Blog

  • ISI Agent: আইএসআই-কে সিম কার্ড, ওটিপি পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে ওড়িশায় গ্রেফতার ৩

    ISI Agent: আইএসআই-কে সিম কার্ড, ওটিপি পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে ওড়িশায় গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটিতে বসে আইএসআই-এর (ISI Agent) জন্য চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তিনজনকে। ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি ওড়িশায় বলে জানা গেছে। ধৃতরা হল, পাঠানি সামন্ত লেংকা, সরোজ কুমার নায়েক, এবং সৌম্য পট্টনায়ক। জানা গেছে, সাধারণ মানুষের নাম এবং পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তা দিয়ে অজস্র সিম কার্ড কিনত এই তিনজন। পরে এই সিমকার্ডের সাহায্যে ওটিপি জেনারেট করে তা পাঠিয়ে দিত আইএসআই-এর (ISI Agent) কাছে। বিনিময়ে মিলতো মোটা টাকা। রবিবারই বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এদের গ্রেফতার করে ওড়িশা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ওই সিম কার্ড এবং পরিচয় পত্র দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যাকাউন্ট খুলতো। এবং এভাবেই চালানো হতো ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এবং সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ।

    কী বলল এসটিএফ?

    ওড়িশা পুলিশের এসটিএফ ইতিমধ্যে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, ধৃতরা অবৈধভাবে নাগরিকদের তথ্য ব্যবহার করে সিমকার্ড সংগ্রহ করতো এবং তা বিক্রি করতো পাকিস্তান এবং ভারতে থাকা আইএসআই (ISI Agent) এজেন্টদের কাছে। প্রসঙ্গত, গত বছরও এই একই অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল একজন মহিলাকে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে রাজস্থানের ওই মহিলার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখত ধৃত এই তিনজন।

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, অন্যের নামে সংগ্রহ করা এই পরিচয়পত্র এবং সিমকার্ডগুলি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, ফেসবুক এবং ইমেইল-এ অ্যাকাউন্ট খোলা হতো। আইডিগুলি পাকিস্তানে বসে অপারেট করতো সেদেশের গুপ্তচররা (ISI Agent)। যেহেতু এগুলি ভারতীয়দের নামে তৈরি তাই স্বাভাবিকভাবে এ দেশের নাগরিকরা মনে করতো সেটা কোনও ভারতীয় চালাচ্ছে। এভাবে তারা, সন্ত্রাসের কাজে অর্থ সংগ্রহ থেকে, উগ্র মৌলবাদের প্রচার তথা সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াতো। শুধু তাই নয়, অনলাইন বিভিন্ন শপিং সাইটেও এই নথি দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হত এবং সন্ত্রাসবাদীদের বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে দেওয়া হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: জামুরিয়ায় বিজেপি বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: জামুরিয়ায় বিজেপি বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামুরিয়ার বিজয়নগর জঙ্গলের কাছে ছাইগাদায় এলাকার বিজেপি (BJP) বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অশোক চক্রবর্তী। তাঁর বয়স ৩০ বছর। বাড়ি হিজলগড়া গ্রামের সূত্রধরপাড়া। দেহ উদ্ধার করে কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গত এপ্রিল মাসেই জামুরিয়ার রাস্তার ওপরেই বিজেপি (BJP) ওয়ার্ড কনভেনার রাজেন্দ্র সাউয়ের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এক মাসের মধ্যেই রবিবার সেই জামুরিয়া এলাকায় বুথ এজেন্ট খুন হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    শনিবার সন্ধ্যায় অশোকবাবু বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১১ টা পর্যন্ত এলাকার লোকজন তাঁকে শেষবার দেখতে পেয়েছিলেন। তারপর থেকে তাঁর আর হদিশ ছিল না। তিনি গত লোকসভা উপ নির্বাচনে বিজেপির (BJP) বুথ এজেন্ট ছিলেন। অশোকের দাদা ধনঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ছাইগাদা এলাকায় মৃতদেহ পড়ে রয়েছে শুনে আমি সেখানে যাই। গিয়ে দেখি, ভাইয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে রয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, ভাইকে খুন করা হয়েছে। তবে, অশোককে কে এই এলাকায় নিয়ে এসে খুন করল তার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা সভাপতি দিলীপ দে সহ একাধিক নেতা অশোকবাবুর বাড়ি যান। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন। পরিবারের লোকজনও বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের কাছে সিবিআই তদন্তের দাবি করেন। দিলীপবাবু বলেন, অশোক আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। নির্বাচনে তিনি বুথ এজেন্ট ছিলেন। তাঁকে খুন করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। আমরা খুনের ঘটনার প্রকৃত তদন্ত দাবি করছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল সন্ত্রাস করতেই এই কাজ করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কোনওভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করছি। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। প্রয়োজনে আমি নিজে ওই যুবকের বাড়ি যাব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INS Mormugao: অভিষেকেই সফল আইএনএস মর্মুগাও! তার নির্ভুল নিশানায় লক্ষ্যভেদ ব্রহ্মোস-এর

