Blog

  • SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্টে নিয়ম না মানার অভিযোগ করেছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। সেই কারণে যাঁরা ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, তাঁদেরই জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। মঙ্গলবার এমনই ৪০ জন ইন্টারভিউয়ারকে তলবও করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বার জেরা করা হবে তাঁদের। এদিন মোট পাঁচটি জেলা থেকে ৪০ জনকে ডাকা হয়েছে।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়…

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এই ইন্টারভিউয়ারদের মুখোমুখি হবেন এজলাসের বাইরে। জানা গিয়েছে, হাইকোর্টের সার্ধশতবার্ষিকী ভবনের কোনও একটি জায়গায় বসবে আদালত। সেখানেই ওই ইন্টারভিউয়ারদের প্রশ্ন করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বারে হবে সেই প্রশ্নোত্তর পর্ব। সবরকম গোপনীয়তা বজায় রেখেই ওই ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে তাঁরা এবং আইনজীবীরাই কেবল উপস্থিত থাকবেন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন। এই সময় বাইরের কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না আদালতে।

    প্রাথমিকে (SSC Scam) অ্যাপটিটিউড টেস্টের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর থাকে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, সেখানে ইন্টারভিউ হয়েছে নিয়ম না মেনেই। কোথাও কোথাও বারান্দায় বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার পরীক্ষার্থীদের কোনও প্রশ্নই করা হয়নি। চাকরি প্রার্থীদের কয়েকজন আবার অভিযোগ করেছিলেন কেবল নাম জিজ্ঞাসা করেই ইন্টারভিউ শেষ করা হয়েছে। কাউকে আবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কোথায় থাকেন।এসব অভিযোগ পাওয়ার পরেই ইন্টারভিউয়ারদের তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    এদিন যাঁদের তলব করা হয়েছে, তাঁরা ২০১৬ সালের ইন্টারভিউয়ার। পর্ষদের হলফনামা খতিয়ে দেখে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয়নি। বসানো হয়েছিল গড় নম্বর। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন শুনানিতে বলেছিলেন, অ্যাপটিটিউড টেস্ট নিয়ে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে ২০১৬ সালের ইন্টারভিউতে ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে যে নথি ও সাক্ষ্য পর্ষদের তরফ থেকে এসেছে, তাতে স্পষ্ট ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। তিন চারটে প্রশ্ন করেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। এদিন যাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন হাওড়া, হুগলি, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদের ইন্টারভিউয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কুকথা বলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তার পরেও তিনি দিব্যি রয়েছেন মন্ত্রীর চেয়ারে। এদিন সেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে।

    সুকান্ত বলেন…

    নীতি যাত্রা শেষে সোমবার পুরুলিয়া শহরের একটি সভায় যোগ দেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন তৃণমূলকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, নিজেদের আদিবাসী দরদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করেনি, উল্টে আদিবাসীদের সঙ্গে নৃত্য করার সময় হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুকান্ত বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলেছিলেন, তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রিসভায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে। লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতাম মন্ত্রিসভা থেকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, দেখবেন, গ্রামে গিয়ে আপনার গরুটা, ছাগলটা যেন না চুরি করে নিয়ে যায় দূতেরা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে পুলিশ যাতে তৃণমূলের হয়ে কাজ না করে সে ব্যাপারেও তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাহলে তাঁরা যেন টুপি থেকে অশোকস্তম্ভ খুলে ফেলেন এবং হাওয়াই চটি লাগিয়ে নেন।

    মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডুকেও এদিন একহাত নেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলার সময় চুপ ছিলেন সন্ধ্যারানি। কারণ তাঁর পরিবারের লোকজনকে তিনি চাকরি করে দিয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্তরা কোনওভাবেই রেহাই পাবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, যদি কর চুরি, যত বড় হও দিদির ভাই, ধরবে তোমায় সিবিআই। তিনি বলেন, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেটকে দিয়ে সম্পত্তির হিসেব করিয়ে নিন। দরজায় সিবিআই, দুয়ারে সিবিআই চলে আসবে এবার। তখন বিজেপির পতাকা ধরলেও বাঁচা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর স্বাস্থ্য দফতরের সামনে নয়া উদ্বেগ অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা করাতে আসা শিশুদের মধ্যে কেউ ১৫ দিন, কেউ এক মাস, কেউ আবার দেড় মাস ধরে ভুগছে সর্দি, কাশি ও জ্বরে। কারও আবার শ্বাসকষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এইরকম পরিস্থিতিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সচেতনতা। তাই নতুন এই ভাইরাসের উপসর্গ কী এবং পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক তার সঠিক মূল্যায়ন করতে আগ্রহী রাজ্য সরকার।

    শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরিদর্শন

    সোমবার রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্য  যশোবন্তী শ্রীমানি অ্যাডিনো ভাইরাসের চিকিৎসা চলা হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি ঠিক কী রকম , তা জানতে  বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে  প্রথম পরিদর্শন করা হয় ফুলবাগানের বিসি রায় শিশু হাসপাতালে। বিসি রায় হাসপাতালের পাশাপাশি, সেখান থেকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। কমিশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে তারা কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, কত সংখ্যক শিশু ভর্তি রয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে, কত জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলেই মনে করছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    সচেতনতা প্রচার

    হাসপাতালের তরফে রোগীর বিভিন্ন স্টেজ ভাগ করে আলাদা আলাদা ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও কমিশনের তরফে সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য কী কী করণীয় তা সম্পর্কেও হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করা হয়। কমিশন প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে বাড়ির বড়দের কারও ঠাণ্ডা জ্বর সর্দি-কাশি থাকলে বাড়ির শিশুকে তার থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। শরীর খারাপ থাকলে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে বমি, পাতলা পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, খিদে কমে যাওয়া এই লক্ষণ থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। শিশুর তিন থেকে পাঁচ দিনের জ্বর হলেও হাসপাতালে নিতে হবে। এছাড়া জনবহুল এলাকায় গেলে মাক্স ব্যবহার করাতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের যাওয়ার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জরুরি পরিষেবা বাদ দিয়ে সমস্ত দফতরে তালা ঝোলানো হবে বলে জানান শুভেন্দু। ডিএ-র দাবিতে সোমবার বিধানসভায় সোচ্চারও হন বিজেপি বিধায়করা।

    ডিএ আন্দোলন…

    রাজ্য বাজেট পেশের দিন ৩ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। যদিও বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। সোমবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছে সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। ২৬ দিন ধরে অবস্থান করছেন সরকারি কর্মীরা। টানা ১২ দিন ধরে চলছে অনশনও। ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতিতেও দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে বলেও জানান আন্দোলনকারীরা। এমতাবস্থায় আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু বলেন, যতক্ষণ না ডিএ এবং বকেয়া ডিএ দিচ্ছে, ততক্ষণ স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পানীয় জল ছাড়া সব জায়গায় তালা লাগিয়ে রাখা হোক।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এদিন বিধানসভায় সরব হন পদ্ম বিধায়করা। ওই দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিধানসভায় এসেছিলেন তাঁরা। অধিবেশন শেষে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে তাঁরা আম্বেদকর মূর্তির নীচে অবস্থানে বসেন। সেখানেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, কর্মচারীদের দাবি ন্যায্য। আমরা সর্বতোভাবে তাঁদের দাবি ও আন্দোলনকে সমর্থন করছি। এর পরেই তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, পানীয় জল, দমকলের মতো জরুরি পরিষেবা ছাড়া অন্যান্য দফতরে তালা ঝুলিয়ে দিতে হবে। শুভেন্দু বলেন, সরকারকে বাধ্য করতে হবে দাবি পূরণে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, সব রাজ্য সরকারই তাদের রাজস্ব থেকে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেয়।

    এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনিও বলেন, অন্যান্য জায়গায় ৪২ শতাংশ, ৩৮ শতাংশ বা ৩৬ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন সরকারী কর্মীরা। এখানে ঘোষণা হয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ। তিনি বলেন, কর্মবিরতি একটা সূচনা মাত্র। আন্দোলন আরও বড় আকার নেবে কি না, তার দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকেই। দিলীপ বলেন, পেন ডাউন করে একটা সংকেত দিয়েছেন কর্মীরা। অনেক জায়গায় যেতে পারেন তাঁরা। সরকারের ক্ষমতা নেই আটকানোর। কারণ সরকারকে কেউ ভয় পায় না। তিনি বলেন, সরকার নিজের পায়ে দাঁড়াতেও পারছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপাতত সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ ও নীলাদ্রি ঘোষ। অভিযোগ, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল।

    মুখোমুখি জেরা

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগে জেরায় তাপস দাবি করেছিলেন, কুন্তল ঘোষকে নাকি ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি সবাই টাকা তুলেছেন। কার কাছ থেকে কত টাকা তুলেছেন এবং সেই টাকা কার কাছে দিয়েছেন? তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন’। তদন্তকারীদের দাবি, কুন্তলকে  ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ ব্যক্তিগতভাবে ধার দেননি তাপস। অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার জন্য ওই টাকা তুলেছিলেন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটের ৩২৫ জন প্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তাপস!

