Blog

  • JP Nadda: ‘গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন রাহুল গান্ধী’, আক্রমণ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন রাহুল গান্ধী’, আক্রমণ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন তিনি। এভাবেই রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার তিনি বলেন, তাঁকে (রাহুল গান্ধীকে) গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লক, স্টক এবং ব্যারেল প্যাকিং করে পাঠানো উচিত। চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিজেপির ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ন্যাশনাল ইউথ পার্লামেন্ট। ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নাড্ডা। সেখানেই নিশানা করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। বিজেপির সভাপতি বলেন, যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না, গণতন্ত্রে তাঁদের কোনও ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, কংগ্রেস মানসিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে।

    নাড্ডার (JP Nadda) অভিযোগ…

    নাড্ডার (JP Nadda) অভিযোগ, রাহুল গান্ধী আমেরিকা এবং ইউরোপিয় দেশগুলিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ  ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে উৎসাহিত করছেন। ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন বলে যে মন্তব্য তিনি করেছেন, তাতেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর পরেই তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছেন। বিজেপি সভাপতির প্রশ্ন, কী ধরনের বাক্য তিনি ব্যবহার করেছেন? বলেছেন, ভারতবাসী তাঁর কথা শোনেন না, কেবল সহ্য করেন। এর পরেই বিজেপির সভাপতি বলেন, এহেন লজ্জাজনক মন্তব্য করে রাহুল গান্ধী কেবল দেশকে অপমান করেননি, তিনি অপমান করেছেন দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেও। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে বিদেশি শক্তিকে হস্তক্ষেপ করতেও আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    শুক্রবারই একটি ভিডিও বার্তায় রাহুলের লন্ডন সফরের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপির সভাপতি (JP Nadda) বলেছিলেন, উনি (রাহুল গান্ধী) দেশবিরোধী স্থায়ী টুলকিট হয়ে উঠেছেন। রাহুল দেশের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন। ভিডিও বার্তায় নাড্ডা আরও বলেছিলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে কংগ্রেস দল দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছে। দেশবাসী তাদের বারবার প্রত্যাখ্যান করার পর রাহুল গান্ধী এখন দেশবিরোধী টুলকিটের স্থায়ী অংশ হয়ে উঠেছেন।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সভায় গণতন্ত্রহীনতা নিয়ে বলতে গিয়ে রাহুল বলেছিলেন, ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন। তিনি আরও বলেছিলেন, এটি আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। এর সমাধান ভারতের অভ্যন্তর থেকেই আসতে চলেছে। এটা বাইরে থেকে আমদানি করা যায় না। রাহুল এও বলেছিলেন, ভারতে গণতন্ত্রের প্রভাব শুধু তার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যদি ভারতে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে, তাতে গোটা বিশ্বেরই ক্ষতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Teacher Recruitment Scam: ইডির হাতে আটক বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার, উদ্ধার হার্ডডিস্ক

    Teacher Recruitment Scam: ইডির হাতে আটক বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার, উদ্ধার হার্ডডিস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Teacher Recruitment Scam) মামলায় আটক হুগলির বহিষ্কৃত তৃণমূল (TMC) নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার। ইডির (ED) নজরে রয়েছেন বলাগড়ের এক সিভিক পুলিশও। শনিবার শান্তনুর রিসর্ট ও বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। টানা এগারো ঘণ্টা তল্লাশির পর এদিন সন্ধে নাগাদ ইডি আটক করে প্রোমোটার অয়ন শীলকে। অয়নকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিজিও কমপ্লেক্সে। ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশি অভিযানে আধিকারিকদের হাতে বেশ কিছু ফাইলও এসেছে। প্রসঙ্গত, এবিএস টাওয়ারের ওই আবাসনে শান্তনুর ফ্ল্যাটের পাশেই রয়েছে অয়নের ফ্ল্যাট।

