Blog

  • Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় তো পহলি ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়! অযোধ্যায় রাম-জন্মভূমি বাবরি মসজিদ (Ram Janmabhoomi-Babri Masjid) মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর এই ধ্বনি গর্জে উঠেছিল দেশে। এবার কাশীর জ্ঞানবাপী (Gyanvapi mosque) ও মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ (Shahi Idgah) নিয়েও উঠতে শুরু করেছে দাবি যে সেখানেও হিন্দু মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছে মসজিদ।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ যে মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছিল, তা নিয়ে দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। এবার এই দাবি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী (Uma Bharti)। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে শিবলিঙ্গ এবং শেষনাগের ভাস্কর্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের। সেই প্রেক্ষিতেই উমার দাবি, কাশীতে বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছিল মসজিদ। ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই তিনি দাবি করেছিলেন কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত। একটি বৈদুতিন সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে একথা বলেন উমা।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছে মসজিদ। হিন্দু-মুসলমান দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের আলাদা আলাদা দাবির মধ্যে মসজিদে সমীক্ষা চালানো হয় আদালতের নির্দেশে। দুটি সমীক্ষার রিপোর্ট ফাঁস হয়ে যাওয়ায় অনেক বড় বড় তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ। মসজিদ চত্বরে রয়েছে শেষনাগও। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের।

    আরও পড়ুন : শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    এমতাবস্থায় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন উমা। তাঁর দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ এলাকায় শুরু থেকেই মন্দির ছিল। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই আমি দাবি করেছিলাম  কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত।  

    আরও পড়ুন : “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    মন্দির ভেঙে যে মসজিদ হয়েছে, তার প্রমাণ সাপেক্ষে যুক্তিও পেশ করেন উমা। তিনি বলেন, জ্ঞানবাপী মসজিদের পরিবর্তে সেখানে মন্দির ছিল। তাই আজও বিশ্বনাথ মন্দিরে নন্দীর মুখ জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। মন্দির নির্মাণের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ উপায় বের করা উচিত। অযোধ্যা, মথুরা, কাশী একসঙ্গে বিবাদের নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। জ্ঞানবাপী চত্বরে সমীক্ষায় যেসব তথ্য উঠে আসছে, তার পরে আর নতুন করে মন্দিরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার দরকার নেই বলেও মনে করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

  • Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) পর এবার সিবিআই (CBI)। দিল্লির পর এবার কলকাতা।

    কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal smuggling scam) তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishekl Banerjee) স্ত্রী রুজিরা (Rujira) বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরার জন্য নোটিস দিল সিবিআই। মঙ্গলবারই, অর্থাৎ ১৪ জুন তাঁকে কলকাতাতেই জেরা করতে চান তদন্তকারীরা। আগে কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থের উপভোক্তা হিসাবে তাঁকে দিল্লিতে কয়েকবার তলব করেছে ইডি। কিন্তু অভিষেক-পত্নী জেরার মুখোমুখি হননি। আদালতে গিয়ে কলকাতার বদলে কেন তাঁকে দিল্লি ডাকা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলে বিহিত চেয়েছিলেন। এখন কলকাতায় সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি তদন্তে যোগ দেবেন নাকি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন তা কিছু সময়ের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থ অনেকের কাছেই নিয়মিত পৌঁছেছে। এমনকি বিদেশেও গিয়েছে সেই টাকা। অভিযোগ, ব্যাংককের কোনও একটি অ্যাকাউন্টে মোটা টাকা জমা হয়েছে। সেই টাকা ব্যবহার করে কেনা হয়েছে সোনাও। এসবের সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, সিবিআই তা জানতে চায়।

