Blog

  • Bengali New Year: নতুন বছরে সৌভাগ্য তুঙ্গে উঠবে এই ৫ রাশির! বাকিদেরই বা কেমন যাবে?

    Bengali New Year: নতুন বছরে সৌভাগ্য তুঙ্গে উঠবে এই ৫ রাশির! বাকিদেরই বা কেমন যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ এ্রপ্রিল, শনিবার বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে নতুন বছরের শুরু। জ্যোতিষীদের মতে আজ অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে মীন রাশি ত্যাগ করে মেষ রাশিতে গোচর করবে সূর্য। সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে নতুন বছর (Bengali New Year) ১৪৩০ সাল। নতুন বছরের গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান বিচার করে জ্যোতিষীরা জানাচ্ছেন, সৌভাগ্য তুঙ্গে থাকবে পাঁচ রাশির জাতকদের। অন্যান্য রাশির জাতকদেরই বা কেমন যাবে?

    প্রথমেই দেখে নেব কোন ৫ রাশির ক্ষেত্রে সৌভাগ্যদায়ী শুভযোগ তৈরি হচ্ছে

    মেষ রাশি​

    জ্যোতিষীদের মতে, নতুন বছর ১৪৩০ সালে সৌভাগ্যের শিখরে অবস্থান করতে চলেছেন মেষ রাশির জাতকরা। আপনি মেষ রাশির জাতক হলে নতুন বাংলা বছরে (Bengali New Year) নতুন বাড়ি বা গাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে আপনার। এই সময় মেষ রাশির কোষ্ঠীর দ্বাদশ ঘরে অবস্থান করবে বৃহস্পতি। দেবগুরুর শুভ প্রভাবে উত্তরাধিকার সূত্রেও সম্পত্তি লাভ করতে পারেন এরা। বিশেষ মে মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ভালো সময় চলবে আপনার।

    মিথুন রাশি

    জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান পরিবর্তনে বিশেষ ফল পাবেন মিথুন রাশির জাতকরা। নতুন বাড়ি বা ফ্ল্যাট এবং গাড়ি কেনার স্বপ্ন নতুন বাংলা বছরে পূরণ হতে পারে মিথুন রাশির জাতকদের। এতদিন কিছুটা আর্থিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছিল এই রাশির জাতকদের। সেই খারাপ সময় কেটে গিয়ে বাংলা নববর্ষে (Bengali New Year) সৌভাগ্যের তারা ঝকমক করবে মিথুন রাশির জাতকদের জীবনে। বাংলা বছরের মাঝামাঝি শনির শুভ দৃষ্টি থাকবে মিথুন রাশির জাতকদের উপর। তার ফলে মনের সব ইচ্ছে এই সময় পূরণ করতে পারবেন আপনি। কর্মক্ষেত্রেও এই সময় উন্নতির যোগ আছে, আশাতীত বেতন বৃদ্ধি হতে পারে।

    কন্যা রাশি

    বাংলা নববর্ষে (Bengali New Year) কাজের প্রতি উত্‍সাহ ও উদ্যম বৃদ্ধি পাবে কন্যা রাশির জাতকদের। নিজেদের পরিশ্রম ও বুদ্ধির জোরে এই সময় বড় কোনও সাফল্য অর্জন করতে পারেন। বাবা বা মায়ের কাছ থেকে অর্থলাভ হতে পারে। কেরিয়ারেও উন্নতির যোগ আছে। বিশেষ করে যাঁরা গবেষণামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত, নতুন বাংলা বছরে তাঁরা বিশেষ সাফল্য লাভ করতে পারেন।

    তুলা রাশি

    ১৪৩০ বঙ্গাব্দে বড় কোনও সাফল্য লাভ করতে পারেন তুলা রাশির জাতকরা। এই সময় নিজের স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে পারবেন আপনি। মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত খুব ভালো সময় থাকবে আপনার। নতুন বছরে নতুন গাড়ি ও বাড়ি কেনার স্বপ্ন সত্যি হতে পারে। আপনি তুলা রাশির জাতক হলে এই সময় আপনার কাজ সবার প্রশংসা পাবে। কাজের সূত্রে বিদেশ সফরও হতে পারে এই সময়।

