Blog

  • Supreme Court: সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে ইডি, ‘সুপ্রিম’ রায়ে বিপাকে অভিষেক ঘনিষ্ঠ আইনজীবী

    Supreme Court: সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে ইডি, ‘সুপ্রিম’ রায়ে বিপাকে অভিষেক ঘনিষ্ঠ আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিটফান্ড মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্য সরকারের আইনজীবী সঞ্জয় বসুর। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রক্ষাকবচ দিয়েছিল তাঁকে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের দেওয়া সেই রক্ষাকবচ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। হাইকোর্ট এও জানিয়েছিল, সঞ্জয়কে জেরা করা যাবে না। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি (ED)। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকারের আইনজীবী সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবেন ইডির আধিকারিকরা। প্রয়োজনে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা যাবে। তবে বারংবার ডেকে পাঠিয়ে জেরা করা যাবে না তাঁকে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণ্যম ও বিচারপতি পঙ্কজ মিত্তলের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ইডির তদন্তে সঞ্জয়কে কোনওরকম হেনস্থা করা যাবে না। তাঁর ঠিকানায় তল্লাশিও চালানো যাবে না। করা যাবে না বাজেয়াপ্তও।

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ইডি…

    পিনকন ও টাওয়ার গোষ্ঠী নামের ভুয়ো দুই অর্থলগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে ইডি তল্লাশি চালিয়েছিল সঞ্জয়ের বাড়িতে। সঞ্জয় তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। তদন্তকারীরা দীর্ঘক্ষণ জেরাও করেছিলেন তাঁকে। ইডির তল্লাশির পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, সঞ্জয় তাঁর ও রাজ্যের আইনজীবী বলেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে। গ্রেফতারির আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সঞ্জয়। হাইকোর্ট সঞ্জয়কে রক্ষাকবচ দেয়। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যায় ইডি।

    আরও পড়ুুন: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    ইডির তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু বলেন, গ্রেফতারের প্রয়োজন নেই। ইডি হেনস্থা করবে না। ইডির প্রধান অভিযোগ ছিল, ওই দুই ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থা থেকে টাকা নিয়েছিলেন সঞ্জয়। এদিন সঞ্জয়ের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এই অর্থ পেশাদার ফি হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। পরিষেবা না দেওয়ায় তা ফেরতও দেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ওই দুই ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার একাধিক মামলায় আইনজীবী ছিলেন সঞ্জয়। সেই সূত্র ধরেই ইডির স্ক্যানারে চলে আসেন অভিষেক ঘনিষ্ঠ এই আইনজীবী। ১ মার্চ তাঁর বাড়ি গিয়ে দিনভর বসিয়ে জেরা করেন ইডির আধিকারিকরা। প্রায় ২৩ ঘণ্টা তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। তারপর ফের ১০ মার্চ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে (Supreme Court) তলব করা হয়েছিল সঞ্জয়কে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত! মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন?

    Sukanta Majumdar: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত! মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পুরসভায় নির্বাচনের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপুর শহরে মিছিল করে বিজেপি। পরে, পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “ছয়মাস পার হয়ে গেলেও দুর্গাপুর পুরসভায় নির্বাচন হয়নি। এক কাউন্সিলরের পদ চলে যাওয়ার পর সে নিজে গিয়ে পুরসভায় চাকরি নিয়েছেন।” দুর্গাপুর পুরসভায় চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। পুরসভা থেকে ভ্যাকসিন চুরি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “কুকুরের ভ্যাকসিন চুরি করে খাচ্ছে চোরেরা। রাস্তায় তৃণমূল নেতারা ঘুরলে আর কুকুরে কামড়ে দিলে কুকুরের কোনও দোষ থাকবে না। তৃণমূল নেতাদের দোষ থাকবে। আসলে এরা জানে আজ না হয় কাল কুকুর কামড়াবে, তাই আগে থেকেই ভ্যাকসিন লুকিয়ে রাখছে।”

