Blog

  • Recruitment Scam: বাড়িতে মিলল দুবস্তা অ্যাডমিট কার্ড! পুকুরে তৃণমূল বিধায়কের মোবাইল খুঁজছে সিবিআই, কেন?

    Recruitment Scam: বাড়িতে মিলল দুবস্তা অ্যাডমিট কার্ড! পুকুরে তৃণমূল বিধায়কের মোবাইল খুঁজছে সিবিআই, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) থেকে বাঁচতে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহার কর্মকাণ্ড দেখে সিবিআই (CBI) কর্তারা হতবাক। গত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলছে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি। আর সময় যত গড়াচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam)  সংক্রান্ত নতুন নতুন নথি সিবিআইয়ের হাতে আসছে। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধায়কের বাড়ি থেকে প্রায় দুবস্তা নথি উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি এবং নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার একাধিক চাকরি প্রার্থীর অ্যামডিট কার্ড রয়েছে। এছাড়া একটি ডায়েরি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সিবিআই (CBI) কর্তাদের আশঙ্কা, এই ডায়েরির মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) লেনদেনের হিসেব থাকতে পারে। শনিবার তৃণমূল বিধায়কের দুই আত্মীয়ের বাড়িতে নতুন করে সিবিআই (CBI)  তল্লাশি শুরু করা হয়েছে।

    সিবিআই তল্লাশির সময় বাড়ির পাশে পুকুরে মোবাইল ফেলে দেন বিধায়ক!

    শুক্রবার সকাল থেকে রাজ্যের ৬টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থার বেশ কয়েকটি টিম। বড়ঞার এই তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয় সকাল থেকে। তল্লাশি চলে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও। তল্লাশির পাশাপাশি বিধায়ককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর, সিঁদুরের কৌটোর মধ্যে মোবাইলের মেমরি কার্ড লুকিয়ে রেখেছিলেন বিধায়ক। সেই মেমরি কার্ডে রয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক তথ্য। জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে অসুস্থতার কথা বলে শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে বাড়ির পাশের পুকুরে নিজের দুটি মোবাইল ফেলে দেন বিধায়ক। সঙ্গে দুটি পেন ড্রাইভ, একটি হার্ডডিস্কও ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অনুমান।  প্রায় চার-পাঁচ বছর ধরে সেই মোবাইলটি বিধায়ক ব্যবহার করছিলেন বলে সূত্রের খবর। ফলে, তাতে নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই তথ্য লোপাট করতেই পুকুরে মোবাইল ফেলা হল কি না তা সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। ইতিমধ্যেই পুকুরে পাম্প নামিয়ে জল বের করে মোবাইল খোঁজার চেষ্টা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এমনিতেই শুক্রবার থেকে সিবিআইয়ের (CBI)  একটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছেন। কিন্তু, বিধায়কের বাড়ি থেকে তথ্যের ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়ায় শনিবার ভোরে ৬ জনের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান।  তাঁরাও তল্লাশি শুরু করেছেন। মনে করা হচ্ছে, পুকুর থেকে মোবাইল দুটি পেলে তদন্তকারীদের হাতে আসতে পারে অনেক তথ্য। জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) লিঙ্কম্যান হিসেবে মুর্শিদাবাদ থেকে  কৌশিক নামে এক ব্যক্তি গ্রেফতার হন। তাঁকে জেরা করেই উঠে আসে এই জীবনকৃষ্ণ সাহার নাম। পরে, কিছু ব্যাঙ্কের চেকের সূত্র ধরে সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা নিশ্চিত হয়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা! অসহ্য গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী

    Weather Update: বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা! অসহ্য গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাপটে ব্যাট শুরু করল বৈশাখ। চৈত্র যেখানে শেষ করেছে সেখান থেকেই শুরু। নববর্ষের সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা কিনা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় নিরিখে কলকাতা গত পাঁচ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে। আগামী বুধবার অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে এই ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

    রেকর্ড গরম

    দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী পাঁচদিনের জন্য তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে ৪৩ ডিগ্রি ছুঁই-ছুঁই। শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি থাকতে পারে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি বেশি। 

    আরও পড়ুন: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

    বাইরে নয়

    দুপুরের সময় অতিরিক্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বার না হওয়ার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের কথায়, বাইরে বার হলে সুতির হালকা রংয়ের পোশাক পরা বাঞ্ছনীয়, জল খেতে হবে বেশি করে। শিশু বা প্রবীণদের দুপুরে রোদের সময় বাইরে বার না হওয়াই ভালো। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, রাজ্যে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে গরম হাওয়া প্রবেশ করছে। একইসঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প অনেক কম পরিমাণে প্রবেশ করছে। ফলে অস্বস্তি বাড়ছে। রাজ্যে কবে বৃষ্টি হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যবাসী।  হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। কবে কালবৈশাখী নামতে পারে, সেই বিষয়েও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। বাংলার গরমের স্বাভাবিক চরিত্র অনুযায়ী কিছু দিন পর পর কালবৈশাখী আসার কথা। অর্থাত্‍, কিছু দিন ধরে তাপমাত্রা বাড়লে, সাময়িক স্বস্তি দিতে কালবৈশাখী হাজির হয়ে যায়। যার সাক্ষী সদ্য পেরিয়ে আসা মার্চই। কিন্তু চৈত্রের শেষ থেকে তা উধাও। এখন বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা বঙ্গবাসীর।

  • Raj Bhaban: রাজভবনের দরজা খুলে গেল আমজনতার জন্য, কী বললেন রাজ্যপাল?

