Blog

  • Group D: গ্রুপ ডি-র ১,৯১১ শূন্যপদের কাউন্সেলিংয়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Group D: গ্রুপ ডি-র ১,৯১১ শূন্যপদের কাউন্সেলিংয়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১৯১১ জন গ্রুপ ডি (Group D) কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁদের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। শূন্যপদে নিয়োগের কথাও বলেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চেও গিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) পর্যন্ত। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, গ্রুপ ডি-র ১৯১১টি শূন্যপদে আপাতত নতুন নিয়োগ করতে পারবে না স্কুল সার্ভিস কমিশন। এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও সঞ্জয় করলের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে যে ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, তাতে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।

    গ্রুপ ডি (Group D)…

    বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ায় ১৯১১ জন গ্রুপ ডি (Group D) কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের বেতন বন্ধ, কর্মজীবনে প্রাপ্য বেতন ফেরত দেওয়া ও স্কুলে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে তাঁরা কোনও সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারবেন না বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান চাকরি খোয়ানো ১৯১১জন। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ বেতন বন্ধের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও চাকরি বাতিলের ওপর কোনও নির্দেশ বা স্থগিতাদেশ দেয়নি। শুক্রবারই হাইকোর্টে মামলাটির ফের শুনানি হওয়ার কথা। হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করেন চাকরি খোয়ানোদের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি?

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন (Group D), তাঁদের মধ্যে ২৮২৩ জনের ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছিল। আদালতে এ কথা স্বীকারও করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাঁদের মধ্যে ১৯১১ জন চাকরি করছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেই ১৯১১ জনের ওএমআর শিট কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার নির্দেশ দেন। এদিকে বহু স্কুলে গ্রুপ ডি কর্মীর চাকরি চলে যাওয়ায় তাঁদের কাজ ভাগ করে করতে হচ্ছে শিক্ষকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Lionel Messi: মেসিকে খুনের হুমকি, স্ত্রীর দোকানে চলল গুলি, তারপর…

    Lionel Messi: মেসিকে খুনের হুমকি, স্ত্রীর দোকানে চলল গুলি, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণনাশের হুমকি পেলেন লিওনেল মেসি। তাও আবার নিজের শহর আর্জেন্টিনার রোজারিওতেই। তবে শুধু খুনের হুমকি চিঠিই নয়, মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর সুপার মার্কেট লক্ষ্য করে চালানো হয় গুলিও। সেই হুমকি চিঠিতে মেসির উদ্দেশে লেখা ছিল, ‘মেসি আমরা তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। পাবলো জাভকিন রোজারিও শহরের মেয়র হলেও সে নিজেই একজন মাদক পাচারকারী। সেও তোমায় রক্ষা করতে পারবে না।’ এই হাড়হিম করা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্রীড়া মহলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে। সূত্রের খবর, প্রত্যক্ষদর্শীরা দু’জন দুষ্কৃতীকে বাইকে করে এসে মেসির স্ত্রীর দোকান লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালাতে দেখতে পান। রোজারিওতে মেসির বাড়ি রয়েছে সেই কথা সকলেরই জানা। সঙ্গে রয়েছে তাঁর স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর পারিবারিক ব্যবসা। ফুটবল জীবনে ব্যস্ততার মাঝে সময় পেলেই সেখানে সময় কাটাতে যান মেসি ও তাঁর পরিবার। গতকাল মোট ১৪ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গে মেসিকে দেওয়া হয়েছে প্রাণনাশের হুমকি। যাতে লেখা ছিল, ‘মেসি, আমরা তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। জাভকিন নিজে একজন মাদকচক্রী। তাই ও তোমাকে বাঁচাতে পারবে না।’ উল্লেখ্য, হুমকি চিঠিতে উল্লেখিত এই জাভকিন হলেন রোজারিওর মেয়র পাবলো জাভকিন, যিনি এমন ঘটনার পরেই সুপার মার্কেটে এসে ক্ষোভ উগরে দেন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের উপর। এই ঘটনার পরই রোজারিও শহরে হিংসা ও পুলিশি নিরাপত্তার অভাব নিয়ে ট্যুইট করেন শহরের মেয়র জাভকিন।

