Blog

  • Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিলের তালিকায় প্রকট হচ্ছে তৃণমূল-যোগ, কারা তাঁরা?

    Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিলের তালিকায় প্রকট হচ্ছে তৃণমূল-যোগ, কারা তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস থেকে লাগাতার নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগ সামনে আসায় মুখ পুড়েছে রাজ্যের। শুক্রবার গ্ৰুপ সি-র চাকরি বাতিলের তালিকা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। কারণ এই ৮৪২ জনের বাতিল হওয়া তালিকায় জ্বলজ্বল করছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার শাসক দলের একের পর এক নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে তাঁদের পরিবারের সদস্যের নাম। কারা নেই সেখানে, রাজ্যের মন্ত্রীর ভাই থেকে তৃণমূল নেতার স্ত্রী থেকে শুরু করে বিধায়কের মেয়ে, জামাই, ভাইঝি ইত্যাদি।

    কোন জায়গায় শাসকদলের কোন কোন পরিজনরা চাকরি হারালেন…

    মিনাখা

    সূত্রের খবর, গ্রুপ সি-র চাকরি পেয়েছিলেন মিনাখার তৃণমূল বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডলের মেয়ে বিনতা মণ্ডল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে শনিবার তাঁর চাকরি গেল। ওএমআর শিটে ৬০টি প্রশ্নের মধ্যে ৫৮টির জবাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ওই ৫৮টির মধ্যে মাত্র চারটি ঠিক উত্তর ছিল, বাকি সব ভুল। বেলঘরিয়া নন্দননগর আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের গ্রুপ সি-র কর্মী ছিলেন বিনতা। আরও জানা গিয়েছে, ডিএ ধর্মঘটের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি স্কুলেও গিয়েছিলেন বিনতা (Recruitment Scam) ।

    উত্তর দিনাজপুর

    ভুয়ো চাকরির তালিকায় এবার উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শচীন সিংহ রায়ের ভাইপো ও কালিয়াগঞ্জ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বসন্ত রায়ের ছেলের নাম উঠে এসেছে। কালিয়াগঞ্জ শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শচীন সিংহ রায়। পার্শ্ববর্তী বাড়ি তাঁর দাদা প্রয়াত তৃণমূল নেতা অর্জুন সিংহ রায়। অর্জুন সিংহ রায়ের পুত্রই হলেন শুভাশিস সিংহ রায়। তবে শচীন তাঁর ভাইপোর এই চাকরি হারানোর বিষয়ে কোন দায় নিতে চাননি।

    অন্যদিকে কালিয়াগঞ্জ শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বসন্ত রায়ের ছেলে অলোক কুমার রায়। অলোক গ্রুপ সি পদে আলিপুরদুয়ারের জয়ন্তী হাই স্কুলে কাজ করেছিলেন। তবে বসন্ত রায়ের কথায়, “চাকরি নিয়ে কেস হতে পারে শুনে ছয় মাস আগেই চাকরি ছেড়ে বাড়ি চলে এসেছে আমার ছেলে।  ওই জঙ্গলের মধ্যে ছেলের মন টিকছিল না।”

    আবার ইটাহারের ছয়ঘড়া হাইস্কুলের গ্রুপ সি পদে কর্মরত ছিলেন সামসুর রহমান। তিনি হেমতাবাদ ব্লকের যুব তৃণমূল সহ সভাপতি এবং হেমতাবাদের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। ফলে সামসুরও চাকরি হারিয়েছেন (Recruitment Scam) ।

    হুগলি

    হুগলির ধনিয়াখালী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্পিতা বারিকের কন্যা রণিতা বারিক। অন্যদিকে, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ধনিয়াখালী বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের বোনঝি রণিত বারিক। রণিতার নামও রয়েছে এই তালিকায়।