    Raj Bhaban: রাজভবনের দরজা খুলে গেল আমজনতার জন্য, কী বললেন রাজ্যপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে গেল রাজভবনের দরজা। জানা গিয়েছে, রাজভবনের ভিতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যাবে। রাজভবনের নীচের ঘর, ঝুলন্ত সেতু, সুইমিং পুল, বাগান, রাজভবনের গ্রন্থাগার ঘুরে দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষজন। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণ মাথায় রেখে বেশ কিছু জায়গাকে এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শনিবার সকালে বাংলা ভাষায় রাজ্যবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেইসঙ্গে তাঁর বার্তা, বাংলায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। নিজের গৌরব ফিরে পাবে বাংলা।

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শনিবার সকালে শান্তি মিছিল এবং সাইকেল র‌্যালি হয়। রাজভবন থেকে সেই শান্তি মিছিল শুরুর আগে বাংলা ভাষায় বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজ্যপাল দাবি করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পয়লা বৈশাখের সকালে শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। শান্তির ক্ষেত্রে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা ঘিরে উত্তপ্ত হয়েছিল বাংলার বেশ কিছু জায়গা। ঘটনায় সংঘাত বাধে রাজ্যপাল ও শাসকদলের মধ্যে। সেই আবহে পয়লা বৈশাখ রাজ্যপালের শান্তি মিছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    যুবশক্তির উপরেই ভরসা রাজ্যপালের 

    রাজ্যপালের দাবি, যুবশক্তি যে কোনও কাজ করতে পারে। জেগে উঠেছে যুবশক্তি। পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। বাংলায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে যুবশক্তিকে। দেশেও শান্তি ফিরিয়ে আনার আর্জি জানান রাজ্যপাল। তিনি বলেন, ‘এই নববর্ষে এক নয়া ভোরে প্রবেশ করল (বাংলা)। যুবশক্তি জাগ্রত হয়েছে। সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করবে যুব সমাজ। নিজের গৌরব ফিরে পাবে বাংলা। সকলের মঙ্গল কামনা করছি।’

    আমজনতার জন্য খুলে যাচ্ছে রাজভবন

    ব্রিটিশ আমলের ঔপনিবেশিক মানসিকতা ভেঙে ফেলতে আমজনতার জন্য রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে। আজ সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছেন রাজ্যপাল। গত ২৯ মার্চ তাঁর উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে রাজভবনের চাবি তুলে নেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আমজনতার জন্য ‘জন রাজভবন’-র (আমজনতার জন্য রাজভবনের দরজা খুলে যাওয়ায় সেই নাম দেওয়া হয়েছে)  দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে। সেজন্য সাজিয়ে তোলা হয়েছে রাজভবনকে। তারপর থেকে রাজভবনের ভিতরে এবং বাইরে হেঁটে দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এতদিন যে কালো রেলিঙের ফাঁক থেকে যে রাজভবনকে দেখতে হত মানুষকে, সেই রাজভবনের মধ্যেই করা যাবে ‘হেরিটেজ ওয়াক’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল সিপিএমের! লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত দলীয় কর্মী

    Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল সিপিএমের! লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত দলীয় কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল সিপিএমের। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক সিপিএম কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চুঁচুড়া থানা এলাকায়। প্রতারিত পরিবারের লোকজন ওই সিপিএম কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম পার্থ মণ্ডল। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থানা এলাকায়। পুলিশ জনিয়েছে, পার্থর কাছ থেকে একটি নিয়োগপত্র উদ্ধার হয়েছে। এই দুর্নীতির (Scam) সঙ্গে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই বছর আগে  নন্দীগ্রামের সাঁইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন দাসের প্রতিবেশী সুদীপ্ত হাজরার মাধ্যমে অমিত পায়রা নামে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয়। অমিত তাঁকে সরকারি চাকরি করে দেওয়ার টোপ দেন। বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। স্বপনবাবু প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। অমিতের হাত ধরে দুর্নীতির (Scam) চক্করে পড়ে যান তিনি। এরপর এই অমিতই পার্থ মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। স্বপনবাবু তাঁর ছেলে কৌশিক ও মেয়ে চামেলি দাসের চাকরির জন্য সারে এগারো লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পার্থ মন্ডলকে। প্রথমে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরে এবং পরে, প্রাথমিক স্কুলে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সবশেষে স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি করে দেওয়ার কথা বলেন। গত ১১ এপ্রিল পোস্ট অফিস মারফত একটি নিয়োগ পত্র পান স্বপন দাস। সেটি ছিল হুগলির জেলা হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদের। সেই নিয়োগ পত্রের আসল কপি পার্থ নিজের কাছে রেখে একটি জেরক্স দিয়ে দেন স্বপন দাসকে। নিয়োগ পত্রে সরকারি সিল মারা ছিল, বিশ্ব বাংলার সরকারি লোগো ছিল। আসল নিয়োগপত্রের জন্য আরও দেড় লক্ষ টাকা পার্থ দাবি করেন। ১৩ এপ্রিল স্বপনবাবু চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে আসেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ পত্র দেখে জানিয়ে দেয়, সেটি ভুয়ো। এরপরই চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তদন্তে নেমে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