    আরও পড়ুন: চেকপোস্টে আটকে কয়লা, “ভাইপো ভ্যাটে”র অপেক্ষায়? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    তদন্তের মধ্যেই দেশ ছেড়ে যাতে কেউ চলে যেতে না পারেন, সে জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর বোন মেনকা গম্ভীরের নামে লুক আউট সার্কুলার (Lookout circular) জারি করেছিল। এরপরই চিকিৎসার জন্য দুবাই যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অভিষেক। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সস্ত্রীক দুবাই গিয়ে অন্য একটি দেশেও গিয়ে থাকতে পারেন তাঁরা। তবে ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশ মেনে কলকাতা ফিরে এসেছেন অভিষেক ও রুজিরা। তারপরই রুজিরাকে ১৪ জুন হাজিরা দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে সিবিআই। 

    কেন সিবিআই রুজিরাকে জেরা করতে চায়?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাংশ জানাচ্ছে, অনুপ মাজি (Anup Mahji) ওরফে লালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে এমন কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে যাতে কয়লা পাচারের বেআইনি টাকা কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে বলে সিবিআইয়ের কাছে প্রমাণ এসেছে। তদন্তে গ্রেফতার হওয়া অনেকেই নিজেদের বয়ানেও প্রভাবশালীদের নাম বলেছেন। সেই সূত্রেই রুজিরাকে তলব করা হয়েছে। 

    সিবিআই জেনেছে, রুজিরা নারুলা (বন্দ্যোপাধ্যায়) তাইল্যান্ডের নাগরিক। তবে তাঁর ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া বা ওসিআই (OCI) কার্ড রয়েছে। তিনি কলকাতায় ভোট দেওয়ার অধিকারী নন। তবে কোনও সংস্থা খুলে ব্যবসা করতে পারেন। সে সব তথ্য সত্যি নাকি তিনি ভোটাধিকার থাকা ভারতীয় নাগরিক ইত্যাদি যাচাই করার জন্যই রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ব্যাংককের যে অ্যাকাউন্টগুলিতে লালার হিসাবরক্ষক টাকা পাঠাতেন তার সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগ আছে কি, তাও জানা প্রয়োজন সিবিআইয়ের।
     
    তবে দিল্লির বদলে কলকাতায় আদৌ রুজিরা সিবিআইয়ের সামনে বসতে রাজি হবেন কিনা সেটাই এখন দেখার। না হলে ফের কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata Highcourt) এক দফা আইনি লড়াই চলতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

  • Dilip Attacks Mamata: “কেন্দ্রের ওপরে করে খাচ্ছেন, আগে নিজের দায়িত্ব পালন করুন”, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Attacks Mamata: “কেন্দ্রের ওপরে করে খাচ্ছেন, আগে নিজের দায়িত্ব পালন করুন”, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কোভিড-বৈঠকে (State-Centre Covid-19 meet) পেট্রোপণ্য (petroleum price) নিয়ে রাজ্যগুলিকে দাম কমানোর অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এরপরই নবান্ন (Nabanna) সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কেন্দ্রের থেকে ৯৭ হাজার কোটি টাকা বকেয়া আছে। তা দ্রুত মিটিয়ে দিক কেন্দ্র। এই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মুখ্যমন্ত্রী ও শাসকদল তৃণমূলের তুমুল সমালোচনা করেন তিনি।

    দিলীপবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী একতরফা কথা বলেছেন রাজ্যের পাওনা ৯৭ হাজার কোটি টাকা বাকি। এই গল্প দিয়ে কতদিন চলবে? দুর্নীতির কথা হলেই পাওনা নিয়ে কথা! এই পাওনা নিয়ে এসব গল্প দিয়ে বেশিদিন চলবে না। রোজ পাওনা বেড়ে যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের সব ব্যাপারে বেশি টাকা দেয়।”

    দিলীপবাবু আরও বলেন, “আগে আপনি আপনার কর্মচারীদের পেনশন দিন, ডিএ দিন। যাঁরা রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন, ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাঁদের চাকরি দিন। নিজের দায়িত্ব পালন করুন। নিজেদের কাজ নেই, কেন্দ্রের ওপরে করে খাচ্ছেন। রোজ খালি খাতা নিয়ে বসে থাকে, নিজে কোনও দায়িত্ব পালন করেন না। “

