Blog

  • Recruitment Scam: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে গ্রেফতার সংস্কৃতের শিক্ষক

    Recruitment Scam: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে গ্রেফতার সংস্কৃতের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক (Teacher)। অন্য এক চাকরিপ্রার্থীকে স্কুলে (School) চাকরি দেওয়ার নাম করে ১৭ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ (Recruitment Scam)। শুক্রবার শিলিগুড়ি থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ (Police)। ধৃতের নাম পঙ্কজ কুমার বর্মণ। তিনি শিলিগুড়ির পঙ্কজ রথখোলা বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের সংস্কৃতের শিক্ষক।

    ‘প্রতারণা’…

    কোচবিহারে বাড়ি চাকরি প্রার্থী বাপ্পা মালাকারের। তাঁর অভিযোগ, আপার প্রাইমারিতে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বছর তিনেক আগে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সন্তোষ বর্মণ। তিনি আমবাড়ি চিন্তামোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার পর এতদিন কেটে গেলেও, চাকরি হয়নি সন্তোষের। ফেরত পাননি সন্তোষকে দেওয়া টাকাও। ৯ জানুয়ারি আমবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে সন্তোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। গ্রেফতার করা হয় সন্তোষকে। সন্তোষকে জেরা করে উঠে আসে পঙ্কজ কুমারের নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় পঙ্কজকে। পুলিশ জানতে পারে, পঙ্কজও ওই চক্রের (Recruitment Scam) সঙ্গে জড়িত। শিলিগুড়ির হাকিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিনি।

    বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব সরকার বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও চিঠি পাইনি। স্কুলে এ নিয়ে কোনও আলোচনাও শুনিনি কখনও। তবে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যেমন নির্দেশ আসবে, সেই মোতাবেক আমরা কাজ করব। পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী।

    আরও পড়ুুন: অভিষেক থেকে ব্রাত্য অনেকের সঙ্গেই ছবি! বিএড কলেজ, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, কে এই কুন্তল?

    এই প্রথম নয়, তৃণমূলের শাসনকালে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বারংবার। সেই সুযোগে চাকরি দেওয়ার নামে বহু চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই হয় শিক্ষক নেতাদের ঘনিষ্ঠ, নয় কোনও শিক্ষক। যার জেরে টাকা দিয়ে চাকরি ‘কিনতে’ গিয়ে (Recruitment Scam) ঠকেছেন বহু চাকরি প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে অনেকেই টাকা আদায় করতে না পেরে দ্বারস্থ হচ্ছেন পুলিশের। অনেকে আবার লোকলজ্জার ভয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন ‘বাবা-বাছা’ করে। প্রতারণার এই জাল কতদূর ছড়ানো, তা জানতে সময় লাগবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Chinese New Year: কলকাতার বুকে একটুকরো চিন! চায়না টাউনে পালন চিনা নববর্ষ

    Chinese New Year: কলকাতার বুকে একটুকরো চিন! চায়না টাউনে পালন চিনা নববর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার মধ্যেও রয়েছে এক টুকরো চিন! চায়না টাউন বা ট্যাংরা। আর ঐতিহ্য মেনে সেখানে এবছরও পালিত হচ্ছে চিনা নববর্ষ (Chinese New Year)। আমরা যেমনভাবে নববর্ষ পালন করে থাকি ঠিক সে ভাবেই চিনারাও তাঁদের নববর্ষ পালন করে থাকেন। নতুন জামাকাপড় পরে চার্চে যান, মোমবাতি জ্বালান। ঘরে তৈরি হয় চিনা খাবার এবং বাঁশপাতায় জড়ানো চং, স্ট্রিট আর্ট, গান, ক্যালিগ্রাফি, হস্তশিল্প দিয়ে সাজিয়ে তোলেন এলাকা। নববর্ষের ঠিক আগের রাত থেকেই প্রস্তুতি চলে। এ বছর বাইশে জানুয়ারি চাইনিজ নিউ ইয়ার, মানে লুনার নিউ ইয়ার। অর্থাৎ চাইনিজ ক্যালেন্ডারে প্রথম দিন। সূর্য দক্ষিণায়নে যাওয়ার পরে প্রথম অমাবস্যা ছেড়ে দ্বিতীয় অমাবস্যার দিন থেকে শুরু হয় এই লুনার নিউ ইয়ার। ২০২৩ খরগোশের বছর মানে র‍্যাবিট ইয়ার। চাইনিজ মতে র‍্যাবিট হল সহিষ্ণুতা এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।

