Blog

  • Sushmita Sen: ‘চিকিৎসক বলেছেন, আমার হৃদয় খুব বড়’, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির পর জানালেন সুস্মিতা 

    Sushmita Sen: ‘চিকিৎসক বলেছেন, আমার হৃদয় খুব বড়’, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির পর জানালেন সুস্মিতা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সুন্দরীর অ্যাঞ্জিয়োপ্লাস্টি হয়েছে। হার্টে স্টেন্ট বসানো হয়েছে। এত কিছু হয়ে গিয়েছে, কিন্তু তাঁর ভক্তরা কেউ টেরটি পায়নি। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার দু’দিন পরে সুস্মিতা সেন (Sushmita Sen) তাঁর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আনলেন। তবে এখন তিনি আগের থেকে ভাল আছেন বলেই জানিয়েছেন। এতে বলিউড সতীর্থরা তাঁকে আয়রন লেডি হিসাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকেই গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। ক্রনিক সমস্যা রয়েছে তাঁর একটি। যাকে বলে অ্যাডিসন’স ডিজিজ।

    তিনবছর আগে হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন সুস্মিতা (Sushmita Sen)

    ২০২০ সাল নাগাদ সুস্মিতা ভেবেছিলেন, এবার বুঝি সব শেষ। সোশ্যাল মিডিয়াতে সেসময় লিখেছিলেন, “আমার শরীর নিয়ে যুদ্ধ করছি প্রতিনিয়ত। এ বার বোধ হয় হাল ছেড়ে দিতে হবে। লড়াই করার আর একটুও শক্তি বাকি নেই। অ্যাডিসন’স ডিজিজ ধরা পড়ার পর আমি হতাশায় ডুবে গিয়েছিলাম। একই সঙ্গে রাগ, বিরক্তি। চোখের নীচে কালো দাগ। ৪ বছর ধরে সহ্য করেছি, স্টেরয়েড নিয়েছি। এই ক্রনিক সমস্যা নিয়ে বেঁচে থাকা ক্লান্তিকর।”

    নিজেকে আবারও তৈরি করেন নতুনভাবে 

    নিজেকে আবার প্রস্তুত করতে থাকেন নতুনভাবে। মার্শাল আর্টের নানচাকু কৌশল আয়ত্ত করে ফেলেন সুস্মিতা (Sushmita Sen)। তাতেই ধীরে ধীরে রোগের উপশম। আর ২০২৩ সালে বোঝা গেল, তিনি এখন মোটেও অসুস্থ নন।বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবার সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সুস্মিতা লেখেন, “নিজের হৃদয়কে খুশি রাখো এবং সাহসী করে তোলো। কারণ সে তখন তোমার পাশে থাকবে, যখন তাঁকে তোমার সব থেকে বেশি দরকার হবে। এই কথাই আমার বাবা আমায় বলেছিলেন। কয়েক দিন আগে আমার হার্ট অ্যাটাক হয়। অ্যাঞ্জিয়োপ্লাস্টি হয়েছে। স্টেন্ট বসেছে যথাস্থানে। সব থেকে বড় কথা, আমার চিকিৎসক আমায় বলেছেন, আমার হৃদয় সত্যিই বড়। আমি তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যাঁরা সেই সময় আমার পাশে ছিলেন।”

    সুস্মিতার (Sushmita Sen) আরও সংযোজন, “এই মুহূর্তে এই পোস্টটা দেওয়ার একটাই কারণ। আমি এখন অনেকটাই সুস্থ। আরও কিছু বছর বেঁচে থাকতে পারব। তোমাদের সবাইকে ভালবাসি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে অ্যাডিনো আতঙ্ক। জ্বর-শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় একের পর এক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। বৃহস্পতিবারও  রাজ্যে ফের মৃত্যু হল ১১ মাসের এক  শিশুর (Child Death)। পরিবার সূত্রে খবর, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভুগছিল শাসনের বাসিন্দা ওই শিশুটি। গত রবিবার বিসি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় শিশুটির।  স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাসে, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে অ্যাডিনো আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর। তারমধ্যে বেশ কয়েক জনের কোমর্বিডিটি ছিল।

