Blog

  • Ramakrishna 542: “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক, অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়”

    Ramakrishna 542: “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক, অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরণ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    দ্বিজ, দ্বিজের পিতা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ — মাতৃঋণ ও পিতৃঋণ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে সেই পূর্বপরিচিত ঘরে রাখাল, মাস্টার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। বেলা তিনটা-চারিটা।

    ঠাকুরের গলার অসুখের সূত্রপাত হইয়াছে। তথাপি সমস্ত দিন কেবল ভক্তদের মঙ্গলচিন্তা করিতেছেন—কিসে তাহারা সংসারে বদ্ধ না হয়,—কিসে তাহাদের জ্ঞান-ভক্তিলাভ হয়;—ঈশ্বরলাভ হয় (Kathamrita)।

    দশ-বারো দিন হইল, ২৮শে জুলাই মঙ্গলবার, তিনি কলিকাতায় শ্রীযুক্ত নন্দলাল বসুর বাটীতে ঠাকুরদের ছবি দেখিতে আসিয়া বলরাম প্রভৃতি অন্যানা ভক্তদের বাড়ি শুভাগমন করিয়াছিলেন।

    শ্রীযুক্ত রাখাল বৃন্দাবন হইতে আসিয়া কিছুদিন বাড়িতে ছিলেন। আজকাল তিনি, লাটু, হরিশ ও রামলাল ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে আছেন।

    শ্রীশ্রীমা কয়েকমাস হইল, ঠাকুরের সেবার্থ দেশ হইতে শুভাগমন করিয়াছেন। তিনি নবতে আছেন। ‘শোকাতুরা ব্রাহ্মণী’ আসিয়া কয়েকদিন তাঁহার কাছে আছেন।

    ঠাকুরের কাছে দ্বিজ, দ্বিজর পিতা ও ভাইরা, মাস্টার প্রভৃতি বসিয়া আছেন। আজ ৯ই অগস্ট, ১৮৮৫ খ্রী: (২৫শে শ্রাবণ, ১২৯২, রবিবার, কৃষ্ণা চতুর্দশী)।

    দ্বিজর বয়স ষোল বছর হইবে। তাঁহার মাতার পরলোকপ্রাপ্তির পর পিতা দ্বিতীয় সংসার করিয়াছেন। দ্বিজ—মাস্টারের সহিত প্রায় ঠাকুরের কাছে আসেন,—কিন্তু তাঁহার পিতা তাহাতে বড় অসন্তুষ্ট।

    দ্বিজর পিতা অনেকদিন ধরিয়া ঠাকুরকে দর্শন করিতে আসিবেন বলিয়াছিলেন। তাই আজ আসিয়াছেন (Kathamrita)। কলিকাতায় সওদাগরী অফিসের তিনি একজন কর্মচারী—ম্যানেজার। হিন্দু কলেজে ডি. এল. রিচার্ডসনের কাছে পড়িয়াছিলেন ও হাইকোর্টের ওকালতি পাস করিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (দ্বিজর পিতার প্রতি)—আপনার ছেলেরা এখানে আসে, তাতে কিছু মনে করবে না।

    “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক। অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়, সে মাটির ভিতর রাখতে পারে—বাক্সের ভিতরও রাখতে পারে, জলের ভিতরও রাখতে পারে—সোনার কিছু হয় না।

  • Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় (Syria) শুক্রবারের নামাজের সময় মসজিদে এক বোমা হামলায় ৮ জন নিহত, ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও মাত্র একবছর আগে কট্টর ইসলামপন্থীরা এই দেশের ক্ষমতা দখল করেছিল। এরপর থেকে এটি একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ (Bomb blast)। জুন মাসে দামাস্কাসের একটি গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৫ জন নিহত হবার ঘটনা ঘটেছিল। কট্টরপন্থীদের সরকার এলেও শান্তিতে নেই সিরিয়া।

    হোমস সাম্প্রদায়িকতার কেন্দ্রবিন্দু (Syria)

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, হোমস শহরের (Syria) ওয়াদি আল-দাহাব পাড়ায় ইমাম আলী বিন আবি তালিব মসজিদের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ (Bomb blast) ঘটেছে। ওই দেশের স্বাস্থ্য দফতর সব রকম সুবিধা পৌঁছে দিতে ঘটনাস্থলে ডাক্তার এবং মেডিক্যাল টিমকে সতর্ক করেছে। প্রাথমিক ভাবে কমপক্ষে আটজন নিহত এবং ১৮ জন আহতের সংখ্যা জানা গিয়েছে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুম্মার নামাজের সময় মসজিদটিকে লক্ষ্য করে একটি সন্ত্রাসী বিস্ফোরণ হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের আবহ যখন চরমে ছিল, সেই সময় হোমস ছিল তীব্র সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একেবারে কেন্দ্রবিন্দু।