    কী বললেন প্রতারিত ব্যক্তি

    স্বপনবাবু বলেন, আমি কলকাতায় বেকারিতে কাজ করি। জমি বিক্রি করে, ধারদেনা করে টাকা দিয়েছিলাম। টাকা দেওয়ার পর চাকরি না হওয়ায় অমিতকে ফোন করলে সে আর ফোন ধরে না। পরে, মোবাইল নম্বরই সে পাল্টে নেয়। হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারি, প্রতারিত হয়েছি। এরপর পার্থ মণ্ডলকে ফোন করি। তিনি দেড় লক্ষ টাকা না দিলে চাকরিতে যোগ দিতে পারবে না বলে জানায়। আমি তাঁকে জানাই, আমি চুঁচুড়ায় আছি, টাকা নিতে হলে সেখানেই আসতে হবে। সেখানে টাকা নিতে এসে পুলিশের জালে ধরা পরেন পার্থ। শুক্রবার আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত পার্থ মণ্ডলের দাবি, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengali New Year: বাংলা বর্ষপঞ্জির শুরু কোথায়? জানুন বঙ্গাব্দের জন্ম বৃত্তান্ত

    Bengali New Year: বাংলা বর্ষপঞ্জির শুরু কোথায়? জানুন বঙ্গাব্দের জন্ম বৃত্তান্ত

     জিষ্ণু বসু 

    আমাদের বাংলা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মাসের দিনসংখ্যা অনেকটাই আলাদা বাংলাদেশে। কেন এই পার্থক্য? দেশভাগের আগে তো একটাই বাংলা ছিল। এই বঙ্গভূমিতে কোন বর্ষপঞ্জি অনুসৃত হতো? ঢাকার দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ আর কলকাতার স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কি আলাদা পয়লা বৈশাখ মানতেন? সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ বা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল কোন বর্ষপঞ্জি মেনে নববর্ষ পালন করতেন?

    প্রাচীনকাল থেকে বাংলার মাটিতে চলে আসা এই যে চান্দ্র-সৌর বর্ষপঞ্জি তার শুরুটাই বা কোথায়? স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে আজ থেকে ১৪৩০ বছর আগেই বঙ্গাব্দের যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও বিতর্ক আছে। অনেকেই এখন বলছেন, ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দকে শুরু ধরে সম্রাট আকবর কর্তৃক এই বঙ্গাব্দ চালু হয়েছিল।

    বাংলা মাসের দিন পালটানো বা সূচনা কাল নিয়ে বিতর্ক বড় করে উঠে এল গত শতাব্দীর ছ’য়ের দশকে। ১৯৬৪ সালে সারা বাংলাদেশ জুড়ে ভয়ানক দাঙ্গা হল। সেদেশ থেকে হিন্দুদের বিতাড়ন মানে ‘এথনিক ক্লিনসিং’ শুরু হল পাকিস্তান সরকারের তত্ত্বাবধানে। কিন্তু মানুষ তাড়ালেই তো শুধু হবে না, পূর্ব পাকিস্তান তো একটা গোটা স্বতন্ত্র সংস্কৃতি। হিন্দুর পরম্পরাকে বাদ দিলে তো তার অর্ধেকের বেশিটাই খালি হয়ে যাবে। এই সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছে বাংলা বর্ষপঞ্জি যার ভিত্তিটা সূর্যসিদ্ধান্তের উপরে স্থাপিত।

    বাংলা বর্ষপঞ্জি পরিবর্তনের জন্য পাকিস্তানের তদানীন্তন সরকার একটি কমিটি তৈরি করেছিল। যার প্রধান ছিলেন মহম্মদ শহিদুল্লাহ। ১৯৬৬ সালে শহিদুল্লাহ সাহেবের কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। কমিটির সুপারিশ অনুসারে বাংলার প্রথম পাঁচটি মাস ৩১ দিন হবে ঠিক হল, আর বাকি মাসগুলি ৩০ দিনের। লিপ-ইয়ার হলে ফাল্গুন মাস ৩১ দিন ধরে নেওয়া হবে। যেহেতু তিথি নক্ষত্রের হিসাব রাখতে হবে না তাই প্রতি বছরই ১৪ এপ্রিল তারিখে হবে পয়লা বৈশাখ। এই রিপোর্টেই ৪ নম্বর পয়েন্ট হিসাবে উল্লেখ ছিল যে বঙ্গাব্দের সূচনা করেছিলেন সম্রাট আকবর খ্রিস্টীয় ১৫৮৪ সালে। তারও ২৯ বছর আগে মানে তাঁর মসনদে বসার সাল ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ অর্থাৎ ৯৬৩ হিজরি সালকে বঙ্গাব্দের শুরু হিসেবে ঘোষণা করেন।