    বৃশ্চিক রাশি 

    বিনিয়োগের জন্য পয়লা বৈশাখ থেকে খুব ভালো সময় পড়ছে বৃশ্চিক রাশির জাতকদের। বিশেষ করে আর্থিক ভাবে এই সময় প্রচুর লাভ করতে চলেছেন আপনি। নতুন বছরে (Bengali New Year) আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটবেন বৃশ্চিক রাশির জাতকরা। কর্মক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্ট আপনার কাজে খুশি হবে। মাইনে বাড়ার সম্ভাবনা আছে। প্রেম জীবনও নতুন বছরে দারুণ কাটবে বৃশ্চিক রাশির জাতকদের।

     

    অন্যান্য রাশির জাতকদের কেমন যাবে নতুন বছর

    কর্কট রাশি – কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা রাগ সংবরণ করুন, তা না হলে সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে পারে। এ বছর বিবাহ যোগ রয়েছে। চাকুরিজীবীরা সতর্ক থাকুন। স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিন।
     
    সিংহ রাশি – নতুন বছর এই জাতকদের বেশ ভালোই কাটবে। পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে। আর্থিক পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো থাকবে। তবে খুব ভেবেচিন্তে ব্যয় করুন। স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো থাকবে না। চলে যাওয়া প্রেম আবার নতুন করে ফিরে আসতে পারে।

    বৃষ রাশি – বৃষ রাশির জাতক জাতিকাদের এই বছরটা বেশ ভালোই কাটবে। চাকরি ও ব্যবসায় ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ বছর আয় খুব ভালো হবে। শিক্ষাক্ষেত্রেও ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। এই বছর কাউকে টাকা ধার দেবেন না, অন্যথায় আপনি সমস্যায় পড়বেন। নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    কন্যা রাশি – এই বছরটা কন্যা রাশি জাতকদের ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে। খুব সাবধানে থাকুন। আপনার উপর কোনও কারণে অপবাদ আসতে পারে। পারিবারিক পরিস্থিতি মোটামুটি থাকবে। স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। কর্মক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে তার সমাধান হয়ে যাবে। নিজের কাজে মনোযোগ দিন। খুব প্রয়োজন না হলে দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
     
    ধনু রাশি – বাইরের কাউকে খুব বেশি ভরসা করবেন না। এই বছর নিজের পরিবারের মানুষদের সঙ্গেও আপনার মনোমালিন্য হতে পারে। দাম্পত্য কলহ যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি মিটিয়ে নিন।

    মকর রাশি – পারিবারিক সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করবে না। এই বছর নতুন কোনও ব্যবসা শুরু না করাই ভালো। চাকরির স্থানে সমস্যা থাকলেও, তা কেটে যাবে। কোনও পরিস্থিতিতেই মনে বিষাদ ভাব আসতে দেবেন না।

    কুম্ভ রাশি – নতুন বছরটা কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকাদের খুব একটা ভালো কাটবে না। সংসার জীবনে সুখ থাকবে, তবে কিছু কিছু সময়ে নিজেকে একা লাগবে। ঘরে-বাইরে কোথাও কোনও কিছু নিয়ে প্রতিবাদ করতে যাবেন না, সমস্যায় পড়তে পারেন। সন্তানের দিক থেকে সুখ পাবেন।

    মীন রাশি – নতুন বছরে তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না, বিপদে পড়তে পারেন। পারিবারিক ক্ষেত্রে মতবিরোধ বাড়বে। প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে এই বছরটা খুব শুভ। বন্ধু ভাগ্য ভালো থাকবে। শরীরের নিচের অংশে আঘাত লাগতে পারে। অর্থ সঞ্চয় খুব একটা ভালো হবে না। এ বছর যে কোনও কাজ খুব ভেবেচিন্তে করুন, তা না হলে বদনাম আসতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিন’, সুনককে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিন’, সুনককে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক সপ্তাহ আগেই লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তার পর বৃহস্পতিবার ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ফোন করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। সূত্রের খবর, এদিন দুই রাষ্ট্রনেতার কথোপকথনের সময় ব্রিটেনে অবস্থিত ভারতীয় কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সুনককে ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও মোদি-সুনক কথোপকথনে আলোচনা হয় দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের অগ্রগতি, বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। অর্থনৈতিক অপরাধীদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে অগ্রগতি সম্পর্কেও জানতে চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বাংলা সহ ভারতের কয়েকটি রাজ্যে পালিত হবে নববর্ষ। সেজন্য মোদিকে নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উদ্বেগ…

