Blog

  • Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে সদা সক্রিয় মোদি সরকার। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়াতে মার্চ মাসে দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সব মিলিয়ে এক লক্ষ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে ১৭ মার্চ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত হয়েছিল।

    আত্মনির্ভর ভারত

    আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অধীনে মেক ইন ইন্ডিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র, সামুদ্রিক নৌযান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হবে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৬,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তি করা হয়েছে। অর্থের বেশিরভাগটাই ব্যয় করা হবে নৌবাহিনীর জন্য। তবে, ফ্লিট সাপোর্ট শিপের জন্য নৌসেনাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

    ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ

    নৌসেনার জন্য ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ এবং ৬টি পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ কেনার লক্ষ্যে ১৯,৬০০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয়েছে। এছাড়াও উপকূলীয় প্রতিরক্ষার জন্য নৌবাহিনীকে দেওয়া হবে ব্রহ্মোস সুপারসনিক মিসাইল। ১১টি টহল জাহাজ নির্মাণের চুক্তি দেওয়া হয়েছে দুটি দেশীয় সংস্থাকে। এর মধ্যে সাতটি গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড (GSL) জিএসএল দ্বারা এবং চারটি গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স কলকাতার (GRAC) দ্বারা তৈরি করা হবে। এই চুক্তিটি ৯,৭৮১ কোটি টাকায় করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাদের সরবরাহ শুরু হবে।

    আরও পড়ুুন: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল

    সেনাবাহিনী ৬০০০ কোটি টাকার আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের দুটি রেজিমেন্ট কেনার জন্য ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। এছাড়াও, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের সঙ্গে ১৭০০ কোটি টাকার ১৩টি লিনাক্স-ইউ-২ ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গাজিয়াবাদের ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের (বিইএল) সাথে যে চুক্তি করেছে , সেই অনুযায়ী ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আকাশে শত্রুর চালকে ধ্বংস করতে সাহায্য করবে। তথ্য অনুযায়ী, এর জন্য বিইএলকে দেওয়া হবে ১৯৮২ কোটি টাকা। স্থলে-জলে-আকাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চুক্তিও রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: শীঘ্রই চালু হচ্ছে নিউ গড়িয়া-রুবি রুটের মেট্রো! ভাড়া প্রকাশ রেলের, দেখে নিন তালিকা

    Kolkata Metro: শীঘ্রই চালু হচ্ছে নিউ গড়িয়া-রুবি রুটের মেট্রো! ভাড়া প্রকাশ রেলের, দেখে নিন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিনের মধ্যেই নিউ গড়়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত নতুন পথে ছুটবে মেট্রো (Kolkata Metro)। তার আগে শনিবার মেট্রোর এই নতুন রুটের ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করল কর্তৃপক্ষ। এই নতুন রুটের ফলে যাত্রীরা দমদম থেকে সোজা রুবি যেতে পারবেন। মাঝখানে রাসবিহারীতে নেমে অন্য যোগাযোগ মাধ্যমের দরকার হবেনা। জানা গেছে, আপাতত এই লাইন রুবি পর্যন্ত থাকলেও পরে তা বিমানবন্দর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। চলছে প্রস্তুতিও। এতে যাত্রীদের সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    ভাড়ার তালিকা

    কবি সুভাষ (নিউ গড়়িয়া) থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) স্টেশনের মাঝে মোট ২টি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াবে মেট্রো (Kolkata Metro)। সেগুলি হল সত্যজিৎ রায় মানে বাঘাযতীন এবং কবি সুকান্ত মানে কালিকাপুর। মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কবি সুভাষ মানে নিউ গড়িয়া থেকে সত্যজিৎ রায় অবধি ভাড়া হচ্ছে ৫ টাকা। কবি সুভাষ থেকে কবি সুকান্ত, অর্থাৎ কালিকাপুর অবধি ভাড়া হচ্ছে ১০ টাকা। কবি সুভাষ থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অর্থাৎ রুবি অবধি ভাড়া হল ২০ টাকা। অর্থাৎ এই মেট্রোপথে সর্বোচ্চ ভাড়া হচ্ছে ২০ টাকা আর সর্বনিম্ন ভাড়া হচ্ছে ৫ টাকা। 

