Blog

  • Digvijaya Singh: আরএসএসের প্রাক্তন প্রধানকে নিয়ে বিতর্কিত ট্যুইট দিগ্বিজয়ের, মধ্যপ্রদেশে বিপাকে কংগ্রেস

    Digvijaya Singh: আরএসএসের প্রাক্তন প্রধানকে নিয়ে বিতর্কিত ট্যুইট দিগ্বিজয়ের, মধ্যপ্রদেশে বিপাকে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী মধ্যপ্রদেশে ফ্যাসাদে কংগ্রেস! সৌজন্যে প্রবীণ কংগ্রেস (Congress) নেতা দিগ্বিজয় সিংহ (Digvijaya Singh)। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। কংগ্রেসের দাবি, হাত শিবিরের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে বিজেপি।

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। দিন কয়েক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ট্যুইট করেন দিগ্বিজয়। ট্যুইটটি আরএসএসের প্রাক্তন প্রধান এমএস গোলওয়ালকরকে নিয়ে। তাঁকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতেই শুরু হয় বিতর্ক। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের অভিযোগ, কংগ্রেস নেতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য এবং মিথ্যে পোস্ট ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিক বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক পার্থক্য দূর করতে ও সমাজে সম্প্রীতি গড়ে তুলতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন গোলওয়ালকর।

    শিবরাজের ট্যুইট-বাণ

    ট্যুইট-বার্তায় শিবরাজ লেখেন, সত্যিটা না জেনে ভুল তথ্য ও ঘৃণা ছড়ানো কংগ্রেস নেতাদের (Digvijaya Singh) অভ্যাস। শ্রদ্ধেয় শ্রী গোলওয়ালকর গুরুজি সামাজিক বৈষম্য দূর করতে এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ এক সমাজ গড়তে সারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। গুরুজি সম্পর্কে এই ধরনের মিথ্যা প্রচার আসলে কংগ্রেস নেতাদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। গুরুজির একটি মিথ্যা ছবি দিয়ে সামাজিক বিদ্বেষ সৃষ্টির এই চেষ্টা নিন্দনীয়। যদিও কংগ্রেসের দাবি, একটি ইংরেজি বই থেকে বিতর্কিত তথ্যগুলি ভাগ করে নিয়েছেন দিগ্বিজয়। ইন্দোরের পুলিশ কমিশনার মকরন্দ দেউস্কার জানান, রাজেশ জোশী নামে একজনের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে দিগ্বিজয়ের বিরুদ্ধে। তদন্তের পর এ বিষয়ে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, শনিবার (Digvijaya Singh) গোলওয়ালকর সম্পর্কে লেখা একটি বইয়ের একটি পৃষ্ঠার ছবি ট্যুইট করেছিলেন দিগ্বিজয়। সেখানে গোলওয়ালকর সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য ছিল। কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় আরএসএস এবং বিজেপি। আরএসএসের প্রচার বিভাগের প্রধান সুনীল আম্বেকর বলেন, দিগ্বিজয় সিংহের পোস্ট করা ছবিটি ফটোশপের কারিকুরিতে বানানো। সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এটা করা হয়েছে। তিনি জানান, কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে ধর্ম, জাতি এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছেন আরএসএস কর্মী পেশায় আইনজীবী রাজেশ জোশী।

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গেলেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amaranth Yatra: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তিনদিন বন্ধ থাকার পর ফের শুরু অমরনাথ যাত্রা

    Amaranth Yatra: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তিনদিন বন্ধ থাকার পর ফের শুরু অমরনাথ যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তিনদিন স্থগিত থাকার পর ফের শুরু হল অমরনাথ যাত্রা (Amaranth Yatra)। রবিবার পঞ্চতরণী এবং শেষনাগ বেস ক্যাম্প থেকে পুণ্যার্থীরা রওনা দিয়েছেন অমরনাথ গুহার দেব দর্শনে। গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে উত্তর পশ্চিম ভারতে। টানা তিন দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছিল কাশ্মীরের বিভিন্ন অংশেও। নিরাপত্তার খাতিরে স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল অমরনাথ যাত্রা।

