Blog

  • Bank Holidays: এপ্রিল মাসে ৩০ দিনের মধ্যে পনেরো দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক! জানেন কেন?

    Bank Holidays: এপ্রিল মাসে ৩০ দিনের মধ্যে পনেরো দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক! জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাসে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ দিন বন্ধ (Bank Holidays) থাকছে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ছুটির তালিকা অনুসারে নির্দিষ্ট স্থান বিশেষে ছুটি প্রযোজ্য। তাই যাঁরা নানা কাজে নিয়মিত ব্যাঙ্কে যান, তাঁরা জেনে রাখুন কোন কোন দিন বন্ধ থাকছে ব্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, ব্যাঙ্কের কোনও শাখা বন্ধ থাকলেও, গ্রাহকরা নেট ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, এটিএম এবং অন্য পরিষেবা পেয়ে থাকেন। এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন দিন বন্ধ (Bank Holidays) থাকছে ব্যাঙ্ক। উপলক্ষই বা কী।  

    ছুটির (Bank Holidays) দিন…

    ১ এপ্রিল, শনিবার অ্যাকাউন্ট ক্লোজিং।

    ২ এপ্রিল, রবিবার

    ৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার মহাবীর জয়ন্তী।

    ৫ এপ্রিল, বুধবার, বাবু জগজীবন রামের জন্মতিথি (কেবল হায়দ্রাবাদ)

    ৭ এপ্রিল, শুক্রবার, গুড ফ্রাইডে (আগরতলা, আমেদাবাদ, জয়পুর, জম্মু, সিমলা ও শ্রীনগর ছাড়া সর্বত্র)

    ৮ এপ্রিল, শনিবার (সেকেন্ড স্যাটারডে)

    ৯ এপ্রিল, রবিবার

    ১৪ এপ্রিল, শুক্রবার, আম্বেদকর জয়ন্তী, বোহাগ বিহু, বৈশাখি, তামিল নববর্ষ, মহা বিষুব সংক্রান্তি। (ভোপাল, আইজল, নয়া দিল্লি, রায়পুর, শিলং এবং সিমলা ছাড়া সর্বত্র)

    ১৫ এপ্রিল, শনিবার, বাংলা নববর্ষ (আগরতলা, গুয়াহাটি, কোচি, কলকাতা, সিমলা ও তিরুবনন্তপুরমে ছুটি)

    ১৬ এপ্রিল, রবিবার।

    ১৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার, শব-ই-কদর (জম্মু, শ্রীনগর)

    ২১ এপ্রিল, শুক্রবার, ইদ-উল-ফিতর (আগরতলা, জম্মু, শ্রীনগর, কোচি এবং তিরুবনন্তপুরম)

    ২২ এপ্রিল, শনিবার রমজান ইদ (আগরতলা, আমেদাবাদ, আইজল, বেঙ্গালুরু, ভুবনেশ্বর, চণ্ডীগড়, গ্যাংটক, কোচি, সিমলা ও তিরুবনন্তপুরম ছাড়া সর্বত্র)

    ২৩ এপ্রিল, রবিবার।

    ৩০ এপ্রিল, রবিবার।

    প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ছুটির দিনকে জাতীয় ও আঞ্চলিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। জাতীয় ছুটির ক্ষেত্রে সারা দেশেই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। আর আঞ্চলিক ছুটির ক্ষেত্রে বন্ধ (Bank Holidays) থাকে কেবল সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের শাখাগুলি। এপ্রিল মাসের প্রথম দিনটি ছাড়াও মহাবীর জয়ন্তী, গুড ফ্রাইডে, বিভিন্ন রাজ্যে নববর্ষ এবং ইদ এই দিনগুলিতে এক সঙ্গে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবারও ছুটি থাকে ব্যাঙ্কে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর অভিযোগকে মান্যতা দিয়েও পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2023: ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল করানো যাবে না! আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নির্দেশ বোর্ডের

    IPL 2023: ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল করানো যাবে না! আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নির্দেশ বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, বছর শেষে বিশ্বকাপ, তাই আইপিএলে (IPL 2023) ভারতীয় বোর্ডের চুক্তির আওতায় থাকা বোলারদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল বিসিসিআই। তাঁদের যাতে বেশি চাপ না দেওয়া হয়, ফ্র্যানচাইজিদের সেই নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও এক দিনের বিশ্বকাপ, এই দুই প্রতিযোগিতায় যাতে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বোলারদের পাওয়া যায়, তার জন্য এই নির্দেশ দিয়েছে বিসিসিআই।

