Blog

  • IMF: ‘ভারতের অর্থনীতি খুবই মজবুত, আর্থিক বৃদ্ধির হারও ভাল’, মত আইএমএফ কর্তার

    IMF: ‘ভারতের অর্থনীতি খুবই মজবুত, আর্থিক বৃদ্ধির হারও ভাল’, মত আইএমএফ কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) অর্থনীতি খুব মজবুত। আর্থিক উচ্চ বৃদ্ধির হার সহ ভারত এই মুহূর্তে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভাল স্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার কথাগুলি বলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) বিভাগীয় প্রধান ড্যানিয়েল লে। এদিন ভারতীয় অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও ভালো অর্থনীতি বলেও অভিহিত করেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের বিভাগীয় প্রধান। ভারতের অর্থনীতির ওপর ভরসা রাখার কথাও জানান তিনি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের এই কর্তা বলেন, ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ভালই রয়েছে। ২০২২ সালে এই হার ছিল ৬.৮। তিনি বলেন, ভুলে গেলে চলবে না যে ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF)…

    এদিনই আইএমএফ (IMF) ২০২৩-২৪ সালের জন্য তার আর্থিক বৃদ্ধির হার আগের ৬.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫.৯ শতাংশ করেছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের সব চেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে অর্থনীতি হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি এমনই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের অনুমান, ভারতের মুদ্রাস্ফীতি চলতি বছরে ৪.৯ শতাংশ এবং পরের অর্থবর্ষে ৪.৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বৃদ্ধির হার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে কম। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য ৭ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া চলতি অর্থবর্ষে যা ৬.৪ শতাংশ হবে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) এই কর্তা বলেন, আমাদের উপলদ্ধি হল ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আমরা যা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে কিছুটা ভাল হয়েছিল। তাই বৃদ্ধির জায়গা সেই অর্থে বিশেষ ছিল না। আর তাই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ক্রেতাদের চাহিদা যা আমাদের পূর্ববর্তী ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সেই কারণে চলতি বছরে কিছুটা নিম্নগামী হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী বছর ফের বৃদ্ধির হার হবে ৬.৩। খুবই শক্তিশালী একটি অর্থনীতি। যার কারণে ভারতবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। এবং সেই সব কর্মের সংস্থান হচ্ছে, যেগুলি খুবই প্রয়োজনীয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের অধিকাংশ দেশই ২০২৩ সালে মন্দার থাবা এড়িয়েছে। করোনা অতিমারি সত্ত্বেও। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বাজারেও অর্থনৈতিক অবস্থার বিশেষ ক্ষতি হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Halisahar: পদত্যাগ করলেন চিটফান্ডকাণ্ডে অভিযুক্ত রাজু সাহানি! হালিশহর পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান কে?

    Halisahar: পদত্যাগ করলেন চিটফান্ডকাণ্ডে অভিযুক্ত রাজু সাহানি! হালিশহর পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ হালিশহর (Halisahar) পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন রাজু সাহানির বাড়িতে সিবিআই হানা হয়। বাড়ির ভিতর থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। বিদেশে অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া যায়। আর একটি চিটফান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে, তৃণমূলের পুরসভার চেয়ারম্যান চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ায় শাসক দলের মুখ পুড়েছিল। জেলে থাকার সময় দলীয় নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে দুরত্ব তৈরি করতে শুরু করে। তবে, তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়নি। এমনকী জামিনে মুক্ত হওয়ার পরও তাঁকে পুরসভার চেয়ারম্যান পদে দল বসতে দেয়নি। অবশেষে দলের নির্দেশ মেনে তিনি বুধবার পুরসভায় গিয়ে পদত্যাগ করেন।

    কে হলেন হালিশহর পুরসভার (Halisahar) নতুন চেয়ারম্যান?

