Blog

  • Fish: দক্ষিণ দিনাজপুরের আত্রেয়ী নদী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এই মাছ! কী সেই মাছ জানেন?

    Fish: দক্ষিণ দিনাজপুরের আত্রেয়ী নদী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এই মাছ! কী সেই মাছ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট। বালুরঘাট শহরের বুক চিরে চলে গিয়েছে আত্রেয়ী নদী। রাইখোর মাছের (Fish) জন্য বহু সুখ্যাতি ছিল এই নদীর। মৎস্যজীবীদের জীবন জীবিকার বড় আধার ছিল এই মাছ। কারণ, নৌকা নিয়ে নদীতে নামলেই তাঁরা প্রচুর পরিমাণে রাইখোর মাছ (Fish) বাজারে নিয়ে যেতে পারতেন। বিক্রি করে ভালো টাকা মুনাফা হত। কয়েক বছর আগে বালুরঘাট শহরের তহ বাজার, সাহেবকাছারি বাজার সহ শহরের বিভিন্ন বাজারে রাইখোর মাছ (Fish) দেখা যেত। আমদানিও ভালো ছিল। শুধু জেলাবাসী নয় ভিন জেলার মানুষের চাহিদার জোগান দিত এই নদী। এক সময় এই রাইখোর মাছ (Fish) রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেত। যদিও এখন তা ইতিহাস। আত্রেয়ীর ঐতিহ্য ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। জেলায় রাইখোর মাছের ভালো চাহিদা রয়েছে। কিন্তু, চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারছে না আত্রেয়ী নদী, যার ফলে রাইখোর মাছের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মৎস্যপ্রেমীরা। ধীরে ধীরে বালুরঘাটের বাজার গুলিতে আর সেইভাবে দেখা মিলছে না রাইখোর মাছের।

    আত্রেয়ী থেকে কেন হারিয়ে যাচ্ছে রাইখোর মাছ? Fish

    বর্ষার পর আত্রেয়ী নদীর জল ক্রমশ কমতে থাকে। ফলে, কিছু কিছু জায়গায় নদীতে জল প্রায় শুকিয়ে যায়। এছাড়া একসময় এই নদীর গতিপথে প্রচুর বিলের সঙ্গে সংযোগ ছিল। বিলগুলিতে বাঁধ দেওয়ার কারণে নদীর সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই। আর নদীতে মাত্রাতিরিক্ত দূষণ এই মাছ হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তবে, জেলার পরিবেশপ্রেমীরা আত্রেয়ী নদীতে রাইখোর মাছ যাতে পাওয়া যায় তার জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগে বেশ কয়েকবার আত্রেয়ী নদীতে মাছের চারাও ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এখন সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মৎস্যজীবীরা বলেন, আগের নৌকা নদীতে নামালেই ঝুড়ি ভর্তি করে রাইখোর মাছ (Fish) পেতাম। এখন সারাদিন নৌকা নিয়ে নদীতে চষে বেড়ালেও এই মাছ (Fish) পাই না। অথচ এখন এই মাছের বিশাল চাহিদা। বাজারে ৫০০ টাকা কেজি। নদীতে এই মাছের (Fish) যোগান থাকলে খুব ভাল হত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলে খুব ভাল হয়।

