Blog

  • Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) করেছিলেন একদিন আগেই। আর কেন্দ্রের বিরোধী দল কংগ্রেসের (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) তাঁর ট্যুইটারের প্রোফাইল পিকচার বদলালেন একদিন পরে। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই রাহুলও বদলালেন প্রোফাইল পিকচার।

    রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিনই তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ করেন, হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজাদির অমৃত মহোৎসবের অধীনে আগামী ১৩ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমরা হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশীদার হোন এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহারের অনুরোধও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই নিজের ডিসপ্লে পিকচার বদলান রাহুল। তাঁর পোস্ট করা ছবিটি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সাদা কালো ছবি। তবে তাঁর হাতে ধরা জাতীয় পতাকাটি রঙিন। সঙ্গে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির ট্যুইট, দেশের গর্ব, আমাদের তেরঙ্গা / প্রতিটি হিন্দুস্তানির হৃদয়ে, আমাদের তেরঙ্গা।

    রাহুলের এহেন পোস্টে অন্য ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক মহল। একদিকে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাহুল বদলেছেন ডিপির ছবি। আবার নেহরুর ছবি দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অবদানের কথাও দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাইলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ২ অগাস্ট পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়ার জন্মবার্ষিকী। তিনি জাতীয় পতাকার নকশা এঁকেছিলেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের ডিপি হিসেবে ব্যবহার করুন তেরঙ্গার ছবি।

    আরও পড়ুন : ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

     

  • Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee)। সম্প্রতি তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছে তাঁর দল তৃণমূল (TMC)। পার্থের মাথার ওপর থেকে আশীর্বাদী হাত সরে গিয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। আক্ষরিক অর্থেই একা হয়ে গিয়ে পার্থের দাবি, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই দাবিকেই হাতিয়ার করেছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর প্রশ্নবাণ, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন?

    এসএসসি দুর্নীতিকান্ডে তদন্তে নেমে কেঁচো নয়, কেউটের সন্ধান পেয়েছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ ও তাঁর ঘনিষ্ঠ জনৈক অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রাশি রাশি টাকা। হাইকোর্টের নিয়ম মেনে এদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্থ অর্পিতাকে। সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অর্পিতা। আর পার্থ দাবি করেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’কেই অস্ত্র করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন? দিলীপ বলেন, উনি কোনও সাধারণ মানুষ নন। ওনার দায়িত্ব লোকের সামনে নিয়ে আসা। উনি মন্ত্রী, এত বড় নেতা, পুরানো রাজনীতিবিদ। তাই লোকে ওনাকে এত টাকা দিয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষের বিশ্বাসটাকে রেখে বাংলার রাজনীতি যাতে কলুষমুক্ত হয়, সেজন্যও অন্তত ওনার বলা উচিত কারা চক্রান্ত করছে। এখন ফেঁসে গিয়েছেন। সত্যি সত্যিই কেউ চক্রান্ত করে থাকলে বলা উচিত।

    আরও পড়ুন : বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এদিন অর্পিতাকেও নিশানা করেছেন দিলীপ। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, উনিও ঘর থেকে বেরনোর সময় বলেছিলেন বিজেপির চক্রান্ত। কান্নাকাটি করে তো আর বাঁচা যাবে না। তাহলে হয়তো লঘু হতে পারে সাজা। নইলে আরও কঠোর সাজা হবে। তিনি বলেন, উনি কান্নাকাটি না করে সত্য সামনে নিয়ে আসুন।

    এদিন তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন প্রদেশ কংগ্রস সভাপতি অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, তৃণমূলের ভোটার, সমর্থকরা সৎ। তাঁদের সততা, আন্তরিকতাকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতারা ধনকুবেরে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলার মানুষ নতুন চেহারা দেখছেন তৃণমূলের। সবে তো শুরু হয়েছে, এখনও অনেক বাকি রয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, কে ষড়যন্ত্র করেছে, সেই নামটা ওঁর নির্দিষ্ট করে বলা উচিত। কারণ বাংলার মানুষ গভীরতম ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলার মানসম্মান নষ্ট হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বলা উচিত কে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। না হলে একথা বলার কোনও মানে হয় না। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, চক্রান্ত হলে আইনের পথ খোলা রয়েছে।

