Blog

  • Suvendu Adhikari: অস্তিত্বহীন দলের নোটিশ অবৈধ! পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অস্তিত্বহীন দলের নোটিশ অবৈধ! পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দলের তকমা পুনরায় ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী চারবার ফোন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই দাবিকে অপপ্রচার বলে তাঁর কাছে বুধবার আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। বুধবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তাঁর আইনজীবী মারফত সেই নোটিসের জবাব দিলেন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী সরাসরি নোটিশের বৈধতাকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন। লিখেছেন, ‘‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নামে কোনও দল এখন নেই। তৃণমূল নামে আঞ্চলিক একটি দল রয়েছে। তাই অস্তিত্বহীন কোনও সংগঠনের তরফে এমন নোটিস পাঠানোই যায় না!’’ আইনের দৃষ্টিতে এই নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে শুভেন্দুর আইনজীবী সূর্যনীল দাস অবিলম্বে সেটি প্রত্যাহারও করতে বলছেন। শুধু তাই নয় নোটিস প্রত্যাহার করা না হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে জবাবি চিঠিতে। পাশাপাশি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানহানির যে অভিযোগ তাঁর মক্কেল শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ডেরেক তুলেছিলেন, তা ‘ভিত্তিহীন’ বলেছেন শুভেন্দুর আইনজীবী।

    ঘটনাক্রম…

    প্রসঙ্গত, যোগ্যতা শর্ত পূরণ না করতে পারার কারণে জাতীয় দলের তকমা চলে তৃণমূলের। এরপর পরই সিঙ্গুরের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, তৃণমূল সর্বভারতীয় তকমা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি চারবার অমিত শাহকে ফোন করেন এই তকমা ফিরিয়ে দেওয়া আরজি জানান। কিন্তু অমিত শাহ জানিয়ে দেন তা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা। বিরোধী দলনেতা তা প্রমাণ করতে পারলে তিনি পদত্যাগ করবেন। তখনই তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, নোটিশ পাঠান। নোটিসে বিরোধী দলনেতার সিঙ্গুরের মন্তব্য তুলে দিয়ে ডেরেক লেখেন,’আমাদের দলের চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর। জনসমক্ষে এই ধরনের অসত্য করা বলে আমাদের দলের ভাবমূর্তিকে আপনি নষ্ট করতে চেয়েছেন।’
     পরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বলেন, কথোপকথনের রেকর্ডিং সামনে আনলেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু তা সম্ভব নয় প্রোটোকলের কারনেই। শুভেন্দু এও জানান, মামলা কোর্ট অবধি গেলে ভালই হবে, তখন কোর্ট সংশ্লিষ্ট টেলিকম সংস্থাগুলির কাছে  এই কথোপকথনের রেকর্ড চাইবেন। সর্বসমক্ষে প্রমাণ হবে সবটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tweet War: ‘‘কীভাবে কাজ হয় জানুন’’! অভিষেককে গিরিরাজের দায়িত্বের ‘পাঠ পড়ালেন’ সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    Tweet War: ‘‘কীভাবে কাজ হয় জানুন’’! অভিষেককে গিরিরাজের দায়িত্বের ‘পাঠ পড়ালেন’ সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-এর চিঠি নিয়ে শুরু হয়েছে ট্যুইট-যুদ্ধ। নিজে মন্ত্রী হয়েও কোন দফতরে তৃণমূলের চিঠি পাঠানোর কথা বললেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিং? এই প্রশ্ন তুলে ট্যুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।  কিন্তু আসলে গিরিরাজ একই সঙ্গে দুটি মন্ত্রক সামলান তাই তাঁর জবাবে কোনও ভুল নেই। নিয়ম মেনেই চিঠি সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। ট্যুইট করে মন্ত্রীর দায়িত্ব রীতিমতো ছকের আকারে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট বার্তায় তৃণমূলকে প্রশাসনিক নিয়ম-নীতির পাঠ নিতে বলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    ট্যুইট-যুদ্ধ

    একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনা খাতে বাংলায় বকেয়া পাওনা চাইতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ে সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হয়নি। এরই মাঝে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন মন্ত্রী। সেখানে লেখা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করা হচ্ছে।’ গিরিরাজের ওই চিঠি নিয়ে ট্যুইটে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, আপনি নিজেই যদি সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী হন, তা হলে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করলেন কাকে?