    জেলা মৎস্য দপ্তরে আধিকারিক  অভিজিৎ সরকার বলেন, রাইখোর মাছ (Fish) মৃদু বাহিত জলে  ডিম পাড়ে। এরজন্য আত্রেয়ী নদীর তীরে যেখানে ঘাস জাতীয় উদ্ভিত থাকে, সেখানে ডিম পারে। কিন্তু, আত্রেয়ী নদী তীরে দূষনের কারণে রাইখোর মাছ আর ডিম পাড়তে পারে না। রাইখোর যাতে বিলুপ্ত না হয়, সেজন্য কৃত্রিমভাবে পুকুরে চাষ করা হলেও আত্রেয়ী নদীর মাছের মত তার স্বাদ নেই। পরিবেশপ্রেমী তুহিন শুভ্র মণ্ডল বলেন, রাইখোর মাছ আমাদের অহংকার ছিল। জেলায় রূপালি মাছ বলে পরিচিত ছিল। বাবা-ঠাকুরদা কাছে শুনেছি, দুর্গা পূজার পর পর আত্রেয়ী নদীতে রাইখোর মাছ (Fish) এত যোগান হত যে নদীর জলের রঙ বোঝা যেত না। এখন এই মাছ নদীতে বিলুপ্ত। পুকুরে চাষ করা মাছের সেই স্বাদ নেই। আসলে বাংলাদেশের আত্রাই নদীর সঙ্গে আমাদের আত্রেয়ী নদী সংযোগ রয়েছে। এতে নদীর প্রবহমান ছিল। কিন্তু, বর্তমানে নদীর প্রবহমান বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই মাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সিপিএমকে সাফ করেছি, পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব’’, নন্দীগ্রামে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘সিপিএমকে সাফ করেছি, পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব’’, নন্দীগ্রামে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নন্দীগ্রাম দিবস। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের আন্দোলন কোনও নির্দিষ্ট নেতা-নেত্রীর আন্দোলন ছিল না। এই আন্দোলন ছিল জনগণের। এখানে সবার অধিকার আছে। সব রাজনৈতিক দলের আছে।” নন্দীগ্রাম দিবসে ফের একবার নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কৃতিত্ব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে অস্বীকার করলেন বিরোধী দলনেতা। “তৃণমূল এই এলাকা, শহিদ দিবস দখল করার চেষ্টা করেছিল। সিপিএমকে সাফ করেছি, এবার পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব। আগামী বছর ভাইপো ভিতরে থাকবে।” গোকুলনগরে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করে হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর।

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী

    আজ সকাল সকাল নন্দীগ্রামে পৌঁছে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)৷ মঙ্গলবার সকাল ৮ টা নাগাদ নন্দীগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন শুভেন্দু৷ প্রথমে তিনি গোকুলনগর অধিকারী পাড়ায় শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন৷ এরপরে ভাঙ্গাবেড়া শহিদ মিনারে নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন৷

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন পুলিশের গুলিতে নন্দীগ্রামে ১৩ জন কৃষক-সহ মোট ১৪ জন আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়৷ বামশাসনকালে এই জমি আন্দোলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অন্যতম শরিক ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু৷ বাম সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তৈরি হয়েছিল ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি, যাঁর অন্যতম প্রধান ছিলেন আজকের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শাসকদলকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    আদালতের নির্দেশ মত নন্দীগ্রামের গোকুলনগরে শহিদ দিবস পালন করে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে নন্দীগ্রাম দিবস পালনের মাঝে তাঁর হুঁশিয়ারি, “পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র ধ্বংস। এমনিতেও ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছি। বাকি যা আছে, সাফ করব। শহিদ বেদিকে সামনে রেখে বলে গেলাম, সিপিএমকে সাফ করেছি, এবার পিসি ভাইপোকেও একেবারে গ্যারাজ করব। আগামী বছর দেখা হবে, ভাইপো বাইরে থাকবে নাকি ভিতরে থাকবে? ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ দেখা হবে। যারা যা যা করছে চন্দ্রগুপ্তর ডাইরিতে লেখা থাকল। লক্ষণ শেঠদের অবস্থা যা হয়েছে, আপনাদের অবস্থাও ভবিষ্যতে তাই হবে’”

    এরপরই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজনৈতিক দল, পথ পরিবর্তন সকলেই করতে পারে। আর তৃণমূল আমাকে যে সমস্ত দায়িত্ব দিয়েছিল, তা কার্যত বাধ্য হয়েছিল দিতে। আমি কিন্তু সব ছেড়ে স্বাধীন পথ ও স্বাধীন মত নিয়ে সাধারণ মানুষ হিসেবে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলাম। আমাকে নিয়ে ওদের খুব গায়ে জ্বালা। তবে রোদ হোক বা ঝড়-জল, করোনা হোক বা অন্যকিছু প্রত্যেক বছর শহিদদের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। এবারে বাইরের লোক ঢুকিয়ে শহিদদের সম্মান জানানোর সুযোগটাও কেড়ে নিতে চেয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশ এমনটা করছিল। তাই হাইকোর্টের নির্দেশে সেন্ট্রাল ফোর্স নিয়ে এসে আমাদের শ্রদ্ধা-সম্মান জানাতে হচ্ছে।”

    প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদান পর্ব আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে৷ সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, সকাল ৮ টা থেকে ১০ টার মধ্যে সভা শেষ করতে হবে শুভেন্দুকে৷ সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে জায়গা খালি করে দিতে হবে। আবার আদালতের নির্দেশ, বেলা ১১ টা থেকে ৩ টে পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রামে মিছিল করতে পারবে৷ পৃথক রাজনৈতিক দলকে সময় ভাগ করে মিছিল করার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট৷