    অ্যাডিনো উদ্বেগে চালু করা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন নম্বর। ১০ দফা অ্যাডভাইসরি জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তাতে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টার ক্লিনিক করতে হবে। যে যে হাসপাতাল বা মেডিক্যাল কলেজে শিশু বিভাগ আছে, সেখানে আলাদা আউটডোর চালু করতে হবে। যাতে সাধারণ বর্হিবিভাগে এইসব রোগীকে অপেক্ষা করতে না হয়। হাসপাতাল প্রধান বা অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশু রোগীদের রেফার করা যাবে না। ভেন্টিলেটর ও অন্য সামগ্রী প্রস্তুত রাখতে হবে। শিশু বিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে লাগাতে হবে।

    অ্যাডিনোর জের! শিশুর জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো 

    এই পরিস্থিতিতে সঙ্কটজনক শিশুদের (Children in Critical Condition) চিকিৎসার জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা (Virtual Workshop)। সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বেহাল। তাই এত শিশু-মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শহরের বাইরে গেলেই মিলছে না অভিজ্ঞ চিকিৎসক। বিশেষজ্ঞের অভাবে সঙ্কটজনক শিশুকে কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। চাপ বাড়ছে শহরের হাসপাতালগুলির শিশুবিভাগে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার ধকলও নিতে পারছে না অনেক শিশু। এককথায় সেই অভিযোগগুলিকে কার্যত মান্যতা দিল স্বাস্থ্য দফতর। 

    আরও পড়ুন: বাড়তি ওজন কমাতে পাতে রাখুন এই ৬ প্রকারের উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি

    সঙ্কটজনক শিশুদের চিকিৎসার জন্য জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর। জেলাস্তরের হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট অর্থাৎ PICU না থাকায়, বড়দের CCU, HDU পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে মাস্ক, ক্যানুলা ও সার্কিট ব্যবহার করে শিশুদের চিকিৎসা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা। কর্মশালায় জেলার হাসপাতালগুলির শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, CCU, HDU-এর মেডিক্যাল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরপর হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supreme Court: আদানিকাণ্ডে কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট, কে কে রয়েছেন জানেন?

    Supreme Court: আদানিকাণ্ডে কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট, কে কে রয়েছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানির (Gautam Adani) সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদানি গোষ্ঠী নিয়ে হিন্ডেনবার্গ (Hindenberg) রিসার্চ রিপোর্টের জেরে যে সমস্যাগুলি তৈরি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএম সাপ্রে ছয় সদস্যের কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। এই কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন ওপি ভাট, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জেপি দেবদত্ত, কেভি কামাথ, নন্দন নিলেকানি এবং সোমশেখর সুদর্শন। আগামী দু মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে হবে ওই কমিটিকে।

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)…

    একই সঙ্গে সেবিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, এই ইস্যুতে সেবির নিয়মের ১৯ নম্বর ধারা লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। শেয়ারের দরে কোনও জালিয়াতি হয়েছে কি না, তাও দেখতে হবে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে কমিটি গঠনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালতের (Supreme Court) পর্যবেক্ষণ ছিল, বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর যথাযথ মূল্যায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া জোরদার করা প্রয়োজন। তাই এ বিষয়ে অভিজ্ঞদের কমিটির সদস্য করে দেশের বিনিয়োগকারীদের ভরসা জোগাতে চাইছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ওরা বলছে, মর যা মোদি, দেশ বলছে, মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    আদানিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সেবি। শীর্ষ আদালত বলেছে, সেবিকে তাদের অনুসন্ধান রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব আদালত গঠিত কমিটির কাছে পেশ করতে হবে। সেই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সেবির স্বাধিকারে কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ২৪ জানুয়ারি মার্কিন গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট সামনে আসে। তার পর থেকে এনিয়ে হইচই হয় ভারতে। আদানিদের তরফে ওই রিপোর্টকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়।

    এনিয়ে ৪১৩ পাতার পাল্টা জবাব সামনে আনা হয়। তার পরেও আদানি তাঁর সংস্থার ক্ষতি আটকাতে পারেননি। গত এক মাসে শেয়ার বাজারে তাঁর একাধিক সংস্থার শেয়ারের দর পড়েছে হু হু করে। এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন আদানি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে আদানি গ্রুপ স্বাগত জানায়। এটা সঠিক সময়ে তদন্তের মাধ্যমে সত্যিটা সামনে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Deepika Padukone: এবছর অস্কার বিতরণকারীদের তালিকায় একমাত্র ভারতীয় দীপিকা

