Blog

  • Richa Chadda: সেনাকে অপমান করে ট্রোলড রিচা চাড্ডা, ক্ষমা চাইলেন ট্যুইটারে

    Richa Chadda: সেনাকে অপমান করে ট্রোলড রিচা চাড্ডা, ক্ষমা চাইলেন ট্যুইটারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোস্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে বিপাকে রিচা চাড্ডা (Richa Chadda)। ভারতীয় সেনাকে অপমান করার অভিযোগে রিচার বিরুদ্ধে সরব নেট নাগরিকরা। এবার নিজের পোস্টের জন্যে ট্যুইটারে ক্ষমা চাইলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। 

    বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডার ট্যুইট ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একাধিক মানুষ অভিনেত্রীর ক্ষমার দাবি করেছিলেন। অবশেষে ক্ষমা চাইলেন রিচা। এও জানালেন তাঁর বলা কথাগুলি ভারতীয় সেনাকে আঘাত করার জন্য ছিল না। তিনিও যে সেনার পরিবার থেকেই এসেছেন পোস্টে তাও পরিষ্কার করেন রিচা (Richa Chadda)।

    আরও পড়ুন: ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারি দুর্ভাগ্যজনক, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    কোন পোস্ট ঘিরে বিতর্ক?

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ফের দখল নেওয়ার বিষয়ে কিছুদিন আগেই একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তান পিওকে-তে যা করেছে তার মূল্য চোকাতে হবে। কাশ্মীরের উন্নয়ন শুরু হয়েছে। ততক্ষণ পর্যন্ত থামা হবে না, যতক্ষণ না গিলগিট-বালোচিস্তানে পৌঁছনো হচ্ছে।” এরপর জবাবে নর্দান আর্মি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বিবৃতি দিয়ে বলেন, ‘‘যদি ভারতীয় আর্মির কথা কথা বলা হয়, তাহলে সরকারের যেকোনও নির্দেশ পালন করতে তৈরি সেনা। যখনই এরকম কোনও নির্দেশ আসবে, আমরা তৈরি থাকব। ভারতীয় সেনা দুই দেশের স্বার্থেই সীমান্তে শান্তি রাখার চেষ্টা করে সবসময় ও সব শর্ত মেনে চলে। তবে অন্যপক্ষ শর্ত কভাঙলে, জবাব দিতেও ভয় পায় না।” কম্যান্ডারের কথায় উঠে আসে ২০২০ সালে চিনের সেনার সঙ্গে গালওয়ান ক্ল্যাশের কথাও।

    এরপরেই ট্যুইটারে একটি পোস্ট করে রিচা (Richa Chadda) লেখেন, “গালওয়ান বলছে হাই!” তারপরেই বাধে বিতর্ক। রিচা চাড্ডার (Richa Chadda) বিরুদ্ধে সেনা বাহিনীকে অপমান করার অভিযোগ করে নেট জনতা। এরপরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন রিচা। 

    ক্ষমা চাইলেন রিচা চাড্ডা

    ক্ষমা চেয়ে ট্যুইটে অভিনত্রী (Richa Chadda) লেখেন, “যদিও এটা কখনই আমার ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু যদি এই তিনটে শব্দ থেকে এত বিতর্ক তৈরি হয়, যদি এই কারণে কেউ কষ্ট পান, তাহলে আমি ক্ষমা চাইছি। যদি সেনাতে থাকা আমার ভাইয়েরা আমার এই বক্তব্যে দুঃখ পেয়ে থাকেন তার জন্য আমি দুঃখিত। এটা একদমই অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমার দাদুও সেনায় ছিলেন। আমার মামা ছিলেন প্যারা ট্রুপার। আমার রক্তে আছে। দেশকে বাঁচাতে একটি ছেলে শহিদ হলে বা যুদ্ধে আহত হলে তাঁর পুরো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁদের অবদানেই তৈরি এই দেশ। আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি, সেটার অনুভব ঠিক কেমন। এটা আমার কাছে খুবই সংবেদনশীল বিষয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Visva Bharati University: মাঝরাতে রণক্ষেত্র বিশ্বভারতী, ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার উপাচার্যকে