     

     

  • Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুরাজ্যের ‘পাইলট’কে হবেন সচিন (Sachin Pilot)? নাকি রাজস্থানের রাশ থাকবে গেহলটের (Ashok Gehlot)হাতে? এই দুই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress)। ইতিমধ্যেই অশোক গেহলটের অনুগামী হিসেবে পরিচিত ৮২জন কংগ্রেস বিধায়ক স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, সচিন পাইলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হচ্ছে কংগ্রেস হাইকমান্ড সনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi)। আজ, সোমবারই দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা অশোক গেহলট ও সচিন পাইলটের।

    আরও পড়ুন: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    রাজস্থান বিধানসভায় ২০০জন বিধায়কের মধ্যে ১০৮ জন কংগ্রেসের। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অনুগামী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, দলে গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও রাজস্থানের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেনি। বদলে বিধায়কদের বৈঠকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক হবে বলেই জানিয়েছে। এই ব্যাপারে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাজস্থানের ইনচার্জ অজয় মাকেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও রাজস্থান কংগ্রেসের বিধায়কদের বিশ্বাস, হাইকমান্ড ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। তাঁদের কাজ শুধু হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা। 

    আরও পড়ুন: গোয়া ভোটে তৃণমূলের খরচ ৪৭ কোটি টাকা, বিজেপির প্রায় ৩ গুণ!

    দলের অন্দরে বিরোধ আটাকাতে সনিয়া প্রতিটি বিরোধী নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন অজয় মাকেন ও মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। আজই তাঁদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭১ বছর বয়সী অশোক গেহলটের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের বিরোধের কথা সকলেরই জানা। ২০২০ সালে চরমে উঠেছিল ক্ষমতা নিয়ে সেই বিবাদ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন সচিন। হুমকি দিয়েছিলেন দল ছেড়ে চলে যাওয়ারও। দলের অন্দরে খবর, বিরোধী বিধায়কদের ইস্তফার কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে ফোন করেন দলের পর্যবেক্ষক অজয় মাকেন ও সাংসদ কেসি বেণুগোপাল। জবাবে গেহলট বলেন, “আমি তো নিমিত্ত মাত্র! আমার হাতে কিছুই নেই।” যদিও পরে এই ফোনের কথা অস্বীকার করে কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: এসএসসিতে ভুয়ো নিয়োগ কত? ১৩ হাজারের নামের তালিকা পর্ষদের!  

    SSC Scam: এসএসসিতে ভুয়ো নিয়োগ কত? ১৩ হাজারের নামের তালিকা পর্ষদের!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) মাধ্যমে ভুয়ো নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে সেই সংখ্যাটা কত, তা জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। হাইকোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবার হয়ে গেল ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও মামলাকারীদের আইনজীবীরা। এদিন ঘণ্টাখানেক ধরে চলে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। সূত্রের খবর, ১২ হাজার ৯৬৪ জনের নামের তালিকার প্রতিলিপি তুলে দেওয়া বৈঠকে উপস্থিত তিন পক্ষের প্রতিনিধিদের হাতে।

    বুধবার এসএসসির নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে যতগুলি নিয়োগ হয়েছে, ধরা পড়লে প্রত্যেককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। অযোগ্য প্রার্থীদের সরিয়ে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে যোগ্য প্রার্থীদের। কতজনকে এভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে, তার তালিকা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের এই নির্দেশের পরেই এসএসসির আইনজীবী, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী ও মামলাকারীর আইনজীবীরা এক সঙ্গে বসে পুরো তালিকা যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো বৃহস্পতিবার বসে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠক হয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের কার্যালয়ে। উপস্থিত ছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারও। তিন পক্ষের হাতেই ২০১৬ সালে নবম-দশমে নিয়োগের তালিকার প্রতিলিপি তুলে দেওয়া হয়। সেই তালিকায় রয়েছে ১২ হাজার ৯৬৪ জনের নাম। এসএসসি নিজের তালিকার সঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তালিকা মিলিয়ে দেখে তৈরি করবে নয়া একটি তালিকা। ২৮ সেপ্টেম্বর সেটিই আদালতে জমা দেবে এসএসসি কর্তৃপক্ষ। সেদিন রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা সিবিআইয়েরও।