  • HS Examination 2023: মোবাইল-সহ ধরা পড়লেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল! কড়া নজরদারিতে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক

    HS Examination 2023: মোবাইল-সহ ধরা পড়লেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল! কড়া নজরদারিতে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে যায় এবছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রতিদিন পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা কেন্দ্রেও মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট রুখতে বেনজির নজরদারি এই বছর। হলে মোবাইল-সহ ধরা পড়লে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হবে। অভিভাবকরা পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না।

    কঠোর নিরাপত্তা

    কোনওভাবেই যাতে পরীক্ষাহলে কোনওরকম টোকাটুকি না হয় বা প্রশ্নপত্র যাতে ফাঁস না হয়, তার জন্য কঠোরভাবে নজরদারি চলবে সংসদের। কড়া নিরাপত্তার বলয়ে চলবে পরীক্ষা। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ২ জন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন। মোট ৮ লক্ষ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে। গতবারের চেয়ে বেড়েছে এবারে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। গতবারের চেয়ে ৭ হাজার বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে এবার। ১৪ মার্চ থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত।  ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা এবার বেশি। ২৩ টি জেলাতেই মেয়েদের সংখ্যা ছেলেদের থেকে বেশি। 

    রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টরের ব্যবহার

    এবার পরীক্ষার মেন ভেন্যু ৮৩৫টি। এরমধ্যে ২০৬ টি সেনসেটিভ ভেন্যু হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৩৪৯। স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিংয়ের পরই ভিতরে ঢুকতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। অতি স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে থাকছে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর। কারও কাছে এরকম কোনও ডিভাইস থাকলে বিপ শব্দে তা জানান দেবে এই ডিটেক্টর। ইতিমধ্যেই সংসদের তরফে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কক্ষ থেকে বাইরে বেরোতে পারবেন না। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় আরএফডি বা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টরের ব্যবহার এই প্রথম।  অতি স্পর্শকাতর কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে এই যন্ত্র। পুরো সেন্টারে যদি একটিও মোবাইল ফোন থাকে তাহলেও এই আরএফডি যন্ত্র জানান দেবে কোথায় আছে মোবাইল বা বৈদ্যুতিন কোনও যন্ত্র। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যাতে মোবাইল সম্পূর্ণ রূপে রোখা যায় , তার জন্যই এই ব্যবস্থা। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি ভেন্যু সুপারভাইজার, সেন্টার ইনচার্জ, সেন্টার সেক্রেটারি ছাড়া আর কোনও শিক্ষাকর্মীও ফোন নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না। 

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক মানুষ চেনেন, আরআরআর-এর অস্কার জয়ই প্রমাণ’’, কেন এ কথা বললেন পীযুষ?

    ট্রেন পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগ

    পরীক্ষার সময়ে ট্রেন পরিষেবা নিয়ে উদ্বিগ্ন নবান্ন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যাতে পরীক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত ট্রেন পরিষেবা পায় সেকারণে আগেরদিনই রেলকে চিঠি দিয়েছে নবান্ন। কারণ একাধিক জায়গায় ট্রেন লাইনে কাজ হওয়ার কারণে ট্রেন পরিষেবা ব্যহত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জেলা শাসকের নির্দেশে নবান্নের তরফে রেলকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে সেই সঙ্গে সব জেলা শাসকদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে পরকীক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bonny Sengupta: বনির পারিশ্রমিক ১০-১৫ লক্ষ, অথচ কুন্তল দেন ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা! কেন?

    Bonny Sengupta: বনির পারিশ্রমিক ১০-১৫ লক্ষ, অথচ কুন্তল দেন ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর। মঙ্গলবার আবারও তাঁকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ফলে আজ তাঁকে আবার ইডির প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। এদিন, সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেতাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। বনি আগেই জানিয়েছিলেন, কুন্তলের থেকে টাকা নিয়ে গাড়ি কিনেছেন তিনি। এবার সেই গাড়ি কেনার নথি-সহ এদিন ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বনিকে। তবে প্রশ্ন উঠছে, পারিশ্রমিক বাবদ বনি যে টাকাটি নিয়েছিলেন ও গাড়িটি কিনেছিলেন, সেই টাকা বনি ফিরিয়ে দেবেন কিনা।

    বনিকে এত টাকা কেন দিলেন কুন্তল?