    পাকিস্তান সরকারের এই রিপোর্ট নিয়ে বিতর্কের বিস্তর অবকাশ আছে। ১৪ এপ্রিলকেই পয়লা বৈশাখের দিন স্থির করা এককথায় অবৈজ্ঞানিক। সূর্যসিদ্ধান্ত মতে, বছরের দিনসংখ্যা ৩৬৫.২৫৮৭৫৬ আর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার হিসাবে ৩৬৫.২৪২২ দিন। মানে পার্থক্য হল ০.০১৬৫৫৬ দিন। শহিদুল্লাহ সাহেব যখন রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন সেদিন থেকে আজকের মধ্যেই প্রায় একদিনের (০.৮৯৪ দিনের) পার্থক্য হয়ে গিয়েছে।

    বছরের প্রথম পাঁচ মাস ৩১ দিনের হিসেবটাও সমীচীন নয়। ভারতীয় বর্ষপঞ্জির অন্যতম বিশেষত্ব হল নক্ষত্রের অবস্থান। মাসেদের নামও এর সঙ্গে সম্পর্কিত। বঙ্গাব্দের শুরুর বছর মানে ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে ভার্নাল ইক্যুইনক্স বা মহাবিষুবের দিন ছিল ২০ মার্চ। ঠিক তার পরেই ২৭ মার্চ ছিল অমাবস্যা। বঙ্গাব্দের প্রথম অমাবস্যার দিন রেবতী নক্ষত্র, সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী ঠিক এক সরলরেখায় ছিল। রেবতীকে আদি নক্ষত্র ধরেই বঙ্গাব্দের মাসের রচনা। কিছু মাসকে ইচ্ছেমতো ৩১ দিন ধরে নিলে বঙ্গদেশের পণ্ডিত মানুষদের এতশত বছরের সাধনার ধনকে জলাঞ্জলি দেওয়া হবে।

    শহিদুল্লাহ কমিটি বলেছিলেন, সম্রাট আকবর ১৫৮৫ সালে বঙ্গাব্দ শুরু করেন। আকবর তাঁর জ্যোতির্বিদ ফতল্লাহ শিরাজিকে হিজরি সালের সঙ্গে সূর্য সিদ্ধান্তের বর্ষগণনার হিসাব মিলিয়ে বর্ষপঞ্জি রচনার কথা বলেন। তখন আকবরের রাজত্বের ২৯ বছর হয়ে গেছে। তাই তাঁর মসনদে বসার বছর অর্থাৎ ১৫৫৬ সাল বা ৯৬৩ হিজরিকে প্রথম বঙ্গাব্দ ধরতে বলেন। এরপর থেকে সৌরবর্ষ যোগ করলে বঙ্গাব্দ পাওয়া যায়। যেমন ২০২০ খ্রিস্টাব্দ মানে ৯৬৩ + (২০২০- ১৫৫৬) = ১৪২৭ বঙ্গাব্দ।

    এই মিলিয়ে দেওয়া নিয়েও অনেকে আপত্তি করেছেন। বিজ্ঞানী পলাশবরন পাল তাঁর ‘সাল তারিখের ইতিহাস’ বইতে একটি সরল যুক্তি দিয়েছেন। আকবর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ১৫৮৫ সালে, তাহলে সিদ্ধান্ত তখন থেকে কার্যকরী করাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ মানে ৯৯৩ হিজরি, সেক্ষেত্রে আর উপরের ম্যাজিক সমীকরণ মিলবে না।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আজকের যুগে আকবরের রাজত্বের ২৯ বছর বাদ দেওয়া সহজ, কিন্তু আকবরের দরবারও চলত হিজরি সাল হিসাবে। হিজরি সাল হিসাবে ১২টি ২৯.৫ দিনের চন্দ্রমাসের যোগফল মানে ৩৫৪ দিনে বছর। তাই দু’টি সময়ের ব্যাবধান হিজরি সাল গণনা হিসাবে ৩০ বছরের কিছু বেশি। ফতল্লাহ শিরাজি বাদ দিলে ৩০ বিয়োগ করতেন ২৯ কখনওই নয়। তাই বাদ দিয়ে অঙ্ক মেলানোর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে আধুনিক।