    ইডির চিরুনি তল্লাশি…

    এদিন চুঁচুড়ার জগুদাস পাড়ায় শান্তনুর ফ্ল্যাটে ঢোকেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ফ্ল্যাটের ভিতরে কার্যত চিরুনি (Teacher Recruitment Scam) তল্লাশি চালান তাঁরা। তার পরেই উদ্ধার হয় একাধিক ফাইল। এদিন তদন্ত চালানোর পাশাপাশি বলাগড় থানার সিভিক ভলান্টিয়ার নিলয় মালিক, শ্রীপুর বলাগড় পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য বিশ্বরূপ প্রামাণিক ও আকাশ ঘোষকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়। আকাশ, বিশ্বরূপ ও নিলয়কে আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয় বলে ইডি সূত্রে খবর। এদিন শান্তনুর রিসর্টের অদূরে জনৈক পূর্ণচন্দ্র ঘোষের বাড়িতেও যায় ইডি। সেখান থেকে দুটি ব্যাগে করে হার্ডডিস্ক নিয়ে আসা হয়। শান্তনুর গ্রেফতারির পর থেকেই তাঁর পরিবার দাবি করছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা নির্দোষ। শান্তনুর শাশুড়িরও দাবি, জামাই নির্দোষ। শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্বামীর কিছু সম্পত্তির বিষয়ে জানলেও, পুরোটা জানতাম না। ওর যে ২০ কোটির মতো সম্পত্তি রয়েছে, সেই বিষয়টি আমার জানা নেই। তিনি বলেন, ও বিয়ের আগে থেকে রাজনীতি করত।

    আরও পড়ুুন: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    বলাগড়ে (Teacher Recruitment Scam) ১০ বিঘা জমির উপর রিসর্ট তৈরি করে শান্তনু। মোটা টাকা বিনিয়োগ করেই যে এই ঝাঁ চকচকে রিসর্টটি তৈরি হয়েছে সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই গোয়েন্দাদের। শনিবার সকাল দশটা নাগাদ এই রিসর্টে আসেন ইডির আধিকারিকরা। গেটের তালা ভেঙে রিসর্টে ঢোকেন তাঁরা। এরপর ভিতরের ঘরগুলির একের পর এক তালা ভাঙেন তাঁরা। সম্পত্তির পরিমাণ জানাতে এবং এই সংক্রান্ত অন্য নথির খোঁজে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: গ্রেফতারির আশঙ্কা, প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

    Donald Trump: গ্রেফতারির আশঙ্কা, প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতারির আশঙ্কায় কাঁটা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর সমর্থকদের প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানান তিনি। এই বিক্ষোভ যাতে ছড়িয়ে পড়ে তার জন্যও যাবতীয় চেষ্টা চালাবেন বলে জানান প্রাক্তন মার্কিন (America) প্রেসিডেন্ট। তবে ঠিক কোন মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হবে, তা বলতে পারেননি ট্রাম্প। এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। তবে কেন গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ম্যানহাটন জেলা অ্যাটর্নি অফিস থেকেই গ্রেফতারির ইঙ্গিত পেয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁকে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন…

    প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ম্যানহাটনের জেলা অ্যাটর্নির অফিস। সেখান থেকে গোপন তথ্য ফাঁস ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কোনও অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তবে শীর্ষ স্থানীয় রিপাবলিকান প্রার্থী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে আগামী মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হবে। তার পরেই তিনি প্রতিবাদ আন্দোলনে শামিল হওয়ার ডাক দেন তাঁর সমর্থকদের। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের গোড়ার দিকে ম্যানহাটনের জেলা অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগের অফিস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি আর্থিক লেনদেনের তদন্তের প্রমাণ পেশ করে গ্র্যান্ড জুরির কাছে। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রচারের শেষ দিকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার লেনদেন হয়েছিল। সেই মামলায়ই তদন্তের প্রমাণ পেশ করেন ব্র্যাগ।

    আরও পড়ুুন: ‘দেশের কপালে কালো টিকা লাগাচ্ছেন এঁরা’, নাম না করে কংগ্রসকে নিশানা মোদির

    ট্রাম্পের প্রাক্তন ব্যক্তিগত আইনজীবী ওই অর্থ দিয়েছিলেন পর্নস্টার স্টোর্মি ড্যানিয়েলকে। ড্যানিয়েলের প্রকৃত নাম স্টেফনি ক্লিফোর্ড। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের (Donald Trump) আইনজীবী বলেন, মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে এখনও এ নিয়ে কোনও বক্তব্য পেশ করা হয়নি। তাঁর দাবি, মিডিয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই নিজের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্যাপিটল হিল হামলায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করা হতে পারেও জল্পনা চলছিল। তবে সেসব বিতর্ক পিছনে ফেলে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য কোমর কষে নেমে পড়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রিপাবলিকান প্রাইমারির দৌড়ে নিজের নামও লিখিয়ে ফেলেছেন তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘দেশের কপালে কালো টিকা লাগাচ্ছেন এঁরা’, নাম না করে কংগ্রসকে নিশানা মোদির

