Blog

  • Tim Cook: দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী অ্যাপল! মোদির দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা টিম কুকের মুখে

    Tim Cook: দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী অ্যাপল! মোদির দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা টিম কুকের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই ও দিল্লিতে ভারতের প্রথম এবং দ্বিতীয় অ্যাপল স্টোরের উদ্বোধন করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করলেন টিম কুক (Tim Cook)। ‘প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব’ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং অ্যাপল সংস্থার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনও তফাৎ নেই বলে জানান অ্যাপল সিইও। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সংস্থা সারা ভারতে বিনিয়োগ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    কুকের ট্যুইট

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতের মেধাসম্পদকে নিজেদের পণ্য ও পরিষেবার কাজে আরও বেশি করে ব্যবহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অ্যাপলের সিইও। মোদির সঙ্গে দেখা করার কথা জানিয়ে কুক ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। ভারতের ভবিষ্যতের অগ্রগতিতে যে প্রযুক্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে সে বিষয়ে আপনার মত জানলাম। শিক্ষা, উৎপাদন শিল্প এমনকি পরিবেশ পর্যন্ত এর মধ্যে রয়েছে। দেশ (ভারতে) জুড়ে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

    মোদির ট্যুইট

    টিম কুকের এই ট্যুইট বার্তাটি রিট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, টিম কুকের সঙ্গে দেখা করে তিনি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আপনার সঙ্গে দেখা করে এক দারুণ আনন্দ পেলাম টিম কুক! বিভিন্ন বিষয়ে মতামত বিনিময় করতে পেরে এবং ভারতে প্রযুক্তি-চালিত পরিবর্তনগুলি আপনার সামনে তুলে ধরতে পেরে আমি আনন্দিত।”

    অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কুকের সাক্ষাত

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও দেখা করেন অ্যাপলের সিইও। এই সাক্ষাৎ সম্পর্কে ট্যুইট করে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “অ্যাপলের সিইও টিম কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ। ম্যানুফ্যাকচারিং, ইলেকট্রনিক্স রপ্তানি, অ্যাপ অর্থনীতি, দক্ষতা, স্থিতিশীলতা এবং বিশেষ করে মহিলাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি-সহ ভারতের সঙ্গে অ্যাপলের সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যৌথভাবে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং শক্তিশালী সম্পর্কের নকশা তৈরি করছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Baby: হাসপাতালে মায়ের কোল থেকে সদ্যোজাত শিশু চুরি! শোরগোল এলাকায়

    Baby: হাসপাতালে মায়ের কোল থেকে সদ্যোজাত শিশু চুরি! শোরগোল এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে এক সদ্যোজাত শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যা নিয়ে হাসপাতাল জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িবাড়ি বাতাসির চব্বিশ বছরের গৃহবধূ রঞ্জিতা সিংহ ১৮ এপ্রিল খড়িবাড়ি ব্লক হাসপাতালে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বুধবার তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এদিন দুপুরে ওই প্রসূতির বেড থেকে সদ্যোজাত পুত্রসন্তানকে তুলে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রসূতির পাশের বেডের এক রোগীর আত্মীয়া বলেন, এদিন বেলা বারোটার পর রঞ্জিতা সিংহ নামে ওই প্রসূতির কোলে শিশুটি ছিল। প্রসূতিকে খাইয়ে দিচ্ছিলেন তাঁর মা। সে সময় তাঁর সন্তান কাঁদছিল। অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলা এসে তাঁর শিশুসন্তানটিকে শান্ত করার নাম করে নিয়ে যায়। বলে তুমি খাও। বাইরে থেকে বাচ্চাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসছি। সরল বিশ্বাসে ওই প্রসূতি ও তাঁর মা তাঁদের সদ্যোজাত সন্তানকে ওই মহিলার হাতে তুলে দেন। তার পরই মহিলা ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে যায়। অনেকক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরও শিশু নিয়ে মহিলা ফিরে না আসায় সকলে তার খোঁজ শুরু করে। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ মেলেনি।

    কী বললেন প্রসূতির পরিবারের লোকজন?