    Deepika Padukone: এবছর অস্কার বিতরণকারীদের তালিকায় একমাত্র ভারতীয় দীপিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতেই ঘোষণা হয়েছে যে অস্কার ২০২৩-এ বিতরণকারীর ভূমিকায় দেখা মিলবে দীপিকা পাড়ুকোনের (Deepika Padukone)। এবছর একমাত্র ভারতীয় হিসেবে তিনি এই গৌরব অর্জন করবেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে অস্কার মঞ্চে দেখা গিয়েছিল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে। আগামী ১৩ মার্চ ভারতীয় সময় অনুযায়ী দেখা যাবে ৯৫ তম অস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।  রাতেই বলিউড অভিনেত্রী এই খবর ঘোষণা করেন নিজের ইনস্টাগ্রামে। নিমেষেই ভাইরাল হয়ে যায় দীপিকার (Deepika Padukone) এই পোস্ট। শুভেচ্ছাবার্তা জানায় অনুরাগীরা। সকলেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বলিউডের বর্তমানের অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়িকাকে। মন্তব্য করেছেন সহ-তারকারাও। প্রসঙ্গত, ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল মঞ্চেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল।

    কে কী বললেন

    নেহা ধুপিয়া মন্তব্য করেন, ‘দীপু তোমাকে দেখার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’ দীপিকার বোন অনিশা লিখলেন, ‘বুম’। দীপিকার স্বামী রণবীর সিং কমেন্ট সেকশনে দিয়েছেন হাততালি দেওয়ার ইমোজি।

    অস্কার বিতরণকারীদের তালিকায় আর কে কে

    তালিকায় ডোয়াইন জনসন , মাইকেল বি. জর্ডান, রিজ আহমেদ, এমিলি ব্লান্ট, গ্লেন ক্লোজ, ট্রয় কোটসুর, ডোয়াইন জনসন, জেনিফার কনেলি, স্যামুয়েল এল জ্যাকসন, মেলিসা ম্যাকার্থি, জো সালডানা, ডনি ইয়েন, জোনাথন মেজরস এবং কোয়েস্টলোভও রয়েছেন।

    ভারতের জন্য বিশেষ হতে চলেছে এই অস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    ৯৫তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড নানা দিক থেকে ভারতের কাছে বিশেষ হতে চলেছে। কারণ এইবার শুধু একটি নয়, তিনটি সিনেমা অস্কার জেতার লড়াইয়ে আছে, অর্থাৎ মনোনয়ন পেয়েছে। এই বছরের শুরুতে একই বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জেতা ‘আরআরআর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গানটি সেরা মৌলিক গানের বিভাগে লড়ছে। শৌনক সেনের ‘অল দ্যাট ব্রিদস’ সেরা ডকুমেন্টারি ফিচার ফিল্ম এবং গুনীত মঙ্গার ‘দ্য এলিফ্যান্ট হুইস্পারার্স’ সেরা ডকুমেন্টারি শর্টের জন্য মনোনীত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়তি ওজন কমাতে পাতে রাখুন এই ৬ প্রকারের উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    Sukanta Majumdar: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার অস্ত্রেই মমতা বধ! তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) একটি কবিতার লাইন উদ্ধৃত করে মমতাকেই বিঁধলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃতীয়বার বাংলা জয়ের পর তৃণমূল (TMC) নেত্রী পাখির চোখ করেছিলেন ত্রিপুরাকে। ত্রিপুরা পুরনির্বাচনের মতো বিধানসভা নির্বাচনেও গোহারা হেরেছে মমতার দল। তার পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির মুখে তৃণমূল নেত্রীর কবিতার লাইন, ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)…

    অথচ ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্য জয়ে চেষ্টার কম কসুর করেনি তৃণমূল। দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতা ত্রিপুরা উড়ে গিয়েও বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। খোদ তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রাও মাঠে মারা গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, ত্রিপুরায় সাকুল্যে এক শতাংশ ভোটও পায়নি তৃণমূল। নোটার চেয়েও কম ভোট গিয়েছে ঘাসফুলের ঝুলিতে। তার পরেই ধেয়ে এল সুকান্তের (Sukanta Majumdar) খোঁচা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে সুকান্ত ত্রিপুরার ভোটের ফলের শতাংশের হিসেব তুলে ধরে বিঁধেছেন রাজ্যের শাসক দলকে।