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    এসএসসির চেয়ারম্যান বলেন, বোর্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেয়। বোর্ড সম্পূর্ণ তালিকাটা দিয়েছে। আমাদেরও রেকমেনডেশনের লিস্ট সম্পূর্ণ থাকবে। দুটো মিলিয়ে দেখা হবে। ওদের কাছে যেমন ১৭ জনের একটা লিস্ট ছিল। যা নিয়ে ওরা মামলা করে। তার অতিরিক্ত আরও হয়তো পেয়েছে। আমরা আমাদের রেকর্ড থেকে আরও কিছু পাব। এগুলোকে ম্যাচ করে কোর্টের কাছে আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব করব। তারপর সিবিআইও (CBI) রিপোর্ট দেবে ২৮ তারিখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Electric Scooter Fire: কেন পরপর আগুন লাগছে ইলেকট্রিক স্কুটারে? তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Electric Scooter Fire: কেন পরপর আগুন লাগছে ইলেকট্রিক স্কুটারে? তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

    নয়াদিল্লি: একের পর এক ইলেকট্রিক বা বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন (electric scooter fire) লাগার ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র (Modi Government)। কেন আগুন লাগছে, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, যে দুই সংস্থার স্কুটারগুলিতে আগুন লেগেছে, তাদের ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিককালে, একের পর এক বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন লাগার অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুণেতে একটি ওলা স্কুটার (ola electric scooter) পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে ওই ঘটনায় কোনও হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এর পর তামিলনাড়ুর ভেলোরে আরেকটি ঘটনা ঘটে। সেখানে বাড়ির ভিতরে চার্জ করার সময় একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন ধরে যায়। বাড়িতে ঘুমন্ত বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয় সেই ভয়াবহ ঘটনায়।

    তৃতীয় ঘটনাটিও তামিলনাড়ুর। সেখানে প্রথমে ইলেকট্রিক স্কুটার থেকে ধোঁয়া বের হয় এবং পরে আগুন ধরে যায়। এসব ঘটনার পর মানুষের মনে কোথাও একটা বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যে সময় সরকার ভারতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে বৈদ্যুতিক যানবাহন (electric vehicles) কেনার পরামর্শ দিচ্ছে, তখন বৈদ্যুতিক স্কুটারগুলিতে আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসার ফলে বৈদ্যুতিক যানবাহন বিক্রির ক্ষেত্রে বড় প্রভাব পড়তে পারে, এটা আঁচ করেই সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। 

    আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পরিবহণ মন্ত্রক। ঘটনার তদন্তভার প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার সেন্টার ফর ফায়ার, এক্সপ্লোসিভ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সেফটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি, যে দুই সংস্থার বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন লেগেছে সেই ওলা ইলেকট্রিক (ola electric) ও ওকিনাওয়া স্কুটারের (okinawa scooter) জবাব তলব করা হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের স্কুটারে আগুন লেগেছে, তা বিশদে ব্যাখ্যা করতে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আগুন লাগছে স্কুটারের ব্যাটারি প্যাকে। তাঁদের ব্যাখ্যা, গ্রাহকরা উচ্চ তাপে বৈদ্যুতিক স্কুটার ব্যবহার করেন। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় এই গাড়ি চললে ব্যাটারি গরম থাকে। এছাড়া চার্জ দেওয়ার সময়ও এই ব্যাটারি বেশ গরম হয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই ব্যাটারি চালিত দুই চাকার এবং চার চাকার গাড়িগুলি কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার পরে বাজারে আনার অনুমতি দেওয়া উচিত। 

  • Russian Oil Import: ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা! 

    Russian Oil Import: ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা! 

