Blog

  • Weather Report: আগামী ৫ দিন আরও চড়বে পারদ! তাপপ্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কলকাতায় কী হবে?

    Weather Report: আগামী ৫ দিন আরও চড়বে পারদ! তাপপ্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কলকাতায় কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে নাজেহাল মানুষ। সকাল থেকেই গনগনে রোদ। বেলা গড়াতেই অস্বস্তির আবহাওয়া। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি এবং নববর্ষতে স্বস্তি মিলছে না আপাতত। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Report), আগামী ৫ দিন এই তাপমাত্রা আরও বাড়বে। জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    আগামী ৫ দিন বাড়তেই থাকবে তাপমাত্রা

    সকালে দেওয়া আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে (Weather Report) বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘন্টা অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল অবধি উত্তরবঙ্গের সব জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আগামী দিন পাঁচেকে হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের সমতল এলাকার দিনের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলিসয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

    বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি হতে পারে

    সোমবার দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলির অধিকাংশ জায়গায় তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রির ওপরে। কোথাও কোথাও তা ৪০ ডিগ্রিও ছাড়িয়ে গিয়েছে। এদিন সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় কলকাতা ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়া পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৮ ও ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সোমবার যা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ।

    বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি হতে পারে। এই গরমে ত্বকে জ্বলুনি ভাব আসতে পারে। লু বইবার আশঙ্কা। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। ক্রমশ বাড়বে তাপমাত্রা। আগামী কয়েকদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গের মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের নতুন পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কলকাতায় তাপমাত্রা আজই ৪০ ডিগ্রির কোঠা ছুঁয়ে যেতে পারে৷ আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৪৯ শতাংশ৷ ফিল লাইক তাপমাত্রা হবে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party: জাতীয় থেকে আঞ্চলিক! জানেন কী কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    National Party: জাতীয় থেকে আঞ্চলিক! জানেন কী কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন আর তারপর লোকসভা। তার আগেই জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারাল তৃণমূল (TMC Loses National Party Status)। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে অন্য রাজ্যে একাধিক বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় ফলের জেরে এই তকমা হারাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। চার রাজ্যে ‘স্থানীয় দলে’র তকমা না থাকায়, তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা প্রত্যাহার করে নিল নির্বাচন কমিশন। ফলে বাংলার শাসক দল এখন থেকে শুধুই আঞ্চলিক দল।

    কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারানোর পর একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে তৃণমূলকে এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যেমন—

    ১. জাতীয় দলের তকমা হারানোয় ইভিএম অথবা ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখা যাবে না তৃণমূলের প্রতীক চিহ্ন। 

    ২. দলের নামের আগে আর ‘সর্বভারতীয়’ শব্দটি ব্যবহার করতে পারবে না জোড়াফুল শিবির।

    ৩. নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও বিষয়ে জাতীয় দলগুলিকে আমন্ত্রণ জানাতে হয়। এ বার থেকে তৃণমূলকে আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য থাকবে না নির্বাচন কমিশন। 

    ৪. নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা বা নির্বাচনী বিধি তৈরির ক্ষেত্রে মতামত দিতে পারে জাতীয় দলগুলি। তৃণমূল সেই সুযোগ পাবে না।

    ৫. তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তবে তার প্রতীক স্থির থাকবে না।

    ৬. জাতীয় দলের স্বীকৃতি হারানোয়, আর্থিক অনুদানেও বড় ধরনের ফারাক লক্ষ্য করা যেতে পারে। অর্থের জোগান কমলে, দল চালাতে সমস্যা হবে।

     

    আরও পড়ুন: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    কেন হারাল তকমা?

    জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারিয়ে তৃণমূল যদিও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাবে দল এমনই তৃণমূল সূত্রে খবর। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেসকে জাতীয় দলের স্বীকৃতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু পরবর্তীকালে ২০২১-এ বাংলায় বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এলেও, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা ভোটে শোচনীয় ফল হয় তৃণমূলের। এই দুটি রাজ্যেই রাজ্য দলের তকমা হারায় মমতার দল। ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচনেও শোচনীয় হাল হয়। তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট শতাংশ ছিল ০.৮৮ শতাংশ, যা নোটার থেকেও কম। গোয়া বিধানসভা ভোটে একটিও আসনে জিততে পারেনি তৃণমূল। মাত্র ৫.২ শতাংশ ভোট পায় তারা। ফলে জাতীয় স্বীকৃতি হারাতে হল তৃণমূলকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে এনজেপি (NJP) স্টেশন ঢোকার আগেই কামাখ্যা-আনন্দবিহার এক্সপ্রেসের এক যাত্রীর ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির কোমর থেকে পা পর্যন্ত গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে যায়। সহযাত্রীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে তাঁরা তাকিয়ে দেখেন, ওই ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েছেন। এনজেপি (NJP) স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে রেল পুলিশ ও আরপিএফ তদন্তে নামে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    আটক যাত্রীদের জেরা করে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে, ওই ব্যক্তি প্রাক্তন সেনা কর্মী রাজস্থানের বাসিন্দা। গুয়াহাটি থেকে তিনি সোমবার ট্রেনে চেপেছিলেন। জেনারেল কামরায় বসার জায়গা নিয়ে তার সঙ্গে সহযাত্রীদের বচসা বাধে। নিজেকে সেনাকর্মী পরিচয় দিয়ে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি কোমর থেকে সে তার রিভলবার বের করে দেখায় এবং শূন্যে একটি গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। তাতেই আতঙ্কিত হয়ে সহযাত্রীরা তাঁর ওপর  ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রাক্তন সেনাকর্মী তখন তার  রিভলবারটি ধরে রাখতে গিয়ে কোনওভাবে তিন রাউন্ড গুলি ছিটকে তাঁর শরীরে ঢোকে। এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে। এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এনজেপি (NJP) স্টেশন লাগোয়া সেনা ক্যাম্পের থেকে জওয়ানদের একটি দল স্টেশনে (NJP) এসে খোঁজখবর নিতে শুরু করে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রেল পুলিশের তরফে সেনা বিভাগের প্রতিনিধিদের ডাকা হয় মৃতদেহ দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যাপারে। তবে, সেনা বিভাগের পক্ষ থেকে কেউ কোনও মন্তব্য করেনি।

    কী বললেন রেল পুলিশের আধিকারিক?

    রেল পুলিশ সুপার এস সালভা মুরুগান বলেন, কী করে ওই প্রাক্তন সেনা কর্মীর কোমর থেকে শরীরের নিচের দিকে তিন রাউন্ড গুলি চললো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, খুন না নিছক দুর্ঘটনা এ নিয়ে এখনও পরিষ্কার করে বলার মতো তথ্য আমাদের হাতে আসেনি। সব সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে সাতজন সহযাত্রী আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    সহযাত্রীরা কী বললেন?

    কামরার মধ্যে যাত্রীদের ভিড়ে থিক থিক করছে। অধিকাংশ যাত্রী ঘুমোচ্ছিলেন। আচমকাই কামরার মধ্যে গুলির আওয়াজ শুনে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সহযাত্রীরা বলেন, হঠাৎ গুলির শব্দে তাদের সকলের ঘুম ভাঙে। কেউ ভয়ে কামরার মধ্যেই ছোটাছুটি শুরু করেন, কেউবা চুপ করে নিজের জায়গাতে বসেছিলেন। কে গুলি চালিয়েছে এ নিয়ে তাঁরা জানেন না এমনটাই দাবি করেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আনন্দবিহার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অনেকক্ষণ এনজেপি (NJP) স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যে কোচে এই ঘটনা ঘটেছে সেই কোচটি কেটে আলাদা করে এনজেপি স্টেশনে রেখে দেওয়া হয়েছে তদন্তের জন্য। তারপর রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে এনজেপি (NJP) স্টেশন থেকে আনন্দবিহার এক্সপ্রেসকে রওনা করানো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    National Party: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দল (National Party) হিসাবে আর গণ্য করা যাবে না তৃণমূল কংগ্রেসকে। নির্বাচন কমিশন-এর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘সর্বভারতীয়’ তকমা নিয়ে মন্তব্য করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু অধিকারীর প্রশ্ন, তৃণমূলের নাম থেকে ‘সর্বভারতীয়’ শব্দটি কবে মুছবে? 