    মাসখানেক আগে লন্ডনের ভারতীয় দূতাবাসে হানা দিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। ভারতের জাতীয় পতাকা টেনে নামিয়ে দিয়েছিল তারা। দূতাবাসের ভবনের প্রথম তলের বারান্দা থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল খালিস্তানপন্থীদের ব্যানার। খালিস্তানপন্থী স্বঘোষিত ধর্মগুরু ওয়ারিস পঞ্জাব দি সংগঠনের প্রধান অমৃতপাল সিংহ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে পঞ্জাব পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছিল তারা। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও চরমপন্থীদের পদক্ষেপের প্রতিবাদে নয়া দিল্লির শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ কূটনীতিককে তলব করেছিল ভারত সরকার। এবার সুযোগ পেয়ে সরাসরি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার পরেই ভারতীয় হাইকমিশনের হামলা ব্রিটিশ সরকার একেবারেই মেনে নেয়নি জানিয়ে ভারতীয় দূতাবাস ও দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন সুনক।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এদিন টেলিফোনিক কথোপকথনের সময় ভারতের কূটনৈতিক এস্টাবলিশমেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে ইউকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারত-বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। সুনক জানিয়েছেন, ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ঘটনাটি ব্রিটেন ভালভাবে নেয়নি। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তারও।

    জানা গিয়েছে, ভারত-ব্রিটেন রোডম্যাপ ২০৩০ এর অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, এই বিষয়ে দুই রাষ্ট্রনেতাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে দ্রুত একটি চুক্তি (PM Modi) স্বাক্ষর করা প্রয়োজন বলেও সহমত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। অর্থনৈতিক অপরাধীদের দ্রুত ভারতে ফেরানোর বিষয়েও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ব্রিটেনের জেলে বন্দি রয়েছে পলাতক ভারতীয় অর্থনৈতিক অপরাধী নীরব মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স সবে তিন বছর পেড়িয়েছে। এই বয়সে সাধারণত সবে অক্ষরজ্ঞান হয়। অনেকে ঠিকমতো করে কথা বলতে পারে না। সেখানে তিন বছরের দীপান্বিতা বর্মনের প্রতিভা (Talent) দেখে হতবাক সকলে। এত অল্প বয়সে তার এই প্রতিভাকে (Talent) স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস। বিষয়টি জানাজানি হতেই অনেকেই বাড়িতে ভিড় করেছেন। প্রতিবেশীরাও তার প্রতিভা (Talent) দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। প্রতিবেশী শ্যামল পাল বলেন, আমাদের এই সীমান্তবর্তী গ্রামে খুদে মেয়ের এই সাফল্যে আমরা খুব গর্বিত।

    তিন বছরের খুদের প্রতিভা (Talent) কী জানেন?

    দীপান্বিতার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী গ্রাম কিসমত রামকৃষ্ণপুরে। এই বয়সে তার দেশের সব রাজ্যের রাজধানীর নাম মুখস্থ। একাধিক দেশের নাম তাঁর ঠোঁটের ডগায়। মাত্র দু মিনিট ২৫ সেকেন্ডে বিভিন্ন দেশ ও ভারতের সব রাজ্য মিলিয়ে ১০০টি রাজধানীর নাম অনায়াসে বলে দিতে পারে সে। আর এই বিরল প্রতিভা (Talent) দেখেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম উঠেছে তার। ইতিমধ্যেই মেডেল, সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য পুরস্কার তার বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। আর এই খুদের এমন সাফল্যে গর্বিত তার বাবা মা, পরিবারের লোকজন। গর্বিত সমগ্র গ্রামের বাসিন্দারাও। তিন বছরের খুদের অর্জন করা পুরস্কারগুলি দেখতে তার বাড়িতে এখন ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসীও।

    কী বললেন দীপান্বিতার বাবা?