    আরও পড়ুন: অভিষেক থেকে ব্রাত্য অনেকের সঙ্গেই ছবি! বিএড কলেজ, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, কে এই কুন্তল? 

    ১৯৬২-র ইন্দো-চিন যুদ্ধের পর কর্মসংস্থানের খোঁজে এ দেশে চলে আসেন বহু চিনা পরিবার (Chinese New Year)। সংখ্যাটা নেহাতই কম নয়। বেশ কয়েক হাজার। সেই সময় থেকে আজও কলকাতায় রয়ে গিয়েছেন তাঁরা ।

    চিনা কালী মন্দিরের দায়িত্বে থাকা চেন ইয়ে সেং সংবাদমাধ্যমকে জানান, এবছর লাল এবং হলুদ আলোতে সাজানো হবে চায়না টাউন। লাল রঙের বড় ব্যানারে লেখা হবে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ (Chinese New Year)। আরও এক চিনা কলকাতার বাসিন্দা বলেন, “আমরা খুব খুশি। প্রায় দুবছর পর উৎসব পালিত হবে। এশিয়ার অন্যতম বড় উৎসব এটি।”

    চিনা বিশ্বাস 

    মূলত পক্ষকাল ধরে চিনারা নববর্ষ পালন করেন। চিনা নববর্ষের (Chinese New Year) বৈশিষ্ট্য , দিন ও বছর গণনা হয় সূর্য কেন্দ্রিক। কিন্তু মাস গণনা হয় চন্দ্রকে কেন্দ্র করে। চান্দ্র মাসে প্রথম দিন হয়  পূর্ণিমা। মাসগুলির প্রতীক হিসেবে থাকে টোটেম বিশ্বাস। খরগোশ, ড্রাগন, সাপ, ঘোড়া, বানর, বাঘ, মোরগ, কুকুর, শুয়োর, ইঁদুর , কাক, ভেড়া ইত্যাদি। এই বছরের প্রতীক খরগোশ। ফলে নতুন বছর চিহ্নিত হবে র‍্যাবিট মান্থ হিসেবে। ২০২২ এর প্রতীক ছিল বাঘ। আগামী বছরের প্রতীক ড্রাগন। চিনা নববর্ষ আসলে বসন্ত ঋতুর আবাহন উৎসবও বলা যেতে পারে। চিনা নববর্ষ প্রাচীনত্বের বিচারে প্রায় ৩৫০০ বছর আগের। প্রতীকগুলি আবার ফিরে ফিরে আসে পাঁচটি তত্ত্বের ভিত্তিতে। জল, সোনা, পৃথিবী, আগুন ও কাঠ। ২০১১ ছিল সোনা খরগোশ। এবার জল খরগোশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Bhangar: ভাঙড়ে শাসক-আইএসএফ সংঘর্ষ, ইটের ঘায়ে মাথা ফাটল তৃণমূল কর্মীর

    Bhangar: ভাঙড়ে শাসক-আইএসএফ সংঘর্ষ, ইটের ঘায়ে মাথা ফাটল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতাকা টাঙানো নিয়ে তৃণমূল (TMC)-আইএসএফের (ISF) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ। দু পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। তার জেরে জখম হয়েছেন দু পক্ষের কয়েকজন। ইটের ঘায়ে এক তৃণমূল কর্মীর মাথা ফেটেছে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষ চলাকালীন আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের (Bhangar) হাতিশালা এলাকায়। আইএসএফের অভিযোগের নিশানায় সেই আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে হাকিমুল। ওই ঘটনায় পুলিশ দু পক্ষের চারজনকে আটক করেছে। এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে কাশীপুর থানার পুলিশ।