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমারকে ট্যুইট করে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি শুভেন্দু লেখেন, ‘‘ত্রিপুরা ভোটের ফলাফলের পরপরই আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় তকমা কেড়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরব হয়েছিলাম।’’

    ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর পরই তৃণমূলকে নিশানা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ে ভোটে লড়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। ত্রিপুরায় একটি আসনেও জিততে পারেনি জোড়াফুল শিবির। ট্যুইট করে শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনও রাজনৈতিক দলকে জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেতে হলে যে সমস্ত শর্ত পূরণ করতে হয়, তৃণমূল কংগ্রেস তা করতে ব্যর্থ। এই কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছ থেকে জাতীয় দলের তকমা কেড়ে নেওয়া হোক।

    সুকান্তর ট্যুইট

    তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোয় তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি ট্যুইটে লেখেন, ‘তৃণমূল জাতীয় দলের মর্যাদা হারিয়ে এখন আঞ্চলিক দল। মানুষ জানে তৃণমূল সরকার সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত। তোষণ ও সন্ত্রাসের সরকার তৃণমূলের। তাই তৃণমূলের বিস্তারে দিদির আকাঙ্খা বাস্তবায়িত হল না। এখন সরকারের পতনও সময়ের অপেক্ষা। মানুষ বেশিদিন আর এই সরকারকে বরদাস্ত করবে না’।

    দাবি-পাল্টা দাবি

    বঙ্গ বিজেপির অপর নেতা তথা রাজ্য বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছিল। কিন্তু, তাদের সর্বভারতীয় তকমাই ধরে রাখতে পারল না।’

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    তৃণমূল নেতা সৌগত রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁরা আইনিভাবে এই তকমা হারানোর জবাব নির্বাচন কমিশনকে দেবেন। পার্টির তরফে সৌগত রায়ের দাবি, ‘উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই কাজ করছে কমিশন।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: ফের বাড়ছে করোনা! উপসর্গ থাকলেই পরীক্ষা করান, পরামর্শ চিকিৎসকদের

    Covid-19: ফের বাড়ছে করোনা! উপসর্গ থাকলেই পরীক্ষা করান, পরামর্শ চিকিৎসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। কোভিডের (Covid-19) উপসর্গ থাকলেও, সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন অনেকে। তাই আক্রান্তের সংখ্যার এই ঊর্ধ্বমুখী রেখচিত্র রুখতে জ্বর, সর্দি-কাশিজনিত অসুস্থতা হলেই পরীক্ষার উপরে জোর দিচ্ছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)।

    কেন ফের এই সংক্রমণ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, গত তিন বছরের অভিজ্ঞতায় মানুষের করোনাজনিত মৃত্যু-ভয় প্রায় চলে গিয়েছে। ফলে সর্দি-কাশি-জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা গেলেও, তাঁরা তাতে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। চিকিৎসকদের মতে, পরীক্ষা করলে দেখা যাবে এঁদের একটি বড় অংশই করোনা-আক্রান্ত। কিন্তু পরীক্ষা না করার ফলে নিজের অজান্তেই ওই আক্রান্তেরা বাইরে বার হচ্ছেন এবং অন্যদের সংক্রমিত করছেন। ওই শৃঙ্খল ভাঙার জন্য যাঁদের উপসর্গ রয়েছে, তাঁদের হয় পরীক্ষা করা বা বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

    টিকা নিলেও সম্পূর্ণ সুরক্ষিত নন

    চিকিৎসকদের মতে, বিশেষ করে প্রতিষেধক যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের করোনা থেকে সুরক্ষিত বলে মনে করছেন। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার টিকার কার্যকারিতা ছ’মাসের পর থেকে কমতে শুরু করে। করোনা মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো কতটা প্রস্তুত তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। অতীতে করোনা মোকাবিলায় যে নিয়মগুলি মেনে চলা হয়েছিল, তা পুনরায় পালন করতে বলা হচ্ছে। ভিড়ে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা।

    আরও পড়ুুন: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    বুস্টার হিসেবে কোভোভ্যাক্স

    দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধির আবহে শীঘ্রই কেন্দ্রের কোউইন অ্যাপে মিলতে পারে কোভোভ্যাক্স। ফলে কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের পাশাপাশি আরও একটি টিকা বুস্টার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিনা জিএসটিতে টিকা প্রতি এর দাম হতে পারে ২২৫ টাকা। সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি এই টিকায় ছাড়পত্র দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাক্সিনের ২টি টিকা নেওয়ার পর বুস্টার হিসাবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে অভিমত টিকা প্রস্তুতকারকদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party in India: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    National Party in India: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বখাত সলিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তৃণমূল (TMC)! এবার জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা হারাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে। কেবল তৃণমূল নয়, সিপিআই এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপিও জাতীয় দলের মর্যাদা খুইয়েছে। তবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি পেয়েছে জাতীয় দলের তকমা। দিল্লি, গোয়া, পঞ্জাব ও গুজরাটে পারফরমেন্সের জন্য ওই মর্যাদা দেওয়া হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। ট্যুইট-বার্তায় কেজরিওয়াল বলেন, এত কম সময়ে জাতীয় পার্টির তকমা? এটা মিরাক্যালের চেয়ে কিছু কম নয়।

    জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা…

    আমাদের দেশের কোটি কোটি মানুষকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের এই জায়গায় নিয়ে আসার জন্য। মানুষ আমাদের কাছ থেকে অনেক বেশি আশা করেন। আজ মানুষ আমাদের একটা গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা যাতে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারি, সেই আশীর্বাদ ঈশ্বর আমাদের দিন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, জাতীয় দল (National Party in India) হতে গেলে তিনটি শর্তের অন্তত একটি পূরণ করতেই হয়। প্রথমত, লোকসভায় অন্তত চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেতে হবে। দ্বিতীয়ত, তিনটি রাজ্য থেকে লোকসভায় অন্তত ১১টি আসনে জিততে হবে এবং আগের জেতা আসনের অন্তত চারটিতে পুনরায় জিততে হবে। তৃতীয়ত, অন্তত চারটি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা পেতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    এই তিনটি শর্তের একটিও পূরণ করতে না পারায় জাতীয় দলের মর্যাদা হারাল তৃণমূল। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অরুণাচল ও মণিপুরে রাজ্য পর্যায়ের দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তৃণমূলকে জাতীয় দলের মর্যাদা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনে চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্য দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল তৃণমূল। সাত বছরের মাথায় খসে পড়ল সেই শিরোপা।

    জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা খোয়ানোয় কয়েকটি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এক, কোনও জাতীয় দলের চিহ্ন দেশের অন্য কোনও রাজ্যে অন্য কোনও দল ব্যবহার করতে পারবে না। দুই, দলীয় দফতর তৈরি করতে সরকারের কাছ থেকে জমি বা বাড়ি পায় জাতীয় দলগুলি। এবার আর তা পাবে না। তিন, নির্বাচনের সময় জাতীয় দল সর্বাধিক ৪০ জন তারকা প্রচারককে কাজে লাগাতে পারে। অন্য দলের ক্ষেত্রে এর সংখ্যা মাত্র ২০।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agnipath Scheme: জনস্বার্থে অগ্নিপথ প্রকল্পের বৈধতা বজায় রাখা প্রয়োজন, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Agnipath Scheme: জনস্বার্থে অগ্নিপথ প্রকল্পের বৈধতা বজায় রাখা প্রয়োজন, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনস্বার্থে অগ্নিপথ (Agnipath Scheme) প্রকল্পের বৈধতা বজায় রাখা প্রয়োজন। সোমবার একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেনা নিয়োগের এই প্রকল্পকে চ্যালেঞ্জ করে যে দুটি আবেদন জানানো হয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। আদালত জানায়, অগ্নিপথ কোনও স্বেচ্ছাচারী কর্মসূচি নয়। বেঞ্চের নির্দেশ, যাঁরা অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করার আগে প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য শারীরিক সক্ষমতা এবং মেডিক্যাল পরীক্ষার মতো নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁদের নিয়োগ পাওয়ার অর্জিত অধিকার নেই।

    অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath Scheme)…

    অগ্নিপথ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) সাংবিধানিক বৈধতার কথা জানিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লি হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। ভারতীয় সেনায় নিযুক্তি নিয়ে কেন্দ্রের চালু করা এই প্রকল্প নিয়ে দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছিল, অগ্নিপথ স্কিম আসার আগে যাঁরা সেনায় নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া যেমন, শারীরিক ও মেডিক্যাল টেস্ট সহ একাধিক পদ্ধতি দিয়ে নিযুক্তির পথে গিয়েছিলেন, তাঁদের নিযুক্তির অধিকার নেই। এই রায়কেই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি পিএস নরসিংহ, জেপি পারদিওয়ালার বেঞ্চ। আদালত বলছে, আমরা দুঃখিত, হাইকোর্টের রায়ে আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। হাইকোর্ট সমস্ত দিক দেখেই রায় দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই’, চিনকে হুঁশিয়ারি শাহের

    উল্লেখ্য, দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আর্জি জানিয়েছিলেন গোপাল কৃষ্ণাণ ও আইনজীবী এমএল শর্মা। দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পে হস্তক্ষেপ করার কোনও যথাযথ কারণ নেই। আদালতের যুক্তি ছিল, দেশের স্বার্থে এবং যে কোনও প্রতিরক্ষামূলক কাজে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করতেই এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, দেশের যুব সম্প্রদায়ের জন্য অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath Scheme) নিয়ে এসেছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। গত বছর জুন মাসে এই প্রকল্প ঘোষণা করা হয়। দেশের যুবকরা ৪ বছরের জন্য দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পাবেন। এই মর্মে নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই’, চিনকে হুঁশিয়ারি শাহের

    Amit Shah: ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই’, চিনকে হুঁশিয়ারি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সরকারের অধীনে ভারতের (India) দিকে চোখ তুলে তাকানোর ক্ষমতা কারও নেই। সোমবার অরুণাচল প্রদেশে চিনা সীমান্তের কাছে দাঁড়িয়ে এ কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রকল্পের সূচনা করতে দু দিনের সফরে শাহ এসেছেন অরুণাচল প্রদেশে। অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্তবর্তী গ্রাম কিবিথুতে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শাহ বলেন, আজ আমরা গর্ব করে বলতে পারি যে, আমাদের দিকে খারাপ দৃষ্টি দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই। তিনি বলেন, কেউ আমাদের এক ইঞ্চি জমিও নিতে পারবে না।

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন…

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চিন। তাদের বক্তব্য, সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করছে ভারত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে যে কেউ ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও জবরদখল করতে পারত। এখন ভারতীয় সূচ্যগ্র ভূখণ্ডও কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। ১৯৬২ সালে চিনা ফৌজের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অরুণাচল প্রদেশবাসীর অনমনীয় মনোভাবের প্রশংসা করে শাহ বলেন, এই মনোভাবই সে দিন হামলাকারীদের পিছু হঠতে বাধ্য করেছিল। ওই যুদ্ধে কিবিথুতে চিনা হামলায় শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের শ্রদ্ধা প্রদর্শনও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ((Amit Shah)) অরুণাচল প্রদেশ সফরের আগেই বিবৃতি জারি করে চিনা বিদেশ মন্ত্রক বলেছিল, এই পদক্ষেপ (শাহের সফর) দ্বিপাক্ষিক শান্তি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। আমাদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। চিনা হুমকি উপেক্ষা করেই এদিন চিন সীমান্তে সভা করেন শাহ। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে ভাবনায় বদল এসেছে। কেন্দ্র এখন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়নকে সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি আর এখন শেষ গ্রাম নয়, প্রথম গ্রাম। এটাই ভাবনার বদল।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার অরুণাচল প্রদেশের ১১টি এলাকার নাম বদলে দেয়। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ, দুটি মালভূমি অঞ্চল, দুটি আবাসিক এলাকা এবং দুটি নদী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, ২০১৪ সালের আগে পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চল উপদ্রুত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু গত ৯ বছরে প্রধানমন্ত্রীর লুক ইস্ট নীতির কারণে উত্তর-পূর্ব ভারতও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ মে পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে চায় তৃণমূল (TMC) সরকার। ভোট হবে এক দফায়। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় এমন দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ২ মে পঞ্চায়েত ভোট করাবে রাজ্য সরকার। সব খবর আমার কাছে থাকে। একটা ফেজে ভোট করাবে। পুলিশ দিয়ে ভোট করাতে চাইছে। যাতে রক্তগঙ্গা বওয়াতে পারে, তার ব্যবস্থা করছে।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন…