    যাত্রা স্থগিত

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যাত্রা স্থগিত হওয়ায় রামবানে আটকে পড়েছিলেন ৬ হাজার পুণ্যার্থী। এঁদের মধ্যে ১২০০ জন আটকে ছিলেন জম্মুর সাম্বায়, ১১০০ জন কাঠুয়ায় এবং ৬০০ জন উধমপুরে। পুণ্যার্থীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। রামবানের ডেপুটি কমিশনার মুসারত ইসলাম বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পুণ্যার্থীদের যাত্রা স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁদের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, সেজন্য থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা সহ সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    ফের শুরু যাত্রা

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় ভারী (Amaranth Yatra) থেকে অতিভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টি ও ধসের কারণে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় মাঝ পথে আটকে পড়েছিলেন বহু পর্যটক। শনিবার গভীর রাতে বৃষ্টি থামার পর রবিবার ভোরে নীল আকাশে উঁকি দেয় সূর্য। তার পরেই তীর্থযাত্রীদের যাত্রা শুরুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। সেই মতো এদিন সকালেই শুরু হয়ে যায় অমরনাথ যাত্রা। মন্দির কর্তৃপক্ষ গুহার দরজা খুলে দেন। তার পরেই অপেক্ষারত পুণ্যার্থীরা করেন দেব দর্শন। করেন প্রার্থনাও।

    আরও পড়ুুন: প্রবল বৃষ্টি উত্তর পশ্চিম ভারতেও, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৫

    পঞ্চতরণী বেস ক্যাম্পের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, যেসব পুণ্যার্থী (Amaranth Yatra) ইতিমধ্যেই দেব-দর্শন সেরেছেন, তাঁদের বালতাল বেসক্যাম্পে ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ভারী বর্ষণের জেরে সাতশোরও বেশি পুণ্যার্থীকে অনন্তনাগ জেলার কাজিগান্ড ক্যাম্পে আশ্রয় দিয়েছিলেন সেনারা। প্রতি বছর অমরনাথ গুহায় তৈরি হয় তুষার লিঙ্গ। এই গুহার লিঙ্গ অমরনাথ নামে খ্যাত। রহস্যময় এই লিঙ্গ দর্শনে ফি বছর অমরনাথে আসেন দেশ-বিদেশের কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থী। চলতি বছর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১ জুলাই। চলবে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Rain: প্রবল বৃষ্টি উত্তর পশ্চিম ভারতেও, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৫

    Rain: প্রবল বৃষ্টি উত্তর পশ্চিম ভারতেও, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দু দিন ধরে প্রবল বৃষ্টি (Rain) হয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি চলছে রবিবারও। ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে দিল্লিতেও। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ১৯৮২ সালের জুলাই মাসের পর এবারই একদিনে রকর্ড বৃষ্টি হল। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৫৩ মিলিমিটার। বস্তুত মরশুমের প্রথম ভারী বৃষ্টি হল এদিনই।

    হিমাচল প্রদেশে মৃত্যু, ভূমিধস

    প্রবল বর্ষণ হয়েছে হিমাচল প্রদেশেও। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শিমলায় রয়েছেন তিনজন, কুল্লু ও ছাম্বায় একজন করে। বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে বিয়াস নদীর জল। কাংড়া, মান্ডি ও শিমলায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের। বিরামহীন বৃষ্টিপাত হচ্ছে হিমাচল প্রদেশের মানালিতে। রাজ্যের সাত জেলায় আবহাওয়া দফতর জারি করেছে (Rain) রেড অ্যালার্ট। সোলান জেলার কাসাউলি এলাকায় ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬টি নির্মীয়মাণ বাড়ি। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। শ্রমিকদের সরানো হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। ধস ও হড়পা বানের জেরে শিমলা, সিরমাউর, লাহাউল, স্পিতি, ছাম্বা ও সোলান জেলায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাস্তা।

    কাশ্মীরে বাড়ছে নদীর জল 

    প্রবল বর্ষণের জেরে দ্রুত বাড়ছে কাশ্মীরের ঝিলম নদীর জল। নদীর পাড়ে যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। নিষেধ করা হয়ছে নদীতে নামতে। কোনও কোনও জায়গায় নদীর জল বইছে বিপদ সীমার (Rain) ওপর দিয়ে। অমরনাথ সহ বিভিন্ন এলাকায় রবিবার সকালের দিকে তুষারপাত হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে এদিন বিরতি দেওয়া হয়েছে অমরনাথ যাত্রায়। ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে পঞ্জাব এবং হরিয়ানায়ও।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস মানেই লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি”, রাজস্থানের জনসভায় বললেন মোদি