    INS Mormugao: অভিষেকেই সফল আইএনএস মর্মুগাও! তার নির্ভুল নিশানায় লক্ষ্যভেদ ব্রহ্মোস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম পরীক্ষাতেই সফল ভারতের নতুন যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মর্মুগাও (INS Mormugao)। শত্রুদেশের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী এই রণতরীর রবিবার ছিল প্রথম পরীক্ষা। শব্দের চেয়ে তিন গুণ দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্যে পৌঁছনোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে নেমেছিল মর্মুগাও। আর অভিষেকেই সেঞ্চুরি। তার নির্ভুল নিশানায় লক্ষ্যভেদ করেছে ব্রহ্মোস। ব্রহ্মোস (Brahmos) ২৯০ কিমি থেকে ৪৫০ কিমি পর্যন্ত দূরত্বে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে পারে।

    আত্মনির্ভরতার উদাহরণ

    ছ’মাস আগেই ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল আইএনএস মর্মুগাও। সেই নয়া রণতরী থেকেই সফল উৎক্ষেপণ করা হল ব্রহ্মোস মিসাইলের। ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজ। ব্রহ্মোসের সফল উৎক্ষেপণের পর আইএনএস মর্মুগাও নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নৌসেনা আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, “জাহাজ এবং যুদ্ধাস্ত্র দু’টিই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। মাঝসমুদ্রের এই সফল উৎক্ষেপণ আত্মনির্ভরতার প্রকৃত উদাহরণ।”

    ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘প্রজেক্ট ১৫বি’-র আওতায় মূলত দেশীয় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি দ্বিতীয় রণতরী এটি। যা বানাতে খরচ হয়েছিল ৩৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এটি মজগাওঁ ডকে তৈরি করা হয়েছিল। নৌসেনার ‘ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো’ এই রণতরীর নকশা তৈরি করেছিল। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এই রণতরীর উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় নৌবাহিনী জানিয়েছিল, পারমাণবিক হামলা বা জৈব হামলা চালালেও এই রণতরীর কিছু হবে না। এ ছাড়াও এই যুদ্ধজাহাজে ছিল ৭০ কিমি মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ব্যবস্থা, টর্পেডো, রকেট লঞ্চার ও নানা ধরনের বন্দুক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: আমফানের চেয়েও শক্তিশালী! সুপার সাইক্লোন মোকার প্রভাবে তছনছ মায়ানমার, বাংলাদেশ

    Cyclone Mocha: আমফানের চেয়েও শক্তিশালী! সুপার সাইক্লোন মোকার প্রভাবে তছনছ মায়ানমার, বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার বেগের সুপার সাইক্লোন মোকার প্রভাবে তছনছ মায়ানমারের বিস্তীর্ণ এলাকা। ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। ঘরছাড়া হাজার হাজার মানুষ। লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার। প্রবল বৃষ্টির তোড়ে আপাতত জলের তলায় তলিয়ে গেছে বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটনস্থল সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।

    আমফানের চেয়েও শক্তিশালী

    ১৪ মে, রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসাবে মোকা যখন বাংলাদেশের কক্সবাজারকে বাঁ দিকে রেখে মায়ানমারের সিতওয়ে উপকূলে আঘাত হানে, তখন ঝড়ের গতি ঘণ্টায় প্রায় ১৯০ কিলোমিটার। ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি কখনও ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছে।  মৌসম ভবনের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বঙ্গোপসাগর ধরে মায়ানমার উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়ে মোকা ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গতিবেগ বাড়িয়েছে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটারেরও বেশি। ২০২০-র ২০ মে, বকখালিতে যখন আছড়ে পড়েছিল সুপার সাইক্লোন আমফান, তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার। শক্তিতে মোকা আমফানকেও টেক্কা দিল।

