্বেতা। তাঁকে প্রায় ৫ ঘণ্টা জেরা করেন ইডির গোয়েন্দারা। ইডি সূত্রে খবর, জেরায় শ্বেতা চক্রবর্তী অন্তত ৮ জন প্রভাবশালীর নাম বলেছেন যাঁরা নিয়মিত অয়নের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিষয়টি সম্পর্কে সিবিআইকে জানায় ইডি। এর পর এই দুর্নীতির তদন্ত করতে চেয়ে আদালতে আবেদন করে সিবিআই। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চাইলে তদন্ত করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    বিচারপতির  ভর্ৎসনা

    প্রসঙ্গত, এদিন অয়ন শীলের বাড়িতে উদ্ধার করা নথির তথ্য মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দেয় ইডি। এরপর নির্দিষ্ট কোনও পুরসভা নয়, সামগ্রিকভাবে পুর নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তভার-ই সিবিআই-এর হাতে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন রীতিমতো ভর্ৎসনার সুরে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ মাত্র ১০ হাজার টাকা আয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন। ১০ হাজার টাকা উপার্জনের জন্য খেটে মরছেন। আর এক-একজনের কাছে এত এত টাকা!  অর্পিতা মুখোপাধ্যায়েরদের কাছে এত টাকা আসে কোথা থেকে? একাংশ রাজনৈতিক নেতাদের কাছে কোটি কোটি টাকা! আসছে কোথা থেকে? এইসব নেতাদের ছুঁলেই কোটি কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষকে ছুঁয়ে দেখুন বাজারে তাদের কত দেনা আছে। সাধারণ মানুষ সব জানা উচিত। যারা এই দেশের মালিক। দুটো, চারটে, পাঁচটা ব্যাবসা থাকলেই কেউ দেশের মালিক হয়ে যায় না। দেশের আসল মালিক তার জনগণ।’ 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে আরও এক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    ইডির প্রশংসা

    এদিন, ইডির কাজের প্রশংসা করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘তুলনা করলে ইডি সিবিআইয়ের থেকে ভালো ভূমিকা গ্রহণ করছে। ইডি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ভালো কাজ করছে।’এদিন সিবিআই-কেও শংসাপত্র দেন বিচারপতি। তিনি জানান, শেষ দু’মাসের থেকে এখন সিবিআই ভালো পারফরম্যান্স করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকে আকাশে মেঘের আনাগোনা! আজ রাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    Weather Update: সকাল থেকে আকাশে মেঘের আনাগোনা! আজ রাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস (Weather Update)। আজ, শুক্রবার সন্ধ্যের পর শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipore Weather Office)। এদিন সকাল থেকেই তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নেমেছ। শুক্রবার সকাল থেকে শহরের আকাশের ভোল পাল্টেছে। চড়া রোদ উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশে আনাগোনা শুরু হয়েছে মেঘের। আজ রাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে।

    স্বস্তির বৃষ্টি

    গত সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রা ব্যাপক হারে বাড়তে শুরু করেছিল। বৃষ্টির কোনও আশা দেখাতে পারছিল না আবহাওয়া দফতর। তবে এবার হাওয়া বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত, রাজ্যের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কিছু জেলায় আজ থেকেই বৃষ্টি নামার আশা। মার্চে গরম থেকে রেহাই দিয়েছিল একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এ বারও ত্রাতা তেমনই একটি ঝঞ্ঝা। মেঘ-বৃষ্টির হাত ধরে ৩-৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে, আশ্বাস হাওয়া অফিসের। কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য মিললে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    তাপপ্রবাহে ইতি

    কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল গরমে হাঁসফাঁস করেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছিল। তবে, আর নয়,আপাতত ইতি তাপপ্রবাহে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি। উত্তরের জেলাগুলিতেও রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: হামলা চালিয়েছিল সাত জঙ্গি! পুঞ্চে সেনার ট্রাকে হামলার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈবা?

    Terrorist Attack: হামলা চালিয়েছিল সাত জঙ্গি! পুঞ্চে সেনার ট্রাকে হামলার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈবা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) পুঞ্চে সেনাবাহিনীর যে ট্রাকে হামলা (Terrorist Attack) হয়েছিল, তার নেপথ্যে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন  লস্কর-ই-তৈবা (LeT)। সেনা সূত্রে খবর, এই হামলার পিছনে অন্তত সাতজন জঙ্গি রয়েছে। দুর্ঘটনার পরে পরেই মাধ্যম জানিয়েছিল, জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডের জেরেই আগুন লাগে সেনাবাহিনীর ওই গাড়িতে। ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এনআইএকে (NIA)।

