Blog

  • Partha Chatterjee: পার্থর শুনানিতে প্রভাবশালী তত্ত্ব, SSKM-এ ডনের মত আচরণ করছেন পার্থ, সওয়াল ইডির

    Partha Chatterjee: পার্থর শুনানিতে প্রভাবশালী তত্ত্ব, SSKM-এ ডনের মত আচরণ করছেন পার্থ, সওয়াল ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থর শুনানিতে প্রভাবশালী তত্ত্ব। হাসপাতালে পার্থ ডনের মত আচরন করছেন। ইডিকে ধমকাচ্ছেন। সওয়াল ইডির আইনজীবীর। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসকেএম থেকে সরাতে চেয়ে ইডির আর্জি, শুনানি শুরুতেই কলকাতা হাই কোর্টে ইডি আইনজীবীর সওয়াল। এসএসকেএম হাসপাতালে গেলে ইডি অফিসারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করছে না ইডির সঙ্গে।

    শনিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। তাঁকে দু’দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু ইডি সূত্রের খবর, পার্থকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করার যে নির্দেশ দিয়েছে নিম্ন আদালত, তাতে তারা ‘অসন্তুষ্ট’। নিয়ম মেনে শুনানি হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। তাই নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ওই দিন রাতেই প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের কাছে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। রবিবার সকালে শুরু হয় শুনানি। 

    ইডির দাবি, আইনজীবী সওয়াল করেন স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতিতে হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশেই তদন্ত হচ্ছে। দু’দিন আগে ২১ কোটির বেশি টাকা এবং ২০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। নিম্ন আদালতে জামিন বাতিল হয়েছে। সোমবার ফের আদালতে তোলা হবে মামলা। এই নির্দেশের পর এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ হয়। সেখানে ইডির কথা শোনাই হয়নি। অথচ, নিম্ন আদালতে তাঁকে তোলার আগে অন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁরা ফিট সার্টিফিকেট দেয়। তারপরও চিকিৎসায় বাধা দেয়নি। তিনি বলেন, ‘‘কিন্তু বার বার নির্দিষ্ট একটি হাসপাতালেই কেন? এই হাসপাতালে চিকিৎসার নামে দুর্নীতি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।’’ 

    মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সুস্থ বলে জানিয়েছে আদালত। ইডির দাবি, “…নিজের পছন্দমাফিক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার এক্তিয়ার এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে, অসুস্থ হওয়ার নাটক করছেন পার্থ।”

    এসএসকেএম রাজ্যের প্রভাবশালীদের জন্য সেফ জোন। মদন-অনুব্রতর উদাহরণ টেনে মন্তব্য বিচারপতির। মন্ত্রী পার্থের আইনজীবীকে এমনই বললেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী। পার্থর আইনজীবী দেবাশিস রায়ের দাবি, ইডি আইনজীবী আদালতকে সঠিক তথ্য দেয়নি। ইডি হাসপাতাল পরিবর্তন নিয়ে আলাদা আবেদন জানিয়েছিল। সেটা আগামিকাল সকাল সাড়ে ১০টায় বিচারক শুনানির জন্য রেখেছেন।

    এসএসসি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, এসএসকেএমে ভর্তি হওয়া যাবে না। ঘটনাচক্রে গ্রেফতারির পর সেই এসএসকেএমেই ভর্তি হন পার্থ। যা নিয়ে বাদানুবাদে জড়ালেন দু’পক্ষের আইনজীবীরা। ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘ওঁকে (পার্থ) সর্বোত্তম হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারি আমরা। এমস কল্যাণীতে নিয়ে যাব। সঠিক পরীক্ষা হবে।’’ তাঁর আগে, শুনানি চলাকালীন ইডির আইনজীবী শ্রীরাজুকে বিচারপতি চৌধুরী বলেন, ‘‘কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি ও জেনারেল মেডিসিন দিল্লির এমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দিয়ে করানো হোক।’’ পাল্টা ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘দিল্লি কেন, কল্যাণী এমসেও হতে পারে।’’

    ইডি আইনজীবীর দাবির প্রেক্ষিতে বিচারপতি চৌধুরীর মন্তব্য, ‘‘কল্যাণী এমসের উপর আমার ভরসা নেই।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। আপনি ভুবনেশ্বর এমসে থেকে দেখুন।’’ যার পরে ইডির আইনজীবী জানান, তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যেতে অনুমতি দিচ্ছেন না কেন? প্রশ্ন ইডির। 

