Blog

  • WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ আনছে ২১টি নতুন ইমোজি, জানুন বিস্তারিত

    WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ আনছে ২১টি নতুন ইমোজি, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের মেটা অধীকৃত হোয়াটসঅ্যাপে  আরও একটি নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) যোগ হতে চলেছে। জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপে ২১টি নতুন ইমোজি দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। আর তা শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যই প্রাথমিক অবস্থায় উপলব্ধ হবে। পরবর্তীকালে অবশ্যই আইওএস প্ল্যাটফর্মে আসবে। কিন্তু এই ফিচার আপডেট ঠিক কবে অ্যাপল আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আসবে, সে নিয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।

    নিজেদের মনের ভাব হোক বা অনুভূতি ইমোজি তো সবসময়ই ব্যবহার করি আমরা

    মেসেজ হোক কিংবা রিপ্লাই বা কারও কোনও পোস্ট অথবা স্টেটাস আপডেটে রিঅ্যাক্ট করা কম-বেশি আমরা সবাই ইমোজি ব্যবহার করে থাকি। অনেক ক্ষেত্রেই ইমোজি সেই ভাষা, আবেগ কিংবা অনুভূতির জানান দিতে পারে, যা অনেক সময় ভাষাতেও বোঝানো যায় না। সেই কারণে ইমোজির এত জনপ্রিয়তা  সারা বিশ্বে। এই ইমোজি পাঠানোর ক্ষেত্রে  অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে সেই সুবিধাও রয়েছে, নিজের ইচ্ছে মতো কাস্টোমাইজ করে যে কোনও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ইউজ করার। অনেকেই অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপ ইউজ করে ইমোজি রিপ্লাই বা রিঅ্যাক্ট দেন। আইওএস প্ল্যাটফর্মে সেই অপশন অনেকটাই সীমিত। 

    কী বলছে হোয়াটসঅ্যাপ টিম

    হোয়াটসঅ্যাপ টিম জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) নিয়ে আসছে। এবার থেকে আর আলাদা কিবোর্ড ইউজ করতে হবে না ইমোজি মেসেজ পাঠানোর জন্য। হোয়াটসঅ্যাপ কিবোর্ড থেকেই ২১টি ইমোজি পাঠাতে পারবেন। আপাতত এই ফিচার হোয়াটসঅ্যাপ বিটা ভার্সনের জন্য উপলব্ধ। যেহেতু এটি ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে আছে, তাই সমস্ত বিটা টেস্টার কিংবা ইউজারদের জন্য উপলব্ধ নেই। হোয়াটসঅ্যাপ নতুন আপডেট পাঠাচ্ছে। ইউনিকোড আপডেট যাঁরা পাবেন, তাঁরাই এই ২১টি নতুন ইমোজি ব্যবহার করতে পারবেন হোয়াটসঅ্যাপ কিবোর্ড থেকে। এর আগের আপডেটে সংশ্লিষ্ট বিটা ইউজাররা ইমোজি পেলেও, তা কিবোর্ড দেখা যাচ্ছিল, কিন্তু পাঠানো যাচ্ছিল না। তবে এবার সরাসরি পাঠানো যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের! কৃষকদের হয়ে সওয়াল শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের! কৃষকদের হয়ে সওয়াল শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলুর বন্ড বিলি ঘিরে আলুচাষিদের (Potato Farmer) বিক্ষোভের ঘটনা বিধানসভা চত্বরে তুলল বিজেপি। বিধানসভার বাইরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা হাতে আলু নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। বিজেপির সোনামূখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর ক্ষেতের আলু নিয়ে এই বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিন বিধানসভার বাইরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আলু চাষিরা বিঘা প্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা ক্ষতিতে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমরা বিধানসভায় আজ এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি। কিন্তু তার উত্তর সন্তোষজনক নয়। আমরা চাই সরকার যে এমএসপি ঘোষণা করেছে সেই এমএসপি মূল্যে আলু ক্রয় করতে হবে। এই বছরের শর্টটার্মের কৃষি ঋণ রাজ্য সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য দিতে হবে।” বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আলু চাষিরা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তাঁদের দাবি, ফলনে যে খরচা হচ্ছে সেই খরচায় তাঁদের পোশাচ্ছে না। আরও বেশি দাম আশা করেন তাঁরা। এমনকী সরকারেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কয়েকদিন আগে হুগলিতেও বড় মাপের বিক্ষোভ হয়েছিল।