    আরও পড়ুন: সিংহ গর্জন! নাথান লায়নের ৮ উইকেট, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত শেষ ১৬৪ রানে

    তবে ভোররাত হওয়ায় দোকান বা আশেপাশে কেউ ছিল না তাই কোনও হতাহতের খবর নেই। এই ঘটনা ঘটার পর জাভকিন নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। কে বা কারা এই হামলার পেছনে যুক্ত তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আপাতত ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে মেসির স্ত্রীর দোকান লক্ষ্য করে কেন হঠাৎ গুলি চালানো হল, কেন মেসিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হল, তার কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। দেশ জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক নয়। ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে, সেজন্য দুই দেশকে ‘প্রকৃত সমস্যা’-র সমাধান করতে হবে। নয়াদিল্লিতে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংকে এমনটাই বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। জি-২০ বৈঠকের ব্যস্ত সূচির মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গাংয়ের সঙ্গে সীমান্ত ইস্যুতে আলোচনা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি নিয়ে আলোচনা করেন। ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মূলত জি-২০ বৈঠকের ফাঁকেই হয়েছে। ২০১৯ সালের পরে ফের কোনও চিনা বিদেশমন্ত্রী ভারত সফরে এলেন। উল্লেখ্য, ভারত সফরের আগে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন গ্যাং।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)?

    গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় এস জয়শঙ্কর ট্যুইট করে জানান “আজ বিকেলে জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রশান্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যেসব চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়েও কথা হয়েছে।” এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, “চিনা মন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরে এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম বৈঠক। আমরা সম্ভবত প্রায় ৪৫ মিনিট একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতিই ছিল আজকের বৈঠকের প্রধান অংশ। জানানো হয়েছে, দু’দেশের মধ্যে আসল সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি ভাবে, কোনও জড়তা ছাড়াই আলোচনা করতে হবে। তা না-হলে সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরবে না। আমাদের কথাবার্তার মূল লক্ষ্য সীমান্তে শান্তি ফেরানো।” উল্লেখ্য, ডিসেম্বরে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন কিন গ্যাং। তারপর এটাই জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়

    ভারত ও চিন সম্পর্ক

    বার বার শান্তির কথা বলা হলেও ভারত এবং চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন অঞ্চলে গেড়ে বসেছে চিনা ফৌজ। গত আড়াই বছর ধরে ভারতের টহলদারির এলাকাও তারা দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। ফলে এবারে সীমান্তে শান্তি ফেরানো নিয়ে তিনি গ্যাংয়ের উপরে চাপ তৈরি করেছেন বলে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকেই ভারত ও চিন সীমান্তে অস্থিরতা দেখা গেছে। চিনা সেনার লাদাখ ও অরুণাচপ্রদেশ সীমান্ত এলাকায় আগ্রাসনের কারণে গালওয়ানের সংঘর্ষও ঘটেছে। মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় সেনার ২০ জন জওয়ানের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই দেশই একাধিক বৈঠক করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমাধান সূত্র অধরাই রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই চলতি বছরে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং অঞ্চলে ফের চিনা আগ্রাসনের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চিনের কড়া সমালোচনা করেছিল নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে দুই বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    ২০২০ সালের পর অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনে পর ভারত-চিন সম্পর্কের অবস্থা স্বাভাবিক নেই, ফলে এবারে বৈঠকে চিনের বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়ে দিয়েছেন যে, সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Anubrata Mondal: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি?