    হাসপাতালের প্রসূতিদের এই ওয়ার্ড থেকে বাইরে বের হতে গেলে তিনটি গেট অতিক্রম করতে হয়। সেখানে বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। তাহলে একটি শিশুকে নিয়ে এক মহিলা বেরিয়ে যাচ্ছে, তার ছুটি হয়েছে কি না বা সে কেন যাচ্ছে, তার কাছে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট রয়েছে কি না-এসব যাচাই কেন করা হয়নি, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রসূতির স্বামী নিত্যানন্দ সিংহ বলেন, বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড যাঁরা গেটে রয়েছেন, তাঁরা কেন ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসা করেননি। যে ওয়ার্ডে ঘুরছে, তার পরিচয় কি? যেখান থেকে আমার সন্তানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখান থেকে বাইরে বের হতে গেলে প্রসূতি ওয়ার্ডের প্রধান গেটের পাশেই রয়েছে নার্স ও ডাক্তারের টেবিল। সেখানে অনেক নার্স ও ডাক্তার থাকার পরও তাঁদের নজরে কেন ধরা পড়ল না?

    কী বললেন হাসপাতালে সুপার?

    এদিকে খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ আউটপোস্ট তদন্তে নামে। মেডিক্যাল কলেজের মূল গেটে পুলিশের লাগানো সিসিটিভিতে ধরা পড়ে, এক মহিলা একটি টোটোতে করে বাচ্চা নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ টোটোচালককে আটক করে জেরা করছে। কোথায় ওই মহিলাকে টোটোচালক ছেড়ে এসেছে তা জানার জন্য টোটোচালককে নিয়ে পুলিশ সেই মহিলার সন্ধানে বেরিয়েছে। কেন হাসপাতালের সব জায়গায় সিসিটিভি নেই, নিরাপত্তা কেন ঢিলে-ঢালা, প্রসূতি ওয়ার্ডে বাইরের লোক কী করে ঢোকে? এধরনের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক। তিনি বলেন, গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kuntal Ghosh: কুন্তলের বিস্ফোরক চিঠিকাণ্ডে শুনানি হবে ‘সুপ্রিম’ রায়ের পর, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    Kuntal Ghosh: কুন্তলের বিস্ফোরক চিঠিকাণ্ডে শুনানি হবে ‘সুপ্রিম’ রায়ের পর, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বিস্ফোরক চিঠি মামলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারাধীন। তাই এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের পক্ষ থেকে ৩টি হার্ড ডিস্ক ও অরিজিনাল ভিজিটর রেজিস্টার খাতা জমা দেওয়া হয় আদালতে। এইসব নথি সিল কভারে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশ ছিল, সংশোধনাগারের সিসি টিভি ফুটেজ ও অরিজিনাল ভিজিটর রেজিস্টার খাতা পেশ করার।

    কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)…

    ২৯ মার্চ শহিদ মিনারের এক সভায় তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সারদা মামলায় হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তলও (Kuntal Ghosh) একই অভিযোগ করেন। প্রেসিডেন্সি জেলে বসে ইডি এবং সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে চিঠি লিখেছিলেন কুন্তল। সেই চিঠির মূল বক্তব্য হল, তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলার জন্য তাঁকে চাপ দিচ্ছেন ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। কুন্তলের অভিযোগ, অভিষেকের নাম না বলায় তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচারও চালিয়েছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    কুন্তলের  (Kuntal Ghosh) বিস্ফোরক চিঠি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, প্রয়োজনে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি এবং সিবিআই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। সেই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেছিলেন, ২১ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি সংশোধানাগারের প্রবেশ ও বাহিরপথের সিসিটিভির ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে কারা গিয়েছিলেন, তা জানাতে ভিজিটর্স রেজিস্টার খাতা জেল কর্তৃপক্ষকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এদিনই ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশ মোতাবেক এদিন তিনটি হার্ডডিস্ক, ভিজিটর রেজিস্টার খাতা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেন প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! বিমানবন্দরেই আটক অমৃতপালের স্ত্রী কিরণদীপ

    Amritpal Singh: ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! বিমানবন্দরেই আটক অমৃতপালের স্ত্রী কিরণদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতসর বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের বিমান ধরার পথে আটকানো হল খলিস্তানপন্থী (Pro Khalistan) নেতা অমৃতপাল সিংয়ের (Amritpal Singh) স্ত্রী কিরণদীপ কৌরকে (Kirandeep Kaur)। বৃহস্পতিবার তাঁকে আটক করল পাঞ্জাব পুলিশ (Punjab Police)। এদিন দুপুর দেড়টায় তিনি এয়ার ইন্ডিয়া এআই ১৬৯ ফ্লাইটে চড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্তারা কিরণদীপকে বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বিমানবন্দরের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। 

