Blog

  • SSC Scam: সিআইডি-র জালে ধরা পড়েও কীভাবে ছাড়া পেলেন নীলাদ্রি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রশ্ন সিবিআই-এর

    SSC Scam: সিআইডি-র জালে ধরা পড়েও কীভাবে ছাড়া পেলেন নীলাদ্রি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রশ্ন সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইসা-কর্তা নীলাদ্রি দাসকে নিয়ে নিয়োগ-দুর্নীতির (SSC Scam) ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিলেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattacharya)। সিবিআই-এর দাবি, সুবীরেশ-নীলাদ্রি আঁতাঁতেই চলেছিল চাকরি কেনাবেচা। বাঙালি অফিসার নীলাদ্রি দাসকে পেয়ে দুর্নীতির কাজ আরও সহজ হয়েছিল সুবীরেশ ভট্টাচার্যের।

    সুবীরেশ-নীলাদ্রি যোগ

    ২০১৪-র জানুয়ারি থেকে ২০১৮-র জুলাই মাস পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সুবীরেশের কার্যকালের মধ্যেই, ২০১৫ সাল থেকে ওএমআর বিকৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন নীলাদ্রি। চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা টাকা দিতেন, তাঁদের নাম এসএসসি-র মাধ্যমে জানানো হত নীলাদ্রিকে। নাইসা-র ডিরেক্টর পুনীত কুমার বাঙালি হিসেবে নীলাদ্রি দাসকে এসএসসি-র সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেওয়ায় সুবীরেশের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছিল বলে চার্জশিটে দাবি করেছে সিবিআই।

    ধরা পড়েও ছাড়া পান নীলাদ্রি

    চার বছর আগে একবার চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং প্রতারণার মামলায় ধরা পড়েছিলেন নীলাদ্রি দাস। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই জামিন পেয়ে যান তিনি। মামলার চার্জশিটেও তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের দাবি, কলকাতা হাইকোর্টে নীলাদ্রির জামিনের বিরোধিতাও করেনি সিআইডি। সিবিআই সূত্রের দাবি, এই তদন্তে প্রয়োজনে সিআইডি আধিকারিকদেরও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্ন, নীলাদ্রির কি পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ মহলেও যোগাযোগ ছিল? না হলে তিনি এত সহজে ছাড় পেলেন কী করে? সুবীরেশের ক্ষেত্রেও কেন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি?

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ধর্নামঞ্চে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন জানেন?

    সিবিআই-এর দাবি, ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষা দফতরের পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত নীলাদ্রি। সুবীরেশের সঙ্গে নীলাদ্রির যোগসূত্রও মিলেছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এসএসসি-র যে নিয়োগ নিয়ে তোলপাড় চলছে, সেগুলির বেশির ভাগই ২০১৯ সালের আগে হয়েছে। অর্থাৎ, সিআইডি যখন নীলাদ্রিকে ধরেছিল তখন নিয়োগ দুর্নীতিতে তার সব কাজই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। দুর্নীতির চক্র ঘাঁটতে গিয়েই শিক্ষা দফতর, এসএসসি-র শীর্ষ মহলের যোগসূত্র জানতে পেরেছিল সিআইডি। সেই কারণেই তদন্ত ধীর গতিতে চলে এবং নীলাদ্রিকে ছেড়ে দেওয়া হয়,বলে অনুমান সিবিআই-এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: পাঁচটি জ্যোতির্লিঙ্গসহ ৮টি তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণের ব্যবস্থা করছে রেল মন্ত্রক! থাকছে ইএমআইয়ের সুবিধা, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    Railway: পাঁচটি জ্যোতির্লিঙ্গসহ ৮টি তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণের ব্যবস্থা করছে রেল মন্ত্রক! থাকছে ইএমআইয়ের সুবিধা, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সুখবর। এবার গরমের ছুটিতে দেশের পাঁচটি জ্যোতির্লিঙ্গসহ  ৮টি তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণের জন্য ‘ভারত গৌরব স্পেশাল টুরিস্ট ট্রেন’ ছাড়ছে রেল (Railway) মন্ত্রক। এই প্রথম পর্যটকদের সুবিধার জন্য রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইএমআই-এর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বুধবার বোলপুর-শান্তিনিকেতন স্টেশনে সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানালেন আইআরসিটিসির কলকাতা জোনাল অফিসের সিনিয়র সুপারভাইজার কিঙ্কর রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, “ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এই বিশেষ ট্রেন চালু করা হচ্ছে। এর আগেও আমরা এই ধরনের বিশেষ ট্রেন ছেড়ে সাফল্য পেয়েছি। মাথাপিছু ধার্য টাকার বাইরে কোন টাকা লাগবে না। এছাড়া, পর্যটকদের সুবিধার জন্য এই প্রথম ইএমআই-এর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। জিনিসপত্র যেমন ইএমআই এর মাধ্যমে কেনা হয় তেমনই ভ্রমণের জন্য এই পদ্ধতিতে টাকা দিতে পারবেন পর্যটকেরা।”

