Blog

  • Virat-Ronaldo: “তুমিই আমার কাছে সর্বকালের সেরা…”, রোনাল্ডোকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা বিরাটের

    Virat-Ronaldo: “তুমিই আমার কাছে সর্বকালের সেরা…”, রোনাল্ডোকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা বিরাটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন পূরণ হল না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। ফলে এর সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্নও শেষ হয়ে গিয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। দলের হারে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন CR7। আর একরাশ দুঃখ নিয়ে মাঠ ছাড়ার কষ্ট কোথাও যেন ক্রিকেট আর ফুটবলকে এক করে দিয়েছে। কারণ রোনাল্ডোর এমন কঠিন দিনে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রোনাল্ডোকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলে এক আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন বিরাট (Virat-Ronaldo)।

    রোনাল্ডোকে নিয়ে বিরাটের আবেগঘন বার্তা

    মেসি এবং নেইমারকে পছন্দ করলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বিরাট কোহলির কাছে ‘সেরা ফুটবলার’ (Virat-Ronaldo)। রোনাল্ডোর বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর চোখের জল ফেলেছেন কোটি কোটি রোনাল্ডো ভক্ত। আর তাঁদের মধ্যে বিরাট কোহলিও একজন। ফলে তিনি রোনাল্ডোর এই কঠিন সময়ে পাশে থেকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “তুমি এই খেলাটার জন্য যা করেছ, গোটা বিশ্বের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য যা করেছ, কোনও ট্রফি দিয়ে সেটা পরিমাপ করা যায় না। মানুষের উপর তোমার প্রভাব যে কতটা, তা কোনও শিরোপা দিয়ে বর্ণনা করা যায় না। আমি এবং আমার মত অজস্র মানুষ তোমায় খেলতে দেখলে কী অনুভব করি, সেটাও কোনও শিরোপা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না। তুমি ঈশ্বরের দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। যে মানুষটা নিজের সবটা খেলার মাঠে নিংড়ে দিতে পারে, যে মানুষটা হৃদয় দিয়ে খেলে, সেই মানুষটা বিশ্বের সব ক্রীড়াবিদের অনুপ্রেরণা, এটাই তাঁর জন্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ।” কোহলি তাই নির্দ্বিধায় বলেছেন, “ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, তুমিই আমার কাছে সর্বকালের সেরা।”

    রোনাল্ডোর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট

    অন্যদিকে রবিবার, রোনাল্ডোও ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তায় লিখেছিলেন, কাতার বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগাল বাদ পড়ার পরে স্বপ্ন শেষ হয়েছে তাঁর। তিনি আরও লিখেছেন, “পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাটা ছিল আমার কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী স্বপ্ন। পর্তুগালের জন্য অনেক আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছি। কিন্তু বিশ্বকাপ জিততে পারিনি। অনেক আশা নিয়ে কাতারে এসেছিলাম। যাতে আমার শেষ বিশ্বকাপে অধরা স্বপ্ন পূরণ করতে পারি। কিন্তু তা আর হল না। একরাশ স্বপ্ন অধরা থেকেই বিদায় নিতে হল।”

    রোনাল্ডো ও বিরাট দুই’ই ফুটবল ও ক্রিকেট জগতের বিশেষ এক নাম। রোনাল্ডোর মতই বিরাটেরও আইসিসি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছে এবার। ফলে রোনাল্ডোর এক বড় ভক্ত হওয়ার পাশাপাশি স্বপ্ন অধরা থাকার যন্ত্রণা উপলব্ধি করতে পেরে বিরাটও তাঁর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। ফলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই আবেগে ভরা ট্যুইট করে ভাসালেন তিনি (Virat-Ronaldo)।

  • Gold Smuggling: বর্ধমান স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকার সোনা, গ্রেফতার ২

    Gold Smuggling: বর্ধমান স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকার সোনা, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে বর্ধমানে ট্রেন থেকে উদ্ধার বিপুল টাকার সোনা (Gold Smuggling)। আরপিএফ এবং ডিআরআই- এর যৌথ অভিযানে দুটি দূরপাল্লার ট্রেন থেকে মোট ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার হল। সোনা পাচার করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে দুজনকে।

    কী ঘটেছিল? 

