Blog

  • Sukanta Majumdar: রিষড়াকাণ্ডে পুলিশি বাধার মুখে সুকান্ত-লকেট, ধর্নায় বসতে দেওয়া হল না বিজেপি কর্মীদের

    Sukanta Majumdar: রিষড়াকাণ্ডে পুলিশি বাধার মুখে সুকান্ত-লকেট, ধর্নায় বসতে দেওয়া হল না বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সোমবার রিষড়াকাণ্ডে জখম বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষকে হাসপাতালে দেখে ফেরার পথে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) কোন্নগর বিশালাক্ষীতলায় আটকায় পুলিশ। রিষড়া যেতে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। সেখানেই তিনি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবস্থানে বসেন। পরে, মঙ্গলবার শ্রীরামপুর বটতলায় ধর্নায় বসবেন বলে তিনি ঘোষণা করেছিলেন। এদিন সেখানে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারটের এক আধিকারিক বলেন, এই ধর্নার কোনও অনুমতি নেই। সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই কারণেই এখানে এখন কোনও কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মোহন আদক বলেন, তাঁরা ইমেল করে অনুমতি নিয়েছেন। মানুষের কোনও অসুবিধা না করে ধর্না দিতে চান। তবে, ধর্না মঞ্চ খুলে নেওয়ার পরেই থানায় যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) শ্রীরামপুর যাওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু, ডানকুনির জগন্নাথপুর মোড়ে দিল্লি রোডে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। পরে, বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?  Sukanta Majumdar

    এদিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বাংলা থেকে অশান্ত মুক্ত করার জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছি। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুর যাওয়ার পথে ডানকুনিতে তাঁকে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, রিষড়ায় আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। সেই পরিবারের পাশে থাকার জন্যই আমরা সেখানে যেতাম। কিন্তু, আমাদের ডানকুনি এলাকায় আটকে দেওয়া হয়। এই এলাকায় ১৪৪ ধারা নেই। অথচ সেখানে আমাকে বাধা দেওয়া হল। রিষড়ায় শান্তি ফেরাতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। ডিজি, পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি।

    ট্রেনে করে কেন রিষড়ায় গেলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়?

    শ্রীরামপুর ও রিষড়া এলাকায় মঙ্গলবারও ১৪৪ ধারা জারি ছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ সাংসদদের এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ বাধা এড়াতে এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বালি স্টেশন থেকে ট্রেনে করে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সোজা রিষড়া স্টেশনে যান। ট্রেন থেকে নামতেই পুলিশ কর্মীরা তাঁকে আটকে দেন। এনিয়ে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে তাঁর ব্যাপক বচসা হয়। পরে, বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের না আটকে রামনবমীর মিছিলের দিন রিষড়ায় পুলিশ যদি হামলাকারীদের আটকাতে পারত, তাহলে হিন্দুরা নিরাপদে থাকত। আসলে এই সরকার আগুন নিয়ে খেলছে। এই আগুনে ওদেরও হাত পুড়বে।

    মঙ্গলবার রিষড়া এবং শ্রীরামপুরের সার্বিক অবস্থা কেমন ছিল?

    রিষড়া, শ্রীরামপুর এলাকা জুড়ে সোমবার রাত থেকে পুলিশি টহলদারি শুরু হয়েছে। দুজায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। চন্দননগর ও হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঠানো হয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। দোকানপাটও প্রায় বন্ধ। রিষড়ায় ৪ নম্বর রেল গেট এলাকায় অশান্তির জেরে সোমবার রাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবারও সকাল থেকে আতঙ্কে ও আশঙ্কায় বিস্তীর্ণ এলাকা একেবারে থমথমে। এতটাই যে ব্যান্ডেল-হাওড়া লাইনে মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনও খাঁ খাঁ করেছে। সোমবার রাতে রিষড়া ৪ নম্বর রেলগেটে গন্ডগোলের ঘটনায় ৩৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলা! রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা সিবিআই-এর

    Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলা! রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল সিবিআই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলার মামলায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সিবিআই-এর আইনজীবী। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, ওই ঘটনায় হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরেও পুলিশ মামলার নথি হস্তান্তর করছে না। ফলে তদন্তও শুরু করা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার আদালত অবমাননার মামলা করার অনুমতি চায় সিবিআই। 

