Blog

  • Calcutta High Court: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের রক্ষাকবচ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের রক্ষাকবচ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার পর পুলিশের দায়ের করা মামলায় ২৩ জন বিজেপি কর্মীকে রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। দিনহাটার বুড়িরহাটে  ওই ঘটনায় ৪৮ জন বিজেপি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ। তার মধ্যে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বিজেপির দাবি নিশীথের কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল তৃণমূল।

    কী বলল আদালত

    নিশীথের কনভয়ে আক্রমণ নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করা হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন ডিভিশন বেঞ্চ জনস্বার্থ মামলার রায় না দেওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এর পাশাপাশি বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীরাও দিনহাটা মহকুমার বাইরে বেরোতে পারবেন না। ২৯ মার্চ পর্যন্ত ২৩ জন বিজেপি কর্মীর এই রক্ষাকবচ থাকবে। আগামী ৩০ মার্চ আদালতে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী ঘটেছিল

     গত ২৬  ফেব্রুয়ারি নিশীথ প্রামাণিকের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে দিনহাটায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমা, গুলি ছোড়া হয়। দিনহাটার বুড়িরহাট এলাকায় তাঁর কনভয়ে পৌঁছতেই তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে কালো পতাকা দেখান। সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে বচসা বাধে৷ সেখান থেকে শুরু হয় হাতাহাতি৷ তবে অভিযোগ ওঠে, বিজেপি সমর্থকদের হেনস্থা করেছে পুলিশ। পাল্টা তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হয় বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু, বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি দীপা চক্রবর্তী, মহিলা মোর্চার জেলা সভাপতি অর্পিতা নারায়ণ, দিনহাটার বিজেপি নেতা অজয় রায়, জয়দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: দুই বছরের জেল রাহুল গান্ধীর! ‘মোদি’ পদবী নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত

    এই ঘটনায় মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলার শুনানিতে হলফনামা তলব করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Partha Chatterjee:  ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    Partha Chatterjee: ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার চোর, চোর স্লোগান শুনলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা সাসপেন্ডেড তৃণমূল (TMC) নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় বৃহস্পতিবার পার্থকে তোলা হয় আদালতে। গাড়ি থেকে পার্থ নামতেই উপস্থিত জনতা স্লোগান দেয়, চোর, চোর। ওঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত, ওঁর ফাঁসি হওয়া উচিত।

    এই পার্থ (Partha Chatterjee) চোর…
    নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে এদিন আলিপুর সিবিআই আদালতে শুনানি ছিল পার্থ সহ সাতজনের। পার্থকে আদালতে নিয়ে আসা হয় আলাদা একটি গাড়িতে করে। গাড়ি থেকে চেক কাটা পাঞ্জাবি পরা পার্থ নামতেই জনতা স্লোগান দিতে থাকে, এই পার্থ চোর, এই চোর পার্থ। মাথা নিচু করে হেঁটে পার্থ (Partha Chatterjee) সোজা ঢুকে যান আদালতে। এই সময় জনতার একাংশকে বলতে শোনা যায়, ওঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত, ওঁর ফাঁসি হওয়া উচিত। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও জোকা ইএসআই হাসপাতালে কিংবা ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চত্বরে পার্থকে দেখে চোর স্লোগান দিয়েছিল উপস্থিত জনতা। এদিন আলিপুরও দেখল একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

    এদিন জনতার মধ্যে থাকা এক ব্যক্তি পার্থর বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা চালান করার অভিযোগও করেন। এর আগে পার্থকে লক্ষ্য করে জুতোও ছোড়া হয়েছিল। অন্যদিন প্রতিক্রিয়া না দিলেও, এদিন দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ঘনিষ্ঠ মহলে সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা (Partha Chatterjee) বলেন, চোর হলে এক জায়গায় পাঁচবার জিততাম না। সৎ না হলে আমাকে মানুষ পাঁচ বার জেতাতেন না। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাঁরা আমাকে জানেন তাঁরা আমায় চোর বলবেন না। বেহালার মানুষ আমাকে চোর বলতে পারেন না। তিনি বলেন, ভেবেছিলাম, চুপ থাকব। কিন্তু চুপ থাকতে দেবে না।

