Blog

  • Sir Creek: ‘করেছি নিজেদের জমিতে’, স্যর ক্রিকে ছাউনি নির্মাণ নিয়ে পাক-আপত্তি ওড়াল ভারত

    Sir Creek: ‘করেছি নিজেদের জমিতে’, স্যর ক্রিকে ছাউনি নির্মাণ নিয়ে পাক-আপত্তি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদের কথা উঠলেই সবার প্রথমে সামনে আসে সীমান্ত নিয়ে সংঘাতের কথা। এমনই ভারতের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত গুজরাটের স্যর ক্রিক নিয়েও ভারত-পাকিস্তানের বিবাদ জারি। এবারে সেই জায়গায় ভারতের বিওপি তৈরি করা নিয়েই আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, ভারত পাকিস্তানের জায়গাতে বিওপি বা বর্ডার আউট পোস্ট বানানোর কাজ শুরু করেছে। তবে ভারতও তাদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বিএসএফ ভারতের আয়ত্তে থাকা জায়গাতেই তিনটি বর্ডার অফ পোস্ট বানাচ্ছে।

    কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, গত মাসে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গে স্থানীয় কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই বিওপি নির্মাণ নিয়ে আপত্তি জানায় পাকিস্তান। ভারতীয় এক সেনা আধিকারিক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “যেখানে বিওপি তৈরি করা হচ্ছে সেই এলাকায় ভারতীয় বাহিনী নজরদারি চালায়। কিন্তু পাকিস্তান দাবি করছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ১ কিমি দূরে এসে ভারত নির্মাণ কাজ করছে। তার জন্য তাদের কাছে প্রমাণও রয়েছে।” যদিও তা অসত্য বলে জানিয়েছেন ওই সেনা আধিকারিক। তাঁর মতে ভারত নিজেদের ভূখন্ডেই বিওপি নির্মাণ করছে।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    স্যর ক্রিকের জন্য টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

    ২০২২ সালের শেষের দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্যর ক্রিকে আটটি বহুতল বাঙ্কার তথা অবজার্ভেশন পোস্ট তৈরির জন্য ৫০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। লাখপত ওয়ারি বেট, ডাফা বেট এবং সমুদ্র বেট— এই তিনটি বিওপি তৈরির জন্যই এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকায় পাকিস্তানি জেলে ও মাছ ধরার নৌকার ক্রমাগত অনুপ্রবেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিওপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিএসএফদের যাতে ওই সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালাতে আরও কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্যই এটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

    ভারত এই বিওপিগুলি নির্মাণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কারণ এই বিওপি বিএসএফকে স্যর ক্রিক এবং ‘হারামি নালা’  জলাভূমিতে আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবস্থান করার কৌশলগত সুবিধা দেবে। সরকারী তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে গুজরাটের এই অঞ্চল থেকে বিএসএফ ২২ জন পাকিস্তানি জেলে, ৭৯ টি মাছ ধরার নৌকা এবং ২৫০ কোটি টাকার হেরোইন জব্দ করেছিল। ফলে পাকিস্তানিদের অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

    বিওপি নির্মাণ

    এক একটি বাঙ্কারের উচ্চতা হবে প্রায় ৪২ ফুট। ওই বাঙ্কারগুলিতে র‌্যাডার থেকে শুরু করে নজরদারির সমস্ত অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকবে। একসঙ্গে ১৫ জন সেনাকর্মী থাকতে পারবেন এক একটি তলায়। তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসও রাখা যাবে সেখানে।

    পাকিস্তানরা যেই বিওপি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে, সেটি হল সমুদ্র বেট। পাকিস্তান ‘সমুদ্র বেট’-এর নির্মাণকাজকে তারা ‘মৌর্য বেট’ বলে অভিহিত করছে ও দাবি করছে, ওই এলাকা নিজেদের আয়ত্তে রয়েছে।