    তাছাড়া আকবরের জীবদ্দশায় মোগলরা বাংলায় রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে উঠে আসেনি। ১৫৭৬ সালে রাজমহলের যুদ্ধে মোগলদের কাছে বাংলার আফগান শাসক দাউদ খান করর্নি পরাজিত হন। কিন্তু তারপরেও লাগাতার যুদ্ধ চলে। জাহাঙ্গিরের শাসনকাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলেছে। তাই ১৫৮৫ সালে সারা বাংলাতে শান্তিতে রাজত্ব করার অবস্থা বাদশা আকবরের ছিল না। তখন মোগল রাজত্ব কাবুল, মুলতান থেকে পূর্বে পাটনা পর্যন্ত মোট ১২টি সুবায় ভাগ ছিল। সম্রাট আকবর বেছে বেছে আপাত অস্থির বাংলাতেই তাঁর অব্দ শুরু করলেন কেন? স্বাভাবিক যুক্তিবোধে এর সঠিক উত্তর মেলে না।

    আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরিতে বঙ্গাব্দ বা বাংলায় বিশেষ সন প্রবর্তনের কোনও উল্লেখ নেই। বিভিন্ন বিষয় আলোচনার সময়ে অনেক সাল তামামি আছে কিন্তু বাংলা অব্দ নিয়ে একটি শব্দও নেই। হিজরি সাল হিসাবে ভারতবর্ষের ফসলের কর আদায়ের অসুবিধে হচ্ছে, তাই ফতল্লাহ শিরাজিকে তারিখ-ই-ইলাহি তৈরি করতে বলেছিলেন সম্রাট। এরকম হতেই পারে যে বাংলায় প্রচলিত বর্ষপঞ্জিকে দেখে এমনই একটা চান্দ্র-সৌর অব্দ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শস্যশ্যামলা বঙ্গদেশে এটি ফসলের কালের সঙ্গে মিলত, কাবুলে বা মুলতানে নিশ্চয়ই মিলত না। তাই আকবরের ইন্তেকালের সঙ্গে সঙ্গেই দ্বীন-ই-ইলাহির মত তারিখ-ই-ইলাহিও হারিয়ে যায়।

    কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’ কবিতায় যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের কথা বলেছেন। ‘যুদ্ধ করিল প্রতাপাদিত্য তুই কি না সেই ধন্য দেশ’, এই প্রতাপাদিত্য মোগলদের সঙ্গেই যুদ্ধ করেছিলেন। ১৫৮৪ সালে তিনিও রাজ্যপাট হাতে পান। তিনি যশোরে শিক্ষাবিস্তারের জন্য জেস্যুইট মিশনারিদের গির্জা বানাতে দিয়েছিলেন। তাঁর নৌবহরে পর্তুগিজ কুশল কারিগর ছিলেন। অর্থাৎ এক স্পন্দনশীল বাংলা সেদিন দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ছিল, রাজমহল জয় করেই বঙ্গাব্দ প্রচলনের প্রশ্নই ওঠে না।

    ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে ‘ক্যালেন্ডার রিফর্ম কমিটি’ গঠিত হয়েছিল। অধ্যাপক মেঘনাদ সাহা এই কমিটির সভাপতি হয়েছিলেন। এই কমিটির সুপারিশ অনুসারেই ‘শালিবাহন শক’ বর্ষপঞ্জিকে ভারতবর্ষের জাতীয় বর্ষপঞ্জি হিসাবে গ্রহণ করা হয়। ১৯৫৫ সালে এই কমিটির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এই কমিটি দেখেছিল যে ভারতীয় কালগণনা পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত। আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের পরে গ্রিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মেলামেশা হলেও গ্রিক জ্যোতির্বিদ্যা থেকে ভারতের কিছু নেওয়ার ছিল না।

    বাংলার সাল গণনার বিষয়েও এখানে আলোকপাত করা হয়েছে। চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতকের শুরুর সময় পর্যন্ত বাংলা মূলত গুপ্ত সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। তারপর ৭৫০ থেকে ১১৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পাল রাজারা শাসন করেন। সেন রাজারা কর্ণাটকের ক্ষত্রিয় ছিলেন। তাঁরাই বাংলায় শকাব্দ সাল গণনা রীতি নিয়ে আসেন। মুসলমান শাসনের সময় নবাব দরবারে হিজরি সাল চলত। কিন্তু শিক্ষিত সমাজে “শক” বর্ষপঞ্জিই ব্যবহৃত হতো। বাংলার সাধারণ মানুষ ‘পরগনাতি অব্দ’ নামে একটি বর্ষপঞ্জি মানতেন। তারিখ-ই-ইলাহির পরে থেকে নবাব দরবারেও সূর্যসিদ্ধান্তই মানা হতো।

    গুপ্তযুগের পরে এবং পালযুগের আগে ছোট সামন্ত রাজারা রাজত্ব করেছেন। হর্ষচরিতে মৌখরি বংশের প্রতিনিধি শশাঙ্কের বর্ণনা আছে। কামরূপ-বিজয়ী এই শশাঙ্কের রাজধানী ছিল অধুনা মুর্শিদাবাদের কাছে কর্ণসুবর্ণতে। আজ থেকে ১৪৩০ বছর আগে শশাঙ্কই গৌড়ের রাজা ছিলেন। তাই বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রবর্তক হিসাবে শশাঙ্কের সপক্ষেই যুক্তির পাল্লাই ভারী। তবে নিশ্চয় তখন একে বঙ্গাব্দ বলা হতো না। কিন্তু, বাংলা সাল গণনা তখন থেকেই শুরু।