    Visva Bharati University: মাঝরাতে রণক্ষেত্র বিশ্বভারতী, ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার উপাচার্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে মাঝরাতে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University)। পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ বিশ্বভারতীর উপাচার্যের (Vice Chancellor)। উপচার্যের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রছাত্রীরা। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর পাল্টা অভিযোগ, তাঁর গায়ে হাত তুলেছেন প্রতিবাদীরা। পড়ুয়া বিক্ষোভের জেরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। বুধবার ঘণ্টা দশেক পরে ঘেরাও মুক্ত হন উপাচার্য।

    ঘটনার নেপথ্যে…

    এদিন উপাচার্যের কাছে কয়েকটি দাবিদাওয়া নিয়ে গিয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। অভিযোগ, উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। উপাচার্য তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘেরাও করে শুরু হয় বিক্ষোভ। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পড়ুয়াদের। ঘটনার জেরে অল্পবিস্তর আহত হন উভয়পক্ষেরই কয়েকজন। বিক্ষোভকারীরা দাবি তোলেন, উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ঘেরাও চলবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, উনি যদি এখান থেকে চলে যান, তাহলেই বিশ্বভারতীর মঙ্গল হবে। পড়ুয়াদের অভিযোগ, হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Visva Bharati University) নানা অনিয়ম হচ্ছে। বিক্ষোভরত অন্য এক পড়ুয়ার দাবি, ওঁর (উপাচার্যের) যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, তাঁকে বলছেন গুলি চালাও। পিস্তল বের করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিচ্ছেন। বিক্ষোভকারী অন্য এক ছাত্রের দাবি, পড়ুয়ারা যখন তাঁর সামনে এসে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে দাবি দাওয়ার কথা বলছেন, তখন তিনি তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রহার করান।

    আরও পড়ুন: ‘কার নির্দেশে নিয়োগের আবেদন?’ ফের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    উপাচার্যের ঘরে অশান্তির খবর পেয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান কয়েকজন অধ্যাপক অধ্যাপিকা। তাঁদেরও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিশ্বভারতী (Visva Bharati University) সূত্রে খবর, রাত দুটো পর্যন্ত নিজের অফিসেই ছিলেন উপাচার্য। অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষীরা পড়ুয়াদের মারধর করে সরিয়ে দিয়ে উপাচার্যকে বের করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা শাবল, গাঁইতি নিয়ে ঘরে ঢুকেছিলেন বলেও বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের অভিযোগ। ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University) চত্বর ও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে আরও বেশি করে নিরাপত্তা রক্ষী। পরিস্থিতি যাতে নতুন করে উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য নজর রেখেছে অতিরিক্ত বাহিনী। পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Dengue: ‘ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ রাজ্য’, হাইকোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা

    Dengue: ‘ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ রাজ্য’, হাইকোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেলেও ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ কমছে না। বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক। এমন অবস্থায় রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। এর আগেও ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এবার এই ইস্যুতেই দায়ের হল মামলা। এবার এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শিক্ষাসচিবের হাজিরা নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ! রাতেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ রাজ্য

    এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৭৫ জনেরও বেশি মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই ডেঙ্গি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বিরোধী দলগুলি। ডেঙ্গি নিয়ে নজরদারি চালানোর জন্য একটি ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করার পাশাপাশি ডেঙ্গি মোকাবিলায় মেডিক্যাল কমিশন গঠনের আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারী। মামলাটি দায়ের করেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক সঞ্জীব কুমার মুখোপাধ্যায়। আগামী মঙ্গলবার মামলাটির শুনানি হবে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। 

    কী বলেন মামলাকারীর আইনজীবী?

    মামলাকারীর আইনজীবী জানান, রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গত কয়েকদিনে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। গত ১৬ নভেম্বর মালদায় ১৩ বছরের এক কিশোর ডেঙ্গিতে মারা যায়। কলকাতা পুরসভা সহ অন্যান্য পুরসভা ডেঙ্গি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিও ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যার্থ। হাসপাতালগুলিতে প্লেটলেটের অভাব রয়েছে। তাই এ বিষয়ে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন রয়েছে। মেডিক্যাল কমিশন ও মনিটারিং সেল গঠনের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধিই শুধু নয়, রাজ্যের বিরুদ্ধে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রান্ত তথ্য চাপা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীও অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে ডেঙ্গি সংক্রান্ত কোনও তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী তথ্য প্রকাশ করা যায় না। তাই তথ্য পোর্টালে দেওয়া হচ্ছে না। অন্য রাজ্যেও ডেঙ্গি হচ্ছে, সেই সব রাজ্যও তথ্য দিচ্ছে না বলে দাবি করেছেন মমতা। কিন্তু রাজ্যের এই দাবি মানতে নারাজ বিরোধীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