    দীপান্বিতার বাবা সুরজিৎ বর্মন বলেন, আমরা খেলার ছলে মেয়েকে এসব রাজধানীর নাম বলতাম। ও একবার শুনলে সেটা মনে রাখতে পারত। ফলে, প্রতিদিন নতুন নতুন রাজধানীর নাম বলতাম। প্রথমে দেশের সব রাজ্যের নাম বললাম। দেখলাম, কয়েকদিনের মধ্যেই ও সব রাজধানীর নাম বলে দিল। এরপর দেশ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের সব দেশের নাম, রাজধানীর নাম ওর কাছে বলি। সব দেশের নাম ও অনায়াসে বলে দেয়। এরপর একদিন ওর প্রতিভার (Talent) বিষয়টি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে মেল করে জানাই। ওদের নির্দেশ মতো ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও করে ওদের পাঠাই। এরপর মেয়ের প্রতিভাকে (Talent) ওরা স্বীকৃতি দেওয়ায় খুব ভাল লাগছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ ছিল দক্ষিণ দমদম পুরসভায় তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারদের মধ্যে কোন্দল মেটাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে জেলা নেতৃত্ব বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন। তবে, দক্ষিণ দমদম নয়, বরানগরে সেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আর সেই বৈঠকে তৃণমূল কাউন্সিলারদের হাজিরার সংখ্যায় শাসক দলের গোষ্ঠীকোন্দলের চিত্র আরও একবার প্রমাণ করে দিল। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশকে যে তারা আমল দিতে নারাজ তা প্রকাশ্যে চলে এল। যা নিয়ে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

    জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে যাননি কতজন কাউন্সিলার?

    বৃহস্পতিবার জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার সব কাউন্সিলারকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে তৃণমূলের (TMC) দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়, সাংসদ সৌগত রায়, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, দলের যুব সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩৫। তার মধ্যে একজন কাউন্সিলার মারা গিয়েছেন। দুজন কাউন্সিলার নির্দল। ৩২ জন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারকে এদিন ডাকা হয়েছিল। এরমধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত। আর একজন মহিলা কাউন্সিলার ব্যক্তিগত কারণে বৈঠকে আসতে পারেননি। বাকী ৩০ জন কাউন্সিলারের বৈঠকে থাকার কথা। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল, ১৬ জন কাউন্সিলার বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। ১৪ জন কাউন্সিলার বৈঠকে যাননি। তাদের বক্তব্য, দুই নির্দল কাউন্সিলার দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রীতা রায়চৌধুরীকে ডাকতে হবে। জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে একসঙ্গে এতজন কাউন্সিলারের গরহাজিরার ঘটনায় দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও পুরসভার চেয়ারপার্সন কস্তুরি চৌধুরী বলেন, আমরা সব ওয়ার্ডে কাজের সমবন্টন করি। কি কি কাজ হচ্ছে তাও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় বৈঠকে। কাজের ক্ষেত্রে কাউকেই বৈষম্য করা হয় না।

    কাউন্সিলারদের গরহাজিরা নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    বৈঠকে অনুপস্থিত কাউন্সিলারদের ওপরে অসন্তুষ্ট হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়। তিনি বৈঠকে বলেন, কাউন্সিলারদের অভিযোগ নিয়েই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে এসে তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি বলতে পারত। আমি সমস্ত বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাবো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠা ঠা রোদেও বকেয়া ডিএ (DA) ও কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলছে ধর্না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আপাতত তিন শতাংশের বেশি ডিএ দিতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তার পরেও চলছে আন্দোলন। ওই একই দাবিতে গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আন্দোলনকারীরা দুদিন ধরে ধর্না দিয়েছেন দিল্লির যন্তরমন্তরেও। তার পরেও অনড় অবস্থানে রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। অর্থের অভাবের যুক্তিতে যেখানে বকেয়া ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না, বৃহস্পতিবার সেখানেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হল বিশ্বমানের অডিটোরিয়ামের। শাঁখের আকৃতির এই অডিটোরিয়াম তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪৪০ কোটি টাকা। নাম দেওয়া হয়েছে ধনধান্য।