    কলকাতার ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ এর তরফ থেকে রেল পুলিশকে জানানো হয়, দুটি দূরপাল্লার ট্রেনে করে বিপুল পরিমাণ সোনা পাচারের চেষ্টা চলছে। এরপরেই শিয়ালদহ থেকে ছাড়া আপ শিয়ালদহ-অমৃতসর জালিয়ানওয়ালাবাগ এক্সপ্রেস বর্ধমান স্টেশনে এসে দাঁড়াতেই তাতে তল্লাশি চালাতে শুরু করেন আরপিএফ এবং ডিআরআই এর আধিকারিকরা। সেখান থেকে পিঠের ব্যাগে রাখা ১ কেজি ওজনের সোনার বাটসহ (Gold Smuggling) এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    পরে হাওড়া থেকে ছাড়া হাওড়া-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসেও অভিযান চালানো হয়। সেই তল্লাশিতে ১ কেজি ওজনের ২টি সোনার বাট (Gold Smuggling) উদ্ধার হয়। এই ঘটনাতেও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরপিফ- এর তরফে জানানো হয়েছে, কোমরে আটকানো কাপড়ের তৈরি বেল্টের ভিতর সোনার বাটগুলি লুকিয়ে রেখেছিল পাচারকারী। দুটি ট্রেন থেকে মোট তিন কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। সোনার বাটগুলি সবকটিই বিদেশে তৈরি বলে জানা গিয়েছে। আটক করা দুজনকেই কলকাতায় নিয়ে এসেছে ডিআরআই-এর একটি বিশেষ দল। কোথা থেকে সোনার বাটগুলি কোথায় পাচার করার চেষ্টা চলছিল তা এখনও জানা যায়নি। 

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষে সোনাপাচারের (Gold Smuggling) অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূল নেতার ছেলে। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ছেলের সঙ্গে শ্যালককেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের ছেলে এবং শ্যালককে গ্রেফতার করে ডিআরআই। ৪ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয় সেবার। মামলায় তৃণমূল নেতার শ্যালককেও জেরা করা হয়। রাজধানী এক্সপ্রেসে সোনা পাচারের চেষ্টা বানচাল করে পুলিশ। তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যের ছেলে ও শ্যালকই সোনাপাচারের ‘কিং পিন’ বলে দাবি ডিআরআই- এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
     

  • Narendra Modi: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    Narendra Modi: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর গোয়া সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্ধ্যা নাগাদ তিনি পৌঁছে গোয়াবাসীকে এক ঝাঁ চকচকে বিমানবন্দর উপহার দিলেন। কর্মসূচি অনুযায়ী, এদিন উত্তর গোয়ার মোপায় এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রথম ধাপ উদ্বোধন করলেন তিনি। এদিন তাঁর উপস্থিতিতেই এই বিমান বন্দরের নামকরণও করা হল। গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিকরের নামে নামকরণ করা হয়েছে এই বিমানবন্দরের। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। গোয়ার রাজধানী পানাজি থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে এই মনোহর পারিকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

    মনোহর পারিকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

    এই বিমানবন্দর হবে গোয়ার দ্বিতীয় বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) ২০১৬ সালে স্থাপন করেছিলেন। ২৮৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি পণ্য পরিষেবাগুলিও পূরণ করবে। যেখানে ডাবোলিম বিমানবন্দরটি ১৫টি অভ্যন্তরীণ এবং ৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে। সেখানে এই বিমানবন্দরের মাধ্যমে ৩৫টি অভ্যন্তরীণ এবং ১৮টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। ফলে মোপা বিমানবন্দরটি ডাবোলিম বিমানবন্দেরর চেয়ে বেশি উন্নত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বিমানবন্দরটি ৫ জানুয়ারী থেকে চালু হবে। বিমানবন্দরটি পর্যটনের ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে। এবং গোয়ার আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রকে আরও উন্নত করবে বলে জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে বিমানবন্দরটি বছরে ৪৪ লাখ যাত্রী বহন করতে সক্ষম এবং প্রকল্পটি শেষ হলে বছরে এক কোটি যাত্রী চলাচল করতে পারবেন। ডাবোলিম বিমানবন্দরের বার্ষিক সাড়ে আট লক্ষ যাত্রীবহন ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এতে পণ্য পরিবহনের সুবিধা নেই, অন্যদিকে নতুন বিমানবন্দরে পণ্য পরিবহনের সুবিধাও রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরটি সবুজবান্ধব। এছাড়াও থ্রি-ডি মনোলিথিক প্রিকাস্ট প্রযুক্তি, ফাইভ-জির মত সেরা প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে নতুন বিমানবন্দরটি। 