    আরও পড়ুন:শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, শর্তসাপেক্ষে মিলল আদালতের অনুমতি

    চা-বাগান নিয়েও সওয়াল

    সোমবার বিধানসভার কৃষকদের অধিকারের দাবিতে বিধানসভার ভিতরে এবং পরে বিধানসভার বাইরেও বিক্ষোভ দেখান শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন বিজেপির বিধায়কেরা। সেই বিক্ষোভে শুভেন্দু-সহ বিজেপির সমস্ত বিধায়কই হাজির হন হাতে আলু এবং গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে। শাসককে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিধায়করা বলেন, ‘‘এই সরকার শুধু চোর ডাকাতদের হাত মজবুত করতে জানে, কৃষকদের স্বার্থের কথা বললেই মুখে কুলুপ দেয়।’’ আলুচাষিদের পাশাপাশি শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) বিক্ষোভে উঠে আসে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান এবং জঙ্গল কেটে আবাসন নির্মাণের প্রসঙ্গও।  শুভেন্দু বলেন, ‘‘জঙ্গল কেটে উষ্ণায়ন বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর যাঁরা জঙ্গল কাটছেন, তাঁরা সরকারের তহবিল ভরছেন বলে তাঁদের কিছু বলা হচ্ছে না।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: কার মাধ্যমে কাকে চাকরি? বিধানসভায় ছবি-পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    Suvendu Adhikari: কার মাধ্যমে কাকে চাকরি? বিধানসভায় ছবি-পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছেন গ্রুপ সি-র ৮৪২ জন। এঁদের অনেকেই তৃণমূলের (TMC) নেতা-নেত্রীর আত্মীয়-পরিজন। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলেই স্কুলের চাকরি জুটেছিল। এমনই দাবি করে চাকরি হারানো বেশ কয়েকজনের ছবি নিয়ে প্রদর্শনী করল বিজেপি (BJP)। সোমবার ছিল এই পর্বে বিধানসভা অধিবেশনের শেষ দিন। এদিনই বিধানসভার ২ নম্বর গেটের সামনে আয়োজিত ওই প্রদর্শনীতে অংশ নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং বিজেপির অন্য বিধায়করা।

    প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)…

    আদালতের নির্দেশে যাঁরা চাকরি খুইয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতর ভাই খোকন মাহাত। এদিন তাঁদের ছবি ছিল। ছবি ছিল তৃণমূল নেত্রী অসীমা পাত্রর সঙ্গে তাঁর চাকরি খোয়ানো ভাগ্নির। চাকরি গিয়েছে বাঁকুড়ার তৃণমূল নেতার ছেলেরও। রিষড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁর চাকরি খোয়ানো স্ত্রীর ছবিও। এদিন যে ১২ জনের ছবি সম্বলিত পোস্টার দেখা গিয়েছে, তাদের মধ্যে তৃণমূলের বিধায়ক, মন্ত্রী, পঞ্চায়েত সদস্য এবং জেলা সভাপতির আত্মীয়দের নাম রয়েছে। রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নামও। তৃণমূলের এক কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের সদস্য এবং যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি নিজেই বেআইনিভাবে চাকরি নিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে পোস্টারগুলিতে। এদিনের পোস্টার প্রদর্শনীতে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা সহ বিজেপি বিধায়করা।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, এদিন থেকে শুরু হল এই প্রদর্শনী। রাজ্যের মানুষকে চেনানো হবে কোন চোরেদের তাঁরা মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা বানিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে রাজ্যের শাসক দল। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের বঞ্চিত করে নিজেদের অযোগ্য আত্মীয়-পরিজনদের চাকরি দিয়েছেন তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। রাজ্যের শাসক দলকে আরও গাড্ডায় ফেলতে কোমর কষে নামছে বিজেপি। এদিন সূচনা হল তারই। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলার প্রতিটি পাড়ায় এই প্রদর্শনী করা হবে। লোককে দেখানো হবে এই হল মা-মাটি-মানুষের পার্টি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিলের তালিকায় প্রকট হচ্ছে তৃণমূল-যোগ, কারা তাঁরা?

    Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিলের তালিকায় প্রকট হচ্ছে তৃণমূল-যোগ, কারা তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস থেকে লাগাতার নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগ সামনে আসায় মুখ পুড়েছে রাজ্যের। শুক্রবার গ্ৰুপ সি-র চাকরি বাতিলের তালিকা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। কারণ এই ৮৪২ জনের বাতিল হওয়া তালিকায় জ্বলজ্বল করছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার শাসক দলের একের পর এক নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে তাঁদের পরিবারের সদস্যের নাম। কারা নেই সেখানে, রাজ্যের মন্ত্রীর ভাই থেকে তৃণমূল নেতার স্ত্রী থেকে শুরু করে বিধায়কের মেয়ে, জামাই, ভাইঝি ইত্যাদি।

    কোন জায়গায় শাসকদলের কোন কোন পরিজনরা চাকরি হারালেন…

    মিনাখা

    সূত্রের খবর, গ্রুপ সি-র চাকরি পেয়েছিলেন মিনাখার তৃণমূল বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডলের মেয়ে বিনতা মণ্ডল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে শনিবার তাঁর চাকরি গেল। ওএমআর শিটে ৬০টি প্রশ্নের মধ্যে ৫৮টির জবাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ওই ৫৮টির মধ্যে মাত্র চারটি ঠিক উত্তর ছিল, বাকি সব ভুল। বেলঘরিয়া নন্দননগর আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের গ্রুপ সি-র কর্মী ছিলেন বিনতা। আরও জানা গিয়েছে, ডিএ ধর্মঘটের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি স্কুলেও গিয়েছিলেন বিনতা (Recruitment Scam) ।

    উত্তর দিনাজপুর

    ভুয়ো চাকরির তালিকায় এবার উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শচীন সিংহ রায়ের ভাইপো ও কালিয়াগঞ্জ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বসন্ত রায়ের ছেলের নাম উঠে এসেছে। কালিয়াগঞ্জ শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শচীন সিংহ রায়। পার্শ্ববর্তী বাড়ি তাঁর দাদা প্রয়াত তৃণমূল নেতা অর্জুন সিংহ রায়। অর্জুন সিংহ রায়ের পুত্রই হলেন শুভাশিস সিংহ রায়। তবে শচীন তাঁর ভাইপোর এই চাকরি হারানোর বিষয়ে কোন দায় নিতে চাননি।

    অন্যদিকে কালিয়াগঞ্জ শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বসন্ত রায়ের ছেলে অলোক কুমার রায়। অলোক গ্রুপ সি পদে আলিপুরদুয়ারের জয়ন্তী হাই স্কুলে কাজ করেছিলেন। তবে বসন্ত রায়ের কথায়, “চাকরি নিয়ে কেস হতে পারে শুনে ছয় মাস আগেই চাকরি ছেড়ে বাড়ি চলে এসেছে আমার ছেলে।  ওই জঙ্গলের মধ্যে ছেলের মন টিকছিল না।”

    আবার ইটাহারের ছয়ঘড়া হাইস্কুলের গ্রুপ সি পদে কর্মরত ছিলেন সামসুর রহমান। তিনি হেমতাবাদ ব্লকের যুব তৃণমূল সহ সভাপতি এবং হেমতাবাদের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। ফলে সামসুরও চাকরি হারিয়েছেন (Recruitment Scam) ।

    হুগলি

    হুগলির ধনিয়াখালী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্পিতা বারিকের কন্যা রণিতা বারিক। অন্যদিকে, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ধনিয়াখালী বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের বোনঝি রণিত বারিক। রণিতার নামও রয়েছে এই তালিকায়।

    দুর্গাপুর

    দুর্গাপুরের আইএনটিটিইউসির-সহ সভাপতি সমীর মুখোপাধ্যায়ের ছেলে অর্ণব মুখোপাধ্যায়। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ এসএসসি গ্রুপ-সির চাকরির লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিল সে। এরপর দুর্গাপুর প্রোজেক্টস্ টাউনশিপ বয়েজ হাইস্কুলে চাকরি পায় সে। ছেলের চাকরি যাওয়া প্রসঙ্গে সমীরবাবুকে প্রশ্ন করা হলে উল্টে তিনি বলেন, “আমি কখনোই চাইনি আমার ছেলে এই চাকরি করুক।” আবার চাকরি হারানো নিয়ে শাসকদলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সমীরবাবু। তিনি বলেন, “দল করাটাই এতদিন ভুল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। শিক্ষা দফতর তো সব দেখে শুনেই চাকরি দিয়েছিল। আজ সরকার এদের পাশে দাঁড়াবে না? বেকার ছেলেমেয়েদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি করা হল এই সরকারের আমলে (Recruitment Scam) ।”