    তিনি বলেন, এক দফায় ভোট করার কারণ যাতে শত শত মানুষ মারা যায়। এই ব্যবস্থা করছে অত্যাচারী অহংকারী ভাইপোর একমাত্র পিসি। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে অশান্তির আশঙ্কা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তবে শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া দেয়নি দেশের শীর্ষ আদালত। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করুন না, দেখবেন জেলায় ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত আসন আছে। তার মধ্যে ২০টি আসন পাবেন না। গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় বিজেপি যে তৃণমূলের চেয়ে এক শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছিল, তাও মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় এনআইএ তদন্তের দাবি, রায় ঘোষণা স্থগিত রাখল হাইকোর্ট

    লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে খেলা দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, আপনাকে তো খেলা আমি দেখাব লোকসভায়। গত বিধানসভা নির্বাচনের ফলের নিরিখে তমলুক ও কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তিনি বলেন, ঘাটাল নেব, তমলুক দেড় লাখে জিতব, কাঁথি তিনের ওপরে যাবে। লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সব কটি আসনই বিজেপির ঝুলিতে যাবে বলেও দাবি শুভেন্দুর।

    তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনটে এজেন্ডা। প্রথম হল পরিবারবাদ, যেন তেন প্রকারেণ ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয় তোষণ। সংখ্যালঘু বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খ্রিষ্টান, মুসলিমদের উন্নয়নের ভাবনা তাঁর নেই। তাঁর ভাবনা হচ্ছে তুষ্টিকরণ করে কী করে ভোটব্যাঙ্কটা ঠিক রাখব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, শিবপুর, রিষড়ায় দাঙ্গা কোনও সম্প্রদায়ের লোক করেনি। দাঙ্গা করেছে তৃণমূলের মুসলিম নেতারা। দাঙ্গাবাজ কারা? তৃণমূল। দাঙ্গাবাজদের নেত্রী কে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দাঙ্গাবাজদের হঠাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি এক শিক্ষক ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় এবং তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় ওই কেলেঙ্কারি ফের অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। কিন্তু এবার দেখা গেল, সরষের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে ভূত। এবার একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এক পদস্থ কর্তাকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুই ব্যক্তিকে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বড় অঙ্কের টাকা তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারিত এক ব্যক্তি বরাহনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে ওই অভিযোগের তদন্তভার হাতে নেয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। গ্রেফতার করা হয় সোমনাথ ভট্টাচার্য নামে ওই আধিকারিককে, যিনি কলকাতা পুলিশের অষ্টম ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে কর্মরত ছিলেন।

    কী অভিযোগ ওই অফিসারের বিরুদ্ধে ?

    অভিযোগ অনুযায়ী, বরাহনগরের বাসিন্দা এক ব্যক্তির কাছ থেকে ওই পুলিশ অফিসার (Kolkata Police) দু-দফায় ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। পানশালার লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বোনের চাকরি করে দেবেন, এমন আশ্বাসও তিনি দিয়েছিলেন। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে যা হয়, সেটাই ঘটেছে। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পরও পানশালার লাইসেন্স মেলেনি, বোনের চাকরিও হয়নি। উত্তরপাড়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তিও একই অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, তাঁর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৩০ লক্ষ টাকা। এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ কমিশনারেট পুলিশকর্তাকে গ্রেফতার করে। আদালতে এই অফিসারের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ হয়েছে।

    আরও কার কার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন, শুরু তদন্ত

    পুলিশ এখন ওই অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইছে, কার কার কাছ থেকে তিনি কত টাকা নিয়েছিলেন। এই ধরনের দুর্নীতির জাল আরও কতদূর বিস্তৃত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অফিসারকে গ্রেফতার করার আগে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সরকারের বিভিন্ন গ্রুপ ডি এবং অস্থায়ী পদে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা তুলতেন। পাশাপাশি মদের দোকানের লাইসেন্স পেতে অনেকেই তাঁকে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এত বড় পদে থেকে কিভাবে তিনি এই ধরনের কাজ করলেন, তা দেখে অনেকেই অবাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share