    বনির দাবি, কুন্তল ওকে ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিল ছবির অগ্রিম হিসেবে। কুন্তল নাকি তাঁকে বলেছিলেন, ২ টো ছবির অগ্রিম হিসেবে এই টাকা। কিন্তু, ওই ছবি দুটি হয়নি। এদিকে, বনি ওই টাকা দিয়ে ততক্ষণে গাড়ি কিনে নিয়েছেন। কুন্তলকে টাকা ফেরতও দেননি। তখন কুন্তলের হয়ে স্টেজ শো করতে থাকেন। আর এই ঘটনা প্রায় ৫-৬ বছর আগের। ফলে প্রশ্ন উঠছে, টলিউডে তখন বনি নতুন মুখ কেবল। আর তাতেই এত টাকা ছবির জন্য। অগ্রিম টাকা দেওয়া হলেও, তাও আবার গোটাটাই মৌখিক ছিল। কাগজে-কলমে কিছুই ছিল না।

    বনির পারিশ্রমিক কত?

    জানা গিয়েছে, বর্তমান সময়ে টলি ইন্ডাস্ট্রিতে সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক পান দেব, জিৎ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এনারা প্রথম সারিতে রয়েছেন। দ্বিতীয় সারিতে রয়েছেন সোহম চক্রবর্তী, অঙ্কুশ হাজরাদের মত তারকা। আর তার পর আসে বনি। অর্থাৎ তৃতীয় সারিতে রয়েছেন তিনি। আর তিনি প্ৰতি ছবির জন্য ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কুন্তল বনিকে এত টাকা কেন দিলেন ছবির জন্য, এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    কুন্তলের ছবির জন্য অগ্রিম নিলেও ছবি করা হয়নি। কিন্তু স্টেজ শো করে পুষিয়ে নেন বনি। তবে টলিউড সূত্রে খবর, স্টেজ শো করতে মাত্র দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক নেন বনি। অর্থাৎ এখানেও হিসেব যেন মিলছে না। আবার তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, কুন্তলের যে টাকা দিয়ে বনি গাড়ি কিনেছিলেন, অভিনেতা তা ইডি-কে ফেরত দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তবে তিনি কি টাকা ফেরত দেবেন ইডিকে? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজ বনিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: অ্যাডিনোতে শিশুমৃত্যু অব্যাহত, গঠিত টাস্ক ফোর্স, ডেথ অডিট করার সিদ্ধান্ত রাজ্যের

    Adenovirus: অ্যাডিনোতে শিশুমৃত্যু অব্যাহত, গঠিত টাস্ক ফোর্স, ডেথ অডিট করার সিদ্ধান্ত রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। শিশুমৃত্যুও অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে এবার শিশু মৃত্যুর কারণ খুঁজতে ‘ডেথ অডিট’ করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।  সূত্রের খবর, বেসরকারি মতে, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১৪৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি মতে ১৯ জনের মৃত্যু, আর ১২ হাজার ৩৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি। এই ১৯ জনের মধ্যেই ১৩ জনেরই কোমর্বিডিটি ছিল।

    শিশুমৃত্যুর সংখ্যা

    শিশুদের শ্বাসনালীতে সংক্রমণ (অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশন বা এআরআই) চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের। গত সপ্তাহে শ্বাসনালীর সংক্রমণ নিয়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ৮০০ শিশুকে। যদিও চলতি সপ্তাহে সেই সংখ্যা কমেছে। এখন রোজ হাসপাতালে শ্বাসনালীর সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি করানো হচ্ছে ৬০০ জনকে। পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনই অন্য অসুখে আক্রান্ত ছিল। জন্মের সময় ওজন কম ছিল ৩ জনের। ২ জনের ফুসফুসে সমস্যা ছিল সংক্রমণের আগে থেকেই। মৃতদের মধ্যে ৩ জনের হার্টের সমস্যা ছিল। জিনগত সমস্যা ছিল ২টি শিশুর। ২ জনের পেশির সমস্যা এবং ১টি শিশুর অন্য জটিল সমস্যা ছিল।

    ডেথ অডিট

    রাজ্যের এই পরিস্থিততে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, করোনার মতই শিশু মৃত্যুর দৈনিক বুলেটিন প্রকাশ করবে স্বাস্থ্যভবন। বেসরকারি হাসপাতালের জন্যেও প্রোটোকল তৈরির সিদ্ধান্ত সরকারের। অ্যাডিনো ভাইরাস টেস্টের খরচও কম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। অ্যাডিনো সংক্রমণ, অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেসের ক্ষেত্রেও করা হবে ডেথ অডিট। সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নিল ৮ সদস্যর টাস্ক ফোর্স। বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে প্রোটোকল তৈরি করবে রাজ্য সরকার। আজই বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।