    এক সেনা আধিকারিক জানান, পুরোদমে নির্মাণকাজ চলছে। কেন্দ্রীয় পূর্ত মন্ত্রক ওই বিওপিগুলি তৈরির কাজ করছে। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও) বিওপিগুলিতে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই রাস্তা তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলেছে। বিএসফকে সবটাই জানানো হয়েছে। কারণ, পাকিস্তানের বিওপি নিয়ে আপত্তি-প্রতিবাদ, এই বিষয়টি স্পর্শকাতর বলে গোটা ঘটনার কথা বিএসফকে জানিয়ে রাখা হয়েছে।

  • WPL Auction 2023: মহিলা ক্রিকেটারদের নিলামেও বাজিমাত বাংলার রিচা-তিতাসদের, কে পেল কোন দল?

    WPL Auction 2023: মহিলা ক্রিকেটারদের নিলামেও বাজিমাত বাংলার রিচা-তিতাসদের, কে পেল কোন দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগেই মহিলা আইপিএলের (WPL Auction 2023) ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। গতকাল ছিল তার নিলাম। কিছুদিন আগেই টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। গোটা বিশ্বে জয়জয়কার রিচা-তিতাসদের। এই নিলামের দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই।

    আরও পড়ুন: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলা থেকে তিন ক্রিকেটার আইপিএলে জায়গা করে নিয়েছেন। দীপ্তি শর্মাকে কিনেছে উত্তরপ্রদেশ। রিচা ঘোষ খেলবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলবেন তিতাস সাধু। এঁদের মধ্যে সব থেকে বেশি দর উঠেছে দীপ্তি শর্মার। ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকায় কিনেছে উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স। রিচাকে ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনেছে আরসিবি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার তিতাসকে ২৫ লক্ষ টাকায় নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। 
     
    এছাড়া কার কত দর উঠল? 

    • স্মৃতি মন্ধনা: ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার স্মৃতি মন্ধনা। ৩ কোটি ৪০ লক্ষ টাকায় তাকে দলে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। 
    • হরমনপ্রীত কউর: ভারতীয় দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউরকে দলে নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। হরমনপ্রীত কউরকে দলে নিতে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা খরচ করছে মুম্বই। 
    • জেমিমা রড্রিগেজ: জেমিমা রড্রিগেজকে ২.২০ কোটিতে তাকে দলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। 
    • দীপ্তি শর্মা: ভারতীয় তারকা স্পিনার অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মাকে নিলামে ২.৬০ কোটি টাকায় দলে নিয়েছে ইউপি ওয়ারিয়র্স। 
    • রিচা ঘোষ: রিচা ঘোষকে ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় কেনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। 
    • শেফালি ভার্মা: শেফালি ভার্মাকে ২ কোটি টাকায় শেফালিকে দলে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস।
    • রাধা যাদব: রাধা যাদবের দর ওঠে ৪০ লক্ষ টাকা। কিনেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। 
    • তিতাস সাধু: অনুর্ধ্ব ১৯ টি-২০ বিশ্বকাপে অনবদ্য বোলিং করেছিলেন বাংলার তিতাস সাধু। ফাইনালে ম্যাচ অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছিলেন। ২৫ লক্ষ টাকায় তাঁকে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Vijaya Ekadashi: শ্রীরামচন্দ্র এই ব্রত পালন করেছিলেন! এবছর বিজয়া একাদশী ১৬ ফেব্রুয়ারি

    Vijaya Ekadashi: শ্রীরামচন্দ্র এই ব্রত পালন করেছিলেন! এবছর বিজয়া একাদশী ১৬ ফেব্রুয়ারি

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় একাদশী হল বিজয়া একাদশী (Vijaya Ekadashi)। অর্থাৎ কৃষ্ণ পক্ষের একাদশী তিথি। নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। এবছর ১৬ ফেব্রুয়ারি পড়েছে এই তিথি। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, এই একাদশী তিথিতে ভগবান বিষ্ণুর বিশেষ পূজার্চনা করা হয়ে থাকে। ভক্তদের বিশ্বাস, এই একাদশীতে (Vijaya Ekadashi) ভক্তি সহকারে পুজো করলে জয় লাভের পথ প্রশস্ত হয়। পাশাপাশি সমস্ত বাধা বিপত্তি থেকে মুক্তিও পাওয়া যায়। 