    লড়াইয়ের নেপথ্যে…

    এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে আইএসএফের লড়াই দীর্ঘদিনের। তৃণমূলের এই খাসতালুকে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে থাবা বসায় আইএসএফ। তিনি ছিলেন কংগ্রেস-সিপিএম-আইএসএফের জোট প্রার্থী। তৃণমূলকে হারিয়ে আইএসএফ জয়ী হওয়ার পর থেকেই মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে আচমকাই সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে। আইএসএফ নেতা (Bhangar) আবু হোসেন মোল্লার অভিযোগ, ২১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আমরা দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলাম। সেই সময় আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে হাকিমুল ইসলাম বাইরে থেকে লোকজন নিয়ে এসে আমাদের মারধর করে। তিনি বলেন, পুলিশ এসে আমাদেরই দুজনকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। ওরা লাঠি দিয়ে মেরেছে। আত্মরক্ষা করতে আমরা ওদের মেরেছি।

    আরও পড়ুুন: ভাটপাড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার থেকে ১৫০ কৌটো বোমা উদ্ধার হয়।

    ঘটনায় দায়ী আইএসএফ, বলছে তৃণমূল। হাকিমুল বলেন, আইএসএফের কয়েক জন নেতা দলীয় পতাকা টাঙাচ্ছিল। সেই সময় তারা আমাদের এক সমর্থকের বাড়িতে তাদের দলীয় পতাকা টাঙায়। তারা আরাবুল ইসলামের নামে গালাগালি দেয়। তার প্রতিবাদ করায় ওরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। ইটবৃষ্টি করে। আমাদের কর্মীদের বন্দুকের বাঁট, ইট, রড দিয়েও মারধর করে।

    বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হাসান বলেন, ভাঙড়ে (Bhangar) সংঘর্ষের ঘটনায় দু পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় দু পক্ষের কয়েকজন সমর্থককে আটক করা হয়েছে। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে ভাঙড়ের এই ঘটনায় চিন্তিত রাজনৈতিক মহল। তাদের আশঙ্কা, ভোট যত এগিয়ে আসবে, বিরোধীদের দমাতে ততই ‘ব্যবস্থা’ নেবে রাজ্যের শাসক দল। তার ফলে হবে সংঘর্ষ। ঘটবে রক্তপাতের মতো ঘটনাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • New Zealand: নিউজিল্যান্ডের নয়া প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ক্রিস হিপকিনস, কেন জানেন?

    New Zealand: নিউজিল্যান্ডের নয়া প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ক্রিস হিপকিনস, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) নয়া প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ক্রিস হিপকিনস (Chris Hipkins)। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে কোভিড ১৯ (Covid 19) মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হয়। করোনা মোকাবিলায় তাঁর পদক্ষেপ উচ্চ প্রশংসিত হয়। তার জেরেই দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। লেবার পার্টির ৬৪ জন সাংসদের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। তবে এখনই প্রধানমন্ত্রী হতে পারছেন না ক্রিস। কারণ ৭ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন (Jacinda Ardern)। তার পরেই দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বছর চুয়াল্লিশের হিপকিনস। দলের মনোনয়ন পেয়ে দৃশ্যতই খুশি হিপকিনস। বলেন, আমরা অবিশ্বাস্যভাবে একটা শক্ত দল। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যের ভিত্তিতে এই জায়গায় এসেছি। এবং আমরা সেটা চালিয়ে যাব। আমি সত্যিকারের ভাগ্যবান। কারণ এই সব (মন্ত্রিসভার সদস্য) মানুষদের সঙ্গে কাজ করতে পারব। এই মানুষগুলি নিজেদের উৎসর্গ করেছেন নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দাদের স্বার্থে।