    আটক কিরণদীপ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পলাতক খালিস্তানপন্থী স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh)-এর স্ত্রী কিরণদীপ এদিন লন্ডনের বিমান ধরে ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। অমৃতসর বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের অফিসারদের প্রথমে চোখ পড়ে কিরণদীপের উপর। অমৃতপাল পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ালেও কিরণদীপকে নজরে রাখা হয়েছিল। কিরণদীপ পাঞ্জাবে জন্মেছিলেন। তবে, ছোটবেলাতেই পরিবারের সঙ্গে ব্রিটেনে চলে যান। সেই থেকে তিনি ইংল্যান্ডেই থাকতেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে বিবাহ করেছেন অমৃতপাল। বিয়ের পর কিরণদীপ পাঞ্জাবে এসে অমৃতপালের পৈতৃক গ্রামে বসবাস শুরু করেন। কিরণদীপের পরিবার আদতে জলন্ধরের বাসিন্দা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    অধরা অমৃতপাল

    পাঞ্জাব পুলিশের সন্দেহ, ওয়ারিস পাঞ্জাব দি-এর জন্য বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছেন কিরণদীপ। গত ১৮ মার্চ, অমৃতপাল এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল ‘ওয়ারিশ পঞ্জাব দি’র সদস্যদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করেছিল পাঞ্জাব পুলিশ। তার কয়েকদিন আগেই, অমৃতপাল এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা সশস্ত্র অবস্থায় পাঞ্জাবের এক থানায় হামলা চালিয়েছিল। অমৃতপাল (Amritpal Singh) ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা, হত্যার চেষ্টা, পুলিশের উপর হামলা এবং সরকারি কর্মীদের কর্তব্য পালনে বাধাদান-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়েছে। তবে, অভিযান শুরুর পর থেকে একমাস পেরিয়ে গেলেও অমৃতপালকে এখনও ধরা যায়নি। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বারবার পালিয়েছে সে। পুলিশ তাঁর বেশকিছু অনুগামী এবং সমর্থকদের আটক করেছে ইতিমধ্যে। ঘটনার রেশ ছড়িয়েছে বিদেশের মাটিতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন ঈদের দিন (Eid 2023) রেড রোডে নামাজ পড়বেন, এরমধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। কিন্তু এবার এই ঘটনাকে ঘিরেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়েছে বিড়াল, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এমনই জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের এক টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, রেড রোড এবং ময়দান এলাকা জুড়ে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছে রাজ্য সরকারই। তিনটি পৃথক কাজের জন্য সব মিলিয়ে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ লক্ষ টাকা। বিরোধী মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোনও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মাচরণের জন্য রাজ্য সরকার কি এভাবে দরাজ হস্তে দানধ্যান করতে পারে?

    ঈদের টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কী বলা হয়েছে?

    এবার ৫ ই এপ্রিল জারি করা ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, ঈদ-উল-ফিতর (Eid 2023) উপলক্ষে আশপাশের গ্রাউন্ড থেকে আবর্জনা সরানো, মাঠ পরিষ্কার করা, বাস্কেটবল ক্লাবের সামনে জমে থাকা জলকাদা বালি দিয়ে ভর্তি করা ইত্যাদি কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩ টাকা। ঈদ-উল-ফিতরের জন্য অস্থায়ী প্যান্ডেল, স্টেজ এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮৮৯ টাকা। ময়দান এলাকায় গেট এবং এই সংক্রান্ত কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।  এই সমস্ত কাজই তিনদিনের মধ্যে শেষ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এমনকি টাকা আরও লাগলে দেবে গৌরী সেন, এমনও আশ্বাস দিয়ে রাখা হয়েছে। 

    দল এবং সরকার একাকার হয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের সভাতেও

    উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে একই ধরনের একটি ঘটনা এভাবেই প্রকাশ্যে এসেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল শহিদ মিনারে। আর ওই সভার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছিল খোদ রাজ্য সরকার। সেবারও দেখা গিয়েছিল, পূর্ত দফতর রেড রোড এবং আশপাশের এলাকায় প্যান্ডেল তৈরি, ব্যারিকেড বসানো ইত্যাদি কাজের জন্য তড়িঘড়ি টেন্ডার ডেকেছিল। তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, একটি রাজনৈতিক দলের জন্য সরকার কি এভাবে টাকা খরচ করতে পারে? বিরোধীরা তখনও তীব্র সমালোচনা করে বলেছিল, দল ও সরকার যে একাকার হয়ে গেছে, এটাই তার বড় প্রমাণ।