    বিচারপতি জানান, আমি বলতে পারি না তাই এইমসের ডাক্তার বলবে। কাল দুটোর মধ্যে ব্যবস্থা করুন। নির্দেশ কোর্টের। তাদের পরীক্ষার ফল এসএসকেএম এর রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। আপনারা কেন্দ্রীয় সংস্থা এই ব্যবস্থা করতেই পারেন।  পরীক্ষা করে বেলা তিনটের সময় ফিরিয়ে দেব। সওয়াল ইডির। তবু ডাক্তারকে আনতে পারবেন না। কটাক্ষ পার্থর আইনজীবীর। 
    শেষে বিচারপতি বলেন, ‘‘আমি কোথাও নিয়ে যেতে দেব না। সেখানকার চিকিৎসকেরা এখানে আসুন। আপনিও কেন্দ্রের অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেলকে বলুন।’’ খবর লেখা পর্যন্ত, রায়দান সাময়িক স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি।

  • Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঢোল বাজনে লাগা…” শহরটাও সেজে উঠেছে। বহুদিন পর আবার নিজেদের নেতাকে কাছে পেয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়েরা। শেষ ২০১৭ সালের মে মাসে জার্মানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবার বার্লিনে মোদি। 

    সোমবার তিনদিনের ইউরোপ সফরের শুরুতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে রীতিমতো জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। একেবারে ভারতীয় সংস্কৃতি মেনেই শিল্পীরা নাচ,গান প্রভৃতি পরিবেশন করেন। পুণের শিল্পীরা তাঁদের ঐতিহ্যবাহী ঢোল ও তাশা বাজান। সেই বাজনা শুনে আর স্থির থাকতে পারেননি মোদিও। শিল্পীদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে ঢোল বাজাতে দেখা যায় তাঁকে। রাষ্ট্রপ্রধানের এমন আচরণে মুগ্ধ হয়ে যান সেখানে উপস্থিত দর্শক ও শিল্পীরা।

    [tw]


    [/tw]

    এই অনুষ্ঠানের আগেই জার্মানিতে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সঙ্গে মোদি দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে হাসি মুখে কথা বলতে দেখা যায় মোদিকে। ছোটদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে দেখা যায় তাঁকে। একটি ছোট মেয়ের হাতে আঁকা নিজের ছবি দেখে মন ভরে যায় প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর গাল টিপে আদরও করেন। আরেক খুদের গান শুনে মুগ্ধ মোদি। ছোট শিল্পীর দেশাত্মবোধক গানে তুড়ি দিয়ে তাল দিতেও দেখা যায় মোদিকে। হাততালি দিয়ে তাকে সাধুবাদ জানান। ছবিও তোলেন তার সঙ্গে। অনেকেই মোদির সঙ্গে সেল্ফি তোলেন। মোদি যখনই যেখানে পৌঁছন, তখনই উপস্থিত জনতা ‘মোদি মোদি’ স্লোগান তুলে তাঁকে স্বাগত জানান। “বন্দে মাতরম” (Vande Mataram), “ভারত মাতা কি জয়” (Bharat Mata ki Jai) ধ্বনিও শোনা যায়।

    অ্য়াঞ্জেলা মর্কেলের দীর্ঘ শাসন শেষ হওয়ার পর জার্মানির নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন ওলাফ স্কোল্জ (Olaf Scholz)। তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার পর মোদিই প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান যিনি সরকারি সফরে জার্মানি গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন। সূত্রের খবর, এদিন দুই নেতার মধ্যে সরকারিস্তরের বিভিন্ন আলোচনা ছাড়াও অন্যান্য কথা হয়। দীর্ঘক্ষণ হালকা মেজাজে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাঁদের।

     