    চিপ্পি…

    হিপকিনস দলে চিপ্পি নামে পরিচিত। জনপ্রিয়ও বটে। কোভিড-১৯ মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি ছিলেন পুলিশ, শিক্ষা ও জনসেবা বিষয়ক মন্ত্রী। তবে এই দফতরের চেয়ে তাঁকে বেশি মাইলেজ দিয়েছে কোভিড মন্ত্রিত্বের পদ। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রিত্বের পদে তাঁর মনোনয়ন হয়েছে অনায়াস। অথচ দৌড়ে এগিয়েছিলেন সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী গ্যান্ট রবার্টসন। তবে জেসিন্ডা পদত্যাগ করার পরে পরেই রাবার্টসন জানিয়ে দিয়েছিলেন লেবার পার্টির দলনেতা হওয়ার কোনও বাসনাই নেই তাঁর।

    আরও পড়ুুন: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার আচমকাই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন জেসিকা আর্ডের্ন। তিনি জানিয়েছিলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রিত্ব পদ ছাড়তে চলেছেন তিনি। অক্টোবর মাসে হতে চলেছে নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলেও জানিয়ে দেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ট্যাঙ্কে আর জ্বালানি নেই। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কঠিন সাড়ে পাঁচ বছর কাটিয়েছেন। কিন্তু তিনিও তো মানুষ। তাই তাঁকে সরে দাঁড়াতে হবে। আগামিকাল, রবিবার হিপকিনসকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে লেবার পার্টির সাংসদদের সমর্থন পেতে হবে। তার পরেই তিনি হতে পারবেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। তবে তার আগে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে আর্ডের্নকে। যা এখন কেবল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মস্কো থেকে গোয়া অভিমুখী বিমানে বোমাতঙ্ক। ২৩৮ জন যাত্রী নিয়ে রাশিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশে ওড়ে বিমানটি (Bomb Threat)। গোয়া ডাম্বোলিম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ইমেল আসে যে, গোয়ামুখী একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে বোমা রয়েছে। তারপরেই কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বিমানটিকে উজবেকিস্তানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে ১১ দিনে দু’বার এমন বোমাতঙ্ক  ছড়াল মস্কো-গোয়া বিমানে।

    কী জানা গিয়েছে? 

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাশিয়ার পার্ম আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট (Bomb Threat) থেকে গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় আজুর এয়ারের একটি চার্টার্ড বিমান। ভারতীয় সীমান্তে ঢোকার আগেই একটি ইমেল আসে গোয়া বিমানবন্দরে। তারপরই বিমানটি ঘুরিয়ে দেওয়া হয় উজবিকেস্তানের দিকে। 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৪:১৫ নাগাদ গোয়ার ডাম্বোলিম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। রাত সাড়ে ১২:৩০ নাগাদ বিমানবন্দরের ডিরেক্টরের কাছে হুমকি ইমেল আসে। 

    প্রসঙ্গত, গত ৯ জানুয়ারি মস্কো-গোয়া বিমানে বোমাতঙ্ক (Bomb Threat) ছড়িয়েছিল। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে আসা একটি ফোনে দাবি করা হয়েছিল, বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে। সেই বিমানে ছিল ২৪৪ জন যাত্রী। সেই সময় বিমানটিকে গুজরাটের জামনগরে নামানো হয়। তবে বিমানের মধ্যে তল্লাশি চালিয়েও কোনও বোমার সন্ধান মেলেনি। একইভাবে দিন কয়েক আগেও দিল্লি-পুণের স্পাইস জেট বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে বলে খবর মেলে। যদিও শেষ অবধি কোনও বোমা পাওয়া যায়নি।

    উজবেকিস্তানের বিমানবন্দরে অবতরণ করবে ওই বিমান। ওর পরই যাত্রীদের নামিয়ে এনে চলবে তল্লাশি। সূত্রের খবর, পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই ফের ওই বিমানকে গোয়ার উদ্দেশে রওনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির জালে কুন্তল! কী মিলল চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে?