    চলতি বছরে বিজয়া একাদশী (Vijaya Ekadashi) তিথি কখন শুরু হচ্ছে

    পঞ্জিকা অনুযায়ী  ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩২ মিনিটে একাদশী তিথি শুরু হবে এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ২টো ৪৯ মিনিট অবধি তা চলবে। 

    বিজয়া একাদশীর (Vijaya Ekadashi) দিন কী করবেন এবং কী করবেন না

    হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন জুয়া খেলা অনুচিত। বিশ্বাস মতে, এমন করলে ব্যক্তির বংশ নষ্ট হয়।
        
    একাদশীর (Vijaya Ekadashi) রাতে ঘুমোতে নিষেধ করা হয়েছে শাস্ত্রে। সারা রাত জেগে ভগবান বিষ্ণুর মন্ত্র জপ করা উচিত।
        
    শাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন চুরি করলে পরবর্তী ৭টি প্রজন্ম সেই পাপের অংশীদার হয়ে পড়ে।
         
    একাদশী (Vijaya Ekadashi) তিথিতে ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভের জন্য খাওয়া-দাওয়া ও ব্যবহারে সাত্ত্বিকতা রাখা উচিত। কর্কশ শব্দ ব্যবহার করে কারও সঙ্গে কথা বলা উচিত নয়। ক্রোধ ও মিথ্যাকথা এড়িয়ে চলা উচিত।
        
    বিজয়া একাদশীর (Vijaya Ekadashi) দিন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে যাওয়া উচিত।

    বিজয়া একাদশীর (Vijaya Ekadashi) পৌরাণিক আখ্যান

    পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী, দ্বাপর যুগে কোনও একসময়ে ভগবান কৃষ্ণের কাছে ফাল্গুন একাদশী সম্পর্কে জানার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির। ফাল্গুন একাদশীর মাহাত্ম্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণ বলেন যে, ‘হে কৌন্তেয়, নারদ মুনি সবার প্রথমে এই একাদশী সম্পর্কে জেনেছিলেন ব্রহ্মার কাছ থেকে। এরপর তোমাকে আমি এ সম্পর্কে  অবগত করছি। এর সূত্রপাত ত্রেতা যুগে। সীতা হরণের পর রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সুগ্রীবের সেনার সঙ্গে লঙ্কার দিকে যাত্রা করেন রামচন্দ্র। কিন্তু লঙ্কা পৌঁছনোর আগেই বিশাল সমুদ্র তাঁদের পথ আটকে দেয়। রামচন্দ্র লক্ষ্মণের কাছ থেকে সমুদ্র পার করার উপায় জানতে চাইলে, লক্ষ্মণ বলেন, প্রভু আপনি সর্বজ্ঞ, তবে তা সত্ত্বেও জানতে চাইলেন, কিন্তু আমিও কোনও উপায় দেখছিনা। কিন্তু এখান থেকে কিছু দূরেই বকদালভ্য মুনির আশ্রম রয়েছে। তাঁর কাছে এর কোনও না-কোনও উপায় নিশ্চয়ই পাওয়া যেতে পারে। এরপরই বকদালভ্য মুনির কাছে পৌঁছন রামচন্দ্র। সমস্যা শোনার পর ঋষি তাঁকে ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে সমস্ত সেনা-সহ উপবাস পালনের কথা বলেন। বলেন, ‘এই ব্রতর প্রভাবে সমুদ্র পার করতে সফল হবেন তাঁরা এবং লঙ্কা বিজয়ও সম্ভব হবে। পৌরাণিক কাহিনী মতে, একাদশী ব্রত পালন করার পরই রামসেতুর নির্মাণ করে লঙ্কাবিজয় করেন রামচন্দ্র। তারপর থেকেই ছড়িয়ে পড়ে এই তিথির মাহাত্ম্য। ভক্তদের বিশ্বাস বিজয়া একাদশী (Vijaya Ekadashi) পালন করলে শত্রু বিজয় করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Murshidabad: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার মুর্শিদাবাদের সেই প্রধান শিক্ষক, ছেলে অধরা

