Blog

  • Desi Treadmill: পৃথিবীর সবচেয়ে কম খরচের ট্রেডমিল, ভাইরাল ভিডিও দেখলে অবাক হয়ে যাবেন

    Desi Treadmill: পৃথিবীর সবচেয়ে কম খরচের ট্রেডমিল, ভাইরাল ভিডিও দেখলে অবাক হয়ে যাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিটনেস ফ্রিকরা তাদের ফিটনেস লক্ষ্য পৌঁছতে কতই না কাঠখড় পোড়ান। আপনিও যদি ফিটনেস ফ্রিক হন, তাহলে আপনিও নিশ্চই নিয়মিত ব্যায়াম করেন। শরীরচর্চায় এখন বড় ভূমিকা পালন করে বিভিন্ন জিম ইনস্টুমেন্ট। এদের মধ্যে ট্রেডমিল (Desi Treadmill) অপরিহার্য। 

    ট্রেডমিলগুলি (Desi Treadmill) কার্ডিও প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ট্রেডমিল কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি উরু, গ্লুটস এবং পেশীগুলিকে শক্তিশালী করে। এমনকি আপনি যদি ফিটনেস ফ্রিক নাও হন, শুধুমাত্র সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যে স্ট্রেচিং, হাঁটা এবং দৌড়ানোর মতো সাধারণ ব্যায়াম করা আবশ্যক। অনেকে শরীর চর্চার জন্য বাড়িতেই ট্রেডমিল ইনস্টল করেন।   

    একটি সাধারণ ট্রেডমিলের (Desi Treadmill) দাম শুরু হয় ১২০০০ টাকা থেকে৷ উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দাম আরও বাড়তে থাকে৷ কিন্তু এক ব্যক্তি এর এক সস্তা ব্যবস্থা বের করেছেন। যাতে গ্যাঁটের একটিও কড়ি খরচ করতে হবে না। রান্না ঘরে থাকা জিনিস দিয়েই হয়ে যাবে শরীর চর্চা।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    কী সেই ভিডিও? 

    সম্প্রতি ভারতীয় ধনকুবের ব্যবসায়ী এবং মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা একটি ভিডিও ট্যুইট করেছেন। ক্যাপশনে লেখেন, “বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের ট্রেডমিল (Desi Treadmill)। এবং এই বছরের ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ট্রফিটি যাচ্ছে…” 

     

    সেখানে যাচ্ছে, রান্নাঘরের সিঙ্কের পাশে রাখা বাসন ধোয়ার তরল সাবান। ওই যুবক এসে হঠাৎই মাটিতে ছ়়ড়িয়ে দিলেন কয়েক ফোঁটা। তার পর সিঙ্ক থেকে একটু জল নিয়ে ছিঁটিয়ে দিলেন মেঝেতে। এ বার মাটিতে সাবানের পিচ্ছিল ভাব কাজে লাগিয়ে শুরু করেছেন শরীরচর্চা। হুবহু ‘ট্রেডমিল’-এর (Desi Treadmill) মতো করে প্রথমে অল্প গতিতে হাঁটতে শুরু করলেন। তার পর ওই মেশিনে বোতাম টিপে গতি বাড়িয়ে নিচ্ছেন। কখনও দৌড়োচ্ছেন, আবার কখনও গতি কমিয়ে নিচ্ছেন প্রয়োজন অনুযায়ী।

    ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তরুণ প্রজন্ম থেকে প্রৌঢ়, সকলেই মজেছেন এই ভিডিওতে। মাত্র ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওটি এখনও পর্যন্ত ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata High Court: সোমের পর মঙ্গলেও কাটেনি জট, মান্থার এজলাস বয়কট নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বার

    Kolkata High Court: সোমের পর মঙ্গলেও কাটেনি জট, মান্থার এজলাস বয়কট নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত আইনজীবীদের। সাধারণ সভার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বার অ্যাসোসিয়েশন (Bar Association)। বার অ্যাসোসিয়েশনের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে প্রধান বিচারপতিকেও। যদিও সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেননি খোদ বার প্রেসিডেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, এটা ঠিক নয়। ট্রেজারার এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।  

