Blog

  • Himanta on Congress: কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই, ভবিষ্যদ্বাণী অসমের মুখ্যমন্ত্রীর  

    Himanta on Congress: কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই, ভবিষ্যদ্বাণী অসমের মুখ্যমন্ত্রীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবলমাত্র গান্ধীরাই (Gandhis) কংগ্রেসে (Congress) থাকবেন। শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। হিমন্ত এই মন্তব্য করার আগে আগেই কংগ্রেস ছেড়েছেন প্রবীণ নেতা গুলাম নবি আজাদ (Gulam Nabi Azad)।

    দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মত বিরোধের জেরে দল ছাড়েন গুলাম নবি আজাদ। তার আগে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন দলের দেওয়া পদও। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ জি-২৩ নামে পরিচিত। গুলাম নবি আজাদ ছিলেন এই শিবিরেই। তাঁর দল ছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে হিমন্ত বলেন, কংগ্রেসে প্রত্যেকেই জানেন রাহুল গান্ধী অপরিপক্ক। সোনিয়া গান্ধী দল সম্পর্কে উদাসীন। তিনি শুধু চেষ্টা করছেন তাঁর ছেলেকে নেতা হিসেবে তুলে ধরতে। এটা একটা ব্যর্থ চেষ্টা।

    সোনিয়ার এই ব্যর্থ চেষ্টার কারণেই যে কংগ্রেসে ভাঙন ধরছে, এদিন তাও জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। এক সময় হিমন্তও ছিলেন কংগ্রেসে। পরে কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দেন বিজেপিতে। হন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সোনিয়ার এই চেষ্টার জন্যই লোকজন কংগ্রেস ছাড়ছেন। তিনি বলেন, আমি ভবিষ্যৎবাণী করেছিলাম যে একটা সময় এমন আসবে যখন কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই। এবং সেটাই ঘটছে। তাঁর সংযোজন, প্রকৃতপক্ষে রাহুল গান্ধী ক্রমেই বিজেপির পক্ষে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।

    আরও পড়ুন : রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন?

    দল ছাড়ার কারণ দর্শিয়ে সোনিয়া গান্ধীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন গুলাম নবি আজাদ। তিনি লিখেছিলেন, দলে প্রবীণ নেতাদের কোণঠাসা করে দেওয়া হচ্ছে। অনভিজ্ঞ নেতাদের অযথা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই দল ছাড়ছেন তিনি। কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছিলেন গুলাম নবি আজাদ। মেয়াদ শেষের পরে আর দাঁড়াননি জম্মু-কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দল ছাড়ার আগে রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, তাঁর অপরিপক্কতার কারণেই কংগ্রেসে এই হাল। বিভিন্ন নির্বাচনে দল হারছে তাঁর দুর্বল পারফরমেন্সের জন্য। প্রসঙ্গত, দল ছাড়ার আগে ১৬ অগাস্ট আজাদ ছাড়েন জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেস প্রচার কমিটির শীর্ষপদ। এদিন সম্পর্ক চুকোলেন কংগ্রেসের সঙ্গেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    Anubrata Mondal: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি। এক সময় বীরভূমে তৃণমূলের যাবতীয় প্রচার-ফ্লেক্সে জ্বলজ্বল করত তাঁর হাসি মুখের ছবি। অথচ গরুপাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling Case)  সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হতেই ফ্লেক্স-ফেস্টুন থেকে হাওয়া হয়ে গিয়েছেন  অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে তারাপীঠ (Tarapith) ছয়লাপ তৃণমূলের ফ্লেক্সে। সেখানে জ্বলজ্বল করছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata) হাতজোড় করা ছবি। তাহলে কি কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন তৃণমূল নেতৃত্ব? উঠছে প্রশ্ন।

    ফি বার কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে মেলা ভিড় হয় তারাপীঠে (Tarapith)। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৌশলে প্রতিবার প্রচারের কাজটি সেরে ফেলে তৃণমূল। এবারও তাই করেছে। তবে ভক্তদের যেটা নজর কেড়েছে, সেটা হল অন্যান্যবার ফ্লেক্স-ফেস্টুনে উজ্জ্বল উপস্থিতি থাকে অনুব্রতর। এবার তিনি নেই। তাঁর বদলে তারা মায়ের ছবির পাশে রয়েছেন দলনেত্রী স্বয়ং!