    মন্ত্রী মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    দলীয় সভা থেকে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের খাতায় ইতিমধ্যেই মলয় ঘটকের নাম উঠে গিয়েছে। “কয়লা ঘটক নামে এই জেলাকে এখন চেনা হয়। সিবিআইয়ের ডাক পেয়েছে, ঘটক বলছে যাব না। দিল্লিতে আজ না হয় কাল কয়লা ঘটককে যেতেই হবে।”

    রাজু ঝা-কে নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    ইতিমধ্যেই রাজু ঝা-কে খুন করার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। কীভাবে তাঁকে দুষ্কৃতীরা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে খুন করেছে তা ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে। সেই ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে, তারপরও দুষ্কৃতীরা অধরা। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “বড় মাথার হাত আছে। রাজু ঝায়ের হাতে থাকা তথ্য সিবিআইয়ের কাছে গেলে অনেক রাঘব বোয়াল ধরা পড়ত। আন্দাজ করছি, ঘটনায় বড়সড় চক্রান্ত আছে।”

    তৃণমূলের জাতীয় দল হারানো প্রসঙ্গে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    এদিন তিনি তৃণমূলের জাতীয়দলের তকমা হারানো প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “কাক পেখম লাগালেই ময়ূর হয় না। তৃণমূল জাতীয় দল হলে, কাঁঠালের আমসত্ত্ব হবে। সোনার পাথরবাটি হবে। তৃণমূল কখনই জাতীয় দল ছিল না, জাতীয় দল সেজে ছিল। কাঁঠালের আমসত্ব হবে না। সোনার পাথর বাটি সম্ভব নয়। তৃণমূল জাতীয় দল হবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত পাঞ্জাব। বুধবার ভোরে পরপর গুলি চলল ভাটিন্ডার সেনা শিবিরে। তাতে অন্তত চার সেনা জওয়ানের মৃত্যু। ভোর সাড়ে ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে চলে গুলি বলে সূত্রের খবর। গুলি চলার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। তল্লাশি চলছে এলাকায়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর সাউথ ওয়েস্টার্ন কম্যান্ড।

    তপ্ত সেনা শিবির

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে ৪টে বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা শিবিরে গুলি চলে। বিকট আওয়াজে ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারাও সেই গুলির শব্দ শুনতে পান। সেনার তরফে জারি বিবৃতিতে আপাতত বলা হয়েছে, ‘ভোর ৪টে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা ছাউনির ভিতরে গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এর পরপরই ‘ক্যুইক রিঅ্যাকশন টিম’কে মোতায়েন করা হয় ভাটিন্ডা সেনা ছাউনিতে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ভোর থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এই গুলি চালানোর ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    প্রাথমিক ভাবে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থেকে এই ঘটনা বলে অনুমান। তবে, জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। কে বা কারা গুলি চালাল, কোন পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও, পাঞ্জাব পুলিশের দাবি, এই গুলির ঘটনায় সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ নেই। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, দু’দিন আগে ইনসাস রাইফেল (Insas Rifle) ও ২৮ টি কার্তুজ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল সেনা ছাউনি থেকে। পুলিশ মনে করছে, কোনও সেনা কর্মীই এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। গুলি করার পিছনে কারণ সূত্র খুঁজে পেতে তদন্ত জারি রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের।

    কী বলছে পাঞ্জাব পুলিশ?

    ভাটিন্ডার এসএসপি গুলনীত খুরানার বিবৃতি অনুযায়ী, এক জওয়ানই সম্ভবত সতীর্থদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। তাতেই তপ্ত হয়ে ওঠে সেনা শিবির। এই সম্পর্কে বিশদ তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তবে সেনা শিবিরের অন্দরেই এলোপাথাড়ি গুলি চলার ঘটনায় বেড়েছে উদ্বেগ। সেনা শিবিরের বাইরে মোতায়েন রয়েছে বিশাল বাহিনী। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই  ক্যুইক রিয়্যাকশন টিম কাজে নেমে পড়েছে। এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এলাকায় ঢোকা এবং বেরনোর রাস্তা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৃষ্টির দেখা নেই, তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই! কাঠফাটা গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী

    Weather Update: বৃষ্টির দেখা নেই, তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই! কাঠফাটা গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে পয়লা বৈশাখ। নববর্ষেও তীব্র গরমে নাজেহাল হবে শহরবাসী, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আপাতত শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। গরমে হাসফাঁস করছে বঙ্গবাসী। 

    পারদ ৪০ ছুঁই ছুঁই

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা থাকতে পারে সর্বোচ্চ ৩৯ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এদিন সকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ২২ শতাংশ। ইতিমধ্যেই পশ্চিমের জেলায় ৪০ ছুঁয়েছে পারদ। বর্ধমানে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বাঁকুড়াতে ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে পারদ। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতার পাশেই দমদম বিমানবন্দরে তাপমাত্রা পেরোল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বুঝিয়ে দিল আগামী কয়েক দিন তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে বাংলায়। 

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    দার্জিলিং এর তাপমাত্রাও কুড়ি ডিগ্রি পেরোল

    শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গ পিছিয়ে নেই। মালদহতে ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আর বালুরঘাটে ৩৬.৫ আর বাগডোগরাতে ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দার্জিলিং এর তাপমাত্রাও কুড়ি ডিগ্রি পেরিয়ে গেল ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া উল্লেখযোগ্য তাপমাত্রা ছিল এদিন আসানসোলে ৩৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড়ে ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতনে ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলাইকুন্ডা তে ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বারাকপুরে ৩৯.৬ এবং ক্যানিংয়ে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সঙ্গে থাকবে শুকনো গরম। শুক্র ও শনিবারে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, পশ্চিমের জেলাগুলিতে গরম আরও বাড়বে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে তাপপ্রবাহের শঙ্কা রয়েছে।

    পর্যাপ্ত জল পান করুন

    এই গরমে ত্বকে জ্বলুনি ভাব আসতে পারে। শরীরে জলের অভাব হতে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে শরীর ঠান্ডা রাখতে পর্যাপ্ত জল পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। রোদে বেরোতে হলে অবশ্যই ছাতা, রোদচশমা, টুপি ব্যবহার করতে হবে। সুতির হালকা পোশাক পরা ও বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। চা-কফি-ঠান্ডা পানীয়র বদলে লস্যি, সরবৎ, মরশুমি ফল খেতে বলছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এবার নির্বাচনে লড়ছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর কেন্দ্র শিমোগো জেলার শিকারিপুরায় প্রার্থী করা হয়েছে ইয়েদুরাপ্পার ছেলে বিজয়েন্দ্রকে। কর্নাটকের ২২৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৮৯টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এই দফায়। তার মধ্যে নতুন মুখের সংখ্যা ৫২। 

    নতুন প্রজন্মকে প্রাধান্য

    মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে প্রার্থীতালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।’’ দলের সাধারণ সম্পাদক অরুণ কুমার জানিয়েছে ৩২ জন অনগ্রসর (ওবিসি), ৩০ জন তফসিলি জাতি এবং ১৬ জন তফসিলি জনজাতির প্রার্থী রয়েছেন তালিকায়। ১৮৯ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজন মহিলা মুখ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র ধারওয়াড় জেলার শিগ্গাওয়ে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ২০০৮ সাল থেকে টানা ৩ টি বিধানসভা ভোটে ওই কেন্দ্রে জিতেছেন তিনি।

    কে কোথায় প্রার্থী

    কনকপুরায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা মন্ত্রী আর আশোক প্রার্থী হয়েছেন। কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে বরুণা আসনে প্রার্থী করা হয়েছে ভি সোমান্নাকে। সোমান্নাকে আরও একটি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। বরুণার পাশাপাশি চামারাজনগরে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। এতদিন তিনি গোবিন্দরাজা নগর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই প্রথম দুটি আসনে প্রার্থী হলেন। এদিনের এই তালিকায় ৩১ প্রার্থী-র পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে ৩১ প্রার্থীর। এছাড়াও তালিকায় ৮ চিকিৎসক রয়েছেন। কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস ও আইপিএস অফিসারের নাম রয়েছে তালিকায়।