    কোন কোন তীর্থক্ষেত্র যাবে এই বিশেষ ট্রেন? Railway

    ২০ মে কলকাতা স্টেশন থেকে এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে। জ্যোতির্লিঙ্গসহ স্ট্যাচু অফ ইউনিটি, শনি মন্দির ঘোরানো হবে পর্যটকদের। এই বিশেষ ট্রেনটি ওমকারেশ্বর, মহাকালেশ্বর, সোমনাথ, নাগেশ্বরসহ ৫টি জ্যোতির্লিঙ্গ যাবে। এছাড়া  শিরডি সাঁই বাবা, শনি শিংনাপুর সহ স্ট্যাচু অফ ইউনিটি ঘুরে দেখানো হবে পর্যটকদের। বিশেষ এই ট্রেনে ১১ রাত ১২ দিন  ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে। কলকাতা ছাড়া ব্যাণ্ডেল জংশন, বর্ধমান জংশন, বোলপুর-শান্তিনিকেতন, রামপুরহাট জংশন, পাকুড়, সাহেবগঞ্জ, ভাগলপুর, মুজাফফরপুর, পাটলিপুত্র প্রভৃতি স্টেশনে দাঁড়াবে ট্রেনটি। এই স্টেশনগুলি থেকে বুকিংও করা যাবে।

    ভারত গৌরব স্পেশাল টুরিস্ট ট্রেনের ভাড়া কত জানেন? Railway

    পর্যটকদের সুবিধার জন্য তিনটি বিশেষ প্যাকেজ রাখা হয়েছে। বাতানুকূল সহ মোট ৬৫৬ টি আসন রয়েছে এই ট্রেনে। স্লিপার কোচ, থার্ড এসি এবং সেকেন্ড এসি। স্লিপার কোচের ভাড়া মাথাপিছু ২০ হাজার ৬০ টাকা। থার্ড এসির ভাড়া রাখা হয়েছে ৩১ হাজার ৮০০ টাকা এবং সেকেন্ড এসির ভাড়া করা হয়েছে ৪১ হাজার ৬০০ টাকা। রেল পর্যটনের প্রচারের জন্য রেলমন্ত্রক (Railway) এই ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ৩৩ শতাংশ ছাড়ও দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই প্রথম পর্যটনের জন্য ইএমআই সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। অর্থাৎ, ৩ থেকে ১৮ মাসের ইএমআই সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকেরা। যে কেউ ইণ্ডিয়ান রেলওয়ে (Railway) ক্যাটারিং এণ্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট www.irctctourism.com এর মাধ্যমে বুকিং করতে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার দফতরেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ! ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: মমতার দফতরেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ! ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রেড রোডে আম্বেদকরের মূর্তির নীচে ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁকে ট্যুইট-বাণে বিদ্ধ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার পুলিশ কর্মী নিয়োগ না করে অস্থায়ী হোমগার্ড নিয়োগ করছে, মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও চুক্তিভিত্তিক উপদেষ্টা, প্রফেসরের জায়গায় অস্থায়ী লেকচারার। সস্তার লেবার পেতে চাইছে সরকার। তিনি বলেন, এভাবে টাকা বাঁচাচ্ছে, কিন্তু ডিএ দিচ্ছে না। এটাই কি যুব সমাজের ভবিষ্যৎ?  এভাবে একটা অসম্মানজনক কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    এদিন একাধিক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনও তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। একটিতে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের হোম ও হিল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টে পাঁচজন উপদেষ্টা নিয়োগ করার জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। পারিশ্রমিক মাসে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। মাস্টার্স ডিগ্রি বা এমবিএ পাশ হতে হবে। কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে পাঁচ বছর। ওই দফতরেই পাঁচটি শূন্য পদে চুক্তিভিত্তিক জুনিয়র কনসালট্যান্ট নিয়োগের বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। সেখানেও মাস্টার্স ডিগ্রি বা এমবিএ চাওয়া হয়েছে। কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন দু বছরের। প্রতি মাসে পারিশ্রমিক ৭৫ হাজার টাকা।