     

  • Parvati Idol: মন্দির থেকে নিলামঘরে! ৫০ বছর আগে চুরি যাওয়া দেবীমূর্তির খোঁজ মিলল নিউইয়র্কে

    Parvati Idol: মন্দির থেকে নিলামঘরে! ৫০ বছর আগে চুরি যাওয়া দেবীমূর্তির খোঁজ মিলল নিউইয়র্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ বছর আগে চুরি হওয়া পার্বতী মূর্তির খোঁজ পাওয়া গেল এতদিনে! হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। অর্ধশতক পেরিয়ে গেলেও  খোঁজ মেলেনি মন্দির থেকে উধাও হওয়া দেবী পার্বতীর মূর্তি। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর কুম্বাকোনামের  (Kumbakonam) থান্ডানথোট্টামের (Thandanthottam) নন্দনাপুরেশ্বরার শিব মন্দির (Nadanapureshwarar Sivan Temple) থেকে চুরি হয় দেবী পার্বতীর মূর্তিটি৷ এরপর ৫০ বছর কেটে যায়। কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে গতকাল তার সন্ধান দিলেন সিআইডি আইডল উইংয়ের আধিকারিক। তাঁরা জানান, মূর্তিটি বর্তমানে নিউ ইয়র্কে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    [tw]


    [/tw]

    মূর্তিটি চুরি হওয়ার পর ১৯৭১ সালে স্থানীয় পুলিশকে ঘটনাটি জানানো হয়েছিল৷ এরপর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারপর আবার ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে কে বাসু (K Vasu) নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করে আইডল উইং৷ তবুও এই মামালা পড়েই ছিল৷ এরপর আইডল উইংয়ের ইনস্পেক্টর এম চিত্রা এই মামলার তদন্তভার নেন এবং চোল রাজত্বকালের এই দেবী পার্বতী মূর্তির খোঁজ শুরু করেন৷ বিভিন্ন মিউজিয়াম এবং অকশন হাউসগুলিতে তল্লাশি শুরু করেন৷ এরপরেই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বনহ্যামস নিলাম ঘরে (Bonhams Auction House) পাওয়া গিয়েছে মূর্তিটি। আইডল উইংয়ের সিআইডি ডিজিপি জয়ন্ত মুরালি (Jayanth Murali, DGP, Idol Wing CID) জানিয়েছেন, মূর্তিটি দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে৷

    সিআইডি তরফে জানানো হয়েছে, বারোশো শতকের চোল রাজত্বকালের তামার তৈরি মূর্তির উচ্চতা ৫২ সেমি। এর দাম ২লক্ষ ১২ হাজার ৫৭৫ মার্কিন ডলার৷ আর ভারতীয় মুদ্রায় এর দাম ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ২৬ হাজার ১৪৩ টাকা। দক্ষিণ ভারতে পার্বতী বা উমাকে দেবী হিসাবে সাধারণত দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর মাথায় ‘করন্দা মুকুট’ নামের একটি মুকুট আছে৷ এর চূড়ায় একটি পদ্মের কুঁড়ি আছে। এই মূর্তির গলার নেকলেস, বাহুবন্ধ, কোমরবন্ধ, পোশাকে মুকুটের ডিজাইনই দেখা যায়৷

  • CBSE 10th Result: কবে জানা যাবে সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফলাফল? জেনে নিন

    CBSE 10th Result: কবে জানা যাবে সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফলাফল? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মে মাসের ২৪ তারিখে শেষ হয়েছে দশম শ্রেণির পরীক্ষা। সময়ে মধ্যেই ফল (CBSE 10th Result) ঘোষণা করতে কোমর বেঁধেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)। এর মধ্যেই খাতা দেখার প্রক্রিয়া চালু করে দিয়েছে সিবিএসই। শিক্ষকদের খাতা দেখা শেষ করে জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২০ জুনের মধ্যে খাতা দেখা শেষ করতে হবে। মনে করা হচ্ছে জুনের শেষেই মার্কশিট হাতে পেয়ে যাবে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা। ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে  cbseresults.nic.in– এই লিঙ্কে।    

    দ্বাদশের পরীক্ষাও শেষ হয়েছে ১৫ জুন। জুলাইয়ের ১০ তারিখের মধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ফল ঘোষণার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। 