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia war) শুরু হওয়ার পর ভারত (India) সহ বিভিন্ন দেশকে মস্কো (Moscow) থেকে অশোধিত তেল (Crude Oil) কিনতে নিষেধ করছে যে আমেরিকা (USA), সেই তারাই এই একই সময়ে রাশিয়া থেকে ভারতের চেয়ে বেশি তেল কিনেছে। এমনই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। 

    রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে যখন আমেরিকা সহ গোটা ইউরোপের (EU) দেশগুলি রাশিয়ার সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে, সেই মুহূর্তে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে প্রথম থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে দেখা যায় আমেরিকাকে। 

    রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনা নিয়ে ভারতের সমালোচনা করতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। রাশিয়া থেকে তেল কিনলে তার ফল ভুগতে হবে বলেও ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকি নিজেদের প্রতিনিধি পাঠিয়েও এই কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

    যদিও, ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কাউকে তুষ্ট করতে বসে নেই, ভারত শুধু নিজের স্বার্থ দেখবে। সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এদিন বলেন, “এবার থেকে আমরা শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ দেখব। বিশ্বকে তুষ্ট করার কোনরকম চেষ্টা আমাদের দ্বারা হবে না।”

    আমেরিকার বিদেশ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। তারপরই বিদেশমন্ত্রী জানান, “ভারত এক মাসে রাশিয়ার থেকে যে পরিমাণ তেল আমদানি করে, ইউরোপের দেশগুলো একটা দুপুরে তার থেকেও বেশি পরিমাণ তেল কেনে তাদের থেকে। আর রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিসংখ্যান যদি দেখা যায়, তাহলে আমি আমেরিকাকে ইউরোপের দেশগুলোর দিকেই নজর দিতে বলব।”

    [tw]


    [/tw]

    জয়শঙ্করের বক্তব্য যে কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলেছে হাতেনাতে। সম্প্রতি, সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (CREA) একটি পরিসংখ্যান পেশ করে। সেখানে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়া থেকে কোন দেশ কত জ্বালানি আমদানি করেছে, তার একটা তালিকা দেওয়া হয়। 

    সেখানে দেখা যাচ্ছে, সকলের ওপরে রয়েছে জার্মানি। ভারতের অবস্থান তালিকার প্রায় শেষে। এমনকী, যে আমেরিকা ভারতকে এতদিন উপদেশ দিয়ে এসেছে রাশিয়া থেকে তেল না কেনার জন্য, তাদের অবস্থান ভারতের ওপরে। অর্থাৎ, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারতের তুলনায় রাশিয়া থেকে বেশি পরিমাণ তেল আমদানি করেছে বাইডেন প্রশাসন!

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক মোট ৬৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের খনিজ ও প্রাকৃতিক জ্বালানি রফতানি করেছে মস্কো। এর মধ্য়ে রয়েছে অশোধিত তেল, তেলজাত পণ্য, পাইপলাইন প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি। পরিসংখ্যান বলছে, ৭১ শতাংশ (প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ইউরো) কিনেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশগুলি। তার মধ্য়ে, সবেচেয়ে বেশি কিনেছে জার্মানি। এছাড়া বড় ক্রেতাদের মধ্য়ে রয়েছে ইতালি, নেদারল্যান্ডস, তুরস্ক, ফ্রান্স। 

    এই পরিসংখ্য়ানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্বকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে নিষেধ করেও নিজেরা রুশ তেল কেনা এক দিনের জন্য বন্ধ তো করেইনি বরং সম্প্রতি তা লাফিয়ে বেড়ে গিয়েছে। 

     