    আরও পড়ুুন: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    নিয়োগ দুর্নীতির কেলেঙ্কারির দায় এদিন পার্থ (Partha Chatterjee) চাপাতে চেয়েছেন বিরোধীদের ঘাড়ে। উপস্থিত জনতার মুখে চোর স্লোগান শুনে সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা বলেন, আমি দুর্নীতি করতে চাইনি। শুভেন্দু, দিলীপ, সুজন উত্তরবঙ্গে অনেক তদ্বির করেছিলেন। আমি বরং বলেছিলাম, আমি নিয়োগকর্তা নই, কিছু করতে পারব না। এদিন পার্থর সঙ্গেই আদালতে পেশ করা হয় বারাসতের শিক্ষক তথা নিয়োগ কেলেঙ্কারির অন্যতম চাঁই তাপস মণ্ডলকে। অয়ন শীলকে নিয়ে প্রশ্ন করায় তনি বলেন, ম্যাজিশিয়ান কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞেস করুন।ও সব জানে। সুবীরেশ সহ বাকিদেরও এদিন আদালতে তোলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • ED: অয়নের ছেলে ও তাঁর বান্ধবীর নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি! কোথায় জানেন?

    ED: অয়নের ছেলে ও তাঁর বান্ধবীর নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের ছেলে অভিষেক শীল ও তাঁর বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য। অয়ন প্রোমোটারির পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে আর্থিকভাবে ফুলেফেঁপে ওঠে। চাকরি বিক্রি করেই সে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে বলে তদন্তে নেমে ইডি (ED) জানতে পেরেছে। আর এই কোটি কোটি টাকা সে সিনেমা, সিরিয়ালেও ঢেলেছে। ইতিমধ্যেই শ্বেতা চক্রবর্তী তাঁর হাত ধরেই রুপোলি জগতে পা রেখেছিলেন। এবার হুগলির গুরাপে অয়নের পেট্রল পাম্পের হদিশ পেল ইডি (ED) ।

    কত টাকায় কেনা হয়েছিল পেট্রোল পাম্প? ED

    ইডি (ED)  সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে গুড়াপের এই পাম্পটি চালান অয়নের ছেলে অভিষেক শীল। এই পাম্পের পার্টনার ইমন গঙ্গোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে কলকাতার বিডন স্ট্রিটের বাসিন্দা নন্দদুলাল শুক্লা, অজয় শুক্লা এবং আশিস শুক্লার কাছে থেকে ১ কোটি টাকায় গুড়াপে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ৩ বিঘা জমির উপর পেট্রল পাম্পটি কেনা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে শুক্লা পাম্প হিসেবে পরিচিত ছিল। এই পাম্পের পাশাপাশি অভিষেক ও ইমনের নামে কলকাতার বন্ডেল রোড উপর ফসিলস নামে একটি অফিস রয়েছে। সেই সম্পত্তির দামও অনেক। এছাড়া অভিষেক ইমনের নামে যৌথভাবে আরও কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছে বলে ইডি (ED)  জানতে পেরেছে। এই ইমন হচ্ছে অভিষেকের বান্ধবী। আইন পড়ার সময় তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে, সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। কারবারের টাকা অভিষেকের বান্ধবী ইমনের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ইডির তরফে যে ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে তার মধ্যে তিনটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে এই শুক্লা সার্ভিস স্টেশনের নামে গুড়াপের ওই পেট্রল পাম্পও রয়েছে। ইডি-র মতে ইমন ও অভিষেকের যৌথ সংস্থা এবং পেট্রল পাম্পের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির কয়েক কোটির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। তার জন্যে অয়ন শীলের নির্দেশে দক্ষিণ কলকাতার অফিস খুলেছিলেন অভিষেক ও তাঁর বান্ধবী। যদিও সেই অফিস দীর্ঘদিন বন্ধ বলেই খবর।

