Blog

  • Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্যে নয়া নিয়ম জারি করল কেন্দ্র। না মানলে ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অবধি জরিমানা হতে পারে। বর্তমানে এই ইন্টারনেটের যুগে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নামটি ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়। অনেক সাধারণ মানুষ এদের অনুসরণ করে থাকেন। বিশেষ করে কম বয়সী ছেলে মেয়েদের ওপর বড় প্রভাব রয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারদের। শুধু শহরেই নয়, গ্রামেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু ইনফ্লুয়েন্সার। ইনফ্লুয়েন্সাররা তাদের পেজ বা চ্যানেলকে মনিটাইজ করে বহু অর্থ উপার্জন করেন। ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে ২০ জানুয়ারি কনসিউমার অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক এক নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার গাইডলাইন লঙ্ঘন করলে ইনফ্লুয়েন্সারদের ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। যদি বার বার এই নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে জরিমানার পরিমান ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।

    কী বলা হয়েছে গাইডলাইনে?  

    কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স মিনিস্ট্রি গত ২৪শে ডিসেম্বর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্য নতুন নির্দেশিকা লাগু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷ এই নতুন গাইডলাইনের অধীনে, প্রত্যেক ইনফ্লুয়েন্সারকে নিজেদের ফলোয়ারদের কাছে ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইগুলিতে পোস্ট করা ভিডিও বা ছবিতে দেখানো প্রোডাক্টের প্রচারের জন্য অর্থ পেয়েছেন। আর যদি এই নিয়মের অবমাননা করা হয়, তবে বিনা ঘোষণায় কোনও পণ্যের পেইড প্রমোশন করার জন্য সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নেতাজির জন্মদিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত  

    নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রোজগারের লোভে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা (Social Media Influencers), পোস্ট বা ভিডিওর মাধ্যমে প্রচার করা প্রোডাক্টগুলিকে অনেক সময় নিজেরা ব্যবহার না করেই ভালো রিভিউ দিয়ে থাকেন। একইসঙ্গে মানুষকে তা কেনার জন্য পরামর্শ দেন। ওই সব ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ভরসা করে কোনও রকম বিবেচনা না করেই অনেকেই সেই প্রোডাক্ট ব্যবহারও করে থাকেন। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রোডাক্টের গুনাগুন পরীক্ষা না করেই তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া যাবে না বলেও ওই নির্দেশিকায় বলে হয়েছে। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • Indian Wrestling: তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর! কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত ব্রিজভূষণ

    Indian Wrestling: তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর! কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত ব্রিজভূষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের আশ্বাস পেয়ে অবশেষে বিক্ষোভ তুলে নিলেন বজরং পুনিয়া, ভিনেশ ফোগাটরা। ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছিলেন একঝাঁক তারকা কুস্তিগীর। যা ভারতীয় ক্রীড়ামহলে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় ক্রী‌ড়ামন্ত্রক সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। যতদিন তদন্ত চলবে, ততদিনের জন্য ব্রিজভূষণকে কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রীর এই পদক্ষেপে খুশি বজরংরা। শুক্রবার রাতে তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আপাতত ধর্না তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

    রাজনীতির চেষ্টা

    কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে খুনের হুমিক, আর্থিক তছরুপ এবং যৌন হেনস্থার মতো অভিযোগ তুলেছেন ভিনেশরা। তার পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এর ফায়দা তুলতে ময়দানে নেমে পড়েছিল। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দা কারাতও হাত সেঁকার চেষ্টা করেছিলেন। কংগ্রেসের আর এক নেতা তথা হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হুড্ডা বিক্ষোভকারীদের মদত জোগাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠছিল।

    আরও পড়ুন: রাজনীতি করবেন না! ধর্না মঞ্চ থেকে বৃন্দা কারাতকে নামিয়ে দিলেন কুস্তিগীররা

    কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় সরকার কখনওই চায়নি, এই বিক্ষোভের মধ্যে রাজনীতি জড়িয়ে পড়ুক। বরং অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বার বার বলে আসছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রী‌ড়ামন্ত্রী। প্রথমে তিনি বিক্ষোভকারী কুস্তিগীরদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেন্দ্রের দূত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন আর এক কুস্তিগীর ববিতা ফোগাটকে। তার পরেও সমাধানের পথ বেরোচ্ছিল না। কারণ, বজরংদের একটাই দাবি ছিল, ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে ব্রিজভূষণ শরণ সিংকে অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। তবে সেটা করাও সহজ ব্যাপার নয়। তিনি যেহেতু নির্বাচিত প্রতিনিধি, তাই কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে জোর করে পদ থেকে সরিয়ে দিলে অন্য বার্তা যেত বিশ্ব কুস্তি ফেডারেশনের কাছে। সেক্ষেত্রে ভারতের উপর নির্বাসন চাপতে পারত। তাই সাত সদস্যের কমিটি কঠিন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। পাশাপাশি শুক্রবার রাতে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বিক্ষোভকারী কুস্তিগীরদের সঙ্গে কথা বলেন। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে যথপোযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তার পরেই বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কুস্তিগীররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bhatpara: ভাটপাড়া থেকে উদ্ধার অসংখ্য বোমা, ম্যাটাডোরে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ

    Bhatpara: ভাটপাড়া থেকে উদ্ধার অসংখ্য বোমা, ম্যাটাডোরে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় শতাধিক বোমা উদ্ধার হল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া (Bhatpara) থেকে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বোমাগুলিকে ম্যাটাডোরে করে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা এই বোমা রেখে গেল তা খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।

    কী জানা গেল?  

    জানা গিয়েছে, ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার থেকে ১৫০ কৌটো বোমা উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার গোপন সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ওই এলাকায় হানা দেয় ভাটপাড়া থানার পুলিশ। নয়াবাজারের এক মাঠের গর্তের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় বোমাগুলি। খবর পেয়ে অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। এরপরেই ঘটনাস্থলে বম্ব স্কোয়াডের কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটি ফাঁকা করে ঘিরে ফেলা হয়। এর পর বোমাগুলি ব্যাগে রেখে তা তোলা হয় ম্যাটাডরে। বম্ব স্কোয়াডের কর্মীরা বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

    এই ঘটনার জেরে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আশেপাশের এলাকাতেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনার নেপথ্যে কারা বা কী উদ্দেশ্যে বোমাগুলি ওইখানে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর আগেও একাধিক বার বোমা উদ্ধার এবং বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটেছে ভাটপাড়ায় (Bhatpara)।

    আরও পড়ুন: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    গত বছরের অক্টোবর মাসেও ভাটপাড়া (Bhatpara) থেকে তাজা বোমা উদ্ধার হয়। রিলায়েন্স জুটমিল শ্রমিক লাইন থেকে সেই বোমাগুলি উদ্ধার হয়। তার কিছুদিন আগে বোমা ফেটে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে ভাটপাড়াতে। ভাটপাড়া ২৮ নম্বর রেলগেটের কাছে রেললাইনের দু’টি বোমা রাখা ছিল। তিনজন কিশোর সেটিকে বল ভেবে খেলতে শুরু করে। এরপরই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। একজনের মৃত্যু হয়। জখম হয় দুজন। মৃত বালকের নাম নিখিল পাসোয়ান। রেল গেটের পাশেই দুষ্কৃতীরা বোমা রেখে যায় বলে অভিযোগ। সেটিকেই এলাকার তিন বালক বল ভেবে ভুল করে। তা নিয়ে খেলতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। ছুড়ে মারতে সজোরে ফেটে যায় বোমা। এই ঘটনা রেস কাটেনি এখনও। তারই মাঝে আবার বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আবারও এলাকার আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উস্কে দিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে চায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। এই ধরনের ভাবধারায় বিশ্বাসী সংগঠনের কাজকর্ম মেনে নেওয়া যায় না। তারা নানা ধরনের অশান্তির ঘটনায় যুক্ত ছিল। সংগঠনটি শরিয়তি শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পক্ষে। এই ভাবধারা প্রচারের জন্য তারা অর্থ সংগ্রহ করে। এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-র (NIA) পেশ করা চার্জশিটে।