    পুঁতে রাখা বিস্ফোরকে বিস্ফোরণ

    সানা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে মসজিদের (Syria) ভেতরে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইসের কারণেই বিস্ফোরণটি (Bomb blast) ঘটেছে। এলাকার একজন বাসিন্দা, নিজের নিরাপত্তার ভয়ে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “প্রথমে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পরে আশেপাশের সকলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার কেউ বাড়ি থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে না এবং আমরা অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শুনতে পাচ্ছি।”

    ২০২৪ সালে আসাদের পতনের পর থেকে হোমস প্রদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনা বার বার সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। গত মাসের শেষের দিকে, হোমস এবং অন্যান্য অঞ্চলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নতুন করে হামলার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ আলাউইট উপকূলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল।

    জাতীয় তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গত একবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ১,৪২৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে। আবার সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস পর্যবেক্ষণকারীরা নিহতের সংখ্যা ১,৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে।

  • Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো নারকীয় ঘটনা গোটা বিশ্বে গভীর ভাবে দাগ কেটে গেছে। কট্টর মৌলবাদীরা এই হিন্দু যুবকের পোড়া মাথা এবং ধড় নিয়ে উল্লাসের নৃত্য করেছে। শুধু তাই নয় অন ক্যামেরায় ভিডিও করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়েছে। কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের নয়নের মণি মহম্মদ ইউনূসের ভূমিকায় সরাসরি তোপ দেগেছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। সম্পূর্ণ ঘটনাকে “বর্বরতার বাংলাদেশ” বলে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালা, অভিনেত্রী জয়া প্রদা।

    ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এবার এই বিবৃতির প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটেছে অত্যন্ত জঘন্য এবং বর্বরতার পরিচয়। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গণপিটুনি দিয়ে অমানবিক ভাবে খুন করা হয়েছে। ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে ভালো করে দেখুন। প্রশ্ন করুন। আর এই সব ঘটনা দেখে যদি আপনাদের বোধোদয় না হয়, তাহলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনাদের ভণ্ডামির জন্য সব ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে এখানেই থেমে থাকেননি অভিনেত্রী।

    কেঁদেও কূল পাবেন না

    জাহ্নবী (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) আরও বলেন, “আমাদের ভাইবোনদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। গোটা বিশ্বকে এই সন্ত্রাস গ্রাস করবে। আর তখন কেঁদেও কূল পাবেন না। তাই পৃথিবীর বুক থেকে মানবতা মুছে যাওয়ার আগে যে কোনও রকম কট্টর মনোভাবকে উগ্রবাদকে গুঁড়িয়ে দিন।” বাংলাদেশের ঘটনা সারা বিশ্বের কাছে চরম অমানবিকতার পরিচয়বাহী। একটি ভার্চুয়াল প্রতিবাদে যোগদান করেছিলেন, কাজল আগরওয়াল, পবন কল্যাণ, মুনাওয়ার ফারুকী সহ আরও অনেকেই। ইতিমধ্যে দীপুর উপর প্রতিবাদ নিয়ে গান বেঁধেছেন নেহা, টনি কক্কর।

    জেগে ওঠো হিন্দুরা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে বলিউড অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “অল আইজ অন বাংলাদেশ হিন্দুস। প্রতিবেশি রাষ্ট্রে লাগাতার হিন্দুদের উপর নির্যাতন চলছে। ইসলামি উগ্রপন্থীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হিন্দুদের নির্মম ভাবে হত্যা করছেন। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মীয় সন্ত্রাস দিন দিন মারাত্মক আকার নিয়েছে। একই ভাবে তিনি নিজের পোস্টে গণপিটুনি, গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ছবিও বিনিময় করেছেন। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে লিখেছেন, “জেগে ওঠো হিন্দুরা নীরবতা তোমাদের বাঁচাতে পারবে না।”

    আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো!