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

    শুভেন্দুর ট্যুইট 

    অভিষেকের ওই টুইট মেনশন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আবার ট্যুইটে (tweet war) লিখেছেন, অর্ধশিক্ষিত বারো ক্লাস পাশ ভাঁড়েরা চিঠির মানে বোঝেনি। গিরিরাজ সিং দুটি দফতরের মন্ত্রী। গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ। উনি সংশ্লিষ্ট দফতরকে চিঠিটা পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    সুকান্তর ট্যুইট 

    অভিষেকের এই ঠাট্টার জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিষেকের টুইট বার্তাকে রিটুইট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘এনডিএ সরকারের মন্ত্রীরা তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আলাদা। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দেখাশোনা করা মন্ত্রীরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলিকে কর্তব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেন। যেহেতু ‘জামির লেন-কা আমির বাবু’র লেটারহেডে চাকরির সুপারিশ দেখতে অভ্যস্ত, তাই এটা তাঁর কাছে হিব্রু বলে মনে হচ্ছে।’

  • Poonch Terror Attack: ইফতারের ফল নিয়ে যাচ্ছিলেন নিহত জওয়ানরা! ইদ পালন হচ্ছে না কাশ্মীরের এই গ্রামে

    Poonch Terror Attack: ইফতারের ফল নিয়ে যাচ্ছিলেন নিহত জওয়ানরা! ইদ পালন হচ্ছে না কাশ্মীরের এই গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে খুশির ইদ। অথচ, কাশ্মীরের সাঙ্গিওতে গ্রামের বাসিন্দারা উৎসব পালনে না জানিয়ে দিয়েছেন। চারদিকে যেখানে উৎসবের রোশনাই, সেখানে এই গ্রাম ডুবে গিয়েছে শোকের অন্ধকারে। বৃহস্পতিবার, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে (Poonch Terror Attack) ভারতীয় সেনার ট্রাকে হামলা চালিয়ে পাঁচ সেনা জওয়ানকে হত্যা করে জঙ্গিরা। হামলার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শোকে মুহ্যমান গোটা গ্রামে বিষাদের সুর।

    ইফতারির ফল নিয়ে যাচ্ছিলেন জওয়ানরা

    না, জঙ্গিহানায় (Poonch Terror Attack) রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের যে ৫ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল, তাঁরা কেউ এই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন না। কিন্তু, সেইদিন সেনার তরফে ইফতারি পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল গ্রামে। তাতেই যোগ দেওয়ার কথা ছিল ওই জওয়ানদের। তাঁরা ওই গ্রামের মানুষদের জন্যই ওই ট্রাকে করে ইফতারের ফল-মিষ্টি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই ৫ জওয়ানকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রোজা শেষে যাতে ফল-মিষ্টি মুখে দিতে পারেন গ্রামের মানুষ, সেই জন্য ট্রাকবোঝাই করে বালাকোটের বাসুনির রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের হেডকোয়ার্টার থেকে জিনিস নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

    কোথায় হয় হামলা?

    সেনা ট্রাক ভিমবার গলি দিয়ে যাওয়ার সময়েই আতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা (Poonch Terror Attack)। অনুমান, গুলি চালাতে চালাতেই আচমকা গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। ট্রাকের গায়ে গিয়ে লাগে গ্রেনেড। দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। ভেতরেই ঝলসে মৃত্যু হয় পাঁচ জওয়ানের। শহিদ জওয়ানদের নাম – হাভিলদার মনদীপ সিং, সিপাই হরকৃষণ সিং, ল্যান্সনায়েক কুলবন্ত সিং, সিপাই সেবক সিং, ল্যান্সনায়েক দেবাশিস। 

    আরও পড়ুন: হামলা চালিয়েছিল সাত জঙ্গি! পুঞ্চে সেনার ট্রাকে হামলার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈবা?