    মোকার ভয়াবহতা

    মোকার (Cyclone Mocha) ভয়াবহতার সাক্ষী রইল মায়ানমার। রবিবার দুপুরে সে দেশের রাখিনিতে আছড়ে পড়ে মোকা।  বহু বাড়ি-ঘর, স্কুল বাড়ি ভেঙে পড়েছে বলে খবর। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য আগেই ব্যবস্থা করেছিল প্রশাসন। তা সত্ত্বেও মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। বেশ কয়েকজন আহত। মায়ানমার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বহু ট্রান্সফর্মার উড়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে একাধিক এলাকার মোবাইল টাওয়ার, ল্যাম্পপোস্ট। সরকারি ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট না হলেও বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায়

    মোকার তাণ্ডবে বাংলাদেশে কমপক্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন। ঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে গিয়েছে কয়েকটি গ্রাম। বিভিন্ন ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দুপুর আড়াইটের সময় সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ঝড়ের বেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৭ কিমি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার বিকেলে পটাশপুরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, বাংলায় পরিবর্তন হবে তো? কর্মী-সমর্থকরা সকলেই তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। এরপরই বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, পঞ্চায়েত থেকেই পরিবর্তন শুরু করতে হবে। জোরদার লড়াই করতে হবে। আমরা এই রাজ্যে নরেন্দ্র মোদির আশীর্বাদধন্য রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠন করব।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, কর্ণাটক নির্বাচনের ফল দেখে স্লোগান ধার করে মমতা বলছেন, নো ভোট টু বিজেপি। আমরা আগেই বলেছি, আবারও বলছি নো ভোট টু মমতা। তৃণমূল মানেই চোর। এরপর তিনি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে স্লোগান দিয়ে বলেন, চোর ধরো জেলে ভরো।

    রাজ্য পুলিশকে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই এদিন পটাশপুরের সভা হয়। সেই সভা থেকে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। এদিন পটাশপুরের সভা থেকে বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা পুলিশ তৃণমূলকে বাঁচাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ তৃণমূলের ক্যাডারে পরিণত হয়েছে। আমি অনেক মাতব্বরকে সাইজ করেছি। এখানকার চুনোপুঁটিদের কী ওষুধ দিতে হবে তা আমার জানা আছে। পটাশপুরের একটা ওসি আছে কি নাম তার যেন রাজু কুণ্ডু না হুন্ডু, এর তো বাচ্চা বয়স এখনও কাটেনি। একেও আমি টাইট করে দিয়েছি। এর পুলিশ বাবা অমরনাথও ওঁকে বাচাঁতে পারবে না। আবারও আমি পটাশপুরের সিংদাতে সভা করবো। আপনারা ভয় পাবেন না। আমি রাস্তায় আছি। মিথ্যে মামলা দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ হবে না। আমি নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছি। আপনারা প্রস্তুত থাকুন পঞ্চায়েতও আমরা জিতব। পূর্ব ঘোষণা মতো পটাশপুরে বিশাল পদযাত্রা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেই পদযাত্রায় প্রায় হাজার দশেক বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা পা মেলান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICSE and ISC Result: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায় 

    ICSE and ISC Result: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হল। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে প্রায় আড়াই লাখ পরীক্ষার্থী কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন (সিআইএসসিই)-এর বোর্ডের (ICSE and ISC Result 2023) পরীক্ষা দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, এই বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার নাম আইসিএসই এবং উচ্চ মাধ্যমিকের নাম আইএসসি। আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে রয়েছে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, আইএসসিতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৫ জনের মধ্যে বাংলার ২ জন। আইএসসি-তে প্রথম স্থানে কলকাতার মান্যা গুপ্তা৷ কলকাতার হেরিটেজ স্কুলের ছাত্রী মান্যার প্রাপ্ত নম্বর ৩৯৯, অর্থাৎ ৯৯.৭৫%৷ মান্যার সঙ্গেই একই নম্বর পেয়ে প্রথম স্থানে বাংলার আরও এক কৃতী ছাত্র শুভম আগরওয়াল৷ জলপাইগুড়ি জেলার ভক্তিনগরে সেন্ট জোসেফ স্কুলের ছাত্র শুভম৷ প্রসঙ্গত, শনিবারই কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন (সিআইএসসিই)-এর বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে রবিবার ফল প্রকাশ হবে।