    অন্য একটি ট্যুইট-বার্তায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি লিখেছেন, ত্রিপুরা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য মানিক সাহা এবং ত্রিপুরা রাজ্য বিজেপির কার্যকর্তাদের অভিনন্দন। ত্রিপুরা আবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়ন সূচিতে পরিচালিত সরকারকে নির্বাচিত করেছে। এই জয় বিজেপির প্রতি জনগণের ক্রমবর্ধমান আস্থা দেখায়।

    পদ্ম ফুটেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যুইটারে যুক্ত করে বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির তথ্য প্রযুক্তি শাখার সর্বভারতীয় প্রধান এবং পশ্চিমবঙ্গের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ট্যুইট-বার্তায় লেখেন, বাম-কংগ্রেস জোট এবং উচ্চাভিলাষী টিএমসি থাকা সত্ত্বেও বিজেপি ত্রিপুরাকে ধরে রেখেছে। টিএমসি নোটার চেয়ে কম ভোট পেয়েছে। টিএমসি মেঘালয়ে কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ককে নিয়েছিল। সংখ্যাটা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৫ এ। উত্তর পূর্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখান করেছে। এর পর হবে পশ্চিমবঙ্গে। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে কেবল উত্তর পূর্বের তিন রাজ্য নয়, বাংলায়ও মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল। হাত ছাড়া হয়েছে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভার রাশও।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ওরা বলছে, মর যা মোদি, দেশ বলছে, মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলের সর্বভারতীয় দলের তকমা খারিজ করার আবেদন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলের সর্বভারতীয় দলের তকমা খারিজ করার আবেদন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনও রাজনৈতিক দলকে জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেতে যে সব শর্ত পূরণ করতে হয়, তৃণমূল তা করতে পারছে না। তাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উচিত তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় দলের তকমা খারিজ করা। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে এমনই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত আঞ্চলিক দল বলেও আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু যা বললেন

    গোয়ার পর ত্রিপুরায় ভরাডুবি। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে নোটার চেয়েও পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরায় একটি আসনেও খাতা খুলতে পারেনি জোড়াফুল শিবির। জাতীয় দলের তকমা পেতে গেলে যা যা দরকার শুভেন্দুর দাবি তার কোনওটিই পূরণ করা সম্ভব নয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে। ট্যুইট করে তিনি লিখেছেন, আমি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে অনুরোধ করছি, সর্বভারতীয় দল হওয়ার জন্য যে মাপকাঠি রয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় দলের তকমা খারিজ করা উচিত। 

    শুভেন্দু লিখেছেন, বিগত পাঁচ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি গোয়া, মেঘালয় ও ত্রিপুরায় ভোটে লড়েছে। ত্রিপুরায় প্রাপ্ত ভোটের হার ০.৮৮ শতাংশ, কোনও বিধায়ক নেই। গোয়ায় ৫.২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে, সেখানেও কোনও তৃণমূল বিধায়ক নেই। মেঘালয়ে ১৩.৭৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে, ৫ জন জয়লাভ করেছেন তৃণমূলের টিকিটে। ফলে বাংলা ও মেঘালয় ছাড়া আর কোথাও তৃণমূলের ৬ শতাংশ ভোট বা অন্তত ২ বিধায়ক নেই, যা জাতীয় দলের তকমার জন্য দরকার। লোকসভা ভোটেও ২০১৯ সালে তৃণমূল চারটি রাজ্যে ৬ শতাংশ ভোট পাওয়ার মাপকাঠি পূরণ করতে পারেনি।