    তোষণের রাজনীতিরই জ্বলন্ত প্রমাণ, তোপ বিজেপির

    ঈদের (Eid 2023) ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্য সরকারের ব্যাপক সমালোচনায় নেমেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, সরকার তাহলে সব জায়গাতেই নামাজ পড়ার জন্য খরচের ব্যবস্থা করুক। আর শুধু একটি ধর্ম কেন, সব ধর্মের জন্যই সরকার এমন দরাজহস্ত হোক। পরে এ ব্যাপারে ট্যুইট-বাণও নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। 

    বিজেপির সাফ কথা, তৃণমূল সরকারের তোষণের রাজনীতি যে কোন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, তার আরও একটি জলজ্যান্ত প্রমাণ সামনে এল। বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, যে রাজ্যে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় মিছিলে নির্লজ্জ আক্রমণের ঘটনা ঘটে, সেখানে ঈদের নামাজের যাবতীয় খরচ বহন করছে রাজ্য সরকার? এরপরেও সাধারণ মানুষের আর বোঝার কিছু বাকি থাকে কি?
    বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, মুসলিমদের ঠকিয়ে রাজনীতি করার দিন যে শেষ, তা সাগরদিঘিই বুঝিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল সরকারের শেষের সেই দিন যে এগিয়ে আসছে, তা এই ধরনের তোষণনীতি থেকেই পরিষ্কার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে তোলা টাকা কুন্তল খাটাচ্ছে হাওয়ালায়’, বিস্ফোরক অভিযোগ তাপসের

    Recruitment Scam: ‘অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে তোলা টাকা কুন্তল খাটাচ্ছে হাওয়ালায়’, বিস্ফোরক অভিযোগ তাপসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) জেলে রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। ওই একই কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেলে রয়েছেন বারাসতের জাতীয় পুরস্কার পাওয়া প্রধান শিক্ষক তাপস মণ্ডলও। বৃহস্পতিবার ফের বোমা ফাটালেন তিনি। আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত চত্বরে তাপস বলেন, আগে আমি বলেছিলাম ১০০ কোটির খেলা। এখন যেটা শুনছি, সেটা হল ৫০০ কোটি টাকার খেলা। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ভাঙিয়ে কুন্তল যে টাকা তুলেছে, সেই টাকা হাওয়ালায় খাটাচ্ছে। জেলে বসেই টাকা খাটাচ্ছে। জেলের ভিতরে অত্যাচার করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে চাপ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। এদিন সে প্রসঙ্গে তাপস বলেন, আরে সব নাটক। ওর নাটক আপনারা জানেন না তো! শুধু দেখতে থাকুন। আরও অনেক নাটক দেখবেন। তিনি বলেন, কেবল অভিষেক নন, দলের বহু নেতার নাম করে কুন্তল টাকা তুলেছে। কাউকে টাকা দেয়নি। সব টাকা ওর কাছেই আছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam)…

    তাপসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুন্তল বলেন, ওর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। ভুলভাল বকছে। এদিন ফের একবার তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে (Recruitment Scam) সুর চড়িয়েছেন কুন্তল। তিনি বলেন, বিজেপির মুখপাত্র আর কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখপাত্র এক। তাহলে বুঝে নিন তদন্ত কোন দিকে যাচ্ছে। তিনি বলেন, হাতে একটা আংটি থাকলে কেউ প্রভাবশালী হয় না। আমার হাতে আংটি নেই, ঘামাচি আছে। কাউকে ইঙ্গিত করিনি, যে বোঝার ঠিক বুঝে যাবে। কুন্তল বলেন, কেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করব? পার্থ চট্টোপাধ্যায় আমার সিনিয়র লোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাল কী, যে হাতে একটা আংটি থাকলে বলছে প্রভাবশালী। তাই বলছি আমার হাতে আংটি নেই, ঘামাচি আছে। তিনি ফের বলেন, বিজেপির মুখপাত্র আর কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখপাত্র এক, তা হলে তদন্ত কোন পথে যাচ্ছে বুঝে নিন।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কুন্তল ও তাপস। তাপস প্রথমে অভিযোগ করেছিলেন, শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে কুন্তল কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। কুন্তলের পাল্টা অভিযোগ, তাঁর কাছে টাকা চেয়েছিলেন তাপস। সেই টাকা না দেওয়ার কারণেই ফাঁসাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Sandeep Singh: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের নয়া সেনা উপদেষ্টা হলেন এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং

    Sandeep Singh: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের নয়া সেনা উপদেষ্টা হলেন এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের (NSCS) নয়া সেনা উপদেষ্টা হলেন প্রাক্তন ভাইস-চিফ অফ এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং। আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ১৯৮৩ সালের ২২ ডিসেম্বর, ভারতের বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং। ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রাক্তন ছাত্র তিনি।

    সুখোই-৩০ এমকেআই, মিগ-২৯, মিগ-২১, কিরণ, এএন-৩২, এভিআরও, জাগুয়ার এবং মাইরেজ-২০০০ এ প্রায় ৪৯০০ ঘণ্টার অপারেশনাল ও টেস্ট ফ্লাইংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং-এর। তিনি তাঁর কর্মজীবনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন। মস্কোতে এসইউ-৩০ প্রজেক্ট টিমের প্রজেক্ট টেস্ট পাইলট ছিলেন সন্দীপ সিং। ভিসিএএস হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে সিং দক্ষিণ ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের এয়ার অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফও ছিলেন।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    ২০০৬ সালে বায়ুসেনা পদক, ২০১৩ সালে অতি বিশেষ সেবা পদক এবং ২০২২ সালে পরম বিশেষ সেবা পদক লাভ করেন এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতির সম্মানসূচক এয়ার এডিসি হিসেবে নিযুক্ত হন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে, এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং বায়ুসেনার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং দেশের বিমান প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিমান বাহিনীর উপ প্রধান হিসাবে, এয়ার মার্শাল সন্দীপ সিং বায়ুসেনার আধুনিকীকরণে অগ্রণী ভূমিকা নেন। তিনি বায়ুসেনার  ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নতুন ফাইটার জেট, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম অধিগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PFI: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    PFI: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআইকে (PFI)। তার পরেও মহারাষ্ট্রের পুনের (Pune) কন্ধোয়া এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই। খবর পেয়ে রবিবার ব্লু বেলস নামের ওই স্কুলের দুটি তলা বন্ধ করে দিয়েছে এনআইএ। জানা গিয়েছে, পিএফআইয়ের এই প্রশিক্ষণ শিবিরে মুসলিম তরুণদের দক্ষিণপন্থী তথা হিন্দু নেতা ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ওপর আক্রমণ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত।

    পিএফআই (PFI)…

    চলতি মাসের ১৬ তারিখে ওই বেসরকারি স্কুলে হানা দেয় এনআইএ। চালানো হয় খানাতল্লাশি। এর পরেই তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ওই দুটি তলায়। পরের দিন খবরটি ট্যুইট করে জানায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেসরকারি ওই স্কুলটির চার ও পাঁচতলায় প্রশিক্ষণ শিবির চলছিল। এই শিবিরে মুসলিম তরুণদের কট্টরপন্থার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। তাদের জঙ্গি তৈরির প্রশিক্ষণও দেওয়া হত। কীভাবে হিন্দু নেতাদের খুন করতে হবে, সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া হত।

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা করেছে পিএফআই (PFI)। জানা গিয়েছে, সেই মিশন সফল করতেই চালানো হচ্ছিল প্রশিক্ষণ শিবির। যারা এই মিশনের বিরোধিতা করছে, তাদের কীভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে, সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া হত। ২০২২ সালেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পিএফআইকে। পিএফআইয়ের পক্ষে সওয়াল করে সুর চড়ায় নিষিদ্ধ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএস। এ দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরেও লুকিয়ে-চুরিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল নিষিদ্ধ সংগঠন পিএফআই।