    PM Modi: ‘দেশের কপালে কালো টিকা লাগাচ্ছেন এঁরা’, নাম না করে কংগ্রসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে বর্তমানে অনেক শুভ কাজকর্ম হচ্ছে। তাই কিছু লোক দেশ মাতৃকার কপালে কালো টিকা লাগানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। নাম না করে কংগ্রেসকে (Congress) এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ ২০২৩-এ ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকে। ভারতের (India) ওপর যাতে কারো নজর না লাগে তাই কালো টিকা পরাচ্ছেন তাঁরা। তিনি বলেন, একটা সময় ছিল, যখন বিশ্ব ভাবত ভারতের সময় এসেছে। তখন কথা হত কেবলই হতাশার। ভারতকে নীচে নামানো হত, ভাঙা হত নৈতিকতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি কালো টিকা পরানোর ঐতিহ্য। সেই কাজই করার দায়িত্বই নিয়েছেন ওই লোকগুলো।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    ২০২৩ সালের প্রথম ৭৫ দিনে মোদি (PM Modi) সরকারের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ গোটা বিশ্ব বলছে, এটা ভারতের সময়। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে কোন দেশ আগে ভারতের হৃত প্রত্নবস্তু ফেরত দেবে, তা নিয়ে। তিনি বলেন, আগে প্রায়ই খবরের হেডলাইন হত কত লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। লোকেরা রাস্তাঘাটে তা নিয়ে বলাবলি করত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হত। এসব এখন অতীত। এখন সংবাদের শিরোনাম হয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের রাস্তা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আসা হয়। তিনি জানান, বর্তমানে বিরোধী দলের বহু নেতা তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

    ব্রিটেনের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এদিন রাহুলের নাম না করে সেই প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু লোক আমাদের গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সাফল্য হজম করতে পারছে না। সেই কারণে তারা আমাদের গণতন্ত্রকে আক্রমণ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদসত্ত্বেও ভারত তার লক্ষ্যে পৌঁছবে। কিছুদিন আগে ব্রিটেনে গিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাহুল। সেখানে তিনি ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, সকলে জানে ভারতের গণতন্ত্র আক্রমণের মুখে পড়ে কীভাবে বিপন্ন। আমি দেশের বিরোধী নেতা, কিন্তু বিরোধী পরসর খুঁজতে হাতড়ে বেড়াতে হচ্ছে। এর পরেই রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় বিজেপি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahaveer: বর্ধমান মহাবীরের নির্বাণ লাভের ২৫৫০ বছর পূর্তি, শ্রদ্ধা জানাবে আরএসএস

    Mahaveer: বর্ধমান মহাবীরের নির্বাণ লাভের ২৫৫০ বছর পূর্তি, শ্রদ্ধা জানাবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫৫০ বছর আগে নির্বাণ লাভ করেছিলেন মহাবীর (Mahaveer)। আট রকম কর্মকে জয় করে কার্তিক অমাবস্যার দিনে নির্বাণ লাভ করেছিলেন তিনি। মানবজাতিকে তিনি জ্ঞানের আলোকে প্রবেশের দ্বার দেখিয়েছিলেন। তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন আত্মবিকাশ ও সমাজের কল্যাণে। মানব কল্যাণই ছিল তাঁর ধ্যান, জ্ঞান। মানব কল্যাণের কথা মাথায় রেখে তিনি পঞ্চনীতির প্রবর্তন করেছিলেন। এগুলি হল, সত্য, অহিংসা, আস্তেয়, অপরিগ্রহ ও ব্রহ্মচর্য। সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে লড়াই করেছেন তিনি। তিনি বলতেন, মহিলারা সমাজ গড়েন। তাঁদের হৃত মর্যাদা ফেরানো প্রয়োজন।