    আমতা

    এবারে আদালতের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে আমতার পঞ্চায়েত প্রধানের। জানা গিয়েছে, আমতা বিধানসভার সাবসীট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন শেখ সাদ্দাম হোসেন। তাঁর নামও ছিল এই তালিকায়।

    মালদা

    হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গেল মালদহের তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর রামপুর গ্রামের বাসিন্দা তৃণমূল নেতা প্রকাশ দাসের দুই মেয়ে মাম্পি দাস, শম্পা দাস এবং জামাই বিপ্লব দাসের চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের রায়ে (Recruitment Scam)।

  • World Test Championship: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    World Test Championship: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। টানা দ্বিতীয় বার। ফাইনালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে। আহমেদাবাদে ভারত অস্ট্রেলিয়া চতুর্থ টেস্ট ড্র হলেও,  ক্রাইস্টচার্চ থেকে সুখবর চলে আসে সকালেই। দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালে যাওয়ার দৌড়ে ভারতের সঙ্গে ছিল শ্রীলঙ্কাও। তার জন্য নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিততে হত শ্রীলঙ্কাকে। কিন্তু প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের নাটকীয় জয় শ্রীলঙ্কাকে ছিটকে দিল। শেষ বল থ্রিলারে শ্রীলঙ্কাকে হারাল নিউজিল্যান্ড। এর ফলেই ভারতের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায়। 

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ৩৫৫ রান করে। একটা সময় নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ১৫১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সেই সময় শ্রীলঙ্কার কাছে সুযোগ ছিল উইলিয়ামসনদের চাপে ফেলার। কিন্তু সেখান থেকেই কিউয়িরা ১৮ রানের লিড নিয়ে নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা ৩০২ রান করে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১১৫ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৮৫ রানের লক্ষ্য দেন তাঁরা। টেস্টের শেষ দিনে নিউজিল্যান্ড সেই রান তাড়া করে জেতে। সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ভারত চলে যায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।

    আরও পড়ুন: প্রায় সাড়ে তিন বছর পর টেস্টে শতরান বিরাটের

    কখন কোথায় ফাইনাল

    আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। ১১ জুন পর্যন্ত চলতে পারে খেলা। ইংল্যান্ডের কেনসিংটন ওভালে মুখোমুখি হবে দু’দল। পাঁচ দিনের ফাইনাল টেস্টের জন্য রাখা হয়েছে একটি অতিরিক্ত দিন। বৃষ্টি বা কোনও কারণে খেলার সময় কমে গেলে, অতিরিক্ত দিনে খেলা গড়াবে। ১২ জুন রাখা হয়েছে অতিরিক্ত দিন হিসাবে।

    অন্যদিকে এদিন ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট অমীমাংসিত ভাবেই শেষ হয়। ম্যাচ যে ড্র হতে চলেছে, এটা বোঝাই যাচ্ছিল। তবে ম্যাচ ড্র হলেও বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি জিতল ভারতই। ২-১ ব্যবধানে এই সিরিজ জেতে টিম ইন্ডিয়া। তবে শেষ দিনে ভারতীয় বোলিং নিয়ে রোহিত শর্মাকে দেখা গেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে। হঠাৎই তিনি বল তুলে দিলেন শুভমন গিলের হাতে। ছ’টা বল করলেন শুভমন। তার পরের ওভারে আবার চমক। এ বার বল উঠে এল চেতেশ্বর পুজারার হাতে। তিনিও এক ওভার বল করলেন। ভারত পেয়ে গেল অতিরিক্ত দুই স্পিনার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UGC: দরকার নেই পিএইচডি-র, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে নেট উত্তীর্ণ হলেই হবে, জানাল ইউজিসি 

    UGC: দরকার নেই পিএইচডি-র, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে নেট উত্তীর্ণ হলেই হবে, জানাল ইউজিসি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সহকারী অধ্যাপক পদের জন্য ডক্টর অফ ফিলোজফি বা পিএইচডি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়, একথা জানালেন ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশনের (ইউজিসি) (UGC) চেয়ারপার্সন এম জগদীশ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, এ বার থেকে শুধু ন্যাশানাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পাশ করলেই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি মিলবে।