  • BJP: বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    BJP: বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) নবান্ন অভিযানে পুলিশ তৃণমূলের (TMC) হয়ে কাজ করেছে। ঘটনায় সিবিআই (CBI) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) তদন্ত চাইল বিজেপির পাঁচ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি। শনিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে গঠিত ওই কমিটি ২৫ পাতার রিপোর্ট জমা দেয়। সেখানেই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে রাজ্যের তৃণমূল পরিচালিত সরকারকে। ঘটনাটিকে শত্রুতাপূর্ণ প্রচার বলে কটাক্ষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযান কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। ওই কর্মসূচিকে ঘিরে তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা ও হাওড়া। হাওড়ার সাঁতরাগাছি, ময়দান থেকে আসা নবান্নমুখী মিছিল আটকালে আন্দোলনকারী-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জখম হন বিজেপির কাউন্সিলর সহ কয়েকজন নেতা এবং কর্মী। জখম হন কয়েকজন পুলিশ কর্মীও। পরে আন্দোলনকারীদের দমন করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। ব্যবহার করা হয় জলকামানও। নির্বিচারে চালানো হয় লাঠি। অভিযান শুরুর সময়ই আটকে দেওয়া হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারে নেতৃত্ব হওয়া দুই মিছিলকে। তার পরেই শুরু হয় পুলিশের তাণ্ডব।

    রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে জোড়া শহর। বিজেপির দাবি, ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ১২৩৫ জনকে। তাঁদের নামে করা হয়েছে মিথ্যা মামলা। ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। বিজেপির তরফে গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি। এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে রিপোর্ট দেয় ওই কমিটি। কমিটির অভিযোগ, বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে। পুলিশি তাণ্ডবে সেদিন জখম হয়েছেন ৭৫০ জন। কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্য পুলিশের পক্ষে স্বচ্ছ তদন্ত করা সম্ভব নয়। তারা শাসক দল তৃণমূলের অনুগত। তাই কমিটি সিবিআই তদন্ত দাবি করছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেরও কলকাতায় গিয়ে দেখা উচিত কীভাবে পুলিশ ও তৃণমূলের গুন্ডারা বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন : নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    অভিযানের দিন জখম হয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে দেন হুঙ্কার। সেই প্রসঙ্গ টেনে অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট বিজেপি কর্মীদের ওপর নৃশংস পুলিশি অত্যাচারে সায় ছিল তৃণমূল নেতৃত্বেরও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Twiter Updates: টুইটার অধিপতি মার্কিন ধনকুবের মাস্ক,সরতে হতে পারে সিইও পরাগকে

    Twiter Updates: টুইটার অধিপতি মার্কিন ধনকুবের মাস্ক,সরতে হতে পারে সিইও পরাগকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দর কষাকষি শেষে টুইটার (Twiter) কিনেই নিলেন আমেরিকার (America)ধনকুবের ইলন মাস্ক (Elon Musk)। মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের পুরো শেয়ার কিনতে তাঁকে দিতে হল ৪,৪০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩,৩৬,৯৪১ কোটি ২২ লাখ টাকা। শেয়ার কেনার জন্য পুরো টাকাটাই মাস্ক নগদে দিচ্ছেন।

    কয়েক দিন আগেই প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে মাইক্রোব্লগিং সাইট (Micro blogging sight) টুইটারের ৯.২ শতাংশ মালিকানা কিনেছিলেন ইলন। এ বার পুরো মালিকানাই হল তাঁর। এর ফলে অনেকের মালিকাধীন সংস্থা থেকে একক মালিকাধীন সংস্থা হয়ে উঠল টুইটার। 

    টুইটার কিনে নেওয়ার পর ইলন মাস্ক নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে বলেন, ‘বাক্‌স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্থর। আর টুইটার এমন একটি ডিজিটাল ক্ষেত্র যেখানে ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিনিয়ত তর্ক-বিতর্ক হয়। আমি টুইটারকে আগের থেকে ভাল এবং যুগোপযোগী করে তুলতে চাই, যেখানে অনেক নতুন নতুন সুবিধা যোগ করা হবে। এর ফলে আদপে মানুষ উপকৃতই হবেন। টুইটার খুবই সম্ভাবনাময়। আমি এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি।’’মাস্কের দাবি, তিনি টুইটারের অংশীদার হওয়ার সময়ে ভেবেছিলেন টুইটার বিশ্ব জুড়ে বাক্‌স্বাধীনতার মূল মাধ্যম হয়ে উঠবে। কিন্তু বিনিয়োগ করার পরেই নাকি তিনি উপলব্ধি করেন যে,অনেকের মালিকানাধীন থাকলে টুইটারের আধুনিকীকরণ সম্ভব নয়। তাই ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সংস্থা হিসেবে এখন টুইটারের রূপ পরিবর্তনই মাস্কের লক্ষ্য।