    মহাবীর (Mahaveer)…

    তাঁর প্রবর্তিত অপরিগ্রহ নীতির ফলে মানুষ পার্থিব বস্তুর থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করে। বাড়তি সম্পদ দান করে সমাজের কল্যাণে। পরিবেশ বাঁচাতে ভোগবাদী জীবনযাত্রা থেকে মুখ ফেরাতে হবে আমাদের। এজন্য প্রয়োজন অপরিগ্রহ নীতির। তাঁর (Mahaveer) অহিংসা ও সহ-অস্তিত্বের শিক্ষা আজকের সমাজেও ভীষণরকম প্রয়োজন। বিশ্বকে বাঁচানোর জন্যই এটা প্রয়োজন। কর্মনীতির ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, কর্মের জন্যই কোনও মানুষ সুখ ভোগ করে। দুঃখ-কষ্টের জন্য অন্যকে দোষারোপ করা উচিত নয়।

    আরও পড়ুুন: শিবাজির সিংহাসনে বসার ৩৫০ বছর, সাড়ম্বরে পালন করবে আরএসএস

    বর্তমান ভারত ক্রমশ এগোচ্ছে বিশ্বগুরু হওয়ার দিকে। এজন্য ‘স্ব’য়ের ওপর নির্ভর করছে দেশ। ভারতের অন্তরাত্মা বলছে, তুমি বিশ্বকে নেতৃত্ব দাও। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এটা বিশ্বাসও করে যে বর্ধমান মহাবীরের দেখানো পথেই হাঁটা উচিত আমাদের। মহাবীরের নির্বাণ লাভের ২৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আরএসএস (RSS) শ্রদ্ধা জানাবে মহাবীরকে। এই উপলক্ষে স্বয়ংসেবকরা বিভিন্ন অনুষ্ঠান করবেন এবং মহাবীরের পঞ্চনীতিকে ব্যক্তিগত জীবনে কাজে লাগাবেন। আশা করা যায়, সমাজও মহাবীরের (Mahaveer) শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shivaji Maharaj: শিবাজির সিংহাসনে বসার ৩৫০ বছর, সাড়ম্বরে পালন করবে আরএসএস

    Shivaji Maharaj: শিবাজির সিংহাসনে বসার ৩৫০ বছর, সাড়ম্বরে পালন করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব হলেন ছত্রপতি শিবাজি (Shivaji Maharaj)। সমাজকে দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্ত করেছিলেন তিনি। জনমানসে আত্মবিশ্বাস ও আত্মশ্রদ্ধার বোধ জাগিয়েছিলেন। সিংহাসনে বসার পর জৈষ্ঠ্য শুদ্ধ ত্রয়োদশীতে তিনি গঠন করেছিলেন হিন্দাভি স্বরাজ। এ বছর তারই ৩৫০ বছর পূর্তি। এই উপলক্ষে মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি দেশজুড়ে হবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। দিনটি মর্যাদার সঙ্গে পালন করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘও (RSS)। নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালনের আবেদন করা হয়েছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের পাশাপাশি স্বয়ংসেবকদেরও।

    ছত্রপতি শিবাজি (Shivaji Maharaj)…

    ছত্রপতি শিবাজি (Shivaji Maharaj) ছিলেন নির্ভীক, ক্ষুরধার বুদ্ধির অধিকারী, দক্ষ প্রশাসক, যুদ্ধবিশারদ। মহিলাদের সম্মান করতেন তিনি। শিবাজি ছিলেন মনেপ্রাণে হিন্দুত্ববাদী। বিভিন্ন ঘটনা থেকে পরিচয় মেলে ঈশ্বরের প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাসের। লক্ষ্যে অবিচল থাকতেন তিনি। বাবা-মা ও শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতেন। আনন্দ ও দুঃখে তিনি সর্বদা পাশে থাকতেন স্বদেশবাসীর। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের পাশেও দাঁড়াতেন। শৈশব থেকেই তিনি স্বদেশবাসীকে স্বরাজ প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহিত করতেন। তাঁর এই শিক্ষা পরবর্তীকালে দেশপ্রেমিকদের কাছে প্রেরণার মন্ত্র হয়ে উঠেছিল। এমনকী তাঁর মৃত্যুর পরে কয়েক দশক ধরে তাঁর সমাজ সমস্ত রকম আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করেছিল। এটি ইতিহাসের একটি মৌলিক উদাহরণ।

    আরও পড়ুুন: সীমান্তে বাড়ছে চিনা ফৌজের দাপাদাপি! মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতও, বললেন সেনা প্রধান