    এছাড়াও এদিন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোয়ার আয়ুষ ইনস্টিটিউটের পাশাপাশি গাজিয়াবাদ ও দিল্লির আয়ুষ ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন। মহারাষ্ট্রে এদিন মোদি নাগপুর মেট্রোর প্রথম ধাপের উদ্বোধন করার পাশাপাশি নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

  • Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। ৬৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ৪০টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘হাত’-প্রার্থীরা। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসে কংগ্রেস (Congress)। ওই পদের জন্য একাধিক দাবিদার থাকলেও, শেষমেশ সিলমোহর পড়ে সুখবিন্দর সিং সুখুর (Sukhvinder Singh Sukhu) নামে। তাই তিনিই হচ্ছেন হিমাচল প্রদেশের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী (CM)।

    সুখবিন্দর…

    গ্রামের এক সম্মানীয় পরিবারে জন্ম সুখবিন্দরের। বাবা ছিলেন বাসচালক। ছোটবেলায় সুখবিন্দর দুধের কাউন্টার চালাতেন। এর মধ্যেই পড়াশোনাও করতেন। এভাবে হন ল’ গ্র্যাজুয়েট। হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন তিনি। যোগ দেন কংগ্রেস অনুমোদিত ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ায়। পরে স্টুডেন্ট-বডির সভাপতিও হন। এক দশক ধরে তিনি হিমাচল প্রদেশ যুব কংগ্রেসের প্রধান ছিলেন। পরে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান হন। ২০১৩ সাল থেকে টানা ছ বছর ওই পদে ছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে সুখবিন্দর প্রথম নাদৌন কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন। ২০১২ সালে ওই কেন্দ্রেই হেরে যান তিনি। ফের জেতেন ২০১৭ সালে। চলতি বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন তিনি।

    চারবারের বিধায়ক সুখবিন্দর (Sukhvinder Singh Sukhu)। দু বার তিনি জয়ী হয়েছিলেন শিমলা মিউনিসিপ্যাল ইলেকশনে। চল্লিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে সুখবিন্দর একাধিকবার ছ বারের মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংয়ের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়েছেন। তবে গান্ধী পরিবারের বদান্যতায় প্রতিবারই বেরিয়ে এসেছেন সমস্যা থেকে। সুখবিন্দর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ। তিনিই প্রথম রাজনীতিবিদ যিনি নামনি হিমাচল প্রদেশ থেকে সোজা গিয়ে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর তখতে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন

    জানা গিয়েছে, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুখবিন্দরের নাম চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরেই কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে অশান্তি। প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভার অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে নেমে পড়েছেন। হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে ছিলেন তিনিও। তাঁর জায়গায় সিলমোহর দেওয়া হয় সুখবিন্দরের নামে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন বীরভদ্রের ছেলে বিক্রমাদিত্য।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নাগপুরে গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন ঢোলবাদকরা। তাঁরা ঢোলও বাজাচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁদের সঙ্গে ভিড়ে যান স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই অনভ্যস্ত হাতে বাজাতে শুরু করেন ঢোল। সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার হয়েছে ট্যুইটারে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে ঢোল বাজাতে দেখা গিয়েছে। টেক্সটে লেখা, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ঐতিহ্যের স্বাগতম।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    এদিন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, নাগপুর এবং বিলাসপুরের মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা হল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ট্রেনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