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন…

    মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং উদ্বোধন করেছেন এই অডিটোরিয়ামের। তারই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দিতে পারছেন না, অথচ ৪৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করছেন। উনি সারাদিন টাকা টাকা করেন কেন? সকাল হলেই টাকা, রাত হলেই টাকা। বিজেপির প্রাক্তন এই রাজ্য সভাপতি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই লোকের মনে প্রশ্ন উঠছে। ডিএর জন্য ধর্না চলছে আর এত কোটি টাকার বিল্ডিং তৈরির কী মানে হয়? তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তো কম অডিটোরিয়াম নেই। এত অডিটোরিয়াম থাকা সত্ত্বেও উনি প্যান্ডেল বেঁধে প্রশাসনিক বৈঠক করেন, তো কী হবে অডিটোরিয়াম তৈরি করে?

    আরও পড়ুুন: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, আমাদের অডিটোরিয়াম দেওয়া হয় না। কীসের জন্য এত টাকা ব্যয় করে এই অডিটোরিয়াম তৈরি করা হয়েছে? এদিন সকালে আন্দামান যাচ্ছেন দিলীপ। তার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানেই অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন তিনি। কেবল অডিটোরিয়ামই নয়, মিড-ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগেও সরব হন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, মিড-ডে মিলে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন বিজেপি দফতর থেকে এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব এখন বেনিফাশিয়ারিতে কত ছাত্রছাত্রীর নাম রয়েছে, আর কতজন এর সুবিধা পাচ্ছে, সেই তথ্যটা পাঠিয়ে দিন কেন্দ্রের কাছে, তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Weather: শুকনো গরমে নাজেহাল! ৪০ ডিগ্রি ছুঁল কলকাতা, পুড়ছে জেলাও, কী বলছেন আবহবিদরা?

    Weather: শুকনো গরমে নাজেহাল! ৪০ ডিগ্রি ছুঁল কলকাতা, পুড়ছে জেলাও, কী বলছেন আবহবিদরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৪২৯ বঙ্গাব্দের শেষ দিন। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে জ্বলছে কলকাতা-সহ গোটা বাংলা (Kolkata Weather)। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতায় (Kolkata Weather) তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পৌঁছে যেতে পারে, বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবারই কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রিতে ঠেকেছে। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।

    কোথায়, কেমন তাপমাত্রা

    পশ্চিমবঙ্গের ১৫ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার কয়েকটি অংশে তাপপ্রবাহ হবে। ওই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা অস্বস্তিকর গরম থাকবে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদার কয়েকটি অংশে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

    বদলেছে গরমের ধরন

    এবার গরমটা যেন অন্য রকমের। শুকিয়ে যাচ্ছে ঠোঁট-হাত-পা। নাক জ্বালা করছে গরম হাওয়ায়। আবার অনেকেই বলছেন নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। বাইরের গরম হাওয়ায় শরীর জ্বালা করছে। গরম হলেও ঘামের রেশ পর্যন্ত নেই। এমন গরম আগে দেখেননি শহরবাসী। কলকাতার (Kolkata Weather) গরম সাধারণ ঘর্মাক্ত হয়। ঘাম বেশি হয়। তার জন্য অস্বস্তি বেশি থাকে। এই প্রথম এমন গরম দেখছেন শহরবাসী। এরকম গরম বিহার-উত্তর প্রদেশে দেখা যায়। বাংলায় পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও এই ধরনের শুকনো গরম থাকে। তবে কলকাতায় এই প্রথম। আবহাওয়াবিদদের কথায়, কলকাতায় গরমের এই ধরন পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে এলনিনো প্রভাব। তার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন। কলকাতার উপর দিয়ে যে উচ্চচাপ বলয় অবস্থান করছে তার জেরে বাতাসের জলীয় বাষ্প শুকিয়ে যাচ্ছে। সেকারণে নদীর পাড়ে হলেও কলকাতার বাতাসে আর্দ্রতা কমে গিয়েছে। তাই আর শরীরে ঘাম দেখা যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুুন: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    নয়া রেকর্ড