    তৃণমূলের একটি সূত্রের খবর, ফ্লেক্স-পরিকল্পনা যাঁর মস্তিষ্ক প্রসূত, তিনি তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ৯ অক্টোবর রামপুরহাট কিষাণ মান্ডিতে আয়াস অঞ্চলের বুথ ভিত্তিক আলোচনার সময় মেজাজ হারিয়ে আশিসকে ‘অপদার্থ’ বলেছিলেন অনুব্রত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ফ্লেক্স থেকে অনুব্রতকে মুছে দিয়ে এবার সেই ‘অপমানে’র বদলা নিলেন আশিস। তাঁদের মতে, অনুব্রতকাণ্ডে ফের যাতে দলের মুখ না পোড়ে, তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে দলে।

    আরও পড়ুন : সিবিআই হেফাজত শেষ, জেলেই গেলেন অনুব্রত

    রাজনৈতিক মহলের অনুমান যে নিছক কষ্ট-কল্পনা নয়, তার প্রমাণ মিলেছে বৃহস্পতিবারই। এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে তৃণমূলের পূর্ব বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে বৈঠকে ডেকে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডল নন, এবার থেকে বোলপুর লোকসভার অন্তর্গত পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট ও কেতুগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের দেখভাল করবেন জেলা নেতৃত্বই। এদিনের বৈঠকে অভিষেকের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও।

    আরও একটি কারণে তৃণমূলে অনুব্রতকে ছেঁটে ফেলা হতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সেটি হল, সিবিআই হেফাজত থেকে অনুব্রত গিয়েছেন জেল হেফাজতে। তদন্ত শুরু করতে চলেছে ইডিও। যার অর্থ, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের কিছু প্রমাণ মিলেছে।   

    তাহলে কি তৃণমূলে অবসান হতে চলেছে অনুব্রত-যুগের?

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘অটল পেনশন যোজনা’ চালু করা হয়।
    বার্ধক্যকালীন রোজগার বা অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের অবসরকালীন অবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে ভারত সরকার বরাবরই উদ্বিগ্ন। সেই কারণে বার বার বাজেটে উঠে এসেছে একাধিক প্রকল্পের কথা। যে প্রকল্পগুলি অবসরকালীন অবস্থায় দেশের নাগরিকদের আর্থিক দিক থেকে নিরাপত্তা প্রদান করতে পারবে। এই লক্ষ্যেই সব ভারতীয়, বিশেষ করে অসংগঠিত ক্ষেত্রের নাগরিকদের বীমা এবং পেনশনের দিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে তৎকালীন সরকার ‘অটল পেনশন যোজনা’ সংক্ষেপে এপিওয়াই (APY) চালু করার কথা ঘোষণা করে।
    এই পেনশন প্রকল্পটি ২০১৫ সালে আগের ‘স্বাবলম্বন’ প্রকল্পের বদলে চালু করা হয়। মাসিক অবদানের ভিত্তিতে অর্থ জমা দিলে কোনও নাগরিক ৬০ বছর বয়সে পৌঁছনোর পরে তাঁকে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয় এই প্রকল্প। বলা যেতে পারে, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘এপিওয়াই’ যোজনা চালু করা হয়। অটল পেনশন যোজনা পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (পিএফআরডিএ) দ্বারা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত।

  • Embolism after covid: করোনা সেরে যাওয়ার ছয় মাস পরেও রক্ত জমাট বাঁধত পারে , গবেষণায় মিলল প্রমাণ 