    কোভিড অতিমারী ফের হানা দিতে পারে এই ভয়ে, শিক্ষাবর্ষকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি টার্মে ৫০ শতাংশ করে সিলেবাস সম্পূর্ণ করা হয়েছিল। তাই দুটি টার্মের আলাদা আলাদা ফল প্রকাশ করবে সিবিএসই। প্রথম টার্মের ফল ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। এবার দুই টার্ম মিলিয়ে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে বোর্ড।    

    আরও পড়ুন: আইআইটিদের ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় নজর কাড়ল আইআইএসসি ব্যাঙ্গালুরু

    চূড়ান্ত ফলে প্রথম টার্ম, দ্বিতীয় টার্ম এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অন্তর্ভূক্ত হবে। পরীক্ষার্থীকে সবমিলিয়ে পাশ করতে হবে। সিবিএসই টার্ম ওয়ানে কেউ ফেল করেনি। তাই দ্বিতীয় টার্মের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়েছিল। কোন ভাগে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে, সেটা এখনও জানা যায়নি। পড়ুয়াদের কোনও বিষয়ে পাশ করতে গেলে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে। যে সব বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল রয়েছে, সেখানে আলাদাভাবে থিওরি এবং প্র্যাকটিক্যালে পাশ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    কোভিড অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় গত বছর দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির অফলাইন পরীক্ষা বাতিল করেছিল সিবিএসই। প্রায় সমস্ত ছাত্রছাত্রীকেই পরের ক্লাসে তুলে দেওয়া হয়। দ্বাদশ শ্রেণিতে পাশ করেছিল ৯৯.৩৭ শতাংশ পড়ুয়া। দশমের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ছিল ৯৯.০৪ শতাংশ। ২০২০ সালে সিবিএসই দশমের পরীক্ষায় পাশ করেছিল ৯১.৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৯.৩৭ শতাংশ। 

     

  • Rakesh Jhunjhunwala: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    Rakesh Jhunjhunwala: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ (Big Bull) রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা (Rakesh Jhunjhunwala)। রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় ‘ভারতের নিজের ওয়ারেন বাফেটে’র (India’s own Warren Buffet)। বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। এদিন আচমকা ফের অসুস্থ হয়ে পড়ায় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে নিয়ে আসা হয় মুম্বইয়ের (Mumbai) ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে পরিবারের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি। জানা গিয়েছে, গত মাসেই একবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন রাকেশ। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আকাশা এয়ারলাইন্সের উদ্বোধনের সময়ও হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে একটি সূত্রের খবর।

    ১৯৮৫ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা নিয়ে শেয়ার মার্কেটে (Share Market) এসেছিলেন রাকেশ। তার পর ক্রমে ক্রমে পরিণত হয়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের বিগ বুলে। বলা হয়, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে কখনওই ভুল করতেন না তিনি। দিন কয়েক আগে একটি জুতো প্রস্তুতকারী সংস্থার শেয়ার কিনেছিলেন রাকেশ। কয়েক দিনের মধ্যে সেটিও পৌঁছে গিয়েছিল সর্বোচ্চ দরে। তিনি একদিনে লাভ করেন ২২১ কোটি টাকা। কিছু দিন আগেই আকাশে ডানা মেলে তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় আকাশা এয়ারলাইন্সের বিমান। যে অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছিল হুইলচেয়ারে বসে থাকতে।

    আরও পড়ুন : ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    শেয়ার বাজারের লভ্যাংশ রাকেশ বিনিয়োগ করেছিলেন একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যে। ফোবর্স ম্যাগাজিনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে রাকেশের সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অ্যাপটেক লিমিটেড ও হাঙ্গামা ডিজিটাল মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন রাকেশ। ছিলেন একাধিক সংস্থার ডিরেক্টরও।