    এর আগের বিমানটিকে (Bomb Threat) জামনগরে অবতরণ করতেই তা ঘিরে ফেলেন এনএসজির কমান্ডোরা। ডাকা হয় বম্ব স্কোয়াডকে। প্রথমে যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। প্রায় ন’ঘণ্টা ধরে তন্ন-তন্ন করে খোঁজা হয় বিস্ফোরক। খুঁজে দেখা হয় উড়ানের প্রতিটা কোনা। কিন্তু তাতে কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর বিমানটি ফের গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • BBC: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    BBC: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চেন’ নামে দুই পর্বের তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি (BBC)। তথ্যচিত্রটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গোটা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তথ্যচিত্রটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিদেশমন্ত্রক। দুই পর্বের এই তথ্যচিত্রটিকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করেছে কেন্দ্র। 

    নির্মাতারা (BBC) দাবি করেন, মোদির সঙ্গে ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে, মূলত মুসলিমদের সম্পর্কের তিক্ততার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে তথ্যচিত্রটিতে। পাশাপাশি ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় মোদির ভূমিকার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকে।

    আরও পড়ুন: ঝালদা পুরসভা নিয়ে আদালতে ধাক্কা রাজ্যের, পূর্ণিমা কান্দুই অস্থায়ী চেয়ারপার্সন

    ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি 

    বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “তথ্যচিত্রে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। বস্তুনিষ্ঠা এবং সত্যতার চরম অভাব রয়েছে। ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকেই এই তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে।”   

    সংবাদ সম্মেলনে (BBC) আরও জানানো হয়, বিবিসির ওই তথ্যচিত্র ভারতে দেখানো হয়নি। তথ্যচিত্রটিতে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা রীতিমতো পক্ষপাতদুষ্ট।

    এদিকে, নয়াদিল্লির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। সুনাক বলেন, ডকুমেন্টারিতে যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরা হয়েছে এর সঙ্গে তিনি একমত নন।  

    এই সিরিজ় নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের অনেকেই ট্যুইটারে বিবিসির এই উদ্যোগ নিয়ে উপহাস করেছে। অনেকেই বলেছেন, বিবিসির উচিত ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের উপরও একটি সিরিজ তৈরি করা উচিত, যার নাম হবে ‘ইউকে: দ্য চার্চিল কোয়েশ্চন’। প্রসঙ্গত, এই মন্বন্তরে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে, ভারতীয়দের থালা থেকে খাবার তুলে নিয়ে গিয়েছিল ব্রিটেন। ব্রিটিশ সৈন্যদের খাওয়ানোর জন্য মজুত করা হয়েছিল সেই খাদ্য। যার বলি হতে হয়েছিল বাংলার মানুষকে। ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জারও এই সিরিজের প্রেক্ষিতে বিবিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক প্রতিবেদনের অভিযোগ করেছেন।   

    অনেকেরই ধারণা গুজরাট হিংসা নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ধৃত সমাজকর্মী তিস্তা শেতলওয়াড়, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাট এবং আর বি শ্রীকুমারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই এই তথ্যচিত্র তৈরি করে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থাটি। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিনচিট দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। তারপরেও এই তথ্যচিত্রের কী ভিত্তি রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মহল।

    যেই মুহূর্তে রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে, ইউটিউব কর্তৃপক্ষ এই বিতর্কিত তথ্যচিত্রটি সরিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বিবিসি যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে, তা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের পর এবার তুষারপাত। জোশীমঠকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক অব্যাহত (Joshimath Sinking)। ভূমিধসের কারণে এলাকার প্রচুর বাড়িতে ফাটল। ‘বিপজ্জনক’ চিহ্নিত করে সেইসব বাড়ি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি সেখানকার কোনও বাড়িতে। কিন্তু সম্প্রতি হিমালয়ের কোলে থাকা এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টি। আর এতেই নয়া বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। 

    নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা

    প্রশাসনের তরফে শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন দেওয়া হলেও, এখনও সেখানকার প্রায় ৬০০টি বাড়িতে বাসিন্দারা রয়ে গিয়েছেন। এই সব বাড়িগুলিতে অল্প ফাটল ধরায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে এলাকায়। তাই আর কোনও অস্থায়ী আশ্রয় শিবির বা মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়, এ বার গাড়োয়াল হিমালয়ের ‘ডুবন্ত’ জনপদ জোশীমঠের সকল বাসিন্দাকে পাকাপাকি সরানোর বন্দোবস্ত করতে চাইছে প্রশাসন। চলছে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা। খোঁজ চলছে বসবাসযোগ্য উপযুক্ত জমিরও। চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা জানিয়েছেন, “আমরা এই পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে পরামর্শ চেয়েছি। আমরা যাতে এই প্রক্রিয়া ভালভাবে চালিয়ে যেতে পারি সেটাই এখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হল স্থানীয়দের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী বন্দোবস্ত করা।”