    টাস্ক ফোর্স

    এআরআই মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে রাজ্য সরকার। সেই টাস্ক ফোর্সের মাথায় রয়েছেন মুখ্যসচিব। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তৈরি ওই টাস্ক ফোর্স প্রতিদিন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। ১৩ মার্চ প্রথম বার বৈঠকে বসেছিল টাস্ক ফোর্স। সেখানে প্রয়োজনীয় কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। পদক্ষেপগুলো কী কী দেখে নিন-

    ১) বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।   

    ২) এআরআই নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজে সাহায্য করবে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) এবং ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিশিয়ানস (আইএপি)।

    ৩) সাধারণ মানুষকে সচেতন এবং শিশুদের প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের।

    ৪)  সরকারি পোর্টাল এবং সমাজমাধ্যমের দ্বারাও সাধারণ মানুষকে এআরআই নিয়ে সচেতন করা হবে।

    ৫) বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসুস্থ শিশুদের খোঁজ নেবেন আশাকর্মীরা, যাতে প্রাথমিক স্তরেই সংক্রমণ নির্ণয় করা যায়।     

    ৬) হাসপাতালে সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা চলছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ দেখবেন সিনিয়র চিকিৎসকেরা।

    ৭) বেসরকারি হাসপাতালেও নজর দেওয়া হবে। নিয়ম মেনে সেখানে চিকিৎসা হচ্ছে কি না, তা-ও দেখা হবে।     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Oscar for RRR: ‘‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক মানুষ চেনেন, আরআরআর-এর অস্কার জয়ই প্রমাণ’’, কেন এ কথা বললেন পীযুষ?

    Oscar for RRR: ‘‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক মানুষ চেনেন, আরআরআর-এর অস্কার জয়ই প্রমাণ’’, কেন এ কথা বললেন পীযুষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেরা মৌলিক গানের বিভাগে অস্কার পেল এসএস রাজামৌলীর মাস্টারব্লাস্টার মুভি আরআরআর-এর জনপ্রিয় গান নাটু নাটু। এই চলচ্চিত্রের হাত ধরে সারা বিশ্ব চিনেছে আরআরআর-এর শিল্পীদের। কিন্তু এর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বীকৃতি দিয়েছেন এই ছবির চিত্রনাট্যকার  ভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদকে। সম্প্রতি কয়েক মাস আগেই বিজয়েন্দ্র প্রসাদকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মানুষ চিনতে ভুল করেন না। শিল্পীকে সঠিক মর্যাদা দেন বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল।

    যোগ্য ব্যক্তিই রাজ্যসভার সাংসদ 

    প্রধানমন্ত্রীর জুহুরির চোখ তিনি সোনা চিনতে ভুল করেননি বলে মনে করছে শিল্পীমহল। সাধারণত দেখা যায়, বিদেশে কোনও পুরস্কার পাওয়ার পর দেশে বিজেতাদের নিয়ে লাফালাফি করা হয়। এক্ষেত্রে অন্তত তার আগেই শিল্পীদের সম্মান দেওয়া হয়েছে। শ্রী বিজয়েন্দ্র প্রসাদকে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত করা হয়েছে। পদ্মভূষণ (Padma Bhushan) সম্মান দেওয়া হয়েছে আরআরআর সিনেমার কম্পোজার এমএম কিরভানিকেও (RRR movie composer MM Keeravaani)।

    দেশের শীর্ষস্থানীয় চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালকদের একজন হলেন ভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। অন্ধ্রপ্রদেশের কোভভুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাহুবলী সিরিজ এবং বজরঙ্গি ভাইজানের মতো বেশ কিছু হিন্দি ও তেলেগুচলচ্চিত্র তৈরি করেছেন। তাঁর কিছু তৈরি চলচ্চিত্র আঞ্চলিক সীমানা অতিক্রম করেছে এবং সারা দেশে খ্যাতিলাভ করেছে। তাঁর ছেলে এসএস রাজামৌলি দেশের অন্যতম বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক। প্রধানমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন, কয়েক দশক ধরে সৃজনশীল জগতের সঙ্গে যুক্ত বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। তাঁর কাজ ভারতের গৌরবময় সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করেছে। এখন সারা বিশ্ব তাঁর কাজের স্বীকৃতি দিচ্ছে বলে অভিমত, গোয়েলের। সোমবার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সে কথা ব্যক্ত করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘আরআরআর’-র হাত ধরে ভারতে এল অস্কার, ‘বেস্ট অরিজিন্যাল সং’ বিভাগে সেরার শিরোপা পেল ‘নাটু নাটু’