    সুস্থ প্লেয়ার চাই বোর্ডের

    ৩১ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ১৬ তম আইপিএল (IPL 2023)। এবার হোম ও অ্য়াওয়ে ফর্ম্যাটে আইপিএল হওয়ায় উন্মাদনাটা আরও বেশি। সমর্থকদের মধ্যে দেখা গেছে টিকিট নিয়ে টানাটানি। তবে বিশ্বকাপের বছরে বোর্ডের চিন্তা বাড়াচ্ছে প্লেয়ারদের ফিটনেস। এই মর্মে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে কড়া নির্দেশ দিল বোর্ড। বর্তমানে ঠাসা ক্রীড়াসূচি রয়েছে ভারতীয় দলের। ২০২৩ সালের তিন মাসের মধ্যে তিনটে দেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা হয়ে গিয়েছে। তিনটে হোম সিরিজ হওয়ায় সুবিধা পেয়েছে ভারত। এবার দু মাস ব্যাপী আইপিএলের আসর। তাই বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে প্রতিটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয়েছে ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল না করাতে। না হলে বিশ্বকাপের আগে প্লেয়াররা চোট আঘাতে জর্জরিত হতে পারে।

    বোর্ডের বারণ

    আইপিএলের (IPL 2023) সব ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিজিওদের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ফিজিও নীতিন প্যাটেল ও ভারতীয় দলের ফিজিও সোহম দেশাই। সেখানে তাঁরা জানিয়েছেন, ১২ জন ভারতীয় বোলারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। আইপিএলের সাতটি দলে খেলেন এই ১২ বোলার। তাঁরা হলেন, গুজরাট টাইটান্সের মহম্মদ শামি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মহম্মদ সিরাজ, কলকাতা নাইট রাইডার্সের উমেশ যাদব ও শার্দুল ঠাকুর, চেন্নাই সুপার কিংসের দীপক চাহার, দিল্লি ক্যাপিটালসের কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল, রাজস্থান রয়্যালসের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও যুজবেন্দ্র চহাল এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিক ও ওয়াশিংটন সুন্দর। 

    আরও পড়ুন: রানাতেই ভরসা পণ্ডিতের! নীতীশকেই অধিনায়ক বাছল নাইটরা, প্রথম ম্যাচ কবে?

    এক বোর্ড কর্তা বলেন, “ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে বলা হয়েছে ভারতীয় বোলারদের আলাদা করে দেখতে। আইপিএল (IPL 2023) দলগুলোকে বলা হয়েছে বোলারদের নেটে বল না করাতে। ওদের শক্তি বাড়ানো এবং বাকি জিনিসের দিকে নজর দেওয়া উচিত। প্লেয়ারদের ফিল্ডিং ড্রিল করানো যাবে, তবে সেটা মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি ওদের পুশ করতে পারবে না। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের পর ওদের বলের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। বিসিসিআই পরের আপডেট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ডিএ-র দাবিতে জারি আন্দোলন, কালো ব্যাজ পরে পালন হবে ধিক্কার দিবস

    DA: ডিএ-র দাবিতে জারি আন্দোলন, কালো ব্যাজ পরে পালন হবে ধিক্কার দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে ৪৪ দিনের মাথায় তুলেছিলেন অনশন আন্দোলন। সেদিনই ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন অনশন (Fasting) তোলা হলেও, জারি থাকবে আন্দোলন। সেই মতো বকেয়া ডিএর দাবিতে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারি অফিস ও স্কুলে কালো ব্যাজ পরে ধিক্কার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৪২টি সংগঠনের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। দুপুর ২টো থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। ওই সময় রাজ্য সরকারের সব দফতরে কালো ব্যাজ পরে মিছিল করবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মু্র্মু। তাঁর সফরের মাঝেই হবে আন্দোলন।

    ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    এদিকে, ডিএর (DA) দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আন্দোলন এদিন পড়ল ৬১ দিনে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে বুধবার অভিনব অনশন কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। পালন করা হবে কর্মবিরতিও। ৩০ মার্চ যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে মহা সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, এদিনই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রেড রোডে আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এখানেই রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। তৃণমূলের (TMC) ছাত্র-যুবদের সমাবেশে ভাষণ দেবেন তিনি। অভিষেকের সভার বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, ওই দিন অভিষেকের সভা অন্যত্র করার নির্দেশ দিক হাইকোর্ট। গোলমালের আশঙ্কা থেকেই ওই আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবারই দুপুর ২টোয় শুনানি হবে ওই মামলার। এদিকে, ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের একদিনের বেতন কাটার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১০ মার্চ ধর্মঘট পালন করায়ই কাটা হচ্ছে ওই বেতন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    এদিকে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের উৎসব বোনাস বাড়াল রাজ্য সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, উৎসব বোনাস ৪৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হবে ৫৩০০টাকা। গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্য সরকার উৎসব বোনাস বাড়িয়ে চলেছে। এবার এই বোনাস বাড়ল ৫০০ টাকা। তবে গত ছ বছরে উৎসব বোনাস বেড়েছে ১৭০০ টাকা। রমজান মাস চলছে। সামনেই ইদ। তার আগেই এই রাজ্য সরকারের এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন বহু মানুষ। তবে উৎসব বোনাস বাড়ানো হলেও, ডিএ আপাতত বাড়ছে না। রাজ্য সরকারের সাফ কথা, আর্থিক সঙ্গতি নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
     