    দীপু হত্যাকাণ্ডের (Bangladesh) বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ জয়া প্রদা। তিনি বলেন, “দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড গভীর ভাবে ব্যথিত করেছে। আমি খুবই দুঃখিত, আমার হৃদয় রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। নিরীহ হিন্দু বলেই মৌলবাদীরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু পিটিয়ে হত্যাই নয়, গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। এটাই কি নতুন বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে গণপিটুনি মানেই হিংস্রতার চরম সীমায় পৌঁছে যাওয়া। মন্দির ভেঙে ফেলা হচ্ছে, হিন্দু বাড়িতে লক্ষ্য করে আগুন ধরিয়ে দেওয় হচ্ছে। মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা চুপ করে বসে আছি। আমাদের এবার আওয়াজ তুলতে হবে। সকল জায়গায় আক্রান্ত হওয়া হিন্দুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকার দেশ রাষ্ট্র সকলের দায়বদ্ধতা রয়েছে।”

    গাজা নিয়ে তৎপর! বাংলাদেশে কেন নয়?

    আবার অভিনেতা মনোজ যোশী বলেন, “গাজা বা ফিলিস্তিনে কোনও কিছু ঘটলেই সকলে এগিয়ে আসেন। কিন্তু হিন্দু নির্যাতন হলে বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে বক্তব্য উঠে আসেনা। একজন হিন্দুকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে কেউ কোনও কথা বলছেন না।” গায়ক টনি কক্কর তার নতুন গান ‘চার লগ’–এ দীপু দাসের গণপিটুনির কথা উল্লেখ করেছেন। গানে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং বৈষম্যকে দূর করার আহ্বান জানান।

    এখনও পর্যন্ত এই হত্যা মামলায় ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দীপুর বিরুদ্ধে কোনও রকম ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সাক্ষী পাওয়া যায়নি।

  • Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ধীরে ধীরে কেবল একটি বড় বাজার নয়, বরং একটি উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদনকারী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। সেই দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গোয়ালিয়রে অনুষ্ঠিত ‘অভ্যুদয় মধ্যপ্রদেশ গ্রোথ সামিট’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানালেন, সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে ভারত দ্রুত এডেস্কঃ এবং অদূর ভবিষ্যতেই এই খাতে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে ভারত।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কেবল স্লোগান নয় (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে প্রবেশ করতে আমাদের কিছুটা দেরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রবেশটা হয়েছে খুব শক্ত ভিতের উপর। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত শুধু এই ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরই হবে না, বরং বিশ্বের বাজারে সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) রপ্তানি শুরু করবে।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এখন কেবল স্লোগান নয়, বরং প্রযুক্তিগত বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে।

    মধ্যপ্রদেশের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যটির ভৌগোলিক অবস্থান ও উর্বর জমির বিশেষ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রদেশ এমন একটি রাজ্য যেখানে তুলনামূলকভাবে কম বিনিয়োগেও বড় মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির রাজ্য থেকে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত রাজ্যে রূপান্তর এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকেও তিনি ‘উন্নয়নের মডেল’ হিসেবে তুলে ধরেন।

    এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগমূল্যের একাধিক শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী-র ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “অটলজি ছিলেন এক অসাধারণ বক্তা, সংবেদনশীল কবি, জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং রাজনীতিতে ‘অজাতশত্রু’ – যাঁর কোনও শত্রু ছিল না।”

    এদিন অমিত শাহ শ্রদ্ধা জানান সমাজ সংস্কারক পণ্ডিত মদন মোহন মালব্যের জন্মবার্ষিকীতে এবং ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল সি রাজাগোপালাচারীর মৃত্যুবার্ষিকীতেও। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, আধুনিক ভারতের নির্মাণে এই মনীষীদের অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

    অটল মিউজিয়াম

    সামিট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) গোয়ালিয়র মেলার উদ্বোধন করেন এবং অটল মিউজিয়ামের সংস্কার কাজ সাধারণ মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। জানা গেছে, এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২৫ হাজার উপভোক্তা, পাশাপাশি হাজার হাজার উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী (Semiconductors) অংশগ্রহণ করছেন। সামিটে ঘোষিত ও উদ্বোধন হওয়া শিল্প প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, এই সামিট কেবল একটি বিনিয়োগ সম্মেলন নয়-বরং তা ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আত্মনির্ভরতার দিকেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Ghar Wapsi in Bihar: বড়দিনে বিহারের পূর্ণিয়ায় ঘর ওয়াপসি, শতাধিক মানুষের সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    Ghar Wapsi in Bihar: বড়দিনে বিহারের পূর্ণিয়ায় ঘর ওয়াপসি, শতাধিক মানুষের সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের পূর্ণিয়া জেলার বনমনখিতে বড়দিনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দল-এর উদ্যোগে একটি ঘর ওয়াপসি (Ghar Wapsi in Bihar) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মানুষ সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা হোম-যজ্ঞ, হাভন এবং তিলক গ্রহণসহ বিভিন্ন শুদ্ধিকরণ আচার সম্পন্ন করেন। এরপর প্রকাশ্যে তাঁরা জানান, তাঁরা আর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নন। অংশগ্রহণকারীরা বনমনখি ও বাইসি ব্লকের অধীন একাধিক গ্রামের বাসিন্দা।

