Blog

  • Jogendra Nath Mandal: ‘‘কেন পাকিস্তান হিন্দুদের বেঁচে থাকার অধিকার দিল না?’’

    Jogendra Nath Mandal: ‘‘কেন পাকিস্তান হিন্দুদের বেঁচে থাকার অধিকার দিল না?’’

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৬

    পঞ্চম পর্বের পর…

    ২৬। আমি জনাব নুরুল আমিনকে এই পদের জন্য ৩ জনের নাম সুপারিশ করেছিলাম। এদের মধ্যে একজন ছিলেন ঢাকা হাইকোর্টের এমএ, এলএলবি, অ্যাডভোকেট। তিনি প্রথম ফজলুল হক মন্ত্রিসভার সময়কালে ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ৬ বছর ধরে কলকাতার কয়লা খনি বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। তিনি নমঃশূদ্রদের ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ছিলেন। আমার দ্বিতীয় সুপারিশে ছিলেন একজন বিএ, এলএলবি। তিনিও ৭ বছর যাবৎ আইনসভার সদস্য ছিলেন। আমি জানতে চাই ঠিক কোন কারণে জনাব নুরুল আমিন এই দুজন ভদ্রলোককে বাদ দিয়ে এমন একজনকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিলেন সঙ্গত কারণেই যার নিয়োগের বিরোধিতা আমি করেছিলাম। কোনও প্রতিবাদের মুখোমুখি হবার ভয় ছাড়াই আমি বলতে পারি জনাব নুরুল আমিন বারারিকে দিল্লি চুক্তি অনুসারে মন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়াই এর চরম প্রমাণ যে পূর্ব বাংলার সরকার এখানকার হিন্দুদের জীবন-জীবিকা, সম্মান ও ধর্ম ঠিক রেখে জীবনধারণের উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্য সম্পাদিত দিল্লি চুক্তিকে কখনওই গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করেনি।

    সরকারি মদতে হিন্দুদের নির্মূল করার চেষ্টা

    ২৭। আমি এই প্রসঙ্গে আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে যে পূর্ব বাংলা সরকার এই প্রদেশ থেকে হিন্দুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করতে চায়। এই বিষয়ে আমি আপনাকে একাধিকবার সাক্ষাতে অনেক কথা বলেছি। আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি পশ্চিম পাকিস্তান হিন্দু নিধনে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম হয়েছে এবং পূর্ব পাকিস্তানে এই প্রক্রিয়ায় সফলতার সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে। ডি এন বারারির নিয়োগ এবং আমার এই বিষয়ে অসম্মতির পরও পাকিস্তান সরকারের প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে তারা কী অর্থে নিজেদের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র দাবি করে। পাকিস্তান না হিন্দুদের বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে না পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়েছে। এখন তারা হিন্দু বুদ্ধিজীবীদের মারতে চায় যাতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবন তাদের দ্বারা আর প্রভাবিত না হতে পারে।

    যৌথ নির্বাচকমণ্ডলীর বিষয়টিকে এড়িয়ে চলা

    ২৮। আমি বুঝতে পারি না নির্বাচকমণ্ডলীতে এই বিষয়ে কেন এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সংখ্যালঘু সাব-কমিটি তৈরির পর ৩ বছর পার হয়ে গেছে। তিনবার মিটিংও হয়ে গিয়েছে। গত ডিসেম্বরে কমিটির সভায় যৌথ বা পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর ব্যাপারে কথা উঠলে পাকিস্তানের সকল স্বীকৃত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিগণ পশ্চাৎপদ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর জন্য সংরক্ষিত আসন রেখে যৌথ নির্বাচকমণ্ডলীর স্বপক্ষে মত দেন। আমরা নমঃশূদ্রদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা রেখে যৌথ নির্বাচকমণ্ডলীর দাবি জানাই। গত অগাস্টের আরেক সভাতেও এই ব্যাপারে কথা উঠে। কিন্তু এর উপর কোনওরূপ আলোচনা ছাড়াই সভা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে পাকিস্তানী শাসকদের কালহরণ নীতির পিছনে কোন উদ্দেশ্য কাজ করছে তা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হবার কথা নয়।