    রাজু সাহানি জেলে যাওয়ার পর থেকে ভাইস চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ পুরসভা (Halisahar) পরিচালনা করছিলেন। দলের পক্ষ থেকে তাঁর ওপর আস্থা রাখা হয়। মূলত উপস্থিত সমস্ত কাউন্সিলারদের উপস্থিতিতে শুভঙ্কর ঘোষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। আর ভাইস চেয়ারম্যান করা হল হিমানিশ ভট্টাচার্যকে। তিনি বোর্ডের সিআইসি সদস্য ছিলেন।

    কী বললেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান রাজু সাহানি?

    পদত্যাগ করার পর প্রাক্তন চেয়ারম্যান রাজু সাহানি বলেন, আমাকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়নি। আমি নিজেই পদত্যাগ করেছি। দলের পক্ষ থেকে যা সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনে নেব। আর কাউন্সিলার হিসেবে নতুন এই চেয়ারম্যানকে আমি সবরকমভাবে সহযোগিতা করব।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব ?

    এদিন হালিশহর পুরসভায় তৃণমূলের বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়, মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বিধায়ক সুবোধ অধিকারীসহ জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পুরসভার ২৩ জন কাউন্সিলারের মধ্যে অধিকাংশ বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেখানেই চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান নিয়ে আলোচনা হয়। নতুন চেয়ারম্যান করা প্রসঙ্গে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, আমরা দলের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানকে সরাইনি। তিনি নিজে এসে পদত্যাগ করেছেন। তাই, নতুন চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান ঠিক করা হয়েছে। পুরসভার নির্বাচিত অন্যান্য কাউন্সিলাররা মিলে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

    কী বললেন হালিশহর (Halisahar) পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান?

    চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর শুভঙ্কর ঘোষ বলেন, দলের সিদ্ধান্ত মেনে গত ৬ মাস ধরে আমি পুরসভা চালাচ্ছিলাম। তবে, ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সেই কাজ করছিলাম। এবার দল এই সন্মান দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। আমি আগের মতো নিষ্ঠার সঙ্গে পুরসভা এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: আবার করোনার চোখ রাঙানি! গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু

    Covid-19: আবার করোনার চোখ রাঙানি! গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাড়ছে করোনার (Covid-19) প্রকোপ। সংক্রামিতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একদিনে দেশে কোভিড (Covid-19) আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৭ হাজারেরও বেশি। বুধবার, দেশে আগের দিন অর্থা‍ৎ মঙ্গলবারের তুলনায় দৈনিক সক্রিয় রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭,৮৩০টি নতুন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। বাড়ছে মৃত্যুর পরিসংখ্যানও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের আটটি রাজ্যে ১১ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যা দেখে অনেকেই শঙ্কিত। কারণ, এই মুহূর্তে করোনা সংক্রামিত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। নড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ।

    ফের করোনার দাপট

    দেশে করোনার (Covid-19) সংক্রমণ নতুন করে মাথা চাড়া দেওয়ায় কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানেই ঠিক হয়, কীভাবে ওমিক্রনের নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করা সম্ভব, তার রুপরেখাও স্থির হয়েছে। গোটা দেশ জুড়ে ফের করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উপরও জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে আপাৎকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রককে।

    কেরল অগ্রগণ্য

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, এই মুহূর্তে দেশের যে রাজ্যগুলিতে করোনার (Covid-19) প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে, তার মধ্যে কেরল অগ্রগণ্য। গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণের এই রাজ্যে ১৮৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর। তার পরেই রয়েছে রাজধানী দিল্লি। যেখানে করোনা রোগীর সংখ্যা গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৯৮০ জন। তার পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। পশ্চিমের রাজ্যটিতে ৯১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস মিলেছে। পশ্চিবঙ্গে সংখ্যাটা কম। এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে ৫৯ জন গত চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে করোনায়। তবে রাজ্য সরকার যদি চোখে ঢুলি বেঁধে থাকে, তাহলে অতীতের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে রাজ্যবাসীকেও।