    আর্থিক সাহায্য ও সামাজিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    ভিএইচপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই এর আগে আর্থিক প্রলোভন ও চাপের মাধ্যমে সনাতন ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন। ভিএইচপি’র বিহার-ঝাড়খণ্ড ধর্ম প্রসার প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহা অভিযোগ করেন, খ্রিস্টান মিশনারিরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য ও সামাজিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরে প্রলুব্ধ করেছিলেন। তাঁর কথায়, “এরা নিজেদের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন। সত্য বুঝতে পেরে তাঁরা স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন।” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে হরিনটোড় গ্রামের সুরেন্দ্র রাই, তাঁর স্ত্রী মীনা দেবী ও কালু হারিজন তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। মীনা দেবী জানান, ধর্মান্তরের পর তাঁদের হিন্দু দেব-দেবীর উপাসনা করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল এবং তাঁদের সংস্কৃতি ও জীবনধারা থেকে বিচ্ছিন্ন বোধ হচ্ছিল। তিনি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য মানতে দেওয়া হত না। সব কিছু জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।” পরে তিনি বাইসি থানায় যান এবং ভিএইচপি’র সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানান।

    ধর্মান্তরিত হওয়ার পরে আর প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না

    সুরেন্দ্র রাই বলেন, লোভ বা প্রলোভনের কারণে নিজের ধর্ম ত্যাগ না করার জন্য অন্যদের সতর্ক থাকা উচিত। তিনি বলেন, “আমরা ভুল করেছিলাম, আজ সেই ভুল সংশোধন করলাম”। কালু হারিজনও একই আবেদন জানিয়ে বলেন,“কেউ যেন আর্থিক প্রলোভন বা চাপে পড়ে নিজের বিশ্বাস ত্যাগ না করেন।” তাঁদের কথায়, ধর্মান্তরণের জন্য নিজেদের সমাজ ও আত্মীয়-স্বজন থেকেও দূরে সরে যাচ্ছিলেন তাঁরা। তাই এরা সকলেই হিন্দু ধর্মে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন তাঁরা হিন্দু রীতি অনুযায়ী ঘরে ফিরেছেন। এই এলাকার গ্রামবাসীদের মতে, ধর্মপ্রচারকারীরা ষড়যন্ত্র করে গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র ও অভাবী লোকদের ধর্মান্তরিত করতে প্ররোচিত করে। মানুষকে ধর্মান্তরিত করার জন্য বাড়ি, টাকা, চাকরি এবং চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। এভাবেই গ্রামের একাধিক পরিবার খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকদের এই ষড়যন্ত্রে আটকে পড়ে বলে অভিযোগ। যাঁরা ধর্মান্তরিত হয়েছেন তাঁরা গ্রামবাসীদের দ্বারাও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। গ্রামবাসীরা তাঁদের কোনও কর্মসূচিতেই অংশ নেয় না, এমনকী বিয়েতেও এসব লোকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে না বলে অভিযোগ। ধর্মপ্রচারকরা এই নিরীহ লোকদের যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা ধর্মান্তরিত হওয়ার পরে আর পূরণ হয় না। ভিএইচপি নেতৃত্বের মতে, এই ঘর ওয়াপসি অনুষ্ঠান অঞ্চলটিতে তথাকথিত প্রতারণামূলক ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে একটি বার্তা দিয়েছে।

  • US Strike on ISIS: খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণের জের! নাইজেরিয়ায় আইএস জঙ্গিঘাঁটিতে বিমান হামলা আমেরিকার

    US Strike on ISIS: খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণের জের! নাইজেরিয়ায় আইএস জঙ্গিঘাঁটিতে বিমান হামলা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খ্রিস্টানদের ওপর ধারাবাহিক হামলার প্রতিবাদে নাইজেরিয়ায় (Nigeria) আইএস জঙ্গিদের ঘাঁটির (ISIS Camp) উপর মার্কিন সেনাবাহিনী (US Army) একাধিক ‘প্রাণঘাতী’ বিমান হামলা (Airstrike) চালাল। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে একথা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। তিনি জানান, তাঁর নির্দেশেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ায় (North-West Nigeria) সক্রিয় আইএস জঙ্গিদের লক্ষ্য করে এই হামলা হয়।