    ১৯৬০ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রাকেশ। কলেজে পড়াশোনা করার সময়ই বিনিয়োগ করতে শুরু করেন শেয়ার বাজারে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বাবার কথা শুনে ও তাঁরই অনুপ্রেরণায় দালাল স্ট্রিটে পা রেখেছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে টাটা টি-র পাঁচ হাজার শেয়ার কিনেছিলেন মাত্র ৪৩ টাকা দিয়ে। তিন মাসের মধ্যেই সেই শেয়ারের দাম পৌঁছে গিয়েছিল ১৪৩ টাকায়। এর পরেই শেয়ার বাজারে ক্রমেই বাড়তে থাকে বিনিয়োগের পরিমাণ। পরর্বতী তিন বছরে শেয়ার বাজার থেকে তিনি আয় করেন ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। তার পর থেকে শেয়ার বাজার থেকে তাঁর আয়ের লেখচিত্র হয়েছে ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

  • SSC scam: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    SSC scam: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) দফতরে অভিযান চালাল সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার সকাল ন’টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ছয় সদস্যের একটি দল যায় সল্টলেকের ডিরোজিও ভবনে। তদন্তকারীরা কথা বলেন আধিকারিকদের সঙ্গেও। এদিকে, এদিনই উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই।এদিন সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল যায় তাঁর সার্ভে পার্কের বাড়িতে।

    এসএসসি দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে। সেই শিকড়ের গোড়ায় পৌঁছতেই এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল হানা দেয় সল্টলেকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দফতরে। কথা বলেন পর্ষদের আধিকারিকদের সঙ্গে। খতিয়ে দেখেন প্রয়োজনীয় নথিপত্রও। কাদের কাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, তা জানতে আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।

    সিবিআইয়ের একটি দল যখন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দফতরে অভিযান চালাচ্ছে, প্রায় ঠিক সেই সময়েই অন্য একটি দল হানা দেয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে। এসএসসি গ্রুপ সি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই।শান্তিপ্রসাদ ছাড়াও নাম রয়েছে তৎকালীন প্রোগ্রামার সমরজিৎ আচার্য, তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৌমিত্র সরকার, তৎকালীন সচিব অশোক কুমার সাহা এবং তৎকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের।

    সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদের বাড়ির সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শান্তিপ্রসাদের কোথায় কী সম্পত্তি রয়েছে, তাও জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা।  

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উপদেষ্টা কমিটির পাঁচ সদস্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে খোঁজখবর করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এই পাঁচজনের নামে-বেনামে গত পাঁচ বছরে কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, এদিন সার্ভে পার্কের একটি আবাসনের তিন তলায় শান্তিপ্রসাদের বাসভবনে পৌঁছান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। নথিপত্র দেখিয়ে ফ্ল্যাটে ঢোকেন তাঁরা। পরে বন্ধ হয়ে যায় ফ্ল্যাটের দরজা। তারপর আর দীর্ঘক্ষণ খোলেনি।

    সিবিআইয়ের দাবি, এসএসসি দুর্নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে শান্তিপ্রসাদের। দুর্নীতি করতেই বেআইনি কমিটি গড়ে তার উপদেষ্টা পদে বসানো হয়েছিল তাঁকে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদের গ্রেফতারি এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • SSC Recruitment: দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি ৭ হাজার পদ তৈরি এসএসসি-তে?

    SSC Recruitment: দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি ৭ হাজার পদ তৈরি এসএসসি-তে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : স্কুল সার্ভিস কমিশনে দুর্নীতির(ssc scam) অভিযোগে ল্যাজেগোবরে দশা তৃণমূল(tmc) পরিচালিত রাজ্য সরকারের। সেই দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই তড়িঘড়ি সৃষ্টি করা হল প্রায় সাত হাজার পদ। ওয়েটিং লিস্টে থাকা শিক্ষকদের চাকরি দিতেই জারি হয়েছে বিজ্ঞপ্তিও। মেধাতালিকার শেষের দিকে নাম থাকা সত্ত্বেও রাজ্যের এক মন্ত্রীর মেয়েকে অন্যায়ভাবে শিক্ষকের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল জমানায় শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতিও হয়েছে। জোড়া অভিযোগে সরগরম রাজ্য। এই কেলেঙ্কারির(scam) দিক থেকে নজর ঘোরাতেই রাজ্য সরকারের এই বিজ্ঞপ্তি জারি বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই”, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহাল সিবিআই তদন্ত