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত ২২০.৬৬ কোটি কোভিড (Covid-19) টিকা দেওয়া হয়েছে। এই ঊর্ধ্বমুখী করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দিল্লি, পাঞ্জাব এবং হিমাচল প্রদেশে ২ জন করে এবং গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের ১ জন করে করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ‘অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কুন্তলের চিঠি নিয়ে মন্তব্য বিচারপতির

    Justice Abhijit Ganguly: ‘অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কুন্তলের চিঠি নিয়ে মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা মারাত্মক প্রবণতা। তদন্তকারী আধিকারিকদের হুমকি দেওয়া ও তদন্তের গতি স্তব্ধ করার জন্য এসব করা হচ্ছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে এ সব বন্ধ করতে হবে। এই অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না। বুধবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) পত্রবোমা ফাটিয়েছেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষ। দিন কয়েক ধরে আদালতে আসা-যাওয়ার পথে সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন তিনি। কুন্তলের দাবি, তাঁর মুখ দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি চিঠি দিয়ে আদালতকেও জানিয়েছেন বলে দাবি ওই প্রাক্তন তৃণমূল নেতার। সেই প্রসঙ্গেই এদিন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নির্দেশ…

    এদিন অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) জানান, বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করতে পারবে না পুলিশ। নিম্ন আদালতও এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না। তাঁর নির্দেশ, বুধবারের মধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা বিচারককে হাইকোর্টে পেশ করতে হবে কুন্তলের অভিযোগপত্র। তাছাড়া প্রেসিডেন্সি জেল সুপারের মাধ্যমে হেস্টিংস থানায় কুন্তলের যে অভিযোগপত্র গিয়েছে, সেটা খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে পেশ করতে হবে আদালতে। এদিনই দুপুর তিনটের মধ্যে তা পেশ করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় হুগলি জেলার প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করে ইডি। বর্তমানে তিনি রয়েছেন জেল হেফাজতে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কুন্তল। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছেও। সেই অভিযোগপত্র দেখতে চেয়েই এদিন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। এদিন এ ব্যাপারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ইডির আইনজীবী। তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে কুন্তল কী অভিযোগ এনেছেন, তা জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানায়, প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের মাধ্যমে হেস্টিংস থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কুন্তল। তাই কুন্তলের সেই চিঠির বিষয়বস্তু জানতে চায় তারা।

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া কুন্তল নানা সময় বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর বিরুদ্ধে। যদিও হৈমন্তী সংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছিলেন তাঁর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার কোনও যোগ নেই। একই দাবি করেছিলেন হৈমন্তীর স্বামী গোপাল দলপতিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে রাজ্যজুড়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। রাজ্যবাসী চাতক পাখির মতো অপেক্ষায়, কখন বৃষ্টি নামবে। ঠিক এরকমই একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে পানীয় জলের তীব্র সংকট। প্রচণ্ড গরমে একটু পানীয় জলের জন্য মাথা খুঁড়ে মরলেও তা মিলছে না। এমনই করুণ অবস্থা চলছে আসানসোলের বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এমনই। তাঁদের আরও অভিযোগ, এই সমস্যার কথা পুর কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করছে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে অশেষ দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই তাঁদের দিন কাটাতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP Demonstration)। 