    একাধিক নিখুঁত হামলা আমেরিকার

    ট্রাম্পের অভিযোগ, এই ইসলামি জঙ্গিরা মূলত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নিরীহ মানুষদের নিশানা করে হত্যা করছিল। হোয়াইট হাউসের (White House) দাবি অনুযায়ী, নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক হিংসা এমন মাত্রায় পৌঁছেছিল, যা বহু দশক এমনকী শতাব্দী ধরে দেখা যায়নি। ট্রাম্প আরও বলেন, আগেই তিনি এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে সতর্ক করেছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি তাদের জানিয়েছিলাম, খ্রিস্টানদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হলে তার ভয়াবহ পরিণতি হবে – আর সেটাই হয়েছে।” প্রেসিডেন্টের দাবি, অভিযানে ‘একাধিক নিখুঁত হামলা’ চালানো হয়েছে, যা মার্কিন সেনার (US Army) ক্ষমতার পরিচয় বহন করে। পেন্টাগনকে ‘ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার’ (Dept of War) বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকার সেনাবাহিনীই কেবল এমন নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তিনি লেখেন, “আমার নেতৃত্বে আমেরিকা কখনওই উগ্র ইসলামিক সন্ত্রাসবাদকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবে না।” পোস্টের শেষে তিনি মার্কিন সেনাদের শুভেচ্ছা জানান এবং বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “ঈশ্বর আমাদের সেনাবাহিনীকে আশীর্বাদ করুন-মেরি ক্রিসমাস।”

    নাইজেরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে হামলা

    বহু বছর ধরে আইএসআইএস গোষ্ঠী এবং বোকো হারাম-সহ চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর হিংসার কবলে নাইজেরিয়া। বিশেষ করে দেশটির উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জঙ্গিদের প্রভাব খুব বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের অধীনে নাইজেরিয়াকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” হিসেবে মনোনীত করেছে। নভেম্বরে ট্রাম্প বলেছিলেন, খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের পর তিনি পেন্টাগনকে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, স্টেট ডিপার্টমেন্টও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত নাইজেরীয় এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা কমান্ড (AFRICOM) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২৫ ডিসেম্বর নাইজেরিয়ার সোকোতো রাজ্যে এই হামলা চালানো হয় এবং তা নাইজেরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ নাইজেরিয়ার সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযানটি সম্ভব হয়েছে।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার

    নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু বড়দিনের দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি বিবৃতি ও চিঠিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন। টিনুবু তাঁর বিবৃতির সঙ্গে সংযুক্ত একটি চিঠিতে বলেছেন, “আপনাদের রাষ্ট্রপতি হিসেবে, আমি নাইজেরিয়ায় ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে এবং বিভিন্ন ধর্মের সকল মানুষকে হিংসা থেকে রক্ষা করার জন্য আমার ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” নাইজেরিয়ার বিদেশ মন্ত্রকও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখেই এই সমন্বয় করা হয়েছে।

     

     

     

     

  • Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস কেবল তারিখ আর যুদ্ধের সংকলন নয়। এই ইতিহাসের মধ্যে মানবিক অভিপ্রায় এবং সংবেদনশীলতাও রয়েছে। ভারতীয়রা (Young Bharat) কীভাবে নিজেদের সাহস, নৈতিক দৃঢ়তা এবং আত্মিক শক্তিকে জীবন্ত করে রেখেছে তারও বাস্তব উদাহরণ রেখে গিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। প্রতি বছর ২৬শে ডিসেম্বর পালিত হয় বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas)। এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় একটি অমর অধ্যায়। এই দিনেই দশম শিখ গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং-এর কনিষ্ঠ পুত্রদ্বয়—জোরাবর সিং এবং ফতেহ সিং-আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। না নিজের ধর্ম এবং রাষ্ট্রের জন্য বিদেশী শাসকের বশ্যতা স্বীকার করেননি। মাত্র নয় আর ছয় বছর বয়সে দুই বালক নিজদের বীরত্বের পরিচয়ে অমর হয়ে আছে। মুঘল শাসকদের সামনে তারা নিজধর্ম এবং আত্ম-সম্মান রক্ষার জন্য যে সাহস দেখিয়েছিল , তাদের সেই বলিদান আজও ভারতবাসীর কাছে অমর।

    দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়েছিল (Veer Bal Diwas)