    Anubrata Mondal: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিহাড় জেলের ভাত খেতে চান না তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)! দিল্লির (Delhi) জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা দায়ের করলেন দুই হাইকোর্টে। দিল্লি হাইকোর্টের পাশাপাশি অনুব্রত দ্বারস্থ হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অনুব্রতর আইনজীবী। মামলাটি গৃহীতও হয়েছে। এদিনই বিকেল তিনটে নাগাদ শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য ইডিকে সবুজ সংকেত দেয় আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। সেই মতো প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ইডি। তার মধ্যেই অনুব্রতর তরফে দায়ের হল জোড়া মামলা। এদিন দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন অনুব্রতর আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলা দায়ের হয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। জরুরি ভিত্তিতে এদিনই শুনানির আবেদন করেন সিব্বল।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    মঙ্গলবার দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়ে ইডি (ED)। অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) দিল্লিতে হাজির করানোর পরোয়ানা কেন কার্যকর করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তোলে আদালত। তার পরেই গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রতকে আসানসোল জেল থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার তৎপরতা শুরু হয়। বৃহস্পতিবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয় জেল কর্তৃপক্ষকে।

    গত বছরের অগাস্টের ২২ তারিখে সিবিআই গ্রেফতার করে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারির পর উঠে এসেছিল একাধিক তথ্য। গরু পাচারের কালো টাকা লটারির মাধ্যমে সাদা করা হত কিনা, তা জানতেও তদন্ত করে সিবিআই। এদিকে, গ্রেফতার করার পর অনুব্রতর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। অভিযোগ করেছিলেন জনৈক শিব ঠাকুর মণ্ডল। শিব ঠাকুরের দাবি, এত দিন ভয়ে এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি তিনি। অনুব্রত জেলবন্দি হওয়ার পরেই সাহস সঞ্চয় করেন তিনি। পরে দায়ের করেন অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    প্রসঙ্গত, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ৯ ডিসেম্বর রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি নিয়ে যাওয়ার। তার পরেই দেখা গেল, একটি পুরনো মামলায় আসানসোল জেল থেকেই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

    ফের জেল হেফাজত…

    এদিকে, অনুব্রতর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। শুক্রবার বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৭ মার্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির টাকাও গোপালের চিটফান্ডে! তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির টাকাও গোপালের চিটফান্ডে! তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Scam) নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত গোপাল দলপতির চিটফান্ড কারবারের খোঁজখবর শুরু করল সিবিআই। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। তার পর বেশ কিছুদিন তিহাড় জেলে বন্দিও ছিলেন গোপাল। চিটফান্ড দুর্নীতিতে জড়িয়েই গোপালের যাবতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যায়। নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে নাম বদলে আরমান গঙ্গোপাধ্যায় হন তিনি। 

    প্রথমে চিটফান্ড তারপর এসএসসিতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন

    সিবিআই সূত্রে খবর, ৪৭ মাসে ১৫ শতাংশ সুদে লক্ষ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া হবে এই টোপ দেখিয়ে চিটফান্ড ব্যবসা শুরু করেন গোপাল। ২০১২ সালে জি নেট নামে এই চিটফান্ড চালু করেন তিনি। জেলায় জেলায় প্রচুর এজেন্ট নিয়োগ করেন। কিন্তু প্রথমে তিনি তেমন সাড়া পাননি। এর পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জমি কিনতে শুরু করেন গোপাল। বলেন, কোনও সমস‌্যা হলে জমি বিক্রি করে টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে এই শর্তে টাকা তোলেন গোপাল। তাঁকে সাহায্য করতেন স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ‌্যায়। গ্রামের জমিতে শিল্পে প্রকল্প গড়ে তোলার আশ্বাস দিতেন গোপাল ও তাঁর এজেন্টরা। সেই প্রকল্পে আমানতকারীদের পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেতে পারেন বলেও স্বপ্ন দেখাতেন তিনি। স্বপ্ন ফেরি করতে বেশ পটু গোপাল ও তাঁর মডেল স্ত্রী এমনই ধারণা গোয়েন্দাদের। প্রথমে চিটফান্ড তারপর এসএসসিতে (SSC Scam) চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা তোলেন গোপাল, অনুমান অফিসারদের।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    গোপালের চিটফান্ড মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলি জেলায় জনপ্রিয়তা পায়। লোকে লক্ষ লক্ষ টাকা দেয়। তবে, লগ্নিকারীদের কাছ থেকে খবর নিয়ে সিবিআই জেনেছে, কেউই প্রায় টাকা ফেরত পাননি। এদিকে, এমন খবরও তদন্তকারীদের কাছে এসেছে যে, জমিগুলি সবার অলক্ষ্যে স্থানীয় এজেন্টদের সাহায‌্য নিয়ে  বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে পড়েন গোপাল। শেষ পর্যন্ত ভোলবদলে গোপাল হন আরমান গঙ্গোপাধ‌্যায়। সিবিআইয়ের অনুমান, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকা গোপালের চিটফান্ডে গিয়ে থাকতে পারে। এব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান গোয়েন্দারা। গোপাল দিল্লি থেকে ফিরলেই সিবিআই তাঁকে জেরা করতে চায় বলে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • India vs Australia: ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দুষলেন রোহিত! ভারতকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

    India vs Australia: ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দুষলেন রোহিত! ভারতকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোরে বর্ডার–গাভাসকার ট্রফির তৃতীয় টেস্টে ভারতকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia)। শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজের আগেই খেলা শেষ হয়ে যায়। ভারতীয় ব্যাটারদের দুর্বলতার সুযোগ নিলেন নেথান লায়ন, টড মারফিরা। তৃতীয় দিন সকালে অস্ট্রেলিয়া যখন ব্যাট করতে নামে তখন অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৭৬ রান। দিনের দ্বিতীয় বলে উসমান খোয়াজাকে শূন্য রানে আউট করে ভারতের আশা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কিন্তু শুরুতে চাপে পড়লেও সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন ট্রাভিস হেড ও মার্নাশ লাবুশেন। প্রথম ১০ ওভার ধরে খেললেন তাঁরা। কোনও ঝুঁকি নেননি। বড় শট খেলার চেষ্টা করেননি। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ১৩ রান ওঠে। কিন্তু এক বার হাত কিছুটা সেট হওয়ার পরে বদলে গেল খেলার ছবি। শেষের দিকে ঝড়ো রান তোলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৮.৫ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় অজিরা (India vs Australia)। 

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ফুটবলে ইতিহাস! সন্তোষ ট্রফিতে ব্যবহার করা হল ‘ভার’ প্রযুক্তি

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিয়ে সংশয়

    ভারতকে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র আদায় করে নিল অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia)। ৭ জুন ওভালে ফাইনালে একটি দল হিসাবে নিশ্চিত ভাবে মাঠে নামবেন স্টিভ স্মিথরা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে নিজেদের কাজ কঠিন করে তুলল ভারত। দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার লড়াই এখন ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট এখন ১৮ ম্যাচে ১৪৮। অজিরা ১১ টি ম্যাচ জিতেছে এবং চারটি ম্যাচ ড্র করেছে। পয়েন্টের শতকরা হার ৬৮.৫২। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতের পয়েন্ট ১৭ ম্যাচে ১২৩। টিম ইন্ডিয়া দশটি ম্যাচ জিতেছে এবং দু’টি ম্যাচ ড্র করেছে। পয়েন্টের শতকরা হার ৬০.২৯। তৃতীয় স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। ১০ ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জয় এবং একটিতে ড্র করে ৬৪ পয়েন্টে রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। শ্রীলঙ্কার পয়েন্টের শতকরা হার ৫৩.৩৩। এখন সিরিজে ২-১ এগিয়ে ভারত। ৯ মার্চ থেকে আমেদাবাদে শুরু চতুর্থ টেস্ট। সেই টেস্ট জিততে পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল পাকা ভারতের। নতুবা থাকবে নানা হিসেব।