     

     

  • DA Agitation: ডিএ-র দাবিতে রণক্ষেত্র ধর্মতলা, সরকারি কর্মীদের বিধানসভা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার

    DA Agitation: ডিএ-র দাবিতে রণক্ষেত্র ধর্মতলা, সরকারি কর্মীদের বিধানসভা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ডিএ-র দাবিতে রাস্তায় সরকারি কর্মীরা (DA Agitation)। তাঁদের আন্দোলনে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ধর্মতলা চত্বর। আজ শুরু হয় বিধানসভা অভিযান। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনের যৌথ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন সরকারি কর্মীদের

    প্রায় কয়েক মাস ধরে চাকরির দাবিতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন করতে দেখা যায় চাকরিপ্রার্থীদের। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে যখন উত্তাল পুরো রাজ্য, তারই মাঝে এবারে আন্দোলনে নামলেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা (DA Agitation)। তাঁদের বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বর। ধর্মতলা থেকে মিছিল যায় বিধানসভার দিকে। আর সেই মুহূর্তেই পুলিশের সঙ্গে এবারে ধস্তাধস্তি শুরু হয় সরকারি প্রবীণ কর্মীদের। ফের অভিযোগ উঠেছে পুলিশি বর্বরতার। এবারও ঝরল রক্ত। পুলিশের হাত থেকে বাদ যায়নি প্রবীণ কর্মীরাও। তাঁদেরকেও জোর করে টেনে-হিঁচড়ে আন্দোলন থেকে সরানোর অভিযোগ উঠে এসেছে।  

    রাজ্যে চাকরিপ্রার্থীরা এর আগে আন্দোলনে নামলে তাঁদের কপালে জুটেছে পুলিশের মার, কামড়। আর এবারে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখোমুখি হতে হয় প্রবীণ কর্মীদের (DA Agitation)। তাঁদের ঘুষি মারার ও মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আবার কিছু আন্দোলনকারীদের জোর করে টেনে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। মহিলারাও বাদ যায়নি এতে। আজ এই আন্দোলন রুখতে প্রথম থেকেই বড়সড় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল পুলিশ। ব্যারিকেডে ঢেকে গিয়েছিল ধর্মতলা চত্বর। এরপর আন্দোলনকারীরা বিধানসভার দিকে যেতে গেলে তখনই তাঁদের বাধা দেওয়া হয় ও শুরু হয় ধস্তাধস্তি। অনেকে বিধানসভা গেটের কাছে পৌঁছে গেলে তাঁদের চ্যাংদোলা করে তুলে গাড়িতে ঢোকায় পুলিশ (DA Agitation)।

    আবার বিধানসভার ২ নম্বর গেটের কাছে চলে আসেন বেশ কিছু সরকারি কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে তাঁদের আটক করে নিয়ে যায়। এখন বিধানসভায় অধিবেশন চলছে। সাধারণভাবে বিধানসভায় অধিবেশন চললে ওই গেটে কখনওই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয় না। ফলে পুলিশ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভকারীদের তুলে লালবাজারে নিয়ে যায় (DA Agitation)।

    সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    প্রসঙ্গত, বকেয়া ৩৫ শতাংশ ডিএ নিয়েই আজকের এই বিক্ষোভ সরকারি কর্মীদের (DA Agitation)। তাঁদের দাবি, ৩৫ শতাংশ ডিএ এখনও তাঁদের পাওনা আছে। ডিএ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হওয়ায় ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে নির্দেশ দেয়, ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আবার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশ না মানায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলাও দায়ের করা হয়। আর এই মামলায় আদালতকে হলফনামা দিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কোনও বকেয়া ডিএ নেই। আর এরপরেই কর্মীরা আজ আন্দোলনে নেমেছেন ও আর এতেও পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ উঠে এসেছে। 

     