    আরও পড়ুন: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    হায়দ্রাবাদে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানে একথা বলেন ইউজিসি-র (UGC) চেয়ারম্যান

    হায়দরাবাদে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নবনির্মিত ইউজিসি (UGC)-এইচআরডিসি ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জগদীশ কুমার। সেখানেই তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপকদের নিয়োগে পিএইচডি ডিগ্রিকে আর বাধ্যতামূলক থাকছে না।

    আরও পড়ুন: ‘সীমান্তে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে যোগ্য জবাব দেবে মোদির ভারত’, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    ইউজিসির এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ কী

    দেশের নানা প্রান্তে অনেক যোগ্য প্রার্থীরা রয়েছেন যাঁরা পিএইচডি ডিগ্রি না পাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে পারছেন না। তাঁদের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান জগদীশ কুমার। তাঁর আরও সংযোজন, এক দেশ-এক তথ্য সম্বলিত একটি পোর্টাল খুলছে ইউজিসি (UGC)। সেখান থেকে তাদের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদেরও শিক্ষার পাঠ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: সিলিকন ভ্যালির পর এবার দেউলিয়া সিগনেচার ব্যাঙ্ক! কী বললেন জো বাইডেন?

    প্রসঙ্গত, এর আগে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপকের পদে আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হিসাবে পিএইচডি ডিগ্রির উল্লেখ করেছিল ইউজিসি (UGC)। পরবর্তীকালে কেন্দ্র সেই নির্দেশিকায় সংশোধন করে। নির্দেশিকাটি ২০২১ সাল থেকেই প্রযোজ্য হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে সেই প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। তত দিন নেটের ফলাফলের মাধ্যমেই নিয়োগ হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্কিং সঙ্কট আমেরিকাতে! দেউলিয়া সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্ক, ভারতে এর প্রভাব কী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Shantanu Banerjee: ‘মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল, টাকা সরাচ্ছে অন্য রাজ্যে’, বিস্ফোরক দাবি শান্তনুর

    Shantanu Banerjee: ‘মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল, টাকা সরাচ্ছে অন্য রাজ্যে’, বিস্ফোরক দাবি শান্তনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ কুন্তল ঘোষই। মিথ্যা অভিযোগ করে তদন্ত ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিস্ফোরক দাবি করলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত তৃণমূলের যুব নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় (Shantanu Banerjee)। কুন্তল টাকা অন্য রাজ্যে পাঠাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এদিন দুপুরে বলাগড়ের যুব নেতাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করার সময়েই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। আর তখনই এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেন তিনি।

    অবশেষে মুখ খুললেন শান্তনু

    শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Shantanu Banerjee) ৬ বার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে তলব করা হয়েছিল। জেরার সম্মুখীনও হয়ে কখনই এর আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে সেভাবে মুখ খোলেননি শান্তনু। গ্রেফতারির পর প্রথম দিন তিনি দাবি করেছিলেন, “আমি টাকা নিই নি, আমি কাউকে টাকা দিইনি।” কিন্তু আজ ইডি হেফাজত শেষে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলার আগেই এমন দাবি করলেন।

    এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শান্তনু (Shantanu Banerjee) বলেন, “এই কেসের মেন মাস্টারমাইন্ড কুন্তল। ও ডাইভার্ট করানোর জন্য এসব করছে। কুন্তল লোকজনকে ভয় দেখাচ্ছে। টাকা সরাচ্ছে। অন্য রাজ্যে টাকা পাচার করছে ওর লোকজন। কয়েক’শ এজেন্টের কাছ থেকে কয়েক’শ কোটি টাকা তুলেছে কুন্তল।” এর সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, “আমার সব কিছু লিগাল। আগামীদিনে প্রমাণ হবে।”

    আরও পড়ুন:শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, শর্তসাপেক্ষে মিলল আদালতের অনুমতি

    অন্য রাজ্যে টাকা সরাচ্ছে কুন্তল!