    সিবিআইয়ের দাবি

    ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনহাটায় নিশীথ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তভার সিবিআই-কে দেয় আদালত। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সিবিআই ঘটনার তদন্ত করুক বলে রায় দেয় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। নথি হস্তান্তরের জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু সিবিআই-এর অভিযোগ, এখনও সেই নথি হস্তান্তর করেনি রাজ্য পুলিশ। ফলে তদন্তে অসুবিধা হচ্ছে। মঙ্গলবার আদালতকে সিবিআই জানায়, পুলিশ মামলার নথি হস্তান্তর করছে না। ফলে তদন্তের কাজও শুরু করা যাচ্ছে না। সিবিআইয়ের দাবি, এর মধ্যে দিয়ে পুলিশ আদালত অবমাননা করেছে। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করার অনুমতি চাওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    মামলা দায়েরের অনুমতি

    সিবিআইয়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন সিবিআইকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চ মাসের ৩১ তারিখেও হাইকোর্টের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে সিবিআইয়ের অভিযোগ করেছিল, নিশীথ প্রামাণিকের মামলায় সিবিআইয়ের সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না রাজ্য পুলিশ। গত শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, যেহেতু এখনও পর্যন্ত কোনও স্থগিতাদেশ নেই, তাই এই আদালত চায়, তার নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া হোক। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতি বদলায়নি বলে অভিযোগ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Sukanta Majumdar: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আটকানো হল বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। রবিবার তাঁকে হাওড়ার (Howrah) শিবপুরে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। পরে অবশ্য যেতে দেওয়া হয় বালুরঘাটের সাংসদকে। সোমবার রিষড়ার পর মঙ্গলবার শ্রীরামপুরেও (Serampur) ধর্নায় যেতে বাধা দেওয়া হয় সুকান্তকে। এদিন দুপুরে ডানকুনির জগন্নাথপুরে দিল্লি রোডে আটকে দেওয়া হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতির গাড়ি। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। কিছুক্ষণ পরেই ধর্না শেষ করে রাজ্যপালের কাছে যাব। ১৭ বছরের ছাত্রকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাইছি।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে। যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, যারা অশান্তি করছে, পুলিশ তাদের আশ্রয় দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। রাজ্যপালকে সব কিছু জানিয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চাইব। এদিন পুলিশের বাধা পেয়ে ডানকুনিতে পুলিশ ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থানে বসে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি না হওয়া সত্ত্বেও যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধীদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ইচ্ছে করে জনমানবহীন এলাকায় আটকে রাখা হচ্ছে, যাতে জল, খাবারটুকুও কেউ না পায়।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ব্যারিকেড দিয়ে গাড়ি আটকে আমাদের আহত কর্মীদের দেখতে যেতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি থাকলে পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যায় না। আমিও পুলিশকে বলেছিলাম পাঁচজনের বেশি লোক যাবে না, আমাদের ঢুকতে দিন। দুই সাংসদ সহ যেতে চাইলেও, তাও দেওয়া হচ্ছে না। সুকান্ত বলেন, ডানকুনি থানা এলাকায় চন্দননগর কমিশনারেট নিয়ন্ত্রণ করছে। কী হচ্ছে, কিছুই বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    সোমবার আহত দলীয় কর্মীদের দেখতে রিষড়া যাওয়ার পথে কোন্নগরের বিশালাক্ষীতলায় আটকানো হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতির কনভয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে টানাপোড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এর প্রতিবাদেই মঙ্গলবার শ্রীরামপুর বটতলায় ধর্নায় বসার কথা ঘোষণা করেন সুকান্ত। সেই মতো এদিন সকালে মঞ্চ বাঁধতে শুরু করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ গিয়ে খুলে দেয় সেই মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • High Court: পুলিশি হেফাজতে নাবালকের মৃত্যু, ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    High Court: পুলিশি হেফাজতে নাবালকের মৃত্যু, ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ঘটনা। স্থান বীরভূমের মল্লারপুর। চোর সন্দেহে আটক করা এক নাবালককে থানার মধ্যে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে পথে নেমেছিল বিজেপি। চাপে পড়ে থানার দুই অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ছাড় দেওয়া হয়েছিল ওসিকে। বিষয়টি যায় হাইকোর্ট (High Court) পর্যন্ত। অবশেষে সেই মামলায় উল্লেখযোগ্য রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কত দিনের মধ্যে পরিবারের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট?