  • T N Seshan: ‘যোগ্য লোককেই খুঁজে বের করতে হবে’, শেষনের তুলনা টেনে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    T N Seshan: ‘যোগ্য লোককেই খুঁজে বের করতে হবে’, শেষনের তুলনা টেনে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (CEC) ‘ভঙ্গুর ঘাড়ে’র ওপর সংবিধান প্রচুর ক্ষমতা চাপিয়েছে। তাই এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে শক্ত চরিত্রের কাউকে। মঙ্গলবার একথা জানাল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) মতে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এবং তাই প্রয়াত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টিএন শেষনের (T N Seshan) মতো একজন কাউকে প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন ছিলেন শেষন। তাঁর আমলে নির্বাচনী নানা সংস্কার হয়। এদিন সেই প্রসঙ্গই টেনেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    সাংবিধানিক বেঞ্চ…

    পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের মাথায় রয়েছেন বিচারপতি কে এম জোসেফ। এই বেঞ্চেই এদিন শুনানি হচ্ছিল একটি পিটিশনের। এই পিটিশনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পদ্ধতির সংস্কার সাধনের কথা বলা হয়েছিল। জোসেফ ছাড়াও এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি অজয় রাস্তোগি, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস, বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমার। পাঁচ বিচারপতির এই সাংবিধানিক বেঞ্চের প্রশ্ন, কেন ২০০৭ সাল থেকে সমস্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ কমানো হয়েছে। দেশের শীর্ষ আদালত বলেছে, আমরা এই প্রবণতা ইউপিএ এবং বর্তমান সরকারের আমলেও লক্ষ্য করেছি।

    এই মামলার শুনানিতে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ বলেছে, গণতন্ত্র সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। এ নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। আমরা সংসদকে কিছু করতে বলতে পারি না। এবং আমরা তা করবও না। দেশের শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সদস্য নিয়োগে সংসদকেই সংস্কার সাধন করতে হবে। কারণ এর প্রভাব পড়ে নির্বাচন কমিশনের কর্যক্রমে।

    আরও পড়ুন: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    দেশের শীর্ষ আদালতের বলে, এটি নির্বাচন কমিশনারের স্বাধীনতাকেও প্রভাবিত করে। আদালতের প্রশ্ন, ১৯৯১ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কার্যকাল ছিল ছ’ বছর। তাহলে কোন যুক্তিতে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ কমানো হচ্ছে? এর পরেই আদালতে বলে, সংবিধান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারের কাঁধে অনেক দায়িত্ব অর্পণ করেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে টিএন শেষনের (T N Seshan) মতো শক্তশালী চরিত্রের এক ব্যক্তির প্রয়োজন। আদালত বলে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আমাদের যোগ্য লোককেই খুঁজে বের করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • C V Ananda Bose: নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন সি ভি আনন্দ বোস

    C V Ananda Bose: নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন সি ভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। শপথবাক্য পাঠে বাংলার মানুষের ভালো-মন্দের দেখভালের প্রতিশ্রুতি দিলেন নয়া রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজভবনে হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্য়ায়,পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীও। তবে সংঘাতের আবহে রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বসার জন্য আসনবিন্যাস নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এদিন সকালে ট্যুইটও করেন তিনি। নয়া রাজ্যপালের সময় অনুযায়ী, তিনি পরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আসার কথা জানান।

    রসগোল্লা উপহার

    আগের রাজ্যপালের সঙ্গে সম্পর্ক মোটেও ভালো ছিল না রাজ্যের।  সিভি আনন্দ বোসের পূর্বসূরি জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন নবান্ন ও রাজভবনের সংঘাত প্রায় রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে এবারের নয়া রাজ্যপালের সঙ্গে সম্পর্ক সুমধুর করতে বদ্ধ পরিকর রাজ্য। তাই শপথ গ্রহণের দিন সকাল সকাল এক হাড়ি রসগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নয়া ফার্স্ট সিটিজেনকে বিশেষ উপহার পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। সি ভি আনন্দ বোসের জন্য নীল হাঁড়িতে ১০০টি রসোগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন রাজ্যপালের সঙ্গে প্রথম দিন থেকেই তিক্ততা ভুলে মিষ্টি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে নবান্ন। এমনটাই মনে করছে প্রশাসনিক মহল। এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মিষ্টি খাইয়ে লাভ নেই, তাঁর যোগ্যতা-অভিজ্ঞতাকে যেন কাজে লাগায় রাজ্য সরকার’। তিনি আরও বলেন,“আমরা চাইব এরকম একজন বিদ্বান, দূরদর্শী মানুষকে আমরা রাজ্যপাল হিসাবে পেয়েছি, তার যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা, সেটা যেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার কাজে লাগায় ।” 