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    এমনকী বাংলার বাইরেও কোনও সাংসদ লোকসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিটে জেতেননি। শুভেন্দুর দাবি, জাতীয় দলের তকমা ধরে রাখতে হলে অন্তত ৪টি রাজ্যে আঞ্চলিক দলের স্বীকৃতি পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ এবং মেঘালয়ে তৃণমূলের বিধায়ক রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের লোকেরা বুঝতে পেরেছেন যে তাঁদের উপেক্ষা করা হয় না। বিজেপি শাসনে তাঁদের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমি খুশি যে আমরা তাঁদের হৃদয়ে জায়গা পেয়েছি। ত্রিপুরা (Tripura), নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে বিজেপির (BJP) জয়ের পর একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তর পূর্বের তিন রাজ্যজয়ের পর যে বিজেপির আত্মবিশ্বাস একলপ্তে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে, এদিন তা প্রকাশ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কথায়ও। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কট্টর লোক বলছেন, মর যা মোদি (মরে যা মোদি)। আর দেশ বলছে, মৎ যা মোদি (চলে যাস না মোদি)।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    বৃহস্পতিবার ৩৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ধরে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন একটা সময়ে কিছু লোক মোদির কবর খোঁড়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যেখানেই সুযোগ রয়েছে, সেখানেই পদ্মফুল ফুটেই চলেছে। মোদি বলেন, উত্তর পূর্ব ভারত দিল্লির থেকে দূরে নেই। হৃদয়েরও দূরে নেই। ভোটে জেতার থেকেও হৃদয় জিতেছি, এটা বড় পাওয়া। তিনি বলেন, এটা বিজেপি কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। আজকের রায় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভরসা জুগিয়েছে।

    পদ্ম শিবিরের এহেন সাফল্যের নেপথ্যে কী রয়েছে, এদিন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, শিবের যেমন ত্রিনয়ন রয়েছে, তেমনি আমাদের কাছে রয়েছে ত্রিবেণী, তিন শক্তি। প্রথম শক্তি হল, বিজেপি সরকারের কাজ, দ্বিতীয় শক্তি হল বিজেপি সরকারের কর্মসংস্কৃতি এবং তৃতীয় শক্তি হল বিজেপি কর্মীদের সেবাদান। তিনি বলেন, তাঁদের সেবা, শ্রম, সমর্পণ অতুলনীয়। এই তিন শক্তি মিলেই বিজেপি এগিয়ে চলেছে। এদিন কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার কোনও কাজ করেনি। গরিবদের কথা ভাবেনি। শুধু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে। যার জন্য দেশ ভুগেছে। ছোট রাজ্যকে ঘৃণার চোখে দেখার কারণেই কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    বাম-কংগ্রেসের জোটকেও এদিন কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেন, কিছু দল পর্দার পিছনে জোট করছে। সেটা জনতা দেখছে। তিনি বলেন, এক রাজ্যে কুস্তি, অন্য রাজ্যে দোস্তি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, সংখ্যালঘুদের কয়েক বছর ধরে বিজেপি সম্পর্কে ভয় দেখানো হচ্ছিল। কিন্তু নাগরিকরা আসল ঘটনা ধরে ফেলেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও তিন রাজ্যে বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এই দিনটিকে তিনি ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন। বাংলায় তাঁর ট্যুইট, উন্নয়নমুখী রাজনীতির পক্ষে ভোট দিয়েছেন সকলে। এই জয় উন্নয়নের জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Meghalaya Assembly Polls: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    Meghalaya Assembly Polls: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি-আইপিএফটি জোট। রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ টি আসনে জিতেছে বিজেপি। ওই রাজ্যে ম্যাজিক ফিগার হল ৩১। নাগাল্যান্ডেও সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যা ৩১। ইতিমধ্যেই বিজেপি-এনডিপিপি (BJP NDPP) জোট ৩৫টি আসন জিতে গিয়েছে এবং আরও ২টি আসনে এগিয়ে আছে এনডিপিপি। কাজেই নাগাল্যান্ডে (Nagaland) বিজেপির জোট সরকার গঠন নিশ্চিত। মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls) আসন সংখ্যা কম হলেও এনপিপি-র সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়তে চলেছে গেরুয়া শিবির (BJP’s 3/3)।