    মঙ্গলবার এই মামলায় মৃত নাবালকের পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের (High Court) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, ১৫ দিনের মধ্যে ওই টাকা পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে। পুলিশ যে ওই ঘটনায় আইন মেনে কাজ করেনি, এদিন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশ ভবিষ্যতে যদি কোনও ব্যবস্থা নেয়, তা যেন জুভেনাইল জাস্টিস আইন মেনেই করা হয়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর। রেলপাড়ের খালাসিপাড়ার বাসিন্দা এক নাবালককে চোর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে থানার মধ্যেই একটি ঘরে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনা জানাজানি হতেই বিক্ষোভ শুরু করে দেন। তাদের অভিযোগ, ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রথমে ওই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছিল। ইতিমধ্যে ওই ঘটনাকে ঘিরে এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।  বিজেপি এই ঘটনায় তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে। আসরে নামে শাসকদল। তাদের বক্তব্য ছিল, বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে আন্দোলন করছে। কিন্তু মঙ্গলবারের রায়ে বিজেপির অভিযোগই কার্যত মান্যতা পেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: আইপিএলে শাকিবের পরিবর্ত শানাকা! নাইটদের মাথায় আর কোন কোন ক্রিকেটার?

    IPL 2023: আইপিএলে শাকিবের পরিবর্ত শানাকা! নাইটদের মাথায় আর কোন কোন ক্রিকেটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইটদের হয়ে চলতি আইপিএল-এ (IPL 2023) আর দেখা যাবে না শাকিব আল হাসানকে। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেন শাকিব। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার তারকা যে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে যোগ দিতে পারবেন না, সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, জাতীয় কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ এবং ব্যক্তিগত সমস্যার কারণেই এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন শাকিব।

    কলকাতা নাইট রাইডার্স গত বছর আয়োজিত আইপিএল-এর (IPL 2023) মিনি নিলামে দেড় কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল শাকিবকে। এটাই ছিল তাঁর বেস প্রাইস। তবে কেকেআর সূত্রে খবর, শাকিব এবং লিটনকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখনও ছাড়পত্র দেয়নি। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। সেই টেস্টে খেলছেন শাকিব এবং লিটন। সেটা খেলার পর আইপিএল খেলতে আসতে পারেন লিটন। শাকিব যদিও আসবেন না। শাকিবের বদলে অন্য বিদেশি অলরাউন্ডারকে দলে নিতে পারে কেকেআর। নাইট শিবিরে যাঁরা যোগ দিতে পারেন এমন পাঁচজন তারকা ক্রিকেটারকে খুঁজে নেওয়া যাক।

    আইপিএলে (IPL 2023) শাকিবের পরিবর্ত

    দাসুন শানাকা: শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ব্যাট-বল দুইই করতে পারেন। এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল খেলেছেন তিনি। মিডল অর্ডার ও নীচের দিকে ভাল খেলতে পারেন তিনি। তিনি যেমন লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করে ম্যাচ ফিনিশ করতে পারেন, তেমনই ইদানিং স্লগ ওভারে বলও করছেন। যা কেকেআরের ভীষণ দরকার। সেই সঙ্গে অধিনায়কত্বের ক্ষেত্রেও নীতীশ রানাকে সাহায্য করতে পারবেন শানাকা।

    টম ল্যাথাম: ভারতীয় উইকেটে খুব ভাল পরিসংখ্যান রয়েছে নিউজিল্যান্ডের এই ব্যাটারের। মিডল অর্ডারে ব্যাট করার পাশাপাশি উইকেটরক্ষকও তিনি। তাই বাড়তি সুবিধা পেতে পারে কেকেআর।