    ২০১১ সালে বামেদের হঠিয়ে রাজ্যের কুর্সিতে আসে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(mamata banerjee) স্বয়ং। অভিযোগ, তার পরেই শুরু হয় ‘পাইয়ে দেওয়ার’ খেলা। কাউকে অন্যায়ভাবে চাকরি, কাউকে বড় কোনও পদ দিয়ে দলে ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। সময় যত গড়িয়েছে, পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির খেলায় ততই পোক্ত হয়েছে তৃণমূলের ভিত। সম্প্রতি সেই কেলেঙ্কারিই প্রকাশ্যে এসেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের নেওয়া পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দলীয় কর্মী কিংবা তাঁদের ছেলেমেয়ে অথবা তাঁদের সুপারিশ করা পরীক্ষার্থীদের শিক্ষকের চাকরি দেওয়া হয়েছে অন্যায়ভাবে। যার জেরে বঞ্চিত হয়েছেন যোগ্য প্রার্থীরা। ওয়েটিং লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাননি অনেকে। আবার মেধাতালিকার শেষের দিকে নাম থাকলেও, কেউ হয়তো চাকরি পেয়েছেন তালিকার ওপরে থাকা পরীক্ষার্থীদের টপকে গিয়ে। অন্যায়ভাবে চাকরি পাওয়ায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর(paresh adhikary) মেয়ে অঙ্কিতাকে বরখাস্ত করার নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতির জাল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও জেরা করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা।  

    আরও পড়ুন : চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    গত কয়েকদিন ধরে এসএসসির এই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসায় জেরবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য সরকার। তার পরেই শুরু হয় সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার প্রচেষ্টা। সেই মতো রাতারাতি সৃষ্টি করা হয় ৬ হাজার ৮৬১টি পদ। রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরে তাতে সই করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তার পরেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। ওয়েটিং লিস্টে থাকা শারীর শিক্ষা, কর্মশিক্ষা এসএলএসটিসহ যাবতীয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের চাকরি দিতেই নয়া বিজ্ঞপ্তি। এই সব শূন্য পদে নিয়োগ, যাচাই পর্ব এবং সুপারিশের দায়িত্বে থাকবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। যদিও যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে আদালতের নির্দেশ মেনে।

    আরও পড়ুন : নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    জানা গিয়েছে, নবম-দশম শ্রেণির সহকারি শিক্ষকের জন্য নয়া পদ সৃষ্টি হয়েছে ১৯৩২টি। একাদশ-দ্বাদশে ২৪৭টি, গ্রুপ সি ১১০২, গ্রুপ ডি ১৯৮০টি এবং কর্মশিক্ষা ও শারীর শিক্ষার সহকারি শিক্ষক নিয়োগে মোট ১৬০০ নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

     