    কী বললেন গ্রাম প্রধান?

    ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন গ্রামের প্রধান মুখতিয়াজ খান সহ অনেকেই। হামলার (Poonch Terror Attack) খবরে অনুষ্ঠান বাতিল হয়। প্রধান মুখতিয়াজ বলেন, ‘‘যেখানে আমাদের পাঁচ জওয়ান শহিদ হয়েছেন সেখানে কি ইফতার আর কি ইদ। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে গ্রামের মানুষরা এই হামলার খবর পেতেই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।’’

     

  • SSC Scam: তাপস সাহা ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে সিবিআই! জানেন কে তিনি?

    SSC Scam: তাপস সাহা ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে সিবিআই! জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। শনিবার সকালে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একটি দল। সূত্রের খবর, ইতি স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য। আজ, শনিবার সকালেই আসতুল্লানগরে ওই তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই গোয়েন্দারা। ইতি তৃণমূল কংগ্রেসের তেহট্ট এক নম্বর ব্লকের সভাপতি। এদিন সিবিআই টিম তাপসের বাড়ি থেকে চলে যায় তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক প্রবীর কয়ালের বাড়িতে। প্রবীরের হাওড়ার বাড়িতে শুক্রবার গিয়েছিল সিবিআই। শনিবার যায় তেহট্টের বাড়িতে। তারপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি যায় ইতি সরকারের বাড়িতে।

    কে এই ইতি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ইতি সরকার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেসের তেহট্ট এক নম্বর ব্লকের সভাপতি। স্থানীয় একটি স্কুলে চাকরি করেন।  সরকারি ওই স্কুলের পোশাক সরবরাহ এবং পোশাক তৈরির কাজের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এই এতকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে থাকার জন্যই সিবিআইয়ের নজর পড়েছে নেত্রীর উপর। তাই তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ বলেই ইতি সরকারের বাড়িতে তল্লাশি করতে যান সিবিআই অফিসাররা। এখান থেকে কোনও লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায় কিনা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    সূত্রের খবর, তদন্তে একাধিকবার উঠে এসেছে তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের নাম। সিবিআইয়ের দাবি, ইতি একাই ১৩টি সরকারি স্কুলে ইউনিফর্ম বিলির বরাত পান, একইসঙ্গে ওই স্কুলগুলিতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণও দিতেন ইতি। তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে প্রভাব খাটিয়ে তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারকে সরকারি স্কুলে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে সিবিআই। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, পারিবারিক অনুষ্ঠান হলে ইতির বাড়িতে আসতেন বিধায়ক তাপস সাহা। প্রবীর কয়ালের বাড়িতে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। এখন দেখার ইতির বাড়িতে তল্লাশিতে কখন ইতি টানে এজেন্সি। শনিবার তাপসের পুত্র সাগ্নিককেও বেঙ্গালুরুতে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই-এর একটি দল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত, জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    SSC Scam: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত, জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রে (SSC Scam) চাকরি বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা করেছেন অনেকে। শুধু শিক্ষা নয়, চাকরি বিক্রি হয়েছে পুরসভা, দমকল থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে। চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক ঠিক কত? তা জানতে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত  নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) কত টাকা মিলেছে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্টে সেই রিপোর্ট পেশ করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। 

    ইডির রিপোর্ট

    ইডির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের সম্পত্তির হিসেব। ইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ৪৯ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৫ কোটি আট হাজার টাকা মূল্যের সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরবর্তী ক্ষেত্রে আরও ৪৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে, যা অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামে ছিল।

    আরও পড়ুন: ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    মানিকের সম্পত্তি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাবি, তদন্তে জানা গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই  বিপুল সম্পত্তি গুলির মালিক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সম্পত্তি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং কিছু অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে রেখেছিলেন। রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, মানিক ভট্টাচার্য একাই প্রায় ২৯ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে আরও সাত কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তির হদিশ পাওয়া যায় যা মানিক ভট্টাচার্য এবং তাঁর পরিবারের নামে ছিল।