    তখন সময়টা ছিল ১৭০৫ সাল। মুঘল অত্যাচার তখন চরমে, এবং গুরু গোবিন্দ সিং জির পরিবারকে চরম কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল। গোবিন্দ সিং-এর দুই পুত্রের ঠাকুমা গুজরিকেও বন্দি করা হয়। মুঘল শাসক উজির খানের নির্দেশে তাদের ধর্ম ত্যাগ করার জন্য হুমকি, প্রলোভন এবং ক্রমাগত চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই শিশুরা অসাধারণ স্থিরতা ও সংকল্পের সঙ্গে মুঘলদের সবরকম দাবিকে নস্যাৎ করে। ফলস্বরূপ, তাদের জীবন্ত অবস্থায় একটি দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল না, এটি ছিল মানব আত্মার সর্বোচ্চ পরীক্ষা—যেখানে শরীরকে নিষ্ঠুর ভাবে আঘাত করলেও তাদের স্থির সিদ্ধান্ত ছিল অটুট। আর এই জন্যই গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তান কর্ম এতো মহৎ (Veer Bal Diwas) হয়ে উঠেছে।

    বয়স একটা সংখ্যামাত্র

    দেশের শিশু ও যুব সমাজ যাতে এই আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে, সেই লক্ষ্যে ২০২২ সালে ভারত সরকার ২৬ ডিসেম্বরকে বীর বাল দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই দিনটি শুধু স্মরণের জন্য নয়, দিনের সত্যতা, নৈতিকতা এবং আত্ম-সম্মানকে আমাদের জীবনের কেন্দ্রে যাতে রাখার মন্ত্র স্বরূপ ভাবা যায় সেই কথাকেই সরকারের তরফ থেকে প্রচার করা হয়। ফলে অনেক ইতিহাসবিদরাই মনে করছেন বয়স একটা সংখ্যামাত্র, মনের অভীষ্ট সিদ্ধান্ত কতটা সুদূর প্রসারী (Young Bharat) হতে পারে তা এই বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনায় স্পষ্ট।

    জেন জি-দের জন্য অনুপ্রেরণার

    বর্তমানে, এই বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনা জেন জি (Gen Z)-এর জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। যারা গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন তাদের জন্য ভীষণ ভাবে অণুপ্রেরণা দেবে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী প্রতি পাঁচজন ভারতীয় তরুণের মধ্যে প্রায় একজন উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা মানসিক কষ্টের লক্ষণ দেখায়। এই সময়ে, বীর বাল দিবসের গল্পটি একটি প্রতিবিম্বের মতো। সেই সঙ্গে একটি প্রদীপের মতও। এক দিকে যেমন প্রতিরূপ (Young Bharat) দেখায় ঠিক একই ভাবে আবার  উদ্যমতার আগুনও জ্বালিয়েও দেয়।

    বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়

    গুরু গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তানের জীবন আজকের তরুণ প্রজন্মের সমাজকে শেখায় আত্ম-সম্মান বাইরের অনুমোদন থেকে নয়, বরং ভেতরের বিশ্বাস থেকে আসে। চরম চাপের মধ্যেও তারা নিজেদের মূল্যবোধে অবিচল ছিলেন। তাদের গল্প আমাদের (Young Bharat) মনে করিয়ে দেয়, জীবনের মহত্ত্ব, তার দৈর্ঘ্যে নয়, বরং তার গভীরতা ও উদ্দেশ্যের মধ্যে নিহিত রয়েছে। মানসিক দৃঢ়তা বয়সের দ্বারা আবদ্ধ নয়। জীবনের পূর্ণতা কর্ম এবং আদর্শের মধ্যেই। আজকের জগতে, বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, মনের ভেতরের ভূখণ্ডেও সমানভাবে প্রয়োজন। পড়াশোনায় ব্যর্থ হওয়ার পর আবার উঠে দাঁড়ানো, মানসিক কষ্ট নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা, সাহায্য চাওয়া, ক্ষতিকারক অভ্যাস ত্যাগ করা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, এই সকল ক্ষেত্রে বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) গুরুত্ব অপরিসীম।

    মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে

    ২০২৫ সালের এই বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas) আজকের তরুণদের এই আশ্বাস দেয় যে তারা একা নয়। তারা এমন এক উত্তরাধিকারের ধারক যা মানসিক শক্তি, আত্ম-সম্মান এবং উদ্দেশ্যের অনুভূতির ধারক বাহক। তাই বীর বাল দিবসে নিজেরা এবং পারিপার্শ্বিক বন্ধুদের মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি কিভাবে বৃদ্ধি পাবে তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতে পারে। একে অপরের কথা শোনা এবং সাহস নিয়ে বাঁচতে শেখার সংকল্পও গ্রহণ করে। বর্তমান প্রজন্মের তরুণ সমাজকে মূল্যবোধের দ্বারা মনকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ ভাবে অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।

  • Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জানভি কাপুর (Dhruv Criticize Janhvi)। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টের পরপরই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির একটি পাল্টা পোস্ট করেন। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জানভি কাপুর একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাংলাদেশে সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডকে “নৃশংস” বলে উল্লেখ করেন। তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। হিংসার ঘটনায় বেছে বেছে প্রতিবাদ করার প্রবণতার সমালোচনা করেন জানভি।

    অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হিন্দুরা

    সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রতিদিনই অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে হিন্দুদের। গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। নীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আক্রমণ করে। পরে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনাকে নিষ্ঠুর, নৃশংস এবং অমানবিক অ্যাখ্যা দেন জানভি। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল যে ভৌগোলিক অবস্থান বা মতাদর্শ নির্বিশেষে সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধেই সমানভাবে প্রতিবাদ হওয়া উচিত।

    জানভি কাপুরকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

    এই ঘটনার দিকে জানভি কাপুর দৃষ্টি আকর্ষণ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধ্রুব রাঠি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে “ডার্ক সাইড অফ বিউটি” শিরোনামের একটি ইউটিউব ভিডিও প্রচার করেন। যার থাম্বনেইলে জানভি কাপুরের ছবি ব্যবহার করা হয়। পোস্টের সময় নির্বাচন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, জানভি কাপুরের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নিন্দাকে আড়াল করতেই ধ্রুব রাঠি ওই ভিডিওটি প্রচার করেছেন। যদিও ধ্রুব রাঠি নিজে এই হত্যাকাণ্ড বা বিতর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহল পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে।

  • Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) চালু হতে চলেছে দিল্লিতে। চালকদের আয় বাড়ানো এবং যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবা চালু করতে চলেছে। সম্প্রতি এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিষেবা চালু করতে চলেছে। ট্যাক্সি পরিষেবার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সূত্রের খবর, চালকরা ভাড়ার লভ্যাংশ থেকে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন। যার জন্য একটি মাসিক ক্রেডিট সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে।

    যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য

    হরিয়ানার পঞ্চকুলায় অনুষ্ঠিত সহকারী সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, সমবায় মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া এই পরিষেবায় অর্জিত সমস্ত লাভই চালকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। অমিত শাহের কথায়, “আমরা খুব শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) পরিষেবা চালু করব, যার প্রতিটি টাকার লাভ যাবে আমাদের চালক ভাইদের কাছে। এতে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে এবং একই সঙ্গে চালকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।” দেশের অ্যাপ ক্যাব বাজারে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চলেছে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’। সূত্রের খবর, নতুন এই পরিষেবাটি জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হতে চলেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে দিল্লি এবং গুজরাটের বেশ কিছু অংশে পরীক্ষামূলক ভাবে পরিষেবা শুরু হয়েছিল ভারত ট্যাক্সির। এই নতুন পরিষেবা ওলা, উবর এবং র‌্যাপিডোর মতো প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলিকে টক্কর জোর টক্কর দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভারত ট্যাক্সি কী?

    ভারত ট্যাক্সি (Bharat Taxi) পরিচালনা করছে সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড। এই প্ল্যাটফর্মকে চালক-মালিকানাধীন দেশীয় মোবিলিটি পরিষেবা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। সংস্থার দাবি এটি বিশ্বের বৃহত্তম ড্রাইভার-ওনড মোবিলিটি নেটওয়ার্ক। বর্তমানে দিল্লি এবং গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে গাড়ি, অটো-রিকশা ও বাইক ট্যাক্সি মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি চালক এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত রয়েছেন। ভারত ট্যাক্সি অ্যাপে স্বচ্ছ ভাড়া কাঠামো, একাধিক ভাষা, রিয়েল-টাইম গাড়ি ট্র্যাকিং এবং ২৪ ঘণ্টার গ্রাহক সহায়তার সুবিধা রয়েছে। যাত্রী ও চালক—দু’পক্ষের নিরাপত্তার জন্য যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ ছাড়াও দিল্লি পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সংযোগ রেখে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

    জিরো কমিশন মডেল

    ভারত ট্যাক্সির (Bharat Taxi) সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো-কমিশন মডেল। এই ব্যবস্থায় চালকরা ভাড়ার পুরো অর্থ নিজেরাই রাখতে পারবেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিভুক্ত চালকদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ক্যাব অপারেটর। এ ছাড়াও রয়েছেন অটো-রিকশা এবং বাইক ট্যাক্সির চালকেরা। সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ ইতিমধ্যেই ভারত ট্যাক্সির মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস— দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অ্যাপটি ৭৫ হাজারের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।