  • Covid Vaccine: করোনা-রুখতে শিশুদের টিকাকরণে গতি আনতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Covid Vaccine: করোনা-রুখতে শিশুদের টিকাকরণে গতি আনতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের ঊর্ধ্বমূখী করোনার গ্রাফ। ক্রমেই বাড়ছে সংক্রমণ। এরমধ্যেই স্কুলও খুলে গিয়েছে। গত দু’সপ্তাহে ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোভিড সংক্রমণ বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সংক্রমণের শিকার হচ্ছে সেই সব বাচ্চা, যারা এখনও টিকার একটিও ডোজ় পায়নি। তাই খুদেদের টিকাকরণে গতি আনতে তৎপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রয়োজনে স্কুলগুলিতে বিশেষ টিকাকরণ শিবির আয়োজন করার পরামর্শও দেন তিনি।
    সংক্রমণের চতুর্থ ঢেউ রুখতে বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে করোনা-সংক্রান্ত ২৪তম বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মোদী বলেন, ‘‘ওমিক্রন ও তার উপপ্রজাতি ইউরোপে সক্রিয়। যার ফলে ওই মহাদেশের বিভিন্ন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সংক্রমণ বাড়ছে ভারতেও।’’ প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকেরা। তাই যে শিশুরা টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত টিকাকরণের উপরে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এত দিন ৬-১২ বছর বয়সিরা টিকাকরণের আওতার বাইরে রয়ে গিয়েছিল। ওই বয়সের কারও টিকাকরণ না করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় ওই বয়সিদের মধ্যে বেশি করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করছিলেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা। তাই দেরি না করে গতকালই ৬-১২ বছর বয়সিদের জন্য ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকা মঞ্জুর করেছে মোদী সরকার। 
    এদিন এ প্রসঙ্গে মোদী বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের মধ্যে টিকাকরণের হার বাড়াতে প্রয়োজনে বিদ্যালয়গুলিতে টিকাকরণ শিবির করতে হবে।’’ তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন করার উপরেও জোর দেন। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিতে চলছে ১২-১৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। বর্তমানে দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ টিকার অন্তত একটি ডোজ় পেয়েছেন। ১৫ বছরের বেশি বয়সি অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতিমধ্যেই টিকার দু’টি ডোজ় পেয়ে গিয়েছে।
    বর্তমানে এ দেশে টিকাকরণের মাধ্যমে কোভিডের বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচকে শক্তিশালী করতে দেশের স্বাস্থ্যকর্মী, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের পরে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রিকশান বা বুস্টার ডোজ় দেওয়া শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক-শিক্ষিকা বা বাড়িতে শিশুসন্তান রয়েছে এমন বাবা-মায়েদেরও প্রিকশান ডোজ় নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। নিয়মানুযায়ী, দ্বিতীয় ডোজ় নেওয়ার ন’মাস পরে প্রিকশান ডোজ় নিতে পারবেন এক ব্যক্তি। এ ছাড়া, সংক্রমণকে দ্রুত চিহ্নিতকরণ করতে সর্দি-কাশির উপসর্গ থাকলেই আরটিপিসিআর পরীক্ষা করানোর উপরে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রিপোর্ট পজ়িটিভ এলে সেই নমুনা জিনোম পরীক্ষার জন্য পাঠানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্যকর্তাদের মতে, ওই জিনোম পরীক্ষাই বলে দেবে দেশের কোনও প্রান্তে সংক্রমণ ছড়ানোর প্রশ্নে করোনা ভাইরাসের কোন প্রজাতি সক্রিয়। যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে মন্ত্রক।

  • Cardless Cash Withdrawl: এবার কার্ড ছাড়াই ATM থেকে তোলা যাবে টাকা! কীভাবে, জেনে নিন

    Cardless Cash Withdrawl: এবার কার্ড ছাড়াই ATM থেকে তোলা যাবে টাকা! কীভাবে, জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ব্যাঙ্ক গ্রাহকরা যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম (Bank ATM) থেকে কার্ডবিহীন নগদ টাকা তুলতে পারবেন। শীঘ্রই এই কার্ডলেস ব্যবস্থা (Cardless Cash Withdrawl) চালু হতে চলেছে বলে জানি গিয়েছে। 

    সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India) ঘোষণা করেছে, সমস্ত ব্যাঙ্কের এটিএম-এই কার্ড ছাড়া লেনদেনের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ব্যাঙ্কের সমস্ত ব্রাঞ্চেই এই সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

    দেখে নেওয়া যাক কীভাবে এই কার্ড ছাড়া লেনদেন হবে। ধরে নেওয়া যাক, এক জন এসবিআই-এর গ্রাহক যদি ১০ হাজার টাকা এটিএম থেকে তুলতে চান। সেক্ষেত্রে তাঁকে কী করতে হবে। প্রথমে এসবিআই-এর মোবাইল ব্যাঙ্কিং অ্যাপ (Mobile Banking App) বা ইয়োনো ডাউনলোড করে নিতে হবে। 

    এর পর কাছের এটিএমে গিয়ে সিলেক্ট করতে হবে ইওনো-এর মাধ্যমে নগদ টাকা তোলার পদ্ধতি। কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে এর পর কত টাকা তুলতে চান, তার একটি অঙ্ক জানতে চাওয়া হবে। সেখানে নির্দিষ্ট অঙ্ক, উদাহরণ মতো ১০ হাজার লিখতে হবে।

    এর পর গ্রাহক একটি ওটিপি পাবেন। তাঁকে সেই ওটিপি দিতে হবে এটিএম স্ক্রিনে। তা হলেই এই লেনদেন সম্পূর্ণ হবে। আপাতত আইসিআইসিআই, কোটাক মহিন্দ্রা, এইচডিএফসি ও এসবিআই-এর মতো কিছু ব্যাঙ্কে এই সুবিধা রয়েছে।