    দুর্গাপুর

    দুর্গাপুরের আইএনটিটিইউসির-সহ সভাপতি সমীর মুখোপাধ্যায়ের ছেলে অর্ণব মুখোপাধ্যায়। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ এসএসসি গ্রুপ-সির চাকরির লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিল সে। এরপর দুর্গাপুর প্রোজেক্টস্ টাউনশিপ বয়েজ হাইস্কুলে চাকরি পায় সে। ছেলের চাকরি যাওয়া প্রসঙ্গে সমীরবাবুকে প্রশ্ন করা হলে উল্টে তিনি বলেন, “আমি কখনোই চাইনি আমার ছেলে এই চাকরি করুক।” আবার চাকরি হারানো নিয়ে শাসকদলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সমীরবাবু। তিনি বলেন, “দল করাটাই এতদিন ভুল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। শিক্ষা দফতর তো সব দেখে শুনেই চাকরি দিয়েছিল। আজ সরকার এদের পাশে দাঁড়াবে না? বেকার ছেলেমেয়েদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি করা হল এই সরকারের আমলে (Recruitment Scam) ।”

    আমতা

    এবারে আদালতের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে আমতার পঞ্চায়েত প্রধানের। জানা গিয়েছে, আমতা বিধানসভার সাবসীট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন শেখ সাদ্দাম হোসেন। তাঁর নামও ছিল এই তালিকায়।

    মালদা

    হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গেল মালদহের তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর রামপুর গ্রামের বাসিন্দা তৃণমূল নেতা প্রকাশ দাসের দুই মেয়ে মাম্পি দাস, শম্পা দাস এবং জামাই বিপ্লব দাসের চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের রায়ে (Recruitment Scam)।

  • World Test Championship: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    World Test Championship: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। টানা দ্বিতীয় বার। ফাইনালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে। আহমেদাবাদে ভারত অস্ট্রেলিয়া চতুর্থ টেস্ট ড্র হলেও,  ক্রাইস্টচার্চ থেকে সুখবর চলে আসে সকালেই। দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালে যাওয়ার দৌড়ে ভারতের সঙ্গে ছিল শ্রীলঙ্কাও। তার জন্য নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিততে হত শ্রীলঙ্কাকে। কিন্তু প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের নাটকীয় জয় শ্রীলঙ্কাকে ছিটকে দিল। শেষ বল থ্রিলারে শ্রীলঙ্কাকে হারাল নিউজিল্যান্ড। এর ফলেই ভারতের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায়। 

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ৩৫৫ রান করে। একটা সময় নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ১৫১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সেই সময় শ্রীলঙ্কার কাছে সুযোগ ছিল উইলিয়ামসনদের চাপে ফেলার। কিন্তু সেখান থেকেই কিউয়িরা ১৮ রানের লিড নিয়ে নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা ৩০২ রান করে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১১৫ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৮৫ রানের লক্ষ্য দেন তাঁরা। টেস্টের শেষ দিনে নিউজিল্যান্ড সেই রান তাড়া করে জেতে। সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ভারত চলে যায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।

    আরও পড়ুন: প্রায় সাড়ে তিন বছর পর টেস্টে শতরান বিরাটের

    কখন কোথায় ফাইনাল

    আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। ১১ জুন পর্যন্ত চলতে পারে খেলা। ইংল্যান্ডের কেনসিংটন ওভালে মুখোমুখি হবে দু’দল। পাঁচ দিনের ফাইনাল টেস্টের জন্য রাখা হয়েছে একটি অতিরিক্ত দিন। বৃষ্টি বা কোনও কারণে খেলার সময় কমে গেলে, অতিরিক্ত দিনে খেলা গড়াবে। ১২ জুন রাখা হয়েছে অতিরিক্ত দিন হিসাবে।