    অয়নের ছেলের বান্ধবী ইমনকে নিয়ে কী বললেন প্রতিবেশীরা? ED

     অয়নের ছেলে অভিষেক শীলের সংস্থার অংশীদার রয়েছে তাঁর বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে। এই ইমনের বাড়ি হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভার অমরেন্দ্র সরণির দাশরথি আবাসনে। ওই আবাসনের দোতলায় ২০২ নম্বর ফ্ল্যাটটি ইমনের বাবা বিভাস গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে রেজিস্ট্রার রয়েছে। বিভাসবাবু পেশায় আইনজীবী। বাবার সঙ্গে ওই আবাসনেই থাকেন ইমন। বুধবার থেকে বাইরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কেউ কথা বলেননি। এমনকী কাজের মেয়েকেও বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দেননি। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার কারও সঙ্গে সেভাবে মিশত না। মাঝে মধ্যে ইমনকে আইনজীবীর পোশাক পড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে চলে যেতে দেখা যেত। কখনও কখনও রাত করেও বাড়ি ফিরতে দেখা গিয়েছে। ইমনও খুব কম কথা বলত। তবে, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত অয়নের ছেলের বান্ধবীর বিষয়টি  জানাজানি হতেই হতবাক এলাকাবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Myanmar: অনিরুদ্ধ থাপার দুরন্ত শট! ইম্ফলে মায়ানমারকে ১-০ গোলে হারাল ভারত

    India vs Myanmar: অনিরুদ্ধ থাপার দুরন্ত শট! ইম্ফলে মায়ানমারকে ১-০ গোলে হারাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিরো ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে জয় পেল আয়োজক ভারত। বুধবার ইম্ফলে মায়ানমারকে ১-০ গোলে হারাল ইগর স্টিমাচের দল। ভারতের পক্ষে এক মাত্র গোলটি করেন অনিরুদ্ধ থাপা। বুধবার ইম্ফলের খুমান লম্পক স্টেডিয়ামে প্রায় ৩০ হাজার সমর্থকের সামনে ভারত দাপুটে ফুটবল খেলে। তবে গোলের একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করে মাত্র এক গোলে জয় পায় সুনীল ছেত্রীরা। সারা ম্যাচে ভারত যেখানে ছ’টি গোলমুখী শট নেয়, সেখানে মায়ানমারের দু’টি শট ছিল গোলে। অমরিন্দর সিং দুর্দান্ত দক্ষতায় অবধারিত একাধিক গোল বাঁচাতে না পারলে ‘ক্লিন শিট’ রেখে মাঠ ছাড়া হত না ভারতের।

    অনিরুদ্ধের গোল

    শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলেন ভারতীয় ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের এক্সট্রা স্টপেজ টাইমে ভারতের হয়ে এক মাত্র গোলটি করেন চেন্নাই এফসির ফুটবলার অনিরুদ্ধ। রাহুল ভেকের ক্রশ থেকে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পান অনিরুদ্ধ। গোলে বল ঠেলতে ভুল করেননি তরুণ ফুটবলার। এই নিয়ে ভারতের হয়ে চতুর্থ গোল করলেন ২৫ বছর বয়সি থাপা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অনিরুদ্ধের নেওয়া ফ্রি কিক থেকে গোল করার ভাল সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় দল। কিন্তু জ্যাকসনের হেড বাইরে চলে যায়। এর চার মিনিট পরেই অনিরুদ্ধের পাশ থেকে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল। ৩২ মিনিটেও গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন সুনীল। কিন্তু তাঁর শটটি ঠিক মতো না হওয়ায় প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক সহজেই আটকে দেন। ৪২ মিনিটেও বক্সের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে সুযোগ নষ্ট করে ভারতীয় দল।

    আরও পড়ুন: ব্যাটে-বলে ভারতকে টেক্কা! ২১ রানে তৃতীয় একদিনের ম্যাচ জিতে ২-১-এ সিরিজ জয় অস্ট্রেলিয়ার

    গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল শোধের সুযোগ পেয়ে যায় মায়ানমার। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেনি তারা। এদিন সুনীল ছেত্রীকে কড়া পাহাড়ায় রাখেন মায়ানমারের ডিফেন্ডাররা। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে মায়নমারের খেলোয়াড়দের বেশ ক্লান্ত দেখায়। ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে ডানদিক থেকে হাওয়ায় ভাসানো মাপা ক্রস পাঠিয়ে ঋত্বিককে গোলের সুযোগও তৈরি করে দেন মনবীর। কিন্তু ঠিকমতো বল নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি তিনি। ভারতীয় দলের সকলেই আইএসএল খেলতে ব্যস্ত ছিলেন নিজের নিজের ক্লাবের হয়ে। মাত্র দু’দিন গোটা দলকে এক সঙ্গে পান কোচ স্টিমাচ। স্বাভাবিক ভাবেই ফুটবারদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি হয়নি। তারই খেসরাত দিতে হল এদিন। এক গোলে জয় পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল ভারতকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: আইএসআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবে অশান্তি বাঁধানোর ছক, অমৃতপালের ছিল মহিলা ‘আসক্তি’ও!