  • IPL:শ্রেয়সদের হয়ে গলা ফাটিয়ে রাতারাতি জনপ্রিয় নায়িকা

    IPL:শ্রেয়সদের হয়ে গলা ফাটিয়ে রাতারাতি জনপ্রিয় নায়িকা

    IPL:বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে (addvertisement) অভিনয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। নামী ব্যাঙ্কই হোক বা পারফিউম, মিল্ক প্রোডাক্ট বা ক্যাব সবেতেই মুখ দেখিয়ে ফেলেছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে (Instagram)খুবই সক্রিয় তিনি। তবে এতদিন পর্যন্ত তাঁর জনপ্রিয়তার পারদ চড়েনি। কেকেআরের(KKR)হয়ে গলা ফাটাতেই এক রাতের মধ্যে বদলে গিয়েছে চিত্র। এখন অনেকেরই হার্ট থ্রব অভিনেত্রী আরতি বেদী (Arati bedi)।
    রবিবার আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (kolkata knight riders) বনাম দিল্লি ক্যাপিটালসের(delhi capitals)ম্যাচে ব্রেবোর্ন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ওই তরুণীকে দেখা যায়। সাদা রংয়ের টপ পরে থাকা ওই সমর্থককে বার বার দেখাতে থাকে ক্যামেরা। শ্রেয়সদের হয়ে বারবার গলা ফাটাতে দেখা যায় তাঁকে। ম্যাচে তাঁর দল কলকাতা হেরে গেলেও ওই সমর্থক সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। এক রাতের মধ্যে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। ম্যাচের আগে ইনস্টাগ্রামে তাঁর ৩০ হাজার ‘ফলোয়ার’ছিল। ম্যাচের পর তা ৫০ হাজার ছাপিয়ে গিয়েছে। টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, সর্বত্র তিনি এখন ভাইরাল। অনেকেই এই তরুণীর নাম জানতে চাইছেন। আরতি পেশায় মডেল। অভিনয় ছাড়া নাচতে খুব ভালবাসেন। ইনস্টাগ্রামে(Instagram)তাঁর নাচের প্রচুর ভিডিও রয়েছে। 
    ঘুরে বেড়ানো আরতির শখ। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার ছবিও তিনি নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে থাকেন। ইতিমধ্যেই লন্ডন, তাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ইটালি, স্পেন ঘুরে ফেলেছেন তিনি। অক্সফোর্ড স্ট্রিট, আইফেল টাওয়ার, ফি আইল্যান্ড, লুম্পিনি পার্কে ঘোরার ছবিও দিয়েছেন। তাঁর একটি পোষ্য বিড়াল রয়েছে। নাম ফাজ। পশুপ্রেমী আরতির কাছে ‘পরিবারের সবচেয়ে সুন্দর সদস্য’হল ফাজ। গরমের দিনে আইসক্রিম তাঁর পছন্দের জিনিস। কয়েক বছর আগে ইটালির জেলাতেরিয়া সান্তা ত্রিনিতা নামে বিখ্যাত আইসক্রিমের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন আরতি। 
    এর আগেও আইপিএলে বিভিন্ন সময়ে নজর কেড়েছেন বিভিন্ন সমর্থক। গ্যালারিতে প্রিয় দলকে সমর্থন করার ফাঁকেই তাঁদের ধরেছে ক্যামেরা। রাতারাতি টিভির পর্দায় মুখ দেখিয়ে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন অনেকে। অনেকেরই মনে আছে দীপিকা ঘোষের কথা। হায়দরাবাদ ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে সমর্থন করতে আসা দীপিকার উপর থেকে ক্যামেরা সরছিলই না। হঠাৎই তিনি ‘জাতীয় ক্রাশ’হয়ে যান। চেন্নাইয়ের জোরে বোলার দীপক চাহারের বোন মালতি এ ভাবেই দলকে সমর্থন করতে এসে বিখ্যাত হন। হায়দরাবাদের সিইও কাব্য মরানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। আরতি নয়া সংযোজন। 

     

  • Jhulan Goswami: বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ক্রিকেটকে বিদায় ঝুলনের

    Jhulan Goswami: বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ক্রিকেটকে বিদায় ঝুলনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে তাঁর প্রাপ্তির ঝুলি প্রায় পরিপূর্ণ। তবুও লর্ডসে বিদায়ী মঞ্চে (Farewell at Lords) আক্ষেপের সুর শোনা গেল ঝুলন গোস্বামীর (Jhulan Goswami) কণ্ঠে। বিশ্বকাপ (World Cup) জিততে না পারার ব্যথা নিয়েই ক্রিকেটকে আলবিদা জানালেন ‘চাকদহ’ এক্সপ্রেস।

    জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে দু’টি উইকেট পেলেন ঝুলন। জিতল ভারতও। শুধু তাই নয় ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরের মাঠে হোয়াইট-ওয়াশ করাটাও কম কৃতিত্বের নয়। ঝুলনের বিদায়ী ম্যাচকে এভাবে স্মরণীয় করে রাখলেন হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মান্ধানারা। তবে এতদিনের সম্পর্কে ইতি টানা তো সহজ ব্যাপার নয়। পারেননি ঝুলন। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সতীর্থদের চোখে জল দেখে লর্ডসের সবুজ গালিচাও হয়তো ডুকরে কেঁদেছে। কারণ, মহিলাদের ক্রিকেটে ঝুলন এক মহীরূহ। ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করে কত বাধা-বিপত্তি টপকে আজকে তিনি এই উচ্চতায় পৌঁছেছেন। যা শুধু তাই সতীর্থদের কাছে নয়, তামাম বিশ্বের নারী সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণা।

    বিদায় বেলায় শুভেচ্ছা বন্যায় ভেসে গিয়েছেন ঝুলন। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে মাস্টার ব্লাস্টার শচীন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলিরা প্রশংসা ভরিয়ে দিয়েছেন ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’কে। সৌরভ ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘অসাধারণ এক কেরিয়ার। যা শেষ হল জয় দিয়ে। আগামী কয়েক দশক ঝুলন আদর্শ হয়ে থাকবে।’ শচীন লিখেছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটে তোমার অবদান কখনও ভোলার নয়।’ ঝুলনকে বিশেষ সম্মান জানাল সিএবি। ইডেনে বাংলার মেয়ের নামে তৈরি হবে একটি স্ট্যান্ড। ঝুলনের বিদায়ী ম্যাচ দেখানোর বিশেষ ব্যবস্থাও করেছিল সিএবি (Cricket Association of Bengal)।

    লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে ঝুলন বলেন, ‘যেদিন খেলা শুরু করেছিলাম সেদিন ভাবিনি এত দূর যেতে পারব। এর জন্য ঈশ্বরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রত্যেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ জেতার। আমিও সেই স্বপ্ন নিয়েই পথ চলেছি। দু’বার বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠলেও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে। ক্রিকেট আমাকে অনেক কিছু দিলেও বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ থেকেই গেল।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Corona In West Bengal: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে কোভিডও! পুজোর মুখে ফের সংক্রমণের আতঙ্ক

    Corona In West Bengal: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে কোভিডও! পুজোর মুখে ফের সংক্রমণের আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা (Corona)। একদিকে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ তো রয়েছেই, তার উপর করোনা। করোনা একেবারে চলে না গেলেও কিছুদিন আগেই কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিল রাজ্যে। কিন্তু একেবারে পুজোর মুখে নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। এই জোড়া আতঙ্কের ফলে নাজেহাল রাজ্যবাসী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি। ফলে রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে কোভিড পজিটিভিটি রেট দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে।

    রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩৭ জন, যা আগের দিন ছিল ৩৬৫। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে কিছু কমেছে, কিন্তু তাতে কোনও আতঙ্কের কম হচ্ছে না। রাজ্যে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১,১২,১৯৪ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০,৮৮,০৩৬ জন। শতকরা হিসেবে ৯৮.৮৬ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুঁইছুঁই

    হঠাৎ করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা শুরু হয়েছে। এরপর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পুজোর আগে কেনাকাটার জন্য ভিড় বাড়ছে, ফলে করোনা সংক্রমের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলছে। তবে এই নিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই সময়ে ভয় না পেয়ে সতর্ক থাকাটাই বেশি প্রয়োজনীয়। তবে এও জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে ও করোনার বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে, নয়তো ফের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ।

    রাজ্যের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১ সেপ্টেম্বর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২১০। এক সপ্তাহ পর সেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩০। আরও এক সপ্তাহ পরে অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৭৫। এরপর সেপ্টেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬৫ এবং পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৪.৬২ শতাংশ। এই মুহূর্তে রাজ্যে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৬৬৫। ফলে উৎসবের মরশুমে সামান্য অসাবধানতা বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বারবার বলা হচ্ছে ও রাজ্যবাসীকে সতর্ক করা হচ্ছে।