    Murshidabad: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার মুর্শিদাবাদের সেই প্রধান শিক্ষক, ছেলে অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Teacher Recruitment Scam) গ্রেফতার প্রধান শিক্ষক। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সুতির গোঠা এ আর হাইস্কুলের ঘটনায় চাঞ্চল্য। সোমবার ভবানী ভবনে আশিস তিওয়ারি নামে ওই প্রধান শিক্ষককে টানা সাত ঘণ্টা জেরা করা হয়। টানা জেরায় বেআইনিভাবে ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন বলে কবুল করেন ওই প্রধান শিক্ষক। এদিন বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি। আশিষের ছেলে অনিমেষ অবশ্য এখনও পলাতক।

    সিআইডি…

    জানা গিয়েছে, আশিসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে চিঠির কোনও জবাব দিচ্ছিলেন না তিনি। শনিবার বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর বাহাদুরপুর এলাকার বাড়িতে গিয়ে হাজির হয় সিআইডির পাঁচ সদস্যের একটি দল। বাড়িতে তখন তালা ঝোলানো ছিল। আশিসকে না পেয়ে হাজিরার নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়ে আসেন তদন্তকারীরা। তার পরেই সোমবার সকালে ভবানী ভবনে হাজির হন ওই প্রধান শিক্ষক। সিআইডি সূত্রে খবর, এদিন জিজ্ঞাসাবাদে ওই প্রধান শিক্ষক স্বীকার করেছেন অনিয়ম করে ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    প্রসঙ্গত, সুতির (Murshidabad)  স্কুলে ভূগোলের শিক্ষক অরবিন্দ মাইতির নিয়োগপত্রের মেমো নম্বর জাল করে আশিসের ছেলে অনিমেষ চাকরি পেয়েছেন, এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্ত করছে সিআইডি। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার পেলেন অনিমেষ? উত্তরে নানা অসঙ্গতি ছিল আশিসের। কীভাবে বেতন পেতেন ছেলে? এমনই সব প্রশ্নের উত্তর প্রথমে এড়িয়ে যান ওই প্রধান শিক্ষক। টানা জেরায় অবশ্য শেষমেশ স্বীকার করেন অনিয়ম করে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন ছেলেকে।

    সিআইডি সূত্রে খবর, এই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে অনেক অসঙ্গতি ছিল। তদন্তেও অসহযোগিতা করছিলেন। সেই কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। জানুয়ারি মাসে এই মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন উচ্চ আদালতের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তার আগে অনিমেষের বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অনিমেষ স্কুলে প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেন বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Kolkata Weather: ২ দিনে পারদ পতন ৭ ডিগ্রি! বিদায়ের আগে শেষ ‘কামড়’ শীতের

    Kolkata Weather: ২ দিনে পারদ পতন ৭ ডিগ্রি! বিদায়ের আগে শেষ ‘কামড়’ শীতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল থেকে ফের নামল তাপমাত্রার পারদ (Kolkata Weather)। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পরিষ্কার আকাশ। আর তার সঙ্গেই রয়েছে শীতের আমেজ। সোমবারই এক ধাক্কায় তাপমাত্রা পাঁচ ডিগ্রি কমেছে। বুধবার তা আরও কমে পৌঁছল ১৫ ডিগ্রিতে। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আরও ২৪ ঘণ্টা এই শীতের আমেজ বজায় থাকবে। প্রেম দিবসে শহরের প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্যে এটাই হয়তো ঈশ্বরের আশির্বাদ। এতে বেজায় খুশি লাভবার্ডরা।   