    আরও পড়ুন: সাংসদ ও বিধায়কেরা শাসক শিবির ছেড়ে বিজেপিতে আসতে চাইছেন! দাবি মহাগুরু মিঠুনের

    কালীঘাট মন্দির দর্শন

    শপথগ্রহণের আগের দিন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কালীঘাটে গিয়ে মায়ের দর্শনও করেন নতুন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কালীঘাটে আসেন সি ভি আনন্দ বোস। প্রথমে কালীঘাট প্রসাদের দোকানগুলির সামনে দেখা যায় তাঁকে। তারপর মায়ের পুজো দেন। মায়ের পুজো দেওয়া পর গোটা মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন। পুরোহিতদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান,মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে কথা বলেন । বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন কালীঘাট মন্দিরে। তবে মায়ের আরতির আগেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। ৭১ বছর বয়সি মালয়ালি, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার আনন্দ বোসের প্রশাসক হিসেবে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। রাজ্যের মুখ্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। মেঘালয় সরকারের উপদেষ্টা পদেও তিনি কাজ করেছিলেন। সূত্রের খবর, শীঘ্রই আনন্দ বোস দিল্লিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ-পর্ব সেরে আসবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Weight Loss Tips: এই পাঁচ খাদ্যাভ্যাসে আপনার ওজন কমবে, শরীর ফিট থাকবে

    Weight Loss Tips: এই পাঁচ খাদ্যাভ্যাসে আপনার ওজন কমবে, শরীর ফিট থাকবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিকায় শরীর হল বিভিন্ন রোগ টেনে আনার অন্যতম কারণ। ইংরেজিতে একে বলে ওবেসিটি (obesity)। শুধু কি তাই! অতিরিক্ত মোটা বা রোগা এই দুধরনের শরীরই ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। টিন-এজ থেকে পৌঢ় প্রত্যেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নানা রকমের উপায় (Weight Loss Tips) খুঁজতে থাকে। সবথেকে জনপ্রিয়তা এক্ষেত্রে জিমের রয়েছে। ওয়েটলিফটিং হোক বা ফ্রি-হ্যান্ড, কার্ডিও হোক বা ক্যালিসথেনিক্স— এসব নিয়ে কসরত করতে দেখা যায় সব বয়সের মানুষদেরই। জমজমাট থাকে জিম। ছোট শহর থেকে মেট্রো সিটি— সর্বত্রই এমন ছবি আমাদের চোখে পড়ে। এছাড়াও ভোরে উঠে ছোটা, হাঁটা, সাইক্লিং কোনও কিছুই বাকি থাকে না মেদহীন, পেশীবহুল দৈহিক গঠন পেতে।

    কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কিছুই বৃথা হয়ে যাবে, মেদবহুল শরীর কমানোর ক্ষেত্রে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস (Food Habit) অনুসরণ না করা হয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মানে এটাও নয় যে দৈনন্দিন খাবার সবকিছু বদলে ফেলা বা আপনার প্রিয় খাবারগুলিকে একেবারে ত্যাগ করা। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস (Weight Loss Tips), শরীরকে ফিট রাখা বা মেদ কমানো খুব কঠিন বা তপস্যার বিষয় নয়। রয়েছে একেবারেই আপনার হাতের মুঠোয়। 

    পাঁচ ধরনের এই খাদ্যাভ্যাস আমরা এবার জেনে নিই।

    ১) ওজন কমাতে খাওয়া দাওয়া না ছেড়ে,নির্দিষ্ট সময় অন্তর বেশি বার খান

    অনেকেরই ধারণা থাকে, ওজন কমাতে নাকি খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিতে হয়। এ ধারণা একেবারেই ভুল বরং উল্টো ফল হতে পারে যদি আপনি ব্রেকফাস্ট না করেন তাহলে আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে। এমনটাই মত রয়েছে অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানদের। তাঁরা বলছেন, একবারে বেশি করে না খেয়ে, (Weight Loss Tips) বেশি বার খেতে হবে, ধারাবাহিকভাবে। এতেই ওজন কমবে। আপনি পাবেন ফিট, ঝরঝরে শরীর।