    গোটা দেশের মধ্যে আইসিএসই-তে প্রথম বর্ধমানের সম্বিত

    আইসিএসই-তে শীর্ষস্থান দখল পূর্ব বর্ধমানের ছাত্র সম্বিত মুখোপাধ্যায়ের। তার বাড়ি বর্ধমান শহরের পার্কাস রোডে। বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের প্রধানশিক্ষক (ফাদার) মারিয়া যোশেফ সাবিয়াপ্পন জানান, সম্বিত খুব মনোযোগী ছাত্র। পড়াশুনা ছাড়াও সে অন্যান্য  নানা কাজেও দক্ষ। ভাল অ্যাঙ্কারিং-ও করে। বোর্ডের পরীক্ষায় সে ৯৯.৮০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে। সম্বিতের বাবা মনোজ মুখোপাধ্যায় মাধ্যমকে ফোনে বলেন, ‘‘বড় হয়ে সম্বিত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। দেশের জন্য কিছু করাই তার লক্ষ্য।’’

    পাশের হার

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরে আইএসসি পরীক্ষায় বসেছিল ৫১,৭৮১ জন ছাত্র এবং ৪৬,৭২৪ জন ছাত্রী। যেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৮.০১% এবং ছেলেদের ৯৫.৯৬%। অন্যদিকে, আইসিএসই পরীক্ষায় এবছর বসেছিল ১,২৮,১৩১ জন ছাত্র এবং ১,০৯,৫০০ জন ছাত্রী। ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.২১% এবং ছাত্রদের পাশের হার ৯৮.৭১%।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Publicity: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    Publicity: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বাধীন বিজেপি (BJP) সরকার। তার পর থেকে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের জন্য একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে মোদি সরকার। গত ৯ বছরে মোদি সরকারের এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে সরকারের সেই সব প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষ বিশেষ জানেন না। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সব জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হল মোদি সরকার (Publicity)। ভিডিও এবং লিখিতভাবে ওই সব প্রকল্প তুলে ধরা হবে আমআদমির কাছে। গত ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যই বা কী, তাও জানানো হবে জনতা জনার্দনকে।

    প্রচারে (Publicity) কী কী তুলে ধরা হবে…

    MyGov.in এই প্ল্যাটফর্মেও তুলে ধরা হবে সরকারের সাফল্যের খতিয়ান। বিগত বছরগুলিতে সরকার কী কী জনকল্যাণমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে, তাতে সাফল্যই বা কেমন তথ্য সহকারে সেগুলি জানানোর জন্য কেন্দ্রের সমস্ত মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন ওই প্ল্যাটফর্মের সিইও আকাশ ত্রিপাঠী। ভিডিও মাধ্যমেও তুলে ধরা হবে সাফল্যের খতিয়ান। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য সরকার কিংবা ফিল্ড অফিসারের কাছ থেকে প্রকৃত উপভোক্তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছেন আকাশ। ত্রিপাঠীর চিঠিতে এও বলা হয়েছে, ভিডিও যেন হাই রেজ্যুলেশনের হয়। সাউন্ড কোয়ালিটিও যেন উন্নত মানের হয়। প্রতিটি ভিডিও (Publicity) হবে ১ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে। তাতে দেখানো হবে, কোন প্রকল্পে কী কী সুবিধা মেলে, যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের বক্তব্যই বা কী, প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ায় যাঁরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, সেসবই তুলে ধরা হবে ওই ভিডিওয়।

    আরও পড়ুুন: কোহিনূর ফেরাতে চালু হচ্ছে ‘রেকনিং উইথ দ্য পাস্ট’, জানুন এই অভিযান সম্পর্কে

    দৃশ্য কিংবা লেখ্য, যে মাধ্যমেই প্রকল্পগুলি সম্পর্কে কিছু তুলে ধরা হবে, সেগুলির বাক্য যেন ছোট হয়। টেকনিক্যাল কোনও শব্দ যেন ব্যবহার না করা হয়। কঠিন শব্দও এড়িয়ে চলাই ভাল। বক্তব্য যেন সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয়। প্রচারে তুলে ধরা হবে ২০১৪র প্রাক-বিজেপি সরকারের আমলের কথা। তৎপরবর্তী সময়ে মোদি সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি কীভাবে সাধারণ মানুষের উপকারে লাগছে, সেগুলিও ফলাও করে বলা হবে। কেবল তাই নয়, দেশে-বিদেশে মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প কীভাবে সমাদৃত হচ্ছে, তাও তুলে ধরা হবে প্রচার (Publicity) মাধ্যমে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kohinoor: কোহিনূর ফেরাতে চালু হচ্ছে ‘রেকনিং উইথ দ্য পাস্ট’, জানুন এই অভিযান সম্পর্কে  