    ছোট থেকে তিনি (Shivaji Maharaj) যে স্বরাজের স্বপ্ন দেখতেন, তা কেবল ক্ষমতা দখল করতে নয়, ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য একটা সমাজ গড়তে চেয়েছিলেন, যে সমাজের ‘অহং’ বোধ থাকবে। তিনি বিশ্বাস করতেন এই রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে ভগবানের ইচ্ছায়। স্বরাজ প্রতিষ্ঠার সময় আস্থা প্রধান মণ্ডল, রাজ্য ব্যবহার কোষ সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। সুচারুভাবে শাসনকার্য পরিচালনার জন্য স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করতেন। শিবশক পঞ্জিকা চালু করেছিলেন। রাজভাষা হিসেবে মর্যাদা দিয়েছিলেন সংস্কৃতকে। ধর্মস্থাপনের জন্য তিনি স্বরাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমান ভারতও জাতি গঠনের পথেই হাঁটছে। সমাজে জাগাতে চাইছে অহং বোধ। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের সেই জীবনবোধ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং প্রেরণা জোগায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: রিসর্টের মালিক কে? নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী আকাশকে প্রশ্ন ইডির

    SSC Scam: রিসর্টের মালিক কে? নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী আকাশকে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী সুপ্রতিম ঘোষ ওরফে আকাশ। শনিবার সকালে তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে বলাগড়ের রিসর্টে নিয়ে যান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকেরা। খাতায়কলমে বলাগড়ের চাঁদড়া বটতলা এলাকার ওই রিসর্টের মালিক  তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ওই রিসর্টের মালিক আকাশ হলেও, আদতে ওই রিসর্টের মালিক শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ই। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর নাম জড়ানোর পর থেকেই নামে-বেনামে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর একাধিক সম্পত্তির হদিস মিলেছে। ইডির দাবি, একাধিক বাড়ি, রেস্তরাঁ, বিলাসবহুল বাগানবাড়ির মালিক এই শান্তনু। 

    বন্দুক ঠেকিয়ে জোর করে জমি কব্জা

    বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বন্দুক দেখিয়ে জমি দখলের অভিযোগ করলেন স্থানীয়রা। শনিবার বলাগড়সহ হুগলিতে শান্তনুর একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় ইডি। তল্লাশি চলে শান্তনুর বলাগড়ের রিসর্টেও। স্থানীয় ২ ব্যক্তির দাবি, ওই জমি মাথায় বন্দুক ধরে বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল শান্তনুর পোষা গুন্ডারা। জমি হারানো এক ব্যক্তি দাবি করেন,”বছর খানেক আগে জমি বিক্রির জন্য শান্তনু আমাকে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু আমি জমি বিক্রি করতে রাজি ছিলাম না। জমি বিক্রির জন্য আমাকে চাপ দিতে থাকে শান্তনুর পোষা গুন্ডারা। আমাকে বন্দুক দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। চাপের মুখে জলের দড়ে আড়াই বিঘা জমি বিক্রি করতে বাধ্য হই।”

    ১০০ দিনের কাজের আওতায় পাঁচিল তৈরি

    ১০০ দিনের সরকারি কাজের নাম করে গ্রামবাসীদের দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই অভিযোগ তুলছেন এলাকার প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান। অভিযোগ, বলাগড়ে শান্তনুর যে রিসর্ট রয়েছে, তার চারপাশে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা হয়েছে বেশ কিছু জমি। ১০০ দিনের কাজের টাকাতেই সেই কাজ করানো হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামবাসীদের কারও কারও অভিযোগ, শান্তনুর রিসর্টের কাজ করেও তাঁরা প্রাপ্য টাকা পাননি।

    আরও পড়ুুন: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    রিসর্টের মালিকানা ঘিরে জল্পনা

    বলাগড়ে ১০ বিঘা জমির উপর রিসর্ট তৈরি করে শান্তনু। মোটা টাকা বিনিয়োগ করেই যে এই ঝাঁ চকচকে রিসর্টটি তৈরি হয়েছে সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই গোয়েন্দাদের। সংশয় রয়েছে ওই রিসর্টের মালিকানা নিয়ে। কাগজে কলমে ওই রিসর্টটির মালিক শান্তনুর ছায়াসঙ্গী সুপ্রতিম ঘোষ ওরফে আকাশ। বলাগড়ের জিরাট কলেজের কর্মী তিনি। তবে কাগজে তাঁর নাম থাকলেও আদপে রিসর্টটি শান্তনুর এমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। আকাশ এলাকায় শান্তনুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ইডির সন্দেহ, রিসর্ট নিয়ে আকাশ অনেক কিছু জানেন। এমনকী শান্তনুর সঙ্গে আকাশের নিয়মিত আর্থিক লেনদেনও হত বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: তৃণমূলের (TMC) বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা ও আর এক বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি (ED)। অন্তত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Interrogation) দাবি তেমনই। ইডি সূত্রে খবর, কুন্তলকে জেরা করে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থায় আরও দুজন পার্টনার ছিলেন। এবার তাঁদেরও জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থার মাধ্যমে কী ধরনের লেনদেন হয়েছে, নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা এই সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা, সেসবই খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ইডির দাবি, কুন্তলের দুটি অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। টাকা গিয়েছে টালিগঞ্জের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্টেও।