    মহম্মদ নবি: আফগানিস্তানের অধিনায়ক গত বারও কেকেআরে ছিলেন। কিন্তু একটি ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি। এ বার তাঁকে আবার দলে নিতে পারে কেকেআর। শাকিবের মতোই স্পিনের পাশাপাশি ভাল ব্যাটিং করতে পারেন নবি। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    ড্যারিল মিচেল: নিউজিল্যান্ডের মিচেলের দিকেও নজর দিতে পারে কেকেআর। মিডল অর্ডারে ভাল ব্যাট করতে পারেন তিনি। সেই সঙ্গে মিডিয়াম পেস বল করেন। তাই তাঁকে দিয়ে শাকিবের অভাব মেটানোর চেষ্টা করতে পারে নাইট ম্যানেজমেন্ট।

    ট্র্যাভিস হেড: অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার মাসখানেক আগে ভারতে এসে দেখিয়েছেন কতটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে পারেন তিনি। বাঁহাতি এই ব্যাটার ওপেনার হিসাবেও খেলতে পারেন। আবার স্পিন বলও করতে পারেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ৮৮ বছরে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সেলিম দুরানি

    এই পাঁচ ক্রিকেটারের পাশাপাশি আফগানিস্তানের দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েন পার্নেল, অস্ট্রেলিয়ার রাইলে মেরিডিথ, এবং ল্যান্স মরিসের নাম ভাবা যেতে পারে। শুধু শাকিব নন, লিটন দাসও আইপিএলে অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে তাঁরও পরিবর্ত ভাবতে হবে নাইটদের। অল-রাউন্ডারের কথা না ভেবে বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসাবে স্টিভ স্মিথের মতো অন্য কারোর কথাও ভাবা হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Brahamastra 2 and 3: একসঙ্গে তৈরি হবে ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ২’ এবং ‘৩’, ঘোষণা পরিচালক অয়নের! কবে মুক্তি পাবে ছবি দুটি?

    Brahamastra 2 and 3: একসঙ্গে তৈরি হবে ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ২’ এবং ‘৩’, ঘোষণা পরিচালক অয়নের! কবে মুক্তি পাবে ছবি দুটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাটের জুটি দর্শক কূলের বেশ পছন্দের। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পায় এই জুটির অভিনীত ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ১’। ছবিতে দেখা গিয়েছিল বলিউডের বিগ বি অমিতাভ বচ্চনকেও। বিশেষ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল শাহরুখ খান, নাগার্জুনকে। সেসময় পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ভাল বাণিজ্য করেছে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ছবিটির দুটো সিক্যুয়েন্স থাকবে। ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ২’ এবং ‘৩’ দেখতে পারবেন দর্শক। অনুরাগীরা উন্মুখ, কবে সেই দিনক্ষণ আসবে? মঙ্গলবার সেই খবর জানালেন অয়ন।

    কবে মুক্তি পাচ্ছে  ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ২’ এবং ‘৩’

    অয়ন জানিয়েছেন তাঁদের দ্বিতীয় ছবি ‘ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ২: দেব’ মুক্তি পাবে ২০২৬-এর ডিসেম্বরে। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি আসবে ঠিক এক বছর পরে। অর্থাৎ, ২০২৭-এর ডিসেম্বরে। এতটা সময় লাগছে কেন? অয়নের যুক্তি, ‘‘চিত্রনাট্য পড়ে দেখলাম, বিষয়টিকে ঘষেমেজে আরও ঝকঝকে করতে হবে। তার জন্য একটু সময় লাগবে। সেটাই সবার থেকে চেয়ে নিচ্ছি।’’ অয়ন মুখোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে এদিন আরও লেখেন, ‘সময় এসে গেছে – ব্রহ্মাস্ত্র ট্রিলজি, অস্ত্রভার্স ও আমার জীবন সম্পর্কে কিছু আপডেট দেওয়ার! প্রথম পর্বের সমস্ত ভালবাসা ও প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পর… দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের ওপর মনোনিবেশ করি আমি – যা এখন আমি জানি যে প্রথম পর্বের থেকেও বড় ও আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠবে! আমরা বুঝেছি যে ব্রহ্মাস্ত্র দুই এবং তিনের চিত্রনাট্য আরও নিখুঁত করতে আমাদের আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। এদিন তিনি আরও ঘোষণা করেন যে একইসঙ্গে ব্রহ্মাস্ত্র দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব তৈরি হবে। তিনি বলেন, ‘এবং… সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দুটো ছবি তৈরি করব… একসঙ্গে! এবং তাদের মুক্তিও হবে কাছাকাছি সময়ে! এটি অর্জন করার জন্য আমার কাছে একটি টাইমলাইন আছে, যা আমি আজ আপনাদের সবার সঙ্গে শেয়ার করছি!’