    আরও পড়ুন: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    দুর্নীতির টাকা নানা জায়গায়

    দুর্নীতির বহর যেভাবে প্রতিদিন প্রকাশ্যে আসছে তাতে যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল বাস্তবে তার দ্বিগুণ হতে পারে। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকা বাংলা চলচ্চিত্র জগতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনোদন জগতের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যাক্তিকে জেরা করে এমন তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাজ্যের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি ইডির। আদালতে ইডি জানায়, এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র নগদেই ১১১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam:  ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    SSC Scam: ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসা সিবিআই আধিকারিকরাও না কি তাঁকে এমনটা বলেছেন, দাবি তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার। কাঁদতে কাঁদতেই তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হলেও তিনি দল ছাড়বেন না। মোকাবিলা করবেন রাজনৈতিক ভাবে।

    রাজনৈতিক চক্রান্ত

    শুক্রবার বিকেল থেকে বিধায়কের বাড়িতে শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি অভিযান। একটানা জিজ্ঞাসাবাদ চলে তৃণমূল বিধায়কের। বাড়ি থেকে কার্যালয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রাতভর তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। শনিবার সকালে বেরিয়ে যান আধিকারিকরা। নথি সংগ্রহের জন্য বিধায়কের বাড়িতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার নিয়ে গিয়েছিল সিবিআই। প্রচুর নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তল্লাশি শেষে তাপস সাহার অভিযোগ,‘আমি চক্রান্তের শিকার’, কার চক্রান্ত? তাপস বলেন, ‘বিজেপিও চক্রান্ত করেছে, তৃণমূলও করেছে। আমি লড়াই করা মানুষ। দল ছাড়ব না। এটাকেই তো রাজনীতি বলে। যাঁরা চক্রান্ত করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে।’ দলের কেউ কেউ যে তাঁর নাম বলেছেন, সে কথা নাকি শোনা গিয়েছে সিবিআই-এর মুখেও। তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত দল তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। দলের কোনও নেতা কথাও বলেননি তাঁর সঙ্গে।  

    তদন্তে সহযোগিতা

    তৃণমূল বিধায়কের কথায়, ‘তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। প্রয়োজনে যা জানতে চাইবেন তাই বলব।’ তবে তাঁর দু’টি ফোন এবং তাঁর ছেলের কিছু নথি সিবিআই আধিকারিকরা সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন বলেও তাপস জানিয়েছেন। নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁর স্কুলশিক্ষিকা ভাইঝিরও কিছু নথি। সেই প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘‘আমি সম্পূর্ণ ভাবে সহযোগিতা করেছি সিবিআইকে। আমার দু’টো ফোন নিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলের কাগজ নিয়ে গিয়েছে। আমার মেজ দাদার মেয়ের নথি নিয়ে গিয়েছে। আমার মেজ দাদার মেয়ে নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    দল প্রসঙ্গে তাঁর মত,’রাজ্যের নেতারা নামেই নেতা। মমতা-অভিষেক ছাড়া কাউকে বলে লাভ হয় না। তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্বকে বলে লাভ হয় না। মমতা-অভিষেকের কাছে চিঠি পাঠালেও পৌঁছয় না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় দুর্নীতি করেননি। মানিক ভট্টাচার্য করেছেন। দলের পরিস্থিতি ভালো না। ৪ বছরে টিনা সাহা ৪০ কোটির মালিক হয়েছেন।’ এমনকি তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক এও বলেন যে, ‘মানুষের সবসময় দিন সমান যায় না। টাকা পয়সা ধার করতে হয়। আমিও করেছি। সবার শোধ করতে পারিনি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে ১৪ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের শেষে তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) প্রসঙ্গে তাপস সাহাকে (Tapas Saha) শুক্রবার বিকেল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে বেরোন কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। কিন্তু তেহট্ট ছাড়েনি সিবিআই। বরং এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এরপর ফের তাপসের বাড়িতে যেতে পারে সিবিআই-এর দল।