  • Panchayat Election: শুভেন্দুর অভিযোগকে মান্যতা দিয়েও পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    Panchayat Election: শুভেন্দুর অভিযোগকে মান্যতা দিয়েও পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election) দিন ঘোষণা করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আর কোনও বাধা থাকল না৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিবর্গের গণনার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই অভিযোগকে মান্যতা দিয়েও নির্বাচন নিয়ে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার সেই মামলার রায়ে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে আপাতত কোনও বাধা নয়। এই পর্যায়ে আদালত নির্বাচনে (Panchayet Election) কোনও বাধা দেবে না। তবে মামলাকারী চাইলে নতুন আবেদন করতে পারেন। নির্বাচনী আইন মেনে কমিশন যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

    আদালতের রায়

    রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালে তফসিলি জাতি এবং উপজাতির গণনা করা হলেও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র গণনা হয়নি। পাল্টা কমিশন বলেছিল, তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই গণনা করছেন। শুভেন্দু সেই প্রক্রিয়াকেও চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। মঙ্গলবার শুভেন্দুর সেই জনস্বার্থ মামলাটিই ওঠে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election) আগে মূলত দু’টি বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। অন্যটি ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর আর্জি জানিয়ে। এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, শুভেন্দু চাইলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়টি নিয়ে আলাদা মামলা করতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    জট আপাতত কাটল

    পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Election) ঘিরে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল,আদালতের এদিনের রায়ের পর সেই জট আপাতত কাটল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এক্ষেত্রে নিয়ম মেনে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার ক্ষেত্রে আপাতত কোনও বাধা থাকল না কমিশনের হাতে। রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উভয়ের ক্ষেত্রেই হাইকোর্টের এই রায় কিছুটা স্বস্তির বলেই মনে করা হচ্ছে। এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করার ইঙ্গিত রয়েছে কমিশনের দিক থেকে। আদালতের রায় প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, আদালতের রায়কে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। তবে আদালত মামলাকারীর আবেদন পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে এমন নয়। আদালত জানিয়েছে, মামলাকারী যদি পুনরায় আবেদন করতে চান, তা তিনি করতে পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নাম জড়াল গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূমে। তিনি তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা। তাঁর ছেলের চাকরি হয়েছে বরানগর পুরসভায়। আর সেটা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের হাত ধরে। এমনিতেই শাসক দলের নেতার পরিবার ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের চাকরি হয়েছে এই পুরসভায়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই পুরসভায় নিয়োগ হওয়ায় প্যানেল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এমনিতেই তৃণমূলের একটি অংশকে বাদ রেখে কয়েকজন মিলে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠন করে নিয়োগ করা হয়েছিল। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশ তাতে ক্ষুব্ধ ছিল। এবার অয়ন শীলের কোম্পানির হাত ধরে নিয়োগ হওয়া কর্মীদের তথ্য জানতে গিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। যদিও এই বিষয়ে বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই পুরসভায় নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে সব কিছু হয়েছে। যারা এই পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন নিজেদের যোগ্যতায় পেয়েছেন।