    আন্দোলনে বিজেপি, নেতৃত্বে অগ্নিমিত্রা পল

    পানীয় জল সহ একাধিক দাবি নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বুধবার ঘেরাও করা হল (BJP Demonstration) আসানসোল পৌর নিগমের ৭ নম্বর বরো অফিস। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে আসেন ৭ নম্বর বরো অফিসের সামনে। পুলিশ সেই সময় ব্যারিকেড তৈরি করে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। যদিও পুলিশের সেই ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিস চত্বরে ঢুকে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এদিনের এই ঘেরাও কর্মসূচিতে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট রয়েছে। ওই সমস্যা মেটাচ্ছে না পৌরসভা। পাশাপাশি এদিন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিসের সামনে চলে আসার ঘটনাটিও অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি কখনও নিয়ম ভাঙে না। বিজেপি নেত্রী বলেন, মানুষ জল পাচ্ছে না। হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার দূরে গিয়ে জল আনতে হচ্ছে। সারাদিনে একবার হয়ত জল আসে। অনেক সময় তাও আসে না। মানুষ কেন জল পাচ্ছে না, তার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা চুরি করছেন, দুর্নীতি করছেন, জায়গায় জায়গায় কেন্দ্রীয় সরকারের জমি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ সামান্য জলটুকুও পাচ্ছে না। এসবের জবাব চাইতেই আমরা এসেছি (BJP Demonstration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    Heatwave: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখ এখনও ব্যাট করতে নামেনি। চালিয়ে খেলছে চৈত্র। গরমে হাঁসফাঁস করছে শহরবাসী। একই ছবি চোখে পড়ছে সর্বত্র। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ রাঙাচ্ছে সূর্যমামা। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বেরোতে মন চাইছে না। তাই বলে ঘরে বসে থাকা যায়! অফিস রয়েছে, রয়েছে অন্য কাজকর্ম। রান্না-বান্না থেকে ছেলে-মেয়েদের স্কুল থেকে আনার দায়িত্ব। মন না চাইলেও চড়া রোদ মাথায় নিয়েই ছুটতে হচ্ছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। গরমের জেরে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। শরীরে ঘাম জমে বাড়ছে নানা রোগ। তার সঙ্গে তো রয়েছে নিত্যদিনের ফ্লু ও জ্বরজালা। এই পরিবেশে নিজেকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন বেশ কিছু টোটকা।

    গরমে সতেজ থাকতে কী করবেন?

    ১) অবশ্যই ব্যাগে রাখুন জলের বোতল। প্রয়োজনে গ্লুকোজ কিংবা লেবুর জলও ঘন ঘন খাওয়া যেতে পারে। তবে ভুলেও রাস্তার ধারে ঠেলা ওয়ালাদের থেকে কোনওভাবেই রঙিন পানীয় চুমুক দেওয়া উচিত হবে না। তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে।

    ২) পকেটে বা ব্যাগে রাখুন রুমাল। প্রয়োজনে দু’টো রুমাল ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ, অতিরিক্ত ঘাম নির্গমনের ফলে রুমাল ভিজে যায়। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় রুমাল কাজে দেবে।

    ৩) সানগ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে প্রখর তাপ থেকে যেমন স্বস্তি মিলবে, তেমনি চোখের পক্ষেও আরামদায়ক।

    ৪) ছেলেরা অবশ্যই টুপি ব্যবহার করুন। না হলে অবশ্যই ছাতা। আর মেয়েরা স্কার্ফ পরতে পারেন। এখন হাতের স্ক্রিন গার্ডও বাজারে উপলব্ধ। এতে ত্বক ও শরীর দুই বাঁচবে।

    ৫) গরমে মুখ চ্যাটচ্যাটে হয়ে যায়। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক সেনসেটিভ, তাঁরা ভেজা রুমাল বা ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন।

    ৬) শরীরে ঘাম জমলে অনেক সময় দুর্গন্ধ ছাড়ে। সেক্ষেত্রে অফিসে বা স্কুল কলেজে কিংবা অনুষ্ঠান বাড়িতে সমস্যায় পড়তে হয়। এটা থেকে বাঁচার সেরা উপায় বডি স্প্রে ব্যবহার করা। তবে সেটা যাতে অতিরিক্ত না হয়, তাও খেয়াল রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: বৃষ্টির দেখা নেই, তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই! কাঠফাটা গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী

    গরমে কী খাবেন ?