    ‘ব্রহ্মাস্ত্র’র পাশাপাশি আরও একটি ছবি পরিচালনা করছেন অয়ন। সে কথাও তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে জানিয়েছেন। এবার আর ফ্যান্টাসি-অ্যাডভেঞ্চার ফ্র্যাঞ্চাইজি নয়। তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের একটি ছবি পরিচালনা করবেন। তবে ছবি সম্পর্কে এক্ষুণি বিশদে নারাজ তিনি। তাঁর মতে, আপাতত বিষয়টি ভাবনা-চিন্তার স্তরে রয়েছে। তাই এক্ষুণি কিছু বলছেন না। কাজ এগোলে তিনি সংবাদমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    C V Ananda Bose: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আত্মনির্ভর ভারত’কে আটকানোর চেষ্টা করছে ‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেড’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নকে সফল করবে ‘আত্মনির্ভর বাংলা’। কোনওরকম হিংসা, অশান্তি সহ্য করা হবে না। শান্তি প্রতিষ্ঠা হবেই। এদিন উত্তপ্ত রিষড়ায় গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose)। 

    উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    রবিবার সন্ধ্যায় রিষড়ায় রামনবমী উপলক্ষে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করেই অশান্তি ছড়ায়। ছোড়াছুড়ি হয় ইট-পাথর, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কাঁদানে গ্যাসও ছুড়তে হয় পুলিশকে। এই সংঘর্ষে বিজেপির একাধিক কর্মী জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, শাসকদলের দাবি, দিলীপ ঘোষের উস্কানিতে ওইদিন গন্ডগোল শুরু হয়। রামনবমীর দিন শিবপুরের অশান্তি এবং তারপর রিষড়ায় গতরাতের গোলমালের পর রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। শিলিগুড়িতে জি-২০ প্রস্তুতি বৈঠক ছেড়ে কলকাতায় ফিরে আসেন সি ভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose)। কলকাতায় পৌঁছেই রাজভবনে নয়, গাড়ি নিয়ে সোজা বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ধরে রাজ্যপালের কনভয় পৌঁছে গিয়েছে রিষড়ার গণ্ডগোল কবলিত এলাকায়। তিনি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন সেখানকার পরিস্থিতি। রেলগেট চত্বর এবং রিষড়া স্টেশনও পরিদর্শন করেন তিনি। 

    আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা

    রিষড়া স্টেশন ঘুরে দেখে সোজা চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই রিষড়ার ঘটনায় এক ব্যক্তি আহত হয়ে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকেই দেখতে যান রাজ্যপাল। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে একজন ভর্তি আছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করলাম। তাঁর শরীরে আঘাত আছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। দোষীরা অবশ্যই সাজা পাবে।’ তারপরই তিনি আহতকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা জানান। 

    আরও পড়ুন: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন

    রাজ্যপাল বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কার্যকারণ জানতেই আমি এখানে এসেছি। যা বলা হচ্ছে তা কতদূর সত্যি তা দেখতে এসেছি। এবার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করব, সিদ্ধান্ত নেব। তার পর সলিড অ্যাকশন হবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন”। এর পরেই তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেড প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত রোখার চেষ্টা করছে। একই ভাবে আত্মনির্ভর বাংলাও অশুভ শক্তির বিনাশ করবে। শান্তি প্রতিষ্ঠা হবেই। অপরাধীরা গরাদের ভিতরে যাবে।’’ বোসের মতে, ‘‘বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির অপরাধীকরণ চলছে। এ বার তার শেষ হওয়া প্রয়োজন।’’ শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সব রকমের পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অশান্তি পীড়িত এলাকায় গিয়ে বোসের বার্তা, ‘‘নিজেরা বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচতে দিন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

  • Worker: বন্ধ হয়ে গেল জুটমিল! কাজ হারালেন তিন হাজার শ্রমিক, কোথায় জানেন?