    রাজ্য সরকারের তথ্য প্রযুক্তি দফতরে ১০ জন চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নেওয়ার বিজ্ঞাপনও রয়েছে। এখানে পারিশ্রমিক বাবদ প্রতি মাসে দেওয়া হবে ২৫ হাজার টাকা। অস্থায়ী হোমগার্ড পদেও নিয়োগ হবে। প্রতিদিন মাথা পিছু ৫৬৫ টাকা করে দেওয়া হবে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইটে উল্লেখ করা সব পদই অস্থায়ী। ভবিষ্যতের কোনও নিশ্চয়তা নেই। চুক্তি পুনর্নবীকরণ না হলে কাজ চলে যাবে। সেই ভয়াবহ ও অনিবার্য পরিস্থিতির কথাই তুলে ধরেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ধর্নামঞ্চে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন জানেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপির ধর্নামঞ্চে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন জানেন?

    Suvendu Adhikari: বিজেপির ধর্নামঞ্চে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রেড রোডে আম্বেদকরের মূর্তির নীচে দু দিনের ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। এদিকে, শ্যামবাজারে তৃণমূলের (TMC) পাল্টা দু দিনের ধর্নায় বসেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বিজেপির এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) প্রমুখ। এদিনের ধর্না মঞ্চে দিলীপ বলেন, আলিপুর সংশোধনাগার, দমদম সংশোধনাগার দিয়ে হচ্ছে না, তাই এখন তিহাড় জেলে যেতে হচ্ছে।

    অভিযোগের বাণ…

    তিনি বলেন, আসানসোল থেকে তুলে তিহাড়ে নিয়ে চলে গেল। আইনের হাত কত লম্বা দেখলেন? তিনি বলেন, মোদি আর যোগী যত শক্তিশালী হচ্ছেন, আইনের হাত তত লম্বা হচ্ছে। দিলীপ বলেন, ঘাটালের সাংসদ গতকাল সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন বাংলার টাকা কেন দেওয়া হচ্ছে না। মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি দুর্নীতি। কোনও টাকার হিসেব আসে না। তাই টাকা আটকে রাখা হয়েছে। সরকারি কর্মীদের ডিএর দাবি যে অন্যায্য নয়, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন দিলীপ।

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার সিঙ্গুরে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী সরষের বীজ ছড়িয়ে এসেছিলেন। মানুষ ওখানে চোখে সরষে ফুল দেখছেন, কিন্তু সরষের চাষ দেখতে পাননি। তিনি বলেন, সিঙ্গুর একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব হতে পারত, সেই সিঙ্গুরে আজ শ্মশানের স্তব্ধতা। রাজ্যের শিল্পপতিরা ভিন রাজ্যে চলে যাচ্ছেন।

    এদিনের মঞ্চে ভাষণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যে কম্পার্টমেন্টাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ রেড রোডে ধর্না দিচ্ছেন। কোনও রাজ্যের মন্ত্রী বা কেন্দ্রের মন্ত্রী যাঁরা সংবিধানকে সামনে রেখে শপথ নিয়েছেন, তাঁরা এভাবে ধর্না দিতে পারেন না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কিছু মানেন না। উনি শুধু মানেন, এপাং-ওপাং-ঝপাং, আমরা সবাই ড্যাং-ড্যাং। তিনি বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ঢালাও অর্থ দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নে। দেখা গেল, প্রত্যেকটা প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনাকে খাদ্যসাথী বলে চালানো হয়।