    পিএফআই-এর কিলার স্কোয়াড

    ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র (Islamic Country) বানানোর লক্ষ্যেই ‘কিলার স্কোয়াড’ বা ‘সার্ভিস টিম’ তৈরি করছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। ২০৪৭ সালের মধ্যেই ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে দেখতে চায় পিএফআই। বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২০২২ সালের ২৬ জুলাই দক্ষিণ কর্ণাটকের সুলিয়া জেলায় প্রভীন নেত্রু নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পিএফআই-এর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বলে দাবি এনআইএ-র। এনআইএ-র চার্জশিটে বলা হয়েছে, ‘পিএফআই-এর কর্মীরা সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ এবং টার্গেট কিলিং-এর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাদেরকে পরিচালনা করত এই মুসলিম কট্টরপন্থী সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব।’ এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশ জুড়ে।এনআইএ-র চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে, পিএফআই-র একটি মিটিং হয় বেঙ্গালুরুর সুলিয়া শহর এবং বেলারি গ্রামে। সেই মিটিং-এ জেলা সেবা দলের প্রধান মুস্তফা পাচার নির্দেশ হিন্দু ধর্মের কোনও নেতাকে টার্গেট করা হয়। সেই লক্ষ্যেই খুন হন প্রভীন নেত্রু।

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    এনআইএ জানায়, মোট চারজনকে টার্গেট করে পিএফআই। এই তালিকায় নাম ছিল বিজেপির যুব মোর্চার সদস্য প্রভীন নেত্রু। গতবছরের ২৬ জুলাই অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁকে হত্যা করা হয় শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য। জানা যাচ্ছে, মোট ২০ জন পিএফআই সদস্যের নাম রয়েছে ওই চার্জশিটে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মুস্তফা পাচার, মাসুদ কেএ, কোদাজি মহম্মদ শরিফ, আবু বক্কর সিদ্দিকী, উমর ফারুখ। এর পিছনে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মদত রয়েছে বলে ইতিপূর্বে একাধিক মামলায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত এই দ্বীপগুলির নামকরণ করেছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose) সুভাষচন্দ্র বসু স্বয়ং। নেতাজির দেওয়া সেই নামকে ব্রিটিশ সরকার কোনও মর্যাদা দেয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও মেলেনি স্বীকৃতি। আজ, ২৩ জানুয়ারি, নেতাজির ১২৭তম জন্মদিনে নামকরণ হল নামহীন দ্বীপগুলির। ভার্চুয়ালি নামকরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দ্বীপগুলির নাম রাখা হচ্ছে ২১জন পরমবীর প্রাপকের নামে। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য দিল্লির কুর্সি দখল করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনটিকে মোদি সরকার পরাক্রম দিবস বলে ঘোষণা করেছিল।

    সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ…

    এর আগে, রস আইল্যান্ডকে সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ এবং নীল ও হ্যাভলককে শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ নাম দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম ২১টি দ্বীপের নামকরণ হয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকদের নামে। নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এক সময় নেতাজিই এই সব দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় মর্যাদা দেওয়া হয়নি। নেতাজির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাই বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে এই ভাবনা। নেতাজির ভাবনা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক মিউজিয়ামও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১২৫তম জন্ম দিবস দেশে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়েছিল। বাংলা থেকে দিল্লি হয়ে আন্দামান সর্বত্র নেতাজিকে স্মরণ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে যত ফাইল রয়েছে, তা সকলের সামনে আনা হচ্ছে। যাতে মানুষ সব জানতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২১টি দ্বীপের নামকরণের পিছনে যে এক ভারত (India), শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা রয়েছে, এদিন তাও স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, যে ২১ দ্বীপের আজ নামকরণ হল, সেখানে এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা। অমৃতস্য পুত্রঃ। বীরদের পরাক্রম বার্তা। তিনি বলেন, মাতৃভূমির জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, আজকের দিন তাঁদের। সেনা থেকে সিপাহী, আজকের দিন তাঁদের জন্য উৎসর্গ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজির এই জন্মদিনে তাই পরাক্রম দিবস পালন করে চলেছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ জানুয়ারি। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhas Chandra Bose) ১২৬তম জন্ম বার্ষিকী। দিকে দিকে নানাভাবে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে বরেণ্য এই দেশনায়ককে। বালু শিল্পী (Sand artist) সুদর্শন পট্টনায়ক পুরীর (Puri) সমুদ্র সৈকতে বালি দিয়ে তৈরি করেছেন নেতাজির আবক্ষ মূর্তি। এজন্য তিনি ব্যবহার করেছেন সাড়ে চারশো স্টিলের বাটি। দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আন্দামান নিকোবর গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রিয়েল লাইফ হিরো…