    আরও পড়ুন: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    তাপসের ডায়েরি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রের খবর, তাপসের একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব রয়েছে। গোটা গোটা অক্ষরে লেখা একের পর এক নাম। রয়েছে নানান জায়গারও উল্লেখ। বেহালা থেকে পাঁশকুড়া, ‘হাই কোর্ট’ থেকে ‘আরবানা’। এই সব ব্যক্তির নাম আর স্থান রহস্যই এখন সমাধান করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাপস কার সঙ্গে, কবে, কোথায় টাকার লেনদেন করেছেন, তারই হিসাব রয়েছে এই ডায়েরিতে। সব চেয়ে বেশি বার লেখা হয়েছে ‘কুন্তল ঘোষ’-এর নাম। তবে কোথাও বিশদে কিছু বলা নেই।  ইডির দাবি, ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ডায়েরির পাতায় ‘নোট’ লিখে রাখার মতো করে নানা হিসেব রয়েছে। হিসেব রয়েছে ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ থেকে ২০২১-২০২২ পর্যন্ত নানা সময়ের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা সঠিক খাতে খরচ না করে খয়রাতির কাজে খরচ করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার প্রায় একই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকার অপব্যবহার করছে রাজ্য সরকার। বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।

    গিরিরাজের দাবি…

    গিরিরাজের দাবি, আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ, সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বচ্ছতা না থাকলে টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছে বাংলার সরকার, যা আইনত অন্যায়। মন্ত্রী (Giriraj Singh) বলেন, যাঁর তিনতলা বাড়ি রয়েছে, তাঁকেও আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা যেভাবে লুঠ হয়েছে, তা সীমাহীন। তিনি বলেন, মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে।

    কেন্দ্র প্রাপ্য বঞ্চনা থেকে বঞ্চিত করছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁরও জবাব দিলেন বেগুসরাইয়ের সাংসদ গিরিরাজ। তিনি বলেন, আমি শুধু স্বচ্ছতা চাই। এখনও পর্যন্ত বাংলার সরকারকে ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির জন্য অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্রের উদ্দেশ্য যদি খারাপই হয়ে থাকে, তা হলে টাকা কেন দেবে? রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। সে প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হয়। বাংলার মন্ত্রীরা এসে ভাল কথা বলে গেলেন। অথচ রাজ্যে গিয়ে তাঁদের পরিবর্তন হয়ে যায়। ফের লুঠ শুরু হয়। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজের টাকা লুঠের জন্য নয়, গরিবের জন্য।

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, আপনাদের বলছি, গরিবের টাকা দিতে চাই। কিন্তু বাংলার লুঠের সরকারকে কাজ দেখাতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, দেশের মধ্যে কয়েকটি রাজ্য রয়েছে তার মধ্যে মমতাজির রাজ্য অন্যতম যেখানে কেন্দ্রের টাকার অপব্যবহার হয়েছে। উনি শুরু থেকেই বেআইনিভাবে ভারত সরকারের সব প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার অর্থ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। গিরিরাজ বলেন, দুর্নীতি সব ক্ষেত্রেই সীমা পেরিয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৫ রানে হারিয়ে আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত। এই জয়ের সুবাদে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ভারত লিগ টেবিলের প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে। ইংল্যান্ড আগেই বি-গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে কারা, তা নির্ভর করছে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড ম্য়াচের ফলাফলের উপর। ইংল্যান্ড এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হলে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে এ গ্রুপের প্রথম দল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। 

    ম্যাচ রিপোর্ট

    এদিন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে ভারত। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৭, শেফালি বর্মা ২৪, জেমিমা রডরিগেজ ১৯ ও হরমনপ্রীত কউর ১৩ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ৮.২ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৫৪ রান তুললে বৃষ্টিতে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে খেলা শুরু না হওয়ায় ভারত জয়ী ঘোষিত হয়। 