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    ভয় ধরাচ্ছে স্যাটেলাইট চিত্র

    সম্প্রতি জোশীমঠের যে স্যাটেলাইট ছবি ধরা পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ ধীরে ধীরে বসে গেছে। একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, এই চারবছরে বেশ অনেকটাই জমি বসে গেছে। প্রতি বছরে সর্বাধিক ১০ সেন্টিমিটার করে জমি তলিয়ে গেছে। গবেষণায় আরও জানা গেছে, উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ তুলনায় বেশি বসে যাচ্ছে। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সম্প্রতি  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জোশীমঠের বসবাসের ৭০ শতাংশ জায়গা সুরক্ষিত রয়েছে। ভূমিধসের কবলে পড়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী বন্দোবস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gyanvapi: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    Gyanvapi: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গে’-র বয়স নির্ধারণের জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করা যাবে কি না, সে বিষয়ে মতামত জানানোর জন্য আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে আরও ৮ সপ্তাহ সময় দিল বেঁধে দিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট।  

    শুক্রবার এএসআই-এর (Gyanvapi) তরফের আইনজীবী হাইকোর্টকে জানান, পুরাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতামত জানাতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন। আইনজীবীর আবেদন মেনে পুরাতত্ত্ববিদদের আরও ৮ সপ্তাহ সময় দিল আদালত। আগামী ২০ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। ওই দিন এএসআই-এর গবেষকদের কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করা যাবে কী না সেই সংক্রান্ত মতামত লিখিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগ! কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    কেন কার্বন ডেটিং টেস্ট? 

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদে রয়েছে শৃঙ্গার গৌরী। যা আপাতত ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত। সেখানে পুজোর অধিকার চেয়ে মামলা করেন তাঁরা। মামলাকারীদের আরও দাবি, মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এর পরেই বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকরের নির্দেশে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। মসজিদের (Gyanvapi) ভিতরে তদন্ত করে তারা। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। এর পরেই ভিডিওর একটি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তাতে দেখা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গের মতো আকৃতির কিছু একটা। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, সেটি শিবলিঙ্গ। আর মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, সেটি পুরানো ফোয়ারার অংশ। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশ শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি জানায় সুপ্রিম কোর্টে। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বারাণসী আদালতের মতে, কার্বন ডেটিং হলে শিবলিঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী হবে। কার্বন ডেটিং একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রত্নতাত্ত্বিক কোনও বিষয়ের গবেষণার জন্য যা প্রয়োগ করা হয়। 

    চলতি বছরের ১৭ মে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, জ্ঞানব্যাপী (Gyanvapi) মসজিদে যে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে, সেটি রক্ষা করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় ওই রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে এও বলা হয়েছিল, মসজিদে মুসলিমদের অধিকারও রক্ষা করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ice Burial: সময় বাঁচাতে ‘আইস বারিয়াল’ করে দেহ সৎকার চলছে চিনে! কী এই পদ্ধতি?

    Ice Burial: সময় বাঁচাতে ‘আইস বারিয়াল’ করে দেহ সৎকার চলছে চিনে! কী এই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ এর দাপটে প্রতিদিন চিনে ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। সেদেশে শুরু হয়েছে মৃত্যু মিছিল। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বলছে যে প্রকৃত রিপোর্ট চিন গোপন রাখছে, আসলে বেসরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি চিনে। হাসপাতালে বেড পাওয়া যাচ্ছে না এবং চিনের সৎকার স্থলের কর্মীরা বলছে যে প্রতি মুহূর্তে তাদের ফোন বেজে যাচ্ছে এবং গত ৬ বছরে এমন ব্যস্ততা কখনও দেখেনি তারা। সময় বাঁচাতে তাই নতুন পদ্ধতিতে মৃতদেহ সৎকার শুরু করল চিন।

    আরও পড়ুন: গত ৬ মাসে রাজ্যের দিকে দিকে উদ্ধার বিপুল নগদ, দেখুন কবে, কোথায়

    আইস বারিয়াল (Ice Burial) পদ্ধতি ঠিক কী?