    ভারী বৃষ্টি হয়েছে রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায়ও। পৃথক দুর্ঘটনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। চিত্তোরগড়ে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলা ও এক পুরুষের। বিচ্ছন্ন ঘটনায় সাওয়াই মাধোপুরে জলে ডুবে মৃত্যু হয়ে দুজনের। এদিকে, আজমেঢ়, আলোয়ার সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    এদিকে, মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, আগামী তিন থেকে পাঁচ দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Rain) হতে পারে দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, পঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে। উত্তর ভারতের পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণ ভারতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেস মানেই লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি”, রাজস্থানের জনসভায় বললেন মোদি

    PM Modi: “কংগ্রেস মানেই লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি”, রাজস্থানের জনসভায় বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস (Congress) মানেই লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি।” শনিবার রাজস্থানের এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চলতি বছরই রাজ্যের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই উপলক্ষে দু দিনের সফরে প্রচারে গিয়েছেন মোদি। শনিবার রাজস্থানের এক জনসভায় কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় কংগ্রেস

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত ৪ বছরে কংগ্রেস নেতা-মন্ত্রীরা অন্তর্কলহে ব্যস্ত ছিলেন। রাজ্যের জন্য কিছু করেননি। রাজ্যস্থানবাসীর জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প থাকলেও, তা বাস্তবায়িত করেনি রাজ্য সরকার। বিজেপি নাগরিক সুবিধার পরিকল্পনা করেছে, কংগ্রেস রাজ্যবাসীর ক্ষতি করেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের অর্থ লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি।” প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই অশান্ত মণিপুরে গিয়ে নাম না করে বিজেপিকে নিশানা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, “ঘৃণার বাজারে ভালবাসার দোকান খুলতে এসেছে কংগ্রেস। আমাদের ভালবাসার শক্তি হয়ে উঠতে হবে, ঘৃণার নয়।” রাজস্থানের জনসভায় রাহুলের ওই বক্তব্যেরই পাল্টা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থানের কৃষকরা কংগ্রেস সরকারের জন্য অনেক কষ্ট পেয়েছেন। ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেস রাজস্থানের জন্য কী করেছে? তারা কেবল নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছে। একে কেবলই অন্যের পা ধরে টানছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থানের গরিব ভাই-বোনদের প্রায় ২০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। আমরা সারা দেশে প্রায় ৫০ কোটি দরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছি। এর ফলে রাজস্থানের ৩ কোটি গরিব মানুষ প্রথমবারের মতো ব্যাঙ্কিংয়ের সুবিধা পেয়েছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “আজ দেশে ১৩০টিরও বেশি জেলা রয়েছে, যেখানে একশো শতাংশ বাড়িতে কলের জল পৌঁছেছে, তবে এর একটিও রাজস্থানে নেই। রাজস্থানে উন্নয়ন দরকার, পরিবারতন্ত্র নয়।”

    উন্নয়নের সুবর্ণ সুযোগ

    এদিন তেলঙ্গনার ওয়ারাংগেলের এক জনসভায়ও ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই রাজ্যেও রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ৬ হাজার কোটি টাকা মূল্যের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের উন্নয়নের জন্য এটা একটা সুবর্ণ সময়। গত ৯ বছরে তেলঙ্গানায় সড়ক পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। যেসব রাস্তা তেলঙ্গানার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে দেশের ইকনোমিক হাবগুলির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ঝরল রক্ত, পড়ল লাশ, সি-ভোটারের সমীক্ষায় তৃণমূলের সর্বনাশের ইঙ্গিত!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের একটি বুথে শনিবার ভোটাধিকার (Panchayat election 2023) প্রয়োগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে খুন, জখম, ভোট লুঠ, শাসকের অবাধ ছাপ্পার ছবি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়া সত্ত্বে ঠুঁটো হয়ে বসেছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তার প্রেক্ষিতেই শুভেন্দু নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে তালা ঝোলাবেন তিনি।

    হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    তাঁর ওই হুঁশিয়ারির ঘণ্টা চারেক পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার প্রতিবাদে কমিশনের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান শুভেন্দু। তারপরেই দেন তালা ঝুলিয়ে। তিনি বলেন, “গোটা পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ মানুষ আজ ভোট (Panchayat election 2023) দিতে পারেননি। এই ভোটগুলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবস্থাপনায় রাজীব সিনহার উদ্যোগে লুঠ হয়ে গিয়েছে। আমার এই নিয়ে চারবার আসা হল। আমাদের ইলেকশন কো-অর্ডিনেটর শিশির বাজোরিয়ার ১০ বার আসা হল। বারে বারে প্রতিবাদ করেছেন সবাই। এই নির্বাচনের যে সব ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, তা দেখিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব এ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির। তাই আমরা সারাদিন মাঠে-ময়দানে লড়াই করেছি।”

    শুভেন্দুর দাবি

    তিনি বলেন, “সাংবিধানিক বডির কাছে আমাদের আসতে হয়েছে। মহামান্য উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল, সিসিটিভি মনিটরিং করতে হবে। রাজ্যে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রস্তাব দিচ্ছি। সিসি ক্যামেরায় যদি ছাপ্পা (Panchayat election 2023) হয়েছে দেখা যায়, তবে ফের ভোট করতে হবে। যেখানে সিসি ক্যামেরা দেখা গিয়েছে গতকাল (শুক্রবার) ব্যালটে ছাপ মারা হয়েছে, সেই প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে। যখন ব্যালট বাক্স সিল করা হচ্ছে, তখন বিজেপি প্রার্থীকে রাখা হয়নি, এমন ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেখানে আবার ভোট করাতে হবে।” এদিন শুভেন্দুর তালা ঝোলানোর পরপরই অবশ্য তালা খুলে ফেলে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ঝরল রক্ত, পড়ল লাশ, সি-ভোটারের সমীক্ষায় তৃণমূলের সর্বনাশের ইঙ্গিত!

    Panchayat Election 2023: ঝরল রক্ত, পড়ল লাশ, সি-ভোটারের সমীক্ষায় তৃণমূলের সর্বনাশের ইঙ্গিত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে কান্নার রোল। আক্ষরিক অর্থেই শোকের আবহে শনিবার শেষ হল ১০ম পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। অকালে খালি হয়ে গেল রাজ্যের ১৫টি মায়ের কোল। গুলি-বোমা-বারুদের গন্ধে দিনভর ভারী হয়ে রইল রাজ্যের আষাঢ়ের আকাশ। ভোটারের লাল টকটকে রক্তের দাগ লেগে রইল রাজ্যেরই একটি বুথে। নির্বাচন কমিশন রইল ঠুঁটো। যার জেরে কোথাও হাতজোড় করে প্রাণ বাঁচানোর আর্তি জানাতে দেখা গিয়েছে পুলিশ কর্মীকে।

    কাঁদছেন খোদ প্রিসাইডিং অফিসার!

    সংবাদ মাধ্যমের সামনে কাঁদতে দেখা গিয়েছে খোদ প্রিসাইডিং অফিসারকে। প্রশাসনকে ঠুঁটো করে কোথাও দেদার ছাপ্পা ভোট দিয়েছে তৃণমূল। কোথাও আবার আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছোটাছুটি করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের। ব্যালট লুঠ হওয়ার গুচ্ছ অভিযোগও (Panchayat Election 2023) এসেছে বিরোধীদের কাছ থেকে।

    শাসককে টক্কর বিরোধীদের!

    এহেন আবহেও রাজ্যের শাসক দলকে ভোটের ফলে টক্কর দিতে চলেছেন বিরোধীরা। অন্তত এবিপি আনন্দ সি-ভোটারের সমীক্ষা তা-ই বলছে। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, রাজ্যের ২০টি জেলা পরিষদের বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। কোথাও আবার শাসককে টক্কর নিচ্ছে বাম-কংগ্রেস জোট। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, জেলা পরিষদের সম্ভাব্য চিত্র।

     