    প্রসঙ্গত, কুন্তল সেই জানুয়ারি মাস থেকে ইডি হেফাজতের পর জেল হেফাজতে রয়েছে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে, কুন্তলের আরও কত টাকা রয়েছে যা তিনি জেলের ভিতর থেকে অন্য রাজ্যে সরিয়ে দিচ্ছেন? শান্তনুর (Shantanu Banerjee) দাবি কতটা সত্যি, তাও তদন্তের বিষয়। তবে এই দাবি যে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এক নয়া মোড় এনে দিয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।  

    উল্লেখ্য, সূত্রের খবর, জেলা তৃণমূলের মোটামুটি সবারই জানা, শান্তনু-কুন্তলের সম্পর্ক ছিল দাদা-ভাইয়ের। কুন্তলকে ভাই বলেই জনসমক্ষে ডাকতেন শান্তনু (Shantanu Banerjee)। আর সেই দাদা শান্তনুই এখন ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। উল্লেখ্য, আজ ব্যাঙ্কশাল আদালতে শান্তনুকে পেশ করে আবার নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানাবে ইডি। কিন্তু আদালত কী নির্দেশ দেয় এখন সেটাই দেখার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) জেরবার রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি চলে গিয়েছে। এরইমধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam)  বড়সড় অনিয়ম সামনে এসেছে। কাউন্সেলিং ছাড়াই নবম-দশমে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর সেটা অন্যজনের রোল নম্বর ব্যবহার করেই কাউন্সেলিং ছাড়াই একজন বহাল তবিয়তে ইংরেজি শিক্ষক পদে চাকরি করছেন। জানা গিয়েছে, ১২২১১৬৭৬০০০০০৩-এই রোল নম্বরটি সালমা সুলাতানার। তাঁর বাড়ি বোলপুর। তাঁকে কাউন্সেলিংয়ে কখনও ডাকা হয়নি। অথচ তাঁর এই রোল নম্বরেই অন্য একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।  এসএসসি-র এই নিয়োগ দুর্নীতির (Scam) বিষয়টি সামনে আসতেই খোদ হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু হতবাক হয়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের কাছে তিনি রিপোর্ট তলব করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজনের রোল নম্বরে অন্যজনকে কী করে নিয়োগপত্র দেওয়া হল। ফলে, এর পিছনে বড়সড় চক্র কাজ করেছে। আর এই রোল নম্বর কারচুপি করে নিয়োগপত্র কাকে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    নিজের রোল নম্বর চুরি হওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন  সালমা সুলতানা? Scam

    সালমা সুলতানা শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁর পরীক্ষার যে রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে তাঁর অ্যাকাডেমিক নম্বর ছিল ৩৩। আর লিখিত পরীক্ষায় ওএমআর শিটের নম্বর ছিল ৪৯। ২০১৮ সালে তাঁকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়। তারপর তাঁর নাম ওয়েটিং লিস্টে ছিল। কাউন্সেলিংয়ে তাঁকে আর ডাকা হয়নি। পরবর্তীতে আদালত এসএসসি-র কাছে ওএমআর শিট চেয়েছিল। তাতে দেখা যায় তাঁর নম্বর ৪৮। চাকরি না পেয়ে কলকাতায় এসএলএসটি-র যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। সালমা সুলতানা বলেন, কাউন্সেলিংয়ে আমাকে ডাকা হয়নি। তারজন্য আক্ষেপ নেই। কিন্তু, কিছুদিন আগেই জানতে পারি আমার রোল নম্বরে অন্যজন চাকরি করছে। তাঁকে তো কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়েছে? না হলে সে কী করে চাকরি পেল। আর ওই রোল নম্বর ধরে দপ্তর থেকে ডাকা হলে আমি জানতে পারব। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কোনও কাউন্সেলিং না করেই নিজের মনের মতো কাউকে চাকরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি বিষয়টি জানতে পারিনি। আমাকে অন্ধকারে রেখে আমার রোল নম্বর ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে একজন শিক্ষকতা করছেন এটা হতে পারে না। এই দুর্নীতির (Scam)  বিরুদ্ধেই আমি সরব হয়েছি। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। বিচার ব্যবস্থার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ শুভেন্দুর শহিদ তর্পণ সভায় না পুলিশের, অনুমতি মিলল আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ১৪ মার্চ। নন্দীগ্রাম দিবস। এদিন নন্দীগ্রামে (Nandigram) শহিদ তর্পণ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। নন্দীগ্রামের ওই সভায় বক্তৃতা করার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দাবি, নন্দীগ্রামে শহিদ তর্পণের ওই সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তার পরেই সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পদ্ম শিবির। আদালত সূত্রে খবর, বিচারপতি মান্থা তাদের মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় না পুলিশের…