    আরও পড়ুন: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ মে এক দফায় বিধানসভা ভোট হবে কর্নাটকে। ১৩ মে হবে ফল ঘোষণা। গত ২৯ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, আগেই প্রথম দফায় কর্নাটকের ১২৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪১ আসনেও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে হাত শিবির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার জনতা দল সেকুলার ইতিমধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এদিন তালিকা প্রকাশের পর বাসবরাজ বোম্মাই ট্যুইটারে লেখেন, ‘কর্নাটকে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের পক্ষে হাওয়া বইছে। এবার আমরা সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসব।’ দ্রুত দ্বিতীয় তালিকাও প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোম্মাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal Movement: রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক নিষ্ফলা, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ শীঘ্রই, ঘোষণা কুড়মি সম্প্রদায়ের

    Tribal Movement: রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক নিষ্ফলা, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ শীঘ্রই, ঘোষণা কুড়মি সম্প্রদায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতির মর্যাদা সহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত (Tribal Movement) কুড়মি সম্প্রদায়ের সঙ্গে রাজ্য সরকারের বৈঠকে কোনও সমাধানসূত্র মিলল না। পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের নেতা রাজেশ মাহাতোর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করে। ৪৫ মিনিটের কিছু বেশি সময় ধরে বৈঠকের পর প্রতিনিধিদলের নেতা রাজেশ‌ মাহাতো বলেন, বৈঠকের ফলাফল হতাশাজনক। কুড়মিদের তফসিলি জনজাতি তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় আদিবাসী মন্ত্রক রাজ্যের কাছে যে ব্যাখ্যা তলব করেছে, তা রাজ্য সরকার এখনও দেয়নি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি বৈঠকে বসে এব্যাপারে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবে। তিনি বলেন, আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিই আমাদের দাবি। আমাদের দাবি ছিল কমিটি গঠনেরও। কিন্তু সেকথা উনি শোনেননি। কুড়মি সমাজের আরেকটি অংশ আবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে। আদিবাসী কুড়মি সমাজের ব্যানারে তারা আন্দোলন (Tribal Movement) চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে। 

    কী দাবি নিয়ে এই আন্দোলন?

    কুড়মি সমাজের বেশ কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে গত কয়েকদিন রেল এবং রাস্তা অবরোধ হচ্ছিল। মূলত দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর-আদ্রা, খড়্গপুর–টাটা শাখার রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের চাপ ও সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে তাঁরা এই অবরোধ তুলে নেন। এসটি কোটায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে–মূলত এই তাঁদের দাবি। আগে তাঁরা প্রিমিটিভ ট্রাইবের অন্তর্গত ছিলেন। এরকম ১৩টি আদিবাসী সম্প্রদায় ছিল। ১২টিকে এসটি কোটার অর্ন্তভুক্ত করা হয়। কেবল কুড়মি সমাজকে ওবিসি করা হয়। তাঁরা এই ওবিসি কোটা চান না। তাঁদের এসটি কোটার আওতায় আনতে হবে, এই দাবিতেই চলছে আন্দোলন (Tribal Movement)।

    মমতা-রেলমন্ত্রী কথা

    এদিকে কুর্মি আন্দোলনের (Tribal Movement) জেরে রেল পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। রেল পরিষেবা কিভাবে স্বাভাবিক করা যায়, তা নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমে আজ, বুধবার রাজনৈতিক কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। লাল মাটির দেশে নিজেদের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার লক্ষ্যে গেরুয়া শিবির। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে পিছিয়ে পড়া মানুষও তাদের সঙ্গে রয়েছে, দাবি বিজেপির।