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২২.২ ডিগ্রি ছিল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Kolkata Weather)। এরপর ১৩ ফেব্রুয়ারি তা এক ধাক্কায় কমে দাঁড়ায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গত ২ দিনে ৭ ডিগ্রি পারদ পতন হয়েছে শহরে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাতেও বদল এসেছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১২ ফেব্রুয়ারি তা কমে দাঁড়ায় ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৩ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যেও ফারাক দেখা যাচ্ছে। আরও ২৪ ঘণ্টা এভাবেই শীতের আমেজ বজায় থাকবে শহরে। বুধবারের পর হয়তো শীত বিদায় নেবে এ বছরের মতো। বৃহষ্পতিবার থেকে ক্রমেই পারদ চড়তে থাকবে। দিন ও রাতে ভ্যাপসা গরম লাগবে। এছাড়া কলকাতার আকাশ মোটামোটি পরিষ্কারই থাকবে। আপাতত শহরে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।    

    কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা কমেছে। আগামী দুদিন উত্তরবঙ্গ জুড়ে থাকবে মাঝারি কুয়াশা। দার্জিলিং কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ঘন কুয়াশা হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে দু’একটি জেলার কিছু অংশে।

    অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও কেমন থাকবে তাপমাত্রা?

    মঙ্গলবার নতুন করে পশ্চিমে ঝঞ্ঝা ঢুকবে উত্তর পশ্চিম ভারতের পাহাড়ি এলাকায় (Kolkata Weather)। উত্তর পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব থাকবে। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি ও তুষারপাতের হতে পারে কাশ্মীর, লাদাখ এবং মুজাফফরাবাদ এলাকায়। বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে অরুণাচলপ্রদেশেও। বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে আসাম এবং নাগাল্যান্ডের কিছু এলাকায়।   বুধবার পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার গতিবেগে হাওয়া বইবে উত্তর পশ্চিম ভারতের সমতল এলাকায়। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লির বেশ কিছু অংশে এবং উত্তরপ্রদেশে এই হাওয়ার প্রভাব পড়বে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Lalita Lajmi: ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত গুরু দত্তের বোন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ললিতা লাজমি

    Lalita Lajmi: ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত গুরু দত্তের বোন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ললিতা লাজমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন প্রবীণ শিল্পী ললিতা লাজমি (Lalita Lajmi), সোমবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ৯০ বছর বয়সে মারা যান তিনি।  প্রখ্যাত অভিনেতা ও লেখক গুরু দত্তের বোন ছিলেন ললিতা লাজমি (Lalita Lajmi)। ২০০৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল বলিউড সিনেমা ‘তারে জমিন পর’। দেশ বিদেশে প্রশংসিত এই সিনেমায় তাঁকে দেখা গিয়েছিল আর্ট টিচার ভূমিকায়। ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্টের পক্ষ থেকে লাজমির (Lalita Lajmi) মৃত্যুর খবরটি শেয়ার করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    সেখানে লেখা হয়েছে, ‘শিল্পী ললিতা লাজমির মৃত্যু সংবাদে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। লাজমি একজন স্ব-শিক্ষিত শিল্পী ছিলেন যার শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তাঁর কাজে ছাপ ছিল বিষণ্ণতা এবং কর্মক্ষমতার। যেমন এই শিল্পকর্মটি, নাম ‘ডান্স অফ লাইফ অ্যান্ড ডেথ’।’ যা শিল্প-বিশেষজ্ঞদের কাছে এক অমর সৃষ্টি হয়ে থেকে যাবে।

    প্রয়াত শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন 

    ললিতা (Lalita Lajmi) বিয়ে করেছিলেন ক্যাপ্টেন গোপী লাজমিকে। তাঁদের একমাত্র কন্যা সন্তান ২০১৮ সালে মারা যান। নাম ছিল কল্পনা লাজমি। মেয়ের মৃত্যুশোক সহ্য করতে হয়েছিল ললিতাকে। পরপর হারিয়েছিলেন ভাই গুরু দত্ত, ভাইয়ের বউ গীতা দত্ত ও তাঁদের দুই ছেলে তরুণ আর অরুণকেও। ব্যক্তিগত জীবন খুব সুখের ছিলনা তাঁর। ললিতা লাজমির মৃত্যু সংবাদে গভীরভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন শিল্পী সমাজ।