    দক্ষিণেশ্বর-নিউ গড়িয়া মেট্রোপথের (Kolkata Metro) যাত্রীদের জন্য বিশেষ টিকিটের ব্যবস্থা

    দক্ষিণেশ্বর-নিউ গড়িয়া মেট্রোপথের (Kolkata Metro) যাত্রীরা যাতে সরাসরি রুবি মোড় এবং সংলগ্ন এলাকায় দ্রুত পৌঁছতে পারেন, তার জন্য বিশেষ টিকিটের ব্যবস্থাও করেছেন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণেশ্বর কিংবা দমদম স্টেশন থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) পর্যন্ত যেতে যাত্রীদের গুনতে হবে ৪৫ টাকা। এসপ্ল্যানেড, চাঁদনি চক, পার্ক স্ট্রিট কিংবা কালীঘাট স্টেশন থেকে মেট্রোয় একই গন্তব্যে যেতে হলে দিতে হবে ৪০ টাকা। মহানায়ক উত্তম কুমার (টালিগঞ্জ) স্টেশন থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশনে গেলে ৩৫ টাকার টিকিট কাটতে হবে।

    দুটি মেট্রোর মাঝে কমবে সময়ের ব্যবধান, বলছেন মেট্রোর (Kolkata Metro) নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার

    মেট্রোর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডি শনিবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, নতুন ১৪টি ডালিয়ান রেক চালানো হবে। এরফলে দুটি মেট্রোর মাঝে সময়ের ব্যবধান কমবে এবং যাত্রীরা আরও দ্রুত গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rape: তিলজলার পর মালদহের গাজোলেও হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রতিবাদ বিজেপির

    Rape: তিলজলার পর মালদহের গাজোলেও হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার তিলজলার পর মালদহের গাজোল। স্কুলের মধ্যে ছাত্রীকে ধর্ষণের (Rape) ঘটনায় নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাজ্য প্রতিনিধি দলের হাতে হেনস্থা হতে হল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের। এমনকী তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা সাগরিকা সরকার জুতো হাতে নিয়ে তেড়ে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দিকে। আর সমস্ত ঘটনাই ঘটল পুলিশের সামনে। এমনটাই অভিযোগ কেন্দ্রীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের।

    এর আগে তিলজলাতেও শিশু সুরক্ষা কমিশনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে একইভাবে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় ওই দলের সঙ্গে এদিন ছিলেন ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। তাঁকেও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিদের তদন্তে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক ঘটনাস্থলেই ধর্নায় বসেন। বিজেপি বিধায়ক বলেন, আমরা ওই নির্যাতিতার পরিবার যাতে সঠিক বিচার পায় তারজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। তৃণমূলীরা এসে যে ভাবে তান্ডব চালাল, নির্যাতিতার বাড়ি ভাঙচুর করল তা ঠিক নয়। এই ঘটনার আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    গাজোলে ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল? Rape 

    ১৮ মার্চ গাজোলের ফতেপুর জুনিয়র হাইস্কুলের মধ্যে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করার ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি জানাজানি হতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। নির্যাতিতার পরিবার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। সরকারি স্কুলের মধ্যে এরকম ধর্ষণের ঘটনার বিষয়টির তদন্তের জন্য জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি বিধায়ক। শনিবার নির্যাতিতা ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে তদন্ত করতে যায় কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দল।

    এদিন সকালে ওই ছাত্রীর (Rape) বাড়িতে কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিরা গেলে দেখতে পান, সেখানে আগেই পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী নির্যাতিতার বাড়িতে ঢুকতে গেলে মালদহ জেলা পরিষদের সদস্যা তথা গাজলের তৃণমূল নেত্রী সাগরিকা সরকার জুতো নিয়ে তেড়ে যান। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা হাতাহাতিতে জ়ড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলীদের তান্ডবের জেরে নির্যাতিতার টিনের বাড়ির একাংশ ভেঙে যায়।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল? Rape