    এদিন নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার যাত্রার সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি প্রথম মেট্রোয় চড়েনও। নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার উদ্বোধনে আমি নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। দুটি মেট্রোর যাত্রার সূচনা করলাম। মেট্রোয় চড়লাম। মেট্রোর যাত্রা আরামদায়ক। মেট্রো ভ্রমণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়। সে ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। এদিন নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় দফার শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চলে যাবেন গোয়া।  

     

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • PT Usha: ইতিহাস গড়ে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি হলেন পিটি ঊষা

    PT Usha: ইতিহাস গড়ে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি হলেন পিটি ঊষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে এক নতুন যুগের সূচনা করলেন পিটি ঊষা (PT Usha)। কিংবদন্তি পিটি ঊষা শনিবার ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই পদে বসেছেন তিনি। তার সভাপতি হওয়ার কথা আগেই ঠিক হয়ে ছিল। গতকাল তা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হল ও তাতে সিলমোহর দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত শীর্ষ আদালতেরই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাওয়ের তত্ত্বাবধানে গতকাল হল আইওএ নির্বাচন।

    ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি…

    ঊষা ভারতের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রীড়াবিদ (PT Usha)। ৫৮ বছর বয়সী পিটি ঊষা এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক জয়ী এবং ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে  ৪০০ মিটার হার্ডলস ফাইনালে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে এশিয়ান গেমসে ১১টি পদক জিতেছিলেন ঊষা। তার মধ্যে ছিল চারটি সোনা। ১৯৮৬ সালের সোল এশিয়ান গেমসে ২০০ মিটার, ৪০০ মিটার, ৪০০ মিটার হার্ডলসে ও ৪ X ৪০০ মিটার রিলে রেসে সোনা জিতেছিলেন তিনি। ১৯৮২ সালে দিল্লি এশিয়ান গেমসেও ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড়ে পদক জিতেছিলেন ঊষা। এরপর ঊষা ১৯৯০ সালে অবসর ঘোষণা করেছিলেন। পরের বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু ১৯৯৪ সালে ফের ট্র্যাকে ফেরেন হিরোশিমা এশিয়ান গেমসে। সেখানে তিনি রুপো জিতেছিলেন। ১৯৯৫ সালে তাঁর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়। তারপরেই ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিক্সের আগে পাকাপাকিভাবে অবসরের ঘোষণা করে দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: নেইমার থেকে রোনাল্ডো বিদায়, অঘটনের বিশ্বকাপ!

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতির পদে…

    ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে নির্বাচন ছিল ১০ ডিসেম্বর। ২৭ নভেম্বর ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার উমেশ সিনহা জানিয়েছিলেন, ঊষা ছাড়া আর কেউ সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেননি। আর কেউ মনোনয়ন জমা না দেওয়ায় ঊষা যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি হবেন তা নিশ্চিত ছিল। ফলে ২৭ নভেম্বরই ঊষাকে (PT Usha) ট্যুইটে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন কিরণ রিজিজু।

    আইওএ-র ৯৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সভাপতি পদে বসলেন কোনও অলিম্পিয়ান এবং আন্তর্জাতিক স্তরে কোনও পদকজয়ী। ভারতের হয়ে ১৯৩৪ সালে টেস্ট খেলা মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আইওএ-র শীর্ষ পদে বসেছিলেন ১৯৩৮ সালে। তৃতীয় আইওএ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার নেওয়ার পর সেই পদে ছিলেন ১৯৬০ সাল পর্যন্ত। তারপর এই প্রথম দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কোনও ক্রীড়াবিদ আইওএ সভাপতি হলেন।

    আইও-এর নির্বাচন ২০২১-এ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইওএ-এর সংঘাতের কারণে তা হয়নি। এই বছরের মধ্যে আইওএ-এর নির্বাচন না করে নতুন বোর্ড গঠন না করলে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা আইওএ-কে নির্বাসন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ফলে এবছর নির্বাচন হতেই হত। তবে পিটি ঊষা (PT Usha) সভাপতি পদে বসার সঙ্গে সঙ্গেই আইওএ-এর অন্দরের সংকটের অবসান হল বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এবারে কিংবদন্তী ক্রীড়াবিদ পিটি উষার (PT Usha) নতুন ইনিংসের দিকে তাকিয়ে পুরো ক্রীড়া মহল।

  • Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি না ফস্কা গেরো? শুরু হল প্রাইমারি টেট (Primary TET)। আজ, রবিবার গোটা রাজ্যের হাজার দেড়েক পরীক্ষা কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগের টেট হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। স্বাভাবিকভাবেই এদিন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ছিল পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয়, তাই বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। কোনও রকম ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না বলে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কেবল অ্যাডমিট কার্ড, পেন ও পরিচয় পত্র নিয়েই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা গার্ড দিচ্ছেন, তাঁদেরও প্রথমে চেকিং করে পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। টিনের বাক্সে থাকা প্রশ্নপত্র বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়।

    এদিন পরীক্ষা (Primary TET) শুরু হয় বেলা ১২টায়। পরীক্ষার্থীদের ১১টার মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। তবে যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই কোনও কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও, পরে অবশ্য দেওয়া হয়। সিল করা খামে দুটি করে ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছে এদিন। একটি শিট উত্তরপত্র হিসেবে জমা দেবেন পরীক্ষার্থীরা। অন্য শিটটি তাঁরা নিয়ে যাবেন বাড়ি।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি…

    বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। বোলপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের তরফে পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধও করেন। দ্রুত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তার পরেই উঠে যায় অবরোধ। শুরু হয় পরীক্ষা। ধূপগুড়িতে আবার ব্যাগ রাখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের কোথাও ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের তালিকা প্রকাশ পর্ষদের

    এদিকে, টেট দিতে এসে ঠিকানা বিভ্রাটের অভিযোগ উঠল কলকাতার বিষ্ণুপুর থানার পৈলানে। অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল থাকার অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের পরীক্ষা কেন্দ্র সোদপুরে। এর পরেই পুলিশের একটি ভ্যান ওই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে রওনা দেয় সোদপুরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আরও এক পদক্ষেপ নিল টাটা গ্রুপ। মনে করা হচ্ছে আগামী বছর থেকেই বিমান বহর বাড়তে চলেছে সংস্থার। সূত্রের খবর, বোয়িং-কে খুব শীঘ্রই বিশাল অঙ্কের চুক্তি দিতে পারে টাটা গোষ্ঠী। এয়ার ইন্ডিয়া মোট ৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফ্টের অর্ডার দিতে পারে। সব মিলিয়ে মোট ১৫০টি বিমান কেনার কথা ভেবেছে টাটা। বোয়িং ৭৩৭ বিমানের এই বিশাল অর্ডার নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা পাওয়ার পর থেকেই টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরিবর্তন করা হচ্ছে বিমান পরিষেবা ক্ষেত্রে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল এই চুক্তি।

    বোয়িং-এর সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আমেরিকার বিমান তৈরির কোম্পানি বোয়িং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ২০২৩ সালের মধ্যে ৫০ টি বিমান এয়ার ইন্ডিয়াকে ডেলিভারি করবে। আর আমেরিকার এই কোম্পানি প্রথম ৫০ টি বিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ফলেই এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং-এর সঙ্গে চুক্তি করতে সম্মত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া-বোয়িং চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে খবর। আর ২০২১ সালের পর থেকে বিমান প্রস্তুতকারকদের জন্য এই অর্ডারটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। প্রসঙ্গত, বোয়িং কোম্পানি ২০২১ সালে আকাশা এয়ারের কাছে ৭৫ টি বিমান বিক্রি করেছিল।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ভিস্তারা, জানিয়ে দিল টাটা সন্স