  • India Bangladesh: চিনের সঙ্গে সখ্যতার ফল কী হতে পারে, শ্রীলঙ্কাকে দেখে বুঝতে পারছে বাংলাদেশ

    India Bangladesh: চিনের সঙ্গে সখ্যতার ফল কী হতে পারে, শ্রীলঙ্কাকে দেখে বুঝতে পারছে বাংলাদেশ

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি, বাংলাদেশ (Bangladesh) সফরে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (External Affairs Minister S Jaishankar)। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ২ দিনের সফরে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina) ও বিদেশমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাত শেষে জয়শঙ্কর জানান, দুদেশের মধ্যে সম্পর্কের (India Bangladesh Relation) বন্ধন আরও দৃঢ় হচ্ছে। তিনি বলেন, আলাপচারিতার সময় দুই দেশের মধ্যে সংযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। 

    জয়ঙ্কর জানান, মূলত দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধির ব্যাপারেও কথাবার্তা হয়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি যাতে চট্টগ্রাম বন্দর (Chittagong port) ব্যবহার করতে পারে তারও প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে পারে। মূলত অসম ও ত্রিপুরার মতো উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ আরও বৃদ্ধির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রসঙ্গই উত্থাপন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ একটি মউ স্বাক্ষর করেছিল, যাতে ভারতে পণ্য পরিবহণের জন্য বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ মন্ত্রিসভা পণ্য পরিবহনের জন্য দুটি বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য নতুন দিল্লির সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তি অনুমোদন করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র-বন্দর। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি এই বন্দর ব্যবহার করে তাদের অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে। সেই সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এদিকে, শেখ হাসিনাকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর তরফে পাঠানো সেই আমন্ত্রণ হাসিনার কাছে পেশ করেন জয়শঙ্কর। পরে বিদেশমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাঁর সময় সুবিধা অনুযায়ী ভারত সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘‘আমার এখনও জানা নেই কখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করবেন। সফরটি সম্পূর্ণ তাঁর সুবিধাজনক সময়ের উপর নির্ভর করে। আমাদের সফর চূড়ান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’’ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গেও দেখা করেন এস জয়শঙ্কর এবং তাঁকে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের পরবর্তী বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে ভারতে আমন্ত্রণ জানান।

    সাম্প্রতিককালে, পাকিস্তান বাদ দিয়ে ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা ক্রমশ বাড়ছিল। ভারতকে চাপে ফেলতে এক-এক করে নেপাল থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করে চিন। বিশাল অঙ্কের আর্থিক অনুদান হোক বা সহজলভ্য় ঋণ– এক এক করে টোপ দিয়ে ভারতের প্রতিবেশীদের কব্জা করার কৌশল নেয় ‘ড্রাগনের দেশ’। এতে ভারতের সমস্যা বাড়ছিল। কিন্তু, হালে চিনের মুখোশ খুলে গিয়েছে। বিশেষ করে, শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ পরিস্থিতি চোখে আঙুল দিয়ে সকলকে দেখিয়ে দিয়েছে, চিনের সঙ্গে হাত মেলালে, আখেরে কী ক্ষতিটাই না হবে! বন্দর গঠন থেকে শুরু করে সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নের টোপ — চিনের সহজ ঋণের লোভে পা দিয়ে কার্যত দেউলিয়া অবস্থা হয়েছে ভারতের প্রতিবেশী এই দ্বীপরাষ্টটির। 

    পাকিস্তানে এখন অন্য চিনা-সমস্যায় জর্জরিত। এমনিতে, চিনকে বলা হয় পাকিস্তানের সব ঋতুর বন্ধু। কিন্তু, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মানববোমা বিস্ফোরণে ৪ চিনা নাগরিকের মৃত্যুও দেখিয়ে দিচ্ছে, বালোচিস্তানের মানুষ চিনাদের ওপর কতটা ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে। এটাও দিনের আলোর মতো স্বচ্ছ যে, ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই চিনারা নিপীড়ন চালাচ্ছিল। ফলে, ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি এখন টের পাচ্ছে, চিনের সঙ্গে হাত মেলালে হাত পুড়বেই। ফলে, চিন নিয়ে এখন তারা সতর্ক। পাকিস্তানের মতো অবস্থা নয় যাদের, অর্থাৎ, যারা চিনের ওপর নির্ভরশীল নয়, সেই সব দেশ এখন নিজেদের তফাতে রাখতে চাইছে চিনের থেকে। 