    হিন্দুদের দুঃসহ ভবিষ্যৎ

    ২৯। এখন বলি দিল্লি চুক্তির ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দুদের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে। আমি বলতে পারি এখন হিন্দুদের অবস্থা শুধু হতাশাজনক নয় বরং সম্পূর্ণ আশাহীন এবং ভবিষ্যৎ অন্ধাকার অমনিশায় আচ্ছন্ন। পূর্ব বাংলার হিন্দুদের ভিতর আস্থা ফিরিয়ে আনতে কিছুই করা হচ্ছে না। চুক্তিটি মুসলিম লিগ কাগজের ভিতরই সীমাবদ্ধ রেখেছে। বিপুল সংখ্যক হিন্দু শরণার্থী বিশেষ করে নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে এলেও এটা প্রমাণ করে না যে হিন্দুদের আস্থা ফিরে এসেছে। বরং এটা প্রমাণিত হয় পশ্চিমবাংলা বা ভারতের ভিতর তাদের পুনর্বাসনের কোনও সুযোগ নেই। উদ্বাস্তু জীবনের বেদনাই তাদের মাতৃভূমিতে ফিরতে বাধ্য করেছে।
    পাশাপাশি অনেকেই ফিরে আসছে তাদের অস্থাবর সম্পত্তি সঙ্গে নিয়ে যেতে এবং স্থাবর সম্পত্তির একটা গতি করতে। পূর্ব বাংলায় অতি সাম্প্রতিককালে কোনও বড় রকমের সাম্প্রদায়িক হিংসা ঘটেনি, কিন্তু এর কৃতিত্ব দিল্লি চুক্তিকে দিলে তা ভুল হবে। কোনও চুক্তি বা আপস ছাড়াই এটা একসময় বন্ধ হত, সহজভাবে বলতে গেলে এটা এভাবে চলতে থাকা ছিল অসম্ভব।

    ৩০। স্বীকার করতেই হবে দিল্লি চুক্তি সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট নয়। এই চুক্তির ভিতর ছিল কিছু শর্ত যাতে ভারত এবং পাকিস্তানের ভিতর বিবদমান সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়। কিন্তু চুক্তির ছয় মাস পরেও কিছুই হয়নি। অন্যদিকে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে দেশে এবং বিদেশে অপপ্রচার চালিয়েই যাচ্ছে পুরোদমে। মুসলিম লিগ দ্বারা সারা পাকিস্তান জুড়ে কাশ্মীর দিবস পালন করা এর একটি উদাহরণ। পাকিস্তান শাসিত পাঞ্জাবের গভর্নরের সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাবাহিনী দরকার ভারতের মুসলিমদের রক্ষায়, পাকিস্তানের আসল চেহারা দেখিয়ে দিয়েছে। এই ধরনের বক্তব্য দুইদেশের ভিতর শুধু উত্তেজনাই বাড়াবে।

    (ক্রমশ…..)

     

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৫

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৪

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৩

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি – পর্ব ২

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি – পর্ব ১

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • ED Raid: আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে আজও ইডির তল্লাশি! ‘‘সরকার ফেঁসে গিয়েছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    ED Raid: আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে আজও ইডির তল্লাশি! ‘‘সরকার ফেঁসে গিয়েছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিটফান্ড দুর্নীতিতে আইনজীবী সঞ্জয় বসুর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও আইনজীবীর ফ্ল্যাট থেকে বেরতে দেখা যায়নি ইডি (ED Raid) অফিসারদের। বৃহস্পতিবারও তল্লাশি জারি রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, রাতভর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে আইনজীবীকে। দুর্নীতির সঙ্গী আইনজীবী সঞ্জয় বসু, এমন দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ইডির তল্লাশি প্রসঙ্গে শুভেন্দু যা বললেন