    অন্যদিকে এদিন ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট অমীমাংসিত ভাবেই শেষ হয়। ম্যাচ যে ড্র হতে চলেছে, এটা বোঝাই যাচ্ছিল। তবে ম্যাচ ড্র হলেও বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি জিতল ভারতই। ২-১ ব্যবধানে এই সিরিজ জেতে টিম ইন্ডিয়া। তবে শেষ দিনে ভারতীয় বোলিং নিয়ে রোহিত শর্মাকে দেখা গেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে। হঠাৎই তিনি বল তুলে দিলেন শুভমন গিলের হাতে। ছ’টা বল করলেন শুভমন। তার পরের ওভারে আবার চমক। এ বার বল উঠে এল চেতেশ্বর পুজারার হাতে। তিনিও এক ওভার বল করলেন। ভারত পেয়ে গেল অতিরিক্ত দুই স্পিনার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UGC: দরকার নেই পিএইচডি-র, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে নেট উত্তীর্ণ হলেই হবে, জানাল ইউজিসি 

    UGC: দরকার নেই পিএইচডি-র, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে নেট উত্তীর্ণ হলেই হবে, জানাল ইউজিসি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সহকারী অধ্যাপক পদের জন্য ডক্টর অফ ফিলোজফি বা পিএইচডি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়, একথা জানালেন ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশনের (ইউজিসি) (UGC) চেয়ারপার্সন এম জগদীশ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, এ বার থেকে শুধু ন্যাশানাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পাশ করলেই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি মিলবে।

    আরও পড়ুন: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    হায়দ্রাবাদে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানে একথা বলেন ইউজিসি-র (UGC) চেয়ারম্যান

    হায়দরাবাদে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নবনির্মিত ইউজিসি (UGC)-এইচআরডিসি ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জগদীশ কুমার। সেখানেই তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপকদের নিয়োগে পিএইচডি ডিগ্রিকে আর বাধ্যতামূলক থাকছে না।

    আরও পড়ুন: ‘সীমান্তে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে যোগ্য জবাব দেবে মোদির ভারত’, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    ইউজিসির এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ কী

    দেশের নানা প্রান্তে অনেক যোগ্য প্রার্থীরা রয়েছেন যাঁরা পিএইচডি ডিগ্রি না পাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে পারছেন না। তাঁদের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান জগদীশ কুমার। তাঁর আরও সংযোজন, এক দেশ-এক তথ্য সম্বলিত একটি পোর্টাল খুলছে ইউজিসি (UGC)। সেখান থেকে তাদের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদেরও শিক্ষার পাঠ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: সিলিকন ভ্যালির পর এবার দেউলিয়া সিগনেচার ব্যাঙ্ক! কী বললেন জো বাইডেন?

    প্রসঙ্গত, এর আগে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপকের পদে আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হিসাবে পিএইচডি ডিগ্রির উল্লেখ করেছিল ইউজিসি (UGC)। পরবর্তীকালে কেন্দ্র সেই নির্দেশিকায় সংশোধন করে। নির্দেশিকাটি ২০২১ সাল থেকেই প্রযোজ্য হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে সেই প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। তত দিন নেটের ফলাফলের মাধ্যমেই নিয়োগ হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্কিং সঙ্কট আমেরিকাতে! দেউলিয়া সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্ক, ভারতে এর প্রভাব কী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Shantanu Banerjee: ‘মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল, টাকা সরাচ্ছে অন্য রাজ্যে’, বিস্ফোরক দাবি শান্তনুর

    Shantanu Banerjee: ‘মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল, টাকা সরাচ্ছে অন্য রাজ্যে’, বিস্ফোরক দাবি শান্তনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ কুন্তল ঘোষই। মিথ্যা অভিযোগ করে তদন্ত ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিস্ফোরক দাবি করলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত তৃণমূলের যুব নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় (Shantanu Banerjee)। কুন্তল টাকা অন্য রাজ্যে পাঠাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এদিন দুপুরে বলাগড়ের যুব নেতাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করার সময়েই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। আর তখনই এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেন তিনি।

    অবশেষে মুখ খুললেন শান্তনু

    শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Shantanu Banerjee) ৬ বার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে তলব করা হয়েছিল। জেরার সম্মুখীনও হয়ে কখনই এর আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে সেভাবে মুখ খোলেননি শান্তনু। গ্রেফতারির পর প্রথম দিন তিনি দাবি করেছিলেন, “আমি টাকা নিই নি, আমি কাউকে টাকা দিইনি।” কিন্তু আজ ইডি হেফাজত শেষে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলার আগেই এমন দাবি করলেন।

    এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শান্তনু (Shantanu Banerjee) বলেন, “এই কেসের মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল। ও ডাইভার্ট করানোর জন্য এসব করছে। কুন্তল লোকজনকে ভয় দেখাচ্ছে। টাকা সরাচ্ছে। অন্য রাজ্যে টাকা পাচার করছে ওর লোকজন। কয়েক’শ এজেন্টের কাছ থেকে কয়েক’শ কোটি টাকা তুলেছে কুন্তল।” এর সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, “আমার সব কিছু লিগাল। আগামীদিনে প্রমাণ হবে।”

    আরও পড়ুন:শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, শর্তসাপেক্ষে মিলল আদালতের অনুমতি

    অন্য রাজ্যে টাকা সরাচ্ছে কুন্তল!

    প্রসঙ্গত, কুন্তল সেই জানুয়ারি মাস থেকে ইডি হেফাজতের পর জেল হেফাজতে রয়েছে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে, কুন্তলের আরও কত টাকা রয়েছে যা তিনি জেলের ভিতর থেকে অন্য রাজ্যে সরিয়ে দিচ্ছেন? শান্তনুর (Shantanu Banerjee) দাবি কতটা সত্যি, তাও তদন্তের বিষয়। তবে এই দাবি যে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এক নয়া মোড় এনে দিয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।  

    উল্লেখ্য, সূত্রের খবর, জেলা তৃণমূলের মোটামুটি সবারই জানা, শান্তনু-কুন্তলের সম্পর্ক ছিল দাদা-ভাইয়ের। কুন্তলকে ভাই বলেই জনসমক্ষে ডাকতেন শান্তনু (Shantanu Banerjee)। আর সেই দাদা শান্তনুই এখন ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। উল্লেখ্য, আজ ব্যাঙ্কশাল আদালতে শান্তনুকে পেশ করে আবার নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানাবে ইডি। কিন্তু আদালত কী নির্দেশ দেয় এখন সেটাই দেখার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) জেরবার রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি চলে গিয়েছে। এরইমধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam)  বড়সড় অনিয়ম সামনে এসেছে। কাউন্সেলিং ছাড়াই নবম-দশমে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর সেটা অন্যজনের রোল নম্বর ব্যবহার করেই কাউন্সেলিং ছাড়াই একজন বহাল তবিয়তে ইংরেজি শিক্ষক পদে চাকরি করছেন। জানা গিয়েছে, ১২২১১৬৭৬০০০০০৩-এই রোল নম্বরটি সালমা সুলাতানার। তাঁর বাড়ি বোলপুর। তাঁকে কাউন্সেলিংয়ে কখনও ডাকা হয়নি। অথচ তাঁর এই রোল নম্বরেই অন্য একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।  এসএসসি-র এই নিয়োগ দুর্নীতির (Scam) বিষয়টি সামনে আসতেই খোদ হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু হতবাক হয়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের কাছে তিনি রিপোর্ট তলব করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজনের রোল নম্বরে অন্যজনকে কী করে নিয়োগপত্র দেওয়া হল। ফলে, এর পিছনে বড়সড় চক্র কাজ করেছে। আর এই রোল নম্বর কারচুপি করে নিয়োগপত্র কাকে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    নিজের রোল নম্বর চুরি হওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন  সালমা সুলতানা? Scam