      জেলা জেলা পরিষদ মোট আসন টি এম সি বি জে পি  অন্যান্য
    কোচবিহার ৩৪ ১১-১৭   ১৮-২২ ০-১
    জলপাইগুড়ি ২৪ ১৬-২০ ৪-৮ ০-১
    আলিপুরদুয়ার ১৮ ৪-৮ ১০-১৪ ০-১
    উত্তর দিনাজপুর ২৬ ১৯-২৫ ০-৪ ০-৩
    দক্ষিণ দিনাজপুর ২১ ১১-১৫ ৬-১০ ০-১
    মালদহ ৪৩ ১৮-২৬ ৩-৭ ১৫-১৭
    মুর্শিদাবাদ ৭৮ ৩৯-৪৯ ০-৪ ২৬-৩৬
    নদীয়া ৫২ ৩০-৪০ ১২-১৮ ০-৪
    বীরভূম ৫২ ৩৪-৪৪ ৬-১২ ০-৫
    ১০ পশ্চিম বর্ধমান ১৮ ১১-১৫ ২-৬ ০-১
    ১১ পূর্ব বর্ধমান ৬৬ ৪৩-৫৩ ১১-১৭ ০-৫
    ১২ হুগলী ৫৩ ৩৬-৪৬ ৭-১৩ ০-৪
    ১৩ উত্তর ২৪ পরগণা ৬৬ ৪৪-৫৪ ৫-১১ ৬-১০
    ১৪ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৮৫ ৫৯-৬৯ ১৪-২০ ১-৫
    ১৫ বাঁকুড়া ৫৬ ৩৭-৪৭ ৯-১৫ ০-৩
    ১৬ পুরুলিয়া ৪৫ ২২-৩২ ১০-১৬ ০-৪
    ১৭ পশ্চিম মেদিনীপুর ৬০ ৩১-৪১ ১৯-২৫ ০-৪
    ১৮ পূর্ব মেদিনীপুর ৭০ ৩৫-৪৫ ২৬-৩২ ০-২
    ১৯ ঝাড়গ্রাম ১৯ ১৩-১৭ ২-৬ ০-১
    ২০ হাওড়া ৪২ ২৭-৩৫ ৭-১১ ১-৩

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুচ্ছ অভিযোগ। উন্নয়নের বুলি যে নিছকই ফাঁকা আওয়াজ মাত্র, তাও স্পষ্ট। এসবের জেরে এবার ভোটের হাওয়া ছিল বিরোধীদের (Panchayat Election 2023) পালেই। বিরোধীদের অভিযোগ, সেই কারণেই জনগণের মতের ওপর ভরসা করতে পারেনি শাসক। চালিয়েছে লুঠতরাজ, গুলি, বোমা। তা সত্ত্বেও জেলা পরিষদে যে ফল হতে চলেছে, তা তৃণমূলের পক্ষে অশনি সংকেত বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।  

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) নির্ঘণ্ট হওয়া থেকে শুরু করে শুক্রবার অর্থাৎ, ভোটের আগের সন্ধে পর্যন্ত গত ৩০ দিনে রাজ্যে ভোট–পূর্ববর্তী হিংসার বলি হয়েছিলেন ১৮ জন। ফলে, শনিবার অর্থাৎ আজ ভোটগ্রহণের দিন কী হতে চলেছে তার একটা পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছিল। আর সেই আশঙ্কা সত্যিও হলো। 

    এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোট হিংসার (Bengal Poll Violence) খবর আসতে শুরু করে। উত্তর হোক বা দক্ষিণ— রাজ্যের সর্বত্র রক্ত ঝরেছে। বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু হয়েছে। শাসক হোক বা বিরোধী— সব দল, সব রঙের কর্মী-সমর্থকরা এই হিংসার শিকার হয়েছেন। কোচবিহার থেকে বর্ধমান, উত্তর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ— বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে মৃত্যুর খবর। আগের দিন যে সংখ্যা ১৮ ছিল, শনিবার সন্ধে পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩। অর্থাৎ, শুক্রবার রাত থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ১৫ জন। গুলিবিদ্ধি হয়ে চিকিৎসাধীন অনেক। এছাড়া, বোমার ঘায়ে বা মারধরে জখমের সংখ্যা বহু। 