    কেন্দ্রীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো বলেন, ১০ দিন আগে ঘটনা ঘটেছে। এতদিন রাজ্যের প্রতিনিধিরা কেউ আসেনি। আমি সমস্ত বিষয়টি মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট সচিবকে জানিয়ে এখানে এসেছি। আর আমরা এসেছি বলেই এদিন ওরাও চলে এসেছে। আমাদের সঙ্গে নির্যাতিতাকে আলাদাভাবে কথা বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিলজলাতেও একই ঘটনা ঘটল। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    কী বললেন রাজ্যের প্রতিনিধি দলের কর্তারা? Rape 

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায় বলেন, ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর আমরা এখানে এসেছি। কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। আমাদের গেট আউট বলেন। আমরা কোনও বাধা দিইনি। আমরা একসঙ্গে তদন্ত করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, সেটা তারা মানতে রাজি নন। আমরা কোনও হেনস্থা করিনি।

    কী বললেন নির্যাতিতা পরিবারের সদস্য? Rape 

    নির্যাতিতা পরিবারের সদস্য বলেন, মেয়ের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করতে এসেছে জেনে ভালো লাগছে। কিন্তু, বাড়ির ভিতরে ঢুকে যে ভাবে তাণ্ডব চালাল তা ঠিক হয়নি। আমার বাড়ি ভাঙচুর করে দেওয়া হয়েছে। এখন এর ক্ষতিপূরণ কে দেবে? মেয়ের ঘটনা নিয়ে আমরা আতঙ্কে রয়েছি। এরপর এই ঘটনায় আমরা আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, সুকান্তকে ফোন করে খোঁজ নিলেন অমিত শাহ

    Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, সুকান্তকে ফোন করে খোঁজ নিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় হামলা সম্পর্কে খোঁজ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) ফোন করে খোঁজ নেন তিনি। হাওড়ার পুরো ঘটনা এবং প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে শাহকে অবহিত করেন সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। পুরো বিষয়টি ওঁকে জানিয়েছি। উনি যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। ওঁকে আমি এই বিষয়ে একটি চিঠিও পাঠাচ্ছি। যাতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ হয় এবং তদন্ত হয়। যাঁরা উপযুক্ত দোষী, তাঁরা যেন শাস্তি পায়। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, তা আমি জানিয়েছি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা ঘিরে অশান্তি…

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় হামলার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হাওড়া শহরের একাংশ। শিবপুরের কাজিপাড়া এলাকায় পাল্টা হামলায় পোড়ে দোকানপাট। রাতে হয় পাল্টা ইটবৃষ্টি। ইটবৃষ্টি হয় শুক্রবার দুপুরেও। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করেও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সেখানে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি প্রশাসন। নতুন করে যাতে অশান্তি না ছড়ায় সেজন্য এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। নামানো হয়েছে র‌্যাফ। খোলা হয়েছে পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্স বুথ। শুক্রবারও এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। অশান্তির ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    এদিকে, হাওড়াকাণ্ডে (Ram Navami) এনআইএ তদন্ত ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বিষয়টি নিয়ে তিনি আবেদন করেছেন কলকাতা হাইকোর্টেও। ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, হাওড়া ও ডালখোলায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসা ও হামলার ঘটনা সম্পর্কে আমি আজ কলকাতার মাননীয় হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছি। আমি এনআইএ তদন্তের জন্য প্রার্থনা করেছি। এবং এই ধরনের এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি নিরীহ জীবন বাঁচানোর জন্য অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন। মাননীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পিআইএল নথিভুক্ত করার জন্য মঞ্জুর করেছেন এবং সোমবার তালিকার শীর্ষে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    Tiljala: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala) নাবালিকা খুনকাণ্ডের তদন্তে এসে থানার ভিতরে পুলিশের অনৈতিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় ওসির (OC) হাতে প্রহৃত হয়েছেন ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (NCPCR) চেয়ারপার্সন। ঘটনার জেরে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরক ট্যুইট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে ট্যাগ করে ট্যুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, তিলজলা থানার ভিতরে এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সনকে মারধর করা হয়। এটাই পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অবিলম্বে রাজ্যপাল ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করেন শুভেন্দু।