    লাভপুরে সভা সুকান্তর

    গরু পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ঘনঘন বীরভূমে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে বিজেপি। সাংগঠনিক বৈঠক থেকে পথে নেমে আন্দোলন, কোনও কিছুই বাদ পড়েনি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুরারইয়ে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ বীরভূমের লাভপুরে মূলত শাসকদলের নানান দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সভা করবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপি নেতাদের দাবি, ‘অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন ঠিকই। কিন্তু বীরভূমে তৃণমূলের সন্ত্রাস কমেনি। জেলাজুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস চলছে’।  বীরভূম প্রশাসনিক জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুবরাজপুর কেন্দ্রটিই একমাত্র বিজেপির দখলে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তারপর লোকসভা। তার আগে বীরভূমে মানুষের মধ্যে মিশে যেতে চায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    তৃণমূল জাতীয় দল সেজে ছিল

    মঙ্গলবার দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে বিজেপি একটি বড় মিছিল করে। সেই মিছিলে পা মেলান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এরপর দুর্নীতি বিরোধী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিজেপির অন্যতম হাতিয়ার এখন দুর্নীতি। তৃণমূলের জাতীয় দলের তকমা হারানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কাঁঠালের যদি আমসত্ত্ব হয়, সোনার যদি পাথর বাটি হয় তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসও সর্বভারতীয় দল হবে। তৃণমূল কখনই জাতীয় দল ছিল না, জাতীয় দল সেজে ছিল। কাঁঠালের আমসত্ত্ব হবে না। সোনার পাথর বাটি সম্ভব নয়। তৃণমূল জাতীয় দল হবে না।” তাঁর আরও দাবি, গরু পাচারের টাকা কয়লা পাচারের টাকা দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে ঘুরে ভাইপো কংগ্রেসের সব প্রাক্তন সভাপতি এবং নেতা কেনার চেষ্টা করে সর্বভারতীয় দল হবার স্বপ্ন দেখেছিলেন। ময়ূরের পেখম লাগালে কাক কখনো ময়ূর হতে পারে না। সেটা তৃণমূল কংগ্রেস বুঝে গেছে। 

    কটাক্ষ মমতা-অভিষেককেও

    এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত। বলেন, “ভোটের সময় বাংলার মেয়ে বলে ভোট নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পর রাজ্যসভায় বাংলার আসন কেড়ে, বাঙালিদের বঞ্চনা করে অসমে একজন অহমিয়া আর গোয়ার একজন গোয়ালিক্সকে মাথার ওপর বসিয়েছিলেন। এখন সেই নেতারা লাথি মেরে চলে যাচ্ছে। কারণ তারা বুঝে গেছে, রাষ্ট্রীয়স্তরে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না।” অভিষেক কেও কটাক্ষ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বলেন, “ভাইপো আগে বুঝতে পেরে রাজ্যে চলে এসেছিল। তিনি এখন সর্বভারতীয় নয়, শুধু বাংলার ভাইপো।” এদিন তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে বলেন, “খোকন খোকন বলে ডাক পাড়ি, খোকন গেছে কার বাড়ি। আয়রে খোকন ঘরে আয়। ডাকছে তোকে সিবিআই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Police Officer: সরিয়ে দেওয়া হল ইসলামপুরের পুলিশ সুপারকে! হাওড়ার দুটি থানার আইসি-কে বদল, কেন?