    কলকাতার তাপমাত্রা (Kolkata Weather) তৈরি করল নতুন রেকর্ড। এক নয়, একাধিক। সাত বছর পর এপ্রিলে চল্লিশ ছুঁল কলকাতার পারদ। শেষ বার ২০১৬ সালের ১ মে ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গরম সইতে হয়েছিল কলকাতাকে। এবছর শুকনো গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গোটা বাংলা। আপাতত ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। তবে তার স্থায়িত্ব আরও বাড়তে পারে। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা ৪০-৪১ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করার আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার দহন-জ্বালায় দিল্লিকেও (৩৮.৬ ডিগ্রি) পিছনে ফেলেছে কলকাতা। রাজস্থানের জয়সালমেরের সঙ্গেও আলিপুরের মধ্যে সমানে টক্কর। একবিন্দুতে দাঁড়িয়ে দু’জায়গার তাপমাত্রা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PMAY: আবাস দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঘুরবে সেই ১০ জেলায়

    PMAY: আবাস দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঘুরবে সেই ১০ জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মে মাসের শেষের দিকে হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Polls)। তার আগে রাজ্যে ফের এল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে রাজ্যে এসেছেন ওই দলের সদস্যরা। এর আগে এক দফা রাজ্যের ১০ জেলায় ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তারা রিপোর্টও জমা দিয়েছে। সেই রিপোর্টে কিছু অসঙ্গতি থাকায় এবার সচিব পর্যায়ের দুই সদস্যের মোট ১০টি দল পাঠানো হয়েছে। বুধবার তাঁরা ঘুরে দেখেন পূর্ব বর্ধমান।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) দুর্নীতির অভিযোগ…

    এদিন সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকার আমাড় এবং কোমলপুর গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ি পরিদর্শন করেন ওই দলের সদস্যরা। কেন্দ্রীয় দলের কাছে অভিযোগ ছিল, পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও অনেকেই এই যোজনার উপভোক্তা। তারই তদন্ত করছিলেন কেন্দ্রীয় দলের দুই সদস্য। তাঁরা মেমারির বোহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সোতলায়ও যান। বৃহস্পতিবার ওই দলের (PMAY) সদস্যরা গিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদে। জেলার রানিনগর ১ ব্লকের হেরামপুরের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্গত কাঞ্চনপুর, ডিহিপাড়া, দুর্লভপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় যান তাঁরা। ওই দলে ছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আবাস বিষয়ক দফতরের যুগ্ম সচিব অমিত শুক্লা এবং ওই দফতরের ডিরেক্টর দেবেন্দ্র কুমার।

    আরও পড়ুুন: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    আগের রিপোর্টে যেসব অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, তার ভিত্তিতে মোট ৬টি তালিকা তৈরি করে তা নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও। এর আগেও এ রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। সেবার তারা ঘুরেছিল রাজ্যের ১০টি জেলায়। এবারও তারা যাবে ওই জেলাগুলিতেই। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানান, রাজ্যের ১০ জেলায় দ্বিতীয় দফার এই তদন্ত চলছে। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছে করেই তদন্ত প্রক্রিয়ায় দেরি করা হচ্ছে। প্রথম রিপোর্ট গেল। আবার দল এল। দ্বিতীয় রিপোর্ট যাবে। আবার দল আসবে। এভাবেই চলতে থাকবে। তাঁর আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার (PMAY) যুক্তরাষ্ট্র কাঠামো নিয়ে ছেলেখেলা করছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার এই তদন্ত প্রক্রিয়া ৪ এপ্রিলের মধ্যে মিটিয়ে ফেলার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু তা হয়নি। বিজেপির দাবি, বাংলাজুড়ে দুর্নীতি। মিড-ডে মিল থেকে আবাস। আর এই কারণেই বারংবার কেন্দ্রীয় দলকে আসতে হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি  

    Recruitment Scam: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনারা যদি এ বার না মাথায় পৌঁছতে (Recruitment Scam) পারেন, আমি জানি কী করতে হবে। বৃহস্পতিবার সিবিআইকে (CBI) একথা বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। এদিন প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষের পত্রবোমা মামলার শুনানি চলাকালীন এই মন্তব্য করেন তিনি। শুনানি চলাকালীন নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিয়োগ মামলায় যাঁদের এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা দালাল। অবৈধভাবে নিয়োগের টাকা আসলে কোথায় পৌঁছেছে, তা দ্রুত তদন্ত করে বের করার বার্তাও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    কোথায় গেল নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) এত টাকা?