    এই বিষয়ে আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস (RBI Governor Shaktikanta Das) বলেন, ‘এবার দেশের সব ব্যাঙ্কেই ইউপিআই ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে। এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতে লেনদেন আরও সহজ হবে। 

    ভারতের লেনদেন ব্যবস্থা ক্রমশ অনেকটাই মোবাইল ভিত্তিক হয়ে পড়ছে। মুদি দোকান থেকে চায়ের দোকান বা শপিং মলের কোনও বড় দোকান, সর্বত্রই ইউপিআই (UPI) ব্যবহার করে লেনদেন করা হয়। তবে দেশে খুব কম সংখ্যক ব্যাঙ্কের এটিএম-এ কার্ডলেস লেনদেন করা যায়। 

    আরবিআই-এর (RBI) মতে এই পদ্ধতিতে টাকা তোলার নিয়ম চালু হলে কার্ড স্কিমিং বা ক্লোনিং (card cloning) বন্ধ হবে। স্কিমার বা অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হ্যাকাররা সাধারণ মানুষের টাকা চুরি করতে পারবে না। এর অর্থ, এই ধরনের লেনদেন চালু হলে এটিএম সম্পূর্ণ নিরাপদ হবে।

     

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠানোর খবর অস্বীকার ভারতের

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠানোর খবর অস্বীকার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) ভারত সেনা পাঠাচ্ছে না। বুধবার সাফ জানিয়ে দিল কলম্বোস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন (India in Sri Lanka)। সংবাদ মাধ্যমের একাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় ভারত সেনা পাঠাচ্ছে বলে খবর ছড়ায়। সেই খবর যে ভুয়ো, তা জানিয়ে দেওয়া হল ভারতীয় হাইকমিশনারের (Indian High Commissioner) তরফে। 

    গত কয়েক মাস ধরে আর্থিক সঙ্কটে (economic crisis) ভুগছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। দেশে বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার বাড়ন্ত। বিদেশি মুদ্রার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে নিউজপ্রিন্ট। যার জেরে সংবাদপত্র ছাপানো বন্ধ। শ্রীলঙ্কার মানুষের ভরসা আপাতত বিভিন্ন বৈদ্যুতিন মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া। কাগজের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা। দেশজুড়ে দেখা গিয়েছে জ্বালানির সঙ্কট। কয়লার অভাবে ফি দিন ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বল্গাহীন। সরকারের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে প্রায়ই। দলে দলে লোকজন দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন পড়শি দেশগুলিতে।

    [tw]


    [/tw]

    শ্রীলঙ্কাবাসীর দাবি, প্রাক্তন ‘চিনপন্থী’ প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের (Mahinda Rajapaksa) ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দেউলিয়া হয়েছে দেশ। তাই দিনকয়েক ধরে তাঁর পদত্যাগ দাবি করছিল বিরোধী দলগুলি। বিরোধীদের ক্রমাগত চাপের মুখে শেষমেশ নতিস্বীকার করেন মাহিন্দা। ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট গোতারায়া রাজাপক্ষের  (Gotabaya Rajapaksa) কাছে। তার পরেও দ্বীপরাষ্ট্রে নেভেনি অশান্তির আগুন। সরকার ও সরকার বিরোধীদের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন পাঁচজন। পরিস্থিতির মোকাবিলায় দেখা মাত্র গুলির (Shoot at Sight) নির্দেশ সেনাকে (Sri Lanka Army) দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। তার পরেও অশান্তির আঁচ নিভছে কই?

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কার এমপিরা ভারতে? নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

    এহেন আবহে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর ছড়ায়, শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশনারের তরফে অবশ্য এ খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। কমিশনারের তরফে করা এক টুইটে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠানোর যে খবর ছড়ানো হচ্ছে, তা ঠিক নয়। ভারত সরকার এখনও পর্যন্ত এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সেনা না পাঠালেও পড়শি দেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বেশ কয়েক দফায় দ্বীপরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী। পাশাপাশি, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বলেছেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থরক্ষাকেই সর্বদা মর্যাদা দেবে ভারত”।

       

LinkedIn
Share