    আরও পড়ুুন: দায়রা আদালতেও ধাক্কা, ‘মোদি’ অবমাননা মামলায় জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই পুনের ওই এলাকা থেকে প্রচুর আপত্তিজনক লিফলেট, পোস্টার উদ্ধার হয়। তার পরেই জানা যায়, বন্দুক ছাড়াও অন্যান্য অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণও দেওয়া হত বেসরকারি ওই স্কুলের প্রশিক্ষণ শিবিরে। এদিকে, কর্নাটকের শিবমোগা মামলায় যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা, তাদের মধ্যে দু জনের ক্ষেত্রে ইসলামিক স্টেটের ভূমিকা প্রকাশ্যে এসেছে। চার্জশিটে বলা হয়েছে, এই দুজন ২৫টিরও বেশি নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। এনআইএ জানিয়েছে, বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে ক্রিপ্টোকারেন্সি পেমেন্ট ব্যবহার করত পিএফআই (PFI)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Rahul Gandhi: দায়রা আদালতেও ধাক্কা, ‘মোদি’ অবমাননা মামলায় জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    Rahul Gandhi: দায়রা আদালতেও ধাক্কা, ‘মোদি’ অবমাননা মামলায় জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সুরাট দায়রা আদালতেও ধাক্কা খেলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হল জেলে যাওয়ার সম্ভাবনাও। ২৩ মার্চ গুজরাটের (Gujarat) সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাহুলকে অপরাধমূলক মানহানির মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যে রায় দিয়েছিল, অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক আরপি মোগেরা বৃহস্পতিবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার আবেদন খারিজ করে দেন। রাহুলের আবেদন খারিজ করার পাশাপাশি মোদি (Modi) উপাধি নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাহুল গান্ধীর সাজা স্থগিত হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আদালতের এই রায়ের জেরে আপাতত কেরলের ওয়েনাড়ের সাংসদ পদ ফিরে পাচ্ছেন না রাহুল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিয়েও সংশয় তৈরি হল।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কর্নাটকের কোলারে মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে রাহুলকে (Rahul Gandhi) ২৩ মার্চ দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় গুজরাটের সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। রায় কার্যকর করতে ৩০ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল আদালত। রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি। তার প্রেক্ষিতেই ওই রায় দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে এক জনসমাবেশে রাহুল বলেছিলেন, সব চোরেদের পদবি কীভাবে মোদি হতে পারে? আদালতের ওই সিদ্ধান্তের জেরে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, আইনের অধীনে আমাদের কাছে এখনও সব বিকল্প পথ খোলা রয়েছে। আমরা সেগুলির সদ্ব্যবহার করার কথা ভাবছি।

    আরও পড়ুুন: রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    আদালতের রায়ের জেরে ২৪ মার্চ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজ করে দেন। তাঁকে দোষী ঘোষণা ও সাজার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ৩ এপ্রিল সুরাটেরই দায়রা আদালতে আবেদন করেছিলেন রাহুল। সেই আবেদনই খারিজ হয়ে গেল এদিন। আইনজীবীদের মতে, আদালতের এই রায়ের ওপর যদি হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ না দেয়, তাহলে আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না রাহুল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chit Fund: সব চিটফান্ড মামলার বিচার হবে একই আদালতে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Chit Fund: সব চিটফান্ড মামলার বিচার হবে একই আদালতে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারদা (Sarada), রোজভ্যালি (Rose Valley), টাওয়ার, এমপিএসের মতো সব বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার (Chit Fund) বিচার প্রক্রিয়া হবে একই আদালতে। আগেই এ ব্যাপারে আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা আদালতে বিচার চলছিল নানা চিটফান্ড মামলার। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, এবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন চিটফান্ড মামলাগুলির বিচার করতে হবে আদালতের একই এজলাসে। আদালতের আরও নির্দেশ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলার বিচার প্রক্রিয়া সিবিআই আদালতে করার ব্যবস্থা করতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে।

    বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা (Chit Fund)…

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় এজেন্সির পাশাপাশি এমপিএসের কর্ণধার প্রবীর কুমার চন্দ্র সহ তিনজন আদালতে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে মোট ২৮টি মামলা চলছে। সেগুলির তদন্ত করছে সিবিআই। সেই সমস্ত মামলা এক জায়গায় এনে বিচার করা হোক। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই সব মামলা একই সিবিআই আদালতে চালানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সারদা, রোজভ্যালির মতো অর্থলগ্নি সংস্থাগুলির (Chit Fund) বিরুদ্ধে মামলা চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। কিন্তু আজও সিবিআই কিংবা ইডি ওই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি।

    ২০১৩ সালে প্রকাশ্যে এসেছিল সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। তারপর থেকে ঝুলি থেকে বের হতে থাকে একের পর এক চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। এমপিএস, পিনকন, টাওয়ার, ত্রিভুবন অ্যাগ্রো সহ বহু চিটফান্ডের বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। সারদা কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। পরে গ্রেফতার করা হয় রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকেও। তারও পরে ধরা পড়েন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি সহ অন্যরা। সেই থেকেই জেল খেটে চলেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: ‘গরমে মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে’! মমতাকে কটাক্ষ করে আর কী কী বললেন সুকান্ত?

    ২০১৪ সাল থেকে সারদা ও রোজভ্যালি (Chit Fund) মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্ত শুরু হয়েছে নারদকাণ্ডেও। তার পর থেকে এ পর্যন্ত কোনও মামলায়ই চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সারদা কেলেঙ্কারির পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও, সেই ষড়যন্ত্রের কিনারা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share