    বরানগর পুরসভায় নিয়মিত আসতেন অয়ন শীল! Anubrata Mondal

    এমনিতে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল। তবে, তাঁর নিত্য যাতায়াত ছিল বরানগর পুরসভায়। এমনিতেই টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির পাশাপাশি তাঁর পছন্দের লোকজনদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০১৭ সালে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগ হয়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে সমস্ত নিয়োগ হয়েছিল। প্রায় কয়েক হাজার চাকরি প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছিল। তারমধ্যে ১৭০ জনের চাকরি হয়। কিন্তু, চাকরি প্যানেলে দেখা যায়, বরানগর পুরসভার একাধিক কাউন্সিলারের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন। শুধু তাই নয় কামারহাটি পুরসভার দাপুটে তৃণমূল নেতার আত্মীয় বরানগর পুরসভায় চাকরি পান। আর তার বিনিময়ে বরানগর পুরসভার তৃণমূলের সামনের সারির এক নেতার পরিবারের লোকজন কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পান। আর এসবই নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে হয়েছে। এমনকী তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ছেলের চাকরিও হয় বরানগর পুরসভায়। অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তিনি বীরভূম জেলায় পরিচিত। তাই, ওই জেলায় চাকরি পাইয়ে দিলে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠতে পারে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় তৃণমূলের ওই নেতা বারাকপুর মহকুমা জুড়ে একাধিক গেট মিটিং করেছিলেন। নিজের প্রভাব বুঝিয়ে দেওয়ার পর অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তাঁর ছেলেকে বরানগর পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দেন। তাঁর ছেলে বরানগর পুরসভায় ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে চাকরি করছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। এখন বরানগরে ঘর ভাড়া করে পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন। ফলে, কলকাতা লাগোয়া পুরসভায় ছেলে চাকরি করায় এতদিন কেউ প্রশ্ন তোলেননি। নিয়োগ নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ আসায় বরানগর পুরসভায় তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। ইডি বা সিবিআই তদন্ত হতে পারে। তাই, পুরসভার পক্ষ থেকে আলাদা করে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ramnavami: রামনবমীতে তৈরি হচ্ছে তিনটে বিশেষ যোগ! জানুন পুজোর মাহাত্ম্য এবং শুভক্ষণ

    Ramnavami: রামনবমীতে তৈরি হচ্ছে তিনটে বিশেষ যোগ! জানুন পুজোর মাহাত্ম্য এবং শুভক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ মার্চ রামনবমী (Ramnavami)। চলতি বছরের রামনবমী অনেকগুলি কারণে বিশেষ। যেমন এবার রাম নবমীতে (Ramnavami) একসঙ্গে তিনটি যোগ হচ্ছে। সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ, অমৃত সিদ্ধি যোগ এবং গুরু পুষ্য যোগ। এই তিনটি যোগ খুবই শক্তিশালী। ব্যক্তিজীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। রাম নবমীর (Ramnavami) পুজো বা মন্ত্রসিদ্ধির জন্য এই যোগ অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

    ভগবান রামের জন্ম

    পুরাণ অনুযায়ী রমন্তে সর্বত্র ইতি রামঃ  যার অর্থ হল রাম যিনি সর্বত্র বিরাজ করেন। অযোধ্যার রাজা দশরথ ও রানি কৌশল্যার সন্তান রামচন্দ্র। পৌরাণিক মত অনুসারে, চৈত্রমাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে দেবতা রামের জন্ম হয়। ভক্তরা এই দিনটিকে রামের জন্মতিথি হিসাবে পালন করেন। ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার মানা হয় রামচন্দ্রকে। ভক্তদের বিশ্বাস, ভগবান বিষ্ণু বিভিন্ন সময় পৃথিবীতে মানব অবতার রূপে জন্ম নিয়েছিলেন অসুরদের অত্যাচার শেষ করার জন্য। লঙ্কার রাজা রাবণকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই রাম অবতার রূপে মর্তে আবির্ভূত হয়েছিলেন তিনি। রাবণ ছিলেন বরপ্রাপ্ত। ত্রিভুবন জয়ের ইচ্ছায় অনেক দেবতাকেও তিনি পরাস্ত করেন। তখনই ভগবান বিষ্ণু মানবরূপে আবির্ভূত হয়ে পৃথিবীতে ধর্মরক্ষার জন্য রাবণকে যুদ্ধে পরাজিত করেন। রামভক্তদের কাছে রামের এই বিজয়, ধর্মযুদ্ধে জয়ও বটে। তাই তাঁরা রামনবমীর দিনটিকে খুব নিষ্ঠা সহকারে পালন করেন।

    এ দিন পুজো করলে কী ফল মেলে

    বিশ্বাসমতে, এ দিন ভক্তি সহকারে পুজো করলে ভক্তদের মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়। শ্রীরামচন্দ্র তাঁর ভক্তদের সমস্ত সংকট থেকে রক্ষাও করেন। অনেক জায়গায় রামনবমীর (Ramnavami) দিন ভগবান রামের সঙ্গেই দেবী দুর্গারও পুজোও সম্পন্ন হয়। 