    ইলন মাস্কের হাতে চলে যাওয়ায় টুইটারের আগাম পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই বলে সংশ্লিষ্ট মহলে জানান টুইটার সিইও পরাগ আগরওয়াল। টুইটারের ভবিষ্যৎ এখন ‘অন্ধকার’ এমনই মনে করেন পরাগ। সোমবার টুইটারের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করার সময় নাকি এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন টুইটার সিইও পরাগ অগ্রবাল (Parag Agrawal)। টুইটারের ভবিষ্যতের কার্যপ্রণালী ব্যাহত হবে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

     জল্পনা উঠেছে মাইক্রোব্লগিং সাইটের মালিকানা বদলের পরে সিইও পদ থেকে সরতে হতে পারে পরাগকে। তবে চুক্তি অনুযায়ী, ১২ মাসের মধ্যে তাঁকে পদ থেকে সরালে ৪২ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩২১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা) পাবেন টুইটারের সিইও পরাগ। যদিও, টুইটারের তরফ থেকে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

     

  • Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবানলের(forest fire) আগুনের আঁচ ল্যান্ডমাইনে (landmine)। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ(poonch) এলাকা। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জেরেই এলাকা কেঁপেছে। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসা দাবানলের আগুনেই ঘটেছে বিস্ফোরণ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর যে ল্যান্ডমাইন পোঁতা হয়েছিল, তার মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেই সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।

    জানা গিয়েছে, সীমান্তরেখা বরাবর ভারতের দিকের মেনধর জেলায় ওপার থেকে দাবানল চলে এসেছিল গত সোমবার। তিন দিন ধরে বনকর্মী ও ভারতীয় সেনা জওয়ানরা প্রাণপাত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছেন। মঙ্গলবার রাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। বুধবার ভোরে ফের দারামশাল ব্লকে আগুন লাগে। প্রবল বাতাসে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফরেস্টার কানার হুসেন শাহ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গত তিন দিন ধরে বনে আগুন জ্বলছে। আমরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগুন নেভাচ্ছি।

    জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর পোঁতা হয়েছিল ল্যান্ডমাইন। আগুনের প্রবল তাপে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে সেগুলিতে। বুধবার বিকেলে প্রায় ছটি মাইন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা।  

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    বন দফতরের এক আধিকারিক জানান, বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেনা বাহিনীর সাহায্যে সেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

    এদিকে, রাজৌরি জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সুন্দরবান্দিতেও একটি বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গম্ভীর, নিক্কা, পাঞ্জগ্রায়ে, ব্রাহামানা, মোঘলা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালাকোটের কালার, রনথাল, চিঙ্গি বনাঞ্চলেও আগুন লেগেছে। জম্মুর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকেও আগুন লাগার খবর মিলেছে। বন দফতরের কর্তাদের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, আগুনটি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিল এবং উচ্চ কাংদি, ডক বানিয়াদের এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, কোনও মানবিক ক্ষতি ছাড়াই দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন :কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    নভেম্বর থেকে জুন মাস পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে দাবানলের প্রকোপ দেখা যায়। ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৩৬ শতাংশ জঙ্গলে ঘন ঘন দাবানলের ঝুঁকি রয়েছে। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের মরশুমে বনাঞ্চলে জমা হয় শুকনো গাছপালা, ঘাস-পাতার মতো জৈব জ্বালানি। তার জেরেই শুখা মরশুমে দাবানলের মতো ঘটনা বেশি ঘটে।  

     

LinkedIn
Share