    সালমা সুলতানা শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁর পরীক্ষার যে রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে তাঁর অ্যাকাডেমিক নম্বর ছিল ৩৩। আর লিখিত পরীক্ষায় ওএমআর শিটের নম্বর ছিল ৪৯। ২০১৮ সালে তাঁকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়। তারপর তাঁর নাম ওয়েটিং লিস্টে ছিল। কাউন্সেলিংয়ে তাঁকে আর ডাকা হয়নি। পরবর্তীতে আদালত এসএসসি-র কাছে ওএমআর শিট চেয়েছিল। তাতে দেখা যায় তাঁর নম্বর ৪৮। চাকরি না পেয়ে কলকাতায় এসএলএসটি-র যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। সালমা সুলতানা বলেন, কাউন্সেলিংয়ে আমাকে ডাকা হয়নি। তারজন্য আক্ষেপ নেই। কিন্তু, কিছুদিন আগেই জানতে পারি আমার রোল নম্বরে অন্যজন চাকরি করছে। তাঁকে তো কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়েছে? না হলে সে কী করে চাকরি পেল। আর ওই রোল নম্বর ধরে দপ্তর থেকে ডাকা হলে আমি জানতে পারব। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কোনও কাউন্সেলিং না করেই নিজের মনের মতো কাউকে চাকরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি বিষয়টি জানতে পারিনি। আমাকে অন্ধকারে রেখে আমার রোল নম্বর ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে একজন শিক্ষকতা করছেন এটা হতে পারে না। এই দুর্নীতির (Scam)  বিরুদ্ধেই আমি সরব হয়েছি। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। বিচার ব্যবস্থার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ১৪ মার্চ। নন্দীগ্রাম দিবস। এদিন নন্দীগ্রামে (Nandigram) শহিদ তর্পণ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। নন্দীগ্রামের ওই সভায় বক্তৃতা করার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দাবি, নন্দীগ্রামে শহিদ তর্পণের ওই সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তার পরেই সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পদ্ম শিবির। আদালত সূত্রে খবর, বিচারপতি মান্থা তাদের মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় না পুলিশের…

    অবশ্য এই প্রথম নয়, শুভেন্দুর সভায় একাধিকবার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। অতীতে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে একাধিক ইস্যুতে সভা করার ক্ষেত্রে বাধা এসেছে। যদিও শেষতক তাতে হার মানেনি গেরুয়া শিবির। হার মানেননি শুভেন্দু স্বয়ংও। এবারও নন্দীগ্রাম দিবসে শহিদ তর্পণ সভার অনুমতি না মেলায় ফের আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি।

    গত বছরও ১৪ মার্চ শহিদ তর্পণ উপলক্ষে একই জায়গায় আলাদা দুটি সভা করেছিল বিজেপি ও তৃণমূল। গোকুলনগরে পদযাত্রা করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। আর ওই দিনই সকালে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে এলাকায় সভা করার কথা ছিল তৃণমূলের। তার পরেই শুরু হয় অশান্তি। শহিদ মঞ্চে মাল্যদান করার পর মূল মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। মঞ্চে কোন নেতা থাকবেন, কে বক্তব্য রাখবেন, তা নিয়েই শুরু হয়েছিল অশান্তি। পরে তৃণমূল নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে সমস্যা মেটে।

    আরও পড়ুুন: মুকুলের বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তার পর থেকে ফি বছর ১৪ মার্চ দিনটিকে নন্দীগ্রাম দিবস হিসেবে পালন করে আসছে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। বরাবর এই কমিটির নেতৃত্বে থাকে তৃণমূল। পরে বিজেপিও দিনটি পালন করতে শুরু করে মর্যাদার সঙ্গে। এগারোর বিধানসভা নির্বাচনে নির্ণায়ক শক্তি হয়েছিল এই নন্দীগ্রামের আন্দোলন। যার জেরে অবসান ঘটে সাড়ে তিন দশকের বাম জমানার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছিল নন্দীগ্রাম। কারণ এখানে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে গোহারা হারান বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সেই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় না পুলিশের। তার জেরেই বিজেপির আদালত যাত্রা।