    সনাতন পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, চৈত্র মাসকে হিন্দু নববর্ষের সূচনা বলে মনে করা হয়। এই সময় নয় দিন ধরে দেবী দশভূজার পুজো করা হয়। এই পুজো বাসন্তী পুজো নামেও পরিচিত। নবম দিনটিকে বিশেষ বলে মনে করা হয়। এইদিন একদিকে যেমন মাতা সিদ্ধিদাত্রীর পুজো করেন ভক্তরা, তেমনি এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার হিসেবে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামেরও পুজো করা হয়। এই বছর ২০২৩ সালে, চৈত্র নবরাত্রি ২২ মার্চ ২০২৩ থেকে শুরু হয়েছে। 

    এবারের রাম পুজোর শুভক্ষণ

    নবমী তিথি শুরু: ২৯ মার্চ, ২০২৩, রাত ৯.০৭ মিনিট থেকে

    নবমী তিথি শেষ: ৩০ মার্চ, ২০২৩ রাত সাড়ে এগারোটায়

    রাম নবমী পুজোর মুহূর্ত

    রাম নবমী ২০২৩ অভিজিৎ মুহূর্ত: ৩০শে মার্চ, ২০২৩, সকাল ১১.১৭ মিনিট থেকে দুপুর ১.৪৬ মিনিট পর্যন্ত

    রাম নবমী ২০২৩ মোট পুজোর সময়কাল: ২ ঘন্টা ২৮ মিনিট

    রাম নবমী পুজো পদ্ধতি

    রাম নবমীর দিন সকালে তাড়াতাড়ি স্নান করুন এবং পরিষ্কার কাপড় পরিধান করুন। 
    দোলনায় ভগবান রামের শিশুরূপ রাখুন।
    একটি কলসির উপর আম পাতা এবং নারকেল রাখুন।
    ভগবান রামকে ধূপ, প্রদীপ, ফল, ফুল, বস্ত্র ও অলঙ্কার নিবেদন করুন।
    ভগবান রামের উদ্দেশ্যে মিষ্টি, ক্ষীর, হালুয়া, গুড় এবং চিনি নিবেদন করুন।
    শেষে বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করুন এবং ভগবান বিষ্ণুর আরতি করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

  • Sukanta Majumder: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumder: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিদিন ধর্ষণ, নারী নির্যাতন বেড়ে চলেছে, আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)।

    বিরোধী মুখ কে? 

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধী না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হবেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর মুখ, এই নিয়ে চরম দ্বন্দ্বে তৃণমূল! এ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, ‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে ভাইপোর হিল্লে হচ্ছে না, তাঁর চেয়ারে বসা হবে না।’ গত লোকসভা নির্বাচনে মমতাকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছিল তৃণমূল। কিন্তু এবারের বিরোধী  জোটে তৃণমূলের অবস্থান ঠিক কী হবে?

    সুকান্তর কটাক্ষ 

    এ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, “তৃণমূল কনফিউজড তারা বুঝতে পারছে না কী করবে। মমতা না রাহুল এর মধ্যে আটকে রয়েছে। তৃণমূলের ধরি মাছ না ছুঁই পানির মতো অবস্থা। তারা কখনও বিরোধীদের বৈঠকে যাচ্ছে, কখনও যাচ্ছে না। কখনও কংগ্রেসের গলা জড়িয়ে ধরছে কখনও সম-দূরত্ব বজায় রাখছে। ” এরপরই কটাক্ষের সুরে সুকান্ত জানান, “যতই আলাদা দেখান না কেন আসলে পর্দার পিছনে সবই এক। অধীর-মমতা কবে হাত ধরবেন, একসাথে আয় তবে সহচরী গাইবেন, বিজেপি দেখার জন্য মুখিয়ে আছে।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    রাজ্যে নারী নির্যাতন

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumder) আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ নারী নির্যাতনের হাব হয়ে গিয়েছে। কখনও নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ তো কখনও শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে খুন, প্রতিনিয়ত এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীও তা-ও রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এটা লজ্জার। এটা কখনও কেউ মেনে নেবে না। সেই জায়গায় থেকে সকলকে সমবেতভাবে এগিয়ে আসতে হবে, যাতে এমন ঘটনা না ঘটে। রাজ্যে যেভাবে নারীদের উপর অত্যাচার হচ্ছে তাতে একটা আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। রাজ্য সরকার এ বিষয়ে উদাসীন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
     