    ঘটনার নেপথ্যে…

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দু পক্ষের আইনজীবীরা। শুনানি না করেই এজলাস ছাড়েন তিনি। সোমের পর মঙ্গলবারও তাঁর এজলাসের সামনে জটলা দেখা গিয়েছে। বার অ্যাসোসিয়েশন যে চিঠি দিয়েছে, তাতে অচিন্ত্য কুমার ব্যানার্জি সহ একশোজনেরও বেশি আইনজীবী স্বাক্ষর করেছেন। পাশাপাশি শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। যদিও চিঠিটি ভুয়ো বলেই দাবি বারের প্রেসিডেন্ট অরুণাভ ঘোষের। তিনি বলেন, কোন কোর্ট বয়কট করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না কোনও ট্রেজারার কিংবা সহ সম্পাদক।  অরুণাভ জানান, চিঠিটি ভিত্তিহীন এবং তাঁরা এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করছেন না। মঙ্গলবার সকালে এই প্রস্তাবের পাল্টা দাবিও ওঠে হাইকোর্ট। আইনজীবীদের একাংশের দাবি, এটি আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়া উচিত। জবাব প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা চাইলে মামলা করতে পারেন। এ বিষয়ে বারের এক সদস্য আমাকে চিঠি দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, এ নিয়ে বারের কি কোনও দায়িত্ব নেই? তিনি বলেন, দেশের প্রাচীনতম এই হাইকোর্টের একটা ঐতিহ্য রয়েছে। বারের উচিত ছিল এ ব্যাপারে দায়িত্ব নেওয়া।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    এদিকে, বাম, কংগ্রেস ও বিজেপিপন্থী আইনজীবীরা এদিন বিচার প্রক্রিয়া (Kolkata High Court) চালানোর দাবি জানান। বিচারপতি মান্থা জানিয়ে দেন, দু পক্ষের আইনজীবী উপস্থিত না থাকলে জরুরি মামলা ছাড়া তিনি কোনও নির্দেশ জারি করবেন না। অন্যদিকে, এদিন মেনসন পর্ব চলে বিচারপতি মান্থার এজলাসে। ইচ্ছুক আইনজীবীরা অংশও নিচ্ছেন মেনসন পর্বে। এদিকে, স্বতঃপ্রণোদিত আদালত অবমাননার রুল জারির আবেদন করে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি সহ ৫ এক্সিকিউটিভ সদস্যের। চিঠিতে সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস বন্ধ করা আইনজীবীদের চিহ্নিত করে পদক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ বন্ধ বিচারব্যবস্থার ওপর হুমকি বলে দাবি তাঁদের। 

    ডিওয়াই চন্দ্রচূড়…

    এদিকে বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটের খবরে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সোমবার বার অ্যাসোসিয়েশনে বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটের একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। সেই সংক্রান্ত চিঠি প্রকাশ হতেই মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা স্তম্ভিত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • BJP: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    BJP: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার গঙ্গাপুজোর (Ganga Puja) আয়োজন করেছে বিজেপির (BJP) নমামি গঙ্গা শাখা। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল পুলিশের। যদিও ওই পুজোর অনুমতি দিল না কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না মিললেও অবশ্য এদিনের কর্মসূচি বাতিল করছে  না বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, কর্মসূচি হবেই।