    জেহাদিরাই হামলা (Terrorist Attack) চালিয়েছিল…

    এদিন বিকেলে পুঞ্চের যে জায়গায় হামলা চালানো হয়েছিল, তা অবস্থিত নিয়ন্ত্রণরেখার ভিম্বার গলি থেকে সাত কিলোমিটার দূরে। ওই এলাকায় ঘন জঙ্গল রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ওই এলাকায় পাকিস্তানি জঙ্গিদের গতিবিধি ধরা পড়েছে। ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে ওই জেহাদিরাই হামলা (Terrorist Attack) চালিয়েছিল সেনাবাহিনীর কনভয়ে। লস্কর-ই-তইবার ওই জঙ্গিদের খোঁজে ইতিমধ্যেই চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে নাগরোটার ১৬ কোর। আধিকারিকদের মতে, মে মাসে শ্রীনগরে রয়েছে জি-২০ গোষ্ঠীর সম্মেলন। পাকিস্তান তা বানচাল করার চেষ্টা করছে।

    তাঁদের মতে, তার সঙ্গে এই হামলার যোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, শ্রীনগরের ওই অনুষ্ঠান বয়কট করার জন্য জি-২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কাছে আর্জি জানিয়েছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার যে পাঁচ সেনা শহিদ হয়েছেন, তাঁরা হলেন হাবিলদার মনদীপ সিংহ, সিপাই হরকিষণ সিংহ, ল্যান্সনায়েক কুলবন্ত সিংহ এবং সিপাই সেবক সিংহ। এঁরা চারজনই পঞ্জাবের বাসিন্দা ছিলেন। শহিদ হওয়া আরও এক জওয়ান হলেন পুরীর বাসিন্দা ল্যান্সনায়েক দেবাশিস। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক আধিকারিক জানান, জি-২০ সম্মেলনে যেসব দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন, তাঁদের মনে ভয় ধরাতেই হামলা চালানো হয়েছে সেনার গাড়িতে।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য মিললে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    এদিকে, তদন্তের দায়িত্ব পেয়েই কাজ শুরু করে দিয়েছে এনআইএ। তদন্তকারীদের অনুমান, দু পক্ষের মধ্যে কয়েক (Terrorist Attack) রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়েছিল। কারণ ট্রাকটির দু পাশে অসংখ্য বুলেট গেঁথে ছিল। অনুমান, গুলি চালাতে চালাতেই আচমকা গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। গ্রেনেড গিয়ে লাগে সেনাবাহিনীর ট্রাকের গায়ে। সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায় তাতে। জীবন্ত দগ্ধ হন পাঁচ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। প্রসঙ্গত, গত বছর মোহালির পুলিশ ফাঁড়িতেও ঠিক একই কায়দায় হামলা চালিয়েছিল লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিরা। পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা সদর দফতরে রকেট চালিত গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Summer Tips: জেনে নিন হিট স্ট্রোকের লক্ষণ, প্রখর গরমে ভালই বা থাকবেন কীভাবে?

    Summer Tips: জেনে নিন হিট স্ট্রোকের লক্ষণ, প্রখর গরমে ভালই বা থাকবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রকৃত অর্থেই চলছে দাবদাহ। দুপুরের প্রখর রোদে (Summer Tips) বাইরে বেরনোই দায়। তবে এমন কিছু পেশা রয়েছে, যে পেশায় যুক্ত মানুষদের দুপুর বেলায়ই বেরতে হয়। প্রয়োজনীয় নানা কাজেও মানুষকে বের হতে হয় বাইরে। যেহেতু এ রাজ্যে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু হয় সাড়ে ১০টার পরে, তাই রোদ উপেক্ষা করেও বাইরে বের হতে হয় অনেককেই। দুপুরের চড়া রোদে বের হলে হিট স্ট্রোকে (Sun Stroke) আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকেই। হিট স্ট্রোক হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হয়। না হলে তাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    হিট স্ট্রোকের (Sun Stroke) লক্ষণ…

    হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যেতে পারে। আক্রান্তের খিঁচুনি হতে পারে। খুব ঘাম হবে। বমি হতে পারে। হতে পারে বমি বমি ভাবও। শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। হার্টবিটও বেড়ে যায় অস্বাভাবিক হারে। মাথা ব্যথা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি সংজ্ঞাহীন হয়ে যেতে পারেন। তাই প্রচণ্ড গরমের (Summer Tips) মধ্যেও যাঁদের নিতান্তই ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে, তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। দুপুরে যাঁদের কায়িক পরিশ্রম করতে হয় কিংবা এক্সারসাইজ করেন, সতর্ক হওয়া প্রয়োজন তাঁদেরও। বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। তাই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা তাঁদের বাইরে না বেরনো দেওয়াই ভাল।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য মিললে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    তবে সতর্কতামূলক কয়েকটি ব্যবস্থা (Summer Tips) নিলে এড়ানো যেতে পারে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা। চিকিৎসকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ সকালে ১০টার আগে এবং বিকেলে ৫টার পরে করাই ভাল। রোদে বেরলে ছাতা ব্যবহার করতে হবে। বাইরে বেরলে সঙ্গে অবশ্যই জল নিয়ে বেরন। দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার জল খেতে হবে। রোদ থেকে ফিরে কিংবা রোদে থাকাকালীন ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। দিনে দুবার স্নান করুন। এক লিটার জলে একটা ওআরএস মিশিয়ে খেতে হবে। প্রখর গ্রীষ্মে অতিরিক্ত তেল-মসলা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভাল। চপ, ফাস্ট ফুড, মাংস না খাওয়াই ভাল। প্রতিদিন রসালো ফল অবশ্যই খেতে হবে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Twitter: শাহরুখ-অমিতাভ থেকে কোহলি-রোহিত, ট্যুইটারে ‘ব্লু টিক’ হারালেন বহু সেলেব্রিটি, তালিকায় কারা?