    আরও পড়ুুন: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পশ্চিমবঙ্গে জব কার্ড হোল্ডার ছিল ৩ কোটি ৬০ লক্ষ। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে সেই সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লাখ হয়ে গেল কেন?  তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, মোদিজি যখন বললেন, আধারের সঙ্গে জবকার্ড লিঙ্ক করতে হবে, তখনই ১ কোটি জবকার্ড বাদ পড়ে গেল। তিনি বলেন, গত ১০ বছর ধরে এরা ভুয়ো জব কার্ড দিয়ে কেন্দ্রের টাকা লুঠ করেছে। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ৪৫ লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘দুর্নীতির মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি’, বিস্ফোরক মত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: ‘দুর্নীতির মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি’, বিস্ফোরক মত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দুর্নীতি হয়েছে, যে তাকে মহাসমুদ্রের সঙ্গে তুলনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিকের একটি মামলায় মামলাকারীদের তরফে বলা হয়, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ভাবে প্রচুর সংখ্যক বেআইনি নিয়োগ করা হয়েছে, তাতে পুরো প্যানেল বাতিল করা ছাড়া উপায় নেই।  এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন, “দুর্নীতির মহাসমুদ্রে আমি হাবুডুবু খাচ্ছি।” 

    প্যানেল বাতিল প্রসঙ্গ

    প্যানেল বাতিল প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, প্যানেল বাতিল হলে ন্যায্য উপায়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের কথাও ভাবতে হবে। যদি এক জনও থেকে থাকেন সেটাও দেখতে হবে। ফলে অন্য উপায় কী আছে, তা জানতে চান বিচারপতি। মামলার সব পক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “দুর্নীতির সমুদ্রে আপনারা সাহায্য করছেন। তার পরও আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। এ তো মহাসমুদ্র। দুর্নীতির মহাসমুদ্র। এই অবস্থায় ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।” এই প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, “এ নিয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন। তিন দিন ধরে মামলার সব পক্ষের বক্তব্য শুনব।” হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ এপ্রিল।

    মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে মানিকের

    টেট ২০১৪ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বুধবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “নির্দ্বিধায় মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের৷ আদালতের সামনে সেটা প্রমাণিতও হয়েছে।” সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৪-র টেটের ওএমআর শিট সরবরাহের জন্য কোনও টেন্ডার ডাকা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। রিপোর্টে সিবিআইএর দাবি অনুযায়ী মানিক আরও জানিয়েছেন, ২০১২ র টেটের জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। সেখানেই প্রথম বরাত পায় এস.বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। ভাল কাজ করায় এবং অন্য কেউ টেন্ডার জমা না দেওয়ায় ফের বরাত দেওয়া হয় এস.বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে। সিবিআই এর এই রিপোর্ট দেখে অখুশি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    সিবিআইকে বিচারপতি

    সিবিআইয়ের রিপোর্ট সন্তোষজনক নয় বলে মনে করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “এটা কোনও জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে ? এর থেকে তো আমি ভাল  জিজ্ঞাসাবাদ করি। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনেক আইনজীবীও এর থেকে ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। তদন্ত শেষ করতে হবে তো!” তিনি বলেন,  “সিবিআই তো কিছুই করছে না। তারা তো জানেও না পিছনের দরজা দিয়ে কোন কাজ হয়েছে। এই সরকারের শিক্ষা দফতর কী করে এই দুর্নীতি দেখেও তাদের চোখ বন্ধ করে রাখল সেটা ভেবে আমি বিস্মিত। শিক্ষা দফতরের কেউ কেউ হয়তো হাতে হাত রেখে এই দুর্নীতি করেছিলেন৷”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। বুধবার সল্টলেকের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাকাউন্টস বিভাগের কর্মী অর্ণব বসুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। মূলত ওই কর্মী চাকরি চুরি সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত কি না সেটাই খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তল্লাশিতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না সেটা জানা যায়নি। এদিনই কলকাতার ইডি দফতরে পৌঁছন নিয়োগকাণ্ডে ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল। 

    সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি

    বুধবার দুপুরে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন কাকলি। এর আগে গত শনিবারও তিনি ইডি অফিসে গিয়েছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) গ্রেফতার সল্টলেকের প্রোমোটার অয়ন শীলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। সূত্ররে খবর, অয়নের স্ত্রী এবং ছেলে দিল্লিতে থাকেন। কাকলি দিল্লি থেকে ফিরেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন। তদন্তে নেমে অয়ন শীলের ব্যাঙ্ক লকারের হদিশ পেয়েছে ইডি। লকারে অয়নের সঙ্গে যৌথভাবে নাম রয়েছে তাঁর স্ত্রী কাকলির। এর আগেও কয়েকবার অয়ন পত্নীর সঙ্গে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের ছেলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    ইডি সূত্রে খবর, অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের দ্বিতীয় ডিরেক্টর কাকলি শীল। কাকলি যদিও এর আগে দাবি করেছিলেন, স্বামীর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন না। একই সঙ্গে স্বামীর প্রযোজিত সিনেমায় তাঁর স্বামীর ‘ঘনিষ্ঠ’ শ্বেতা চক্রবর্তীর অভিনয় নিয়েও তিনি অনেক পরে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন কাকলি। ইডি সূত্রে খবর, অয়নের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর এবং কাকলির নামে দু’টি যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে। পাশাপাশি কাকলির নামে দু’টি আলাদা অ্যাকাউন্টের হদিস পাওয়া গিয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Corona Update in India)। কিছুদিন আগেও নিম্নমুখী হতে শুরু করেছিল করোনা (Corona) সংক্রমিতের লেখচিত্র। তবে গরম পড়তেই ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মারণ ভাইরাস। সপ্তাহখানেক আগে দেশে করোনায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছিল হাজারের গন্ডি। সপ্তাহ ঘুরতেই হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছে দু হাজারের চৌকাঠ।

    করোনা (Corona Update in India) সংক্রমিতের সংখ্যা…

    জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ১৫১ জন। সব মিলিয়ে ভারতে বর্তমানে করোনা সংক্রমিত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯০৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, গত পাঁচ মাসে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ (Corona Update in India)। করোনায় মৃত্যুর পরিসংখ্যানও মিলেছে। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন সাত জন। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ৩ জন, কেরলের ৩ জন এবং কর্নাটকের একজন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৪৮ জন।

    এদিকে, যেহেতু গোটা বিশ্বেই ফের বাড়ছে করোনার দাপট, তাই টিকাকরণে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের দুটি টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফের বুস্টার ডোজ নিতে হবে। যাঁদের বুস্টার নেওয়া আছে, তাঁদের ফের নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। আগের টিকা নেওয়ার ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে নতুন বুস্টার ডোজ নিতে হবে। প্রবীণ ব্যক্তি বা যাঁদের নানারকম অসুখ, কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের অতি অবশ্যই বুস্টার ডোজ (Corona Update in India) নিতে হবে। কতদিন পরে নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে, তা শরীরের অবস্থা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখে চিকিৎসকরা প্রেসক্রাইব করবেন।

    আরও পড়ুুন: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    জানা গিয়েছে, অন্তত চার রকমের ভাইরাসের প্রজাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সেই সব প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ, টিকাকরণের ওপর ফের জোর দিতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিতে হবে বুস্টার ডোজ। সংস্থার দাবি, করোনা অতিমারি শেষ হতে এখনও বহু দেরি। এখনই করোনা থেকে মুক্তির কোনও সম্ভাবনাই নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    Mamata Banerjee: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বম্বে হাইকোর্টে (Bombay High Court) খারিজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আবেদন। ২০২১ সালে মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) অবমাননার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল (TMC) নেত্রীর বিরুদ্ধে। জাতীয় সঙ্গীতের অমর্যাদা করেছেন বলে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপির এক নেতা। সেই মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মমতা। বুধবার তৃণমূল নেত্রীর সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। যার জেরে কাটল না মুখ্যমন্ত্রীর অস্বস্তি।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    একুশের ১ ডিসেম্বর মুম্বই সফরে কবি জাভেদ আখতারের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে শহরের বিশিষ্টজনেদের সঙ্গে মিলিত হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই অনুষ্ঠানের শেষে পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত। অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত শুরুর সময় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার আগেই সভাস্থল ছেড়েও চলে যান মমতা। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগ ওঠে। মুম্বইয়ের আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা বিবেকানন্দ গুপ্ত। সেই মামলা খারিজের দাবিতে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    মুম্বইয়ের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এই মামলায় প্রথমে সমন পাঠায় মুখ্যমন্ত্রীকে। পরে মুম্বইয়ের এক বিশেষ আদালত সেই সমন খারিজ করে দেয়। বিশেষ আদালতের রিভিউ পিটিশন দায়ের করেছিলেন মমতা। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনও সরকারি পদাধিকারীর বিরুদ্ধে সমন জারি করতে গেলে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে সেই অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এর পরেই খারিজ হয়ে যায় সমন। পরে সেই মামলা খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয় বম্বে হাইকোর্টে।