    উল্লেখ্য, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের পর এবার ৯৫ তম অস্কারের মঞ্চেও নাটু নাটুর জয়জয়কার। অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে জোড়া অস্কার জিতছে ভারত। সেরা মৌলিক গানের বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছ  আরআরআর-এর জনপ্রিয় গান নাটু নাটু। এই গানের জন্য পুরস্কার নেন ‘নাটু নাটু’-র সুরকার এমএম কিরভানি ও চন্দ্রাবোস। সেরা তথ্যচিত্র বিভাগে অস্কারের মঞ্চে পুরস্কার এসেছে ভারতীয় তথ্যচিত্র The Elephant Whisperers-এর ঝুলিতে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC West Bengal: ‘টিলা থেকে দুর্নীতি পৌঁছে গিয়েছে এভারেস্টের চূড়ায়’, শান্তনু প্রসঙ্গে বলল ইডি

    SSC West Bengal: ‘টিলা থেকে দুর্নীতি পৌঁছে গিয়েছে এভারেস্টের চূড়ায়’, শান্তনু প্রসঙ্গে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার ছোট টিলা থেকে দুর্নীতি পৌঁছে গিয়েছে এভারেস্টের চূড়ায়। সোমবার নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC West Bengal) গ্রেফতার হওয়া যুব তৃণমূল (TMC) নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদালতে পেশ করে এমনই দাবি করল ইডি (ED)। শান্তনুর জামিনের আর্জির বিরোধিতা করে প্রভাবশালী তত্ত্ব খাড়া করেছেন ইডির আইনজীবী। তাঁর দাবি, শান্তনুর যে ২টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেগুলি সোনার খনি। সেখানে এমন অনেকের অ্যাডমিট কার্ড পাওয়া গিয়েছে, যাঁরা চাকরি পেয়েছেন। এমন কতজনকে শান্তনু চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন তা জানার চেষ্টা চলছে। ইডির আইনজীবী বলেন, চার্জশিটে যাঁদের নাম রয়েছে, দেখলে চমকে যাবেন। তিনি জানান, শান্তনু দুটি আইফোন ব্যবহার করতেন। সেখান থেকে অ্যাডমিট কার্ডের পাশাপাশি মিলেছে প্রচুর নথিও।

    ইডির প্রভাবশালী তত্ত্ব…

    শান্তনু যে প্রভাবশালী, এদিন আদালতে তার সপক্ষে যুক্তিজাল বিস্তার করেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, শান্তনুর সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। তল্লাশির সময় তাঁর বাড়িতে দুজন হিসাবরক্ষক ছিলেন। ইডির দাবি, শান্তনু (SSC West Bengal) গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলেই প্রাণসংশয়ের আশঙ্কা করতেন। এদিন শান্তনুর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির প্রসঙ্গও উঠে আসে ইডির সওয়ালে। ইডির আইনজীবীর প্রশ্ন, ২০১৫ সালে সামান্য মোবাইলের দোকানদার থেকে কীভাবে শান্তনু ৫১ কাঠা জমির মালিক, রিসর্ট, রেস্তোরাঁর মালিক হলেন?

    আরও পড়ুুন: কার মাধ্যমে কাকে চাকরি? বিধানসভায় ছবি-পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    স্ত্রীর নামে কোম্পানি খুলে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করেছেন শান্তনু। অন্তত ইডির আইনজীবীর দাবি এমনই। শান্তনু গ্রেফতার হতেই খোঁজ মিলছে না তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জেরায় কুন্তল শান্তনুকে ১ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলেও যে স্বীকার করেছেন, এদিন তাও আদালতকে জানান ইডির আইনজীবী। ইডির দাবি, শান্তনুর ফোনে ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের একাংশের অ্যাডমিট কার্ড রয়েছে। যাঁরা চাকরি (SSC West Bengal) পেয়েছেন, তাঁদের অ্যাডমিট কার্ড কীভাবে শান্তনুর ফোনে এল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বাকি যে ৩০০ জনের লিস্ট উদ্ধার হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কারা কারা চাকরি পেয়েছেন, তা জানার জন্য ডিপার্টমেন্টের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে বলে আদালতে জানায় ইডি।   