    এনসিপিসিআরের (NCPCR) চেয়ারপার্সনের অভিযোগ…

    এদিকে, এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগোকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় দায়ের হয়েছে মামলা। তার জেরে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে তিলজলা থানার ওসি বিশ্বক মুখোপাধ্যায়কে। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ওই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, বিশ্বকের বিরুদ্ধে  মারধর, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও সম্মিলিতভাবে অপরাধ সংগঠিত করার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    বছর সাতেকের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুন এবং তার তদন্তে এসে (Tiljala) জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের বাধা পাওয়ার ঘটনায় রাজ্যকে নিশানা করছে বিজেপি। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, আগামিদিনে এ নিয়ে কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে তারা। বাংলার যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, সেই একই পরিস্থিতির কথা বলেছেন প্রিয়ঙ্কও। এই পরিস্থিতিতেই প্রকাশ্যে এসেছে মালদহের গাজোলে নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে গিয়ে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের গন্ডগোলের ছবি।

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, গোটা দেশের কাছে লজ্জার ঘটনা ঘটেছে গতকাল (শুক্রবার)। বাংলা ও বাঙালির মানুষের কাছে এটা লজ্জার যে, শিশুদের অধিকার রক্ষার কমিশনের চেয়ারম্যানের গায়ে হাত তুলছে পুলিশ। তিনি বলেন, তাহলে বাংলার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী তথা সাধারণ মানুষের অবস্থা ঠিক কেমন, তা সহজেই অনুমেয়।

    আরও পড়ুুন: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    বিজেপি (Tiljala)  নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তিলজলার ঘটনা একটা উদাহরণ মাত্র। এ দিয়ে সংবিধানের রক্ষাকর্তারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে, এ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক কী। পশ্চিমবঙ্গে মানবাধিকার ও আইনের শাসন ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়েছে, সেটাও প্রত্যক্ষ করছে সারা দেশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিকাশ ভবনের কর্মী বিস্ফোরক-যোগে অভিযুক্ত! গ্রেফতার করল এনআইএ

    NIA: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিকাশ ভবনের কর্মী বিস্ফোরক-যোগে অভিযুক্ত! গ্রেফতার করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিকাশ ভবনের কর্মী বিস্ফোরক-যোগে অভিযুক্ত! এখান থেকেই এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল এনআইএ (NIA)। অন্যদিকে, বীরভূমের মহম্মদবাজারে ৮১ হাজার জিলোটিন স্টিক ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধারের ঘটনায় এদিন আরও ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)।

    ধৃতদের পরিচয় 

    ধৃতদের মধ্যে মির মহম্মদ নুরুজ্জামান পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বিকাশ ভবনে কর্মরত বলেই জানা গেছে। শনিবার দুপুরে নুরুজ্জামানকে সেখান থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ (NIA)। অন্যদিকে আরেক অভিযুক্ত মিরাজুদ্দিনকে ধরা হয় রানিগঞ্জ থেকে। এনআইএ বলছে, মিরাজুদ্দিন, অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় এর আগে মহম্মদবাজার থেকে রিন্টু শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। রিন্টুকে জেরা করে পাওয়া যায় নুরুজ্জামান এবং মিরাজুদ্দিনের নাম। রানিগঞ্জ, রাজারহাট ও মঙ্গলপুরে শুরু হয়েছে এনআইএ তল্লাশি। সূত্রের খবর, এনআইএ গ্রেফতারি এড়াতে বিকাশ ভাবনে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন মীর মহম্মদ নুরুজ্জামান। NIC প্রজেক্টে কাজ করছিলেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, প্রভাবশালীদের সাহায্যেই দিনের পর দিন প্রচুর পরিমানে বিস্ফোরক সরবরাহ করে গেছে এই ২ জন। পুলিশের সাহায্যেও এই কাজ চলত কিনা তাও খতিয়ে দেখছে এনআইএ। সূত্রের খবর, ৮১ হাজার জিলেটিন স্টিক আর ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সাপ্লাই করেছিল এরা।