    রাতভর তল্লাশি

    শুক্রবার বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে নদিয়ার তেহট্টে তাপসের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। বাড়ি লাগোয়া দলীয় কার্যালয়ে প্রথমে ঢোকেন তদন্তকারীরা। তারপর যাওয়া হয় তাপসের বাড়িতে। রাতে তাপসকে সঙ্গে নিয়ে বেতাইয়ের ডক্টর বি.আর.আম্বেদকর কলেজে তল্লাশি চালাতে যায় সিবিআই। কলেজের কোষাধক্ষ্য সহ মোট চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপর ফের তাপসের বাড়িতে আসে সিবিআই। রাতভর চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তাপস সাহার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়েও তল্লাশি চালায় সিবিআই। শুক্রবার যেখানে কিছু নথি পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে সেই ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পোড়া নথির বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে সিবিআই। তাপসের বিধানসভা এলাকার দুই ঘনিষ্ঠ মিঠু শাহ এবং মলয় বিশ্বাসকে নিয়েও বিধায়ককে একাধিক প্রশ্ন করা হয়। সিবিআইয়ের ১২ জন অফিসারের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য উদ্ধার হলে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    কী মিলল

    রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৬৮টি নথি উদ্ধার করেছে সিবিআই। তবে সেগুলি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। আগের নথি নাকি নতুন তা খতিয়ে দেখছেন অফিসাররা।তাপসের দুটি ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রবীর কয়ালের বাড়িতেও অভিযান চালায় সিবিআই। প্রবীরের বাড়ি ছাড়াও তাঁর দু’জন পরিচিতের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকেরা তল্লাশি শেষে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নথি এবং মোবাইল ফোন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি পেল রাজ্যবাসী। অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে হাওয়া অফিস সূত্রে (Weather report)। গতকালই দেখা মিলেছে বৃষ্টির। আজও রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।  গত সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছিল। সঙ্গে বইছিল লু। দুপুরের পর রাজ্যের পথ ঘাট জনশূন্য হয়ে যাচ্ছিল। বৃষ্টির কোনও আশা দেখাতে পারছিল না আবহাওয়া দফতর(Weather report)। তবে এবার হাওয়া বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমি ঝঞ্ঝাই দিল গরম থেকে মুক্তি। মঙ্গলবার পর্যন্ত, রাজ্যের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালই কিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। মার্চে গরম থেকে রেহাই দিয়েছিল একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এ বারও ত্রাতা তেমনই একটি ঝঞ্ঝা। মেঘ-বৃষ্টির হাত ধরে ৩-৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে, আশ্বাস হাওয়া অফিসের। কলকাতার সমেত দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    গতকাল বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়

    কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকেই মুখভার করে ছিল আকাশ। পরে শুরু হয় স্বস্তির বৃষ্টি। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল গরমে হাঁসফাঁস করেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছিল। তবে, আর নয়,আপাতত ইতি তাপপ্রবাহে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি। উত্তরের জেলাগুলিতেও রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    আজ ভোরেও বৃষ্টি

    ভোরে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি। তবে, পরিমান খুবই কম। তবে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি। ডুয়ার্সের একাধিক এলাকায় ঝড়, সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। মালবাজার, নাগরাকাটা, চামুর্চি এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। কিছু অংশে চলবে তাপপ্রবাহ। অন্য়দিকে কিছু অংশে বজ্রবিদ্য়ুৎ সহ বৃষ্টি হবে। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আর তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকবে না। রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা ঝোড়ো হাওয়া, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে শুক্রবার ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য সরকার। যদিও বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠক পুরোপুরি ব্যর্থ। এদিন বৈঠকে হাজির ছিলেন যৌথ মঞ্চের ছয় প্রতিনিধি। রাজ্য সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা এবং অর্থসচিব মনোজ পন্থ। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থের সংস্থান হলে বকেয়া ডিএ (DA) দিয়ে দেওয়া হবে।