    তিনি বলেন, কোথায় গেল নিয়োগ দুর্নীতির এত টাকা? এঁরা তো দালাল! আসল টাকা কোথায় পৌঁছল? সেটাই তো খুঁজে পেতে হবে। এত দিন ধরে কী করছেন?  এখনও অবধি কোমরের ওপরে পৌঁছতে পারেননি। আপনারা যদি এ বার মাথায় পৌঁছতে না পারেন, আমি জানি কী করতে হবে। তিনি বলেন (Recruitment Scam), দীর্ঘ দিন হয়েছে। সময় অপচয় ছাড়া কিছু হচ্ছে না। তাঁর পর্যবেক্ষণ, নিম্ন আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবীর ভূমিকা ঠিক নয়। প্রয়োজনে আইনজীবী পরিবর্তন করতে হবে। সওয়ালের সময় তাঁর ভূমিকা ঠিক নয়। তিনি বলেন, সিবিআই হাইকোর্টের অন্য কোনও আইনজীবীকে দিয়ে সওয়াল করাতে পারে। এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করতে পারবে সিবিআই এবং ইডি।

    আরও পড়ুুন: মিড-ডে মিলেও কেলেঙ্কারি ফাঁস! রাজ্যের শিক্ষা দফতরের রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

    তাঁর আরও নির্দেশ, চাইলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে লেখা ওই চিঠি নিয়ে অভিষেক ও কুন্তলকে প্রশ্ন করতে পারবেন ইডি ও সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। প্রসঙ্গত, আদালতে যাওয়া আসার পথে কুন্তল বারংবার দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী (Recruitment Scam)  সংস্থা তাঁকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করার জন্য চাপ দিচ্ছে। জেল থেকেও সিবিআই এবং ইডির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে চিঠিও লিখেছিলেন কুন্তল।

    এ ব্যাপারে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ইডি-সিবিআইয়ের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ বা কোনও এফআইআর করতে পারবে না রাজ্য পুলিশ। অভিযোগ গ্রহণ করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। বিচার প্রক্রিয়াকে শ্লথ করতে পরিকল্পনামাফিক এসব অভিযোগ করা হচ্ছে। এর পরেই তিনি বলেন, অবিলম্বে এ ব্যাপারে অভিষেক ও কুন্তলকে জেরা করা উচিত ইডি এবং সিবিআইয়ের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: অনুব্রতর গড়ে অমিত শাহের সভা, সাজো সাজো রব সিউড়িতে

    Amit Shah: অনুব্রতর গড়ে অমিত শাহের সভা, সাজো সাজো রব সিউড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটআউট, পোস্টার আর গেরুয়া পতাকায় ছয়লাপ অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূমের জেলা সদর শহর সিউড়ি। সাজো সাজো রব। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েছে। এরই মাঝে বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার সিউড়ির বেণীমাধব স্কুলের মাঠে একটি জনসভা করবেন শাহ। তার আগে বুধবার সন্ধ্যায় সিউড়িতে বেণীমাধব স্কুলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অমিত শাহের সভার প্রস্তুতি দেখে খুশি সুকান্ত। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

    সিউড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ দুর্গাপুর এয়ারপোর্টে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে সিউড়ি যাবেন তিনি। শহরের দুটি জায়গায় হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। সিউড়ির মাটিতে পা দিয়ে তিনি সোজা সার্কিট হাউস চলে যাবেন। এরপর দুপুর আড়াইটে নাগাদ বেণীমাধব স্কুলের মাঠে জনসভা করবেন। বিকেল ৪ টে নাগাদ সিউড়ি থেকে ফের দুর্গাপুর হয়ে সাড়ে ৫ টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। এরপর সন্ধ্যায় দলের নেতাদের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠক করবেন শাহ। পরদিন শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে পুজো দেবেন তিনি। 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    অমিত শাহের (Amit Shah) সভার প্রস্তুতি কেমন হয়েছে, বুধবার বীরভূমে এসে তা ঘুরে দেখেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরম এড়াতে জার্মান হ্যাঙার শেড করা হয়েছে। পাশাপাশি সভায় আসা কর্মীদের জন্য ৫০ হাজার জলের পাউচ রাখা হয়েছে। আর জেলা সফরের ফাঁকে শুক্রবার তিনি জাতীয় সড়কের ধারে দলীয় কার্যালয়েরও উদ্বোধন করবেন। 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) কী বলেন, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা

    গরুপাচার কাণ্ডে কেষ্ট এখন তিহাড় জেলে। এই জেলার সাংগঠনিক দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে বাংলায় মোট ১২টি সভা করতে পারেন অমিত শাহ (Amit Shah)। মূলত তৃণমূল সুপ্রিমোর দায়িত্বে থাকা বীরভূমকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। তাই, চলতি বছরে শুক্রবার তাঁর প্রথম সভা হচ্ছে বীরভূমে। নিচুতলার কর্মীদের সামনে থেকে লড়াই করার সাহস জোগাতে বিজেপি নেতৃত্ব ময়দানে নেমেছে। মূলত শাহের (Amit Shah) সফরের মাধ্যমে দলীয় সংগঠন মজবুত করার দিকে ঝুঁকছে বিজেপি। বাংলায় প্রথম সভা করতে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলেন, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা। সিউড়িতে দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন হওয়ার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করারও কথা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুসরণ করুন। বেকার যুবকদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। যুবরাই দেশের ভবিষ্যৎ। বৃহস্পতিবার এনজেপি-তে রোজগার মেলা (Rozgar Mela) অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি এই আবেদনই জানালেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এদিন কাশ্মীর কলোনিতে রেলের ভিআইপি গেস্ট হাউসে এই রোজগার মেলায় মোট ২৫৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২১২ জন রেলের। এদিন একই সময়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও এই রোজগার মেলার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দফতরে মোট ৭১ হাজার ৫০৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    নিশীথ প্রামাণিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে সমৃদ্ধ করতে প্রতিশ্রুতিমতো যুবদের চাকরি (Rozgar Mela) দিয়ে চলেছেন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে। ন্যায্য দাবির সেই কন্ঠকে রোধ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পুলিশ দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের পেটাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা না করে তাঁকে অনুসরণ করুন। বেকার ছেলেমেয়েদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। তাঁরাই দেশের ভবিষ্যৎ। এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি চুরি করছেন। এক যুগ ধরে এরাজ্যে সরকারি দফতরে নিয়োগ নেই, শিল্প নেই। বেকার ছেলেমেয়েরা রাস্তায় কাঁদছে। সরকারি চাকরিজীবীরা ন্যায্য ডিএ’র জন্য ধর্না দিচ্ছেন। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার সবদিকেই  চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন সবেতেই ব্যর্থ। অর্থনৈতিক দিক থেকেও বেহাল অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে এই রাজ্য। তবু এদের দুর্নীতি থেমে নেই। একের পর এক তদন্তে সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতারা ধরা পড়ছেন। আগামীতে আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে। 

    ‘খেলো ইন্ডিয়া’ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, দুঃখ লাগে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কেন্দ্রের ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এরাজ্যের খেলাধুলোর উন্নয়নে কোনও উদ্যোগ নেননি। খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরির জন্য সব রাজ্যের কাছে প্রস্তাব চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। সবাই সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে একাধিক খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরি করে ফেলেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ কোনও প্রস্তাব পাঠায়নি, বারবার বলা সত্ত্বেও। তাই রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো উত্তরবঙ্গ খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অথচ উত্তরবঙ্গে ফুটবল-ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স-এর প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। এদের আত্মপ্রকাশের জন্য রাজ্য সরকার কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। শিলিগুড়িতে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রয়োজন রয়েছে। সে ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রী কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তাঁরা যদি প্রস্তাব দেন, তাহলে কেন্দ্র সরকার শিলিগুড়িতে ক্রিকেটের জন্য স্টেডিয়াম তৈরি করে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share