    নীতীশকুমার সেনগুপ্ত ১৯৫৭ সালের ব্যাচে বেঙ্গল ক্যাডারের আইএএস। দুই বাংলার প্রতি টান থেকে একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ লিখেছেন তিনি, ‘ল্যান্ড অফ টু রিভার্স: এ হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল ফ্রম দ্য মহাভারত টু মুজিব।’ লেখক দেখিয়েছেন বাঁকুড়ার ডিহারগ্রাম ও সোনাতপনে হাজার বছরের প্রাচীন শিব মন্দিরে বাংলা অব্দের উল্লেখ আছে।

    মেঘনা গুহঠাকুরতা ও উইলিয়ম ভ্যান শেন্ডোলের বই ‘দ্য বাংলাদেশ রিডার: হিস্ট্রি, কালচার, পলিটিক্স’ প্রকাশিত হয়েছে ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে। বইটিতে বাংলার বর্ষপঞ্জি প্রবর্তনের কৃতিত্ব গৌড়েশ্বর শশাঙ্ককেই দেওয়া হয়েছে।
    বঙ্গাব্দ নিয়ে বিস্তর গবেষণার সুযোগ আছে। বাঙালি বুদ্ধিমান, বাঙালি যুক্তিবাদী সেইসঙ্গে বাঙালির ছোঁয়া বিশ্বজুড়ে। তাই যে মতটা যুক্তিগ্রাহ্য এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সেটিকেই মানবে আধুনিক বাঙালি। কিন্তু আরগুমেনটেটিভ তর্কবাগীশ বাঙালিও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তিবোধের থেকে আর্ষপ্রয়োগকেই বেশি মেনে নেয়। সমস্যাটা সেখানেই।

    (লেখক কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স-এ কর্মরত)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poila Baisakh: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

    Poila Baisakh: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বাংলা বছরের প্রথম দিন (Poila Baisakh)। ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখকে বরণ করতে প্রস্তুত বাঙালি। ১৪২৯-কে বিদায় জানিয়ে বাংলা ক্যালেন্ডারে নতুন বছর স্বাগত ১৪৩০। নতুন জামা, গঙ্গাস্নান, দোকানে দোকানে হালখাতা৷ শুভেচ্ছা-মিষ্টিমুখ-গান-আড্ডা। নববর্ষের আবাহনে মেতে উঠেছে গোটা বাংলা৷ সকালে গঙ্গার ঘাটে ভিড়। পুণ্যস্নান সেরে মন্দিরে পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়েই নতুন বছরের পথচলা শুরু।  

    মন্দিরে মন্দিরে ভিড়

    কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর, লেক কালীবাড়ি থেকে তারাপীঠ, মন্দিরে মন্দিরে ভিড় জমিয়েছে আম-বাঙালি। প্রার্থনা সারা বছর ভাল কাটুক। ভোর থেকে ব্যবসায়ীরাও হাজির হালখাতা নিয়ে। বেলা বাড়লেই সূর্যের প্রখর তেজে ঘর থেকে বেরনো দায়। তাই সকাল সকাল মন্দিরে আসছেন পুণ্যার্থীরা। পয়লা বৈশাখের (Poila Baisakh) সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে তারাপীঠে মায়ের পুজো শুরু হয়েছে। সারা বছরের জন্য মঙ্গল কামনায় দর্শনার্থীদের ঢল কালীঘাটে।  রাত থাকতেই পুজোর ডালি নিয়ে হাজির হয়েছেন দর্শনার্থীরা। একে পয়লা বৈশাখ, তার ওপর আজ শনিবার। তাই ভিড়ের চাপও বেশি।

    বাংলার বাইরেও উৎসব পালন

    শুধু বাংলায় নয়, এই উৎসব অসম, ত্রিপুরা, দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত হচ্ছে (Poila Baisakh)। সাধারণত এই উৎসব ১৪ বা ১৫ এপ্রিল পালিত হয়। বাংলাদেশ নতুন বছরকে বরণ করেছে শুক্রবার। এই দিনে বাঙালি সমাজের মানুষ সব কাজ থেকে অবসর নিয়ে নতুন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে। এর পাশাপাশি মন্দিরে অনেক সাজসজ্জার পাশাপাশি নিয়ম-কানুন মেনে পুজো করেন তারা। এই দিনে গরুর পুজো করারও বিধান আছে। গরুকে তিলক, ভোগ এবং পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেওয়া হয়। অন্যদিকে এদিন ব্যবসার হিসাব দেখেন ব্যবসায়ীরা। বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হওয়া এই উৎসবে খড় পোড়ানোরও ঐতিহ্য রয়েছে। মনে করা হয়, খড় জ্বালিয়ে গত বছর যে কষ্ট পেয়েছিলেন তা থেকে মুক্তি মেলে।