    এদিন অবশ্য শর্ত সাপেক্ষে সভার অনুমতি মেলে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা জানিয়ে দেন, শুভেন্দুকে সভা শেষ করতে হবে দু ঘণ্টার মধ্যে। সভা করতে হবে সকাল ৮টা থেকে। তৃণমূলকে সাড়ে ১০টার মধ্যে সভার জায়গা খালি করে দিতে হবে। সভা করতে হবে শান্তিপূর্ণভাবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওষুধের দোকানে সহজে মিলছে না ওষুধ। অনলাইনে ওষুধ কিনতে গেলে ভেসে উঠছে, “সোল্ড আউট” লেখা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী এখন ঘরে ঘরে। দেশ জুড়ে বাড়ছে ভাইরাল ফ্লু-তে (Viral Flu) আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর (fever) সারলেও থেকেই যাচ্ছে কাশি, গলা খুসখুস। হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে H3N2 সংক্রমণ নিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১৩ দিন পরে রবিবার সারা দেশে একদিনে ৫২৪ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর আগে ২০২২-এর ১৮ নভেম্বর সারা দেশে ৫০০ জন সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। রবিবারের সংখ্যা ধরে এই মুহূর্তে সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬১৮ জন। 

    বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

    কেরলে করোনার সংক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।  এই সংখ্যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ৫,৩০, ৭৮১। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত সাত দিনে সংক্রমণের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়েছে। গত সাত দিনে নতুন করে ২৬৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগেকার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও স্বস্তির কথা এটাই যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা বৃদ্ধি পায়নি। সুস্থ হওয়ার হার ৯৮.৮০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    চিন্তা বাড়াচ্ছে H3N2 ভাইরাস

    কোভিডের থেকে এই মুহূর্তে সারা দেশে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে H3N2 ভাইরাসের সংক্রমণের ঘটনা। সাধারণভাবে H3N2 ভাইরাসে কেউ সংক্রমিত হলে, তাঁর দুর্বলতা ও ক্লান্তি থেকে সেরে উঠতে সময় লেগে যায় প্রায় ২ সপ্তাহের মতো। এই ভাইরাসের আক্রমণে কাশি, নাক থেকে জল পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলাব্যথা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ লক্ষ করা যায়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া, বমি, সারা শরীরে যন্ত্রণাও লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য উপসর্গ কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি সময় লাগছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার অতি সাধারণ উপরূপ এইচ৩এন২-এর আক্রমণে শিশুদের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ছে। দিন দিন হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kiran Reddy: ফের কংগ্রেস ছাড়লেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে?

    Kiran Reddy: ফের কংগ্রেস ছাড়লেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপদে কংগ্রেস (Congress)। ফের দল ছাড়লেন আরও একজন। তেলঙ্গানা গঠনের আগে অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কিরণ কুমার রেড্ডি (Kiran Reddy)। ২০১০ সাল থেকে টানা তিন বছর তিনি কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেই তিনিই ফের ছেড়ে দিলেন কংগ্রেস। ১১ মার্চ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে এক লাইনের একটি পদত্যাগপত্র পাঠান রেড্ডি। তাতে তিনি লেখেন, এই চিঠিটিকে জাতীয় কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফাপত্র হিসেবে গণ্য করা হোক। মাত্র পাঁচ বছর আগে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন রেড্ডি। পরে হয়েছিলেন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি ছাড়লেন কংগ্রেস সঙ্গ।

    রাজ্য ভাগের বিরোধিতা করেন কিরণ রেড্ডি (Kiran Reddy)…

    ২০১৪ সালে একবার কংগ্রেস ছেড়েছিলেন রেড্ডি (Kiran Reddy)। তখন ইউপিএ সরকার অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ঠিক হয়, একটি রাজ্য হবে অন্ধ্রপ্রদেশ, অন্যটি হবে তেলঙ্গানা। কিরণ রেড্ডি রাজ্য ভাগের বিরোধিতা করেছিলেন। বিধানসভায় এ নিয়ে বিস্তর হইচইও করেছিলেন। ইউপিএ সরকারের রাজ্য ভাগের এই সিদ্ধান্তের বিস্তর মূল্য চোকাতে হয় কংগ্রেসকে। সেই সময় বেশ কয়েকজন নেতা কংগ্রেস ছেড়ে দেন। যার জেরে এ পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশে একটির বেশি লোকসভা আসন পায়নি সোনিয়া গান্ধীর দল।