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের রিয়েল লাইফ হিরোকে সর্বদা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে সব সময় অগ্রাধিকার দেন। সেই কারণে স্থির হয়েছে, দেশের ২১টি বৃহত্তম নামহীন দ্বীপের নামকরণ করা হবে ২১ জন পরমবীর চক্র পুরস্কার বিজয়ীর নামে। জানা গিয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে রয়েছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ঐতিহাসিক গুরুত্ব। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে কঠিন সময় কাটিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর সেই অবদানও মাথায় রাখা হয়েছে। ১৯৪৩ সালে সেলুলার জেল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose)। এখানেই ভারতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের বন্দি করে চরম অত্যাচার করত ব্রিটিশরা। এই দ্বীপগুলির নামকরণ করা হবে ক্রোনোলজিক্যাল স্টাইলে। যেমন, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে প্রথম পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। তার চেয়ে একটু ছোট দ্বীপের নামকরণ করা হবে দ্বিতীয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। এভাবেই হবে বাকি ১৯টি দ্বীপের নামকরণও।

    আরও পড়ুুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে মেজর সোমনাথ শর্মার নামে। পরেরটির নামকরণ করা হবে ল্যান্স নায়েক করণ সিংয়ের নামে। বাকি দ্বীপগুলির নামকরণ হবে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট রামরাঘব রানে, নায়েক যদুনাথ সিং, কোম্পানি হাবিলদার মেজর পিরু সিং, ক্যাপটেন জিএস সালারিয়া, মেজর ধন সিং থাপা, সুবেদার যোগিন্দর সিং, মেজর শাইতান সিং, সিকিউএমএইচ আবদুল হামিদ, লেফটেন্যান্ট কলোনেল আরদেশির বুরজোরজি তারাপোর, ল্যান্স নায়েক অ্যালবার্ট এক্কা, মেজর হোসেইর সিং, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ খেট্রাপল, ফ্লাইং অফিসার নির্মলজিৎ সিং শেখন, মেজর রামসময় পরমেশ্বরম, নায়েব সুবেদার বানা সিং, ক্যাপটেন বিক্রম বাটরা, লেফটেন্যান্ট মনোজ কুমার পাণ্ডে, সুবেদার মেজর সঞ্জয় কুমার, সুবেদার মেজর অবসরপ্রাপ্ত গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bihar: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে! মৃত্যু অন্তত ২ জনের, অসুস্থ বহু

    Bihar: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে! মৃত্যু অন্তত ২ জনের, অসুস্থ বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে। এবার ঘটনাস্থল সিওয়ান। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। অসুস্থ বেশ কয়েকজন। সূত্রের খবর, রবিবার বিহারের সিওয়ান এলাকায় পেটে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এক ব্যক্তিকে। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া, অন্য এক জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বিহারে ফের বিষমদে প্রাণ গেল ২ জনের

    পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতেরা হলেন, জনক বিন ওরফে জনক প্রসাদ এবং নরেশ বিন। তাঁরা সিওয়ানের নবীগঞ্জের বালা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় জনক এবং নরেশ জানান, তাঁদের পেটে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। আত্মীয়েরা সিওয়ান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান দু’জনকেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    সিওয়ানের সাব ডিভিশনাল পাবলিক গ্রিভ্যান্স অফিসার অভিষেক চন্দন জানান, রবিবার বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃত্যু হয় একজনের। এছাড়া অসুস্থ হয়ে পড়েন অন্তত ১২ জন। তাঁদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আরও একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ অনিশ্চিত। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরে পরিষ্কার জানা যাবে। সিওয়ান হাসপাতালে আরও পাঁচজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষাক্ত মদের কারণে মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই গ্রামে গ্রামে বিষমদের বিরুদ্ধে প্রচার করতে ক্যাম্প চালাতে শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: কোথাও খাঁচায় বন্দী, কোথাও আবার দাঁড়িপাল্লায় সরস্বতী! দেবী বন্দনায় নিয়োগ দুর্নীতির ছোঁয়া শহরের মণ্ডপে

    গ্রামের জেলা কাউন্সিলর রমেশ কুমার বলেন, “অন্তত দু’জনকে সিওয়ান সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল কারণ তাঁরা বিষমদ খেয়েছিল। প্রায় কয়েক ডজন লোক এখনও অসুস্থ এবং পুলিশ গ্রামে ক্যাম্প স্থাপন করেছে।”     