    যেমন বাংলাদেশ। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে ভারতের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। গত কয়েক দশক ধরে, ধীরে ধীরে নিজেদের মেলে ধরছে এই প্রতিবেশী রাষ্ট্র। নিজেদের ক্ষমতার ওপর আস্থা রেখে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে তারা। কিন্তু, একটা সময়ে বাংলাদেশও চিনের দিকে অনেকটা ঝুঁকে পড়ছিল। যা ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও, শ্রীলঙ্কায় সাম্প্রতিকালের ঘটনাবলি থেকে প্রাপ্ত বাস্তব পরিস্থিতি দেখে হয়ত তারাও ভাবতে শুরু করেছে, যে চিনের দিকে ঘেঁষলে, লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। 

    অন্যদিকে, ভারত এখন দক্ষিণ এশিয়া তথা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি শক্তি হিসেবে নিজেকে মেলে ধরেছে। বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব ভারত স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। কোনও বড় শক্তি তা সে পশ্চিমের হোক বা পূর্বের– এখন ভারতকে ঘাঁটাতে চায় না। ভারত কারও সার্বভৌমত্ব খণ্ডন করে না। সবচেয়ে বড় কথা, কোভিডকালে, কঠিন সময়ে ভ্যাকসিন পাঠিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। সব মিলিয়ে সু-প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত যে চিনের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে, তা বলা বাহুল্য। 

     

  • Ranbir-Alia Wedding: সাতপাক সেরেই ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড, চুম্বনে, উষ্ণতায় মিলেমিশে একাকার রণবীর-আলিয়া

    Ranbir-Alia Wedding: সাতপাক সেরেই ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড, চুম্বনে, উষ্ণতায় মিলেমিশে একাকার রণবীর-আলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাবি রীতি এবং কপূরদের পারিবারিক প্রথা মেনে বাড়িতেই ধুমধাম করে বিয়ে। তার পর কেক কাটা, ওয়াইনে চুমুক। এবং অবশেষে সদ্য বিবাহিতদের ঘিরে হইচইয়ে মেতে ওঠা দুই পরিবার। ঋষি কপূর ও নীতু সিংহের বিয়েতেও তাই ঘটেছিল। এ বার একই পথে হাঁটলেন ছেলে-বউমা, রণবীর-আলিয়াও।
    নাচে-গানে জমিয়ে দিলেন ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস কপূর’তেড়েফুঁড়ে বাজছে নব্বইয়ের দশকের হিট গান, ‘ছাঁইয়া ছাঁইয়া’। পর্দার শাহরুখ খান-মালাইকা অরোরার ভূমিকায় অবতীর্ণ সদ্য বিবাহিত কপূর দম্পতি (Kapoor Couple)। টুকটুকে লাল অনারকলি কুর্তিতে আলিয়া যেন পাশের বাড়ির মেয়ে। সাদা কুর্তা-পাজামা, লাল জহরকোটে দিব্যি রং-মিলন্তি রণবীরেরও। হাসছেন, জড়িয়ে ধরছেন, তাল মেলাচ্ছেন নাচের ছন্দে। জুটিতে দু‘টিতে পার্টির মধ্যমণি!

    রংমিলন্তি ছিল তার আগেও। পোশাক শিল্পী সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের তৈরি আইভরি রঙা, জরি বোনা অর্গ্যাঞ্জা শাড়ি, হিরের গয়নার দ্যুতিতে ঝলমলিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মহেশ ভট্ট-সোনি রাজদানের কন্যা। প্রায় একই রঙের সিল্কের শেরওয়ানি, জরি বোনা শাল, হিরের বোতামে ঠিক তাঁর মানানসই হয়ে উঠেছিলেন বর রণবীরও।

    আর তার পর? রূপকথার মতো সেই বিয়ের ছবিতে রণবীর-আলিয়ার হাসি ঝলমলে মুখ দেখেই আনন্দে ভেসেছেন ভক্তকুল।

     