    আলিপুরের বর্ধমান রোডে আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে ইডির তল্লাশি (ED Raid) চলাকালীন বুধবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় কুকর্মের সাথী এই সঞ্জয় বসু। শুভেন্দু বলেন, ‘সঞ্জয় বসু শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী নন, তিনি সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্থায়ী আইনজীবী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে যত অপকর্ম করেছেন তার মূল সাগরেদ হচ্ছে সঞ্জয় বসু। শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গ থেকে আসানসোল, পুলিশকে সংগঠিত করে টাকা তুলছে এই সঞ্জয় বসু। গোটা রাজ্যে তৃণমূলের যত টাকা সংগ্রহ হচ্ছে তার দায়িত্ব রয়েছে সঞ্জয় বসুর ঘাড়ে। গোয়া, মেঘালয়, ত্রিপুরায় যে টাকা খরচ হয়েছে সেই টাকা তোলার দায়িত্ব আগে বিনয় মিশ্রর ছিল, এখন সঞ্জয় বসুর’।

    ইডি সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার এক আধিকারিক এসেছেন, যাঁর তত্ত্বাবধানে এই তল্লাশি (ED Raid) চলছে। একটি চিটফান্ড সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সঞ্জয় বসুর বিলাসবহুল আবাসনের ভিতরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবাসনের বাইরে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা। আলিপুর থানার ওসি এবং একজন এসি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে বিশেষ বাহিনী মোতায়ন হয়েছে। ওই আবাসন থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: শান্তিপ্রসাদের ‘ডেরা’য় মিলল দেড় কেজি সোনা, নগদ ৫০ লক্ষ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘এই অভিযান (ED Raid) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিচলিত। ডিজিপি অনেককে অনেক নির্দেশ দিয়েছেন তার তথ্যপ্রমাণ আমরা পাচ্ছি। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিভিন্ন সংবাদ চ্যানেলকে ফোন করে বলেছেন, আপনারা এটা নিয়ে বেশি প্রচার করবেন না। আমার অনুরোধ থাকল। টিভি চ্যানেলের মাথাদের কাছে ১২টা থেকে ৩টের মধ্যে ফেসটাইমে এই কল গিয়েছে। অর্থাৎ সরকার ফেঁসে গেছে। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়, জিট্টা, তার পর কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, আর আজকে সঞ্জয় বসু, আর চৌকাঠ পেরনোর জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের উন্নয়নে ভারত (India) সার্কুলার অর্থনীতিকে প্রধান ভিত্তি করছে। বুধবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, যদি এই পন্থা আগে অবলম্বন করা হত, তাহলে দেশের বিভিন্ন শহরে পাহাড় প্রমাণ জঞ্জাল জমত না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরের আবর্জনার ৭৫ শতাংশই প্রসেস করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪-১৫ শতাংশ। তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত শহরগুলি দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যদি দেশের ৭৫টি শহরেও সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা হত, তাহলে বিশ্বের দরবারে ভারতের ভাবমূর্তি অন্যরকম হত। তিনি বলেন, ভারতে দ্রুত নগরায়ন হচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

    মোদি (PM Modi) বলেন…

    এদিন বাজেট-উত্তর ওয়েবমিনারে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। আলোচনার বিষয় ছিল ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট উইথ ফোকাস অন প্ল্যানিং’। তিনি জানান, আবর্জনা প্রসেস করা হলে অনেক সুযোগেরই দ্বার খুলে যায়। কারখানাগুলো এগুলোকে কাজে লাগাতে পারে। দেশবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, এই জাতীয় স্টার্টআপগুলিকে সমর্থন করুন। বলুন, বড় কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনও কোনও শহরে ব্যবহৃত জলও কারখানার কাজে লাগানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরবান প্ল্যানিং আমাদের শহরগুলির ভাগ্য নির্ধারন করে। এবং এই সমস্ত সুপরিকল্পিত শহর ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করে। তিনি বলেন, আমাদের নয়া শহরগুলি অবশ্যই জঞ্জালমুক্ত হবে। নিশ্চিত জল মিলবে। জলবায়ু সহনশীল হবে।