    ১) তেল মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়া উচিত। স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্যই বিশেষ যত্ন নিতে হবে। দু’টি করে টিফিন দিন। একটিতে খাবার থাকুক। অন্যটিতে স্যালাড বা ফল।

    ২) ছাতুর সরবত লু রুখতে অত্যন্ত কার্যকরী। ডাবের জল, নারকেলের জল, বাটারমিল্ক, লেবুর সরবত খেলে তাপপ্রবাহ দূরে রাখা যাবে।

    ৩) শসা, তরমুজ, টম্যাটো, জামরুলের মতো ফল বেশি করে খেতে হবে। এতে শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকবে, ডিহাইড্রেশন এড়ানো যাবে।

    ৪) জিরে ভেজানো জল রাখতে পারেন ডায়েটে। পেট ঠান্ডা থাকবে। হলুদ ভেজানো জলও পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। সঙ্গে থাকুক দই ও দইজাতীয় খাবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Tribal People: দণ্ডিকাণ্ডে নির্যাতিতাদের গ্রামে গেলেন তৃণমূলের আদিবাসী সেলের রাজ্য সভাপতি, সরব বিজেপি

    Tribal People: দণ্ডিকাণ্ডে নির্যাতিতাদের গ্রামে গেলেন তৃণমূলের আদিবাসী সেলের রাজ্য সভাপতি, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দণ্ডিকাণ্ডে কার্যত ব্যাকফুটে তৃণমূল। পঞ্চায়েত ভোটের আগে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, তারজন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে শাসক দল। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাদ সনকইর এলাকার মিশনপাড়া গ্রামে দণ্ডি কাণ্ডের তিন আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূলের আদিবাসী (Tribal People) সেলের রাজ্য সভাপতি দেব টুডু। সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর ললিতা টিগ্গা, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সন্তোষ হাঁসদা, বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্পনা কিস্কু এবং তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি স্নেহলতা হেমব্রম। দণ্ডিকাণ্ডে নির্যাতিতা মহিলাদের বাড়িতে গিয়ে তাঁরা দেখা করেন।

    কী বললেন দণ্ডিকাণ্ডে নির্যাতিতা মহিলা?

    বিজেপি করার অপরাধে কয়েকদিন আগে তিন আদিবাসী (Tribal People) মহিলাকে বালুরঘাটে ডেকে দণ্ডিকাটার নিদান দিয়েছিলেন তত্কালীন মহিলা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই আদিবাসী (Tribal People) সমাজ কার্যত বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাঁরা নির্যাতিতাদের পাশে থাকার পাশাপাশি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঘটনা জানাজানি হওয়ার একদিনের মধ্যেই প্রদীপ্তাকে পদ থেকে সরিয়ে স্নেহলতা হেমব্রম নামে এক আদিবাসী (Tribal People) মহিলাকে মহিলা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রীর পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার দণ্ডিকাণ্ডে এক নির্যাতিতা বলেন, তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ায় আমি খুশি। আর ওই নেত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় ভাল লাগছে।

    কী বললেন তৃণমূলের আদিবাসী (Tribal People) সেলের রাজ্য সভাপতি?

    দণ্ডিকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হতেই জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব নির্যাতিতাদের বাড়িতে যান। অভিযুক্ত নেত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দেন। তাতেও আদিবাসী (Tribal People) সমাজের বরফ গলেনি। মঙ্গলবারও সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলন করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে এবার আদিবাসী (Tribal People) নেতাদের গ্রামে পাঠিয়ে মন জয়ের চেষ্টা করলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তৃণমূলের আদিবাসী (Tribal People) সেলের রাজ্য সভাপতি দেবু টুডু বলেন, আদিবাসী যে মহিলাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছিল, তাদের সঙ্গে দেখা করলাম। তাঁদের সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি। দোষীদের শাস্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযুক্ত নেত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তৃণমূল সুপ্রিমো তাকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এখন বিজেপি ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আদিবাসীরা (Tribal People) সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছে।

    কী বলল বিজেপি নেতৃত্ব?