    ২) ফাস্টফুড নয়, বাড়ির খাবারে সন্তুষ্ট থাকুন

    রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়াই আজকের দিনে বেশি অগ্রাধিকার পায় ভোজনরসিকদের। ডিনার হোক বা লাঞ্চ, রেস্টুরেন্টেই রসনা তৃপ্তি হয়। তবে ওজন কমাতে চাইলে (Weight Loss Tips) এই অভ্যাস যে আজ থেকেই ছাড়তে হবে আপনাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির তৈরি খাবারই হল সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত আহার। এতে আপনার পকেট যেমন বাঁচে তেমনি আপনি বুঝতে পারেন কী ধরনের খাবার আপনি খাচ্ছেন।

    ৩) ফাইবার যুক্ত খাবার বেশি করে খেতে থাকুন

    গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, ফাইবার-যুক্ত খাবার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ওজন কমাতে (Weight Loss Tips)। বিভিন্ন শাকসবজি, ফলমূলে ভরপুর ফাইবার থাকে। শাকসবজি দেখে তাই নাক সিঁটকানো বন্ধ করুন। শরীর ফিট রাখতে এর জুড়ি নেই।

    ৪) বার্গার, স্ন্যাকস এর মতো আল্ট্রা প্রসেসড ফুড বর্জন করুন

    এই জাতীয় খাবারগুলি অবিলম্বে বর্জন করুন, যদি একটি ঝরঝরে শরীর পেতে চান (Weight Loss Tips)। ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, বেশিমাত্রায় তেল জাতীয় উপাদান থাকে এই আল্ট্রা প্রসেসড ফুডগুলিতে। যা ক্রনিক রোগ ডেকে আনতে পারে এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।

    ৫) বেশি করে উদ্ভিদ প্রোটিন খেতে থাকুন

    ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) এবং সুস্থ শরীর পেতে উদ্ভিজ প্রোটিনের বিকল্প নেই। উদ্ভিজ প্রোটিনের মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের ডাল, ছোলা, কিনওয়া, সোয়া, বিনস, নানা ধরনের বাদাম ইত্যাদি।

     

  • Zombie Virus: ৪৮,৫০০ বছরের পুরনো ‘জম্বি’ ভাইরাসের হদিশ রাশিয়ায়

    Zombie Virus: ৪৮,৫০০ বছরের পুরনো ‘জম্বি’ ভাইরাসের হদিশ রাশিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ হতে চলেছে পুরো বিশ্ব জুড়ে? ফের একবার অতিমারীতে ভুগতে চলেছে গোটা বিশ্ব? করোনার রেশ এখনও কাটেনি, তারই মাঝে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছিল মাঙ্কি ভাইরাস। একের পর এক মারণ ভাইরাসের প্রকোপে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক কোটি মানুষ। আর এবারে ফের এক ভাইরাসের সন্ধান পেল বিজ্ঞানীরা। আর এই ভাইরাসের নাম শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অতি সংক্রামক ‘জম্বি ভাইরাস’-র হদিশ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

    জম্বি ভাইরাসের হদিশ

    এই ভাইরাসের ব্যাপারে আরও একটি কথা জানলে আপনি অবাক হবেন। এই ভাইরাস ৪৮,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো। এমনই বলছেন বিজ্ঞানীরা। রাশিয়ার একটি বরফে জমে যাওয়া হ্রদের তলদেশ থেকে এই ভাইরাস খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ইউরোপের কয়েকজন বিজ্ঞানী রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের পারমাফ্রস্ট থেকে এমন কিছু নমুনা পেয়েছেন, যা তাঁরা পরীক্ষা করে এই ভাইরাসটির অস্তিত্ব জানতে পেরেছেন। বিজ্ঞানীরা ১৩টি নতুন প্যাথোজেনকে পুনরজ্জীবিত করেছেন এবং এটি চিহ্নিত করে এটির নাম দিয়েছে জম্বি ভাইরাস। গবেষকদের মতে, কয়েক হাজার বছর ধরে হিমায়িত বরফে থাকার পরেও এটি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সংক্রামক ছিল।

    আরও পড়ুন:ভাইরাস আমাদের ওপর নজর রেখে সিদ্ধান্ত নেয় কখন আক্রমণ করবে, বলছে গবেষণা

    বিজ্ঞানীরা কী বলছেন?

    বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা আগের থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে, বায়ুমণ্ডলীয় উষ্ণায়নের কারণে পারমাফ্রস্ট গলে যাওয়ায় বরফের নীচে আটকে থাকা মিথেনের মত গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি আবার ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলি পরিবেশের বিরাট ক্ষতি করতে চলেছে। রাশিয়া, জার্মানি এবং ফ্রান্সের গবেষক দলগুলি আরও জানিয়েছে, তারা যে ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করেছে, তা পুনরুজ্জীবিত করার কাজটিতে আপাতত কোনও ঝুঁকি নেই। কারণ এই জীবাণুগুলি একসময়ে শুধু অ্যামিবা জীবাণুকে সংক্রমিত করতে পারত। যে ভাইরাসগুলি প্রাণী বা মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে, সেগুলি খুব বিপজ্জনক। এক্ষেত্রে এখনও তেমন ভয়ের উদাহরণ পাওয়া যায়নি।

    তবে এই নয়া ভাইরাসের হদিশ মিলতেই আতঙ্কে কাঁপছে দুনিয়া। চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিজ্ঞানীদের কপালেও। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে পুরো বিশ্ব জুড়ে। যেই ভাইরাসের ব্যাপারে আপনারা সিনেমায় দেখেছেন, এবারে তা বাস্তব জগতেও আসতে চলেছে নাকি, এই ভেবে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

  • FIFA World Cup: পোল্যান্ডকে হারাতে হবে মেসিদের, না হলে কঠিন অঙ্ক! জানুন কী কী ভাবে শেষ ষোলোয় যেতে পারে আর্জেন্টিনা

    FIFA World Cup: পোল্যান্ডকে হারাতে হবে মেসিদের, না হলে কঠিন অঙ্ক! জানুন কী কী ভাবে শেষ ষোলোয় যেতে পারে আর্জেন্টিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (Qatar World Cup 2022) অন্যতম ফেভারিট হয়ে শুরু করলেও এখনও  প্রি-কোয়ার্টার (Pre Quarter Final) ফাইনাল নিশ্চিত হয়নি আর্জেন্টিনার। শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের (Argentina versus Poland) বিরুদ্ধে জিততেই হবে লিওনেল মেসিদের। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র করলেও রাউন্ড অফ ১৬-তে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে মেসি-ডি মারিয়াদের। তবে সেক্ষেত্রে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালেই কড়া প্রতিপক্ষের সামনে পড়তে হতে পারে তাঁদের।

    শেষ ষোলোর সমীকরণ

    পোল্যান্ডকে হারালেই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে যাবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপের অন্য ম্যাচে সৌদি আরব-মেক্সিকো ড্র করলে পোলিশদের সঙ্গে ড্র করেও দ্বিতীয় রাউন্ডে যাবে মেসিরা। সৌদিরা জিতলে আর্জেন্টিনাকে জিততেই হবে, মেক্সিকো জিতলেও আর্জেন্টিনা ড্র করলে আসবে গোল পার্থক্যের হিসাব। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১ পয়েন্ট পেলেই দ্বিতীয় রাউন্ডে চলে যাবে পোল্যান্ড। হেরে গেলে সৌদি আরব-মেক্সিকো ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে পোলিশদের। ম্যাচটি ড্র হলে কিংবা মেক্সিকো জিতলেও শেষ ষোলোয় যেতে পারে পোল্যান্ড। মেক্সিকোকে হারালেই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে সৌদি আরব। আর্জেন্টিনা হেরে গেলে ড্র করেও দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারে সৌদিরা। মেক্সিকোকে শুধু জিতলেই চলবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে পোল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচের দিকে। সে ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা হারলে কপাল খুলবে মেক্সিকানদের। আর্জেন্টিনা জিতলে কিংবা ড্র করলে, সৌদিদের হারিয়েও গোলের হিসাব করতে হবে মেক্সিকোকে। এক কথায় আজ পোল্যান্ডকে হারালেই সহজ সমীকরণে মেসিরা চলে যাবে শেষ ষোলোয়। মেসিরা যদি গ্রুপ শীর্ষে থেকে শেষ ষোলোয় না যেতে পারে তাহলে তাঁদের ফ্রান্সের মুখে পড়তে হতে পারে। সেক্ষেত্রে জমে যাবে নক আউট পর্যায়ের খেলা।