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরেই বিহারের ছাপরায় বিষমদ খেয়ে ৭০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় অন্যতম মূল চক্রীকে দিল্লি থেকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। তার একমাস কাটতে না কাটতেই নতুন করে ফের এমন ঘটনা সামনে এল। এছাড়াও গত মাসেই বিহারের দানাপুর এলাকা থেকে বহু লুকনো বিষমদের বোতল উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই মদ উদ্ধারের আগে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল কি না, তা থেকেই সিওয়ানের গ্রামে দু’জনের মৃত্যু হল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sugarcane: ব্রাজিলকে হারিয়ে আখ উৎপাদনে বিশ্বসেরা ভারত! চিনি রপ্তানিও রেকর্ড মাত্রায়

    Sugarcane: ব্রাজিলকে হারিয়ে আখ উৎপাদনে বিশ্বসেরা ভারত! চিনি রপ্তানিও রেকর্ড মাত্রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আখ উৎপাদনে ভারত বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিল ভারত। গত বছরে আখের রেকর্ড উৎপাদন। এর ফলে ভারতে চিনির উৎপাদনও বেড়ে গিয়েছে ভারতে। খাদ্য ও জনবন্টন মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতে গত বছরের মরসুমে রেকর্ড ৫,০০০ লক্ষ মেট্রিক টন (LMT) আখ উৎপাদন হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারীর স্থান অর্জন করেছে ভারত। এর আগে বিশ্বসেরার শিরোপা ছিল ব্রাজিলের। ফলে বর্তমানে আখ উৎপাদনে ভারতের পর স্থান ব্রাজিলের।

    আখ উৎপাদনে বিশ্বের সেরা ভারত

    এতদিন ব্রাজিলই ছিল বিশ্বের বৃহত্তম আখ উৎপাদনকারী দেশ। কিন্তু আখ উৎপাদনে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে ভারত। গত বছরের শুরুতে ১ জুন থেকে কেন্দ্রীয় সরকার চিনি রপ্তানির উর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে। ১০০ LMT ছিল সেই সীমা। উৎসবের মরশুমে দেশের অভ্যন্তরে চাহিদা বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। খাদ্য ও জনবন্টন মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, গতবছরের মৌসুমে রেকর্ড ৫ হাজার লক্ষ টন আখ উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫৭৪ লক্ষ টন আখ থেকে উৎপাদন করা হয়েছে ৩৯৫ লক্ষ টন চিনি (সুক্রোজ)। এর মধ্যে ৩৬ লক্ষ টন চিনি ব্যবহার করা হয়েছে ইথানল, অন্যদিকে সুগার মিলগুলো ৩৫৯ লক্ষ টন খাদ্য চিনি উৎপাদন করেছে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে আরাবুলের বাড়ির অদূরে মিলল বোমা, নেপথ্যে কারা?

    ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরে ভারতের চিনি রপ্তানির পরিমাণ ৫৭ ভাগ বেড়েছে। এই সময়ে ভারত ১০৯.৮ লক্ষ টন চিনি রপ্তানি করেছে, যা রেকর্ড মাত্রা। এর মাধ্যমে বিশ্বে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ চিনি রপ্তানিকার দেশ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ভারত এখন বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী এবং ভোক্তা এবং ব্রাজিলের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি রপ্তানিকারক।

    কেন্দ্রীয় সরকারের অবদান

    ভারতের খাদ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভালো মূল্য এবং ভারত সরকারের নীতির দৌলতেই চিনি রপ্তানির রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এসব রপ্তানিতে ৪০ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে। তাছাড়া গত পাঁচ বছরে সরকার সময়মত হস্তক্ষেপ করায় এই সেক্টরটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে। ভারতের অর্থমন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সরকারের কোনও আর্থিক সহায়তা ছাড়াই ১০৯.৮ টন চিনি রপ্তানি করা হয়েছে।

  • Didir Doot: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত, স্বামীকে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন বিধায়ক

    Didir Doot: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত, স্বামীকে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত (Didir Doot)। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ঠায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে রইলেন দিদির দূত বিধায়ক তৃণমূলের ঊষারানি মণ্ডল ও তাঁরা স্বামী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) ব্লক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল। তাঁদের সঙ্গে থাকায় আটকে পড়েন হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এসকেন্দার গাজিও। রবিবার ঘটনাটি ঘটে বসিরহাটের মিনাখাঁর আম্লানি গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুর এলাকায়।