    Amritpal Singh: আইএসআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবে অশান্তি বাঁধানোর ছক, অমৃতপালের ছিল মহিলা ‘আসক্তি’ও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গুরু’ জার্নেল সিংহ ভিন্দ্রানওয়ালের মতোই পাকিস্তানের (Pakistan) গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবজুড়ে অশান্তি বাঁধানোর ছক কষেছিলেন পলাতক খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। অমৃতপাল আইএসআইয়ের মদতে পাক সীমান্তে অস্ত্র এবং মাদক চোরাচালানে জড়িত ছিলেন বলেও গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে। অমৃতপালের নির্দেশেই অমৃতসরের জল্লুপুর খেরা এলাকায় একটি অনুমোদনহীন রিহ্যাব সেন্টার খুলেছিলেন তিনি। সেখানে তরুণদের জেহাদির মন্ত্রে দীক্ষিত করা হত। এলাকার একটি গুরুদ্বারেও অস্ত্র মজুত করার ব্যবস্থা করেছিলেন ওয়ারিস পঞ্জাব দে-র শীর্ষ নেতা।

    অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)…

    বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ভিন্দ্রানওয়ালের মতোই স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান জানিয়ে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করতেন অমৃতপাল (Amritpal Singh)। সংগঠনের কোনও কমিটিতেই আয়ব্যয়ের হিসেব দেওয়া হত না। পাকিস্তান থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, রসদ ও মাদক পাচ্ছিলেন অমৃতপাল। গোয়েন্দাদের অনুমান, গত এক বছরে সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে মাদকের চোরাচালান বেড়ে যাওয়ায় অমৃতপালের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। ভারতে কৃষক আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে যোগ দিয়েছিলেন অমৃতপাল। পরে পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে চলে যান দুবাইয়ে। এই দুবাই আইএসআইয়ের অন্যতম বড় ঘাঁটি। কৃষি আন্দোলনে তাঁর বড় ভূমিকা দেখে অমৃতপালকে বেছে নেয় আইএসআই। জানা গিয়েছে, অতীতের খালিস্তানি আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনও সম্পর্ক ছিল না অমৃতপালের। আইএসআইয়ের সংস্পর্শে এসেই তিনি খালিস্তানি আন্দোলন নিয়ে প্রচার শুরু করেন দুবাইয়ে।

    আরও পড়ুুন: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    গোয়েন্দাদের দাবি, অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিতে অমৃতপালকে আইএসআই পাঠিয়েছিল জর্জিয়ায়। পরে পাঠানো হয় ভারতে। এখানেই রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে চলত জেহাদি বানানোর প্রশিক্ষণ। নেশা ছাড়তে যাঁরা আসতেন, তাঁদের বাধ্য করা হত ওয়ারিস পঞ্জাব দে-র কর্মসূচিতে যোগ দিতে। এহ বাহ্য। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, একাধিক মহিলার সঙ্গে পরকীয়া করতেন অমৃতপাল (Amritpal Singh)। ভিডিও কলে দিতেন কুপ্রস্তাব। নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে মহিলাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেন তিনি। নামহীন সম্পর্কে জড়ানোর প্রস্তাবও দিতেন তাঁদের। বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত সকলের সঙ্গেই শুধুমাত্র শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হতে চাইতেন ওয়ারিস পঞ্জাব দে সুপ্রিমো। নেট মাধ্যমে মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে ভয়ও দেখাতেন তিনি। মহিলাদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের কিছু অংশ এবং ভয়েস নোট প্রকাশ্যে আসায় জানা গিয়েছে অমৃতপালের মহিলা-সঙ্গ-প্রীতির কথা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Indian High Commission London: ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়ার জের! লন্ডনে কড়া নিরাপত্তা ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে

    Indian High Commission London: ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়ার জের! লন্ডনে কড়া নিরাপত্তা ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian High Commission London) পতাকা নামিয়ে নিয়েছিলেন খালিস্তানপন্থীরা। তার জেরে ভারতীয় (India) হাইকমিশনের সামনে আরও আঁটসাঁট করা হল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বুধবার বিকেলে ব্যারিকেড দিয়ে মুড়ে ফেলা হয় ভারতীয় হাইকমিশন। মোতায়েন করা হয় পুলিশ আধিকারিক ও টহলদার পুলিশকর্মীদের।