    ম্যাচ শেষে  এই হারের দায় সম্পূর্ণ ব্যাটারদের উপর চাপালেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর মতে, দুই ইনিংসেই ভাল ব্যাট করতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে (India vs Australia)। ভারত অধিনায়কের কথায়, ‘‘আমাদের একটা বিষয় বুঝতে হবে যে পিচ যেমনই হোক না কেন, ভাল না খেললে জেতা যাবে না। কঠিন পিচে খেললে একটু সাহস দেখাতে হয়। রান করার জন্য ভাল পরিকল্পনা করতে হয়। তার পরে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হয়। সেটাই আমরা করতে পারিনি। তাই হারতে হয়েছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Satyabrata Mukherjee: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়

    Satyabrata Mukherjee: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতার বালিগঞ্জের বাড়িতে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বেশ কিছুদিন ধরেই বয়সজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলার রাজনীতিতে। প্রাক্তন এই আইনজীবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কোলকাতা হাইকোর্টে অর্ধদিবস ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

    রাজনৈতিক জীবন

    বিজেপির টিকিটে সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ১৯৯৯ সালে নির্বাচিত হন। ২০০০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ীর মন্ত্রিসভার সদস্য হন। কেন্দ্রীয় সরকারের রাসায়নিক-সার মন্ত্রী ছিলেন তিনি। পরে তাঁর হাতে শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে এই রাজ্যে বিজেপির সভাপতি হয়েছিলেন তিনি।

     

    শোকজ্ঞাপন করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

    প্রবীণ এই রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা। এদিন ট্যুইটারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লেখেন, “রাজ্য বিজেপির বর্ষীয়ান নেতৃত্ব, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সম্মানীয় শ্রী সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় (জুলু বাবু) মহোদয়ের প্রয়াণে আমি শোকাহত। ওনার পরিবার, পরিজন, শুভানুধ্যায়ীদের সমবেদনা জানাই। ওনার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Ned Price: ‘জঙ্গিবাদের নিন্দা করে আমেরিকা’, হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে জানালেন মার্কিন মুখপাত্র

    Ned Price: ‘জঙ্গিবাদের নিন্দা করে আমেরিকা’, হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে জানালেন মার্কিন মুখপাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে তো বটেই, বিদেশেও মাথাচাড়া দিচ্ছে খালিস্তানি (Khalistani) আন্দোলন। নিরন্তর নিশানা করা হচ্ছে হিন্দু মন্দিরগুলিকে (Hindu Temples)। খালিস্তানিদের এই আন্দোলনের তীব্র নিন্দা করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)। মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস (Ned Price) বলেন, যে কোনও ধরনের হিংসা এবং জঙ্গি কার্যকলাপের নিন্দা করে আমেরিকা। তিনি বলেন, আমেরিকার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ হল ধর্মীয় বহুত্ববাদ। নেড প্রাইস বলেন, যারা এর উল্টো কার্যকলাপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদেরও নিন্দা করে।

    নেড প্রাইস (Ned Price) বলেন…

    অস্ট্রেলিয়া, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে হিন্দু মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে খালিস্তানিরা। এদিন সে প্রসঙ্গে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র (Ned Price) বলেন, হিংসার যে কোনও ধরনের রূপেরই আমরা নিন্দা করি। হিংসার হুমকি দেওয়ারও নিন্দা করি। যে কোনও ধরনের হিংসা, জঙ্গি কার্যকলাপেরও নিন্দা করি। তিনি বলেন, আমেরিকা এমন একটি দেশ যাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ রয়েছে। এরই একটি হল, ধর্মীয় বহুত্ববাদ। সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহনশীলতাও রয়েছে। যাঁরা কোনও ধর্মপথের অনুসারীও নন, তাঁদেরও আমরা শ্রদ্ধা করি। তিনি বলেন, যাঁরা এর উল্টো পথের যাত্রী, তাঁদের আমরা নিন্দা করি।