    প্রসঙ্গত, ইডি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল শান্তনুর বাড়ি থেকে ৩০০ জন চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবারই নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করা হয় হুগলির বলাগড়ের তৃণমূল নেতা শান্তনুকে। দু দিনের হেফাজত শেষে এদিন তাঁকে ফের আদালতে পেশ করে ইডি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ আনছে ২১টি নতুন ইমোজি, জানুন বিস্তারিত

    WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ আনছে ২১টি নতুন ইমোজি, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের মেটা অধীকৃত হোয়াটসঅ্যাপে  আরও একটি নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) যোগ হতে চলেছে। জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপে ২১টি নতুন ইমোজি দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। আর তা শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যই প্রাথমিক অবস্থায় উপলব্ধ হবে। পরবর্তীকালে অবশ্যই আইওএস প্ল্যাটফর্মে আসবে। কিন্তু এই ফিচার আপডেট ঠিক কবে অ্যাপল আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আসবে, সে নিয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।

    নিজেদের মনের ভাব হোক বা অনুভূতি ইমোজি তো সবসময়ই ব্যবহার করি আমরা

    মেসেজ হোক কিংবা রিপ্লাই বা কারও কোনও পোস্ট অথবা স্টেটাস আপডেটে রিঅ্যাক্ট করা কম-বেশি আমরা সবাই ইমোজি ব্যবহার করে থাকি। অনেক ক্ষেত্রেই ইমোজি সেই ভাষা, আবেগ কিংবা অনুভূতির জানান দিতে পারে, যা অনেক সময় ভাষাতেও বোঝানো যায় না। সেই কারণে ইমোজির এত জনপ্রিয়তা  সারা বিশ্বে। এই ইমোজি পাঠানোর ক্ষেত্রে  অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে সেই সুবিধাও রয়েছে, নিজের ইচ্ছে মতো কাস্টোমাইজ করে যে কোনও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ইউজ করার। অনেকেই অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপ ইউজ করে ইমোজি রিপ্লাই বা রিঅ্যাক্ট দেন। আইওএস প্ল্যাটফর্মে সেই অপশন অনেকটাই সীমিত। 

    কী বলছে হোয়াটসঅ্যাপ টিম

    হোয়াটসঅ্যাপ টিম জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) নিয়ে আসছে। এবার থেকে আর আলাদা কিবোর্ড ইউজ করতে হবে না ইমোজি মেসেজ পাঠানোর জন্য। হোয়াটসঅ্যাপ কিবোর্ড থেকেই ২১টি ইমোজি পাঠাতে পারবেন। আপাতত এই ফিচার হোয়াটসঅ্যাপ বিটা ভার্সনের জন্য উপলব্ধ। যেহেতু এটি ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে আছে, তাই সমস্ত বিটা টেস্টার কিংবা ইউজারদের জন্য উপলব্ধ নেই। হোয়াটসঅ্যাপ নতুন আপডেট পাঠাচ্ছে। ইউনিকোড আপডেট যাঁরা পাবেন, তাঁরাই এই ২১টি নতুন ইমোজি ব্যবহার করতে পারবেন হোয়াটসঅ্যাপ কিবোর্ড থেকে। এর আগের আপডেটে সংশ্লিষ্ট বিটা ইউজাররা ইমোজি পেলেও, তা কিবোর্ড দেখা যাচ্ছিল, কিন্তু পাঠানো যাচ্ছিল না। তবে এবার সরাসরি পাঠানো যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের! কৃষকদের হয়ে সওয়াল শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের! কৃষকদের হয়ে সওয়াল শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলুর বন্ড বিলি ঘিরে আলুচাষিদের (Potato Farmer) বিক্ষোভের ঘটনা বিধানসভা চত্বরে তুলল বিজেপি। বিধানসভার বাইরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। বিজেপির সোনামূখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর ক্ষেতের আলু নিয়ে এই বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিন বিধানসভার বাইরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আলু চাষিরা বিঘা প্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা ক্ষতিতে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমরা বিধানসভায় আজ এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি। কিন্তু তার উত্তর সন্তোষজনক নয়। আমরা চাই সরকার যে এমএসপি ঘোষণা করেছে সেই এমএসপি মূল্যে আলু ক্রয় করতে হবে। এই বছরের শর্টটার্মের কৃষি ঋণ রাজ্য সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য দিতে হবে।” বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আলু চাষিরা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তাঁদের দাবি, ফলনে যে খরচা হচ্ছে সেই খরচায় তাঁদের পোশাচ্ছে না। আরও বেশি দাম আশা করেন তাঁরা। এমনকী সরকারেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কয়েকদিন আগে হুগলিতেও বড় মাপের বিক্ষোভ হয়েছিল।