    হরমনপ্রীতের জোড়া রেকর্ড

    ব্যাটে বেশি রান না পেলেও সোমবার জোড়া নজির গড়ে ফেললেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার নজির গড়লেন তিনি। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৩০০০ রান হয়ে গেল তাঁর। পুরুষ এবং মহিলা সব ধরনের ক্রিকেটার মিলিয়ে হরমনপ্রীতই প্রথম, যিনি ১৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেন। টসে জেতার পর তিনি বলেন, “আমার কাছে এটা বিরাট সম্মান। দলের তরফেও আবেগপূর্ণ বার্তা পেয়েছি। বিসিসিআই এবং আইসিসি-কে ধন্যবাদ, যারা আমাদের এত ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।”


    আরও পড়ুন: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক বিএড কলেজ (SSC Case) খুলে দুর্নীতি চক্র চালাতেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal Background)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপসের বিএড কলেজে না এলেও মিলত সার্টিফিকেট।  মোটা টাকা দিলে বাড়িতে বসেই পাওয়া যেত শংসাপত্র। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal) গ্রেফতার (Arrest) হওয়ার পর প্রকাশ্যে আসছে তাঁর একের পর এক কুকীর্তি। সূত্রের খবর, বাম আমলেই চিটফান্ড কোম্পানি খুলেছিলেন তাপস। ওড়িশা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন জেলও খাটেন। নিয়োগ-দুর্নীতি-কাণ্ডে ধৃত কুন্তল ঘোষ অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন প্রভাবশালীর নাম নিয়ে তাঁর ছেলেকে অপহরণের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন তাপস।

    একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ

    পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার আদি বাসিন্দা তাপস মণ্ডল। পাঁশকুড়ায় রাসবিহারী কলেজ অফ এডুকেশন নামে একটি বিএড কলেজ স্থাপন করেন তিনি। এখন সেই কলেজের দেখভাল করছেন তাপস মণ্ডলের আত্মীয় প্রভাকর জানা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, তাপস মণ্ডলই প্রথম রাজ্যে একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ তৈরি করেছেন। পাঁশকুড়া থানা এলাকার পাতাদা গ্রামে তাপসের ভাই একটি বিএড কলেজ দেখভাল করেন। যেটির নাম মিনার্ভা অ্যাকাডেমি। তাপস মণ্ডলের ভাই বিভাস মণ্ডল এই কলেজটির দায়িত্বে রয়েছেন। তাপস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তাঁর আত্মীয়েরা গা ঢাকা দিয়েছেন। গ্রামের বাড়ি তালাবন্ধ। তাপস মণ্ডলের স্ত্রী সন্ধ্যা রাণী মণ্ডল সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ”মা কালীর দিব্বি খেয়ে বলছি আমি কিচ্ছু জানি না।” তাঁর কথা অনুযায়ী, তাপস মণ্ডলের কোনও কাজ, কোনও ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও তথ্যই তাঁর কাছে নেই।

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    চিটফান্ড সংস্থা

    সূত্রের খবর, আটের দশকে পাঁশকুড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তাপস তৈরি করেছিলেন, চিটফাণ্ড সংস্থা ‘মিনার্ভা ফিনান্স কোম্পানি’। অভিযোগ, ব্য়াঙ্কের থেকে বেশি হারে সুদের টোপ দিয়ে, বাজার থেকে তাপস তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ, অবিভক্ত মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এমনকী ওড়িশা পর্যন্ত প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন তাপস। তৈরি করেছিলেন, সাত জনের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস। সোসাইটির রেজিস্ট্রেশনও করিয়েছিলেন। কিন্তু আমানতকারীদের প্রাপ্য় টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাপসকে গ্রেফতার করেছিল ওড়িশা পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ছোট ছোট মুখগুলো আবার মাস্কবন্দি। স্কুলে, স্কুলে উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের মুখ। কলকাতা থেকে জেলা প্রায় প্রতিটি ঘরেই জ্বর-সর্দি-কাশি লেগে রয়েছে। কাশি হলে তো সারছেই না। করোনা, ডেঙ্গির পর এ এক নয়া উপসর্গ। জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন শিশুর। শহর থেকে জেলা হাসপাতালগুলির সাধারণ শয্যা থেকে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিকু)— সর্বত্রই শিশুদের ভিড়। যে শিশুদের বয়স দু’বছরের কম, তাদের ক্ষেত্রে ভয় বেশি। বয়স এক বছরের কম হলে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ। এই সময় বাচ্চাদের ভাল রাখতে ইমিউনিটি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। রোজকার খাবারে যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে তার দিকে নজর দিতে বলা হচ্ছে। শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন এরকমই কয়েকটি খাবার।