    ঘটনাটি জানাজানি হতেই বিজেপি নেতৃত্ব আন্দোলন শুরু করেন। জেলা জুড়ে প্রতিটি থানায় বিক্ষোভ দেখান। জেলা প্রশাসনিক অফিস ঘেরাও করে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রতিবাদ সভা করেন। ফলে, বিজেপির লাগাতার আন্দোলনে তৃণমূল কোণঠাসা হয়ে পড়ে। বিজেপি-র জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, আদিবাসী (Tribal People) মহিলাদের সঙ্গে গুরুতর অন্যায়ের বিষয়টি ধামাচাপা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: মায়ানমারে নিরীহ মানুষের জমায়েতে বিমান হানা, নিহত শতাধিক, কাঠগড়ায় জুন্টা সরকার

    Myanmar: মায়ানমারে নিরীহ মানুষের জমায়েতে বিমান হানা, নিহত শতাধিক, কাঠগড়ায় জুন্টা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের (Myanmar) গ্রামে বিমানহানা জুন্টা সরকারের। মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় শিশু ও নারী সহ নিহত হয়েছেন অন্ততঃ ১০০ জন। এদিন সকালে সাগাইং এলাকার কানবালু টাউনশিপের পাজিগাই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। বিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় দফতরের উদ্বোধন উপলক্ষে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। শ’ দেড়েক মানুষের ওই জমায়েতে প্রায় ৩০টি শিশু ছিল। ছিলেন বেশ কয়েকজন অন্তঃসত্ত্বাও। আচমকাই জুন্টা সরকারের যুদ্ধ বিমান থেকে শুরু হয় বোমা বর্ষণ। আর্ত চিৎকারে কেঁপে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১০০ জনের। ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃত্বও। বিমানবাহিনীর এই হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে মায়ানমার সেনা।

    মায়ানমারে (Myanmar) হত্যালীলা…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকাল আটটা নাগাদ অনুষ্ঠানের সময় আকাশে প্রথমে চক্কর দিয়ে যায় একটি হেলিকপ্টার (Myanmar)। আধঘণ্টা পরে জমায়েতের ওপর বোমা ফেলে যায় ফাইবার জেট। এলাকায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই মৃতের সংখ্যা ঠিক কত, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার বোমাবর্ষণ পর্ব শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফের চক্কর দিতে দেখা যায় একটি হেলিকপ্টারকে। সেখান থেকেও গুলি বর্ষণ হয়। তাতেও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। শিশু-মহিলা এবং অন্তঃসত্ত্বা মিলিয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেনা সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই এলাকায় পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি কার্যালয় উদ্বোধনের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানেই হামলা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মায়ানমারের (Myanmar) সেনার তরফে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় আমরাই হামলা চালিয়েছি। এদিন ওই গ্রামে সকাল আটটা নাগাদ একটি পার্টি অফিস খোলার কথা ছিল। ওখানে কাজ করছে দেশের সরকার বিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্মেন্ট। তাদের সশস্ত্র সংগঠন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স এদিন একটি সভা করছিল। ওখানে অনেকেই সাধারণ মানুষের পোশাক পরে ছিল। জুন্টা সরকারের ওই বিমানহানার তীব্র নিন্দা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। সাধারণ মানুষের ওপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও গুতেরেস। ঘটনাটিকে নারকীয় বলে দেগে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল মানুষ যখন পরিবেশ (Environment) ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করার খেলায় মত্ত, ঠিক তখনই দুর্গাপুরের এক দম্পতি নজির সৃষ্টি করলেন। দেশ ও দশের জন্য তাঁদের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা দেখে অনেকেই মুগ্ধ। পরিবেশ রক্ষার আর্জি সরাসরি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের উদ্যোগও প্রশংসনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুরের ওই দম্পতি?  