  • TMC: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    TMC: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যের প্রশাসন দলদাস হয়ে গিয়েছে বলে বিরোধীরা বার বার অভিযোগ করে। এবার বিরোধীদের সেই অভিযোগের সত্যতা মিলল পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম-১ ব্লকে। এই ব্লকের তৃণমূলের (TMC) সভামঞ্চে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এক আসনে বসে রয়েছেন কেতুগ্রাম-১ ব্লকের বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যাল। যুব তৃণমূল ও তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের ডাকে শহিদ মিনার চলো প্রস্তুতির সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ব্লকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে কেতুগ্রাম-১ নম্বর ব্লক অফিস চত্বরে পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে একটি সভা ঘর তৈরি করা হয়। এই সভাগৃহে শুধুমাত্র সরকারি অনুষ্ঠান হয়। আর সেখানেই দেখা গেল সরকারি অনুষ্ঠান না হয়ে, তৃণমূলের (TMC) রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ওই কর্মসূচিতে দেখা গেল খোদ কেতুগ্রাম -১ নম্বর ব্লকের বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যালকে। রাজনৈতিক ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ, বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতি রাজবিহারী হালদার। এই দুজনের পাশে বসে ছিলেন কেতুগ্রাম- ১ নম্বর ব্লকের বিডিও। তৃণমূলের (TMC) সেই সভামঞ্চে বিডিওর উপস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিডিও? TMC

    সভাগৃহে প্রচুর তৃণমূল (TMC)  কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। সভাগৃহের পিছনের দেওয়ালে বড় ফ্লেক্সে লেখা রয়েছে, শহিদ মিনার চলো। আর এই ফ্লেক্সের সামনেই বসে রয়েছেন বিধায়ক ও তৃণমূলের (TMC)  যুব বর্ধমানের নেতা রাজবিহারী হালদার এবং কেতুগ্রাম-১ নম্বর ব্লকের বিডিও। এই বিষয়টি জানাজানি হতেই বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যালের সাফাই, আসলে ওই সভাগৃহে সবসময় সরকারি অনুষ্ঠান হয়। সভাতে প্রধান, উপ প্রধানরা ছিলেন। সরকারি প্রকল্প নিয়ে প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রয়োজন ছিল। সেই মিটিং করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু, আমার পিছনে একটি দলের ফ্লেক্স লাগানো রয়েছে তা আমি দেখিনি। এটা আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। সরকারি সভাগৃহে রাজনৈতিক সভা হয় না, এখন প্রশ্ন তাহলে রাজনৈতিক সভা কি করে হল ওই সভাগৃহে? বিডিও এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? TMC

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ বলেন, সরকারি সভাগৃহে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি হয় না। কে বা কারা দলীয় ফ্লেক্স লাগিয়ে দিয়েছিল জানি না। আর বিডিও প্রধান, উপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করার সময় তৃণমূলের (TMC) দুজন নেতা সেখানে চলে আসে। আগামিদিনে ওই সভাগৃহে যাতে রাজনৈতিক অনুষ্ঠান না হয় তা দেখব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? TMC  

    বিজেপির জেলা নেতা কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, প্রশাসন আর তৃণমূল (TMC) যে এক হয়ে গিয়েছে তা এই ঘটনা প্রমাণ করে। আসলে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই, প্রশাসনকে ব্যবহার করে কী করে নির্বাচনী বৈতরনী পার হবে তার রণকৌশল ঠিক করা হচ্ছে। আর সরকারি ভবনে রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Knight Riders: রানাতেই ভরসা পণ্ডিতের! নীতীশকেই অধিনায়ক বাছল নাইটরা, প্রথম ম্যাচ কবে?

    Kolkata Knight Riders: রানাতেই ভরসা পণ্ডিতের! নীতীশকেই অধিনায়ক বাছল নাইটরা, প্রথম ম্যাচ কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তার পরই বেজে যাবে আইপিএলের দামামা। ৩১ মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে ষোড়শ সংস্করণ। প্রতিটা দলই নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়েছে। তবে, চোটের কারণে শ্রেয়স আয়ার আকস্মিকভাবে প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ায় শেষ বেলায় অধিনায়ক বাছতে হিমসিম খাচ্ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। তার ওপর দলের দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার শাকিব আল-হাসান ও লিটন দাসকে তাদের দেশের বোর্ড এখনও পর্যন্ত ছাড়পত্র না দেওয়ায় দল নিয়েও সমস্যায় নাইট শিবির। এই প্রেক্ষিতে সোমবার নতুন অধিনায়ক ঘোষণা করে দিল নাইটরা।

    নাইট-নেতৃত্বে (Kolkata Knight Riders) নীতীশ রানা

    শ্রেয়সের জায়গায় কে হবেন কেকেআর (Kolkata Knight Riders) অধিনায়ক? গত কয়েকদিন ধরেই ভেসে আসছিল একাধিক নাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ‘দ্রে রাস’ (দলে এই নামেই পরিচিত আন্দ্রে রাসেল) ও সুনীল নারিনের নাম যেমন অধিনায়কত্বের জন্য উঠে আসছিল, তেমনই শোনা যাচ্ছিল কিউয়ি অল-রাউন্ডার টিম সাউদি এবং বাংলাদেশি ব্যাটার লিটন দাসের নামও। যদিও, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দলের বাঁ-হাতি ব্যাটার নীতীশ রানাকেই দায়িত্ব দিল টিম ম্যানেজমেন্ট। 