    গঙ্গা আরতি…

    বারাণসীর ঘাটে ফি সন্ধ্যায় গঙ্গা আরতি দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। গঙ্গা ভাঙন ও গঙ্গা দূষণ রুখতে বঙ্গ বিজেপির নমামি গঙ্গা শাখা বাবুঘাটে গঙ্গা পুজো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ঠিক ছিল, এই উপলক্ষে বাজে কদমতলা ঘাটে বারাণসীর ধাঁচে হবে গঙ্গা আরতিও। বিজেপির এই কর্মসূচিতেই বাগড়া দিয়েছে পুলিশ। জানিয়ে দিয়েছে, গঙ্গাপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। পুলিশের তরফে বিজেপিকে জানানো হয়েছে, গঙ্গাসাগর মেলার আবহে বাবুঘাট এলাকায় ইতিমধ্যেই পুণ্যার্থীদের একটা বড় অংশ জড়ো হতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবারেও তা হবে। তাই বিজেপির প্রস্তাবিত কর্মসূচি পালিত হলে শহরের রাস্তায় ব্যাপক যানজট হবে। পুণ্যার্থীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতেও সমস্যার মুখে পড়বে পুলিশ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, কলকাতায় ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে জি-২০ সম্মেলন। চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। পুলিশের একটা বড় অংশ সেখানে ব্যস্ত থাকবে। তাই বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুুন: ‘যদি ভোট দিতে না দেয়…’, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের কী নিদান দিলেন শুভেন্দু?

    পুলিশের অনুমতি না মিললেও, কর্মসূচি বাতিল করছে না বিজেপি (BJP)। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমাদের গঙ্গা আরতি করার কথা ছিল। পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পুলিশ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই কাজ করেছে। তিনি বলেন, এদের উদ্দেশ্য হল হিন্দুদের যে কোনও অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা। কিন্তু আমরা সেখানে যাব। আমি গঙ্গা অরতি করব। পুলিশ তার মতো চেষ্টা করবে। কর্মসূচি হবে। বঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, অসহিষ্ণুতার রাজনীতির আরও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রাজ্যের বর্তমান শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। এতদিন পর্যন্ত বালিঘাটের দখলদারি ছিল, কয়লা খাদান, পাথর খাদানের দখলদারি ছিল। এখন মা গঙ্গাকেই দখল করে নিল তৃণমূল। তিনি বলেন, সরকার যেখানে ঘোষণা করেছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে বলে দিয়েছেন গঙ্গা আরতি করবেন, সেই জন্য বিরোধী দল করতে পারবে না। বিজেপি (BJP) করতে পারবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Economic Crisis: চরম অর্থনৈতিক সংকটে পাকিস্তান, লাগামছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম

    Pakistan Economic Crisis: চরম অর্থনৈতিক সংকটে পাকিস্তান, লাগামছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার মতো পাকিস্তানও অর্থনৈতিক সংকটের (Pakistan Economic Crisis) সম্মুখীন। নিত্য বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। মুদ্রাস্ফীতিও চরমে পৌঁছেছে। ফলে সে দেশের সাধারণ মানুষের দুবেলার দুমুঠো ভাত জোগাড় করাটাই এখন সবচেয়ে বড় লড়াই। অবস্থা এমন যে, দুবেলা পেট ভরে ভাত বা রুটি খেতে পারছে না সাধারণ নিম্নমধ্যবিত্তরাও। কারণ চাল, গম, আটার দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রান্তিক মানুষরা। চাল, আটা ছাড়াও দাম বেড়েছে চিকেন, পেঁয়াজ, দুধ, ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের। দুবেলার খাবারের জন্যে হাহাকার করছেন পাকজনতা।

    আকাশ ছুঁয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম 

    পাকিস্তানে প্রতি কেজি চিকেনের দাম বেড়ে হয়েছে ৩৮০ পাক মুদ্রা (Pakistan Economic Crisis)। একবছরে পিঁয়াজের দাম ৩৭ পাক মুদ্রা বেড়ে এখন তা প্রায় ২০০ পাক মুদ্রা। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। প্রতি কেজি ডালের দাম ২৫০ পাক মুদ্রা। এক ডজন কলার দাম ১২০ পাক মুদ্রা। অন্যদিকে, অসুস্থ রোগী ও শিশুর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় দুধের দাম রয়েছে ১৫০ পাক মুদ্রা/ লিটার। বড় সমস্যার মুখে পাকিস্তানবাসী। 