    শিশুদের কী খাওয়াবেন

    নিম বা উচ্ছে: ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে রোজকার খাবারের পাতে রাখুন তেতো। প্রথম পাতে নিম পাতা বা উচ্ছে দিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এ সবের অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শরীর মজবুত রাখে ও এই সময়ে বাতাসে উড়ে বেড়ানো রোগ-জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

    প্রোটিন: শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। পাতে উদ্ভিজ্জ বা প্রাণীজ, যে কোনও রকমের প্রোটিন রাখুন রোজ। মাছ, মাংস, সয়াবিন, মুসুর ডাল, ডিম থেকে পাওয়া পুষ্টিগুণ শরীরকে ভিতর থেকে মজবুত করবে।

    লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদ: ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ কিছু মশলাপাতি ব্যবহারের কথা বলা হয়। তার মধ্যে লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদও রয়েছে। এই সব মশলাপাতিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত দারচিনি, লবঙ্গ দিয়ে কাড়া বানিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান। কাঁচা হলুদ বেটে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খান প্রতি দিন।

    আরও পড়ুন: শহর জুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট! আক্রান্ত খুদেরা, শিশু হাসপাতালে আইসিইউ-র সঙ্কট

    রসুন: সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন।  প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ঠাসা এই সব্জি ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে  ভাল কাজ করে।

    টক দই: টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমের জন্য ভীষণ উপযোগী। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দই খাওয়ার কথা বলেন পুষ্টিবিদরা।

    ফল ও সব্জি: সবুজ শাক সব্জি ও মরশুমি ফল খাওয়ান। 

    জল: শরীরে জলের ভাগ কমলে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে তেমনই ডিহাইড্রেশন থেকে হওয়া নানা সমস্যায় জেরবার শরীর সহজেই ভাইরাসের শিকার হয়। তাই জলের বিষয়ে সচেতন থাকুন। প্রতিদিন শিশুদের দুই লিটার জর খাওয়ান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই তদন্তের আসল জায়গাতেই বড় ফাঁক রয়ে গিয়েছে, অভিমত আদালতের।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল কুন্তল ঘোষ, নীলাদ্রি ঘোষ, আব্দুল খালেক, তাপস মণ্ডল, শাহিদ ইমাম, শেখ আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষকে।  তাঁদের হেফাজতে চেয়ে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে গেলে সিবিআইয়ের তদন্তের ধরন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারক। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআই পনির বাটার মসালা বানাবে ভাবছে অথচ পনিরই নেই তাদের কাছে!’’ 

    সওয়াল-জবাব

    সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে এদিন সরাসরিই প্রশ্ন তোলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের আইনজীবী। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেলকে তিন দিন হেফাজতে নিয়ে রাখলেও সিবিআই নতুন কিছু দেখাতে পারেনি। বাড়ি থেকে একটি মোবাইল এবং ল্যাপটপই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে শুধু। কিন্তু সরাসরি যোগের কোনও তথ্যই দেখাতে পারেনি সিবিআই। এর জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে তদন্তকারী অফিসার পাল্টা যুক্তি দেখাতে গেলে সেই যুক্তি খারিজ করে দেয় আদালত।

    খালেকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতিতে খালেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীর হয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছিলেন খালেক।’’এসএসসির সুপারিশ সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে ছিল উপদেষ্টা কমিটি। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। সিবিআই তাদের হেফাজতের দাবিতে বলতে চেয়েছিল, শান্তিপ্রসাদের সঙ্গেই খালেকের যোগাযোগ ছিল। যা শুনে বিচারক বলেন, ‘‘এসপি সিনহাকে টাকা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু তাঁকেই তো এই মামলায় আপনারা হেফাজতে নেননি। পনির বাটার মসালা বানাবেন ভাবছেন, পনিরই নেই আপনার কাছে…!’’

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার

    আদালতে এদিন সিবিআই (CBI) দাবি করে, আলি ইমাম ৬ কোটি ৭ লক্ষ টাকা, শাহিদ ইমাম ১ কোটি ৪ লক্ষ এবং কৌশিক ঘোষ ১ কোটি ৯ লক্ষ টাকা তুলেছে চাকরি দেওয়ার নাম করে।  আদালত সূত্রের খবর, শাহিদ ইমাম, আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষ আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চায়। এদিন আদালত তাপস, কুন্তল, নীলাদ্রিকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। অন্য চারজনের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share