    ভোট হানাহানিতে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সমস্যা শুরু হয়েছিল মনোনয়নের প্রথম দিন থেকেই। তবে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) আগের রাত থেকে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোটের দিন দুপুর পর্যন্ত সেই জেলায় পাঁচ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র শাসকদলেরই তিন জন কর্মী খুন হয়েছেন। এক কংগ্রেস কর্মী এবং এক জন সিপিএম সমর্থককেও খুনের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় দু’নম্বরে কোচবিহার। একই সময়ে এই জেলায় তিনজন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন বিজেপির এবং একজন তৃণমূলের। 

    আরও পড়ুন: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    একবার দেখে নেওয়া যাক এই ১৫ জনের মধ্যে কে কোথায় মারা গিয়েছেন (Bengal Poll Violence)—

    কোচবিহার

    কোচবিহার-১ নম্বর ব্লকের ফলিমারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি পোলিং এজেন্ট মাধব বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বুথ কেন্দ্রে ঢুকতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। তারপরে উত্তেজনা ছড়ালে তাঁকে গুলি করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মায়া ভৌমিক সরকারও। 

    তুফানগঞ্জে তৃণমূলের বুথ চেয়ারম্যানকে খুনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল এলাকায়। শুক্রবার রাতে গণেশ সরকারের (৫০) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। গণেশ কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রামপুরের ৯/৬৪ নম্বর বুথের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় টোটো ইউনিয়নের সভাপতিও ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

    দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হল দিনহাটা হাসপাতালে। মৃতের নাম চিরঞ্জিত কার্জি। শনিবার সকালে দিনহাটার কালীরপাট গ্রামে ভোট ঘিরে তুমুল অশান্তি শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। বাধা দেওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। বুথের মধ্যেই গুলি চলে। মারা যান চিরঞ্জিত। গুলিবিদ্ধ রাধিকা বর্মন নামে আরেক বিজেপি কর্মী।

    দক্ষিণ দিনাজপুর

    ভোট চলাকালীন বুথের মধ্যেই খুন হলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর-১ ব্লকের চাকুলিয়া থানার ২ নম্বর বিদ্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেবরা গ্রামের ১৯২ বুথে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন মহম্মদ শাহেনশা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়েন তিনি। পরে, হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

    মুর্শিদাবাদ

    বেলডাঙায় ভোট (Panchayat Elections 2023) হিংসার বলি হন তৃণমূলের কর্মী বাবর আলি (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত কাপাসডাঙা ষষ্ঠীতলা এলাকায়।  শুক্রবার সন্ধেয় বেলডাঙা কাপাসডাঙ্গা এলাকায় বাড়ির সামনে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাবর আলি। অভিযোগ, আচমকাই স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শফিকুল শেখ ও মুরসালিম শেখের নেতৃত্বে কিছু দুষ্কৃতী বাবরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবরকে উদ্ধার করে বেলডাঙা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

    রেজিনগরে তৃণমূল কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ। শনিবার সকালে রেজিনগর থানার নাজিরপুরে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিন শেখ নামে এক শাসকদলের কর্মীর। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিনের। নিহত ওই ব্যক্তি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী কবিতা বিবির আত্মীয়। অভিযোগ, গভীর রাতে ওই এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। বাড়ির ছাদ থেকে বোমা ছোড়া হয়। সেই বোমা ফেটেই নিহত হন ইয়াসিন শেখ। 

    খড়গ্রামেও একটি ফাঁকা জমি থেকে শনিবার সকালে তৃণমূল কর্মী সাত্তারউদ্দিন শেখের দেহ উদ্ধার হয়। খড়গ্রামের রতনপুরেই মনোনয়নের প্রথম দিন খুন হন কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাত্তারউদ্দিনই সেই খুনের মূল অভিযুক্ত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, সেই খুনের বদলা নেওয়ার জন্যই শনিবার ভোট শুরুর ঠিক আগে তৃণমূল কর্মী সাত্তারুদ্দিনকে খুন করা হয়েছে।

    বহরমপুরের নওদাতে কংগ্রেস কর্মীকে মারধর বুথের সামনে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    লালগোলায় বুথে সংঘর্ষ হয় বাম-তৃণমূলের। সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় বাম সমর্থকের। একটি বুথে শাসকদলের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে সিপিএমের। ভোট দিতে এসে সেই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান রওশন আলি নামে ওই সিপিএম সমর্থক। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    মালদা

    মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। দাবি, কংগ্রেসের হামলায় নিহত হয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ নাসিরের কাকা শেখ মালেক। পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন নাসিরও।