    ২০০ টাকার চিকেনের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮০ টাকা। প্রায় দ্বিগুণ (Pakistan Economic Crisis)। পাশাপাশি নুনের দামও দেড়গুণ বেড়েছে। এছাড়া দুধের দাম গত বছরের শুরুতে ছিল ১১৫ পাকিস্তানি রুপি, এখন তা  প্রতি লিটার ১৫০ পাক মুদ্রা।

    গত কয়েক ধরেই পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি লাফিয়ে বাড়ছে। গত একবছরে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি (Pakistan Economic Crisis) ১১.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২.৭ শতাংশ হয়েছে। এই মুদ্রাস্ফীতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে খাবারের অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধিকেই।

    পাকিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার (Pakistan Economic Crisis) দ্রুত খালি হচ্ছে। গত এক বছরেই পাকিস্তানের সংগ্রহে যা বৈদেশিক মুদ্রা ছিল, এখন তার পরিমাণ প্রায় অর্ধেক। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যে বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ারের পরিমাণ ছিল ২৩.৯ বিলিয়ন ডলার, ২০২২- এর ডিসেম্বরে তা দাঁড়িয়েছে ১১.২ বিলিয়ন ডলারে। বৈদেশিক মুদ্রা কম হওয়ার ফলে প্রয়োজনের সময় ঋণ পাওয়া কষ্টসাধ্য হতে পারে পাকিস্তানের জন্য।

    আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এমনিতেই বন্ধু হারিয়েছে এই দেশ। আন্তর্জাতিক তহবিলের (Pakistan Economic Crisis) তথ্য অনুযায়ী, ঋণের বোঝা বাড়ছে পাকিস্তানের উপর। ২০১১ সালে পাকিস্তানের ঋণ ছিল ৫২.৮ শতাংশ, ২০১৬ সালে সেই ঋণের পরিমাণ হয় ৬০.৮ শতাংশ। অনুমান করা হচ্ছে, এই বছর সেই ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৭৭.৮ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

      
        
       
     
      

     

  • India China: ‘চিন সেনা মোতায়েন করলেও, ভারত জবাব দিতে প্রস্তুত’, বললেন সেনা প্রধান

    India China: ‘চিন সেনা মোতায়েন করলেও, ভারত জবাব দিতে প্রস্তুত’, বললেন সেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) সেনা মোতায়েন করলেও, যে কোনও পরিস্থিতিতে ভারত (India) জবাব দিতে প্রস্তুত। আজ, বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন সেনা প্রধান মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande)। তবে তিনি এও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেনা প্রধান বলেন, সীমান্ত সমস্যার ৭টির মধ্যে ৫টি আমরা আলোচনার (India China) টেবিলে মিটিয়ে নিতে পেরেছি। বাকি সমস্যাগুলি মেটাতে সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় সেনা।

    লালফৌজ…

    গত ডিসেম্বরেই অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াঙে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে লালফৌজ। সীমান্তেই তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ভারতীয় সেনার। দু পক্ষের কয়েকজন জখম হন। পরে ভারতীয় সেনার হাতে মার খেয়ে নিজেদের বাঙ্কারের দিকে পিঠটান দেয় চিনা সেনা। এই আবহে সেনা প্রধানের এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিন সেনা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন সেনা প্রধান। সেখানে চিন (India China) সীমান্তের প্রসঙ্গ ওঠে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, চিন অরুণাচল সীমান্তে বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার চিনকে জবাব দেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না ভারতীয় সেনাদের। সেনা প্রধান বলেন, চিন সেনা মোতায়েন করেছে, তবে বিপুল সংখ্যায় নয়। তিনি বলেন, সীমান্তের দিকে নজর রয়েছে ভারতীয় সেনার।