    নেপথ্য কারণ…

    এই এলাকার প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। অথচ এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা ব্যবহার করেন রাস্তাটি। বারংবার প্রশাসনকে রাস্তার বেহাল দশার কথা জানিয়েও সমস্যা মেটেনি। রবিবার জনসংযোগ বাড়াতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন দিদির দূত (Didir Doot) ঊষারানি, মৃত্যুঞ্জয় এবং এসকেন্দার। গ্রামে ঢোকা মাত্রই স্থানীয়রা তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের মুখে পড়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন ঊষারানি ও তাঁর স্বামী। নাগালে বিধায়ককে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিক্ষোভকারীরা। এলাকার বেহাল রাস্তার পাশাপাশি বসিরহাট উত্তরের বিধায়ক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, ভোটের পর থেকে রফিকুল একবারও এলাকা পরিদর্শন করতে আসেননি। অভাব অভিযোগ জানাতে গেলেও কোনও সুরাহা হয় না। পরে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়। চলে যান ঊষারানিরা। 

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে দলবদলু ‘দিদির দূত’ জয়প্রকাশ, বিশ্বজিৎ, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা

    নানা কেলেঙ্কারির পাঁকে পড়ে গিয়ে কলঙ্কিত হয়েছে তৃণমূলের ভাবমূর্তি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হারানো ভাবমূর্তি ফেরাতে জনসংযোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেই মতো চালু হয় দিদির দূত (Didir Doot) কর্মসূচি। এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়েই দিকে দিকে বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতানেত্রী। বস্তুত দিদির দূত (Didir Doot) কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে প্রথম থেকেই পদে পদে হোঁচট খেতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অর্জুন সিং, রামপুরহাটের মাড়গ্রামে শতাব্দী রায়, বীরভূমের বালিজুড়ির কুখুটিয়া গ্রামে দেবাংশু ভট্টাচার্য, বাঁকুড়ায় সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, মুর্শিদাবাদে সাংসদ আবু তাহের, ময়ূরেশ্বরে সাংসদ অসিত মাল ও বিধায়ক অভিজিৎ রায়, গলসিতে বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, পটাশপুরে বিধায়ক জুন মাল্য। বিক্ষোভের জেরে পশ্চিম মেদিনীপুরে কর্মসূচি বাতিল করেন কুণাল ঘোষ। নদিয়ায় গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েন খোদ বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এমন অভিজ্ঞার সাক্ষী হয়েছেন তৃণমূলের আরও অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় সরকার। শনিবার একথা জানালেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি এও জানান, এটি নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, প্রথম দফায় আমরা রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চাই। মাদ্রাসায় (Madrasa) আমরা জেনারেল এডুকেশন চালু করতে চাই। মাদ্রাসাগুলিকে নথিভুক্তও করতে চাই। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে। তারাও অসম সরকারকে সাহায্য করছে।

    ডিজিপি…

    অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের দিন কয়েক আগেই সে রাজ্যের ডিজিপি ভাস্কর জ্যোতি মহন্ত জানিয়েছিলেন, রাজ্যে মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। ছোট মাদ্রাসাগুলিকে কাছাকাছি থাকা বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। উগ্র মৌলবাদ এড়াতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার গুয়াহাটিতে অসম পুলিশের ডিজিপি বলেছিলেন, অসমে মাদ্রাসাগুলি ঠিকঠাক চলছে। যাঁরা মাদ্রাসা চালান এমন ৬৮ জনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এর পরেই তিনি বলেন, ছোট মাদ্রাসাগুলিকে এলাকার কোনও বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারেও কথাবার্তা চলছে। আইনকানুন তৈরি, মাদ্রাসা বোর্ড স্থাপনের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে।

    আরও পড়ুুন: ভাঙড়ে আরাবুলের বাড়ির অদূরে মিলল বোমা, নেপথ্যে কারা?

    ডিজিপি বলেন, ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০টি ছোট মাদ্রাসাকে বড় বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও সার্ভে চলছে। কিছুদিন আগে অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অসমের মুসলিমরা মৌলবাদীদের বিশেষ টার্গেট। রাজ্যের ছোট ছোট মাদ্রাসাগুলিতে এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। তিনি আরও বলেন, অসম পুলিশ সন্ত্রাসী সংগঠন আনসারুল বাংলা টিম ও আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের ৯টি মডিউল ধ্বংস করেছে। গত বছর ৫৩ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক। হিমন্ত বলেন, মুসলিম নেতারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, এই জাতীয় কাজকর্মে রাশ টানতে। একটি বৈঠকে যেখানে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের ৬৮ জন নেতা, মাদ্রাসগুলির সংস্কার সাধনে তাঁরা সহমত পোষণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
LinkedIn
Share