    আরও পড়ুুন: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    শহুরে পরিকাঠামোর ওপর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। দোতলা, তিনতলা শহর গড়ার পরিকল্পনা করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ভারতের ভবিষ্যতের শহরগুলির পরিকল্পনা হওয়া উচিত অন্যভাবে। সেগুলি যেমন গঠনশৈলির দিক থেকে অনন্য হবে, তেমনি হবে জিরো লিক্যুইড ডিসচার্জ মডেল, নেট পজিটিভিটি অফ এনার্জি, এফিসিয়েন্সি অফ ল্যান্ড ইউজ, ট্রানজিট করিডরস। জনগণের সেবায় নিয়োজিত হবে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স। শহরে খেলার মাঠ এবং সাইকেল চলাচলের জন্য আলাদা রাস্তা গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে গ্রামের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি জোর দিয়েছেন শহরের উন্নয়নের দিকেও। যার জেরে আধুনিক বিশ্বে ভারতের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

     

  • Suvendu Adhikari: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া বিতর্ক উস্কে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন তিনি। বুধবার হলদিয়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে চায়ে পে চর্চায় উপস্থিত হয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, যখন তিনি হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন ২০০ কোটি টাকা রেখে এসেছিলেন। কিন্তু সেই টাকা নিজেদের ট্রেজারিতে নিয়ে নিয়েছে রাজ্য। এর জেরে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতেও সমস্যা হচ্ছে। টাকার অভাবে কাজ করা যাচ্ছে না।

    কী বলেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এখন উন্নয়ন পর্ষদে টাকা নেই। আলো খারাপ হয়ে গেলে তা সারানোর টাকা নেই। নিকাশি, দূষণ, রাস্তার কোনও কাজ হয় না।”  

    তৃণমূল এবং রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তোলেন নন্দিগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “রাজ্যের শাসকদল আর পুলিশ হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে লুঠ চালাচ্ছে। বিচ ম্যারাথনের নাম করে ৬০ লক্ষ টাকা তুলেছেন জেলার পুলিশ সুপার। এক ড্রাইভার বলল রিপ্লে কোম্পানিতে কাজের জন্য ড্রপ বক্সে আবেদন করেছিল। শ্রম দফতর হয়ে সেই আবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে যাওয়ার কথা। সেই আবেদন গিয়েছে থানায়। ভবানীপুরের পুলিশ আধিকারিক সেই ছেলেকে ডেকে টাকা দিতে বলছে। চাকরির বিনিময়ে দেড় লক্ষ টাকা চাইছে। বলছে টাকা দিলে ইন্টারভিউতে ডাক পাবে।” 

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই বিস্ফোরক দাবির পরেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন জল্পনা। ইতিমধ্যেই নানা চর্চা শুরু হয়েছে। শুভেন্দুকে পালটা আক্রমণ করেছেন পর্ষদের বর্তমান চেয়ারম্যান তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,  “২০০ কোটির গল্প দিচ্ছেন শুভেন্দু। ফাঁকা করে দিয়ে গিয়েছেন। আসলে ওই ২০০ কোটি ওনার বাড়িতে রয়েছে। হলদিয়ার উন্নয়ন নিয়ে ওনার গাত্র দাহ হচ্ছে। প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি ১.৫৭ কোটি টাকা ঋণ রেখে গিয়েছে।” 

    এসবের মাঝেও শুভেন্দুর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হলে তৃণমূল এবার তৃতীয়স্থানে নেমে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    SSC Scam: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জেরে অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রেখেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তাই বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এসএসসি জানিয়ে দেয়, আপাতত মোট ৬১৮ জন শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) সুপারিশপত্র বাতিল করা হয়েছে। সুপারিশপত্র বাতিল করে দেওয়ার ফলে এই ৬১৮ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করতে আরও কোনও বাধা নেই মধ্য শিক্ষা পর্ষদের। বাতিলের তালিকায় কারা রয়েছেন তাঁদের নাম, রোল নম্বর এবং বিভাগও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। 