    আরও পড়ুন: শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি সেনেগাল, নেদারল্যান্ডসের সামনে আমেরিকা

    গ্রুপের কে কোথায়

    বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র মধ্যে খেলা হবে। গ্রুপ সি-তে রয়েছে আর্জেন্টিনা, পোল্যান্ড, সৌদি আরব ও মেক্সিকো। অন্য দিকে গ্রুপ ডি-তে রয়েছে ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও তিউনিশিয়া। প্রতি গ্রুপের চারটি দল ২টি করে ম্যাচ খেলেছে। এখনও গ্রুপ সি-র শীর্ষে পোল্যান্ড, তাদের পয়েন্ট ৪। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্জেন্টিনার পয়েন্ট ৩।  একই পয়েন্ট হলেও গোল পার্থক্যে তৃতীয় স্থানে সৌদি আরব। চতুর্থ স্থানে মেক্সিকোর পয়েন্ট ১। অন্যদিকে গ্রুপ ডি-র শীর্ষে ফ্রান্স, তাদের পয়েন্ট ৬। প্রথম দল হিসাবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফরাসিরা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় স্থানে থাকা ডেনমার্কের পয়েন্ট ১। একই পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে চার নম্বরে তিউনিশিয়া। 

  • Recruitment Scam: ‘প্রভাবশালীদের হাত ধরে নিয়োগ?’ সিবিআই-এর একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি চাকরি হারানো কর্মীরা

    Recruitment Scam: ‘প্রভাবশালীদের হাত ধরে নিয়োগ?’ সিবিআই-এর একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি চাকরি হারানো কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) সিবিআই-এর নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন এসএসসি-র গ্রুপ ডি-র ৫০ জন কর্মী। সিবিআই- এর তরফে এদের তলব করা হলে তাঁরা আজ সকাল সকাল উপস্থিত হন নিজাম প্যালেসে। এই ৫০ জন কর্মীর চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশেই।

    সিবিআই-এর একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি ৫০ কর্মী

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আজ সিবিআই-এর একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে চাকরি যাওয়া কর্মীদের। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁদের আজ জিজ্ঞেস করা হয়, কীভাবে তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন? প্রভাবশালী-যোগ বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছিলেন কি না? আজ এদের প্রত্যেককে মার্কশিট ও নিয়োগপত্রও আনতে বলা হয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এদিন নিজাম প্যালেসে ডাকা হয়েছিল হাওড়ার আমতা ও বাগনান এলাকার বিভিন্ন স্কুলের এই ৫০ জন কর্মীদের। দুর্নীতি মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই-এর আধিকারিকরা। আজ অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকেই তাঁদের ধাপে ধাপে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন আধিকারিকরা। পাশাপাশি তাঁদের প্রত্যেকের বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে। আবার এই সমস্ত প্রার্থীদের নথির সঙ্গে এসএসসির তরফ থেকে দেওয়া মেধা তালিকা তথ্যে কোনও গরমিল রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন:মানিক মামলায় সিবিআইকে সতর্ক করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, কেন?

    সিবিআই তদন্তে অসন্তুষ্ট বিচারপতি

    প্রসঙ্গত, এর আগেই এসএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Recruitment Scam) তদন্তের গতি বাড়ায় সিবিআই-এর আধিকারিকরা। এর আগে প্রশ্ন করেছিলেন যে, যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের কেন তলব করা হচ্ছে না? এরপরেই সিবিআই তদন্তের গতি বাড়ায় ও হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়েই চাকরি হারানো ও চাকরিরত কর্মীদের ধাপে ধাপে তলব করা হচ্ছে। এরপর এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে আজ চাকরি বাতিল হওয়া এমন প্রার্থীদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

    আবার, মানিক মামলাতেও সিবিআই-এর ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। ‘”সুপ্রিম কোর্টে মানিক ভট্টাচার্যর মামলায় অনুপস্থিত ছিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। এটা খুব সন্তোষজনক পরিস্থিতি নয়। সিবিআই আধিকারিকদের বলুন এই মামলা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতে।” সিবিআইয়ের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share