    Police Officer: সরিয়ে দেওয়া হল ইসলামপুরের পুলিশ সুপারকে! হাওড়ার দুটি থানার আইসি-কে বদল, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বার বার উত্তপ্ত হয়ে উঠছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমা। আইন শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের কালঘাম ছুটছে। তারই জেরে কি ইসলামপুর জেলার পুলিশ সুপার (Police Officer) বিশপ সরকারকে বদল করে বিধাননগর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার যশপ্রীত সিং- কে আনা হয়েছে, নাকি এর পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক কোনও কারণ? তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। পাশাপাশি রামনবমীর মিছিল এবং হামলার ঘটনা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজ্য–রাজনীতি। আর তা নিয়ে হাওড়ার একাধিক এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল। তার পরই এবার হাওড়া ও শিবপুর থানার আইসি-কে সরিয়ে দেওয়া হল। সোমবার রাতে হাওড়ার এই দুই থানা এলাকাতেই পুলিশে রদবদল করল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, হাওড়া থানার আইসি (Police Officer) দীপঙ্কর দাসকে পাঠানো হয়েছে ঝাড়গ্রামের কোর্ট ইনসপেক্টর করে। আর চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের আইবি থেকে সন্দীপ পাখিরাকে এনে হাওড়া থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম থেকে শিবপুর থানার দায়িত্বে আনা হয়েছে অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। শিবপুরের দায়িত্বে ছিলেন অনুপ কুমার রায়। তাঁকে রাজ্য পুলিশের আইবিতে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

    আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্যই কী ইসলামপুরের এসপি (Police Officer) বদল?

    সোমবার বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে জখম হন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ইসলামপুর থানার আগডিমটি খুন্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের বানিয়াভিটা গ্রামে। ঘটনাস্থল থেকে ১২ টি তাজা বোমা ও বোমা বানানোর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। গত ৩০শে মার্চ দলের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দুইজনের। ঘটনাটি ঘটে চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের দীঘাবানা এলাকায়। ১০ ই মার্চ চোপড়ায় গুলিবিদ্ধ হন চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের যুগ্ম অঞ্চল সভাপতি। ৮ই মার্চ বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ইসলামপুরের দক্ষিন মাটিকুন্ডা গ্রামে। মৃতের নাম সাকিব আখতার। অভিযোগ ওঠে ইসলামপুর ব্লকের মাটিকুন্ডা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনায় প্রধান সহ ১২ জন গ্রেফতার হয়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী প্রকাশ্যে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এমনকী তাঁর দল বদল নিয়ে জেলা জুড়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে কথাও বলেছিলেন। আর তারপরই পুলিশ সুপার (Police Officer) বদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাওড়া–শিবপুরে আইসি (Police Officer) বদলের কারণ কী?‌

    এই দুই জায়গায় রামনবমীর মিছিলে যে অশান্তি হয়েছিল তার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘‌যখন প্রচুর লোক ঢুকে গিয়েছে, তখন পুলিশ গুলি চালালে যে কারও মাথায় লাগতে পারত। ফলে কিল খেয়ে কিল হজম করতে হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমরা আটকাতে পেরেছি। এখানে হল না। এই জায়গায় অবশ্যই পুলিশের ব্যর্থতা আছে, স্বীকার করছি। যা পদক্ষেপ করার করব।’‌ এবার পদক্ষেপ করা হল হাওড়া–শিবপুরের ক্ষেত্রে। তবে রিষড়ার ক্ষেত্রে পৃথক সার্কেল তৈরি করা হয়েছে। রিষড়া থানাকে কেন্দ্র করে ওই সার্কেলের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রবীর দত্তকে। আগে তিনি রিষড়া থানার ওসি ছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal Movement: দণ্ডি-কাটা ইস্যুতে আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের বিক্ষোভ-মিছিল

    Tribal Movement: দণ্ডি-কাটা ইস্যুতে আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের বিক্ষোভ-মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কেটে তৃণমূলে যোগদানের ঘটনায় মঙ্গলবার আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ-মিছিল (Tribal Movement) করা হল। আদিবাসী যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে এদিন বিকেলে বালুরঘাট হাইস্কুল ময়দান থেকে ওই মিছিল বের করা হয়। এই মিছিল পরিক্রমা করে সারা শহর। পরে জেলাশাসকের দফতরের সামনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। 