    Worker: বন্ধ হয়ে গেল জুটমিল! কাজ হারালেন তিন হাজার শ্রমিক, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অন্যদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা (Worker) কাজে যোগ দিতে যান। গেটের বাইরে দেখেন, মিলে টেম্পোরারি সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দেওয়া রয়েছে। আর সাসপেনশনের পিছনে শ্রমিক অসন্তোষকে দায়ী করা হয়েছে। ফলে, এদিন সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেল জগদ্দলের অ্যাংলো ইন্ডিয়া জুটমিল। আর কাজ হারালেন মিলের স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক (Worker)। এদিন সকালে মিলে যোগ দিতে এসে কর্তৃপক্ষের নোটিশ দেখে কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, কোনও কিছু আলোচনা না করেই কর্তৃপক্ষ নিজের মতো করে মিল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবিলম্বে মিল চালু করার তাঁরা দাবি জানান।

    কেন মিল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ? Worker

    মিল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মিলে তাঁত বিভাগে পুরানো মেশিন তুলে ফেলার অভিযোগ ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। তাঁত ঘর থেকে মিল কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি মেশিন উঠিয়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠে। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মিলের চারজন শ্রমিক (Worker) কাজ বন্ধ রেখে ধর্মঘটে সামিল হন। তাঁদের বক্তব্য, এতদিন ধরে ওই মেশিনে শ্রমিকরা কাজ করে এসেছেন। আচমকা কাউকে কোনও কিছু না জানিয়ে মেশিন উঠিয়ে নেওয়া হল কেন? পরিকল্পিতভাবে কর্তৃপক্ষ মেশিন উঠিয়ে নেয়। শুধু তাই নয়, সোমবার বেলা দুটো নাগাদ কাজে যোগ দিতে আসা শ্রমিকদের (Worker) তাঁরা কাজ করতে বাধা দেন বলে অভিযোগ। ফলে, মিলে উৎপাদন কার্যত ব্যাহত হয়। সোমবার রাতে কর্তৃপক্ষের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তাঁত ঘরের মধ্যে ওই চারজন ফের গন্ডগোল করে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতির সামাল দিতে রাতেই জুটমিলে পুলিশ আসে। পুলিশ আসার পর মিলে নতুন করে আর কোনও গন্ডগোল হয়নি। তবে, দিনভর অশান্তির জেরে মিলে উত্পাদন ব্যাহত হওয়ায় মিলের গেটে সাসপেনশনের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় মিল কর্তৃপক্ষ। নোটিশে, ব্যাচিং থেকে তাঁত বিভাগে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। আর মিলে ঝামেলা পাকানোর অভিযোগে অভিযুক্ত চারজনকে মিলে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Avalanche In Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ তুষার ধসের বলি অন্তত ৭, বরফের নিচে আটকে বহু পর্যটক

    Avalanche In Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ তুষার ধসের বলি অন্তত ৭, বরফের নিচে আটকে বহু পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের গ্যাংটকে ভয়াবহ তুষার ধসে (Avalanche In Sikkim) মৃত্যু হল কমপক্ষে সাতজন পর্যটকের। আরও অনেক জন বরফের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে গ্যাংটকের সঙ্গে নাথুলা পাসের সংযোগকারী জওহরলাল নেহেরু সড়কের ওপর ১৫ মাইল এলাকায়। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চারজন পুরুষ, একজন মহিলা এবং এক শিশু। পরে উদ্ধার হয় আরও একটি দেহ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

    যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনার ত্রিশক্তি কোর, সিকিম পুলিশ (Police), সিকিমের ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন এবং পর্যটন দফতর। সিকিম পুলিশ জানিয়েছে, বরফের তলায় আটকে পড়া ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল ও সেন্ট্রাল রেফারেন্স হাসপাতালে।