    দুর্গাপুর জবরপল্লির বাসিন্দা শ্রী পৃথ্বীরাজ সঞ্জয় চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি রমা চক্রবর্তী বিগত ৫২ দিন ধরে পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দুর্গাপুর থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একবার দেখা করে তাঁদের আর্জি সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে দেবেন, একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই। যে মহৎ উদ্দেশে এতদূর পথ পায়ে হেঁটে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন, তা হল, আমাদের এই ধরিত্রীকে (Environment) রক্ষা করা এবং তার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ। 
    দুর্গাপুর থেকে তাঁরা যাত্রা শুরু করেছিলেন চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতেই তাঁরা জানিয়েছেন, টানা ৫২ দিনে অতিক্রম করেছেন ১৫০০ কিলোমিটার পথ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কী কী আর্জি তাঁরা জানালেন?

    ছোট্ট চিঠিতে খুবই সংক্ষেপে তাঁরা যেসব আর্জি জানিয়েছেন, সেগুলি হল: “সেভ রিভার গঙ্গা”, ভারতবর্ষের লাইফলাইন এবং পবিত্রতম নদী মা গঙ্গাকে বাঁচানো। পরিবেশকে (Environment) বাঁচাতে প্রতিটি বাড়িতে, স্কুলে, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো। মাটিকে শুদ্ধ রাখার তাগিদে বজ্র্য পদার্থকে প্রকৃত ব্যবস্থাপনা করা। বৃষ্টির জল ধরে রেখে তার সঠিক ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলো রাস্তায় এবং ঘরে ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। মহিলা স্বশক্তিকরণের উদ্দেশে আরও বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং যে কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর হাসপাতালের বিল মুকুব করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Election: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    Karnataka Election: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজগার মেলায় (Karnataka Election) প্রায় ৭১ হাজার জনকে নিয়োগপত্র দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চাকরি প্রাপকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন তিনি। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে বিভিন্ন পদে ওই দিন নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে। দেশের যুবক-যুবতীদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র এর আগেও তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও তা দেবেন। শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে বরাবরই জোর দিয়ে এসেছেন মোদি। তাঁদের উৎসাহিত করতেই রোজগার মেলার আয়োজন।

    দোরগোড়ায় কর্নাটক নির্বাচন (Karnataka Election)…

    প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে (Karnataka Election) জানানো হয়েছে, এই যে ৭১ হাজার চাকরি পাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছে ট্রেন ম্যানেজার, স্টেশন ম্যানেজার, সিনিয়র কমার্শিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক, ইনস্পেক্টর, সাব ইনস্পেক্টর, কনস্টেবল, স্টেনোগ্রাফার, জুনিয়র অ্যাকাউন্টট্যান্ট, পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ইনকাম ট্যাক্স ইনস্পেক্টর, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, টিচার, লাইব্রেরিয়ান, নার্স, প্রবেশনারি অফিসার, পার্সোনেল অ্যাস্টিস্ট্যান্ট। এছাড়াও বিভিন্ন পদে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, এদিন তাঁদের হাতেই নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি। কর্মযোগী প্রারম্ভের মাধ্যমে এঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    ১০ মে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। এ বছরই হবে ছত্তিসগড়, মিজোরাম, তেলঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। আগমী বছর হবে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে কর্মসংস্থানে আরও জোর দিল মোদি সরকার। দিল্লির কুর্সিতে (Karnataka Election) এলে বছরে দু কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। তবে ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে নানা সময় সরব হয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিজেপি বিরোধী একাধিক দল।

    বিরোধীদের মুখের মতো জবাব দিতে রোজগার মেলার আয়োজন করছে মোদি সরকার। এর আগে অক্টোবর মাসে ৭৫ হাজার চাকরি প্রাপকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নভেম্বর মাসে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন আরও ৭১ হাজার জনের হাতে। তার পর চার মাস যেতে না যেতেই ফের ১৩ এপ্রিল ৭১ হাজার জনের হাতে তুলে দেওয়া হবে চাকরির নিয়োগপত্র।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share