    আরও পড়ুন: হালখাতা থেকে মঙ্গলচিহ্ন! জানুন নববর্ষে এর ঐতিহ্য ও তাৎপর্য

    বাংলা নববর্ষ (Poila Baisakh) মানেই বাঙালির কাছে বড় আবেগের দিন। প্রিয় মানুষের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করতে নানারকম পরিকল্পনা করা হয়। ভ্রমণ থেকে খাওয়াদাওয়া। মিষ্টি থেকে মৎস্যমুখ। এই দিন ভালোমন্দ রাঁধাই দীর্ঘদিনের বাঙালি রীতি। বাঙালি ঘরানার পোশাক পরা থেকে বাঙালি খাবারের ভূরিভোজ, ইলিশ আর চিংড়ির লড়াই থেকে আম, লিচুর গন্ধে গোটা বাড়ি মেতে ওঠে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘তিনশোর বেশি আসন পেয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি-ই’’, দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘তিনশোর বেশি আসন পেয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি-ই’’, দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক দলীয় নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসবেন বলে গোটা মন্দির চত্বর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিন গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সোজা মন্দিরে চলে যান। মন্দিরে গিয়ে তিনি ধূপ আরতি করেন। ফলাদি দিয়ে পুজো করেন। মায়ের একটি শাড়ি তাঁর হাতে তুলে দেয় মন্দির কমিটি। আর মন্দির কর্তৃপক্ষের নতুন বছরের একটি ক্যালেন্ডার উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

    পুজো দিয়ে বেরিয়ে ক বললেন অমিত শাহ (Amit Shah)?

    মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, আমি দক্ষিণেশ্বরে মাতৃ দর্শনে এসেছি। এর আগে বীরভূমে গিয়েছিলাম। যে ধরনের উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ আমি বীরভূমের মানুষের মধ্যে দেখেছি, তাতে কোনও আশঙ্কা নেই, ভারতীয় জনতা পার্টি ২০২৪ সালে ৩৫টির বেশি আসন নিয়ে বঙ্গে জয়লাভ করবে। আমি আজ মায়ের পায়ে এই প্রার্থনা করে এসেছি, বাংলা সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক এবং জনগন শান্তিতে থাকুক। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক হোক। রাজ্যের সব জায়গায় ধর্মীয় উৎসব মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে করতে পারে। কাউকে যেন কোনও সন্ত্রাস বা হিংসার মুখোমুখি না হতে হয়। আমি আশাবাদী বাংলার জনতা আগামী দিনে উনিশের থেকেও ভালো আসন নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির পাশে থাকবে এবং বিজেপি আরও ভালো ফল করবে পশ্চিমবঙ্গে। বাংলার মানুষের আশীর্বাদ নিয়েই নরেন্দ্র মোদি ৩০০ এর বেশি আসন নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন।

    সফরসূচি বদলের কারণ কী?

    ঠিক ছিল বাংলা নববর্ষের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই মতো বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে খবরও ছিল। প্রস্তুতিও চলছিল জোরকদমে। কিন্তু, আচমকাই তার সফরসূচির কিছুটা বদল ঘটে। ঠিক হয়,  সিউড়ি-র সভা শেষ করে শুক্রবার বিকেলের পর তিনি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে আসবেন। সেই মতো এদিন দুপুর থেকেই মন্দির জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। এমনিতেই পয়লা বৈশাখের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন তাই নিজের সফরসূচির একটু পরিবর্তন করেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর কলকাতায় ফিরে গিয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে তিনি সাংগঠনিক বৈঠক করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উদ্বোধন করলেন এইমসের! বিহুর আগে অসমকে ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প উপহার মোদির

    Narendra Modi: উদ্বোধন করলেন এইমসের! বিহুর আগে অসমকে ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প উপহার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘যখনই আমি গত ৯ বছরে দেশের উন্নয়নের কথা বলি, তখনই কিছু মানুষ অস্বস্তিতে পড়ে যায়। কারণ তাঁরা দেশের এই অগ্রগতির কোনও কৃতিত্ব নিতে পারে না। তাঁরা এখন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে পাশে বসিয়ে গুয়াহাটিতে একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। এদিন অসমের ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসব বিহুতেও অংশ নিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Narendra Modi)।  

    অসমের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের সূচনা

    উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য একাধিক প্রকল্প নিতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। শুক্রবার ফের একবার অসমের মানুষের জন্য ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। এদিন অসমের মানুষের জন্য অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স অর্থাৎ AIIMS-এরও উদ্বোধন করেন তিনি। প্রসঙ্গত, গুয়াহাটি AIIMS-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল ৬ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে। জানা গেছে এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে  ১১২০ কোটি টাকা। এছাড়াও ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট তিনটি মেডিকেল কলেজেরও উদ্বোধন করেন তিনি। নলবাড়ি মেডিক্যাল কলেজ, নগাঁও মেডিক্যাল কলেজ এবং কোকরাঝাড় মেডিক্যাল কলেজ।