    সোমবার এই মর্মে ঘোষণা করা হয় কেকেআর-এর (Kolkata Knight Riders) তরফে। কেকেআর তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা আশাবাদী যে শ্রেয়স আয়ার শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন। আইপিএলের এবারের আসরে অংশ নিতেও পারেন তিনি। আমরা ভাগ্যবান যে নীতীশের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা আছে। তিনি সাদা বলের ক্রিকেটে তার রাজ্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং ২০১৮ সাল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে রয়েছেন। তিনি ভালো কাজ করবেন।”

    ২০১৮ সাল থেকে কলকাতার জার্সিতে খেলছেন রানা। দলের ভেতরের খবর, কেকেআর (Kolkata Knight Riders) কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত এমন কাউকে চাইছিলেন অধিনায়ক করতে যিনি প্রথম থেকে দলটার সঙ্গে আছেন। সেক্ষেত্রে নীতীশই ছিল তাঁর প্রথম পছন্দ। বাঁহাতি রানা এখনও পর্যন্ত আইপিএলে ৯১ ম্যাচ খেলেছেন। মোট ২১৮১ রান করেছেন। গড় ২৯। ১৫টি হাফ সেঞ্চুরি আছে তাঁর। সর্বোচ্চ স্কোর ৮৭। ব্যাট করার পাশাপাশি প্রয়োজনে অফ স্পিন বল করতে পারেন।

    নাইটদের (Kolkata Knight Riders) শক্তিবৃদ্ধি

    প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই শক্তিবৃদ্ধি হল নাইটদের (Kolkata Knight Riders)। নিউজিল্যান্ড থেকে উড়ে এসে নাইট শিবিরে যোগ দিলেন দুই কিউয়ি— টিম সাউদি ও লকি ফার্গুসন। এই দুই বোলিং অল-রাউন্ডারের ওপর অনেকটাই ভরসা রাখছে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে, ফার্গুসনের চোট চিন্তায় রেখেছে নাইট শিবিরকে। এদিকে, লকি ফার্গুসনের আগমন নিয়ে একটি মজাদার ভিডিও প্রকাশ করেছে কেকেআর। তাতে দেখা যাচ্ছে, লকি বাজারে গিয়ে লাউ-এর খোঁজ করছেন। কিন্তু, কেন? আসলে লাউকে হিন্দিতে লকি বলে ডাকা হয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাজারে গিয়ে ফার্গুসন বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করছেন, ‘‘লকি কহাঁ মিলেগা?’’

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Kolkata Knight Riders (@kkriders)

    নাইটদের (Kolkata Knight Riders) প্রথম প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব

    আইপিএলের ১৬তম আসর শুরু হবে ৩১ মার্চ। প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্সের কথা বললে, তারা পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ১ এপ্রিল মোহালিতে তাদের অভিযান শুরু করবে। এর জন্য বুধবারই পাঞ্জাবের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে নাইটরা। মঙ্গলবার সে কারণে অনুশীলনে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে।

    নতুন মরশুমে নতুন জার্সি নাইটদের (Kolkata Knight Riders) 

    গতকালই কেকেআর নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় আসন্ন মরশুমের জার্সি প্রকাশ্যে আনল। নাইটদের জার্সির কারুকার্য হালকা বদলালেও তাঁদের জার্সির রং কিন্তু বদলায়নি। আবারও নাইটদের জার্সিতে বেগুনি ও সোনালির মেলবন্ধনই চোখে পড়বে। নাইটদের জার্সি প্রকাশের ভিডিওতে আন্দ্রে রাসেল, নীতীশ রানা, বেঙ্কটেশ আইয়ারদের দেখা যায়। সকলকেই নতুন মরশুমের আগে এই ভিডিওতে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখায়।

    নাইটদের (Kolkata Knight Riders) খেলা কবে

    হোম ম্যাচ (ইডেন)

    ৬ এপ্রিল ৭.৩০ রয়্যাল‌ চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর
    ১৪ এপ্রিল ৭.৩০ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
    ২৩ এপ্রিল ৭.৩০ চেন্নাই সুপার কিংস
    ২৯ এপ্রিল ৩.৩০ গুজরাট টাইটান্স
    ৮ মে ৭.৩০ পাঞ্জাব কিংস
    ১১ মে ৭.৩০ রাজস্থান রয়্যালস
    ২০ মে ৭.৩০ লখনউ সুপারজায়ান্টস