    মৃতদেহ সৎকারের পদ্ধতি হিসেবে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করল বেজিং। দাহ করতে বা কবর দিতে সময় বেশি লাগছে সেই কারণে চিনে প্রয়োগ করা হল আইস বারিয়াল বা বরফ সমাধি  (Ice Burial)  পদ্ধতি। নতুন এই প্রযুক্তিতে তরল নাইট্রোজেনকে মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এনে দেহগুলিকে পাউডারের করা হচ্ছে। এতে নাকি সৎকার খুব দ্রুত হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইস বারিয়াল  (Ice Burial)  প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ২০১৬ সালে। একটি সুইডিশ এবং আইরিস কোম্পানি এই পদ্ধতির  (Ice Burial)  আবিষ্কার করেছিল, সৎকারের নতুন পদ্ধতি আধুনিক বিশ্বের সামনে আনার জন্য। যদিও এই পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে (Justice Rajashekhar Mantha) ফের গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা। আইনজীবীদের একাংশ এখনও মান্থার এজলাস বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার সরব হলেন বিচারপতি মান্থা। কলকাতা হাইকোর্টে সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে এবারে আশঙ্কা প্রকাশ করে বিচারপতি মান্থা বলেন, “এ ভাবে চলতে পারে না! এটা সরকারের জন্যই ক্ষতি! সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সমাজের জন্য এটা সুস্থ ব্যবস্থা নয়।”

    হাইকোর্টে গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা

    গত ৯ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন আইনজীবীদের একাংশ। বিচারপতির এজলাস বয়কট করা হয়েছিল। এর পর সেই অবস্থান বিক্ষোভ-বয়কট সরিয়ে নেওয়া হলেও ফের অভিযোগ উঠেছে যে, এখনও কিছু আইনজীবী এই বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সওয়ালে অংশ নিচ্ছেন না সরকারি আইনজীবীরা। এই অবস্থায় শুক্রবার একটি আদালত অবমাননার কেসে কলকাতা পুলিশের এক ডিসির হাজিরা মামলায় আসতে বাধ্য হলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। আর এতেই বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন:‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    সরকারি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার আর্জি জানালেন বিচারপতি ও অ্যাডভোকেট জেনারেল

    বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে মামলা লড়তে রাজি হচ্ছেন না কোনও সরকারি আইনজীবী। কিন্তু আজই আবার কলকাতা পুলিশের ডিসির হাজিরা মামলা রয়েছে রাজশেখর মান্থার এজলাসেই। শেষে সরকারি আইনজীবীদের বিরোধিতার জেরে এজলাসে মামলা লড়তে এলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। এর পরেই বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, “যে ভাবে সরকারি আইনজীবীরা হাজিরা এড়াচ্ছেন, আদালতের কাছে এটা চিন্তার। এজন্য পুলিশের ক্ষতি হচ্ছে। পুলিশ অফিসাররা আইনজীবীর অভাবে এখানে দাঁড়িয়ে নিজেদের বক্তব্য বলছেন। এভাবে চললে প্রশাসনের ক্ষতি।” এর পাশাপাশি এদিন তিনি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনও করেছেন।

    সেই সঙ্গে আইনজীবীদের এজলাসে এসে মামলা লড়ার অনুরোধ জানালেন অ্যাডভোকেট জেনারেলও। তিনি বলেন, “মামলায় অংশ নিন, আমার সমর্থন আছে। প্যানেল থেকে নাম বাদ গেলে কিছু করতে পারব না। আমি নিজেও মামলায় অংশ নিয়েছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share