    বারুদের স্তূপে বীরভূম

    বারুদের স্তূপে বীরভূম! বিরোধীদের এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এদিনই মল্লারপুরের জবুনি গ্রামে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে। অন্যদিকে, নলহাটিতে উদ্ধার তাজা বোমা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। ধৃত রমজান শেখের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১৮০ কেজি বোমা তৈরির মশলা। ৩টি দেশি পাইপগান ও ১২ রাউন্ড গুলি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিজের বাড়িতেই বোমা তৈরির মশলা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিলেন ধৃত। উদ্ধার হওয়া মশলা থেকে এক হাজারের বেশি দেশি বোমা তৈরি হত বলে পুলিশের অনুমান। এনআইএ-র ওপর আস্থা প্রকাশ করে বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, গোটা বীরভূমের অবস্থা একইরকম। শাসকদল এবং পুলিশের একাংশ জড়িত এ কাজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • IPL 2023: ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার, নো-ওয়াইডে ডিআরএস, পেনাল্টি! জেনে নিন চলতি আইপিএলের একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

    IPL 2023: ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার, নো-ওয়াইডে ডিআরএস, পেনাল্টি! জেনে নিন চলতি আইপিএলের একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাধুমধাম করে শুরু হল ষোড়ষ আইপিএল। আহমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে গুজরাট টাইটান্স ৫ উইকেটে হারাল চারবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসকে। ইনিংসের বিরতিতে দেখা যায়, অম্বাতি রায়াডুর জায়গায় ফিল্ডিং করতে নেমেছেন তুষার পাণ্ডে। যিনি প্রথম ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে রেকর্ডও গড়লেন। করোনার পর নতুনরূপে ফিরেছে আইপিএল। নিয়মেও বদল এসেছে। একবার দেখে নেওয়া যাক ষষ্ঠদশ আইপিএলে কি কি নিয়ম যুক্ত হয়েছে, তার প্রভাব কতটা ফেলতে পারে ম্যাচে।

    ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার

    এই বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই চর্চা চলছিল। কেমন হবে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের ভূমিকা। অবশেষে ভেদ হল রহস্য। প্রথম ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে খেললেন চেন্নাই সুপার কিংসের তুষার পাণ্ডে। তিনি মূলত পেস বোলার। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাই সুপার কিংস ৭ উইকেটে তোলে ১৭৭ রান। গুজরাটের ব্যাটিং শুরু হওয়ার আগে অম্বাতি রায়াডুকে বসিয়ে ধোনি মাঠে নামান তুষারকে। মূলত বোলিং শক্তিশালী করাই লক্ষ্য ছিল সিএসকে’র। একই দিনে গুজরাট টাইটান্সও ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়মকে হাতিয়ার করে ব্যাটিং মজবুত করার চেষ্টা করে। চোটপ্রাপ্ত কেন উইলিয়ামসনের পরিবর্তে মাঠে নামেন সাই সুদর্শন। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম বেঁধে দিয়েছে বিসিসিআই। যেমন, ইনিংস শুরু হওয়ার আগে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নেওয়া যাবে। একটা ওভার শেষে প্রয়োগ করা যাবে এই নিয়ম। ওভারের মাঝেও নেওয়া যাবে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে উইকেট পতন বা ক্রিকেটার চোট পেলেই তা প্রযোজ্য হবে। শুধুমাত্র ভারতীয় প্লেয়ারদেরই ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

    টসের পরে প্রথম একাদশ

    আগে নিয়ম ছিল, টসের সময় প্রথম একাদশ জানিয়ে দেওয়ার। সেটা বদল হয়েছে। এখন থেকে টসের পর প্রথম একাদশ জানাতে পারবেন অধিনায়করা। তবে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে আগে থেকেই পাঁচজনের নাম জানাতে হবে। সেখান থেকেই বেছে নেওয়া যাবে একজনকে। দেশি ক্রিকেটারের বদলে বিদেশি ক্রিকেটার নামানো যাবে না। যদি প্রথম একাদশে বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা চার থাকে।