    অ্যাওয়ে ম্যাচ

    ১ এপ্রিল ৩.৩০ পাঞ্জাব কিংস
    ৯ এপ্রিল ৩.৩০ গুজরাট টাইটান্স
    ১৬ এপ্রিল ৩.৩০ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 
    ২০ এপ্রিল ৭.৩০ দিল্লি ক্যাপিটালস 
    ২৬ এপ্রিল ৭.৩০ রয়্যাল‌ চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর
    ৪ মে ৭.৩০ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
    ১৪ মে ৭.৩০ চেন্নাই সুপার কিংস

  • Draupadi Murmu: সকালে বেলুড়মঠে, দুপুরে শান্তিনিকেতনে রাষ্ট্রপতি! কড়া নিরাপত্তা কলকাতা থেকে বোলপুরে

    Draupadi Murmu: সকালে বেলুড়মঠে, দুপুরে শান্তিনিকেতনে রাষ্ট্রপতি! কড়া নিরাপত্তা কলকাতা থেকে বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার শান্তিনিকেতন (Santiniketan) যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সেখানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তবে তার আগে মঙ্গলবার সকালে বেলুড় মঠে যেতে পারেন তিনি। রাষ্ট্রপতির বেলুড় মঠ সফরের আগেই বালি বেলুড় অঞ্চল সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে।

    বেলুড় মঠ থেকে শান্তিনিকেতন

    বেলুড় মঠ সূত্রে খবর, ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মূল মন্দির, মা সারদা দেবীর মন্দির সহ স্বামীজি ও ব্রহ্মান্দজীর মন্দির পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি অধ্যক্ষ মহারাজের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল ন’টা থেকে সাড়ে ন’টা পর্যন্ত মঠেই থাকার কথা রাষ্ট্রপতির। এরপর শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। কলকাতা থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় এদিন বেলা ১২টা নাগাদ শান্তিনিকেতনে পৌঁছবেন রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu)। এরপর ঘুরে দেখবেন রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। মধ্যাহ্নভোজনে রাষ্ট্রপতির জন্য বিশেষ বাঙালি পদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা

    আজ, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva Bharati University) ঐতিহ্যবাহী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  তাঁর নিরাপত্তা (security) সুনিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার যখন নামবে, মঙ্গলবার সেইসময় বা তার আগে আশেপাশের সমস্ত বাড়িতে ছাদে ওঠা যাবে না। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় এই নির্দেশ নিয়ে বলেন, “কেবলমাত্র হেলিপ্যাড সংলগ্ন বাড়িগুলির ছাদে কাপড় মেলতে বা সেখানে গিয়ে কাউকে দাঁড়াতে বারণ করা হয়েছে। কারণ, কোনওভাবে যদি হাওয়ায় কাপড় উড়ে গিয়ে হেলিকপ্টারে লেগে যায়, তাহলে বড়সড় অঘটন ঘটতে পারে। তাই রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার খাতিরে এই নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে। শান্তিনিকেতনের মানুষজন নিশ্চয়ই আমাদের এ বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।”

    আরও পড়ুন: তিহাড় জেলের হাসপাতালে ভর্তি কেষ্ট, সিবিআইয়ের তলব বীরভূমের চালকল মালিককে

    বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, বিশ্বভারতীর বিনয় ভবন মাঠেই মঙ্গলবার নামবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টার। ইতিমধ্যে সেখানে একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহরকে। চতুর্দিকে অসংখ্য সিসি ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে। শুরু হয়েছে নজরদারিও। আজ, শান্তিনিকেতনে পৌঁছনোর পর প্রথমে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। মেনুতে থাকছে ভাত, দেশি ঘি, পোস্তর বড়া, কয়েক রকমের ভাজা। এছাড়া মুগের ডাল, সবজি, পনির, মাশরুম, পাঁপড়…পুরোটাই নিরামিষ। এছাড়া বিদেশি কিছু নিরামিষ পদেরও আয়োজন করা হয়েছে। তারপর আড়াইটে নাগাদ রবীন্দ্র ভবনের উদয়ন, কোর্নাক, শ্যামলী, পুনশ্চ, উদীচি— রবীন্দ্রনাথের এই পাঁচটি বাড়ি পরিদর্শনের পর কলাভবন ঘুরে দেখবেন তিনি। দুপুর ৩টেয় আম্রকুঞ্জের জহরবেদিতে বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। এদিনের সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share