    কংগ্রেস ছেড়ে রেড্ডি নিজেই গড়েন রাজনৈতিক দল। নাম দেন জয় সামাইক অন্ধ্র পার্টি। ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে হাজির হয় রেড্ডির দল। যদিও গোহারা হারে। তার পর ২০১৮ সালে ফের কংগ্রেসে ফেরেন। তার আগে অবশ্য কংগ্রেসের সঙ্গে বিস্তর দর কষাকষি করেন। এহেন রেড্ডি ফের ছাড়লেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সঙ্গ। জানা গিয়েছে, এক সময়ের দাপুটে কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী রেড্ডি শীঘ্রই নাম লেখাতে চলেছেন বিজেপিতে। তেলঙ্গনায় দারুণ শক্তিশালী হলেও, অন্ধ্রে বিজেপি এখনও বেশ দুর্বল। রাজনৈতিক মহলের মতে, কিরণ রেড্ডির হাত ধরে জগমোহন রেড্ডির রাজ্যে পদ্ম ফোটানোর কাজ শুরু করে দিল গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, কিরণ রেড্ডি (Kiran Reddy) ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের ১৬তম মুখ্যমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁর হাত ধরেই রাজ্যে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে পদ্ম শিবির।

    আরও পড়ুুন:মুকুলের বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Police: মেমারি থানা ঘেরাওয়ের হুমকি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী, কেন জানেন?

    Police: মেমারি থানা ঘেরাওয়ের হুমকি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত বেসুরো হয়ে পড়ছে শাসক দলের বিধায়ক থেকে মন্ত্রী। প্রকাশ্যেই পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। কয়েকদিন আগে বেলঘরিয়ায় প্রকাশ্য জনসভায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন। পুলিশ (Police)  তৃণমূলের কথা শুনছে না, বিজেপি-সিপিএমের হয়ে কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর বক্তব্য রাখার দুদিনের মধ্যে ফের রাজ্যের এক মন্ত্রী পুলিশকে হুমকি দিলেন। রবিবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির ঝিকরা গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের সভা ছিল। মেমারি ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি মহম্মদ ইসমাইলের বাড়ির কাছেই সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রকাশ্যে পুলিশকে (Police)  হুমকি দেন। এমনকী মেমারি থানা ঘেরাওয়ের তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যে বা যারা মন্ত্রীসভার ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে গালমন্দ করে অপদস্ত করছে। আইনের চোখে তারা অপরাধ করছে। পুলিশ (Police)  তাদের গ্রেফতার করে নেবে, আমি বলে রাখছি। পুলিশ (Police)  কি করবে তার ব্যাপার। পুলিশকে বুঝতে হবে কারা অফিসিয়াল দল। আশ আর বাঁশ পাতাকে এক করলে হবে না। পুলিশ (Police)  কি নাবালক নাকি, পুলিশকে সাবালক হতে হবে। এসব ভণ্ডামি আমি শুনবো না। কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষ আমার নেতৃত্বে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে। আমি বুঝে নেব। আমার চিন্তা পুলিশকে (Police)  করতে হবে না। পুলিশকে দক্ষ প্রশাসনের ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা অফিসিয়াল। তিন মাস আগে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ কিছু জানে না এটা হতে পারে না। আমি এসপিকে তেল লাগাতে যাব না। এসপি আমার গুরুদেব নয়। এখন এসপি, ডিএসপি দেখানো হচ্ছে। এরপর তিনি হুমকির সুরে বলেন, আজ পুলিশকে লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়ে গেলাম। পুলিশ যদি ঠিক মতো কাজ না করে মেমারি থানার বড়বাবুকে ঘোরাও করে রাখব। থানা থেকে বের হতে দেব না বলে তিনি হুমকি দেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেই পুলিশ মন্ত্রী। তাই, দলের বিধায়ক থেকে মন্ত্রী সকলেই পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর দিকে তাঁরা সরাসরি আঙুল তুলছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর এত ক্ষোভ কেন? Police