  • Malda News: মালদার কালিয়াচকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম ৫ শিশু, টুইটে নিন্দা মালব্যর

    Malda News: মালদার কালিয়াচকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম ৫ শিশু, টুইটে নিন্দা মালব্যর

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে (bomb blast) গুরুতর জখম ৫ শিশু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজন বর্তমানে মালদা মেডিক্যাল কলেজের (Malda medical college) চিকিৎসাধীন। বাকি দুজনের চিকিৎসা চলছে স্থানীয় হাসপাতালে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার দুপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদার (Malda) কালিয়াচক (Kaliachak) থানার গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকার গোপালনগর গ্রামে। 

    রবিবার বিকেলে মালদার কালিয়াচক থানার গোপালনগর এলাকার বাসিন্দা নিখিল সাহার বাড়ির পিছনের বাগানে খেলা করছিল পাঁচ বালক। সেখানেই জঙ্গলে একটি অগভীর পরিত্যক্ত কুয়োর মধ্যে মজুত করা ছিল বোমাগুলি। বল ভেবে সেই বোমাগুলি নিয়ে খুদেরা খেলতে শুরু করে। বল ছুড়ে ক‍্যাচ ধরতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। বিকট শব্দে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। 

    বিস্ফোরণের শব্দে গ্রামবাসীরা ছুটে এসে শিশুদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে আহতরা হল বিক্রম সাহা(৮), শুভজিৎ সাহা (৯) মিঠুন সাহা (১০) সুবল সাহা (৬) আব্দুল রেহান (৪)। তাদের মধ্যে বিক্রম সাহা (৮), মিঠুন সাহা (৯) এবং আব্দুর রাহানের (১০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। ‌মালদা মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসাধীন। কারও হাতে, কারও পায়ে আবার কারও গোটা শরীরে বারুদের ঝলসানো চিহ্ন।

    খবর পেয়েই গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ি এবং কালিয়াচক থানা থেকে পুলিশ বাহিনী ছুটে যায়।  তল্লাশিতে কুয়ো থেকে ২টি জার-ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমির মালিক স্থানীয় তৃণমূল (TMC) কর্মী। তার আত্মীয় যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। মালদার পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি জানিয়েছেন, কীভাবে ওই বোমা-গুলি সেখানে মজুত করা ছিল এবং কারা এর পিছনে জড়িত রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। 

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য (Amit Malviya)। টুইটে তিনি লেখেন, “কীভাবে পাঁচ নাবালক বোমার ঘায়ে জখম হল, কারণ জানার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata) উচিত কালিয়াচকে তৃণমূল (TMC) প্রতিনিধিদের  নিয়ে গঠিত একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি (fact finding team) পাঠানো। পশ্চিমবঙ্গের করুণ অবস্থা কল্পনা করুন। এটা চলতে দেওয়া যাবে না।”

    [tw]


    [/tw]

    এর আগে, গত ২৭ মার্চ স্থানীয় ফুটবল মাঠে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা ৩০টির মতো বোমা খুঁজে পেয়েছিল বীরভূম জেলা পুলিশ। বাহিনী সেগুলিকে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করায় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে রাজ্য পুলিশ মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডি-কে হস্তান্তর করে।

     

     

  • PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে গেলে অধিকাংশ সময়ই রাত্রিকালীন সফরই পছন্দ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উদ্দেশ্য, সময় এবং অর্থ বাঁচানো। প্রথমত, রাতে সফর করলে দিনের বেলায় আরও বেশি করে কাজ করা যায়। দ্বিতীয়ত, এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাশ্রয় হয় অর্থেরও, যা আদতে দেশেরই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর সফরের যাবতীয় খরচ জোগায় কেন্দ্রীয় সরকার।

    প্রতিদিন প্রায় কুড়ি ঘণ্টা করে কাজ করেন মোদি। ভোটের সময় তাঁর কাজের সময়সীমা আরও বেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও সফর করতেন নৈশকালে অত্যন্ত পরিশ্রমী মোদি। যা বজায় রয়েছে এখনও।

    আরও পড়ুন : “এখনই বিশ্রাম নয়, আমার স্বপ্ন অনেক বড়…”, প্রবীণ সাংসদের কৌতুহল মেটালেন মোদি