    ভাড়ার হার ও পরিষেবা

    এই প্ল্যাটফর্মে এসি, প্রিমিয়াম, নন-এসি এবং এক্সএল ক্যাবের অপশন মিলবে। সংস্থার দাবি, দু’মিনিটের মধ্যেই গাড়ি পাওয়া যাবে। ভাড়ার হারও তুলনামূলকভাবে অন্য সংস্থার থেকে কম থাকবে। এই অ্যাপে প্রথম ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ন্যূনতম ভাড়া ৩০ টাকা। ৪ থেকে ১২ কিলোমিটারের জন্য প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২৩ টাকা এবং ১২ কিলোমিটারের বেশি হলে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ টাকা ধার্য করা হবে। অন্যান্য অ্যাগ্রিগেটরদের মতোই ভারত ট্যাক্সি অ্যাপটি মেট্রোর মতো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পরিষেবার সঙ্গেও যুক্ত। ফলে ব্যবহারকারীরা একটি মাত্র অ্যাপের মাধ্যমেই যাতায়াতের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে পুরো যাত্রার পরিকল্পনা করতে পারবেন। বর্তমানে দিল্লি ও গুজরাটে পরীক্ষামূলক পরিষেবা চালু রয়েছে। ব্যবহারকারীরা মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন আপ করতে পারবেন। পিক-আপ ও ড্রপ লোকেশন নির্বাচন করে পছন্দের রাইড বেছে নেওয়া যাবে। যাত্রার পুরো সময় রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং করা যাবে। ব্যবহার প্রক্রিয়া অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার অ্যাপের মতোই সহজ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি

    হরিয়ানার ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি নিয়ে কথা বলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে অমিত শাহ জানান, ২০১৪ সালে যেখানে কৃষি বাজেট ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকা। একইভাবে, গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৮০ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা। দেশের উন্নয়নে হরিয়ানার অবদানের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন শাহ। তিনি বলেন, “হরিয়ানা রাজ্যের কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও দুগ্ধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে অসংখ্য পদক এনে জাতীয় পতাকাকে গর্বিত করেছেন।” পাশাপাশি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবকে দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় হরিয়ানা থেকেই সর্বাধিক সংখ্যক সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য দেশকে রক্ষা করছেন।

     

     

     

     

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আবারও গণপিটুনির ঘটনা, রাজবাড়ীতে হিন্দু যুবক অমৃত মণ্ডল নিহত

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আবারও গণপিটুনির ঘটনা, রাজবাড়ীতে হিন্দু যুবক অমৃত মণ্ডল নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করা হল। এবার ঘটনাস্থল রাজবাড়ি। মৃত যুবকের নাম অমৃত মণ্ডল। তিনি এলাকায় সম্রাট নামেও পরিচিত ছিলেন। বুধবার রাত এগারোটা নাগাদ পাংশা উপজেলার হোসেনডাঙ্গা পুরাতন বাজার এলাকায় ২৯ বছরের ওই যুবককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। কয়েকদিন আগেই ময়মনসিংহের ভালুকায় ২৭ বছর বয়সী হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকেও খুন করেছিল মৌলবাদীরা। সেই রেশ এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই এই ঘটনা সামনে এল।

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধন চলছেই

    পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অমৃত মণ্ডলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছিল, যার জেরে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী, অমৃত মণ্ডল স্থানীয় একটি গ্রুপের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা ‘সম্রাট বাহিনী’ নামে পরিচিত ছিল। তিনি রাজবাড়ী জেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা অক্ষয় মণ্ডলের ছেলে। প্রসঙ্গত, মহম্মদ ইউনূসের জমানায় বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার সবথেকে বেশি বেড়েছে। শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পরই সেখানে কার্যত হিন্দু নিধন শুরু হয়। বহু সংখ্যালঘুর বাড়িতে অত্য়াচার করে মৌলবাদীরা, লুটপাট চালায়। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে এসেছিল। সম্প্রতি পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে খুন করেছিল উগ্রপন্থীরা। সেই ঘটনার ফের পুনরাবৃত্তি।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় এখনও কোনও গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় গণপিটুনির ঘটনা। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি কারখানায় কর্মরত দীপু চন্দ্র দাসকে ইসলাম সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে মারধর করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর তার মরদেহের সঙ্গে অবমাননাকর আচরণের অভিযোগ ওঠে, যা দেশজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার জন্ম দেয়। পরপর দুটি ঘটনায় দেশে গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত বিচার ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হচ্ছে।

LinkedIn
Share