    মেমারি-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন মহম্মদ ইসমাইল। পাশাপাশি তিনি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ। মাস ছয়েক আগে তাঁকে সরিয়ে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর অনুগামী একজনকে নতুন সভাপতি করা হয়। তিন মাস আগে ব্লক কমিটি গঠিত হয়। সেখানেও মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের ঠাঁই হয়। গত দুমাস ধরে মন্ত্রী নিজের বিধানসভায় সভা করতে গেলেই দলের একাংশ তাঁকে কালো পতাকা দেখাচ্ছে, গো ব্যাক স্লোগান দিচ্ছে বলে অভিযোগ। আর এসবই মহম্মদ ইসমাইল ও তাঁর অনুগামীরা করাচ্ছে বলে অভিযোগ। পুলিশের (Police) কাছে বলার পরও কোনও কাজ হচ্ছে না। দলের অফিসিয়াল ব্লক কমিটিকে পুলিশ (Police) পাত্তা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ। ফলে, দলের মধ্যে কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এলাকায় নিজের দাপট এবং নতুন কমিটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতেই পুলিশের (Police)  বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মন্ত্রী বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল বলেন, আমি তো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু মন্তব্য করিনি। তিনি আসলে মানসিক অবসাদে ভুগছেন। তাই এসব বলছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের চাকরি বাতিলের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ গ্রুপ-সি চাকরিহারাদের

    Calcutta High Court: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের চাকরি বাতিলের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ গ্রুপ-সি চাকরিহারাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন গ্রুপ সি-এর সদ্য চাকরি হারানো প্রার্থীরা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ৮৪২ জন প্রার্থী। বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলার অনুমতি দিয়েছে। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে চলতি সপ্তাহেই মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে হাইকোর্ট সূত্রে (Calcutta High Court)। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই মর্মে শনিবার তালিকা প্রকাশ করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। 

    সদ্য চাকরি হারিয়েছেন গ্রুপ সি-এর ৮৪২ জন

    নিয়োগে বেলাগাম দুর্নীতির ফলে এবার গ্রুপ সি তে কর্মরত ৮৪২ জনের চাকরি বাতিল করা হয়েছে। ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গ্রুপ সি-তে চাকরি পেয়েছিলেন ২০৩৭ জন। আর এবার গ্রুপ সি তে কর্মরত ৮৪২ জনের চাকরি বাতিল করা হয়েছে। মূলত ওএমআর শিট বিকৃত করা ও সুপারিশ পত্র ছাড়াই নিয়োগ হয়েছে এমন অভিযোগেই এই নির্দেশ দেন বিচারপতি। এর পাশাপাশি গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) নির্দেশ দিয়েছে, এনারা যেন কোনওভাবেই স্কুলে প্রবেশ করতে না পারেন। কিন্তু তারপরেই আজ এই চাকরি হারানো প্রার্থীরা বিচারপতির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। সোমবার এই বিষয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন চাকরিচ্যুতদের আইনজীবী পার্থদেব বর্মণ।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবারে ইডির তলব শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    উল্লেখ্য, এই ৮৪২ জনের তালিকায় নাম ছিল একাধিক তৃণমূল নেতানেত্রীর ছেলেমেয়ে, আত্মীয়স্বজনের। মিনাখার তৃণমূল বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডলের মেয়ে বিনতা মণ্ডল থেকে হুগলি জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা টুম্পা মেটের নাম ছিল ৮৪২ জনের তালিকায়।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে এর আগেও অনেক ক্ষেত্রে চাকরি হারানো প্রার্থীরা একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court) গিয়েছেন। কিন্তু তাতেও রেহাই পাননি তাঁরা। ফলে এক্ষেত্রেও গ্রুপ সি-র চাকরিচ্যুতদের ডিভিশন বেঞ্চ কী নির্দেশ দেয়, তারই অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share