    মেঘালয়েও বিজেপির জোট

    মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls) বিজেপির ফল খুব একটা ভাল হয়নি। তারপরও মেঘালয়ের জনগনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অমিত শাহ। ট্যুইট করে তিনি বলেছেন, ‘বিজেপিকে সমর্থন ও আশীর্বাদের জন্য মেঘালয়ের জনগণকে ধন্যবাদ। মেঘালয়ে বিজেপির পদচিহ্ন প্রসারিত করার জন্য রাজ্যের বিজেপি কর্মীরা যে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, তার জন্য আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে জনগণের সেবা এবং তাদের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরিতে বিজেপি (BJP’s 3/3) কোনও প্রচেষ্টা ছাড়বে না।’ নাগাল্যান্ডের ফলাফলের প্রসঙ্গে ট্যুইট বার্তায় অমিত শাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএকে পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত করে শান্তি ও অগ্রগতির পথ বেছে নেওয়ার জন্য আমি নাগাল্যান্ডের জনগণকে আমার হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী নিফিউ রিও-র যুগলবন্দি রাজ্যে শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং জনগণের সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে।’

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে বলেন, ‘মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে (Meghalaya Assembly Polls) যারা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা মেঘালয়ের উন্নয়নের গতিপথ বাড়ানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাব এবং রাজ্যের জনগণের ক্ষমতায়নের দিকে মনোনিবেশ করব। আমি আমাদের দলের কর্মীদেরও কৃতজ্ঞতা জানাই।’ মেঘালয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে কনরাড সাংমার এনপিপি পেয়েছে ২৬টি আসন। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, ‘আমাদের ভোট দেওয়ার জন্য রাজ্যের জনগণকে ধন্যবাদ আমরা জানাতে চাই। আমাদের কাছে এখনও কয়েকটি আসন সংখ্যা কম আছে, তাই আমরা চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি।’

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    বিজেপি ইতিমধ্যেই তাদের দুই বিধায়কের সমর্থন পত্র কনরাড সাংমাকে পাঠিয়ে দিয়েছে। সেই চিঠি পেয়ে নিজের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কনরাডও। পুরনো ফর্মুলাতেই সরকার গঠিত হতে চলেছে মেঘালয়ে (Meghalaya Assembly Polls)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি আর্নেস্ট মাওরি জানিয়ে দেন, দিল্লি থেকে জেপি নাড্ডার নির্দেশ অনুযায়ী তারা রাজ্যে এনপিপিকে সরকার গঠনে সাহায্য করবে। এদিকে বিজেপির সমর্থন পেলেও ম্যাজিক ফিগার থেকে এখনও ৩ ধাপ দূরে রয়েছে এনপিপি। এই বিষয়ে আর্নেস্টকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, গত সরকারের (মেঘালয় ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স) সব দল ফের একবার একজোট হবে বলে তিনি আশা করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Hekani Jakhalu: প্রথম মহিলা বিধায়ক পেল নাগাল্যান্ড, ইতিহাস তৈরি করলেন হেকানি জাখালু

    Hekani Jakhalu: প্রথম মহিলা বিধায়ক পেল নাগাল্যান্ড, ইতিহাস তৈরি করলেন হেকানি জাখালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের রাজ্য নাগাল্যান্ডে ইতিহাস গড়লেন হেকানি জাখালু (Hekani Jakhalu)। নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনিই হলেন সে রাজ্যের প্রথম মহিলা বিধায়ক।। হেকানি জাখালু শাসকদল এনডিপিপি-র সদস্য । ১৯৬৩ সালে রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিধানসভায় চলত পুরুষতন্ত্র। সেই প্রথাকে ভাঙলেন হেকানি ।

    জানা গিয়েছে, হেকানি জাখালু (Hekani Jakhalu) পেশায় আইনজীবী এবং অধ্যাপক। এবার ডিমাপুর-৩ আসন থেকে লড়ে জয়ী হয়েছেন জাখালু ।

    নাগাল্যান্ডের ক্ষমতায় ফিরেছে এনডিপিপি – বিজেপি জোট । নাগাল্যাণ্ডে মহিলার ভোটারের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। এহেন রাজ্যে এতদিন কোনও মহিলা বিধায়ক ছিল না। রাজ্য-রাজনীতিতে  খুব পরিচিত মুখও নন জাখালু। বিদেশে পড়াশোনা। দেশে ফিরে আইনজীবী হিসেবে নিজের পেশা শুরু করেন তিনি। এবার সক্রিয় রাজনীতিতেও দেখা যাবে জাখালুকে।