    খালিস্তানের পক্ষেও স্লোগান…

    এদিকে, এদিন দুশোরও বেশি খালিস্তানপন্থী সান ফ্রান্সসিসকোতে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে খালিস্তানের পতাকা দেখাতে থাকেন। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা খালিস্তানের পতাকা ওড়াতে থাকেন। খালিস্তানের পক্ষেও স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, রবিবার লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian High Commission London) অফিসে ভারতের জাতীয় পতাকা নামিয়ে দেন সে দেশে বসবাসকারী খালিস্তানপন্থীরা। তার জেরে দু দেশের মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত হয়। ঘটনার জেরে ব্রিটেনকে কড়া বার্তা দেয় ভারত। তার ফলে লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশন অফিসে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে ব্রিটিশ সরকার।

    ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসে ভারতের জাতীয় পতাকা নামিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে সোম ও মঙ্গলবার দিল্লিতে ব্রিটিশ হাইকমিশন অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি ও শিখদের কয়েকটি সংগঠন। সেদিন বিক্ষোভকারীদের রুখতে হাইকমিশন অফিস ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাড়ির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। সিমেন্টের ব্লক দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল ব্রিটিশ দূতাবাস ও দূতের বাড়ি। মোতায়েন করা হয়েছিল বাড়তি পুলিশও। বুধবার সিমেন্টের ব্লক সরিয়ে দিয়ে নিরাপত্তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: পাক-সীমান্তে সারদা মন্দির উদ্বোধন অমিত শাহের, দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি

    কূটনৈতিক মহলের ধারণা, রবিবার যেভাবে বিনা বাধায় খালিস্তানপন্থীরা লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনে তাণ্ডব চালিয়েছেন, তা ভালভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। তাণ্ডব চালানোর সময় খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের সমর্থকরা দূতাবাসে (Indian High Commission London) টাঙানো ভারতের জাতীয় পতাকা খুলে নেন। তার পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয় ভারতের তরফে। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, দিল্লির ব্রিটিশ হাইকমিশনের সামনে থেকে ব্যারিকেড তুলে নেওয়া তারই প্রতিক্রিয়া।

    গত শনিবার থেকে খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপালকে ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে পঞ্জাব পুলিশ। তাঁর সংগঠন ওয়ারিস পঞ্জাব দে-র সঙ্গে যুক্ত শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার মধ্যে অমৃতপালের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনও রয়েছেন। তবে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এখনও অধরা অমৃতপাল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Sukanta Majumdar: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল। এই অয়নের সংস্থার মাধ্যমেই রাজ্যের ৬০ পুরসভায় কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে ইডির তদন্তে। তার জেরে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি দিলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। চিঠিতে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। অবিলম্বে কেন্দ্রের তহবিলের টাকা দেওয়া বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন ওই চিঠিতে। প্রসঙ্গত, এর আগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চিঠি পেয়ে পদক্ষেপ করেছিল কেন্দ্র। মিড-ডে মিল ও আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় দল।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) জানান, নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দেশের পুরসভাগুলিকে টাকা দেয়। এ রাজ্যের পুরসভাগুলিও টাকা পায় কেন্দ্র থেকে। তাই এ ব্যাপারে কেন্দ্রের অবগত থাকা উচিত। সুকান্ত বলেন, ৬০টি পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের টাকা না দিয়ে কেউ চাকরি পায়নি, একজনও নয়। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত। কেন্দ্রের কাছে তদন্তের টিম পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

    অয়নকে গ্রেফতার করার পরেই ইডির হাতে এসেছে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য। ঝাড়ুদার থেকে ক্লার্ক, পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দিতে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হত। অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের মাধ্যমে একাধিক পুরসভায় চুক্তি হত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই অয়নের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরসভার পরীক্ষার ওএমআর শিট।

    আরও পড়ুুন: ইডির দফতরে হাজিরা শান্তনু ঘনিষ্ঠ আকাশের! আর কী কী তথ্য পেল তদন্তকারীরা?