    ডিএ (DA) নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ…

    আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের কাছে যথেষ্ঠ তহবিল থাকলেও, ডিএ নিয়ে গড়িমসি করছে তারা। বৈঠক নিষ্ফলা হওয়ায় ধর্না মঞ্চে ফিরে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন। মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী দিনে আরও জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের তরফে আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যের তরফে সব বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা আটকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা তথ্য দিয়ে দেখিয়েছি, রাজ্যে তহবিলের অভাব নেই। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সবটা দেখানোর পরেও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি মুখ্যসচিব। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ মে কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নবান্নে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক হয় রাজ্যের। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা ৩৬ শতাংশ হারে যে ডিএ (DA) চেয়েছিলেন, সরকার তা দিতে রাজি নয়। এর পরেই ফের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আন্দোলনকারীরা। ৬ মে মহামিছিলে কাজ না হলে ফের একবার ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এতদিন কেবল বকেয়া ডিএর দাবিতেই আন্দোলন হচ্ছিল। এবার তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হল শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিও।

    প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল ডিএ নিয়ে রাজ্য কর্মচারি সংগঠন ও রাজ্যকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যকে বৈঠক ডাকতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন হয়েছে বৈঠক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • SSC Scam: ‘শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছে রাজ্য’! হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবন অভিযান এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের

    SSC Scam: ‘শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছে রাজ্য’! হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবন অভিযান এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বঞ্চনায় ভেঙে গেছে শিরদাঁড়া, দাবি শুধু স্বসম্মানে বাঁচার। হকের চাকরির দাবিতে শুক্রবার দুপুরে হামাগুড়ি দিয়েই রাজভবনের পথে এসএসসি (SSC) চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির (SSC Scam) অভিযোগে কার্যত জেরবার রাজ্য সরকার। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ৭৬৮দিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন করছেন। মামলার পর মামলা হয়েছে, তারপরও সুরাহা হয়নি তাঁদের। সরকারের আশ্বাস হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে। এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দ্বারস্থ হলেন বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা।

    রাজভবন অভিযান

    এই প্রবল তাপপ্রবাহে তপ্ত পিচের মধ্যেই হাত, পা ঘষে এদিন রাজভবনের দিকে এগোতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। হামাগুড়ি দিয়ে কিছুটা এগোনোর পরই পুলিশ গাড়িতে তুলে নেয় চাকরি প্রার্থীদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই তল্লাটে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। এভাবে হামাগুড়ি দিয়ে বা হেঁটে মিছিল করে যাওয়া যাবে না। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকার কোনওভাবেই তাঁদের নিয়োগ দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে হস্তক্ষেপ করুন। ৯-১০ বছর ধরে রাস্তায় বসে রয়েছেন তাঁরা, অথচ টাকা দিয়ে চাকরি করছেন অযোগ্যরা (SSC Scam)? এই প্রশ্ন তুলেই রাজভবনের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    চাকরিপ্রার্থীদের দাবি

    আন্দোলনকারীদের ১১টি সংগঠন একসঙ্গে এদিন রাজভবন যায়। প্রশাসন পথ আটকালে বাধ্য হয়ে পুলিশের গাড়িতে করে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের ১১ জনের এক প্রতিনিধিদল রাজভবনে যায়। এদিন রাজ্যপাল না থাকায় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের। রাজ্যপালের সচিবের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে স্মারকলিপি দিয়ে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। পরে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, বহুদিন ধরে তাঁরা মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার জন্য বহুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁরা কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাননি।  তাঁদের প্রশ্ন, আর কতদিন জলে ভিজে, রোদে পুড়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন? এরপর যদি কোনও আন্দোলনকারী জীবন বিসর্জন দেন, তার দায় কি মুখ্যমন্ত্রী কিংবা রাজ্যপাল নেবেন। চাকরিপ্রার্থীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চেয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। যত শীঘ্র সম্ভব তাঁরা নিজেদের প্রাপ্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে চান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share