    সূত্রের খবর অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) বিমান কেনার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গেও পরে করতে পারে। কারণ এয়ার ইন্ডিয়াকে সত্যিকারের বিশ্বমানের বিমান সংস্থায় পরিণত করতে ও পরিষেবা উন্নত করতে আরও অনেক বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা গ্রুপ। কিন্তু বিমান কেনার চুক্তিটি প্রথমে বোয়িং-এর সঙ্গেই চূড়ান্ত করতে চায়, কারণ, এয়ারবাস ২০২৫ সালের মধ্যে এ৩২০ ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি।

    এয়ার ইন্ডিয়াকে উন্নত করতে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) অধিগ্রহণ করে। তারপর থেকেই দেনার দায়ে জর্জরিত সংস্থার ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন নয়া মালিকরা। এয়ার ইন্ডিয়াকে ঢেলে সাজাতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই রতন টাটার এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সঙ্গে মিশে যেতে চলেছে বিমান সংস্থা ভিস্তারা(Vistara)। আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই এই একত্রীকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে দুই সংস্থা। এছাড়াও দেশ তথা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শেয়ার বাড়াতে চাইছে এয়ার ইন্ডিয়া। আবার বিভিন্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে নতুন ব্র্যান্ড-বিল্ডিং টিমও। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে এয়ার ইন্ডিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ও নতুন রুপ দিতে টাটা গ্রুপ ব্রিটিশ ব্র্যান্ড এবং ডিজাইন কনসালটেন্সি ফার্ম ফিউচারব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছে।  বর্তমানে এভিয়েশনে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাজার দক্ষিণ এশিয়া। আর সেই বাজারেই বাজিমাত করার লক্ষ্য টাটা গোষ্ঠীর।

  • Supreme Court: মুসলিম মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Supreme Court: মুসলিম মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যান্য সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম ধর্মের মেয়েদেরও বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ বছর করা হোক। এমন আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জনস্বার্থ মামলা করল জাতীয় মহিলা কমিশন। গতকাল, শুক্রবার এই মামলাটি গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে জাতীয় মহিলা কমিশনের এই আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার এই বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাইল দেশের শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ জাতীয় মহিলা কমিশন

    ধর্ম নির্বিশেষে মহিলাদের বিবাহের একটি বয়সকেই নির্ধারণ করার দাবি জানায় জাতীয় মহিলা কমিশন। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে বিবাহের বয়স বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশন সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) একটি আবদেন করে। অন্যান্য ব্যক্তিগত আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী, একজন মহিলার ক্ষেত্রে বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর ও পুরুষের ক্ষেত্রে তা ২১ বছর। কিন্তু মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি বা মহিলা বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছলেই অর্থাৎ ১৫ বছরেই তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আর এই বিষয়েই প্রশ্ন তোলে জাতীয় মহিলা কমিশন।

    জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে এই মামলাটি করেছেন আইনজীবী গীতা লুথেরা, আইনজীবী শিবানী লুথেরা লোহিয়া এবং অস্মিতা নারুলা। আর মহিলা কমিশনের আবেদনের ভিত্তিতেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। এই মামলার প্রেক্ষিতে চার সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে কী কী জানানো হয়েছে?

    মুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৫ বছর নিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নিয়ম শুধুমাত্র স্বেচ্ছাচারী ও অযৌক্তিকই নয় বরং বৈষম্যমূলকও। এবং এটি দণ্ডবিধির বিধানকেও লঙ্ঘন করে। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছলে মেয়েদের বিয়ে হলে তা ভারতে প্রচলিত কিছু আইনের বিরোধিতা করে। যেমন- বিবাহ নিষেধাজ্ঞা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ২১ বছরের নীচে কোনও ব্যক্তি ও ১৮ বছরের নীচে কোনও কিশোরীর বিবাহ শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। আবার পকসো আইন যা ১৮ বছরের নীচে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের কোনওরকম যৌন হেনস্থা থেকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এদিকে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ধর্ষণ নিয়ে বলা হয়েছে যে, ১৮ বছরের নীচে কোনও কিশোরীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হলে সেখানে কিশোরীর সম্মতিকে বিবেচনা করা হবে না। বরং সেই যৌন মিলনকে ধর্ষণ বলেই ধরে নেওয়া হবে।