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    ৪৮ বছর বয়সী আইনজীবী হেকানি জাখালু (Hekani Jakhalu) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। এবং সেখানেই অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত তিনি। যুবক-যুবতীদের শিক্ষা এবং দক্ষতার বিকাশের লক্ষ্যে ‘ইউথনেট’ নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। সামাজিক কাজকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ‘নারী শক্তি পুরস্কার’ পেয়েছেন। অন্যদিকে, এনডিপিপি প্রার্থী ৫৬ বছরের সালহাউতুওনুও ক্রুস একজন স্থানীয় হোটেল মালিক। সেইসঙ্গে সমাজকর্মীও বটে। গত ২৪ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন এনজিও এবং সুশীল সমাজ সংস্থার সঙ্গে জড়িত।

    এনডিপিপি ২০১৮ সাল থেকে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে লড়াই করছে। উত্তর-পূর্বের ছোট দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে বিজেপি যে ‘নেডা’ গঠন করছে, তারও সদস্য আঞ্চলিক এই দলটি।

    এই নিয়ে ১৫তম বিধানসভা নির্বাচন হল। রাজ্যের নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় অর্ধেক, ৪৯.৭৯ শতাংশই মহিলা। অথচ এতদিন পর্যন্ত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য একজনও মহিলা বিধায়ক পায়নি। এবারও মোট ১৮৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৪জন ছিলেন মহিলা। হেকানি জাখালু এবং সালহাউতুওনুও ক্রুস ছাড়া আতোইজু কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন কাহুলি সেমা এবং টেনিং আসনে কংগ্রেস টিকিট দিয়েছিল রোজি থমসনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Prince Harry: প্রাসাদ থেকে কী বিতাড়িত হতে চলেছেন ব্রিটেনের রাজপুত্র? জানুন বিস্তারিত

    Prince Harry: প্রাসাদ থেকে কী বিতাড়িত হতে চলেছেন ব্রিটেনের রাজপুত্র? জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ রাজকুমার প্রিন্স হ্যারি (Prince Harry) ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল এবার প্রাসাদ থেকে পাকাপাকিভাবে বিতাড়িত হতে চলেছেন বলেই খবর। রাজমহলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, উইন্ডসর এস্টেটে ফ্রগমোর কটেজ থেকে নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হ্যারিকে। রাজকুমারের বিতর্কিত আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’ প্রকাশিত হওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।

    বর্তমান কটেজটি তাঁরা উপহার পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে

    জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিয়ের উপহার হিসাবে নবদম্পতি হ্যারি-মেগানকে এই কটেজ উপহার দিয়েছিলেন তৎকালীন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ২০২০ সালে রাজপরিবারের সমস্ত দায়িত্ব ছেড়ে ক্যালিফোর্নিয়া চলে যান হ্যারি। পাকাপাকিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হলেও ব্রিটেনে নিজেদের কটেজ ছাড়েননি তাঁরা।

    হ্যারির আত্মজীবনী প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই রাজপরিবারের বিবাদ সামনে আসে

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই প্রকাশিত হয় হ্যারির আত্মজীবনী স্পেয়ার। রাজপরিবারের রীতিনীতি থেকে শুরু করে তাঁর প্রতি পরিবারের একাংশের দুর্ব্যবহার- সমস্ত কিছু নিয়েই তোপ দাগেন হ্যারি। সাধারণ মানুষের প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে ব্রিটিশ রাজপরিবার। অন্দরের খবর, তারপরেই রাজা তৃতীয় চার্লস সিদ্ধান্ত নেন, ফ্রগমোর কটেজ থেকে সরিয়ে দিতে হবে হ্যারিকে। 

    হ্যারির ছেড়ে যাওয়া কটেজ কে পাবে

    জানা গিয়েছে, হ্যারির এই কটেজ এবার দেওয়া হবে প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে। যৌন কেলেঙ্কারির জেরে ইতিমধ্যেই রাজপরিবারে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন রাজা চার্লসের ভাই। সেই কারণেই ৩০টি ঘরের প্রাসাদ ছেড়ে অপেক্ষাকৃত ছোট কটেজে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তাঁকে। তবে রাজপরিবারের দাবি, খরচ কমিয়ে সাধারণ জীবনযাপনের দিকে জোর দিচ্ছেন সদস্যরা। সেই জন্যই একাধিক কাটছাঁট করছে রাজপরিবার। যদিও এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেও একটি ক্লাবে খোশমেজাজে পার্টি করতে দেখা গিয়েছে হ্যারি-মেগানকে। 

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share