    পুরো তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কমিশনের পদক্ষেপ

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) নিয়ে কমিশনকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অযোগ্যদের সুপারিশপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আদালতের নির্দেশে কমিশন ৬১৮ জনের নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। কিন্তু বিচারপতি বসুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় চাকরিচ্যুতদের একাংশ। তবে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি। আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ চাকরি থাকবে কি না তার সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোন অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ নয় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে। তিনি বলেন, “কমিশনই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নেবে চাকরি থাকবে কিনা। ন্যাচারাল জাস্টিস কোনও স্ট্রেট জ্যাকেট হতে পারে না। OMR Sheet বিকৃতি হয়নি বা এটা তাদের নয় বলে কোন মামলাকারী বলেননি।” বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এসএসসি তাদের যে ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে অবৈধ চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি বাতিল করেছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আরও পড়ুন: “বিনিদ্র রাত্রি কাটাতেই হবে…”, নবম-দশমের দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতি বসুর, কিন্তু কেন?

    এসএসসি (SSC Scam) আরও জানিয়েছে, ওই ৬১৮ জন বাদে বাকি ১৮৭ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু করে দেওয়া হবে। তার আগে ওই ১৮৭ জনের ওএমআর শিটগুলি আরও এক বার হাতেকলমে যাচাই করে নিতে চায় এসএসসি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় এসএসসি নিযুক্ত ৯৫২ জন নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র বিকৃত করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আদালত ওই ৯৫২ জনের মধ্যে ৮০৫ জনের চাকরির সুপারিশপত্র বাতিল করে তাঁদের বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: “আমরা পাঁচ বছর পর পর ভিক্ষা চাইতে যাই না”, ববিকে পাল্টা ডিএ আন্দোলনকারীরা

    DA Protest: “আমরা পাঁচ বছর পর পর ভিক্ষা চাইতে যাই না”, ববিকে পাল্টা ডিএ আন্দোলনকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহার্ঘ ভাতার (DA Protest) দাবিতে রাজ্যজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। ধর্নার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন সরকারি অফিসে পেন ডাউন কর্মসূচিও পালন হচ্ছে। আন্দোলনের আগুনে কিছুটা ছাই চাপা দিতে ৩% ডিএ- র ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও কমানো যায়নি রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ। বকেয়া ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি কলকাতার মেয়র (DA Protest) ফিরহাদ হাকিম বলেন, “না পোষালে ছেড়ে দিন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী হয়ে যান।” এই মন্তব্যের জেরে বুধবার কলকাতা পৌরসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখান পৌরসভার কর্মীরা। তাঁরা বলেন, “ববি হাকিমের মন্তব্যের প্রতিবাদে পুরসভার কর্মীরা পেন ডাউন করেছি। আমরা যোগ্যতার মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে এই জায়গায় এসেছি। উনি তো ক্যাবিনেট মন্ত্রী, ওনার যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন বিধানসভায় বিল আনতে। যে বিলের মাধ্যমে বলুক রাজ্য যে কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারবে না সেই কর্মচারীদের কেন্দ্র নিয়ে নেবে। আর ওনারা যা দুর্নীতি করেছেন কলকাতা পৌরসভায় সমস্ত নথি আছে আমাদের কাছে।”

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চও। তাদের সাফ কথা, বেতন দিতে না পারলে, ফিরহাদ (DA Protest) চেয়ার ছেড়ে চলে যান। সংগঠনের এক সদস্য বলেন, “আপনাকে বলছি ববিবাবু, আপনি যদি বেতন দিতে না পারেন, আপনার চেয়ারটা ছেড়ে চলে যান। কর্মচারীরা ৬০ বছর মাথা উঁচু করে থাকবে। আপনার মতো পাঁচ বছর পর পর হাতজোড় করে জনগণের কাছে ভিক্ষা চাইতে যাবে না নিজের কুর্সি বাঁচানোর জন্য।” এক রাজ্য সরকারি কর্মী বলেন, “ওনার মতো গেঞ্জি পরে টাকা নিই না।”

    আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    ডিএ ফিরিয়ে দিলেন শিক্ষক 

    এদিকে সরকারের ঘোষিত ৩ শতাংশ ডিএ ফিরিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির এক স্কুল শিক্ষক। শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের শিক্ষক প্রবীর কুমার বর্মণ বুধবার সাফ বলেন, “ভিক্ষার দান চাই না।” ডিএ নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী এবং শাসকদলের নেতাদের বক্তব্যে বিরক্ত তিনি।