    আরও পড়ুুন: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়েও এদিন মন্তব্য করেন সেনা প্রধান। তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখায় অস্ত্র বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেনি। তবে জম্মু-কাশ্মীরে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তিনি বলেন, উপত্যকায় শান্তিভঙ্গের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। মনোজ পাণ্ডে জানান, উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি ফিরেছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক কাজের সুফল মিলেছে। পদাতিক বাহিনীতে মহিলাদের নিয়োগের প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান সেনা প্রধান। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যুদ্ধ বিমানের পাইলট পদে নিয়োগ করা হয়েছে মহিলাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Lalan Sheikh: লালনের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুশি নয় হাইকোর্ট, দিল্লি এইমস- এ পাঠানোর নির্দেশ

    Lalan Sheikh: লালনের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুশি নয় হাইকোর্ট, দিল্লি এইমস- এ পাঠানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh)। সিবিআই ক্যাম্পের বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় লালনের দেহ। সিবিআই গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে লালনকে খুন করার অভিযোগ করেন লালনের স্ত্রী। আদালতের নির্দেশে ঘটনার তদন্তে নামেন সিবিআই গোয়েন্দারা। তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। এরপর নিজেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। 

    লালন শেখের (Lalan Sheikh) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় আদালত। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুশি নয় কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার লালন শেখের মৃত্যু নিয়ে করা একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দিল্লির এইমস ও কলকাতার এসএসকেএমে পাঠাতে হবে। দুই হাসপাতালই এই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে নিজেদের মতামত জানাবে।

    কী জানিয়েছে আদালত? 

    এছাড়াও এদিন লালন শেখের (Lalan Sheikh) স্ত্রী আদালতে হলফনামা দেন। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এই হলফনামার ভিত্তিতে সিবিআই ও রাজ্য সরকার হলফনামা দেবে। পাশাপাশি এদিন হাইকোর্ট জানায় রাজ্য পুলিশ এই ঘটনায় সিবিআই আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। তবে সে কথা সিবিআইকে ২৪ ঘণ্টা আগে জানতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ জানুয়ারি।

    প্রসঙ্গত, গত ১৪ ডিসেম্বর, কলকাতা হাই কোর্টে লালন শেখের (Lalan Sheikh) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে আপত্তি জানায় সিবিআই। সেই প্রেক্ষিতে আদালতে দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের কথা ওঠে। রাজ্য সরকার জানায়, লালনের দেহ কবর দেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাই দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করতে গেলে মাটি খুঁড়ে তা তুলতে হবে। এরপরে আদালত দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ থেকে সরে আসে। তবে আগের ময়নাতদন্তের রিপোর্টই এ বার যাবে দিল্লির এইমস এবং কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা সেই রিপোর্ট দেখে তাঁদের মত জানাবেন আদালতকে, নির্দেশ বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের।

    আরও পড়ুন: আইনজীবীদের বিক্ষোভে এফআইআর দায়ের আরজি-র, প্রধান বিচারপতিকে চিঠি বারের

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর বীরভূমের রামপুরহাটে সিবিআইয়ের হেফাজতে রহস্যমৃত্যু হয় লালন শেখের (Lalan Sheikh)। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পের শৌচাগারে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বগটুইকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্তের এ ভাবে মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। সিবিআই দাবি করে, আত্মঘাতী হয়েছেন লালন। অন্য দিকে, লালনের স্ত্রী দাবি করেন, সিবিআই মারধর করে তাঁর স্বামীকে খুন করেছে। তিনি সাত সিবিআই আধিকারিকের বিরুদ্ধে খুন, তোলাবাজি, হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • CRPF: ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের সঙ্গে এনকাউন্টারের সময় আইইডি বিস্ফোরণ, আহত ৫ সিআরপিএফ জওয়ান