    ইডির দাবি…

    এদিন ইডির আইনজীবীর (Interrogation) দাবি, দুটো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে সাড়ে ৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। টালিগঞ্জের কয়েকজনের সঙ্গেও যোগসূত্র রয়েছে। শর্ট ফিল্ম তৈরির জন্য পার্টনারশিপ ফার্ম তৈরি করেছেন কুন্তল। এই টাকার একটা বড় অংশ শর্ট ফিল্ম বানানোর জন্য টালিগঞ্জের স্টারদের কাছে গিয়েছে। একজনকে গাড়ি কিনে দিয়েছিল। যাঁর নাম বনি সেনগুপ্ত। তিনি স্বীকার করেন যে, গাড়ি কেনার জন্য ৪৪ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা বনি ফেরত দিয়েছেন। টাকা নিয়েছিলেন সোমা চক্রবর্তীও। তিনিও ৫৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় তাঁরা জানতেন যে এটা নিয়োগ দুর্নীতির টাকা। জানতে পেরে টাকা ফেরত দিয়েছন।

    আরও পড়ুুন: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    এদিকে, শান্তনুকে (Interrogation) নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা। একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর স্বামী পুরোপুরি নির্দোষ। তবে কেউ ষড়যন্ত্র করেছেন কি না, তা অবশ্য জোর দিয়ে বলতে পারেননি তিনি। শনিবার সকাল থেকে শান্তনুর বাড়ি, গেস্ট হাউস, ঘনিষ্ঠের বাড়িতে গিয়েছে ইডি। যদিও প্রিয়ঙ্কা বলেন, শান্তনু কোনও দুর্নীতির সঙ্গে একেবারেই যুক্ত নন। তদন্ত চলছে সবটাই দেখতে পাবেন। সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। তিনি বলেন, এত টাকার সম্পত্তি রয়েছে, আমার জানা নেই। থাকলে আমি জানতাম। কুন্তল তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন বলেও জানান প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, কুন্তল ঘোষকে চিনতাম, ঠিক যেমন পাড়ার ছেলেদের চেনে। আমাদের বাড়িতেও এসেছে। বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান হলে নিমন্ত্রণ করা হত, তখন আসত। প্রিয়ঙ্কার দাবি, তাঁর স্বামীর যা কিছু সবটাই নিজে থেকে করেছেন। ধাবা, গেস্ট হাউস, বাড়ি সবই সৎপথের রোজগারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর দুয়েক আগে একবার তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে সরগরম হয়েছিল বাংলা। এবার কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ খোদ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। সেবার অভিযোগ তুলেছিলেন বঙ্গবাসী। এবার অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে স্কুলে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পোশাকের মাপ নিতে। আর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে নিজের পছন্দের কোনও সংস্থার মাধ্যমে (যার নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়ে যাচ্ছে) আগে থেকে ঠিক করা নিম্নমানের পূর্ব নির্ধারিত গড় মাপের কাপড় (কাটমানির বিনিময়ে) সরবরাহ করার পরিকল্পনা করে বসে রয়েছে।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    ট্যুইটে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, সেলফ হেল্প গ্রুপের সদস্যরা গত বছরের সেলাই কাজের জন্য সম্পূর্ণ টাকা পায়নি। এখন যদি তারা পরিমাপ করে এবং স্ট্যান্ডার্ড আকারের ইউনিফর্ম ছাত্রদের সঙ্গে মানানসই না হয়, তাহলে স্থানীয়স্তরে তাদের দায়ী করা হবে। আমি এসএইচজি বোনদের অনুরোধ করছি, এই ধরনের আদেশ অনুসরণ করার আগে বিচক্ষণতা প্রয়োগ করতে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যরা যে মাপ নিতে যাবেন, সেটা একেবারেই আইওয়াশ।