    কানাডার ব্রাম্পটনে রয়েছে গৌরী শঙ্করের মন্দির। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে ওই মন্দিরে ভাঙচুর চালায় কেউ বা কারা। মন্দিরের দেওয়ালে লেখা হয় ভারত বিরোধী স্লোগান। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছিলেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। দূতাবাসের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছিল, ব্রাম্পটনের গৌরী শঙ্করের মন্দির ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক। সেই মন্দিরের দেওয়ালে যে ভারত বিরোধী স্লোগান লেখা হয়েছিল, আমরা তার তীব্র নিন্দা করি। মন্দির ভাঙচুরের এই ঘৃণ্য ঘটনা কানাডায় বসবাসকারী হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। কানাডা সরকারের কাছে আমরা এ ব্যাপারে আমাদের উদ্বেগও প্রকাশ করেছি।

    আরও পড়ুুন: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    কেবল কানাডা নয়, অস্ট্রেলিয়ায়ও একাধিক হিন্দু মন্দিরে হামলা চালিয়েছে খালিস্তানিপন্থীরা। মেলবোর্নের অ্যালবার্ট পার্কে থাকা হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয় ২৩ জানুয়ারি। মন্দিরের দেওয়ালে লিখে দেওয়া হয় ভারত বিরোধী স্লোগান। অস্ট্রেলিয়ারই ক্যারাম ডাউনে শিব বিষ্ণুর মন্দিরেও ভাঙচুর চালিয়েছে খালিস্তানিরা। সেখানেও মন্দির গাত্রে লেখা হয়েছে ভারত বিরোধী স্লোগান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Sushmita Sen: ‘চিকিৎসক বলেছেন, আমার হৃদয় খুব বড়’, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির পর জানালেন সুস্মিতা 

    Sushmita Sen: ‘চিকিৎসক বলেছেন, আমার হৃদয় খুব বড়’, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির পর জানালেন সুস্মিতা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সুন্দরীর অ্যাঞ্জিয়োপ্লাস্টি হয়েছে। হার্টে স্টেন্ট বসানো হয়েছে। এত কিছু হয়ে গিয়েছে, কিন্তু তাঁর ভক্তরা কেউ টেরটি পায়নি। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার দু’দিন পরে সুস্মিতা সেন (Sushmita Sen) তাঁর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আনলেন। তবে এখন তিনি আগের থেকে ভাল আছেন বলেই জানিয়েছেন। এতে বলিউড সতীর্থরা তাঁকে আয়রন লেডি হিসাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকেই গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। ক্রনিক সমস্যা রয়েছে তাঁর একটি। যাকে বলে অ্যাডিসন’স ডিজিজ।

    তিনবছর আগে হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন সুস্মিতা (Sushmita Sen)

    ২০২০ সাল নাগাদ সুস্মিতা ভেবেছিলেন, এবার বুঝি সব শেষ। সোশ্যাল মিডিয়াতে সেসময় লিখেছিলেন, “আমার শরীর নিয়ে যুদ্ধ করছি প্রতিনিয়ত। এ বার বোধ হয় হাল ছেড়ে দিতে হবে। লড়াই করার আর একটুও শক্তি বাকি নেই। অ্যাডিসন’স ডিজিজ ধরা পড়ার পর আমি হতাশায় ডুবে গিয়েছিলাম। একই সঙ্গে রাগ, বিরক্তি। চোখের নীচে কালো দাগ। ৪ বছর ধরে সহ্য করেছি, স্টেরয়েড নিয়েছি। এই ক্রনিক সমস্যা নিয়ে বেঁচে থাকা ক্লান্তিকর।”