    CRPF: ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের সঙ্গে এনকাউন্টারের সময় আইইডি বিস্ফোরণ, আহত ৫ সিআরপিএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাওবাদী হামলার শিকার সিআরপিএফ জওয়ান। মাওবাদীদের সঙ্গে এনকাউন্টারের সময় হঠাৎ আইইডি বিস্ফোরণে জখম হলেন পাঁচজন সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF jawans)। বিস্ফোরণের পর এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের চাইবাসায় (Chaibasa)। ঝাড়খণ্ডের চাইবাসায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছিল বলে জানা গিয়েছে। আর সেসময়ই এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। ঝাড়খণ্ড পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পরেই আহত জওয়ানদের চিকিৎসার জন্য তড়িঘড়ি রাঁচীর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    চাইবাসায় আইইডি বিস্ফোরণ

    ঝাড়খণ্ডের মাওবাদী অধ্যুষিত চাইবাসা শহরে প্রায়ই মাওবাদীদের হামলার শিকার হতে হয়। আজও সেই ঘটনাই ঘটল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবার চাইবাসার টোন্টো থানার টুম্বাহাকা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী। এনকাউন্টার চলাকালীন আচমকা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জয় আনন্দরাও লাঠকার বলেন, “আজ সকাল থেকে চাইবাসায় মাওবাদীদের সঙ্গে দুটি সংঘর্ষ হয়েছে, যার ফলেই ৫ জন সিআরপিএফ জওয়ান আহত হয়েছেন। তাঁদের হেলিকপ্টারে করে আনা হয়েছে এবং চিকিৎসা করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২ ডিসেম্বরেই এই জায়গাতেই নিরাপত্তা বাহিনীদের সঙ্গে মাওবাদীদের সংঘর্ষ হয়। সেদিনও পাঁচ জন জওয়ান আহত হয়েছিলেন। এছাড়াও ঝাড়খণ্ডের গারওয়া এবং চাতরা জেলা থেকে অত্যাধুনিক আমেরিকান অস্ত্র সহ এক টিএসপিসি বিদ্রোহীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আবার নকশাল সাব-জোনাল কমান্ডার রবীন্দ্র মেহতা ওরফে ছোটা ব্যাসকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে গারওয়া জেলার মাঝিয়াওঁ থানার অন্তর্গত বুডিখান্দ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পুলিশের মতে, রবীন্দ্র মেহতা বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় ছিল এবং দুই রাজ্যে ১৬টি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল সে। এর আগে টিএসপিসি-র কমান্ডার ভাইরো গাঞ্জুকে চাতরা জেলার সিমারিয়া থানার অন্তর্গত কাসিয়াতু বন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছ থেকে একটি অত্যাধুনিক আমেরিকান অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছিল। গাঞ্জু ১৬ টিরও বেশি মামলায় ওয়ান্টেড ছিল এবং ঝাড়খণ্ডের চাতরা, পালামু এবং লাতেহার জেলায় সক্রিয় ছিল।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, মাওবাদী অধ্যুষিত ঝাড়খণ্ডে লাগাতার হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। তবে কেন্দ্রের দাবি, সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতার জেরেই মাওবাদীদের আগের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

  • PM Modi: ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে উজ্জ্বল স্থানে রয়েছে ভারত’, শিল্প সম্মেলনে বললেন মোদিও

    PM Modi: ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে উজ্জ্বল স্থানে রয়েছে ভারত’, শিল্প সম্মেলনে বললেন মোদিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতিতে উজ্জ্বল স্থানে রয়েছে ভারত। দিন কয়েক আগে এ কথা বলেছিলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) শীর্ষ কর্তা। বুধবার একই কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। মধ্য প্রদেশ গ্লোবাল ইনভেস্টার সামিটে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে উজ্জ্বল স্থানে রয়েছে ভারত (India)।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন…

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একটি নামী ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক সার্ভে করেছিল। তারা দেখেছে সিংহভাগ বিনিয়োগকারী ভারতকেই বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করছে। নানা আন্তর্জাতিক টানাপোড়েন, সঙ্কটের মধ্যেও ভারতের অর্থনীতি সঠিক দিশায় এগোচ্ছে বলে আগেই দাবি করেছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ ও অন্য সরকারি আধিকারিকরা। এদিন ফের একবার আশার কথা শোনালেন তিনি। দেশ যে সঠিক দিশায় এগোচ্ছে, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতি এবং ভারসাম্যই দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি না জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নে বসতে পারবেন না’’! বেফাঁস হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক

    ভারত যে ক্রমেই বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করছে, তার প্রমাণ মিলেছিল আগেই। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের জায়গা ধরে রেখেছিল ইংল্যান্ড। গত বছর সেই জায়গা দখল করেছে ভারত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারও স্বীকার করেছে অর্থনীতিতে ভারতের স্থান উজ্জ্বল। কিছুদিন আগেই বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, বিশ্বের নানা প্রান্তে অর্থনৈতিক সমস্যা, সামাজিক ডামাডোল সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি ভাল জায়গায় রয়েছে। মূল্যায়ন সংস্থা মর্গ্যান স্ট্যানলি জানিয়েছিল, আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠতে পারে ভারত। দেশের অর্থনীতির ইতিবাচক দিক তুলে ধরতে, সংস্থাগুলির বক্তব্য এবং পর্যবেক্ষণকে শিল্পপতিদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ভারত রয়েছে সংস্কারের পথে। তাই বর্তমানে ভারত হয়ে উঠেছে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্য প্রদেশে এই সম্মেলন এমন একটি সময়ে হচ্ছে, যখন দেশ পালন করছে আজাদি কা অমৃতকাল। এই সময় ভারতকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে আমরা সবাই চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, যখন আমরা উন্নত ভারতের কথা বলি, তখন সেটা আমাদের লক্ষ্য নয়, প্রতিটি ভারতীয়ের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন ভারত খুব বেশি দূরে নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Calcutta High Court: চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের নিয়োগ দুর্নীতির বিরোধীতা করে কলকাতায় প্রতিবাদী মিছিল করতে চেয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে অনুমতি না দেওয়া হলেও কলকাতা হাইকোর্ট মেনে নিল সেই আবেদন। ১০টি সংগঠনকে শহরে মিছিল করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তবে শর্ত মেনে কর্মসুচি পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত। 

    আগামী ১৬ ডিসেম্বর চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সংগঠন মহামিছিলের ডাক দিয়েছে। শহরের তিন প্রান্ত থেকে শুরু হবে মিছিল। হাওড়া, কলেজ স্ট্রিট এবং শিয়ালদহ থেকে তিনটি মিছিল ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে এসে জমায়েত করবে বলে এখন আবধি কথা রয়েছে। কিন্তু লালবাজার এই মিছিলে সায় দিচ্ছিল না। কিন্ত কলকাতা আদালত সেই মিছিলের অনুমতি দিল। তবে ১৬ তারিখ নয়, ১৮ তারিখ মিছিল করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

    আদালতকে (Calcutta High Court)পুলিশ জানায়, ১৭ জানুয়ারি, রবিবার পর্যন্ত গঙ্গাসাগর মেলার ভিড় থাকায় এই মিছিলে শহরে যানজট হতে পারে। পুলিশের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায় যে, গঙ্গাসাগর মেলার ভিড় শেষ হলে সোমবারের বদলে বুধবার অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি মিছিল করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    আরও পড়ুন: চাপে পড়ে আইনজীবীদের বয়কট-বিক্ষোভ প্রত্যাহার! বিচারপতি মান্থাকে সুরক্ষা দিতে নির্দেশ রাজ্যপালের

    বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা (Calcutta High Court) বলেন, “১৬ জানুয়ারি নয়, গঙ্গাসাগর মেলার জন্য ১৮ জানুয়ারি মিছিল করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রানি রাসমণি রোডে কর্মসূচি করতে পারবেন তাঁরা।”     

    রাজ্যের তরফ থেকে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, ধর্মতলা ওআই চ্যানেলের বদলে এই কর্মসূচি শহীদ মিনারে করুক চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী জানান, তাঁরা এই কর্মসূচি রানি রাসমণি রোডে করতে চান। সেই আবেদন মেনে নেয় আদালত (Calcutta High Court)।

    কী কী শর্ত দিয়েছে হাইকোর্ট?