    আরও পড়ুন: আসছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক, চরিত্রে অভিনয় প্রয়াত পপ-তারকার ভাইপোর!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Amit Shah: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) কিছু লুকোনোর নেই আর ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। আদানি (Gautam Adani) বিতর্কে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধীরা। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ খোলেন শাহ।

    কংগ্রেসের অভিযোগ…

    কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি গৌতম আদানিকে সাহায্য করছে। তার জবাব দিতে গিয়েই শাহ বলেন, আড়াল করার বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তাঁর মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তিনি (Amit Shah) বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি দেখছে। একজন মন্ত্রী হিসেবে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কিন্তু এতে বিজেপির লুকোনোর কিছু নেই। এবং হওয়ার কিছু নেই।

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে আদানির। ২০১৪ সালের পর আদানি ৬০৯তম থেকে বিশ্বব্যাপী ধনীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন। কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী মোদি আদানিকে বিভিন্ন সেক্টরে বিদেশি চুক্তিতে সহায়তা করেছিলেন। তিনি আরও জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আদানি গত ২০ বছরে নির্বাচনী বন্ড সহ বিজেপিকে কত টাকা দিয়েছে। বিজেপির তরফে এর আগে মুখ খুলেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। তিনি বলেন, ভারতের শেয়ার বাজার খুবই ভালভাবে নিয়ন্ত্রিত। একটি মাত্র ঘটনা, তা নিয়ে বিশ্বে যতই শোরগোল হোক না কেন, তা দিয়ে এই নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার বিচার করা যায় না। ওই ঘটনায় বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীর আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে বলেও আমি মনে করি না।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতির জের, চাকরি হারাচ্ছেন নবম-দশম শ্রেণির ৬১৮ জন শিক্ষক! বিজ্ঞপ্তি জারি এসএসসি-র

    প্রসঙ্গত, আদানিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদনের শুনানিতে শনিবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কি আমরা ব্যবস্থা নেব? আমরা নীতিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তা সরকারের কাজ। তবে তিনি এও বলেন, আমরা একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরির পরামর্শ দিয়েছি। সরকারেরও এ বিষয়ে আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতি বলেন, শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও ভারতীয় লগ্নিকারীদের স্বার্থরক্ষা সম্পর্কে আশঙ্কার কথা আমরা সলিসিটর জেনারেলকে জানিয়েছি।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিনডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারচুপি করে সম্পদ বৃদ্ধির গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এদিন সে প্রসঙ্গে শাহের পরামর্শ, বিরোধীরা অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ranji Trophy: বাংলাকে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির! টিকিট ছাড়াই ইডেনে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা

    Ranji Trophy: বাংলাকে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির! টিকিট ছাড়াই ইডেনে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও টিকিট ছাড়াই রঞ্জি ট্রফি (Ranji Trophy Final) ফাইনাল ম্যাচ দেখতে পাবেন ইডেনে। বাংলার হয়ে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির (CAB)। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া রঞ্জি ফাইনাল ম্যাচে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারবে ইডেনে (Eden Gardens)। গেট নম্বর তিন ও চার এবং ১৭ নম্বর গেট দিয়ে মানুষ টিকিট ছাড়াই মাঠে ঢুকতে পারবেন।

    ঘরের মাঠে খেতাব জয়ের হাতছানি

    বৃহস্পতিবার থেকে বাংলা রঞ্জি ফাইনাল খেলতে নামবে সৌরস্ট্রের বিরুদ্ধে। ছন্দে থাকা মনোজরা এবার খেতাব পেলে ৩৪ বছর পরে ফের চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলা।  ১৯৮৯-৯০ মরশুমে শেষবার রঞ্জি ট্রফি জিতেছিল বাংলা। ইন্দোরে সেমি ফাইনালে মধ্যপ্রদেশকে হারিয়েছে মনোজরা। দলের কোচ লক্ষ্মী রতন শুক্লা জানিয়েছেন, তাঁরা ফাইনালে অল আউট ঝাঁপাবেন। দলনায়ক মনোজ তিওয়ারি বলেন, বাংলা খেতাব জিতলে তিনি মাঠেই অবসর ঘোষণা করবেন।