    নিজেকে আবারও তৈরি করেন নতুনভাবে 

    নিজেকে আবার প্রস্তুত করতে থাকেন নতুনভাবে। মার্শাল আর্টের নানচাকু কৌশল আয়ত্ত করে ফেলেন সুস্মিতা (Sushmita Sen)। তাতেই ধীরে ধীরে রোগের উপশম। আর ২০২৩ সালে বোঝা গেল, তিনি এখন মোটেও অসুস্থ নন।বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবার সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সুস্মিতা লেখেন, “নিজের হৃদয়কে খুশি রাখো এবং সাহসী করে তোলো। কারণ সে তখন তোমার পাশে থাকবে, যখন তাঁকে তোমার সব থেকে বেশি দরকার হবে। এই কথাই আমার বাবা আমায় বলেছিলেন। কয়েক দিন আগে আমার হার্ট অ্যাটাক হয়। অ্যাঞ্জিয়োপ্লাস্টি হয়েছে। স্টেন্ট বসেছে যথাস্থানে। সব থেকে বড় কথা, আমার চিকিৎসক আমায় বলেছেন, আমার হৃদয় সত্যিই বড়। আমি তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যাঁরা সেই সময় আমার পাশে ছিলেন।”

    সুস্মিতার (Sushmita Sen) আরও সংযোজন, “এই মুহূর্তে এই পোস্টটা দেওয়ার একটাই কারণ। আমি এখন অনেকটাই সুস্থ। আরও কিছু বছর বেঁচে থাকতে পারব। তোমাদের সবাইকে ভালবাসি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে অ্যাডিনো আতঙ্ক। জ্বর-শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় একের পর এক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। বৃহস্পতিবারও  রাজ্যে ফের মৃত্যু হল ১১ মাসের এক  শিশুর (Child Death)। পরিবার সূত্রে খবর, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভুগছিল শাসনের বাসিন্দা ওই শিশুটি। গত রবিবার বিসি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় শিশুটির।  স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাসে, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে অ্যাডিনো আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর। তারমধ্যে বেশ কয়েক জনের কোমর্বিডিটি ছিল।

    অ্যাডিনো উদ্বেগে চালু করা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন নম্বর। ১০ দফা অ্যাডভাইসরি জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তাতে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টার ক্লিনিক করতে হবে। যে যে হাসপাতাল বা মেডিক্যাল কলেজে শিশু বিভাগ আছে, সেখানে আলাদা আউটডোর চালু করতে হবে। যাতে সাধারণ বর্হিবিভাগে এইসব রোগীকে অপেক্ষা করতে না হয়। হাসপাতাল প্রধান বা অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশু রোগীদের রেফার করা যাবে না। ভেন্টিলেটর ও অন্য সামগ্রী প্রস্তুত রাখতে হবে। শিশু বিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে লাগাতে হবে।

    অ্যাডিনোর জের! শিশুর জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো 

    এই পরিস্থিতিতে সঙ্কটজনক শিশুদের (Children in Critical Condition) চিকিৎসার জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা (Virtual Workshop)। সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বেহাল। তাই এত শিশু-মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শহরের বাইরে গেলেই মিলছে না অভিজ্ঞ চিকিৎসক। বিশেষজ্ঞের অভাবে সঙ্কটজনক শিশুকে কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। চাপ বাড়ছে শহরের হাসপাতালগুলির শিশুবিভাগে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার ধকলও নিতে পারছে না অনেক শিশু। এককথায় সেই অভিযোগগুলিকে কার্যত মান্যতা দিল স্বাস্থ্য দফতর। 

    আরও পড়ুন: বাড়তি ওজন কমাতে পাতে রাখুন এই ৬ প্রকারের উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি

    সঙ্কটজনক শিশুদের চিকিৎসার জন্য জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর। জেলাস্তরের হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট অর্থাৎ PICU না থাকায়, বড়দের CCU, HDU পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে মাস্ক, ক্যানুলা ও সার্কিট ব্যবহার করে শিশুদের চিকিৎসা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা। কর্মশালায় জেলার হাসপাতালগুলির শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, CCU, HDU-এর মেডিক্যাল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরপর হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share