    আরও পড়ুন:শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, শর্তসাপেক্ষে মিলল আদালতের অনুমতি

    চা-বাগান নিয়েও সওয়াল

    সোমবার বিধানসভার কৃষকদের অধিকারের দাবিতে বিধানসভার ভিতরে এবং পরে বিধানসভার বাইরেও বিক্ষোভ দেখান শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন বিজেপির বিধায়কেরা। সেই বিক্ষোভে শুভেন্দু-সহ বিজেপির সমস্ত বিধায়কই হাজির হন হাতে আলু এবং গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে। শাসককে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিধায়করা বলেন, ‘‘এই সরকার শুধু চোর ডাকাতদের হাত মজবুত করতে জানে, কৃষকদের স্বার্থের কথা বললেই মুখে কুলুপ দেয়।’’ আলুচাষিদের পাশাপাশি শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) বিক্ষোভে উঠে আসে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান এবং জঙ্গল কেটে আবাসন নির্মাণের প্রসঙ্গও।  শুভেন্দু বলেন, ‘‘জঙ্গল কেটে উষ্ণায়ন বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর যাঁরা জঙ্গল কাটছেন, তাঁরা সরকারের তহবিল ভরছেন বলে তাঁদের কিছু বলা হচ্ছে না।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: কার মাধ্যমে কাকে চাকরি? বিধানসভায় ছবি-পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    Suvendu Adhikari: কার মাধ্যমে কাকে চাকরি? বিধানসভায় ছবি-পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছেন গ্রুপ সি-র ৮৪২ জন। এঁদের অনেকেই তৃণমূলের (TMC) নেতা-নেত্রীর আত্মীয়-পরিজন। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলেই স্কুলের চাকরি জুটেছিল। এমনই দাবি করে চাকরি হারানো বেশ কয়েকজনের ছবি নিয়ে প্রদর্শনী করল বিজেপি (BJP)। সোমবার ছিল এই পর্বে বিধানসভা অধিবেশনের শেষ দিন। এদিনই বিধানসভার ২ নম্বর গেটের সামনে আয়োজিত ওই প্রদর্শনীতে অংশ নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং বিজেপির অন্য বিধায়করা।

    প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)…

    আদালতের নির্দেশে যাঁরা চাকরি খুইয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতর ভাই খোকন মাহাত। এদিন তাঁদের ছবি ছিল। ছবি ছিল তৃণমূল নেত্রী অসীমা পাত্রর সঙ্গে তাঁর চাকরি খোয়ানো ভাগ্নির। চাকরি গিয়েছে বাঁকুড়ার তৃণমূল নেতার ছেলেরও। রিষড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁর চাকরি খোয়ানো স্ত্রীর ছবিও। এদিন যে ১২ জনের ছবি সম্বলিত পোস্টার দেখা গিয়েছে, তাদের মধ্যে তৃণমূলের বিধায়ক, মন্ত্রী, পঞ্চায়েত সদস্য এবং জেলা সভাপতির আত্মীয়দের নাম রয়েছে। রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নামও। তৃণমূলের এক কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের সদস্য এবং যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি নিজেই বেআইনিভাবে চাকরি নিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে পোস্টারগুলিতে। এদিনের পোস্টার প্রদর্শনীতে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা সহ বিজেপি বিধায়করা।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, এদিন থেকে শুরু হল এই প্রদর্শনী। রাজ্যের মানুষকে চেনানো হবে কোন চোরেদের তাঁরা মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা বানিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে রাজ্যের শাসক দল। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের বঞ্চিত করে নিজেদের অযোগ্য আত্মীয়-পরিজনদের চাকরি দিয়েছেন তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। রাজ্যের শাসক দলকে আরও গাড্ডায় ফেলতে কোমর কষে নামছে বিজেপি। এদিন সূচনা হল তারই। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলার প্রতিটি পাড়ায় এই প্রদর্শনী করা হবে। লোককে দেখানো হবে এই হল মা-মাটি-মানুষের পার্টি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share