    Kohinoor: কোহিনূর ফেরাতে চালু হচ্ছে ‘রেকনিং উইথ দ্য পাস্ট’, জানুন এই অভিযান সম্পর্কে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লুঠ হয়ে গিয়েছে কোহিনূর (Kohinoor) হিরে। লুঠ হয়েছে হাজার হাজার অন্যান্য ধনরত্নও। এবার এসবই ফেরাতে উদ্যোগী হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার। লুণ্ঠন হওয়া এসব সম্পদ উদ্ধার করতে শীঘ্রই আলাপ আলোচনা শুরু হবে কূটনৈতিক স্তরে। এই কূটনৈতিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রেকনিং উইথ দ্য পাস্ট’। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব গোবিন্দ মোহন বলেন, এটা সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্যক্তিগতভাবে ভারতের এই নিদর্শনগুলি ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় জোর দিয়েছেন। তাঁর কাছে এটা একটা প্রধান অগ্রাধিকারের বিষয়।

    কোহিনূর (Kohinoor)…

    জানা গিয়েছে, লন্ডনে যে ভারতীয় কূটনীতিকরা রয়েছেন, তাঁরাই বিভিন্ন ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করবেন। প্রক্রিয়া শুরু হবে চলতি বছরই। প্রসঙ্গত, বারবার লুঠেরারা লুঠ করেছে ভারত। ঔপনিবেশিক শাসনের সময়ও খোয়া গিয়েছে বহু মূল্যবান রত্ন (Kohinoor) সামগ্রী। সেসসবই এখন ফেরাতে চায় নরেন্দ্র মোদির সরকার। অর্থনীতিবিদ উৎসা পট্টনায়কের গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ১৭৬৫ থেকে ১৯৩৮ সালের মধ্যে ভারত থেকে ব্রিটিশরা যে সম্পদ লুঠ করেছে, অর্থমূল্যে তার পরিমাণ প্রায় ৪৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ইমরান খান সন্ত্রাসবাদীদের চেয়ে কম কিছু নয়’’, তোপ পাক প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত থেকে লুঠ হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে কোহিনূর হিরেও। ১৮৪৯ সাল থেকে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের দখলে রয়েছে সেই হিরে। বর্তমানে এই হিরের মালিক ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। রানি ভিক্টোরিয়ার ব্রোচে এবং রানি এলিজাবেথের মুকুটে শোভা পেত এই হিরে (Kohinoor)। জানা গিয়েছে, নাবালক কিশোর মহারাজা দলীপ সিংকে লাহোর চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছিল ব্রিটিশ সরকার। তার পরেই কোহিনূর হিরের মালিক হয় ব্রিটিশ রাজ পরিবার। অবশ্য ব্রিটিশ ঐতিহাসিকদের দাবি, কোহিনূর হিরে ব্রিটিশ রাজ পরিবারকে উপহার দেওয়া হয়েছিল। কারও কারও মতে, এটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। ভারতীয় ঐতিহাসিকরা প্রমাণ সহ জানিয়েছেন, ঔপনিবেশিক শক্তি প্রয়োগ করেই ভারত থেকে কোহিনূর হিরে নিয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের নবজোয়ারে এবার ছাপ্পা ভোট! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের নবজোয়ারে এবার ছাপ্পা ভোট! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের কোনও নির্বাচন নয়। পঞ্চায়েত ভোটে যোগ্য প্রার্থী ঠিক করার জন্য সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নির্দেশে নবজোয়ার কর্মসূচিতে চলছে ভোটগ্রহণ। স্বাভাবিকভাবে সেখানে বিরোধী দলের কারও থাকার কথা নয়। সকলেই তৃণমূল কর্মী। আর সেখানেও ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠল। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। এর আগে জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, বীরভূমে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করার জন্য দলের পক্ষ থেকে ভোটাভুটির ব্যবস্থা করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) চলে যাওয়ার পর পরই তৃণমূলের জামালপুর ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এদিনের ছাপ্পা ভোট হওয়ার দৃশ্য দেখে দলেরই কর্মীরা বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন কেমন হবে তার মহড়া হয়ে গেল।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নবজোয়ার কর্মসূচির জেলায় দ্বিতীয় দিন শনিবার সন্ধ্যায় জেলার আটটি ব্লকের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। এই ব্লকের আবুজহাটি ১ ও ২, চকদিঘি, জামালপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েতে ভোটাধিকার নিয়েই মূলত অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, যারা প্রকৃত ভোটার, যাদের তালিকায় নাম নথিভুক্ত আছে তারা ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। ব্লক সভাপতির ঘনিষ্ঠ লোকজন বেআইনিভাবে প্রকৃত ভোটারদের জায়গায় ভোট দিয়ে দিচ্ছেন। মন্তেশ্বর ব্লকেও বহু কর্মী ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ।

    ছাপ্পা ভোট দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতারা?

    তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি শ্রীমন্ত পাল বলেন, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নির্দেশ মতো বুথের ছেলেরা তো প্রার্থী ঠিক করবে। কিন্তু, ভোট শুরু হওয়ার পর দেখা গেল, অন্য এলাকার ছেলেরা এসে ভোট দিচ্ছে। আর যারা প্রকৃত ভোটার তারা ভোট দিতে পারছে না। প্রকাশ্যেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতির অনুগামীরা ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে। আমরা অভিযোগ করার পরও কোনও কাজ হল না। এভাবে ভোটগ্রহণ করার কোনও মানে হয় না। একই অভিযোগ করেন জেলা পরিষদের সদস্যা মেহেরা কীর্তনীয়া। তাঁর অভিযোগ, ব্লক সভাপতির অনুগামীরা ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করছে। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ পালের বক্তব্য, বিভিন্ন বুথে বালি খাদানের মালিকদের বুথ সভাপতি সাজিয়ে ভোট প্রক্রিয়া চলছে। ব্লক সভাপতির অনুগামীরা এসব করছে।

    কী বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি?

    তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মেহমুদ খান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, দলের নির্দেশ মত এবং দলের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভোট প্রক্রিয়া চলছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। কোথাও ছাপ্পা ভোট হয়নি। কে কী অভিযোগ করল তা আমার জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly: কর্নাটকে বিদ্যুতের দাম বাড়ল একলপ্তে ৭০ পয়সা, কংগ্রেস রাজত্বে কি দুঃসময়?

    Karnataka Assembly: কর্নাটকে বিদ্যুতের দাম বাড়ল একলপ্তে ৭০ পয়সা, কংগ্রেস রাজত্বে কি দুঃসময়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ফল প্রকাশ হয়েছে কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচনের। বিধানসভার ২২৪টি আসনের মধ্যে ১৩৬টিতে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস (Congress)। যদিও ম্যাজিক ফিগার ১১৩। কংগ্রেস জয়ী হলেও, এখনও মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবেন, তা ঠিক হয়নি। শোনা যাচ্ছে, দলের ওবিসি নেতা সিদ্দারামাইয়েকই বসানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী পদে। সেক্ষেত্রে চটে যেতে পারেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি কে শিবকুমার। তাই ৩ জনকে উপমুখ্যমন্ত্রী করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে কংগ্রেসেরই একটি সূত্রের খবর।

    কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly)…

    ক্ষমতায় আসতে চলেছে যে কংগ্রেস, সেই দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আবহে কর্নাটকবাসীর জন্য এল আরও একটি খারাপ খবর। এক লপ্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ল ইউনিট পিছু ৭০ পয়সা। গত এক দশকের মধ্যে সর্বাধিক। শনিবার ভোটের ফল বেরনোর পর পরই কর্নাটক (Karnataka Assembly) বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের তরফে ইউনিট পিছু ৭০ পয়সা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম ৭০ পয়সা বাড়ায় মাথায় হাত মধ্যবিত্তের। কারণ এতদিন যে ব্যক্তি মাসে বিদ্যুতের বিল দিতেন ১৫০০ টাকা, নয়া হারে তাঁকে গুণতে হবে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

    কর্নাটক বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে বিদ্যুতের ইউনিট পিছু ৭০ পয়সা শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবটি ১ এপ্রিল,২০২৩ সাল থেকেই কার্যকর করার কথা বলা হয়। কিন্তু এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়নি। বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগের দিন শুক্রবার এ ব্যাপারে সম্মতি দেয় কর্নাটক বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাগুলি ইউনিট পিছু ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া? কর্নাটকে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলাতে ৩ উপমুখ্যমন্ত্রী!

    কর্নাটক বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি কাঁচামালের দাম ও পরিবহণ খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণেই বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। কর্নাটক বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে ৪,৪৫৭.১২ কোটি টাকা। সেই ঘাটতি পূরণ করতেই সমস্ত ক্ষেত্রে বিদ্যুতের শুল্ক ইউনিট পিছু ৭০ পয়সা বাড়ানোয় সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share