    Embolism after covid: করোনা সেরে যাওয়ার ছয় মাস পরেও রক্ত জমাট বাঁধত পারে , গবেষণায় মিলল প্রমাণ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড-১৯ একটি জটিল রোগ। কখনও এই রোগের সংক্রমণে তেমন কোনও উপসর্গই থাকে না। আবার কখনও এটি মানুষকে টেনে নিয়ে যায় মৃত্যুর দোরগোড়ায়। একের পর এক রূপ পরিবর্তন করে গত তিন বছর ধরে ঝড়ো ব্যাটিং করে চলেছে কোভিড-১৯। সেরে গেলেও কোভিড পরবর্তী সময়ে মানবশরীরে নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। কোভিড-১৯-এর একটি অন্যতম জটিলতা হলো এটি শরীরের রক্তনালিতে বহমান রক্ত জমাট বাঁধাতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ক্লটিং(clotting) বা এম্বোলিজম(embolism)। আর তখনই শরীরে জটিলতার সূত্রপাত।
     ফুসফুসের পালমোনারি ধমনিতে ক্লট বা রক্ত জমাট বাঁধলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভয়ানক শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। আবার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালিতে ক্লট হলে হার্ট অ্যাটাক (heart attack)হতে পারে। মস্তিষ্কের রক্তনালি আটকে হতে পারে স্ট্রোক। এ ছাড়া অন্ত্রনালি, কিডনি, হাত-পা এসব অঙ্গেরও রক্তনালি আটকে সমস্যা তৈরি হয়। 
    কেন করোনাভাইরাস এভাবে রক্ত জমাট বাঁধিয়ে রক্তনালি আটকে দেয়—এ নিয়ে গবেষণা চলছে। সম্প্রতি, সুইডেনের (sweden)উমেয়া 
    বিশ্ববিদ্যালয়ের (University)গবেষকরা জানিয়েছেন করোনা থেকে সেরে ওঠার ছয় মাস পরেও এর প্রভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস বা পায়ের পেশিতে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে করোনা নেগেটিভ হওয়ার তিনমাস পরেও। আর ফুসফুসে রক্ত জমাট (pulmonary embolism)হতে পারে ছয় মাস পর্যন্ত।
    দেখা গিয়েছে ভাইরাসের প্রভাবে ছোট ছোট রক্তনালি বা কৌশিক জালিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা যখন উদ্দীপ্ত হয় তখন এমন কিছু উপাদান তৈরি হয় যা রক্ত জমাট বাঁধতে ইন্ধন জোগায়। ভাইরাস শরীর ত্যাগ করলেও এর প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী।
    রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি সবার সমান নয়। কারও কারও ঝুঁকি অনেক বেশি। বিশেষত যাঁরা বয়স্ক, ওজন বেশি, ডায়াবেটিস, কিডনি বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত তাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেশি হয়।
    তাই করোনা পরবর্তী সময়ে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে কী করণীয়, তা জেনে রাখা ভাল:
    ১) নিজেকে সচল রাখা। দীর্ঘ সময় শুয়ে-বসে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। সে জন্য কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেও নিজেকে হালকা কাজের মধ্য রাখা জরুরি। হালকা ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপি করে পায়ের রক্ত জমাট বাঁধা আটকানো যায়।
    ২ ) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। শরীরের ওজন বেড়ে গেলে সমস্যাও বেড়ে যায়। প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করুন।
    ৩) চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে রক্ত জমাট বাঁধায় সহায়ক কোনও ওষুধ এসময় না খাওয়া ভাল। বিশেষত জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ইত্যাদি।
    ৪) পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। ফলের রস, ডাবের জল, দইয়ের ঘোল খেতে পারেন। ৫) চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে রক্ত পরীক্ষা করান। রক্ত পরীক্ষা (blood test)করে ঝুঁকি নির্ণয় করা যায়। রক্তে ডি-ডাইমার নামক একটি উপাদান বেড়ে গেলে বুঝতে হবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া উদ্দীপ্ত হচ্ছে। এমনটি হলে চিকিৎসকের কথামতো রক্ত পাতলা করার (blood thiner) ওষুধ শুরু করতে হবে। 

  • Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনার চতুর্থ ঢেউ (Covid 4th Wave) কী এসে গেল? ঘুরছে প্রশ্ন। 
    দীর্ঘ দু’বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর সবে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলেই মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা। কিন্তু স্কুল খোলা থাকলে কী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে না? ইতিউতি ঘুরছে সেই প্রশ্নও। 