    Twitter: শাহরুখ-অমিতাভ থেকে কোহলি-রোহিত, ট্যুইটারে ‘ব্লু টিক’ হারালেন বহু সেলেব্রিটি, তালিকায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারে ‘বিশেষ’ হওয়ার পরিচিতি স্বরূপ ব্লু টিক (Twitter Blue Subscription) হারালেন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) , অমিতাভ বচ্চন  (Amitabh Bachchan) থেকে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), যোগী আদিত্য়নাথ (Yogi Adityanath)। বলিউড তারকা, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সমাজের বহু গণ্যমান্য, বৃহস্পতিবার থেকে তাঁদের নামের পাশের ‘ব্লু টিক’ চিহ্ন হারান।

    কারা কারা হারালেন ব্লু টিক

    সেলিব্রিটি এবং তারকাদের আসল প্রোফাইলকে চিহ্নিত করতে এতদিন ব্লু-টিক ছিল অন্যতম ভরসা। সম্প্রতি ট্যুইটারে একের পর এক  নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। ব্লু টিক চিহ্ন পাওয়ার জন্য় আর্থিক মূল্য় ঘোষণা করেছে ট্যুইটার। সেই নিয়মের জেরেই ব্লু টিক হারালেন শাহরুখ খান, অমিতাভ বচ্চন, আলিয়া ভট্টের মতো বি-টাউন তারকারা। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, যোগী আদিত্য়নাথের মতো রাজনীতিবিদ থেকে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেট তারকাও হারালেন ব্লু-টিক। ‘ব্লু টিক’ হারিয়েছেন, ওপরা উইনফ্রে, জাস্টিন বিবার, কেটি পেরি এবং কিম কার্দাশিয়ানের মতো তারকারাও। বিশেষ হওয়ার চিহ্ন হারিয়েছেন বিল গেটস থেকে শুরু করে পোপ ফ্রান্সিসের মতো ব্যক্তিত্ব।

    কেন হারালেন ব্লু টিক

    এবার থেকে ট্যুইটার ব্লু সাবস্ক্রিপশন না থাকলে  আর অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রাখা যাবে না। পয়লা এপ্রিলেই এই নিয়ম চালু হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ২০ এপ্রিলে করা হয়। সারা বিশ্বেই  এই নতুন নিয়ম চালু করা হবে বলে জানায় ইলন মাস্কের ট্যুইটার। মাইক্রোব্লিগং সাইটের তরফে জানানো হয়েছে, এখন থেকে ‘ব্লু টিক’ রাখার জন্য মাসিক ৬৫৭ টাকা করে দিতে হবে ব্যবহারকারীদের। কোনও সংস্থা যদি তাদের ট্যুইটারে তাদের নামের পাশে ‘ব্লু টিক’ রাখতে চায়, সে ক্ষেত্রে খরচ করতে হবে অনেক বেশি, প্রায় ৮২ হাজার টাকা। যাঁরা আগেভাগেই এই টাকা দিয়ে রেখেছিলেন, ট্যুইটারে তাঁদের নামের পাশের ‘ব্লু টিক’ চিহ্ন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    ব্লু টিক থাকলে কী হবে

    ট্যুইটারের তরফে জানানো হয়েছে, যে ইউজারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক থাকবে সেখানে ইউজাররা কম বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন। এর পাশাপাশি বড় ট্যুইট করার সুযোগ থাকবে এবং আসন্ন ফিচারগুলির দ্রুত অ্যাকসেস পাবেন। ব্লু টিক থাকা মানে একজন ইউজারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট ভেরিফায়েড। সেক্ষেত্রে তাদের অ্যাকাউন্ট এবং সেখানের তথ্যকে মান্যতা দিতে হবে। এই ইউজারেরদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক থাকলে একজন ইউজার ট্যুইট করার ৩০ মিনিট পরে পর্যন্ত তা এডিটের অপশন পাবেন। এছাড়াও ফুল এইচডি রেজোলিউশনের ভিডিও শেয়ার করার সুযোগও পাবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share