    আয়ুষ্মান কার্ডও বিতরণ করেন এদিন তিনি

    এদিন এক কোটি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড বিলি করেন প্রধানমন্ত্রী। এর দ্বারা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিনামূল্যে করাতে পারবেন উপভোক্তারা।

    এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শুক্রবারই আইআইটি গুয়াহাটির উদ্যোগে অসমাই অ্যাডভান্সড হেলথ কেয়ার ইনোভেশন ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পাশাপাশি এদিন তিনি গুয়াহাটি হাইকোর্টের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। কিন্তু এভাবে বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালত অবমাননা করা হয়েছে।’ শুক্রবার বীরভুম যাওয়ার আগে অন্ডাল বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক রায়দানে কার্যত বিপাকে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে তৃণমূল মুখপাত্র তাঁর সমালোচনা করে অভিজিৎবাবুকে রাজনৈতিক মঞ্চে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। আর তার প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শুক্রবার বীরভুমে সভা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রন্ত্রী অমিত শাহর। এদিন দুপুর নাগাদ দিল্লি থেকে বিমানে অন্ডালের কাজি নজরুল বিমানবন্দরে নামেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অন্ডাল বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতা। 

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু কী জানালেন?

    এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, “মৌচাকে ঢিল মেরেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।” তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় যেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং অভিজিৎবাবু যেরকম সৎভাবে জীবনযাপন করেন, তাতে ওনার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ওনার পাশে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আছে। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। এভাবে একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালতকে অনমাননা করেছে তারা।” দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। সেই প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, “দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আসাটা স্বাভাবিক। কারণ তিনিও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ তদন্তকারীদের কাছে আছে। তাই চোখে চোখে কথা বলো মুখে কিছু বলো না। আসলে, অভিজিৎবাবু মৌচাকে ঢিল মেরেছেন।” কেন্দ্রীয় বঞ্চনা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,’পুরোনো মদ, নতুন বোতল। আগে সিপিএম বলতো, এখন একই কথা তৃণমূল বলে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Suvendu Adhikari: অমিত শাহের সামনে বাংলায় ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অমিত শাহের সামনে বাংলায় ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সামনেই বাংলা থেকে ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার সিউড়ির জনসভায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘পরিবারতান্ত্রিক’ ও ‘তোষণে’র রাজনীতি উৎখাত করার ডাক দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। 

    পরিবারতন্ত্রের অবসান

    অমিত শাহকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা এখন বাংলার সবথেকে বড় সমস্যা। এটা আপনাকে সমূলে উপরে ফেলতে হবে। আর রয়েছে পরিবারতন্ত্রের সমস্যা। বাংলায় পিসি ভাইপোর রাজত্ব আপনাকে শেষ করতেই হবে!’ শুভেন্দু এ দিন সিউড়ির সভায় জানান, তিনি বিজেপি সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভায় যোগ দিয়েছিলেন৷ সেই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে দেশের দুই রাজ্য থেকে পরিবারতন্ত্রের অবসানের কথা বলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ সেই দুই রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলেঙ্গানা৷ আগামী দিনে এই দুটো রাজ্যেই বিজেপি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, বলে আশা রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

    অনুব্রতকে নিশানা

    এ দিন অমিত শাহের সামনে অনুব্রত মণ্ডলের উদাহরণ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘যিনি গোটা রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশি ভোট পরবর্তী হিংসায় মদত দিয়েছিলেন, সেই অনুব্রত মণ্ডলের অবস্থা এখন দেখেছেন তো কী হয়েছে৷ আপনারা যাঁরা এখনও ভাবছেন আগামী নির্বাচনগুলিতেও অনুব্রত মণ্ডলের মতো বিজেপি নেতা কর্মীদের উপরে অত্যাচার করবেন, তাঁদের অবস্থাও ওই একই রকম হবে৷ লাখ লাখ বিজেপি কর্মীরা পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। আগামী দিনেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।’

    আরও পড়ুন: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    সুকান্তর টার্গেট অভিষেক

    অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের টার্গেট লিস্টে ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সামনেই রাজ্যে বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের অত্যাচারের খতিয়ান তুলে ধরে সুকান্ত বলেন, “তৃণমূলের প্রচুর নেতা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচার করছে,ভয় দেখাচ্ছে, কার সাহসে? ভাইপোর সাহসে, কয়লা ভাইপোর সাহসে।” এরপরে অভিষেকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না উল্লেখ করে সুকান্তকে বলতে শোনা যায়, “খোকনের ডাক এসে গিয়েছে সিবিআইয়ের কাছ থেকে।” এদিন সুকান্ত ও শুভেন্দু দুজনেই বাংলায় বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের উপর অত্যাচারের বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নজরে আনার চেষ্টা করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share