    তবে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়লেও এখনই শিশুদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুল খোলা থাকলেই চতুর্থ ঢেউয়ে করোনা এসে বেছে বেছে শিশুদের আক্রমণ করবে, এমন ভাবনার কোনও বিজ্ঞান-ভিত্তি নেই। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন AIIMS -এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া (Randeep Guleria)।  তবে সতর্কতায় যাতে একচুল খামতি না-থাকে, সে কথাও পইপই করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, মিউটেশনের ফলে করোনা কী রূপ নেবে, সে সম্পর্কে এখনও তেমন ধারণা নেই কারও। অতএব, শিশুদের উপরে তা কতটা কামড় বসাবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলা অসম্ভব।  AIIMS-র ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, “আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতে শিশুরা সঙ্কটজনক ভাবে সংক্রামিত হবে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই যেখানে বলা হচ্ছে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হবে। আগের তিনবার দেখা গিয়েছে, শিশুরা সংক্রামিত হলেও তারা খুব একটা অসুস্থ হয়ে পড়েনি। সাধারণ সর্দি-কাশি জ্বরের মতোই উপসর্গ থাকবে তাদের। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতোই কিছু ওষুধ এবং প্রচুর পরিমাণে জল বা ফলের রস খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে তারা। পৃথিবীর যে সব প্রান্তে নতুন করে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেখানেও শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সেভাবে দেখা যায়নি।”

    তবে শিশুদের যদি কো-মর্বিডিটি থাকে, তা হলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিন্তার কিছুটা কারণ থাকতে পারে। গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে শিশুরা কোভিড-আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ৬০-৭০ শতাংশেরই কো-মর্বিডিটি (co-morbidity) রয়েছে। তাই অকারণে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এর সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, শিশুদের টিকা (child vaccination) হয়নি, এটা অবশ্যই একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা সতর্ক থাকুন। যে সব বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় এসেছে তাদের টিকাকরণ জরুরি।  

  • Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর সংস্কার করতে গিয়ে ইতিহাসের সন্ধান মিলল পাটনায়। একটি পুকুরের সংস্কার করার সময় ইটের দেওয়ালের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পাটনা (ASI Patna) শাখা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দাবি দেওয়ালটি ২০০০ বছরের পুরোনো। সময়ের হিসেব করলে দেওয়ালটি কুষান যুগের (Kushan Age) নিদর্শন হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা। 

    পাটনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৬ কিলোমিটার পূর্বে, এর আগে যেখানে মৌর্য সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে কুমরাহারে খনন কাজ চালানোর সময় দেওয়ালের অবশিষ্টাংশটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এএসআই পাটনা সার্কেলের গৌতমী ভট্টাচার্য জানান, “দেওয়ালের ইটগুলি ২০০০ বছরের পুরোনো। সেই হিসেবে এই স্থাপত্য কুষান যুগের হওয়া উচিৎ।  

    আরও পড়ুন: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে এএসআই সুরক্ষিত পুকুরটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেউ পাটনা প্রশাসন। তখনই খুনন কার্য চালানোর সময় দেওয়ালটি উদ্ধার হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, পুকুরের গভীরে ইটের দেওয়াল একটি বিরল আবিষ্কার। এএসআই বিশেষজ্ঞদের একটি দল দেওয়ালের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার কাজে লেগে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই ইটগুলি কুষান যুগের নিদর্শন। কুষানরা উত্তর ভারত, বর্তমান আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার কিছু অংশে আনুমানিক ৩০ সাল থেকে ৩৭৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল। তবে এখনই নিশ্চিত হতে পারছেন না প্রত্নতত্ত্ববিদরা।  

    দিল্লিতে এএসআই সদর দফতরে এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানানো হয়েছে বলে জানান গৌতমী ভট্টাচার্য। গৌতমী এএসআই-পাটনা কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অন্তর্গত বিহারের ১১ টি সুরক্ষিত জলাশয় সংস্কারের কাজের অংশ ছিলেন। গৌতমী ভট্টাচার্য (Goutami Bhattacharya) জানান, “আমরা দিল্লিতে আমাদের সিনিয়রদের পুরো বিষয়টা জানিয়েছি। আরও পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষা শেষ হলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে।” 

     

  • Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রল, ডিজেলের দাম (Petrol Diesel Prices) কমানো নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের ওপর পালটা চাপ দিল বিজেপি (BJP)। ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য জ্বালানির দামে করছাড় ঘোষণা না করলে নবান্ন  (Nabanna) অভিযানের হুঁশিয়ারি দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। 

    গত ২১ মে দেশজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের করে ছাড় ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) জানান, পেট্রলে লিটারে প্রায় ১০ টাকা ও ডিজেলে লিটারে প্রায় ৭ টাকা কর কমাতে চলেছে কেন্দ্র। পর দিন থেকে লাগু হয় নতুন দাম। 

    কিন্তু তার পরও করছাড় ঘোষণা করেনি রাজ্য। উলটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, দেশের অবিজেপি সরকারগুলির মধ্যে পেট্রল ও ডিজেলে সব থেকে বেশি করছাড়া দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    রাজ্যের শাসক দলের এই দাবি বৃহস্পতিবার নস্যাৎ করে দেয় বিজেপি। বিজেপির দাবি, ইতিমধ্যে পেট্রল-ডিজেলে কর কমিয়ে মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকার তার ভূমিকা পালন করছে না। তিনি জানিয়ে দেন, রাজ্য কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও করবে বিজেপি।

    জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য মেটাল কেন্দ্র, বাংলা কত পেল জানেন?

    সুকান্তর মতে, জিএসটি (GST) সমেত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে রাজ্যের সব বকেয়া পাওনা মঙ্গলবারই মিটিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ৬ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। এবার পেট্রল-ডিজেলের উপর থেকে কর কমাক তৃণমূল সরকার।

    এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমরা রাজ্যকে ১৫ দিন সময় দিচ্ছি। এই ১৫ দিনের মধ্যে পেট্রল-ডিজেলের ওপর কর কমাতে হবে। পেট্রলে ৫ টাকা ও ডিজেলে ১০ টাকা দাম না কমালে আমরা আমাদের নবান্ন অভিযান কর্মসূচির দিনক্ষণ ঘোষণা করব।’

    জ্বানানি ইস্যুর পাশাপাশি, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন সুকান্ত। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতে হবে। 

    স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও অভিযোগ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বর্তমানে ব্যর্থসাথীতে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত আসতে বাধ্য হবে।

    “ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

  • India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর(Rahul Gandhi) দাবি খারিজ করে দিলেন দলেরই এক নেতা! সম্প্রতি করোনা নিয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাতে দাবি করা হয়, করোনায় (coronavirous) ভারতে (India) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লক্ষ মানুষের। যদিও কেন্দ্রের দাবি, ৪৭ লক্ষ নয়, দেশে কোভিডে মৃত্যু (India Covid-19 deaths) হয়েছে ৪.৮ লক্ষ মানুষের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট যে ঠিক নয়, তেমন দাবি করেছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিএস সিং দেও। কেবল তিনিই নন, এই একই দাবি করেছেন সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স (central council of health and family welfare conference)। এই কনফারেন্সে রয়েছেন ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা, যার মধ্যে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন।

    করোনায় বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে কোভিডে ভারতে মোট ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৪.৮ লক্ষ মানুষের। এর পরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ৪.৮ লক্ষ নয়, বরং কোভিড অতিমারীতে ৪৭ লক্ষ ভারতীয় মারা গিয়েছেন। বিজ্ঞান মিথ্যা বলে না। মোদি বলেন। প্রিয়জন হারিয়েছে এমন পরিবারকে সম্মান করুন। বাধ্যতামূলক ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে তাঁদের সাহায্য করুন। এর আগেও নানা সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ভারতে করোনা নিয়ে নানা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে করোনার বলি হয়েছে সরকারি হিসেবের কয়েকগুন বেশি মানুষ। যদিও প্রতিবারই সেই দাবি খণ্ডন করা হয়েছে ভারতের তরফে।

    এবার রাহুলের দাবিও খারিজ করে দিল বিভিন্ন রাজ্যের ২০ জন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে গঠিত সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স। এই কনফারেন্সে যে ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের টিএস সিং দেও। কনফারেন্সে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অতিরঞ্জিত। তারা এটাকে সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। 

  • Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিল কেন্দ্র। করোনার সময় যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি তা তুলে নেওয়া হল। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগাস্টের পর থেকে ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, এয়ার ইন্ডিয়া, ভিস্তারা ও আকাশা এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলি নিজেদের ইচ্ছামতো টিকিটের দাম ধার্য করতে পারবে এবং প্রয়োজনে ছাড়ও দিতে পারবে। এর উপরে কেন্দ্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

    বুধবারই ডিজিসিএ-র তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে বলা হয়, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল ও যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিমানের ভাড়ার উপরে যে ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে উড়ান সংস্থাগুলি নিজেরাই ভাড়া ধার্য করতে পারবে।” এর ফলে এবার থেকে দেশের মধ্যে যে সমস্ত বিমানগুলি চলাচল করে, তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থা যাত্রী সংখ্যা, টিকিটের চাহিদা ও জ্বালানির দাম অনুযায়ী বিমানের টিকিটের দাম ঠিক করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের

    বিমানের ভাড়া সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের উপর দুই ধরনের প্রভব পড়তে পারে। কী কী প্রভাব? একটি সদর্থক একটি অ-সদর্থক। কেন্দ্র এয়ারফেয়ার তুলে নিলে ভাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, যাত্রীদের জন্য সুখবর হল ভাড়া কমতেও পারে। যেহেতু ভাড়ার বিষয়টি আর কেন্দ্র দেখছে না, সেটি বিমান কোম্পানিগুলোর হাতে থাকছে সেই কারণে, বিমান সংস্থাগুলো যদি মনে করে তবে বিমানের ভাড়া চাইলে কমাতেও পারে সংস্থাগুলো। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকিটে ছাড় দিয়ে যাত্রীদের আকৃষ্টও করতে পারে উড়ান সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞার জন্যই সমস্ত উড়ান সংস্থাকে একদিকে যেমন টিকিটের দামের ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা মেনে চলতে হত, তেমনই আবার যাত্রীদের বিশেষ কোনও ছাড় বা অফারও দিতে পারত না তারা।  কেন্দ্রীয় উড়ানমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে খুশি বেসরকারি উড়ান সংস্থাগুলি।

  • RSS Meet: আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী নিয়ে?

    RSS Meet: আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী নিয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসে জয়পুরে (Jaipur) বৈঠকে বসতে চলেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) নেতারা। সেখানেই আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) বিতর্ক নিয়ে। বিজেপির (BJP) সাসপেনডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশজুড়ে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আরএসএসের একটি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। 

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল বলে দাবি হিন্দুত্ববাদীদের। হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকেই রয়েছে নন্দীর মুখ। নন্দীর মুখ সর্বদা শিবের দিকেই থাকে। এ থেকে হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরে নেপালের মহারানার উপহার দেওয়া যে নন্দী মূর্তিটি রয়েছে, তার মুখ রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের দাবি, মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা হয়েছে। তাদের আরও দাবি, এখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির ছিল। আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে যে ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছিল, হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, তার ফুটেজেও দেখা গিয়েছে মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ। আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।

    আরও পড়ুন : হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

    আরএসএস কর্তারা প্রথম থেকেই বলেছিলেন, জ্ঞানবাপী বিতর্ক হিন্দু-মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মানুষেরই এক টেবিলে বসে মিটিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। হজরত মহম্মদকে নিয়ে নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরেও দেশজুড়ে অশান্তি হয়েছে। হয়েছে হিংসাত্মক আন্দোলনও। তার জেরে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মৃত্যু হয়েছে দু জনের। যদিও নূপুরের ওই বিতর্কিত মন্তব্যের পরে পরেই দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁকে। নূপুরের ওই মন্তব্য যে তাঁরই, সরকারের নয়, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে সাউথ ব্লক। জয়পুর বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।

    আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান এবং দেশজুড়ে কীভাবে সংগঠনের শাখা বিস্তার করা যায়, তা নিয়েও ওই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। মুসলিম সহ সংখ্যালঘু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টাও সংঘ করবে বলেও জানা গিয়েছে।

     

LinkedIn
Share