    ফলে মহিলা কমিশন এমন আবেদন এনেছেন, যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম মহিলাদের পরে কোনও সমস্যায় পড়তে হয় না। প্রসঙ্গত, এ দেশে মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ২১ বছর। তবে এখন মহিলা এবং পুরুষের বিয়ের বয়স এক করার ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা চলছে। গঠিত হয়েছে সংসদীয় কমিটি।

  • Hijab Row: প্রতিবাদী মহিলাদের বুক-যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে গুলি! প্রকাশ্যে ইরান সরকারের বর্বরতা

    Hijab Row: প্রতিবাদী মহিলাদের বুক-যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে গুলি! প্রকাশ্যে ইরান সরকারের বর্বরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে চলছে হিজাব বিরোধী আন্দোলন (Hijab Row)। আর সেই আন্দোলন কড়া হাতে দমন করছে ইরানের সরকারি বাহিনী। আর এবার এই বিক্ষোভ চলাকালীন এমন এক ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে, যা শুনলে শিউরে উঠবেন আপনি। নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, হিজাব বিরোধী আন্দোলনে মহিলা আন্দোলনকারীদের মুখ-স্তন, এমনকি যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে যে, পুরুষ বিক্ষোভকারীদের পিঠ, পেছন লক্ষ্য করে গুলি করা হলেও মেয়েদের যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে।

    কী কী অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে?

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে (Hijab Row), মহিলা আন্দোলনকারীদের গুলি করতে পেলেট বন্দুক ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠত, আর এখন সরাসরি গুলি চালিয়ে হামলা করার অভিযোগ উঠছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক চিকিৎসক মহিলাদের উপর অত্যাচারের ভয়াবহ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি বছর ২০-এর এক মহিলার চিকিৎসা করেছি, যাঁর যৌনাঙ্গে দু’টি গুলি লেগেছিল। তাঁর উরুতে আরও দশটি গুলি করা হয়েছিল। এই ১০টি গুলি সহজে বের করা গেলেও যৌনাঙ্গে লাগা গুলি বের করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। কারণ মূত্রনালি এবং যোনিপথের মাঝে গিয়ে ওই গুলি দু’টি আটকায়। ”

    কেন এভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে?

    ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসফাহান প্রদেশের ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন যে “নিরাপত্তারক্ষীরা মহিলাদের সৌন্দর্য নষ্ট করতে চায়।’ গোপনাঙ্গে আঘাত লাগলে মহিলারা হীনমন্যতায় ভুগবেন বলে সম্ভবত মনে করছে ইরানের বাহিনী। তাই এভাবে মহিলা আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে (Hijab Row)।

    কেন এই হিজাব বিরোধী বিক্ষোভ?

    গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের নীতি পুলিশের কবলে মাহশা আমিনির মৃত্যুর ঘটনার পরেই প্রতিবাদে গর্জে ওঠে ইরানের জনগণ (Hijab Row)। মাহসা-র পরিবারের দাবি, নিয়ম মেনে হিজাবে মাথা ঢেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন ২২ বছরের তরুণী। কিন্তু সেটি আলগা করে জড়িয়ে রাখা হয়েছে বলে মনে হয়েছিল নীতি পুলিশের। তাই তখনই গ্রেফতার করা হয় মাহসাকে। আর এই ঘটনার তিন দিন পরেই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশি হেফাজতে নির্মম অত্যাচার করাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ ওঠায় দিকে দিকে শুরু হয় বিক্ষোভ। দেশ জুড়ে হিজাব পরার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য রাস্তায় হিজাব পুড়িয়ে, মাথার চুল কেটে ফেলে, শাসকদলের নেতাদের ছবি পুড়িয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

    প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার, সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে (Hijab Row) অংশ নেওয়ার ‘অপরাধে’ ২৩ বছর বয়সি যুবক মহসিন শেকারিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে জানায় তেহরান প্রশাসন। সে দেশে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন ওই যুবক। এই ঘটনার জেরে সে দেশে বিক্ষোভের আঁচ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

LinkedIn
Share