    ভয়াবহ তুষার ধস (Avalanche In Sikkim)…

    জানা গিয়েছে, এদিন গ্যংটক থেকে নাথু লা যাওয়ার পথে ১৫ মাইল এলাকায় আচমকাই পর্যটক বোঝাই একটি গাড়ির ওপর ধস নামে। সেই সময় ৫-৬টি গাড়ি করে নাথু লা যাচ্ছিলেন পর্যটকরা। সবমিলিয়ে জনা তিরিশেক পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ধসের কারণে পর্যটকরা খাদের দিকে ছিটকে পড়েন। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ১৪ জনকে বরফের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের দ্রুত সেনার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৭ জন মারা যান। বাকিদের শুশ্রূষা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। বতুষার ধসে আটকে পড়া পর্যটকদের দ্রুত উদ্ধার করতে নামানো হয়েছে সেনাও। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাস্তার যে এলাকায় ধস নেমেছে তার একদিকে আটকে রয়েছেন ৩৫০ জন, অন্যদিকে প্রায় ৪৫০ জন।

    যাঁরা সিকিম বেড়াতে যান, তাঁদের কাছে ছাঙ্গু লেক (Tsong Po) খুবই জনপ্রিয় একটি পর্যটনস্থল। সেখানে যাওয়ার পথে ধস নামায় আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। নাথু লা-কে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি পর্যটনস্থলে যাওয়া যায়। তাই এই অঞ্চলে তুষার ধস নামায় পর্যটন ব্যবসা মার খাবে বলেই আশঙ্কা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। পর্যটনস্থলের পাশাপাশি নাথু লা দিয়ে চিন ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য চলে। ২০০৬ সাল থেকে এখান দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য চলছে এই দুই দেশের। মাঝে ২০১১ সালে সিকিমে ভূমিকম্প ও ২০১৭ সালে ডোকলাম বিতর্কের জেরে সাময়িক বন্ধ ছিল নাথু লা দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য।

    আরও পড়ুুন: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিপজ্জনক তৃণমূল, বললেন জেঠমালানি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলের জায়গার নাম বদলালেও, সত্যিটা বদলে যাবে না, চিনকে পাল্টা ভারতের

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলের জায়গার নাম বদলালেও, সত্যিটা বদলে যাবে না, চিনকে পাল্টা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) ইচ্ছে মতো অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) জায়গার নাম বদলে দিলেও, সত্যিটা কোনওদিন পাল্টে যাবে না। মঙ্গলবার এই ভাষায়ই বেজিংকে জবাব দিল ভারত (India)। এদিন ফের নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ট্যুইট-বার্তায় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, আমরা চিনের রিপোর্ট দেখেছি। চিন প্রথমবার এই চেষ্টা করছে না। আমরা এই নামকরণকে মান্যতা দিতে রাজি নই। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। নাম পরিবর্তন করা হলেও, তাতে বাস্তব পরিবর্তন হবে না।

    অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের…

    প্রসঙ্গত, রাতারাতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ১১টি জায়গার নাম বদলে দিয়েছিল চিন (China)। এক বিবৃতিতে চিনের অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দক্ষিণ তিব্বতের কিছু ভৌগোলিক এলাকার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃত করে চিনের সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, রবিবার অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আনুষ্ঠানিকভাবে ১১টি এলাকার নাম পরিবর্তন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে দুটি বিস্তীর্ণ ভূমি এলাকা, দুটি আবাসিক এলাকা, দুটি নদী ও পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ।

    কেবল নাম বদলই নয়, রবিবার চিনের তরফে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে। ওই মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের কিছু অংশকে চিনের বলে দাবি করা হয়েছে। রবিবার চিনা ও তিব্বতি সহ মোট তিনটি ভাষায় সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে বেজিংয়ের তরফে।

    আরও পড়ুুন: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিপজ্জনক তৃণমূল, বললেন জেঠমালানি

    অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও দুবার অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) বিভিন্ন জায়গার নাম বদলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল চিন। একবার ২০১৭ সালের এপ্রিলে ও অন্যটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের তরফে এও দাবি করা হয়েছিল, ওই এলাকাগুলি চিনের বলে দাবি করার যথেষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক ভিত্তি রয়েছে। দুবারই চিনের ওই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিল ভারত। দুবারই ভারতের তরফে বেজিংকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

LinkedIn
Share