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তরফে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ সভা করতে হবে। লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না সভায়। শব্দবিধি মেনেই করতে হবে কর্মসূচি। এমনকী এড়িয়ে যেতে হবে উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ

  • Ramiz Raja: পাক-ক্রিকেটের দুর্দিনের জন্য বিজেপিকে দুষলেন রামিজ! জানেন কী বললেন প্রাক্তন পিসিবি সভাপতি?

    Ramiz Raja: পাক-ক্রিকেটের দুর্দিনের জন্য বিজেপিকে দুষলেন রামিজ! জানেন কী বললেন প্রাক্তন পিসিবি সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নিয়ন্ত্রিত বিসিসিআই পাকিস্তান ক্রিকেটকে খর্ব করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতীয়দের মানসিকতাই হল, পাকিস্তান ক্রিকেটের উন্নয়নকে ব্যাহত করা। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদির ভারত এবং বিজেপির বিরুদ্ধে এরকম বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রামিজ রাজা। সদ্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদ গেলেও ভারতের প্রতি বিদ্বেষ এখনও যায়নি রামিজের।

    রামিজ যা বললেন

    পাকিস্তান ক্রিকেটের দুর্দিনের জন্যও রামিজ বিজেপিকে দায়ী করলেন। তিনি জানালেন, পাকিস্তান ক্রিকেটের খারাপ অবস্থায় জন্য দায়ী ভারতই। বিসিসিআই-তে নাকি বিজেপির মানসিকতা নিয়ে কাজ করা হয়। তাঁর কথায়, “দুর্ভাগ্যবশত ভারতীয় বোর্ডে যা হচ্ছে সেটা হল বিজেপির মানসিকতা। পাকিস্তান জুনিয়র লিগ হোক বা মহিলাদের লিগ, আমি যে প্রতিযোগিতাগুলো ঘোষণা করেছিলাম তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল, যাতে নিজের দেশের প্রতিযোগিতা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারি। আইসিসির দিকে যাতে তাকিয়ে থাকতে না হয়।” রামিজ যোগ করেছেন, “লাভের জন্য আইসিসি সব সময় তাকিয়ে থাকে ভারতের দিকে। এতে আমাদের স্বাধীনতা খর্ব হয়। যদি ভারতের মানসিকতা এ রকম হয় যে পাকিস্তানকে একঘরে করে দিতে হবে, তা হলে আমাদের এ কূলও যাবে, ও কূলও যাবে।”

    আরও পড়ুন: নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন! ভারতের ইতিহাসে সব থেকে জোরে বলটা করলেন উমরান

    বাবরকে পরামর্শ

    রামিজ রাজা জানিয়েছেন, তিনি ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে বিশ্বক্রিকেটে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যাতে ক্রিকেট অর্থশক্তির কাছে পদানত না হয়। রামিজ বলেন, “আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়েছিলাম। যদি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এশিয় পর্যায়ের কোনও টুর্নামেন্ট আয়োজন করার দায়িত্ব পাকিস্তানকে দেয় এবং ভারত যদি পাকভূমে খেলতে আসতে অস্বীকার করে, এবং টুর্নামেন্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে আমি যা বলেছিলাম তার মোদ্দা কথা হল, আমাদের হাতেও অপশন রয়েছে।” ভারতকে চাপে ফেলার জন্য তিনি সম্প্রতি পাক ক্রিকেট অধিনায়ক বাবর আজমের সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানান রামিজ। তিনি বলেন, “সম্প্রতি বাবর আজমের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সেখানেই ওকে বলেছি, ভারতকে দেখলেই হারাও। তা হলে ওদের সঙ্গে বোঝাপড়ার সময়ে শক্তিশালী জায়গায় থাকা যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share