    নদিয়া

    চাপড়ার কল্যাণদহে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দাবি, দলবদ্ধ ভাবে ভোট দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমজাদ হোসেন নামে এক তৃণমূল কর্মীকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    উত্তর ২৪ পরগনা

    বারাসত-১ ব্লকের কদম্বগাছিতে এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আবদুল্লা আলি নামে এক নির্দল প্রার্থীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। বয়স ৪১ বছর৷ অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভোটের আগের দিন রাতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গভীর রাতে তাঁকে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আচমকা ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর। শনিবার এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। নিহতের নাম আনিসুল ওস্তাগর। তিনি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ওই ঘটনায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় নির্দল প্রার্থীর দলবলের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

    পূর্ব বর্ধমান

    কাটোয়ায় খুন হয়েছেন তৃণমূল কর্মী গৌতম রায়। অভিযোগ, সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলার নেপথ্যে। অভিযোগ, কাটোয়ার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বুথের (Panchayat Elections 2023) বাইরে বার করে এনে পিটিয়ে খুন করা হয় গৌতমকে। 

    আউশগ্রামে তৃণমূল ও সিপিএম সংঘর্ষে এক সিপিএম কর্মী নিহত হন (Bengal Poll Violence)৷ মৃতের নাম রাজিবুল হক৷ গতকাল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের অমরপুর পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুরে ভোটকর্মীদের সামনেই দুই গোষ্ঠীর বচসা শুরু হয়৷ এরপর তা মারামারিতে পৌঁছয়৷ এই ঘটনায় দু’পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর (Manipur)। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন এক পুলিশ কমান্ডোও।  নিহতদের মধ্যে এক কিশোরও রয়েছে। এর জেরে জাতিগত হিংসায় মণিপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২৭ জন। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর জেলার সমীনা আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    দফায় দফায় দুষ্কৃতী হামলা

    গত দু’মাস ধরে বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর এই দুই জেলার সীমানা দফায় দফায় হিংসার কারণে উত্তপ্ত হয়েছে। দুই জেলার সীমানায় সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি সত্ত্বেও বার বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে দুষ্কৃতীরা এই দুই জেলায় ঢুকছেন। তার পরই নতুন করে হিংসার ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার রাতেও দুই জেলার সীমানার দু’ধার থেকে গোপনে দুষ্কৃতীরা ঢুকেছিলেন। তার পরই আবার নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ভোররাত দেড়টা নাগাদ এই গুলির লড়াই হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় দু’জনের, সঙ্গে গুরুতর আহত হন তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    সেনা সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা বেশ কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেওয়ায় সেই ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। তবে কাংভাই, সোংডো এবং আওয়াং লেখাই গ্রামে গুলির লড়াই চলে। অন্য দিকে, শুক্রবার যৌথ অভিযানে নামে মণিপুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, চূড়াচাঁদপুর, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলায় অভিযান চালিয়ে দুষ্কৃতী এবং জঙ্গিদের ১৮টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই অভিযানে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, ৭৪টি গুলি এবং অত্যন্ত শক্তিশালী পাঁচটি হ্যান্ডগ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। বহুদিন ধরে গোষ্ঠীহিংসায় জর্জরিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্য। এর মধ্যে চূড়াচাঁদপুরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দু’মাস ধরে জ্বলছে মণিপুর। হিংসা থামার কোনও লক্ষণই নেই। মণিপুরের সমতলের বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কুকি এবং নাগা জনগোষ্ঠীর বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলের ভোটারদের সন্ত্রস্ত করে ভোট লুঠের ছক কষেছিল তৃণমূল (TMC)। অভিযোগ, সেই কারণে শনিবার সকাল থেকে নদিয়ার হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayat election 2023) এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মুহূর্মুহূ কান ফাটানো বোমার আওয়াজে আর বুথমুখো হননি ভোটাররা। এনিয়ে বুথের মধ্যেই গন্ডগোল শুরু হয় তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে।