    অয়নের মামলা চলাকালীন আদালতে ইডি জানিয়েছে, অয়নের সংস্থার মাধ্যমে রাজ্যের ৬০টিরও বেশি পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আর সেই সবকটি ক্ষেত্রেই হয়েছে দুর্নীতি। প্রায় ৫ হাজার প্রার্থীর চাকরির ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। কামারহাটি, হালিশহর, পানিহাটি, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম, ডায়মন্ড হারবার সহ বিভিন্ন পুরসভার নাম রয়েছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তালিকায়। প্রশ্ন হল, কলকাতা পুরসভায় নিয়োগেও কি অয়ন প্রভাব খাটিয়েছিল? কারণ, ইডির সিজার লিস্টে উল্লেখ রয়েছে, অয়নের অফিসে তল্লাশির সময় মিলেছে কলকাতা পুরসভাকে দেওয়া একটি চিঠির কপি। চিঠিটি লিখেছেন একজন চাকরিপ্রার্থী। একটি ড্রাফট লেটারও উদ্ধার হয়েছে। প্রণব নামে কেউ একজন ওই চিঠি পাঠিয়েছেন পুরসভার মেয়রকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্যে এখন তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশে, দুর্নীতিতে (Scam)  জড়িত থাকার অভিযোগে একের পর এক শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। নতুন করে আরও অনেকের চাকরি যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়ে সুপারিশ করেছিলেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এমনিতেই নিয়োগ  দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন জেলে রয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী  থাকার সময় বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজের প্যাডে লিখে তাদের চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া চিঠিতে কী রয়েছে? (Scam)

    তৃণমূল বিধায়ক ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন। বিধায়কের প্যাডে চিঠি লেখা হয়েছিল। চিঠিতে  তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করা হয়, তাঁর মনোনীত ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকার পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। ওই প্যাডে ছেলেমেয়েদের নাম, রোল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য দেওয়া রয়েছে। চিঠির নীচে বিধায়কের সই এবং স্ট্যাম্প দেওয়া রয়েছে। দুর্নীতিকাণ্ড সামনে আসতেই তৃণমূল বিধায়কের এই চিঠি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। চিঠির বিষয়টি সামনে আসতেই বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। বিস্তারিত জেনে এব্যাপারে বলতে পারব।

    চিঠি নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা? Scam

    বিজেপির বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) যে ভাবে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি যাচ্ছে তাতে সারা দেশের কাছে এই রাজ্যের শিক্ষার মান একেবারে তলানিতে নামিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক যে ১১ জনের নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করেছিলেন, কত টাকার বিনিময়ে তাদের চাকরি হয়েছে তা সকলেই জানতে চায়। মেধাবীদের বাদ দিয়ে এভাবে ঘুর পথে কাটমানির বিনিময়ে চাকরির সুপারিশের আমরা তীব্র নিন্দা করছি। আর এই ঘটনায় তদন্তের দাবি করছি।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi:  দুই বছরের জেল রাহুল গান্ধীর! ‘মোদি’ পদবী নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত

    Rahul Gandhi: দুই বছরের জেল রাহুল গান্ধীর! ‘মোদি’ পদবী নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে রাহুল গান্ধী। নরেন্দ্র মোদির পদবী নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে গুজরাটের সুরাট জেলা আদালত রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করল। চার বছর পুরনো মামলায় তাঁকে দু’বছর জেলের সাজা ঘোষণা করা হয়। সাজা ঘোষণার পরই জামিনের আবেদন করেছিলেন রাহুল। তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

    কী ঘটেছিল

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাফাল দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাহুল। সেই সময় কর্নাটকের কোলারে প্রচারে গিয়ে রাহুল প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘‘সব চোরেদের পদবি ‘মোদি’ হয় কেন?’’ আইপিএল কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ললিত মোদি, ব্যাঙ্ক-ঋণ মামলায় ‘পলাতক’ নীরব মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুলনা টেনেছিলেন তিনি।

    ওই ঘটনায় রাহুলের বিরুদ্ধে ‘পদবি অবমাননার’ অভিযোগে মানহানির মামলা করেছিলেন গুজরাটের বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদি। সেই মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত হলেন রাহুল।  বৃহস্পতিবার আদালতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন রাহুল। তাঁর উপস্থিতিতেই রায় দেয় আদালত। তবে ৩০ দিনের জন্য জামিন মঞ্জুর হয়েছে রাহুলের। জেলা আদালতের রায়কে তার মধ্যে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন তিনি। আদালত দু’বছরের সাজা শুনিয়েছে রাহুলকে। এর ফলে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হতে পারে।