    আরও পড়ুন: আজ, আইপিএল অভিযান শুরু কলকাতার! প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব

    ওয়াইড নো-বলেও ডিআরএস

    টি-২০ ক্রিকেটে প্রতিটি রান খুবই মূল্যবান। কিছু কিছু মুহূর্তে ওয়াইড, নো বল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবার থেকে কোনও ওয়াইড বা নো বল নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুশি না হলে ডিআরএস নিতে পারবে যে কোনও দল। তবে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে।

    উইকেটকিপারের উপর বিধিনিষেধ

    টি-২০ ফরম্যাটে ব্যাটসম্যানরা অভিনব শট খেলার প্রয়াস করেন। অনেক সময় দেখা যায়, ব্যাটসম্যানকে চাপে রাখতে ঘন ঘন স্থান বদল করছেন উইকেটরক্ষক। এবার থেকে সেটা করা যাবে না। আম্পায়াররা যদি দেখে বল করার আগেই উইকেটকিপার জায়গা বদল করছেন, তাহলে তিনি নো বল কল করতে পারেন, বা বলটি ডেড ঘোষণা করে দিতে পারেন।

    পেনাল্টি 

    উইকেটকিপার এবং ফিল্ডার দুর্ব্যবহার করলে পেনাল্টি হিসেবে পাঁচ রান দেওয়া হবে। এছাড়াও ওই ডেলিভারিকে ডেড বল হিসেবে ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ পাঁচ রান পাওয়ার পর ব্যাটার আরও একটা বল খেলার সুযোগ পাবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Civic Volunteer: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Civic Volunteer: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খরচ বাঁচাতে এবং দলীয় কর্মীদের খুশি করতে স্থায়ী পুলিশ কর্মী নিয়োগ না করে অস্থায়ী সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) নিয়োগ করেছিল তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। সেই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগে জেরবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সময়। তার পরেও টনক নড়েনি রাজ্য সরকারের। এবার মুখ পুড়ল কলকাতা হাইকোর্টে। কল্যাণীর ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে।

    সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer)…

    কল্যাণী পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরের দায়ের করা পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শুক্রবার ওই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি মান্থা বলেন, যেহেতু এ ক্ষেত্রে পুলিশের বিরুদ্ধেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাই নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে সিআইডি তদন্ত করবে। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) বিষয়ে নির্দেশিকা তৈরি করতে রাজ্য পুলিশের আইজিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। মামলাকারীর আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলায় অংশ নেয় সিবিআইও। বিচারপতি মান্থা জানান, আগামী ১৩ এপ্রিল সিআইডি রিপোর্ট দেবে। সেদিনই হবে পরবর্তী শুনানি।

    ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে বালির ট্রাক আটকে ২ সিভিক ভলান্টিয়ার তোলাবাজি করছিলেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। তোলাবাজির পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তার ভিত্তিতেই রাজকুমার মান্না ও আশিকুল রহমান নামে অভিযুক্ত দুজনক গ্রেফতার করা হয়। তোলা চেয়ে হুমকি, তোলা না দেওয়ায় টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে রাজ্য পুলিশ রীতিমতো সার্কুলার দিয়ে জানায়, আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) দিয়ে করানো যাবে না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে জারি করা হয়েছিল ওই সার্কুলার। সার্কুলারে এও বলা হয়েছিল, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। বিভিন্ন উৎসবে ভিড় সামলাতে, বেআইনি পার্কিং রুখতে, মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশের সাহায্যকারীর ভূমিকায় থাকবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। এই প্রথম নয়, এর আগেও সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে হাইকোর্টের নির্দেশের পর জারি করা হয় সার্কুলার। রাজ্য পুলিশের এক কর্তা বলেন, সদ্য জারি হয়েছে নয়া নির্দেশিকা। এর পরেও অভিযোগ আসে কি না, দেখা প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary School: রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার এ কী হাল! নিজের নাম লিখতে পারছে না চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া, কোথায় জানেন?