    এ ব্যাপারে শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের শিক্ষক প্রবীর কুমার বর্মণ বলেছেন, “২০১৬ থেকে সীমাহীন বঞ্চনা এবং যে প্রতারণা হয়েছে আমি তার প্রতিবাদ (DA Protest) করছি। আমাদের প্রাপ্য ডিএ ৩৯ শতাংশ। সেখানে ৩ শতাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেছেন না পোষালে ছেড়ে দিন। কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করুন। এই চাকরি আমি চটি চেটে পায়নি, নিজের যোগ্যতায় পেয়েছি। ডিএ অধিকার। অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ভিক্ষার মতো ডিএ দিচ্ছে সরকার। সে জন্য আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ডিআই-কে ঘোষণাপত্র জমা দিয়েছি আমার বর্ধিত ৩ শতাংশ ডিএ দরকার নেই।” ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত বলেন, “আমার স্কুলের এক জন শিক্ষক বর্ধিত ডিএ নেবেন না বলে আমার কাছে চিঠি দিয়েছেন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Election Result 2023: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    Election Result 2023: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপূর্বের ৩ রাজ্যে আজ ভোট গণনা (Election Result 2023)। বুথ ফেরত সমীক্ষাগুলিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি জোট। ত্রিপুরা ও ন্যাগাল্যান্ডে বিজেপি জোটকে এগিয়ে রাখা হলেও মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে বিরোধীরা সেখানে ২২টি আসন পেতে পারে। মেঘালয়ে খাতা খুলতে পারে তৃণমূলও। ত্রিপুরায় ভোট নেওয়া হয়েছিল ১৬ ফেব্রুয়ারি, নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে ভোটগ্রহণ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আজ ৩  রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। সকাল ৮ টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে।

    ত্রিপুরায় আসন সংখ্যা ৬০, মেঘালয় ৫৯ এবং নাগাল্যান্ডে ৫৯। কোহিমায় ডিসি অফিসে শুরু হয়েছে ভোটগণনা (Election Result 2023)। আগে পোস্টাল ব্যালট খোলা হবে। তারপর ব্যালট। নিরাপত্তায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিস। এনডিপিপি ও বিজেপি কার ভাগ্য খোলে এখন সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে। নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে যথাক্রমে ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি সরকার রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    ত্রিপুরায় ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসনের ট্রেন্ড এসেছে। ৩৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বাম ৮টি, টিএমপি ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। নাগাল্যান্ডে ৬০টি আসনের মধ্যে ৩২টির ট্রেন্ড এসেছে। এনডিপিপির সঙ্গে বিজেপির জোট ২৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, এনপিএফ ২টি আসনে, কংগ্রেস ১টিতে এবং অন্যরা ৩টি আসনে (Election Result 2023) এগিয়ে রয়েছে। মেঘালয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার দল এনপিপি ৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে বিজেপি ও এনপিপি। প্রাথমিক প্রবণতায় ত্রিপুরায় বিজেপি এগিয়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। ৬০টি আসনের মধ্যে ১৬টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একইসঙ্গে টিএমপি এগিয়ে রয়েছে ৩টি আসনে। নাগাল্যান্ডে বিজেপি জোটের সঙ্গে এনডিপিপি এগিয়ে রয়েছে ৬টি আসনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sagardighi: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    Sagardighi: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই আজ, বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হল সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা। মন্ত্রী সুব্রত সাহার মৃত্যুতে খালি হয়ে যায় মূর্শিদাবাদের সাগরদিঘি আসনটি। সাগরদিঘি (Sagardighi) কলেজে শুরু হয়েছে এই কেন্দ্রের গণনা। ভোট গণনা চলবে দুপুর পর্যন্ত। এই কেন্দ্রে মূলত ত্রিমুখী লড়াই হচ্ছে। উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহা। আর বামফ্রন্ট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হলেন বায়রন বিশ্বাস। 

    সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় ত্রিমুখী লড়াই

    গত সোমবার সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৭৪ শতাংশ ভোট পড়ে। ভোটকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনাও ঘটে। কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এই কেন্দ্রে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী মাফুজা খাতুনকে হারিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তৃতীয় স্থান পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় এক সময় জেলার রাজনীতিতে নির্ণায়ক শক্তি কংগ্রেসকে। তবে গত লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই কেন্দ্র থেকে ‘অভাবনীয়’ সাড়া পেয়ে এবার চমক দেওয়ার কথা বলছে বিজেপি। জয়ের বিষয়ে আশাবাদী গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: শান্তিপ্রসাদের ‘ডেরা’য় মিলল দেড় কেজি সোনা, নগদ ৫০ লক্ষ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে যাওয়া, সাগরদিঘির (Sagardighi) মাটি কামড়ে অধীর চৌধুরীর পড়ে থাকা, শুভেন্দু অধিকারীর প্রচার—সব মিলিয়ে সাগরদিঘির উপনির্বাচনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল। এক কংগ্রেস কর্মীর গ্রেফতার, হাইকোর্ট থেকে তাঁর জামিন পাওয়া, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে ওসি বদল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের শব্দ অন্য আবহ তৈরি করে দিয়েছিল সেখানে। অশান্তির কথা মাথায় রেখে মোতায়েন করা হয়েছিল ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮২৫। মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৩৩ জন। গত সোমবারই ভোটগ্রহণ হয় সাগরদিঘিতে। এই উপ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৫.১৮ শতাংশ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কেন্দ্রে নির্ণায়ক ভূমিকায় থাকবেন সংখ্যালঘু ভোটাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • West Bengal: মুখ ফেরাচ্ছেন অভিভাবকরা! সত্যিই কি বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের ৮,২০৭ সরকারি বিদ্যালয়?

    West Bengal: মুখ ফেরাচ্ছেন অভিভাবকরা! সত্যিই কি বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের ৮,২০৭ সরকারি বিদ্যালয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঠনপাঠন হয় না! রাজ্য সরকার অনুমোদিত বিদ্যালয়গুলির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সন্তানদের তাই সরকারি স্কুলে পাঠাতে নারাজ অভিভাবকরা! জানা যাচ্ছে রাজ্যে (West Bengal) বন্ধ হতে বসেছে প্রায় ৮,২০৭টি স্কুল। এর মধ্যে সিংহভাগই প্রাথমিক বিদ্যালয়। কারণ এই স্কুলগুলিতে ছাত্র সংখ্যা তিরিশেরও কম। সম্প্রতি ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্যদের শিক্ষক পদে চাকরির ইস্যুতে সরগরম রাজ্য। অষ্টম শ্রেণির যোগ্যতায় শাসক নেতাদের বদান্যতায় শিক্ষক হয়েছেন এমন নজিরও উঠে এসেছে হাইকোর্টের সামনে। এই আবহেই এবার বন্ধ হতে চলেছে আট হাজারের বেশি স্কুল। বিভিন্ন মহলের বক্তব্য, অভিভাবকদের ভরসাই উঠে গেছে রাজ্য সরকারের শিক্ষানীতির উপর। 