    বিচারপতি অমিত বোরকারের সিঙ্গল বেঞ্চ খারিজ করে দেয় মমতার আবেদন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে কোনও ভুল নেই। বেআইনি বিষয়ও নেই। তাই এই আবেদন গৃহীত হবে না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এবার মুম্বইয়ের আদালতের হাজিরা দিতে হবে পারে মমতাকে। এই মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে তিন বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন ১০ মে, মোদি ম্যাজিকে জিতবে দল, আশাবাদী বিজেপি

    Karnataka Assembly: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন ১০ মে, মোদি ম্যাজিকে জিতবে দল, আশাবাদী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজে গেল কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচনের দামামা। নির্বাচন হবে ১০ মে, এক দফায়। ফল ঘোষণা ১৩ মে। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ খবর জানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। ইতিমধ্যেই ১২৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস (Congress)। ৯৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জেডিএস। কর্নাটক বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪। তার মধ্যে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি (BJP) পেয়েছিল ১১৯টি আসন। কংগ্রেস জিতেছিল ৭৫টি আসনে। আর তাদের জোট সঙ্গে জেডিইউ পেয়েছিল ২৮টি আসন। কর্নাটকের মোট ভোটার সংখ্যা ৫.২১ কোটি। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ২.৫৯ কোটি। শতায়ু ভোটার রয়েছেন ১৬ হাজার ৯৭৬ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৯ জন। নতুন ভোটার ৯.১৭ লক্ষ।

    কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচন…

    গত বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচনে জোট সঙ্গী জেডিইউয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েছিল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন এইচডি কুমারস্বামী। সেই সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এক মঞ্চে হাজির ছিলেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সীতারাম ইয়েচুরি, মায়াবতীর মতো বিজেপি বিরোধী নেতারা। সেই সরকারের আয়ু অবশ্য বেশিদিন ছিল না। তার পরেই সরকার গড়ে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন বাসবরাজ বোম্মাই। কংগ্রেস ও জেডিইউ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিলেও ক্ষমতাসীন দল বিজেপি তা করেনি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুুন: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    এবার লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে আম আদমি পার্টিও। ইতিমধ্যেই ৮০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। কেজরির দল যে বিজেপি বিরোধী ভোটেই ভাগ বসাবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনও মোদি ম্যাজিকে জিততে চাইছে বিজেপি। গত রবিবার কর্নাটকে সরকার প্রকল্পের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে গিয়ে ফের সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে কংগ্রেসও জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ হওয়াকে হাতিয়ার করে কর্নাটক জয়ের স্বপ্ন দেখছে সোনিয়া গান্ধীর দল।

    প্রসঙ্গত, কর্নাটক বিধানসভার (Karnataka Assembly) মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৪ মে। তার আগেই মিটিয়ে ফেলতে হবে ভোটপর্ব। এদিন থেকেই কর্নাটকে লাগু হয়ে গেল আদর্শ আচরণ বিধি। এবার ১৩ হাজারেরও বেশি বুথ পরিচালনা করবেন কেবল মহিলারা। সেখানে সব দায়িত্বেই থাকবেন মহিলারা। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও হবেন মহিলা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২০ এপ্রিল। প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৪ এপ্রিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share