    অবশ্য এই প্রথম নয়, শুভেন্দুর সভায় একাধিকবার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। অতীতে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে একাধিক ইস্যুতে সভা করার ক্ষেত্রে বাধা এসেছে। যদিও শেষতক তাতে হার মানেনি গেরুয়া শিবির। হার মানেননি শুভেন্দু স্বয়ংও। এবারও নন্দীগ্রাম দিবসে শহিদ তর্পণ সভার অনুমতি না মেলায় ফের আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি।

    গত বছরও ১৪ মার্চ শহিদ তর্পণ উপলক্ষে একই জায়গায় আলাদা দুটি সভা করেছিল বিজেপি ও তৃণমূল। গোকুলনগরে পদযাত্রা করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। আর ওই দিনই সকালে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে এলাকায় সভা করার কথা ছিল তৃণমূলের। তার পরেই শুরু হয় অশান্তি। শহিদ মঞ্চে মাল্যদান করার পর মূল মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। মঞ্চে কোন নেতা থাকবেন, কে বক্তব্য রাখবেন, তা নিয়েই শুরু হয়েছিল অশান্তি। পরে তৃণমূল নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে সমস্যা মেটে।

    আরও পড়ুুন: মুকুলের বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তার পর থেকে ফি বছর ১৪ মার্চ দিনটিকে নন্দীগ্রাম দিবস হিসেবে পালন করে আসছে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। বরাবর এই কমিটির নেতৃত্বে থাকে তৃণমূল। পরে বিজেপিও দিনটি পালন করতে শুরু করে মর্যাদার সঙ্গে। এগারোর বিধানসভা নির্বাচনে নির্ণায়ক শক্তি হয়েছিল এই নন্দীগ্রামের আন্দোলন। যার জেরে অবসান ঘটে সাড়ে তিন দশকের বাম জমানার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছিল নন্দীগ্রাম। কারণ এখানে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে গোহারা হারান বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সেই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় না পুলিশের। তার জেরেই বিজেপির আদালত যাত্রা।

    এদিন অবশ্য শর্ত সাপেক্ষে সভার অনুমতি মেলে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা জানিয়ে দেন, শুভেন্দুকে সভা শেষ করতে হবে দু ঘণ্টার মধ্যে। সভা করতে হবে সকাল ৮টা থেকে। তৃণমূলকে সাড়ে ১০টার মধ্যে সভার জায়গা খালি করে দিতে হবে। সভা করতে হবে শান্তিপূর্ণভাবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওষুধের দোকানে সহজে মিলছে না ওষুধ। অনলাইনে ওষুধ কিনতে গেলে ভেসে উঠছে, “সোল্ড আউট” লেখা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী এখন ঘরে ঘরে। দেশ জুড়ে বাড়ছে ভাইরাল ফ্লু-তে (Viral Flu) আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর (fever) সারলেও থেকেই যাচ্ছে কাশি, গলা খুসখুস। হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে H3N2 সংক্রমণ নিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১৩ দিন পরে রবিবার সারা দেশে একদিনে ৫২৪ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর আগে ২০২২-এর ১৮ নভেম্বর সারা দেশে ৫০০ জন সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। রবিবারের সংখ্যা ধরে এই মুহূর্তে সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬১৮ জন। 

    বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

    কেরলে করোনার সংক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।  এই সংখ্যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ৫,৩০, ৭৮১। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত সাত দিনে সংক্রমণের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়েছে। গত সাত দিনে নতুন করে ২৬৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগেকার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও স্বস্তির কথা এটাই যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা বৃদ্ধি পায়নি। সুস্থ হওয়ার হার ৯৮.৮০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    চিন্তা বাড়াচ্ছে H3N2 ভাইরাস

    কোভিডের থেকে এই মুহূর্তে সারা দেশে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে H3N2 ভাইরাসের সংক্রমণের ঘটনা। সাধারণভাবে H3N2 ভাইরাসে কেউ সংক্রমিত হলে, তাঁর দুর্বলতা ও ক্লান্তি থেকে সেরে উঠতে সময় লেগে যায় প্রায় ২ সপ্তাহের মতো। এই ভাইরাসের আক্রমণে কাশি, নাক থেকে জল পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলাব্যথা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ লক্ষ করা যায়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া, বমি, সারা শরীরে যন্ত্রণাও লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য উপসর্গ কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি সময় লাগছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার অতি সাধারণ উপরূপ এইচ৩এন২-এর আক্রমণে শিশুদের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ছে। দিন দিন হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share