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই সময় ফের বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূলের দুর্বৃত্তরা। এর পরেই ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। হতাহতের কোনও খবর অবশ্য নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উগ্রমূর্তি দেখে পিঠটান দেয় তৃণমূলের হার্মাদরা। তার পরেই ফের শুরু হয় ভোটগ্রহণ-পর্ব। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এদিন সব মিলিয়ে ২০টিরও বেশি বোমা ছোড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    বোমাবাজি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat election 2023) একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে বুথ। যথারীতি ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। তার ঢের আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু ভোটার। অভিযোগ, ভোট গ্রহণ-পর্ব শুরু হওয়ার পরে পরেই নানাভাবে সন্ত্রাসের চেষ্টা করে তৃণমূল। ভোটারদের সাহস জোগানোর চেষ্টা করে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, এর পরেই ভোটারদের লাইন ফাঁকা করতে বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভয়ে লাইন ফেলে বাড়ির দিকে ছুটতে শুরু করেন লাইনে দাঁড়ানো ভোটাররা। এই বুথের প্রহরায় ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে ২০টিরও বেশি বোমা ছুড়েছে। পদ্ম শিবিরের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের পাল্টা দাবি, অশান্তি ছড়িয়েছে বিজেপিই।

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    এদিকে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে (Panchayat election 2023) গিয়ে মৃত্যু হল এক ভোটারের। নদিয়ার চাপড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। এদিন চাপড়ার একটি বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে ভোটারদের। রুখে দাঁড়ান এক ভোটার। আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন ওই ভোটার। চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। বর্তমানে দেহটি রাখা হয়েছে ওই হাসপাতালেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adipurush: নতিস্বীকার! ‘আদিপুরুষ’ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন লেখক মনোজ মুনতাশির

    Adipurush: নতিস্বীকার! ‘আদিপুরুষ’ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন লেখক মনোজ মুনতাশির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আদিপুরুষ’ (Adipurush) বিতর্কে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লেখক মনোজ মুনতাশির (Manoj Muntashir)। রামায়ণের আধারে তৈরি এই ছবির সংলাপগুলি খুবই নিম্নরুচির এবং এর ফলে হিন্দুধর্মের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নেটিজেনদের একাংশ। ছবি মুক্তির পর থেকে এই সংলাপ নিয়েই সবথেকে বেশি বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। শেষে মুক্তির কয়েকদিনের মধ্যেই সেই বিতর্কিত সংলাপগুলি বদলে দেওয়া হয়।

    মনোজের ট্যুইট বার্তা

    নিজের অবস্থানেই অনড় ছিলেন লেখক। তবে এবার সংলাপ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন তিনি। প্রথমে শনিবার ৮ জুলাই, হিন্দি এবং ইংরেজিতে মনোজ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে ক্ষমা চেয়ে একটি নোট লিখেছেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘আমি মানুষের আবেগ বুঝতে পেরেছি। আদিপুরুষের (Adipurush) দ্বারা আহত হয়েছেন তারা। হাত জোড় করে আমি বলছি, নিঃশর্তভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। প্রভু বজরংবলি আমাদের সকলকে এক করে রাখুন এবং আমাদের পবিত্র সনাতন এবং আমাদের মহান জাতির সেবা করার শক্তি দিক।’  মনোজের এই দেরি করে ক্ষমা চাওয়াকে নেটিজেনরা খুব একটা ভালোভাবে নেয়নি। অনেকেই বলেছেন, সিনেমাটি হল থেকে প্রায় যেতে বসেছে, তখন এই বার্তার মানে নেই।

    ৬০০ কোটি টাকার বেশি বাজেটে তৈরি ওম রাউত পরিচালিত ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ছবিগুলির মধ্যে একটি আদুপুরুষ (Adipurush)। এই কারণেই ৩৯০ কোটি টাকা বিশ্বব্যাপী উপার্জন করার পরেও, এটি একটি বিশাল বাণিজ্যিক ব্যর্থতায় পরিণত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শ্যুটিংয়ে নাক ফাটলো শাহরুখের! হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন?

    উল্লেখ্য,‘আদিপুরুষ’ মুক্তির পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। ছবির সংলাপ থেকে ভিএফএক্স, এমনকী রাম, সীতা কিংবা রাবণের মেকআপ নিয়েও সমালোচনা চলেছে। প্রথম তিনদিন পর থেকেই ধীরে ধীরে বক্স অফিসে ডুবতে থাকে রামায়ণের আধারে তৈরি এই ছবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share