    কবে নাগাদ বন্ধ হতে পারে স্কুলগুলি

    শোনা যাচ্ছে, এবিষয়ে শিক্ষাদপ্তর কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা না বের করলেও উচ্চমাধ্যমিক কিংবা পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরই কার্যকর হয়ে যাবে এই সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যে একটি তালিকা দেখা যাচ্ছে যেখানে তিরিশের নিচে ছাত্র সংখ্যার স্কুলগুলিকে মূলত চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে এমন স্কুলও নজরে পড়ছে যেখানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা দেখা যাচ্ছে ১০ বা ১৫! খোদ কলকাতাতে এমন ৫৩১টি স্কুল রয়েছে যেখানে পড়ুয়ার সংখ্যা তিরিশেরও কম। তালিকায় দেখা যাচ্ছে পুরুলিয়া জেলায় ৬৯৪টি স্কুলের এই অবস্থা। আবার জঙ্গল ঘেরা ঝাড়গ্রাম জেলা আয়তনে ছোট হলেও তিরিশের নিচে পড়ুয়া রয়েছে জেলার ৪৭৯টি বিদ্যালয়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র একই অবস্থা নজরে পড়ছে। বিদ্যালয়গুলির এমন করুণ অবস্থা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি বলেছেন, পড়ুয়া না থাকলে শিক্ষক নিয়োগ করে কী লাভ! বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, শহরাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলিতে অতিরিক্ত শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছে, অথচ গ্রামাঞ্চলগুলির বিদ্যালয়গুলি ধুঁকছে! তাই অতিরিক্ত শিক্ষকদের গ্রামের স্কুলে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শান্তিপ্রসাদের ‘ডেরা’য় মিলল দেড় কেজি সোনা, নগদ ৫০ লক্ষ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Cholesterol Control: ওষুধ খেয়েও কমছে না কোলেস্টেরল? পাতে রাখুন এই ৫ টি খাবার

    Cholesterol Control: ওষুধ খেয়েও কমছে না কোলেস্টেরল? পাতে রাখুন এই ৫ টি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ঘরে ঘরেই দেখা যায় কোলেস্টেরলের (Cholesterol Control) সমস্যা। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস ও জীবনযাপনের কারণে কোলেস্টেরলের মাত্রা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে এই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য ট্যাবলেট খাওয়ার প্রয়োজন তো রয়েছেই কিন্তু এর পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত কিছু পুষ্টিকর খাবারও।

    কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা কেন জরুরি?

    ভালো কোলেস্টেরল যতটা গুরুত্বপূর্ণ, খারাপ কোলেস্টেরল ঠিক ততটাই বিপজ্জনক। কোলেস্টেরল রক্তে ময়লার মত, যা শিরার ভিতরে জমতে শুরু করে ও সঙ্কুচিত করে। এর জেরে রক্তপ্রবাহেও বাধা দেয়। এ কারণে হৃৎপিণ্ডে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পৌঁছাতে পারে না ও ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধও করে দেয়।

    আমাদের শরীরে আছে দুই ধরণের কোলেস্টেরল (Cholesterol Control)। লাইপোপ্রোটিন এইচডিএল এবং লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল। এই এলডিএল কোলেস্টেরলকে বলা হয় খারাপ কোলেস্টেরল। এটিই আপনার হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের কারণ। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলি রোজের পাতে রাখলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।  

    খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ৫টি খাবার

    লেগুম: ডাল হিসাবেও পরিচিত, এর মধ্যে রয়েছে মটরশুটি, মুসুর ডাল, এছাড়াও সয়াবিন, চিনাবাদাম এবং মটর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। মটরশুটি ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস। এটি আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। তাই আজই আপনার ডায়েটে যোগ করুন কালো মটরশুটি, মুসুর ডালের মত হাই-ফাইবার যুক্ত খাবার।

    অ্যাভোকাডো: অ্যাভোকাডো একটি পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে যা ওজন কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্য, দৃষ্টিশক্তি এবং হাড়ের ঘনত্ব উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে (Cholesterol Control)।

    আরও পড়ুন: হার্ট ভাল রাখে সঙ্গে স্ট্রেসও কমায়! জানুন ডার্ক চকোলেটের ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

    গোটা শস্য: বিশেষ করে ওটস এবং বার্লি হৃদরোগের ঝুঁকি কম করতে পারে। ওটস হল একটি গ্লুটেন-মুক্ত খাদ্য যা প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি বড় উৎস যা সুস্থ শরীর গঠনে সাহায্য করে। এতে ভরপুর মাত্রায় দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এই ‘সলিউবল ফাইবার’ খেলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল বেরিয়ে যায়।

    ডার্ক চকোলেট: ডার্ক চকোলেট অত্যন্ত পুষ্টিকর কারণ এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ যা রক্ত ​​​​প্রবাহ এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাস সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলিতে পূর্ণ। ডার্ক চকোলেট এবং কোকোতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে (Cholesterol Control)।

    রসুন: রসুনে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। এটি রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে (Cholesterol Control)।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share