    গত পনের দিন ধরে বিভিন্ন দেশ সফর (foreign tour) করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি মাসের শুরুতেই তিনি সফর করেছেন জার্মানি, ডেনমার্ক এবং ফ্রান্স (Modi 3-nation visit)। পরে বুদ্ধজয়ন্তীতে (Buddha Jayanti), একদিনের জন্য গিয়েছিলেন নেপাল (Nepal)। আগামী সপ্তাহে তাঁর যাওয়ার কথা জাপানে। তাঁর এই সফরসূচি একটু খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচাতে নৈশভ্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির আসন্ন জাপান (Modi in Japan) সফরের কথাই ধরা যাক। ২২ মে রাতে রওনা দেবেন তিনি। ২৩ মে ভোরে পৌঁছবেন টোকিওয়। সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর। পরে দেখা করবেন প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে। পরের দিন যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে। ওই রাতেই ফিরবেন ভারতে। জার্মানি ও ডেনমার্ক দু’দেশ মিলিয়ে মাত্র এক রাত কাটিয়েছেন। জাপান সফরের সূচিও তাই। সব মিলিয়ে এই পাঁচ দেশ সফরে মোদি রাত কাটিয়েছেন মাত্র তিনটি। বাঁচিয়েছেন দুদিন। যা ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীকে করতে দেখা যায়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    আরও পড়ুন : “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মোদির ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, নয়ের দশকের গোড়ায় মোদি হোটেল খরচ বাঁচাতে দিনের বেলায় যাতায়াত করতেন। কোনও কারণে রাত হয়ে গেলে রাত্রিযাপন করতেন বিমানবন্দরে। তখন তিনি একজন সাধারণ মানুষ। আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে কাজ এবং দায়িত্ব বেড়েছে তাঁর। তাই রাতে সফর করেন। এতে দিনের বেলায় বেশি কাজ করা যায়। সরকারি খরচে হোটেলেও থাকতে হয় না। তাই সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচে।

     

  • Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় তো পহলি ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়! অযোধ্যায় রাম-জন্মভূমি বাবরি মসজিদ (Ram Janmabhoomi-Babri Masjid) মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর এই ধ্বনি গর্জে উঠেছিল দেশে। এবার কাশীর জ্ঞানবাপী (Gyanvapi mosque) ও মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ (Shahi Idgah) নিয়েও উঠতে শুরু করেছে দাবি যে সেখানেও হিন্দু মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছে মসজিদ।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ যে মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছিল, তা নিয়ে দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। এবার এই দাবি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী (Uma Bharti)। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে শিবলিঙ্গ এবং শেষনাগের ভাস্কর্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের। সেই প্রেক্ষিতেই উমার দাবি, কাশীতে বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছিল মসজিদ। ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই তিনি দাবি করেছিলেন কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত। একটি বৈদুতিন সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে একথা বলেন উমা।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছে মসজিদ। হিন্দু-মুসলমান দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের আলাদা আলাদা দাবির মধ্যে মসজিদে সমীক্ষা চালানো হয় আদালতের নির্দেশে। দুটি সমীক্ষার রিপোর্ট ফাঁস হয়ে যাওয়ায় অনেক বড় বড় তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ। মসজিদ চত্বরে রয়েছে শেষনাগও। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের।

    আরও পড়ুন : শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    এমতাবস্থায় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন উমা। তাঁর দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ এলাকায় শুরু থেকেই মন্দির ছিল। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই আমি দাবি করেছিলাম  কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত।  

    আরও পড়ুন : “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    মন্দির ভেঙে যে মসজিদ হয়েছে, তার প্রমাণ সাপেক্ষে যুক্তিও পেশ করেন উমা। তিনি বলেন, জ্ঞানবাপী মসজিদের পরিবর্তে সেখানে মন্দির ছিল। তাই আজও বিশ্বনাথ মন্দিরে নন্দীর মুখ জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। মন্দির নির্মাণের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ উপায় বের করা উচিত। অযোধ্যা, মথুরা, কাশী একসঙ্গে বিবাদের নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। জ্ঞানবাপী চত্বরে সমীক্ষায় যেসব তথ্য উঠে আসছে, তার পরে আর নতুন করে মন্দিরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার দরকার নেই বলেও মনে করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

LinkedIn
Share