    আরও পড়ুন: একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

    এর আগে, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এই মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন রাহুল। নিজের বয়ান রেকর্ড করেছিলেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ এবং ৫০০ ধারায় রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিরোধিতাই করেন রাহুল। এদিন রাহুলের আইনজীবী কিরীট পানওয়ালা দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের মন্তব্যে কারও ক্ষতি হয়নি। তাই তাঁর সাজার মেয়াদ কমানো হোক।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Sharada Temple: পাক-সীমান্তে সারদা মন্দির উদ্বোধন অমিত শাহের, দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি

    Sharada Temple: পাক-সীমান্তে সারদা মন্দির উদ্বোধন অমিত শাহের, দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন, শুক্লা প্রতিপদের পুণ্য তিথিতে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়াড়া জেলার টিটওয়াল গ্রামে দেবী সারদার একটি মন্দির (Sharada Temple) উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত সারদা পীঠের ইতিহাস

    পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে মুজফফ্‌রাবাদ থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে নীলম উপত্যকায় রয়েছে ১৮টি মহাশক্তি পীঠের একটি সারদা পীঠ (Sharada Temple) এবং সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ। ষষ্ঠ থেকে বারোশো শতকের মাঝে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির বিশ্ববিদ্যালয়। সুলতানি এবং মোগল আমলে এশিয়ার অন্যতম সেরা সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র ছিল এই সারদা পীঠ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। নালন্দা-তক্ষশীলার থেকেও প্রাচীন ওই বিশ্ববিদ্যালয়টি পরবর্তী সময়ে বিদেশি হানাদারদের হামলায় ধ্বংস হয়ে যায়। 

    আরও পড়ুন: একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

    নিয়ন্ত্রণরেখার এত কাছে মন্দির!

    এক সময়ে সারদা পীঠের উদ্দেশে তীর্থযাত্রা শুরু হত আজকের টিটওয়াল গ্রাম থেকে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার ঠিক পরেই পাক হামলায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় টিটওয়ালের সারদা মন্দির এবং গুরুদ্বার। প্রায় তখন থেকেই ওই এলাকায় ওই মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিল উপত্যকার পণ্ডিত সমাজ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ওই মন্দিরের ধাঁচেই কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার টিটওয়াল গ্রামে নিয়ন্ত্রণরেখা ঘেঁষে তৈরি হয়েছে সারদা মন্দির (Sharada Temple)। স্বাধীনতার পর প্রথমবার নিয়ন্ত্রণরেখার এতো কাছে তৈরি করা হয়েছে হিন্দু মন্দির। 

    ভার্চুয়ালি মন্দির উদ্বোধন করলেন অমিত শাহ

    সম্প্রতি, এই মন্দিরের পুনর্নির্মানের কাজ শেষ হয়। বিগ্রহ তৈরি হয় কর্নাটকে। সারদা হল দেবী সরস্বতীর অপর নাম। দেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ তিথিকেই বেছে নিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারণ, এদিন থেকেই শুরু হয়েছে হিন্দু নববর্ষ। বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত ওই মন্দিরটির (Sharada Temple) উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহ বলেন, ‘‘৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পরে কাশ্মীরের পরিস্থিতি যে শান্ত হয়েছে, তা সীমান্ত এলাকায় ওই মন্দির নির্মাণ থেকেই স্পষ্ট। এই মন্দিরের উদ্বোধন একটি নতুন ভোরের সূচনা করল। এটা পুরাতন সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার সূচনা। নতুন বছর থেকে মাতা সারদার মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল।’’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘শাহি’-প্রতিশ্রুতি

    শাহ আরও জানান, নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে যে সারদা মন্দির (Sharada Temple) রয়েছে, কর্তারপুর করিডরের ধাঁচে সেই মন্দিরে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায় না কি সেটা কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। অমিত শাহ চাইছেন, হিন্দুধর্মের অন্যতম এই তীর্থস্থান হিন্দুদের জন্য খুলে দিতে।

LinkedIn
Share