    মাত্র দুবার চ্যাম্পিয়ন

    ২০১৯-২০ সালের রঞ্জি মরসুমে শেষবার রঞ্জির ফাইনালে উঠলেও, সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হেরে খালি হাতেই ঘরে ফিরতে হয়েছিল বাংলা দলকে। এবারও ফাইনালে প্রতিপক্ষ অবশ্য একই হলেও ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে খেলার সুযোগ পাবে বাংলা। ঘরের মাঠে ফের রঞ্জি জয়ের হাতছানি বাংলার সামনে। এই নিয়ে ১৫ বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলছে বাংলা দল। মুম্বইয়ের পর সব থেকে বেশি ফাইনাল খেলার নজির দিল্লির সঙ্গে যৌথভাবে বাংলার। দিল্লিও পনেরো বার ফাইনাল খেলেছে। এর আগে ১৪ বার ফাইনাল খেলে মাত্র দুবার চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছে বাংলা দল। ১২ বার রানার্স হয়েছে। বাংলা যে দু’বছর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেই দুটি রঞ্জি ফাইনাল খেলা হয়েছিল ইডেনে।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত বাংলার রিচা! পাকিস্তানকে হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু ভারতের মেয়েদের

    বিনামূল্যে ক্রিকেটের নন্দন কাননে 

    এবারও ইডেনে জয় পেতে মরিয়া বাংলা। সেই ম্যাচের জন্য অভিনব উদ্যোগ নিল বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা সিএবি (CAB)। সেই ম্যাচে মনোজ তিওয়ারিদের হয়ে গলা ফাটানোর জন্য বঙ্গ ক্রিকেটপ্রেমীরা বিনামূল্যেই ক্রিকেটের নন্দন কাননে প্রবেশ করতে পারবন। সোমবার সিএবির তরফে জানানো হয় ফাইনাল ম্যাচে ইডেনের বেশ কিছু ব্লকে দর্শকরা কোনও অর্থ ব্যয় না করেই প্রবেশ করতে পারবেন। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় (Snehasish Ganguly) জানান, ‘ক্লাব হাউসের দুই পাশের বি, সি ব্লক এবং কে, এল ব্লক সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে যাতে তাঁরা মাঠে এসে ঘরের দলের হয়ে গলা ফাটাতে পারেন। আমরা চাই যাতে দর্শকরা বিপুল পরিমাণে মাঠে এসে দলের জন্য গলা ফাটান, দলকে সমর্থন জানান।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নেশ বর্মাকে (Ratnesh Verma) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। এই রত্নেশ কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত লালার ঘনিষ্ঠ। সোমবার সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে তোলা হয়েছিল আসানসোল সিবিআই আদালতে। ওই আদালতের বিচারক সেদিন রত্নেশকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ার পর ফের সোমবার তাঁকে তোলা হল আসানসোল আদালতে।

    রত্নেশ…

    জানা গিয়েছে, এদিন রত্নেশের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ তাঁর হয়ে জামিনের কোনও আবেদন করেননি। তার পরেই বিচারক রত্নেশকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও জেল হেফাজতে থাকাকালীন সিবিআই আধিকারিকরা জেলে গিয়ে রত্নেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে আদালত জানিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের নরসমুদা খনি লাগোয়া এলাকায় বাড়ি রত্নেশের। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনি কয়লা পাচারের পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। চুরি হওয়া কয়লা রত্নেশের সাহায্যেই মাফিয়ারা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিত। রত্নেশের নিজের লরি ছিল। বেআইনি কয়লা পাচারের জন্য অন্যান্য লরিও নিজের কাজে ভাড়া খাটাতেন।

    আরও পড়ুুন: ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাত রাজ্যপাল আনন্দ বোসের! কী কথা হল প্রাক্তন ও বর্তমানের মধ্যে?