    Primary School: রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার এ কী হাল! নিজের নাম লিখতে পারছে না চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আলিপুরদুয়ারের পশ্চিম জিৎপুর অ্যাডিশন্যাল প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary School)। স্কুলে একজন শিক্ষক। জনা কুড়ি ছাত্র-ছাত্রী। নিয়ম মেনেই ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক। আচমকাই সেখানে হাজির হন বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। সঙ্গে ছিলেন ডিপিএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনুপ চক্রবর্তী, আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মতিলাল কুজুর সহ দলীয় নেতৃত্ব। ক্লাসের মধ্যে একসঙ্গে  এতজনকে দেখে পড়ুয়ারা হতবাক হয়ে যায়। মূলত এলাকাবাসীর মুখে স্কুলের পঠন-পাঠনের বেহাল অবস্থা শুনে তারা স্কুলে যান। স্কুলে গিয়ে তৃণমূল নেতা মতিলাল কুজুর চতুর্থ শ্রেণির একাধিক পড়ুয়াকে নিজের নাম খাতায় লিখতে বলেন। দুজন পড়ুয়া সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়, তারা নাম লিখতে পারে না। তাদের অক্ষর জ্ঞান নেই। যা দেখে বিধায়ক থেকে উপস্থিত সকলের চক্ষুচড়ক গাছ। বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, শিক্ষকদের আরও যত্ন নিয়ে পড়ুয়াদের পড়ানো দরকার।

    কী বললেন স্কুলের শিক্ষকরা? Primary School

    স্কুলের (Primary School) একাধিক পড়ুয়ার এই হাল অস্বীকার করেননি স্কুলের (Primary School) সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর বিশ্বাস। তিনি বলেন, করোনার জন্য দুবছর লেখাপড়া হয়নি। আমরা দুজন শিক্ষক পড়াই। পড়ুয়ারা স্কুলে যেটুকু শিখে যাচ্ছে, বাড়িতে গিয়ে চর্চা না করার জন্য তাদের উন্নতি হচ্ছে না। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দাস স্কুলে আসেননি। তিনি ফোনে বিষয়টি শুনে বলেন, ২০১০ সালে কাজে যোগ দিই। তখন ৮৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকার কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে। ২০১৭ সালে আর একজন শিক্ষক যোগ দেন। স্কুলে আমরা পড়ুয়াদের সাধ্যমতো পড়ানোর চেষ্টা করি।

    স্কুলের পঠন-পাঠন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য ?  Primary School

    প্রায় পাঁচ বছর ধরে স্কুলে (Primary School) লেখাপড়া হয় না। যারজন্য পড়ুয়াদের অনেকের অক্ষর জ্ঞান নেই। শিক্ষকরা পালা করে স্কুলে আসেন। একজন শিক্ষক সব ক্লাস নেন। আসলে ক্লাস না নিয়ে মোবাইল দেখতে ব্যস্ত থাকেন। ফলে, অনেক অভিভাবক আর এই স্কুলে পড়াতে চান না। আর শিক্ষকরা স্কুলে (Primary School) এসে না পড়িয়ে মাসের পর মাস বেতন পেয়ে যাচ্ছেন বলে তাঁদের কোনও হেলদোল নেই। এলাকাবাসীর আরও বক্তব্য, দোষটা কার? পড়ুয়া, শিক্ষক, মোবাইলে আসক্তি না মানসিকতার। আসলে টাকা দিয়ে শিক্ষকরা চাকরি পাচ্ছেন। যাদের শুরুটা হচ্ছে অন্যায় দিয়ে, তাদের পড়ানোর ইচ্ছে না থাকাটাই স্বাভাবিক। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েও নিজের নাম লিখতে পারছে না। শৈশব তলিয়ে যাচ্ছে অশিক্ষার আঁধারে। অবিলম্বে শিক্ষকদের বদলি করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে স্কুলের পঠন-পাঠন ফিরিয়ে আনার দাবি জানান সকলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: আজ, আইপিএল অভিযান শুরু কলকাতার! প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব

    IPL 2023: আজ, আইপিএল অভিযান শুরু কলকাতার! প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মরশুমে আজ, শনিবার আইপিএল (IPL 2023) অভিযান শুরু করছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। গত ১৫টি সংস্করণের মধ্যে মাত্র দু-বার ট্রফি জিতেছে কেকেআর। শেষ বার কলকাতায় ট্রফি এসেছিল ২০১৪ সালে। এরপর থেকে শুধুই অপেক্ষা। এবার নতুন কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত ও নতুন অধিনায়ক নীতিশ রানার (Nitish Rana) নেতৃত্বে নতুন লড়াইয়ে নামছে কলকাতা। লক্ষ্য সাফল্য। শুক্রবার, আইপিএল-এর উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ৫ উইকেটে জয় পায় গুজরাট টাইটান্স।

    শুরুটা ভাল করাই লক্ষ্য

    মোহালিতে নাইটদের প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব কিংস (Punjab Kings)। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টে মরসুমের শুরুটা ভালভাবে করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোহালিতে কেকেআরের রেকর্ড খারাপ নয়। ২০০৮ সাল থেকে শুরু হয়েছে আইপিএল। এখনও পর্যন্ত মোহালির মাঠে কেকেআর ও পাঞ্জাব একে অপরের বিরুদ্ধে মোট ৭টি ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে ৪টি ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কেকেআর। ৩টি ম্যাচ জিতেছে পাঞ্জাব। অর্থাৎ মোহালিতে নাইটদের রেকর্ড তাদের পক্ষেই। তবে খুব একটা পিছিয়ে নেই পাঞ্জাব। 

    বৃষ্টির সম্ভাবনা

    কলকাতায় জোরকদমে অনুশীলন সারলেও মোহালিতে ম্যাচের আগের দিন বাধ সেধেছে বৃষ্টি। যার জেরে অনুশীলন বাতিল করতে হয়। ম্যাচের দিনও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অধিনায়ক নীতীশ রানা অবশ্য ইন্ডোরে অনুশীলন সেরেছেন। মরসুমের প্রথম ম্যাচ হওয়ায় কেকেআরের একাদশ বা কম্বিনেশন নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, লিটন দাস যোগ দেননি এখনও। লকি ফার্গুসন পৌঁছলেও তার চোট রয়েছে। দলে যোগ দিয়েছেন সুনীল নারিন। প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব শিবিরে শিখর ধাওয়ান, স্য়াম কারান, লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো বিধ্বংসী প্লেয়াররা রয়েছেন। কলকাতার লড়াইটা সহজ হবে না। 

    আরও পড়ুন: আইপিএলের ঢাকে কাঠি! মঞ্চ মাতাবেন অরিজিত সিং, মাঠে মুখোমুখি গুজরাট-চেন্নাই

    কখন শুরু ম্যাচ

    আজ ১ এপ্রিল, শনিবার পাঞ্জাব কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ৩.৩০ থেকে। ৩ টের সময় টস হবে।

    কোথায় খেলা

    আইপিএলের এ মরসুমের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে মোহালির আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে।

    কোথায় দেখবেন?

    স্টার স্পোর্টসে দেখা যাবে আইপিএল।

    অনলাইনে কোথায় দেখা যাবে?

    অনলাইনে জিও সিনেমায় দেখা যাবে পাঞ্জাব কিংস বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই ম্যাচটি।

    সম্ভাব্য একাদশ

    পঞ্জাব কিংস: শিখর ধাওয়ান (অধিনায়ক), ম্যাথিউ শর্ট, ভানুকা রাজাপক্ষে, শাহরুখ খান, জীতেশ শর্মা (উইকেটরক্ষক), স্যাম কারান, হরপ্রীত ব্রার, ঋষি ধাওয়ান, ন্যাথান এলিস, রাহুল চাহার, অর্শদীপ সিং

    কলকাতা নাইট রাইডার্স: রহমানুল্লা গুরবাজ (উইকেটকিপার), বেঙ্কটেশ আইয়ার, নীতীশ রানা (অধিনায়ক), রিঙ্কু সিং, মনদীপ সিং, আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন, শার্দুল ঠাকুর, টিম সাউদি, উমেশ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share