    তাঁর ব্যাখ্যা, ইতিমধ্যেই সেই সব ইউনিফর্ম তৈরি হয়ে রয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, মাপ নিতে যাবেন স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যরা। এরপর যখন পোশাকের মাপ ছোট-বড় হবে, তখন পুরো দায় ঠেলা হবে স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপর।

    আরও পড়ুুন: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ইউনিফর্ম তৈরি হয়েছে গড় মাপে। এই মাপ নেওয়া লোক দেখানো। তাঁর দাবি, গত বছরের সেলাইয়ের কাজের পুরো পাওনা এখনও স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের মেটানো হয়নি। তার ওপর নতুন ঝামেলার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তাদের। শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার রাজ্য। সেই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নিয়োগ কেলেঙ্কারি। সম্প্রতি এই তালিকায় যোগ হয়েছে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের ইউনিফর্মে দুর্নীতির অভিযোগ। এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Tewari: আসানসোল কম্বলকাণ্ডে নয়ডা থেকে সস্ত্রীক গ্রেফতার জিতেন্দ্র তিওয়ারি, নিন্দা বিজেপির

    Jitendra Tewari: আসানসোল কম্বলকাণ্ডে নয়ডা থেকে সস্ত্রীক গ্রেফতার জিতেন্দ্র তিওয়ারি, নিন্দা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করল সস্ত্রীক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে (Jitendra Tewari)। নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেস ওয়ে থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । গত বছর ডিসেম্বর মাসে আসানসোলের রামকৃষ্ণডাঙায় কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি এবং তাঁর স্ত্রী চৈতালি তেওয়ারি। ওই অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে জিতেন্দ্র তেওয়ারি এবং চৈতালি তেওয়ারিকে। এমনিতেই দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক দল বেশকিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। সেই আবহে জিতেন্দ্র তেওয়ারির (Jitendra Tewari) গ্রেফতারকে প্রতিহিংসার রাজনীতি বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

    ঘটনাক্রম….

    গত বছর ১৪ ডিসেম্বর কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল আসানসোলে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং আসানসোল পুরনিগমের বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি। সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। কম্বল নেওয়ার জন্য শুরু হয় হুড়োহুড়ি। তাতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ৩ জনের। আহত হন বেশ কয়েক জন।

    ডিসেম্বর মাসে ওই ঘটনার পরেই চৈতালি তেওয়ারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে জিতেন তেওয়ারির (Jitendra Tewari) ফ্ল্যাটে যান দুর্গাপুর-আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের কর্মীরা। এই আবহে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর চৈতালি তেওয়ারির আবেদন মেনে তাঁকে অন্তর্বর্তিকালীন রক্ষাকবচ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু ১০ ফেব্রুয়ারি পাল্টা একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা চৈতালির বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পরই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন জিতেন্দ্র এবং চৈতালি। কিন্তু বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। সেই একই আবেদন নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন জিতেন। শুক্রবার তাঁর আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তার মাঝেই গ্রেফতার হলেন সস্ত্রীক জিতেন্দ্র তেওয়ারি (Jitendra Tewari)।

    এই ঘটনায় নিন্দায় সরব হয়েছে বিজেপি

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যার পরিবার বস্ত্রদান অনুষ্ঠানে জামা কাপড় নিতে এসেছিল, সে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাচ্ছে আইনজীবী নিয়ে জিতেন তিওয়ারিকে গ্রেফতার করতে। হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে যিনি আইনজীবী হন, তার কী ফিজ হয় সকলেই জানেন। যে ব্যক্তি এই টাকা দিতে পারছেন, তিনি পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে লাইন দেন কখনও? এটা পুরোপুরি তৃণমূল কংগ্রেসের চক্রান্ত।”

    একইসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, কিছুদিন আগে জিতেন্দ্র তিওয়ারির বাড়িতে পুলিশ গিয়েছিল। তাও রাতেরবেলা। সিসিটিভি ফুটেজও আছে। যাওয়া, সার্চ করা বা এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে যাতে তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যান, দাবি সুকান্তের। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, মানসিক চাপ তৈরি করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

    এই ঘটনায় বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। বিশেষ করে যখন তাঁর আগাম জামিনের আবেদন আদালতে বিচারাধীন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আইন আদালত মানে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share