    জানা গিয়েছে, ভুয়ো চালান দিয়ে এই কয়লা পাচার করা হত। রত্নেশের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, পাচারের পুরো কর্মকাণ্ডে লিংকম্যানের কাজ করতেন তিনি। এই মামলায় রত্নেশকে ফেরার ঘোষণা করেছিল বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। ২০১৯ ও ২০২০ সালেও রত্নেশের বিরুদ্ধে পর পর দুবার লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছিল। অনেক দিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত ৩১ জানুয়ারি আসানসোল সিবিআই আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন রত্নেশ। সেই দিনই বিচারক তাঁকে জেলা পাঠান। পরবর্তীকালে ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর কাছ থেকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। সোমবার রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। এই জেলেই রয়েছেন গরু পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যের সব সংশোধনাগারে জ্যামার ও ফুল বডি স্ক্যানার বসানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাজ্যের সব সংশোধনাগারে জ্যামার ও ফুল বডি স্ক্যানার বসানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইলের সাহায্যে জেলে বসেই জেলা কন্ট্রোল করছেন কেষ্ট, এমন অভিযোগ নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই অন্য একটি মামলার শুনানিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জেলে বন্দিদের মোবাইল ব্যাবহার রুখতে রাজ্যের সব সংশোধনাগারে জ্যামার ও ফুল বডি স্ক্যানার বসানোর নির্দেশ দিল আদালত (Kolkata High Court)। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ (Divison Bench) এই নির্দেশ দিয়েছে।

    আদালতের নির্দেশ

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বন্দিদের কোর্ট থেকে ফিরিয়ে আনার পর আগে তাদের গোটা দেহ ওই মেশিনে তল্লাশি করতে হবে। মোবাইল সহ কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট যাতে জেলের ভিতরে ঢুকতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে জেল দফতরকে। হাইকোর্টকে (Kolkata High Court) বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট দেওয়ার জন্য কারা দফতরের একাধিক অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের লিখিত নির্দেশ দিলেও পরে রাজ্যের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করে আদালত।

    মাদক মামলা চলাকালীন নির্দেশ

    ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে জলঙ্গি থেকে  তাজবুল শেখ ও সুকুর মণ্ডল নামের দুই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। মাদক মামলায় অভিযুক্ত ওই দুই যুবকের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যের সমস্ত সংশোধনাগারে নজরদারি কড়াকড়ি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালতে শুনানি চলাকালীন সরকারি আইনজীবী রুদ্রদ্বিপ্ত নন্দী বলেন, তাজবুল ও সুকুর মাদক ব্যবসায় পারদর্শী। সংশোধনাগার (Jail) থেকে গোপনে ফোনের মাধ্যমে ওরা ব্যবসা চালায়। মাদক ব্যবসায় এক অভিযুক্তের সঙ্গেও দুই যুবকের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। বিচারপতি বাগচী এই তথ্য শুনে  হতবাক হয়ে পড়েন। এরপরই তিনি রাজ্যের সমস্ত সংশোধনাগারে চার সপ্তাহের মধ্যে জ্যামার ও ফুল বডি ইলেকট্রনিক্স স্ক্যানার (Full Body Electronic Scanner) বসানোর নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাত রাজ্যপাল আনন্দ বোসের! কী কথা হল প্রাক্তন ও বর্তমানের মধ্যে?

    নির্দেশ প্রসঙ্গে

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে সাম্প্রতিককালে একাধিক হেভিওয়েট নেতা জেলবন্দি রয়েছেন। অনুব্রত মণ্ডল প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন কাজল শেখ। তাঁর দাবি ছিল, জেলে বসেই জেলা কন্ট্রোল করছেন অনুব্রত। এমনই এক পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আইনজীবী মহল। হাইকোর্টের এই নির্দেশ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলছেন, ‘নিরাপত্তার দৃষ্টিভঙ্গিতে এটা ভীষণভাবে দরকার। জেলের সাধারণ কয়েদিদের পরিবার যখন দেখা করতে যান, তখন তাঁদের একটু হয়ত হয়রানি হবে। কিন্তু জেলটাকে তো তামাশা হিসেবে নেওয়া যায় না। রাজ্য সরকার এটিকে তামাশা বানিয়ে দিয়েছে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share