    ন্যক্কারজনক ঘটনা আদিবাসী সমাজ মেনে নেবে না, ঘোষণা সংগঠনের

    সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আদিবাসী সমাজ মেনে নেবে না। তারই প্রতিবাদে এদিন জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ (Tribal Movement) দেখানো হচ্ছে। তাদের দাবি, পুলিশের খাতায় যেভাবে অজ্ঞাত দুষ্কৃতী লেখা হয়েছে, তা অন্যায়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রধান সংবাদমাধ্যম, সব জায়গাতেই এটা পরিষ্কার দেখানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কে। এমনকী তৃণমূল দল মেনে নিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে প্রদীপ্তা চক্রবর্তী যুক্ত আছেন এবং সেই কারণেই তাকে দলের সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও পুলিশ কেন বিষয়টি বুঝতে পারছে না, তা অজানা।

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    আগামী দিনে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের (Tribal Movement) হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ-প্রশাসন আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বলে জানান জেলার পুলিশ সুপার রাহুল দে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীরা বালুরঘাট থানার সামনে এসে প্রায় এক ঘন্টা পথ অবরোধ করেন। এরপর আদিবাসী যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। এদিন পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে তপন ব্লকের গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাতশংকর এলাকার পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, দণ্ডি কাটিয়ে সংগঠনে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল সমর্থন করেনি। এমনকী সংগঠনের সমস্ত পদ থেকে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরানো হয়েছে। রাজ্য পার্টির নির্দেশে জেলা মহিলা তৃণমূলের নতুন সভাপতি হিসাবে একজন আদিবাসী মহিলাকে তুলে এনেছে দল। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলার আদিবাসী সমাজের কাছে ভুল বার্তা যাতে না যায়, সেজন্যই এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বারের জাল লাইসেন্স দিয়েছিলেন ধৃত কলকাতা পুলিশের এসিপি!

    Kolkata Police: লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বারের জাল লাইসেন্স দিয়েছিলেন ধৃত কলকাতা পুলিশের এসিপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার হওয়ায় ধৃত সোমনাথ ভট্টাচার্যের কথা অনেকেই বিশ্বাস করতেন। নিজের পদকে ব্যবহার করেই বারের লাইসেন্স বা চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় বসু নামে উত্তরপাড়ার বাসিন্দা বারের লাইসেন্সের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। অন্য একজনের কাছে ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। সঞ্জয়বাবুকে বারের লাইসেন্সও পাইয়ে দিয়েছিলেন সোমনাথবাবু। আবগারি দফতরের স্ট্যাম্পসহ সব কিছুই ওই লাইসেন্সে ছিল। সঞ্জয়বাবু দোকান খোলার জন্য উদ্যোগও নিয়েছিলেন। পরে, আবগারি দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেই জানতে পারে, সমস্ত কাগজপত্র জাল। এরপরই তিনি বরাহনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য একজনও প্রতারিত হয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, পুরসভার বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে বহু লোকজনের কাছে তিনি চার-পাঁচ লক্ষ টাকা করে তুলেছেন। সব মিলিয়ে তিনি প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি তুলেছিলেন বলেই পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে, জাল নথি তিনি কী করে তৈরি করলেন তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা করছে।

    পুলিশ অফিসারের (kolkata Policeলক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ারও নিয়ম ছিল, কী সেটা জানেন?

    পুলিশের চোখে ধূলো দিতেই কারও কাছ থেকে চেক বা অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা নিতেন না। সমস্ত টাকা নগদে নিতেন কলকাতার (Kolkata Police) এসিপি সোমনাথ ভট্টাচার্য। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দারা এই তথ্য জানতে পেরেছেন। মূলত বরাহনগরে বনহুগলির বাড়িতে বসেই সে এই কারবার চালাত। অফিসে কারও সামনে এসব বিষয়ে কথা পর্যন্ত বলত না। বাড়িতে বসেই এই সব বিষয়ে কথাবার্তা এবং লেনদেনও হত সেখানে। ইতিমধ্যেই তার বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা এবং বেশ কিছু কাগজপত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। তবে, বাকি টাকার খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। আর ওই পুলিশ অফিসারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একসঙ্গে নগদ এত টাকা নিয়ে তিনি কোথায় রাখতেন তা পুলিশ আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share